ডাঃ বৈদ্যনাথ ঘোষদস্তিদার— এক অচেনা, অজানা শত্রুর মুখোমুখি লড়াইয়ে আজ গোটা বিশ্ব। মানব জীবন বিপন্ন। আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্বের শতাধিক দেশ। ই‌ওরোপে হাহাকার। হাজারে হাজারে মৃত্যু। চীন, ইটালি, ফ্রান্স হয়ে আমাদের ভারতেও হানা দিয়েছে এই মারণ আতঙ্ক। এই অবস্থায় কোনও গুজব বা উদাসীনতা নয়, বাঁচার একমাত্র উপায় হল রোগটি সম্পর্কে যতটা সম্ভব জেনে নিয়ে তাকে প্রতিহত করতে, দূরে রাখতে এই মুহূর্তেই কিছু অতিআবশ্যিক ও জরুরি পদক্ষেপ করা। তবেই একমাত্র এই মহাঅসুখ থেকে সেরে উঠতে পারে আমাদের পৃথিবী। শুধু সরকারি ব্যবস্থা গ্রহণ নয়, সর্বাগ্রে দরকার আপনার–‌আমার সামগ্রিক সচেতনতা।

করোনাভাইরাস কি

করোনাভাইরাস আসলে হল একটি ভাইরাস পরিবার— যা ঠান্ডা লাগা, সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (‌SARS), ‌মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিনড্রোম (MERS)‌–‌এর মতো রোগ ছড়ায়। গত বছরের শেষ দিকে এই ভাইরাস নতুন একটি ফর্মে, অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম করোনাভাইরাস ২ (‌SARS-COV-2) ‌নামে সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করে, যার উৎস চীনে। এই রোগটিকে বলা হচ্ছে করোনাভাইরাস ডিজিজ ২০১৯‌ বা কোভিড–‌১৯‌। এই রোগটি এখন বিশ্বের বহু দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে এবং সেই দেশগুলি এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), CDC, ICMR (in India)‌— এদের সতর্ক প্রহরায় রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগটিকে ইতিমধ্যেই বিশ্ব মহামারী হিসাবে ঘোষণা করেছে। নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে উপরোক্ত সংস্থাগুলি এই রোগ বা ভাইরাস বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জানিয়ে চলেছে।
 

উপসর্গ

কোভিড–‌১৯–‌এর উপসর্গগুলি আক্রান্ত হওয়ার ২ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে। এগুলি হল—

১.‌ জ্বর

২.‌ কাশি

৩.‌ নিঃশ্বাসের কষ্ট।

এছাড়াও যে লক্ষণগুলি দেখা যেতে পারে সেগুলি হল— ক্লান্তি, বেদনা, নাক থেকে জল পড়া, গলা জ্বালা বা ব্যথা।

এই উপসর্গগুলি সামান্য থেকে তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। বয়স্ক মানুষ, দীর্ঘকাল ধরে হার্ট, লাং–‌এর রোগে ভোগা কিংবা ডায়াবেটিকদের ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

 

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

১.‌ কোভিড–‌১৯–‌এর উপসর্গ দেখামাত্রই।
২.‌ কোভিড–‌১৯ সংক্রামিত কোনও ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা অথবা আপনার এলাকায় এটা ছড়িয়েছে জানা মাত্র। কোভিড–‌১৯ সংক্রামিত কোনও এলাকা থেকে ফিরে আসামাত্র।

৩.‌ চিকিৎসককে ফোন করে আপনার সফর ইতিহাস বা উপসর্গ জানান। প্রয়োজনে তাঁর অ্যাপয়েনমেন্ট নিন।

৪.‌ কোনও সংক্রামিত এলাকায় জাননি, অথচ শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, এমন অবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

৫.‌ এর বাইরে কোনও রোগ থাকলেও তা জানান চিকিৎসককে।

 

কারণ

রোগীর সংস্পর্শে এলে এটি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়ায়। সংক্রামিত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা শ্বাসযন্ত্রের কণা/‌ফোঁটা থেকেও রোগ ছড়াতে পারে। আবার কোনও সংক্রামিত বস্তু/‌জায়গা ছুঁয়ে কেউ সেই হাত দিয়ে নিজের চোখ, নাক, মুখ ছুঁলেও সংক্রমণ ছড়াবে।
ঝুঁকি

WHO, CDC, ICMR ‌জানিয়েছে—

১.‌ কোভিড–‌১৯ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া কোনও এলাকায় বসবাস করলে কিংবা সেখান থেকে ঘুরে এলে, ২.‌ কোভিড–‌১৯ সংক্রামিত কোনও ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে থাকলে, বিশেষত কোনও আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য কিংবা চিকিৎসাসূত্রে কেউ তাঁর সংস্পর্শে এলে তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকির হার বেশি।

 

জটিলতা

১.‌ এই রোগ থেকে দুটি ফুসফুসেই নিউমোনিয়া,

২.‌ মাল্টি অর্গান ফেলিওর এবং

৩.‌ মৃত্যু ঘটতে পারে।
সতর্কতা

সতর্ক থাকতে এখনই অভ্যাস করে ফেলুন—

সংক্রামিত কোনও ব্যক্তি বা কোনও বস্তু স্পর্শ করামাত্র আপনার হাতে জীবাণুটির প্রবেশ ঘটবে। সেই হাত চোখ, নাক, মুখ ছুঁলে আপনিও সংক্রামিত হয়ে পড়বেন। তাই নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে ঘন ঘন সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধোওয়া অভ্যাস করুন। অন্তত ৬০–‌৭০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে, এমন হ্যান্ড স্যানিটাইজারও ব্যবহার করতে পারেন।

এখনও পর্যন্ত এই রোগের কোনও ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক/‌ওষুধ সহজলভ্য নয়। প্রতিষেধক প্রয়োগের বিষয়টি পরীক্ষানিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। তাই এই মুহূর্তে প্রতিরোধই হল সুরক্ষিত থাকার প্রকৃষ্ট উপায়।

 

সুরক্ষিত থাকার উপায়

১.‌ ‌যতটা সম্ভব বাড়িতে থাকুন। নিজেকে সেল্ফ কোয়ারেন্টিনে রাখুন। অকারণে বাইরে বেরোবেন না, জন পরিবহণ এড়িয়ে চলবেন।

২.‌ বাইরের লোক বা কাজের লোকদের এড়িয়ে চলাই উচিত। প্রয়োজনে স্যানিটাইজ করে বাড়িতে ঢুকতে দিতে পারেন।

৩.‌ যে কোনও পাবলিক প্লেস, বহু লোকের সমাবেশ, রেস্তোরাঁ, পাব, মল, সিনেমা হল,‌ হোটেল ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন।

৪.‌ রোগের উপসর্গ আছে এমন ব্যক্তির থেকে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।

৫.‌ সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড হাত ধোওয়া অভ্যাস করুন। অন্তত ৬০–‌৭০ শতাংশ অ্যালকোহল আছে, এমন হ্যান্ড স্যানিটাইজারও ব্যবহার করতে পারেন। খাওয়া, মুখে হাত দেওয়া, রান্না করার আগে প্রতিবার এটা করা, প্রয়োজনে ঘন ঘন হাত ধোওয়া অভ্যাস করে ফেলুন।

৬.‌ চোখ, নাক, মুখ অপরিষ্কৃত হাতে ছোঁবেন না।

৭.‌ রোজকার ব্যবহৃত জায়গাগুলি স্যানিটাইজ করে রাখুন।

৮.‌ অসুস্থ না হলে সিডিসি মাস্ক ব্যবহার করা অপরিহার্য নয়, যদিও মাস্ক পরে বেরোলে ভালো সুরক্ষা হয়।

৯.‌ কাঁচা খাবার খাবেন না। বাড়িতে বা বাজারে জীবিত পশু ঘাঁটা এড়িয়ে চলুন।

১০.‌ বয়স্ক বা রোগগ্রস্ত মানুষ উপসর্গ দেখামাত্র চিকিৎসক দেখান।

১১.‌ সংক্রামিত এলাকা পরিহার করুন।

বিশ্বজোড়া করোনাভাইরাস:‌ মানসিক দুশ্চিন্তা ও লড়াই

কোভিড–‌১৯–‌এর ব্যাপক প্রাদুর্ভাবে বহু মানুষ আজ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত। ভয়, উদ্বেগ মানুষকে বিহ্বল করে দেয়। শিশু থেকে বয়স্ক— সকলকে আবেগপ্রবণ করে দেয়। কাছের মানুষদের নিয়ে ভাবিয়ে তোলে। এক একজন মানুষ এক একভাবে চিন্তা করে বা প্রতিক্রিয়া দেখায়। এটা নির্ভর করে তাদের চারিত্রিক দৃঢ়তা, ব্যক্তিত্ব, পরিবেশ–‌পরিস্থিতির ওপর।

এই ভাইরাসের আক্রমণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বয়স্ক ও কঠিন রোগাক্রান্ত মানুষ, টিনএজার ও কিশোর, স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষ, অর্থাৎ ডাক্তার, নার্স, প্যারামেডিকসদের। এছাড়া মানসিকভাবে অসুস্থ কিংবা নেশাগ্রস্ত মানুষদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আপনার প্রিয়জন এমন কেউ মানসিক অসুস্থতা বা উদ্বেগের মধ্যে থাকলে, অবসাদগ্রস্ত হলে কাছাকাছি কোনও সাইকিয়াট্রিস্ট বা সিএনএমসি–‌র ট্রমা ক্লিনিকে যোগাযোগ করুন।

আমরা ‘‌সিটিজেন্স এগেনস্ট ভায়োলেন্স’‌–‌এর পক্ষে একটি ডিজাস্টার ডিসট্রেস হেল্পলাইন চালু রেখেছি। ‌প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন নিচের নাম্বার ও ই–‌মেলে—

ফোন নং:‌ 9830177145

E-mail: truegood001@gmail.com

 

সংক্রমণ ও রোগ নিয়ে যে ধরনের দুশ্চিন্তা ও দুর্ভোগ হতে পারে—

‌* নিজের ও কাছের মানুষদের নিয়ে ভয় ও উদ্বেগ।

*‌‌ ঠিকমতো খাওয়া ও ঘুম না হওয়া।

*‌‌ ঘুমোনো ও মনোযোগ অক্ষুণ্ণ রাখার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত।

*‌‌ দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক কোনও রোগের অবস্থা খারাপের দিকে যাওয়া।

*‌‌ অ্যালকোহল, তামাকজাত দ্রব্য বা কোনও নেশার প্রতি আসক্তি আরও বেড়ে যাওয়া।

আগে থেকেই যাঁরা মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভুগছেন, তাঁরা চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এ বিষয়ে আরও নতুন উপসর্গ/‌তথ্য জানতে ‘‌AMERICAN PHYCHIATRY ASSOCIATION’‌ অথবা ‘‌Royal College of Psychiatry‌’‌–‌র ওয়েবসাইট দেখতে পারেন।

এই দুঃসময়ে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি যত্নবান থেকে তাঁদের দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কমুক্ত করতে সাহায্য করুন এবং সমাজকেও শক্তিশালী করে তুলুন করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে।

 

নিজের জন্য যা যা করতে পারেন

১.‌ সোশাল মিডিয়া ও প্রচার মাধ্যমের কোভিড–‌১৯ সম্পর্কিত খবরাখবর দেখা ও পড়ায় মাঝে মাঝে বিরতি নিন। বারবার একই খবর দেখা/‌পড়া মানসিক দুশ্চিন্তাকে চরমে নিয়ে যেতে পারে।

২.‌ নিজের প্রতি যত্ন নিতে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যান। ভালো করে খাওয়াদাওয়া, নিয়মিত শরীরচর্চা, দিনে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমোনো‌, নেশাসক্তি থেকে দূরে থাকা হল এক্ষেত্রে প্রকৃষ্ট উপায়।

৩.‌ যে ধরনের ক্রিয়াকলাপ পছন্দ, সেগুলিতে যুক্ত থাকুন। বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাঁদের প্রতি আপনার মনোযোগ, সংশ্রব ও সম্পৃক্ত থাকা‌র বিষয়টি জানান দিন।

কোভিড–‌১৯–‌এর যাবতীয় ঘটনা সম্পর্কে সাবধান থাকলে ঝুঁকি ও সুরক্ষার দিক ‌দুটিই কিন্তু মানসিক দুশ্চিন্তা কমাতে সক্ষম হবে।

 

মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে যত্নবান হতে আরও জানুন

পিতামাতা/‌অভিভাবকদের জন্য—

পিতামাতাদের আচরণের ওপর নির্ভর করে শিশু ও কিশোরদের দায়িত্বজ্ঞান, ক্রিয়াকলাপ। তাঁরা শান্ত, নিরুদ্বিগ্ন থাকলে ছেলেমেয়েরাও দুশ্চিন্তামুক্ত হতে সক্ষম হবে। সুরক্ষিত থাকতে বলা মানেই প্যানিক তৈরি করা নয়। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে ছেলেমেয়েদের আশ্বস্ত করুন।

টিনএজারদের সকলের মধ্যে একইরকম প্রতিক্রিয়া হয় না। তবে কিছু সাধারণ পরিবর্তন লক্ষ্য রাখা উচিত। যেগুলি হল—

*‌ একটু বড় বাচ্চাদের অতিরিক্ত কান্না।

*‌ বিছানা ভিজিয়ে ফেলা বা টয়লেট নিয়ে স্বাভাবিক অবস্থার পরিবর্তন।

*‌ অতিরিক্ত ভয় বা দুঃখের প্রকাশ।

*‌ অস্বাস্থ্যকর খাওয়া ও ঘুমোনোর অভ্যাস।

*‌ টিনএজারদের ক্ষেত্রে বিরক্তিকর কাজ ও নাটক করা।

*‌ স্কুলে যাওয়া এড়ানো কিংবা স্কুলের যাবতীয় বিষয়ে দুর্বলতা।

*‌ উদাসীন হয়ে পড়া বা মনোযোগরক্ষায় সমস্যা।

*‌ আগেকার পছন্দসই কাজকর্ম এড়িয়ে চলা।

*‌ অবিশ্লেষিত মাথাব্যথা বা শারীরিক যন্ত্রণা।
*‌ অ্যালকোহল, তামাক বা ড্রাগের প্রতি আসক্তি।

 

আপনার শিশুর পাশে থাকার জন্য অনেক কিছুই করতে পারেন—

১.‌ ছেলেমেয়েদের সঙ্গে কোভিড–‌১৯ নিয়ে কথা বলুন, তাদের প্রশ্নের উত্তর দিন এবং সহজবোধ্য ভাষায় ঘটনা ও তথ্যগুলি শেয়ার করুন।

২.‌ ছেলেমেয়েদের বুঝিয়ে বলুন যে তারা যথাযথভাবেই সুরক্ষিত আছে এবং কীভাবে তারা সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সামলে উঠবে, সে ব্যাপারে তাদের সাহায্য করুন। পরিস্থিতি সামলানোর ব্যাপারে নিজের ভাবনাও তাদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

৩.‌ খবর ও সোশাল মিডিয়া নিয়ে পরিবারে আলোচনা নিষিদ্ধ করুন। শিশুদের মনে এগুলো নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

নিত্যকার রুটিন মেনে চলা, পড়ার অভ্যাস বাড়ানো এবং মজার মজার কাজে মেতে থাকতে চেষ্টা করুন।

 

প্রাথমিক দুশ্চিন্তা বা ট্রমাটিক স্ট্রেস (‌STS‌)‌ কমাতে যা যা করতে পারেন

*‌ কোনও আতঙ্কজনক ঘটনার পরে স্ট্রেস কমানোর ক্ষেত্রে প্রথম সাহায্যকারী ও যত্ন নেওয়া চিকিৎসকদের কৃতজ্ঞতা জানানো।

*‌ শারীরিক অবসাদ, অসুস্থতা বা মানসিক ভয়, অপগমন বা দোষী মনোভাব–‌সহ ট্রমাটিক স্ট্রেসের লক্ষণগুলি জানুন। *‌ বন্ধুবান্ধব, পরিবারের স‌ঙ্গে সময় কাটানো, বই পড়া, শরীরচর্চার মাধ্যমে নিজের প্রতি যত্ন নিন।

*‌ যদি মনে হয় কোভিড–‌১৯ নিয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ছেন, হাসপাতালের সাইকিয়াট্রিস্ট, সাইকোলজিস্টের সাহায্য চান।

 

কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত মানুষদের ক্ষেত্রে

*‌ মানুষের সান্নিধ্য এড়িয়ে চলা স্ট্রেসফুল হতে পারে।

*‌ নিজের শরীরস্বাস্থ্য নিয়ে ভয় ও আশঙ্কা হতে পারে।

*‌ বন্ধুরা এড়িয়ে চললে বিষাদ, ক্রোধ বা হতাশা জন্মাতে পারে।

*‌ স্বাভাবিক কাজকর্মে বা অভিভাবক হিসাবে অক্ষম ভেবে নিজেকে দোষী মনে হতে পারে।

*‌ কোয়ারেন্টিনে থাকাকালীন ছেলেমেয়েদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকাটা মায়েদের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে।

*‌ পরিচিত কেউ কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়া পাওয়ার পর শিশুরা মনমরা বা জোরালো আবেগপ্রবণ হয়ে উঠতে পারে।

জনপ্রিয়

Back To Top