চারবার বিয়ে করেছিলেন তিনি। কিন্তু কোনও বিয়েই এক দশক টেকেনি! তবে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক বরাবরই চর্চায় থেকেছে। কথা হচ্ছে কিশোর কুমার এবং মধুবালার।
১৯৬০ -এর অক্টোবর মাসে তৎকালীন প্রেমিকা মধুবালার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন কিশোর কুমার। তার আগে তাঁরা প্রায় দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করেছেন। এরপরই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু অভিনেত্রীর বোন অতীতে জানিয়েছিলেন, যখন মধুবালা অসুস্থ হন তখন তাঁকে ছেড়ে দেন কিশোর কুমার।
প্রসঙ্গত, কিশোর কুমারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে দিলীপ কুমারের সঙ্গে দীর্ঘ ৯ বছরের সম্পর্কে ছিলেন মধুবালা। তাঁদের সম্পর্কের কথা সকলেই জানতেন। ১৯৫৬ সালে 'নয়া দৌড়' ছবির পর তাঁরা তাঁদের সম্পর্কে ইতি টানেন। এরপরই মধুবালার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় ছবি 'চলতি কা নাম গাড্ডি' -এর সহঅভিনেতা, কিশোর কুমারের সঙ্গে। সেই বন্ধুত্বই গড়ায় প্রেম এবং তারপর বিয়েতে। মধুবালাকে বিয়ে করার জন্য নিজের ধর্ম পর্যন্ত বদলান কিশোর কুমার। কিন্তু তাঁদের বিয়ের আগেই অভিনেত্রীর হার্টের সমস্যা ধরা পড়ে।
বিয়ের পর অসুস্থতা বাড়লে অভিনেতা, গায়ক স্ত্রীকে ছেড়ে দেন। মধুবালার বোন মধুর ভূষণ অতীতে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানান, মধুবালার হার্টের অবস্থার কারণে চিকিৎসকরা তাঁকে সেক্স করতে বারণ করেছিলেন। এমনকী জানিয়েছিলেন তিনি কখনও গর্ভধারণ করতে পারবেন না। সেই জন্যই কিশোর কুমার তাঁকে তাঁর বাবার বারই পাঠিয়ে দেন।
যদিও পরবর্তীতে কিশোর কুমার এই দাবি অস্বীকার করেন। কিন্তু তিনি এটা মেনে নেন যে তিনি কখনই মধুবালাকে ভালবাসেননি। তাঁর কথায়, মধুবালা তাঁর কাছে কেবল তাঁর বন্ধু দিলীপ কুমারের প্রেমিকা ছিলেন। তবে অভিনেত্রীই নাকি তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং জোরাজুরি করেন। তাই তিনি বিয়ে করেন।
১৯৬৯ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে মারা যান মধুবালা। এর কয়েক বছর পর ১৯৭৬ সালে যোগিতা বালিকে বিয়ে করেন কিশোর কুমার। মাত্র ২ বছরে সেই বিয়েতেও ইতি টানেন তাঁরা। ১৯৮০ সালে লীনা চন্দভারকরকে বিয়ে করেন কিশোর কুমার। তাঁর প্রথম স্ত্রী ছিলেন রুমা গুহঠাকুরতা।
















