রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Heroine: হোটেল থেকে পানশালা, সঙ্গে হুক্কা বার, কী নেই গাইঘাটার হেরোইন কারবারীদের! ‌

Rajat Bose | ২০ অক্টোবর ২০২৩ ০৯ : ৫১


বিভাস ভট্টাচার্য: দিঘায় হোটেল। কলকাতা এবং তার সংলগ্ন এলাকায় একাধিক হোটেল ও পানশালা। সেইসঙ্গে হুক্কা বার। আছে বিপুল পরিমাণ জমি। গাইঘাটায় ধৃত হেরোইন কারখানার মালিকের সম্পত্তি যে কোনও ছোটখাট শিল্পপতির ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠতে পারে। যার গোটাটাই এসেছে হেরোইন বিক্রির টাকা থেকে। পঞ্চমীতে হানা দিয়ে গাইঘাটার এই কারখানা থেকে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) উদ্ধার করেছে ১৬ কোটি টাকার হেরোইন। গ্রেপ্তার করা হয়েছে যে বাড়িতে এই কারখানা চলত সেই বাড়ির মালিক কাকলি রায় ‌সহ এই নিষিদ্ধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অভিজিৎ বিশ্বাস, তপন মণ্ডল ও ডলি সর্দার নামে আরও এক মহিলাকে। উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ হেরোইন তৈরির কাঁচামাল ও অন্যান্য জিনিস। তবে কারখানা দেখভালের দায়িত্ব কাকলি রায়ের ওপর থাকলেও এই কারবারের মূল মাথা এখনও অধরা বলে এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে। সম্পত্তি সম্পর্কে এসটিএফের একটি সূত্র জানিয়েছে, রাজ্য ছাড়াও মুম্বই এবং আরও কয়েকটি রাজ্যে এরা হেরোইন বিক্রির টাকায় সম্পত্তি গড়ে তুলেছে। যার হদিশ চলছে। গাইঘাটায় যে বাড়িতে এই কারখানা চলছিল সেই বাড়িটিতে ঢুকলে মনে হবে সেটি একটি খামারবাড়ি। ছয়ফুটেরও উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা বাড়িতে গরু, ছাগল ও মুরগির খামার রয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে হানা দিয়ে এসটিএফ আধিকারিকরা একতলায় কিছুই পাননি। এরপর দোতলায় উঠতেই চমকে ওঠেন তাঁরা। শোবার ঘর, বাথরুম ও রান্নাঘরকে ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে একটি হেরোইন কারখানা। কোথাও তৈরি হচ্ছে হেরোইন আবার কোথাও তৈরি হওয়ার পর সেগুলি প্যাকেটজাত করা হচ্ছে। রয়েছে প্যাকেট সেলাইয়ের জন্য সিলিং মেশিন। এসটিএফের ওই সূত্রটি জানিয়েছে, তাঁদের ধারণা অনুযায়ী গত ১০ বছর ধরে এই কারবার চলছিল। এরাজ্যে তাদের খদ্দের থাকলেও মূল ব্যবসাটা বাংলাদেশে। তৈরি হওয়ার পর প্যাকেটজাত করে চোরাপথে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিত এরা। বছরের পর বছর ধরে এই নিষিদ্ধ মাদকের কারবার করে যাকে বলে ফুলে ফেঁপে উঠেছিল। সেজন্যই লাভের টাকা বিনিয়োগ করেছিল অন্যান্য ব্যবসায়ে এবং জমিজমা কিনতে। ওই সূত্রটির কথায়, ‘‌আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হল আসল মাথাকে ধরার। যে অলক্ষ্যে থেকে এই গোটা কারবার পরিচালনা করছিল।’‌ 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর



রবিবার অনলাইন

সোশ্যাল মিডিয়া