বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Tollywood: আমার জীবনের খোলা জানলা গৌতম: দেবশঙ্কর।। শেষে 'রক্তকরবী'কে আঁকড়েই বাঁচতেন: চৈতি

Reporter: শ্যামশ্রী সাহা | লেখক: উপালি মুখোপাধ্যায় ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ০৮ : ২৬


শুধুই চলচ্চিত্র জগৎ নয়, নাটকের দুনিয়াতেও তাঁর অনায়াস গতিবিধি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘রক্তকরবী’ তাঁর তাগিদেই একাধিক বার মঞ্চস্থ হয় তাই ছায়াছবির জগতের পাশাপাশি বাকরুদ্ধ নাট্যজগতও। বিধাননগরের প্রথম সারির এক হাসপাতালে অন্তিম শয়ানে পরিচালক গৌতম হালদার। সেখানে তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে গিয়েছিলেন দুই নাট্য ব্যক্তিত্ব দেবশঙ্কর হালদার, চৈতি ঘোষাল। আজকাল ডট ইনের সঙ্গে কথা বলার সময় দু’জনেই স্মৃতিকাতর। দেবশঙ্করের আফসোস, ‘‘আবার আমরা অভিভাবকহীন হলাম।’’ চৈতির কথায়, ‘‘গৌতমদা ভাল থেকো। আর নাগাল পাওয়া যাবে না।""

দেবশঙ্করের কাছে গৌতমবাবু একই অঙ্গে বন্ধু-অভিভাবক। শিল্প-সংস্কৃতির দুনিয়ায় তাঁর জ্ঞান অগাধ। বাকিরা তাঁর সঙ্গ পেয়ে সমৃদ্ধ হতেন। বন্ধু হিসেবে তিনি নানা বিষয় নিয়ে আড্ডা দিতেন। একই ভাবে অভিভাবক হয়ে নতুন বিষয়ের হদিশ দিতেন। তাঁর আবদার মানেই দেবশঙ্কর জানতেন, তিনি আরও নতুন কিছু শিখতে চলেছেন। অভিনেতা, নাট্যপরিচালকের জীবনে তাই প্রয়াত পরিচালক ছিলেন অনেকটাই দক্ষিণের জানলার মতো। যেখান থেকে জ্ঞানের টাটকা অক্সিজেন পেতেন। অভিনেতার আক্ষেপ, সেই খোলা জানলাটাই বন্ধ হয়ে গেল। 

দেবশঙ্করের কাছে গৌতমবাবু একই অঙ্গে বন্ধু-অভিভাবক। শিল্প-সংস্কৃতির দুনিয়ায় তাঁর জ্ঞান অগাধ। বাকিরা তাঁর সঙ্গ পেয়ে সমৃদ্ধ হতেন। বন্ধু হিসেবে তিনি নানা বিষয় নিয়ে আড্ডা দিতেন। একই ভাবে অভিভাবক হয়ে নতুন বিষয়ের হদিশ দিতেন। তাঁর আবদার মানেই দেবশঙ্কর জানতেন, তিনি আরও নতুন কিছু শিখতে চলেছেন। অভিনেতা, নাট্যপরিচালকের জীবনে তাই প্রয়াত পরিচালক ছিলেন অনেকটাই দক্ষিণের জানলার মতো। যেখান থেকে জ্ঞানের টাটকা অক্সিজেন পেতেন। অভিনেতার আক্ষেপ, সেই খোলা জানলাটাই বন্ধ হয়ে গেল। দেবশঙ্কর গৌতমবাবুর ‘ভাল থেকো’ ছবিতে পরিচালনায় কাজ করেছিলেন। তাঁর পরিচালনায় কাজ করে কেমন লেগেছিল? দেবশঙ্করের কথায়, ‘‘বন্ধুত্বের সুবাদে আমাদের আদানপ্রদান খুব ভাল ছিল। শুধুই কাজ নয়, তার বাইরেও আমাদের কথা হত। শেষের দিকে মাঝেমধ্যেই শরীরখারাপে ভুগতেন। তারপরেও নতুন বিষয় নিয়ে কাজের প্রতি আগ্রহ ছিল খুব। কথাও হয়েছিল আমাদের। সেই কথা মাধপথেই থমকে গেল।’’পথেই থমকে গেল।’’

গৌতম হালদারকে নিয়ে বলতে বলতে কান্নায় গলা বুঁজে এসেছে চৈতি ঘোষালের। তাঁর কথায়, ‘‘জীবনের একটা অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। আমার নাট্যগুরু, শিক্ষককে হারালাম। চারপাশ খুব ফাঁকা লাগছে। শেষের দিকে ‘রক্তকরবী’ নাটককে আঁকড়েই বাঁচতেন। ওই জন্যই নাটকটি বারবার মঞ্চস্থ হয়েছে।’’ ছোট থেকে এই নাটকের ‘নন্দিনী’ চৈতি। তাঁর মতে, গত ১৫ ধরে নন্দিনী সমসাময়িক নাট্যকার-নাট্যপরিচালকের মুন্সিয়ানাতেই। তিনি আজীবন সমৃদ্ধ হয়েছেন এই একজন মানুষের প্রভাবে। যাঁর অগাধ পাণ্ডিত্যের কাছে তিনি আজও নতজানু।



বিশেষ খবর

নানান খবর

রজ্যের ভোট

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া