আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ফের পণপ্রথার শিকার বধূ। চলল নারকীয় অত্যাচার। অত্যাচারের বিবরণ শুনে শিউরে উঠেছে পুলিসও। বিহারের গোপালগঞ্জ জেলার ঘটনা। পণের দাবিতে ২২ বছরের তরুণীর উপর নারকীয় অত্যাচার চালায় শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। লোহার রড দিয়ে মারধর, গরম লোহার ছ্যাঁকা দিয়ে প্রায়ই অত্যাচার চলত। তারপরেও পণ পাওয়া যাচ্ছে না বুঝতে পেরে বধূর দু’‌হাতের নখ উপড়ে ফেলে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। তারপর মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়। যন্ত্রণায় অচৈতন্য হয়ে পড়লে সন্তর্পণে তাঁকে নিকটবর্তী রেললাইনের উপর রেখে আসে তারা। 
জ্ঞান ফেরার পর বধূ বুঝতে পারেন তাঁকে বাড়ির বাইরে রেললাইনের উপর ফেলে রাখা হয়েছে, তখন প্রাণ বাঁচাতে চিৎকার শুরু করেন। বধূর আর্তনাদ শুনে ছুটে আসেন রেললাইনের আশপাশের বস্তির বাসিন্দারা। তাঁরাই বধূকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন তিনি। শরীরে সাত জায়গায় আঘাত গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অসংখ্য জায়গায় রয়েছে গরম কিছু দিয়ে পোড়ানোর দাগ। সেই ক্ষতগুলি এখনও তাজা। পুলিসকে নিজের বয়ানে বধূ জানিয়েছেন, ২ লাখ টাকা নগদ এবং মোটর বাইকের জন্য বিয়ের পর থেকেই তাঁর উপর চাপসৃষ্টি করত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। সেই দাবি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। তারপরেই শুরু হয় অত্যাচার।

জনপ্রিয়

Back To Top