আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিধায়ক নিজেই পৌঁছে যাচ্ছেন বাড়ি বাড়ি। তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে শংসাপত্র। বর্ষার মরশুমে বিপদগ্রস্ত বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ত্রিপল। চন্দননগরের বিধায়কের এই নজিরবিহীন উদ্যোগে খুশি এলাকাবাসী।

 

এলাকাবাসীদের কেউ আবেদন করেছিলেন রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেটের জন্য। কারওর দরকার ইনকাম প্রুফ সত্রিফিকেট। কারওর আবার ঘরের চাল চুইয়ে বর্ষার জলে ঘর ভাসছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রয়োজন ত্রিপল। বাসিন্দাদের প্রয়োজনের কথা পৌঁছেছিল বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহর কানে। বৃহস্পতিবার তিনি নিজেই পৌঁছে গেলেন সেই সব বাড়িতে। কথা বললেন আবেদনকারীদের সঙ্গে। হাতে তুলে দিলেন শংসাপত্র। তাঁদের বাড়িতে গিয়ে বিতরণ করলেন ত্রিপল। বাড়িতে বসে এই পরিষেবা পেয়ে খুশি হলেন বাসিন্দারা।

 

এদিন বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, "চন্দননগর কর্পোরেশনের নির্বাচিত তৃণমূল কাউন্সিলররা সকলেই বিধানসভা ভোটের পর পালিয়ে গিয়েছেন। কর্পোরেশনে প্রশাসক বসেছেন। অনেকেরই অনেক সমস্যা আছে। সেগুলি বিধায়কের কাছে এসে পৌছেঁছে। সবাই সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। সাধ্যমত তিনি সকলের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করছেন। শংসাপত্র যাঁর দরকার তাঁর বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিচ্ছেন।বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাস্তব অবস্থাটাও খতিয়ে দেখছেন। ত্রিপল পৌঁছে দিচ্ছেন। আবেদন করার পর কাউকেই আর শংসাপত্র নেওয়ার জন্য বিধায়ক অফিসের চক্কর কাটতে হচ্ছে না।

বিধায়ক সেই আবেদন প্রথমে যাচাই করে দেখছেন। দলমত নির্বিশেষে আবেদনের তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে শংসাপত্র বাড়ি গিয়ে প্রাপকের হাতে তুলে দিচ্ছেন। তবে তাঁকে সবকাজ নিজেকেই সারতে হচ্ছে। তাই সব জায়গায় তিনি নিজে পৌঁছতে পারছেন না। চন্দননগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে দলের ওয়ার্ড সেবক রয়েছেন। তাঁরা সেই দায়িত্ব গুরুত্ব সহকারে পালন করছেন। তবে সমস্ত কাজই পালন করা হচ্ছে নিঃশর্তে, নিঃস্বার্থভাবে।