আজকালের প্রতিবেদন: প্রথম দিনই ‌‘‌বাংলার শিক্ষা– দূরভাষে’‌র টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করল ১০ থেকে ১১ হাজার পড়ুয়া। টোল ফ্রি এই নম্বরটিতে হাজার লাইন রয়েছে। প্রথম দিনের সাফল্যে লাইন এবং শিক্ষকদের সংখ্যা আরও বাড়ানোর কথা ভাবছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। কী করে টেলিফোনে পড়া বোঝাতে হবে সে ব্যাপারে ২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল সিলেবাস কমিটি। তাঁদের মধ্যে এই কর্মসূচিতে এক হাজার শিক্ষককে কাজে লাগানো হচ্ছে। সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান অভীক মজুমদার বলেন, ‘‌যাদের কাছে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেটের সুবিধা নেই, কাকদ্বীপ থেকে কালিম্পং, ঝাড়গ্রাম থেকে কোচবিহারের সেই পড়ুয়াটির কাছেও আমরা পৌঁছতে পেরেছি। এটা একটা বড় সাফল্য। দেশের আর কোনও রাজ্য এটা করেনি।’‌  নবম ও দশমের অঙ্ক বই সবার এক হওয়ায় অঙ্ক নিয়ে কোনও প্রশ্ন থাকলে শিক্ষক বইয়ের উদাহরণটি পড়ুয়াকে দেখতে বলে অঙ্কটি বুঝিয়ে দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত, স্মার্ট ফোন বা ইন্টারনেটের বদলে সাধারণ ফোনে এভাবে পড়াশোনা মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে। টোল ফ্রি নম্বরটি হল ১৮০০ ১২৩ ২৮২৩।  নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরাই আপাতত এর সুযোগ পাচ্ছে। রবিবার বাদ দিয়ে প্রতিদিনই বেলা ১১টা একে ১টা এবং বেলা ২টো থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত‌ এই পরিষেবা চলবে। ছাত্রছাত্রীরা বাংলা ছাড়াও হিন্দি, উর্দু, সাঁওতালি, নেপালি এবং ইংরেজি ভাষায় প্রশ্ন করতে পারবে। লকডাউন শুরু হওয়ার পর অনলাইনে পড়ানোর ব্যবস্থা করা হলেও, সব পড়ুয়ার কাছে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় এর সুফল পাওয়া যায়নি। কিন্তু সাধারণ ফোন প্রায় সবার কাছেই রয়েছে। তাই সেই ফোনকে ব্যবহার করে স্কুল বন্ধ থাকার এই সময়টায় ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার অভ্যেস বজায় রাখতেই এই‌ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top