আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনার জেরে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ রেখেছে বিমান সংস্থাগুলি। দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। স্বাভাবিকভাবেই বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে সংস্থাগুলিকে। এমনকী কর্মীদের বেতন দিতে গিয়েও সমস্যায় পড়েছে কর্তৃপক্ষ।
এই পরিস্থিতি বিমান সংস্থাটির মুখ্যনির্বাহী কর্মকর্তারা আগামী তিন মাস কর্মচারীদের বেতনের ৫০ শতাংশ সরকারকে বহন করতে আর্জি জানিয়েছেন। কারণ সরকার বলেছে, মহামারীজনিত কারণে পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলেও সংস্থাগুলি যেন কর্মচারীদের বরখাস্ত না করে। কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমস্ত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে জানানো হচ্ছে, তারা যেন কর্মচারীদের দৈনিক মজুরি বা চুক্তি শ্রমিকদের বরখাস্ত না করে এবং তাদের মজুরি হ্রাস না করে।’‌
কিন্তু বিমান সংস্থাগুলির আধিকারিকরা জানান, এই পরিস্থিতিতে কর্মচারীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ বেশিরভাগটাই নগদ জোগানের উপর নির্ভরশীল। ওই নগদ টাকা আগাম টিকিট বিক্রি থেকে আসে। এই মুহূর্তে আগাম টিকিট বিক্রির কোনও প্রশ্নই নেই। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিক জানান, যন্ত্রণার সময় সবে শুরু হয়েছে। গ্রাহকের আত্মবিশ্বাস ফিরে আসতে কমপক্ষে ছ’মাস সময় লাগবে। যে কারণে সরকারি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

Back To Top