আজকাল ওয়েবডেস্ক: অবশেষে ভালোবাসার বাহুডোরে বাঁধা পড়লেন ‘‌বাহুবলী’‌ সিরিজের মাচো খলনায়ক ‘‌ভল্লালদেব’ ওরফে রাণা ডগ্গুবাটি। শনিবার সম্পূর্ণ ঘরোয়া অনুষ্ঠানে হায়দরাবাদে প্রেমিকা মিহিকা বাজাজকে বিয়ে করলেন রাণা। করোনার কারণে মোটে ৩০জন অতিথি নিয়ে হয় বিয়ের অনুষ্ঠান। শুধু ডগ্গুবাটি পরিবার এবং বাজাজ পরিবারের নিজস্ব সদস্যরা ছাড়া অতিথি বলতে ছিলেন একমাত্র রাণার একান্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু তথা অভিনেতা, রাম চরণ এবং তাঁর স্ত্রী উপাসনা। তবে তেলুগু বা টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির বিখ্যাত ডগ্গুবাটি পরিবারের সদস্যরাও কম বিখ্যাত নন। ছিলেন প্রযোজক তথা রাণার বাবা সুরেশ বাবু, কাকা ভেঙ্কটেশ, পিসতুতো ভাই নাগ চৈতন্য, বৌদি সামান্থা রুথ প্রভু। জনপ্রিয় অভিনেতা নাগাজুর্ন আক্কিনেনির বড় ছেলে নাগ চৈতন্যের মা লক্ষ্মী রাণার নিজের পিসি। নাগার্জুনের সঙ্গে লক্ষ্মীর বিবাহবিচ্ছেদের পরে তাঁর সঙ্গে রাণার বাবা, কাকার সম্পর্কে চিড় ধরলেও তা ছাপ ফেলেনি পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে। 
সাদা পাঞ্জাবি, চওড়া সোনালি পাড়ের ধুতি, গলায় সোনালি ওড়না, মুখে নতুন বরের লাজুক হাসিতে ‘‌বাহুবলী’–র  ভয়ঙ্কর ভল্লালদেবকে সম্পূর্ণ মুছে দিয়েছিলেন রাণা। মিহিকার পরনে ছিল গোলাপি প্যাস্টেল শেডের জরির কাজ করা ভারী লেহেঙ্গা, লালচে–গোলাপি ওড়না, সঙ্গে ভারী জড়োয়া গয়না। বিয়ের পর নবদম্পতির সঙ্গে পরিবারের সবাইকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে সামান্থা লেখেন, ‘‌পরিবারে স্বাগতম প্রিয় মিহিকা’‌। উপাসনাও তাঁদের সঙ্গে নবদম্পতির ছবি পোস্ট করে নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
২০১০ সালে তেলুগু ছবি ‘‌লিডার’‌ রাণার প্রথম ছবি। তার পরের বছর ‘‌দম মারো দম’‌ ছবি দিয়ে বলিউডে যাত্রা শুরু করেন। তারপর ‘‌নেনে রাজা, নেনে মন্ত্রী’‌, ‘‌না ইশ্‌তাম’‌, ‘‌ডিপার্টমেন্ট’‌, ‘‌আরম্ভম’,‌ ‘‌বাহুবলী’ সিরিজ, ‘‌বেবি’, ‘‌হাউসফুল ৪’‌, ‘‌দ্য গাজি অ্যাটাক’‌–এর মতো বহু হিট তেলুগু, তামিল, হিন্দিতে ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে শুধু অভিনয়ই নয়, সম্পাদনা, পরিচালনাতেও সমান দক্ষ রাণা। মিহিকা পেশায় ইন্টিরিয়র ডিজাইনার। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট বিজনেসও চালান তিনি।

জনপ্রিয়

Back To Top