আজকাল ওয়েবডেস্ক: দিঘা সমুদ্র সৈকতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার। সমুদ্র সৈকত থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চলও ছড়িয়েছে। যদিও ওই যুবকের পরিচয় এখনও জানতে পারেনি দিঘা থানা পুলিশ।
আজ, বুধবার দুপুর নাগাদ মাইটি ঘাটের কাছে সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসে ওই মৃতদেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। ওই মৃত ব্যক্তির পরনে ছিল আকাশি রঙের গেঞ্জি ও ট্রাকসুট।
সম্ভবত সমুদ্রে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হতে পারে, এমনটাই প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। পুলিশ মৃতদের উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে আতঙ্কে পর্যটকরাও।
সম্সপ্রতি দিঘার পর্যটকদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার। গত শনিবার দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জি। এরপরেও মন্ত্রী জানান, “মদ্যপান, তামসিক দ্রব্য তট এবং তট সংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত। পুরো দিঘায় তট সংলগ্ন এলাকায় মদ্যপান করে সমুদ্রে নামা অপরাধ।”
মন্ত্রীর আরও দাবি, “নিজে মদ খেয়ে জলে নেমে ডুবে গেলাম, বাড়ির লোকের দোষ কী ছিল? আরও একটা প্রবণতা দেখা যায়, ডাবের জলে মদ মেশানো, জলের মধ্যে মদ মেশাতে দেখা যায়। জলে মদ মেশানো, ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে মদ মেশানো ইত্যাদি বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।”
তিনি আরও জানিয়েছেন, “অনেকেই শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরে স্নান করেন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে স্যুইমস্যুট বা সমুদ্রস্নানের উপযোগী পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” সমুদ্রতটের প্রতি ১০০ মিটার অন্তর প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ মোতায়েন এবং পর্যটকদের জন্য আরও উন্নত লাইফগার্ডিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।
















