SNU

শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Loksabha Election: কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সমর্থনে প্রচারে নেই মোদি, হতাশ মতুয়াদের একাংশ, বিঁধল তৃণমূল

Pallabi Ghosh | ১৯ মে ২০২৪ ১৫ : ০১


আজকাল ওয়েবডেস্ক: নির্বাচনের আবহে বাংলায় ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রতি সপ্তাহেই একগুচ্ছ জনসভা। কোনও কোনও কেন্দ্রে দুইবার প্রচারে গেলেও, প্রধানমন্ত্রী এড়িয়ে গেলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর লোকসভা কেন্দ্র। ২০ মে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট। শুক্রবার ছিল প্রচারের শেষদিন। মোদি প্রচারে না আসায় যারপরনাই হতাশ মতুয়াদের একাংশ। আবার একাংশের মতে, সিএএ কার্যকর হলেও, মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্বের দাবি মেটাতে পারবেন না বলেই ঠাকুরবাড়ির চত্বরে এবার পা রাখলেন না প্রধানমন্ত্রী। যা ঘিরে মোদিকে বিঁধতে পিছপা হল না তৃণমূল।
প্রচার শেষে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাসের কথায়, 'প্রধানমন্ত্রীর আসল উদ্দেশ্য মতুয়ারা টের পেয়েছেন। যে আশ্বাস তিনি পাঁচ বছর আগে দিয়েছিলেন, তা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এই মিথ্যাচার মতুয়ারাও বুঝেছেন। নতুন করে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে সাহস পাননি বলেই প্রধানমন্ত্রী এলেন না।'
তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা বালা ঠাকুরের বক্তব্য, 'উনি আসলে ভয় পেয়েছেন। মতুয়ারা যে ওঁনার পাশে নেই, সেটাও টের পেয়েছেন। সিএএ লাগু করেই ভেবেছিলেন বাজিমাত করবেন। কিন্তু ৫ বছরে কোনও দাবিই পূরণ করতে পারেননি। জনসভায় লোক হবে না জেনেই এবার বনগাঁয় এলেন না।'
২০১৯ সালে প্রথমবার ঠাকুরনগরে এসেছিলেন মোদি। একদা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে হাওয়া ঘুরিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর সিএএ প্রতিশ্রুতি। চব্বিশের ভোটের মুখে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অর্থাৎ ক্যা কার্যকর হওয়ার পর প্রথমে উচ্ছ্বসিত হলেও, পরে আতঙ্ক গ্রাস করে মতুয়াদের। কারণ ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ছাড়া আরও কোনও নথিপত্র তাঁদের কাছে নেই। বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেন মতুয়ারা। এই আবহে নিঃশর্ত নাগরিকত্বের দাবি তোলেন তাঁরা।
বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে ১৫ মে অমিত শাহ বনগাঁয় এসেছিলেন। কিন্তু হিন্দি ভাষণে সেই ঝাঁঝ খুঁজে পাননি মতুয়ারা। নিঃশর্ত নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে একবারও মুখ খোলেননি শাহ। মতুয়াদের একাংশ মুখিয়ে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের জন্য। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার পর বাংলায় এখনও পর্যন্ত ১৬টি সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ সভা তো দূরের কথা, শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে কোনও বার্তাও পাঠাননি। শাসক দলের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি থেকে অভিষেক ব্যানার্জি, বনগাঁর জনসভায় বারবার মতুয়াদের নিঃশর্ত নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি তোলেন। শুধুমাত্র ভোটের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী যে মতুয়াদের সঙ্গে আঁতাত করে, তা ঘিরেও খোঁচা দেন মমতা। নিঃসন্দেহে বনগাঁ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ ফেরানোর জেরে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েছে বিজেপি। অমিত শাহের বাংলায় ৩০টি আসনের লক্ষ্যমাত্রা থেকে একটি কি তবে সরে গেল! জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে।




বিশেষ খবর

নানান খবর

Advertise with us

সোশ্যাল মিডিয়া



SNU