আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এমনি এমনি তো আর হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু ঠেলার নাম বাবাজী। তাই শরীর সমস্যায় পড়লে তো যেতে হবেই। কেউ ভর্তি থাকলে একরকম বিষয়, কিন্তু ডাক্তার দেখাতে যদি যেতে হয় তাহলে একেবারেই দুপুরের সময়ে যাবেন না সেখানে। বিভিন্ন গবেষণা থেকে দেখা যাচ্ছে দুপুরে হাসপাতালে গেলে বেশ কিছু সমস্যায় পড়তে পারেন আপনি। কী সেগুলো?‌ গবেষণা বলছে এ সময় আপনি যথাযোগ্য চিকিৎসা পাবেন না। কেন জেনে নিন সেগুলো.‌.‌.‌
দুপুরের এই সময়ে আমাদের সকলেরই খাবার খাওয়ার পরে ঘুম ঘুম পায়। সেখানে চিকিৎসক বা নার্সরা কি আলাদা জগতের প্রাণী!‌ তাঁরাও তো সে সময় হাল্কা ঝিমুনিতে ঢুলতেই পারেন, সেখানেই গণ্ডগোলটা হয়ে যেতে পারে। আপনাকে ভুল ওষুধ বা অ্যানাস্থেসিয়ার ডোজের হেরফের ঘটতেই পারে। সে বিপদ কিন্তু মোটেও তাঁরা জেনে শুনে করে ফেলছেন না, ভুলবশত করে ফেলতেই পারেন। কিন্তু আপনি যখন এই সম্ভাবনার কথা জানছেনই, তখন চেষ্টা করুন এই সময়ে হাসপাতালে না যেতে।
এই দুপুরের সময়েই অনেকের শিফ্ট বদল হয়। ফলে যাঁদের শিফ্ট শেষ হওয়ার মুখে তাঁরা তো তাড়ায় থাকবেন বাড়ি যাবেন বলে। হয়তো আপনার কেসটাও সেখানে গিয়েই পড়ল, কী করবেন আপনি!‌ কিছুই করার নেই আপনার। আপনি তো জানেন ও না যে আপনাকে যিনি চিকিৎসা করছেন বা নার্সিং করছেন তাঁর বাড়ি যাওয়ার সময় হয়েছে। এবং আমাদের সকলের মতোই তিনিও তখন দায়সারাভাবে তাড়াতাড়ি কাজ সেরে ফিরতে চাইবেন। তাই এত সমস্যায় না গিয়ে বরং খুব প্রয়োজন না হলে দুপুর ৩ টে বা তারপরে যাবেন না হাসপাতালে, বরং বিকেল বা সন্ধের দিকে যান। 
হাসপাতাল মানেই তো চারপাশে অনেক জীবাণু। ২০১৫ সালের একটি সমীক্ষা বলছে সকালে বা বিকেলে হাসপাতাল কর্মীরা যতটা হাত ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখেন, দুপুরের দিকে তার মাত্র ৩৮ শতাংশ হাত ধুয়ে মুছে পরিষ্কার রাখেন তাঁরা। কাজেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে চাইলে এড়িয়ে চলুন দুপুরের দিকটা।
পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় জানা গেছে, চিকিৎসকরা আপনাকে ভোরের সময় টেস্ট স্ক্রিনিংগুলি করানোর পরামর্শ দেয়। যত সকালে আপনার শারীরিক পরীক্ষা করা হবে, তত সহজ, সুস্থ হবে পরীক্ষা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারদের রোগী দেখার চাপ বাড়তে থাকে, তত ক্লান্তিবোধও আসে তাঁর। তাই চেষ্টা করুন সকাল সকাল গিয়ে টেস্টগুলো করিয়ে নিতে।
এই কারণগুলোই হয় তো আপনাকে পরেরবার হাসপাতালে যেতে গেলে সঠিক সময়টা বেছে নিতে সাহায্য করবে। তাই দুপুরে হাসপাতাল একেবারে নৈব নৈব চ। 

জনপ্রিয়

Back To Top