দীপঙ্কর নন্দী- ‌বাড়িতে কাজের লোকের আসা বন্ধ করে দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। কথা হচ্ছিল চন্দ্রিমার সঙ্গে। বললেন, ‘‌ঘরের কাজ অনেক বেড়ে গেছে। এই ৬৫ বছর বয়সে আমাকে ঘর মুছতে হচ্ছে। পারছি। অসুবিধে হচ্ছে না। বাড়িতে লোক আসা বন্ধ হয়ে গেছে। বাসন মাজতে হচ্ছে। বরাবরই বাসন মাজতে আমার খুব ভাল লাগে। মাঝে মধ্যে রান্না করছি। আমিষ–‌নিরামিষ আমার চলে। ভাল লাগে নিরামিষ। মাছও খারাপ লাগে না। মাংস খাই না। মাঝে মধ্যে কর্মীরা ফোন করছেন। তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছি। এর মধ্যে বুধবারই কিছুক্ষণের জন্য দপ্তরে গিয়েছিলাম। লোকজন কম। প্রয়োজনীয় কাজ সেরে বাড়ি ফিরে এসেছি।’‌ চন্দ্রিমার ছেলে সৌরভ তৃণমূল যুব কংগ্রেস করে। ওয়ার্ডে পরিচিতি আছে। ওয়ার্ডে প্রচুর মানুষকে মাস্ক দিয়েছে সৌরভ। চন্দ্রিমা বলেন, ‘‌বাড়িতে থাকা আমার কাছে অন্য অভিজ্ঞতা। আমার ছেলে সৌরভ ইউটিউব দেখে মাঝে মধ্যে নানারকম রান্না করে। সুন্দর টেস্ট। আমরা তো আগেকারের মানুষ, তাই ইউটিউব দেখে রান্না করতে পারি না।’‌‌ সারাদিনই বাড়িতে আর এক মন্ত্রী শশী পাঁজা। ভোর ৪টেয় উঠে গাছে জল দেওয়া অভ্যেস। এখনও এই কাজটাই করেন। অঢেল সময়, অগোছালো ঘর গুছিয়ে রাখেন। হিন্দমোটরে মা থাকেন। মার সঙ্গে ফোনে কথা বলে অনেকটা সময় কেটে যায়। শশী বলেন, ‘‌বাড়িতে রান্নার লোক না আসায় মেয়ে এই কাজটা করে বেশি। আমি মাঝেমধ্যে ওকে হেল্প করি। নিজের কেন্দ্রের কর্মীদের সঙ্গেও ফোনে কথা হয়। প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিই। বাড়িতে বসে অফিসের কাজও করি। তিনতলার বারান্দায় দাঁড়ালে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ দেখা যায়। রাস্তা এত নিঝুম, আগে কখনও দেখিনি। যানবাহনের জন্য বাড়ির দরজা জানলা সব বন্ধ করে দিতে হত। এখন সব খোলা রাখি।’‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top