বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

East Bengal: নন্দকুমারের গোলে সুপার সিক্সের আশা জিইয়ে রাখল ইস্টবেঙ্গল

Sampurna Chakraborty | ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২২ : ০৯


ইস্টবেঙ্গল - (নন্দকুমার)

চেন্নাইন এফসি -

সম্পূর্ণা চক্রবর্তী: ঘরের মাঠে জয়ে ফিরল ইস্টবেঙ্গল। সোমবার যুবভারতীতে চেন্নাইন এফসিকে ১-০ গোলে হারাল কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল। জয়সূচক গোল নন্দকুমারের। জয়ের ফলে ১৬ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে উঠে এল ইস্টবেঙ্গল। তবে গোটা ম্যাচে গোলটা ছাড়া কিছু নেই। নিষ্প্রাণ ম্যাচ। শেষদিকে কিছুটা প্রাণ ফেরান পরিবর্ত ফুটবলার পিভি বিষ্ণু। গোল করে ম্যাচের সেরা নন্দকুমার হলেও ম্যাচের মোড় ঘোরে বিষ্ণু নামার পর। আক্রমণের তেজ বাড়ে ইস্টবেঙ্গলের। তবে তিন পয়েন্ট পেলেও দলের খেলায় খুশি হতে পারবেন না কুয়াদ্রাত। নির্বিষ ফুটবল। সামনে একা ফেলিসিও ব্রাউনকে রেখে ৪-২-৩-১ ফরমেশনে শুরু করেন লাল হলুদ কোচ। ক্লেইটন‌ নীচে নেমে খেলায় ম্যাচের একটা সময় পর্যন্ত খুব বেশি সুযোগ পাননি। তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরে খুশি হবেন স্প্যানিশ কোচ। তবে এদিন হিজাজি হলুদ কার্ড দেখায় ওড়িশার বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে নেই। যা নিঃসন্দেহে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের উৎসবকে কিছুটা ফিকে করে দেবে। 

ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধ। পজিটিভ চান্স বলতে কিছুই নেই। লিগ টেবিলের নয় এবং দশ নম্বরের লড়াইয়ে কোনও জৌলুস ছিল না। এদিন দলে দুটো পরিবর্তন করেন কুয়াদ্রাত। চোট পাওয়া প্যান্টিচের বদলে শুরু করেন ফেলিসিও। অজয় ছেত্রীর জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরেন চুংনুঙ্গা। কিন্তু আক্রমণের ঝাঁঝ ছিল না ইস্টবেঙ্গলের। হাফ চান্স বলতে ক্লেইটনের দুটো ফ্রিকিক। যা একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শুরুতেই একটা সুযোগ এসেছিল। কিন্তু বাইরে মারেন ফেলিসিও। বরং ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে চাপ বেশি ছিল চেন্নাইয়ের। কিন্তু বিপক্ষের বক্সে ঢুকে পড়লেও নৈপুণ্যের অভাব ছিল। ম্যাচের ২৯ মিনিটে রহিম আলির পাস থেকে বাইরে মারেন ফারুখ। তার চার মিনিটের মধ্যে সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনেও। বক্সের ঠিক মুখে ফেলিসিওকে ফেলে দেন রায়ান এডওয়ার্ডস। সুবিধাজনক জায়গায় ফ্রিকিক পায় লাল হলুদ। কিন্তু একটুর জন্য মিস করেন ক্লেইটন। ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচে গোল করা ছাড়া ফেলিসিওর কোনও ভূমিকা নেই। নড়তে চড়তে বারো মাস। এখনও ফিটনেসে ঘাটতি রয়েছে। 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই তিনটে পরিবর্তন করেন কুয়াদ্রাত। নিশু, ফেলিসিও, রাকিপের জায়গায় নামান মন্দার, প্যান্টিচ এবং বিষ্ণুকে। তাতে লাল হলুদের খেলায় কিছুটা বাঁধুনি ফেরে। বিশেষ করে বিষ্ণুর কথা আলাদা করে বলতে হবে। গতি দিয়ে চেন্নাইয়ের রক্ষণকে চাপে ফেলে দেন। বিনো জর্জের কোচিংয়ে লাল হলুদের হয়ে নিয়মিত কলকাতা লিগ খেলে স্ট্রাইকার এখন অনেক পরিণত। এদিন তাঁকে নামানোর পরই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণের গতি বাড়ে। শেষমেষ ম্যাচের ৬৫ মিনিটে এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। নন্দকুমারের শট বিপক্ষের ডিফেন্ডার বিকাশের পায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। গোলটার আগে পর্যন্ত কোনও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল না নন্দকুমারের। সেই অর্থে এদিন উইংপ্লে ছিল না ইস্টবেঙ্গলের। তবে কাজের কাজ করে দেন ডার্বির নায়ক। তার আগে ৬২ মিনিটে দ্বিতীয়ার্ধের একমাত্র সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাই। ভিন্সি ব্যারেটোর ক্রস থেকে জর্ডন মারের হেড সরাসরি তালুবন্দি করেন প্রভসুখন গিল। এই একটি সুযোগ ছাড়া পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি লাল হলুদ কিপারকে। উল্টো দিকে দেবজিৎ মজুমদারকেও খুব বেশি সেভ করতে হয়নি। শেষদিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। কিন্তু বিষ্ণুর পাসে পা ছোঁয়াতে পারেননি ক্লেইটন। 

ছবি: অভিষেক চক্রবর্তী



বিশেষ খবর

নানান খবর

Charlie Chaplin Birthday 2024 #charliechaplin #birthday #BirthAnniversary #aajkaalonline

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া