আজকালের প্রতিবেদন: বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় চলে এসেছিলেন ইডেনে। দিনের আলোয় ভাল করে গোলাপি বলে টেস্টের যাবতীয় প্রস্তুতি দেখার জন্য। ঘণ্টাদুয়েক ভাল করে ইডেনের মাঠ এবং ইনডোর পরিদর্শন করলেন বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। বেশি সময় কাটান ইনডোরেই। ভাল করে ঘুরে দেখেন ইনডোরের জিম, সুইমিং পুলের কাজ। কোথায় কী হবে তার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, বেছে গিয়েছেন ২২ নভেম্বর দিন–রাতের টেস্টের প্রথম দিনে সিএবি–র সব মেম্বারের খাওয়ার জায়গাও। 
ওইদিন ইডেনের ক্লাব হাউসে থাকবেন ভিভিআইপিরা। সঙ্গে তাঁদের নিরাপত্তারক্ষীরাও। তাই এবার টেস্টের প্রথম দিন সিএবি সদস্যদের খাওয়ার ব্যবস্থা অন্যত্র করা হয়েছে। তার তদারকিও করেছেন সৌরভ।
সিএবি সূত্রে এদিনজানা গেছে, সৌরভ চাইছেন ২১ নভেম্বর টেস্টের প্রাক্কালে সিএবি–র অত্যাধুনিক ইনডোরের উদ্বোধন করতে। সেজন্য দিন–রাত ঝড়ের গতিতে কাজ চলছে। ২২ তারিখ সন্ধেয় ইডেনে  থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তা সরকারিভাবে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। থাকছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
এদিন ইডেন পরিদর্শন করেন দমকল দপ্তরের ডিজি জগমোহন। তিনি সিএবি সচিব অভিষেক ডালমিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করেন। দমকল দপ্তর থেকে বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সিএবি–কে। আগামী সপ্তাহে আবার ইডেন পরিদর্শন করবে দমকল। দমকলের ডিজি বলেন, ‘আমরা সবকিছু ঘুরে দেখলাম। এটা রুটিন পরিদর্শন। কয়েকটা প্রস্তাব দিয়েছি। সিএবি সেগুলো করে রাখবে বলে জানিয়েছে।’ 
সিএবি সচিব অভিষেকের বক্তব্য, ‘ইনডোরের জন্য ইডেনে ম্যাচ চলাকালীন যে অস্থায়ী রান্নাঘর তৈরি হয়, সেটা এবার অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেগুলোই দমকলের ডিজি পরিদর্শন করেছেন। সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য যা যা প্রয়োজন, আমরা সেগুলোর ব্যবস্থা রাখছি।’
এখনও পরিষ্কার নয়। তবে সিএবি সূত্রের খবর, ১৮ নভেম্বর থেকে মহমেডান মাঠের কাউন্টার থেকে সাধারণ দর্শকদের জন্য টিকিট বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে। সরকারের ক্রীড়া দপ্তরের সিলমোহর পড়ে গেছে টিকিটে। এবার কলকাতা পুলিশের সিলমোহর লাগবে। এদিনই ক্লাবগুলোর কোটার টিকিটের মোট সংখ্যা সিএবি–র হাতে এসে গেছে। তার বাইরের টিকিট অনলাইন এবং কাউন্টারে বিক্রির জন্য ছাড়বে সিএবি।
সিএবি–তে এসে পৌঁছেছে বাংলােদশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য খাবারের তালিকাও। নিউ টাউনের একটি পাঁচতারা হোটেল বানাচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী–‌সহ ভিভিআইপিদের যাবতীয় খাবার।  যা দেখা গেল, সেই তালিকায় থাকছে না ইলিশের কোনও মেনু। মূলত পাশ্চাত্যের খাবারের সংখ্যাই বেশি। মধ্যাহ্নভোজের তালিকায় থাকছে মেথি মাছ, পনির লবাবদার, সবজি মিলনি, ডাল মাখনি, তাওয়া পরোটা, বাসমতী পোলাও এবং ভেটকি মাছ। সঙ্গে থাকছে আচার, চাটনি, পঁাপড়। মিষ্টির তালিকায় রসগোল্লা, বেকড সন্দেশ, পায়েস এবং পেস্ট্রি।

তাঁর নজরে সবকিছুই। সিএবি–র ইনডোর তদারকি করতে ব্যস্ত ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। ছবি: রাজকুমার মণ্ডল

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জনপ্রিয়

Back To Top