আজকাল ওয়েবডেস্ক: কলকাতার ফুটবলে ডার্বি শুধু মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, এটি আবেগ, উন্মাদনা আর চিরন্তন প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক আলাদা ছবি। সেই ডার্বির উত্তাপ এবার মাঠে নামার আগেই টের পেলেন ইস্টবেঙ্গলের নয়া বিদেশি ক্রিস ইকোনোমিডিস।
দলবদলের বাজারে একই দিনে কলকাতায় পা রাখলেন দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের দুই নতুন মুখ—ইস্টবেঙ্গলের ক্রিস ইকোনোমিডিস এবং মোহনবাগানের মিগুয়েল। আর শহরে পা দিয়েই ইকোনোমিডিস বুঝে গেলেন, কলকাতা ডার্বি কেন বিশ্বের অন্যতম আবেগঘন ফুটবল লড়াইগুলির মধ্যে ধরা হয়।
বিমানবন্দরেই যেন তৈরি হয়ে গিয়েছিল ডার্বির মঞ্চ। ইকোনোমিডিসকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। গলা ফাটিয়ে উঠল স্লোগান, ‘জয় ইস্টবেঙ্গল’। মুহূর্তের মধ্যেই বোঝা গেল, নতুন তারকাকে ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশা কতটা বেশি। অন্যদিকে মোহনবাগান সমর্থকরাও স্লোগান-চিৎকার শুরু করে দেন। চলতে থাকে টীকা-টীপ্পনী। ডার্বির চেনা পরিবেশ ফিরে এল বিমানবন্দরে।
সেই আবেগের আঁচ থেকে বাদ যায়নি মোহনবাগান শিবিরও। কারণ ইকোনোমিডিসের শহরে আগমনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতায় এলেন মিগুয়েল—যিনি গত মরশুমে ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে। এবার সেই মিগুয়েলই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের সদস্য। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে ঘিরে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
একদিকে লাল-হলুদের নতুন আশার নাম ইকোনোমিডিস, অন্যদিকে প্রাক্তন প্রতিপক্ষের তারকাকে ঘরে তুলে মোহনবাগানের নতুন চমক—সব মিলিয়ে কলকাতার ফুটবল আকাশে ডার্বির আগুন যেন আরও একটু জ্বলে উঠল।
ইকোনোমিডিস এখনও ইস্ট-মোহন ডার্বির মাঠের লড়াইয়ে নামেননি। কিন্তু কলকাতায় পা রাখার দিনই তিনি দেখে নিলেন এই ম্যাচের আসল রং—সমর্থকদের আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা আর দুই শিবিরের অদম্য ভালোবাসা। মাঠে বল গড়ানোর আগেই শুরু হয়ে গেল ডার্বির লড়াই।
















