আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিকাশ দুবের উত্থান, তার এতদিনের কাণ্ডকারখানা, কে কে তাকে মদত দিত— এসব তদন্তের জন্য শনিবারই বিশেষ তদন্তকারী দল (‌সিট)‌ গঠন করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কী কী পুলিশ পদক্ষেপ হয়েছে তাও খতিয়ে দেখবে সিট। এবার বিকাশ এবং তার পাঁচ সঙ্গীর এনকাউন্টার আর ৩ জুলাই ব্যর্থ পুলিশি এনকাউন্টারের তদন্তের জন্য এক জন সদস্যের কমিটি তৈরি হল।
৩ জুলাই ভোররাতে কানপুরের বিকরু গ্রামে বিকাশকে ধরতে যায় ৫০ জন পুলিশের একটি দল। পুলিশেরই একাংশ সেই খবর আগেভাগে পৌঁছে দেয় বিকাশকে। ফলে দলবল নিয়ে তৈরিই ছিল গ্যাংস্টার। এর পর পুলিশ তার ডেরায় ঢুকতেই গুলি বর্ষণ শুরু করে বিকাশরা। প্রাণ হারান ডিএসপি দেবেন্দ্র মিশ্র সহ আট জন পুলিশ কর্মী। সেই ব্যর্থ অভিযানের তদন্ত এবার আলাদা করে করবে কমিটি। 
এই ঘটনার পরই ফেরার হয়ে যায় বিকাশ। গত বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের উজ্জ্বয়িনীতে ধরা পড়ে সে। কানপুরে ফেরানোর সময় পালাতে চায় ডন। তখনই এনকাউন্টার করে পুলিশ। ১০ জুলাই সকালে হয় এনকাউন্টার। মাঝের এক সপ্তাহে বিকাশের পাঁচ সঙ্গীকেও ধরতে গিয়ে এনকাউন্টার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। এদের সকলেরই ৩ জুলাই পুলিশি খুনের সঙ্গে যোগ ছিল বলে এফআইআর দায়ের হয়েছে। 
এক সপ্তাহের মধ্যে এতগুলো এনকাউন্টারের তদন্ত করবে কমিটি। উত্তরপ্রদেশের তথ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, সব ঘটনাই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আলাদ করে তদন্ত হওয়া উচিত। ১৯৫২ সালের অনুসন্ধান আইনের তিন নম্বর ধারা মেনে বিজ্ঞপ্তি জারি হল। এক সদস্যের কমিটির মাথায় থাকবেন প্রাক্তন বিচারক শশীকান্ত আগরওয়াল। কমিশনের সদর দপ্তর হবে কানপুরে। দু’‌মাসের মধ্যে শেষ করতে হবে তদন্ত। দুবে, তার সঙ্গী এবং পুলিশের মধ্যে কী যোজসাজশ ছিল, তাও খতিয়ে দেখবে কমিটি। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা এড়ানো যায়, সেই নিয়ে পরামর্শও দেবে। সিট তাদের তদন্তের রিপোর্ট জমা দেবে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে। 

ছবি:‌ এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top