শুক্রবার ১২ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Anti Addiction Campaign

Anti Addiction Campaign: নেশাসুর মুছে যাক পৃথিবী থেকে, ১২ বছর ধরে বার্তা দিচ্ছেন ববি

Anti Addiction Campaign: নেশাসুর মুছে যাক পৃথিবী থেকে, ১২ বছর ধরে বার্তা দিচ্ছেন ববি

AA | ১৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৪ : ১১


আজকাল ওয়েবডেস্ক:শুক্রবারের রাত পোহালেই দেবীপক্ষ। অশুভর বিনাশ, শুভশক্তির জয় এমন আবহে অভিনেতা ববি চক্রবর্তীর বার্তা, যে কোনও নেশাই সর্বনাশা, অসুরসম। হতে পারে সেটা মাদক। হতে পারে সেটা মুঠোফোন। যার কবলে পড়লে নষ্ট প্রজন্মের পর প্রজন্ম। বিপর্যস্ত সুখী, সাজানো সংসার। তাই যেনতেনপ্রকারেণ এই নেশাসুরকে বধ করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে তিনি আজকাল ডট ইনের কাছে নিজের ছোটকাকার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর কাকা দারুণ মেধাবী। উচ্চশিক্ষিত বংশের ছেলে। অত্যন্ত সুপুরুষ। সমস্ত গুণ নষ্ট নেশার কবলে পড়ে। স্কুল থেকে বদগুণের শুরু। মাত্র ২৯-এ ফুরিয়ে গিয়েছেন তিনি।
ববির আরও উদাহরণ এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা। প্রতি মুহূর্তে মুঠোফোনে ‘আমাকে দেখুন’ বলতে গিয়ে, অনৈতিক কাজ করতেও পিছপা হচ্ছেন না। কিন্তু এভাবে কি বিখ্যাত হওয়া যায়?
এই দুই চরম সত্যকে সবার সামনে তুলে ধরার জন্য, একই সঙ্গে যে কোনও নেশার কবল থেকে প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য এক যুগ ধরে লড়ছেন অভিনেতা। তাঁর প্রচারাভিযান, ‘আই অ্যাম দ্য কিং অফ মাই মাইন্ড’-এর মাধ্যমে। ।তাঁর লড়াইয়ের হাতিয়ার এটাই। সম্প্রতি তিনি পরপর দু’বার বিশেষ অনুষ্ঠান করলেন ইন্সটিটিউট অফ অ্যাডভান্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ প্রতিষ্ঠানে। কেমন সাড়া পেলেন ববি? উচ্ছ্বসিত অভিনেতার দাবি, ‘‘সেশন চলাকালীন জনৈক শিক্ষার্থী উঠে দাঁড়িয়ে প্রতিজ্ঞা করেছেন, আমি ভুল পথ ছেড়ে ভাল পথে ফিরে আসব। এটাই আমার পাওনা।’’ বেপথু ছোটকাকার অসময়ে হারিয়ে যাওয়া ভুলতে পারেননি তিনি। আজও সেই যন্ত্রণা তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায় তাঁকে। সেই অনুভূতি থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ববির এই প্রচারানুষ্ঠান। একদম তৃণমূলীয় স্তর অর্থাৎ স্কুল থেকে তাঁর প্রচারাভিযান শুরু। ববির যুক্তি, নেশার আখড়া ওখান থেকে শুরু। স্কুল পড়ুয়াদের সাবধান করতে করতে তিনি পৌঁছে যান কলেজে। ববির বিচারে যাঁদের বিবেচনা স্কুল শিক্ষার্থীদের থেকে বেশি। অভিনেতার আশা, এভাবে সমাজের সব স্তরে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারলে তবেই সমাজ রক্ষা পাবে।
পাশাপাশি তাঁর আক্ষেপ, বাকিদের মতো অর্থের বিনিময়ে তিনি সমাজসেবা করেন না। তবুও বাকিরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন না। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে চান না। ববির কথায়, ‘‘ব্যতিক্রম প্রতিষ্ঠানের ডিন শ্রাবণী তালুকদার। তাঁর সংবেদনশীল মন বুঝতে পেরেছে, সমাজের ভবিষ্যত নতুন প্রজন্ম। তাদের ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে এই ধরনের সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের খুব প্রয়োজন। তাই তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানে আমাকে প্রচারাভিযানের সুযোগ করে দিয়েছেন। শ্রাবণী এবং তাঁর টিমকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’’
ববির আরও দাবি, অভিনয় দুনিয়ার চেহারাটা আরও ভয়াবহ। সেখানে নেশার কবলে পড়ে শেষ হয়ে যায় সৌমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় বা শিলাদিত্য পত্রনবীশের মতো প্রতিভা। তাই সেখানেও কিছু করতে পারলে তিনি খুব খুশি হবে। সেশন শেষে থাকে অংশগ্রহকারীদের জন্য চমক। বিশেষ প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং কাস্টমাইজড পুরস্কার। যেখানে ববির সেশনের নাম, লক্ষ্য ইত্যাদি লেখা থাকে। অভিনেতা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠান করতে করতেই তিনি কয়েক জন সঙ্গীকে পেয়েছেন। যাঁরা নিজেদের ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করে যোগ দেন ববির অনুষ্ঠানে।
 



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া