সালটা ২০০৫। সেই সময় এক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমের তরফে শক্তি কাপুরের বিরুদ্ধে স্টিং অপারেশন চালানো হয়। সেখানেই বর্ষীয়ান অভিনেতা না জেনে বা বুঝে নবাগতা অভিনেত্রীর বেশে থাকা মহিলা সাংবাদিককে যৌন চাহিদা মেটানোর প্রস্তাব দেন। ২১ বছর পর পুনরায় ভাইরাল হল সেই ভিডিও।
শক্তি কাপুর সেই মহিলাকে কাজ দেওয়ার নাম করে মুম্বইয়ের একটি হোটেলে ডাকেন। তিনি লুকানো ক্যামেরা নিয়ে যান অভিনেতার সঙ্গে দেখা করতে। সেখানেই শক্তি কাপুরকে তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'সিস্টেম মেনে চলতে হবে। আমি তোমাকে সেরা নাচ এবং অভিনয়ের ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দেব। আমিই তোমার হয়ে প্রযোজকদের সঙ্গে কথা বলব। তোমায় কিচ্ছু করতে হবে না। তোমার জন্য পেপারে প্রতিবেদন বের করব যে, উঠতি তারকা। এই মেয়েটি আসছে। তোমার শরীর সঙ্গ দেবে তো? এই যে মাসল....'
শক্তি কাপুর সেদিন তাঁকে এও বলেন, 'কেউ তোমাকে স্পর্শ করবে না। এই লাইনে একজন ভাল কাউকে চেনা খুব জরুরি, ২ হাজার জনের থেকে।' এখানে বলেই তিনি থামেননি, উদাহরণ দেন, আর তাতেই তিনি দাবি করেন ঐশ্বর্য রাই সুভাষ ঘাইয়ের সঙ্গে, প্রীতি জিন্টা এবং রানি মুখার্জি যশ জোহরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে নামডাক করেছেন, কাজ পেয়েছেন।
বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী, প্রযোজক, পরিচালকদের নিয়ে এ হেন মন্তব্য করায় সেই সময় চরম কটাক্ষ এবং বিদ্রুপের মুখে পড়েন শক্তি কাপুর। তাঁকে ব্যান পর্যন্ত করে দেওয়া হয়। যদিও তিনি নিজে দাবি করেছিলেন সেই মেয়েটি তাঁকে মদ্যপান করিয়েছিল, তাই নেশার ঘোরে তিনি ভুল বকেছেন। শুধু তাই নয়, এই ভিডিও অনেকটাই ভুয়ো, এডিট করা হয়েছে। সব সত্য নয়। রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টাও করেন তিনি গোটা বিষয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত সপ্তাহখানেক পর তাঁর উপর থেকে ব্যান তুলে নেওয়া হয়।
















