আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দেশের শীর্ষ আদালতও তথ্যের অধিকার আইনের আওতায়। আরটিআইয়ের অধীনে পড়বেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিও। দিল্লি হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেই মামলায় আজ রায় দিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধানবিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ। বুধবার দুপুর ২টো নাগাদ রায় পাঠ করে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এনভি রামানা, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না ও বিচারপতি দীপক গুপ্তার বেঞ্চ জানায়, ‌‘তথ্যের অধিকার এবং গোপনীয়তার অধিকার দুটিই একই মুদ্রার এ পিঠ-ও পিঠ’। শুনানির পর গত ৪ এপ্রিল রায় দান স্থগিত রেখেছিলেন প্রধান বিচারপতি। 
উল্লেখ্য, প্রায় ১০ বছর আগে ২০০৯ সালে একটি মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় তথ্য প্রকাশে প্রধান বিচারপতির দপ্তর ও সুপ্রিম কোর্টও দায়বদ্ধ। ২০১০ সালে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন দেশের শীর্ষ আদালতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার। চলতি বছরের এপ্রিলে এই মামলায় রায় ‘রিজার্ভ’ রাখে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ। প্রসঙ্গত, বিচারকদের সম্পত্তির বিবরণ জানতে চেয়ে ২০০৭ সালে আরটিআই আবেদন দাখিল করেন সুভাষচন্দ্র আগরওয়াল নামের এক সমাজকর্মী। কিন্তু তথ্য প্রকাশ না করায় সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশনের (সিআইসি) দ্বারস্থ হন তিনি। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য প্রকাশের নির্দেশ দেয় সেন্ট্রাল ইনফরমেশন কমিশন। সিআইসি-র এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয় দিল্লি আদালতে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top