<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" standalone="yes"?>
<rss version="2.0" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
    <channel>
        <title>Aajkaal.in</title>
        <link>https://www.aajkaal.in/</link>
        <description>Latest news from Aajkaal.in</description>
        <language>bn</language>
        <lastBuildDate>Wed, 14 Oct 2026 23:53:11 +0530</lastBuildDate>
        <atom:link href="https://www.aajkaal.in/rss.xml" rel="self" type="application/rss+xml"/>
        <item>
            <title><![CDATA[আর কখনই হবে না 'হেরা ফেরি ৩'! 'কফি উইথ করণ'-এ সলমনের সঙ্গে করিশ্মা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/priyadarshan-says-hera-pheri-3-will-never-be-made-karishma-kapoor-have-a-special-appearance-in-koffee-with-karan-517161</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/priyadarshan-says-hera-pheri-3-will-never-be-made-karishma-kapoor-have-a-special-appearance-in-koffee-with-karan-517161</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 23:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...</p>&#13;
<p><strong>কখনও আর তৈরি হবে না 'হেরা ফেরি ৩'! কী জানালেন প্রিয়দর্শন</strong></p>&#13;
<p>'হেরা ফেরি' ফ্র্যাঞ্চাইজির পরবর্তী ছবি নিয়ে মুখিয়ে ছিল দর্শক। কিন্তু ঘোষণার পরও আর কখনই তৈরি হবে না এই ছবিটি। এদিন এমনটাই জানিয়ে দিলেন ছবির পরিচালক প্রিয়দর্শন। পরেশ রাওয়াল এই ছবিটি ছেড়ে বেরিয়ে যেতেই যত সমস্যা তৈরি হয়েছে। অক্ষয় কুমার তাঁকে ২৫ কোটি টাকার আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। তারপর ছবির পরিচালক নিজেও এই ছবিটি থেকে সরে দাঁড়ান। এবার তিনি জানিয়ে দিলেন তাঁর আর কোনও আগ্রহ নেই 'হেরা ফেরি ৩' পরিচালনা করার। কিন্তু কেন? তিনি জানিয়েছেন, 'একাধিক জটিলতা আছে। একটার পর একটা জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। একাধিক চ্যাপ্টার হয়ে যাবে এটা নিয়ে কথা বলতে গেলে। আমার মনে হয় না এই ছবিটি আর কখনও তৈরি হবে বলে।'&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>'কফি উইথ করণ' সিজন ৯-এ করিশ্মা</strong></p>&#13;
<p>১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে গেল 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯। এটাই এই শোয়ের শেষ সিজন। প্রথম পর্বে অতিথি হয়ে এসেছেন সলমন খান। জল্পনা সত্যি করে, এই শোয়ে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করিশ্মা কাপুর। সলমন খানের সঙ্গে ধরা দিলেন প্রথম পর্বে, তবে অল্প সময়ের জন্য। এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, বলিউডের অন্দরে ফিসফাস শোনা যাচ্ছে, 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯ এর শেষ পর্বে অতিথি হয়ে থাকবেন শাহরুখ খান। অন্যান্য পর্বে আলিয়া ভাট, করিনা কাপুর, রশ্মিকা, প্রমুখ থাকতে পারেন।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>কখনই সলমনের বায়োপিক তৈরি হবে না! কেন?&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>এদিন 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯-এর র&zwj;্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে করিশ্মা কাপুর সলমন খানকে জিজ্ঞেস করেন তাঁর বায়োপিক কোন পরিচালক পরিচালনা করবেন? সঞ্জয় লীলা বনশালি নাকি সুরজ বরজাতিয়া, কবীর খান বা ডেভিড ধাওয়ান? জবাবে ভাইজান বলেন, 'ডিপেন্ড করছে। আমার জীবনী নিয়ে কমেডি ছবি বানাতে চাইলে ডেভিড ধাওয়ান, ট্রাজিক লাভ স্টোরি হলে সঞ্জয় লীলা বনশালি, সুন্দর লাভ স্টোরি হলে সুরজ বরজাতিয়া, এবং অ্যাকশনে ভরপুর লাভ স্টোরি হলে কবীর খান।' তারপরই বোমাটা ফাটান সলমন খান। বলেন, 'কিন্তু আমার বায়োপিক কখনই আসবে না। আমার জীবনের গল্প আমার সঙ্গেই কবরে যাবে।'</p>&#13;
<p>https://youtu.be/4c1wPfhYQGA?si=EIc4Rlkl99TQBiTC</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[priyadarshan]]></category>
            <category><![CDATA[karishma kapoor]]></category>
            <category><![CDATA[hera pheri 3]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6a0c5454-69e5-404a-890b-5d562b6c6035.webp" length="60394" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6a0c5454-69e5-404a-890b-5d562b6c6035.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6a0c5454-69e5-404a-890b-5d562b6c6035.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['আমি ছেড়ে দেওয়ার লোক নই', ফের হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর! বিকাশরঞ্জনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/suvendu-adhikaris-warning-bengal-cm-issues-another-warning-hints-at-legal-action-against-bikash-ranjan-bhattacharya-517160</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/suvendu-adhikaris-warning-bengal-cm-issues-another-warning-hints-at-legal-action-against-bikash-ranjan-bhattacharya-517160</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 23:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজমাধ্যমে ‘হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে পোস্ট করেছিলেন আইনজীবী তথা কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে এবার কী পদক্ষেপ করবে পুলিশ? নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর এই প্রশ্নেই বুধবার নবান্নে ফের সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।&nbsp;</p>&#13;
<p>আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, &ldquo;উনি বাঘ না সিংহ? যে ওনাকে ভয় পেতে হবে। আমি ভয় পাওয়ার লোক নই।&rdquo; মুখ&zwj;্যমন্ত্রীর আরও হুঁশিয়ারি, &ldquo;আমি ছেড়ে দেওয়ার লোক নই। দেখুন না কী হয়। ফলাফল পাবেন।&rdquo;</p>&#13;
<p>বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকাশববাবুর করা এক মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত। ঘটনার প্রেক্ষিতে সমাজমাধ্যমে &lsquo;হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা&rsquo; শব্দবন্ধ ব্যবহার করে পোস্ট করেছিলেন আইনজীবী তথা কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। সেই পোস্টের বিরোধিতা করে মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে চব্বিশ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। পোস্ট থেকে &lsquo;হিন্দু&rsquo; শব্দটি মুছে ফেলার নির্দেশও দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিকাশবাবু শব্দটি বাদ না করলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>এর পরেই বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কলকাতার দু'টি থানায় এফআইআর দায়ের হয়। তাঁকে পুলিশি নোটিশও পাঠানো হয়। তবে সেই নোটিশের কোনও জবাব দেননি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বরং নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বক্তব্য, &ldquo;একশটি থানায় অভিযোগ হবে, তারপর বলব।&rdquo;</p>&#13;
<p>বুধবার নবান্ন সভাঘরে মন্ত্রীসভার বৈঠকের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর বেঁধে দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কেন কোনও পদক্ষেপের কথা সামনে আসেনি। জবাবে বিকাশরঞ্জনের আইনজীবী পরিচয় কিংবা আদালতে তাঁর ভূমিকা যে আইনের ঊর্ধ্বে থাকার কারণ হতে পারে না, সেই বার্তাই দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, &ldquo;ওনার আদালত থাকতে পারে, উনি আইনজীবী হতে পারেন, তাতে কী? পুলিশ আবার নোটিশ পাঠাবে। উনি কি আইনের ঊর্ধ্বে?&rdquo;</p>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে ঘিরে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। এক দিকে পুলিশি নোটিশের জবাব না দেওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন বিকাশরঞ্জন, অন্য দিকে মুখ্যমন্ত্রী ফের আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন। এখন পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Bikash Ranjan Bhattachary]]></category>
            <category><![CDATA[Suvendu Adhikari's Warning To Bikash Ranjan Bhattachary]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[cpi(m)]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f44ff1b-2bc4-42b0-8ae2-b0fc36e44e3a.webp" length="40714" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f44ff1b-2bc4-42b0-8ae2-b0fc36e44e3a.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f44ff1b-2bc4-42b0-8ae2-b0fc36e44e3a.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[জীতুর সঙ্গে বন্ধুত্বে ফাটল 'রাজনন্দিনী'র! টাস্কের মাঝে নন্দিনী কেন বললেন, 'ওর সঙ্গে বেশি মেশা যাবে না'? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/bigg-boss-bangla-nandini-dutta-criticised-jeetu-kamals-act-on-luxury-budget-task-517159</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/bigg-boss-bangla-nandini-dutta-criticised-jeetu-kamals-act-on-luxury-budget-task-517159</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 23:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA['বিগ বস বাংলা'র ঘরে ক্রমাগত বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ। আজ এর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ছে তো, কাল অন্যের সঙ্গে ভাঙছে। এই যেমন জীতু কামাল 'বিগ বস' হাউজে ঢোকার পর থেকেই তিনি জুটি বেঁধেছেন রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তর সঙ্গে। কিন্তু এবার কি সেই সম্পর্ক ভাঙতে বসেছে। ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>'বিগ বস বাংলা'র ঘরে ক্রমাগত বদলাচ্ছে সম্পর্কের সমীকরণ। আজ এর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ছে তো, কাল অন্যের সঙ্গে ভাঙছে। এই যেমন জীতু কামাল 'বিগ বস' হাউজে ঢোকার পর থেকেই তিনি জুটি বেঁধেছেন রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তর সঙ্গে। কিন্তু এবার কি সেই সম্পর্ক ভাঙতে বসেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এদিন 'বিগ বস' হাউজের পরবর্তী লাক্সারি বাজেট টাস্ক চলাকালীন জীতুর হাবভাব, কাজকর্ম দেখে যারপরনাই বিরক্ত নন্দিনী। তিনি সেই সময়ই রাজবীরকে জানিয়ে দেন জীতু কামালের সঙ্গে বেশি মেশা যাবে না। কিন্তু কেন? এদিন পিরামিড বানানোর খেলায় জীতু দুর্বুদ্ধি হয়ে সেটা ভাঙার বদলে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চোখ, মুখ, গা লক্ষ্য করে বল ছুঁড়েছেন। তাতে আঘাত পেয়েছেন সৃজলা, দুর্নিবার, মনামী এবং সোনামণি। জীতু বেশি করে টার্গেট করেছেন মনামীকে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই ঘটনার পরই রাজবীরকে নন্দিনী বলেন, "জীতু মনে হয় খুব ঝাড় খাবে এবার। মেয়েদেরকে ওরকম করার জন্য। বেশি মেশা যাবে না ওর সঙ্গে। ওর চোখ মুখটাই কেমন শয়তান শয়তান।" এরপর তিনি আরও বলেন, "পুরো কোমরে মেরেছে। বিশাল লেগেছে। টাস্কে এটা মানা যাবে না।" যদিও নন্দিনীর কথা সত্যি করে সপ্তাহান্তে সৌরভ গাঙ্গুলি এই বিষয়ে জীতুকে কিছু বলেন কিনা সেটাই দেখার।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে 'বিগ বস বাংলা'। সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় এগিয়ে চলেছে এই শো। এবারের প্রতিযোগী হিসেবে আছেন দুর্নিবার সাহা, ভরত কল, নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলম গুপ্ত, সোনামণি সাহা, তনুশ্রী রায় দাস, সায়ক চক্রবর্তী, মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ, সোহিনী পাল, দীপেন্দু বিশ্বাস, প্রমুখ। অনিন্দ্য সেনগুপ্ত বাদ পড়তেই ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছেন রাজবীর দে। দ্বিতীয় ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছেন জীতু কামাল। খেলা থেকে ইতিমধ্যেই বাদ পড়েছেন জয়িতা চ্যাটার্জি। গত সপ্তাহে এলিমিনেট হয়েছেন অ্যালেক্সজান্দ্রা টেলর এবং সায়ক চক্রবর্তী। এই সপ্তাহে গেম থেকে বাদ পড়লেন সোহিনী পাল, এবং এন্ট্রি নিয়েছেন অনুষ্কা। গত রবিবারের পর্বে বাদ গেলেন না কেউই। এই সপ্তাহের মাঝে বাদ গেলেন দীপেন্দু বিশ্বাস। আর রবিবার অনুষ্কা। তারপরই সোমবার অসুস্থতার কারণে 'বিগ বস' হাউজ থেকে বাদ পড়লেন ঝিলম।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/3cMTTodLuk0?si=qN9LUBU7GNKw9FUo</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bigg boss bangla]]></category>
            <category><![CDATA[bigg boss]]></category>
            <category><![CDATA[sourav ganguly]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/877fed8b-f9b2-4eed-b378-9de587e9b318.webp" length="60092" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/877fed8b-f9b2-4eed-b378-9de587e9b318.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/877fed8b-f9b2-4eed-b378-9de587e9b318.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[নানা রঙে রেঙে ওঠা চিংড়িঘাটা উড়ালপুলে পরপর দুর্ঘটনা! ভাইরাল ভিডিও নিয়ে কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/suvendu-on-flyover-accidents-a-series-of-accidents-on-the-colorfully-illuminated-chingrighata-flyover-what-did-the-cm-say-about-the-viral-video-517158</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/suvendu-on-flyover-accidents-a-series-of-accidents-on-the-colorfully-illuminated-chingrighata-flyover-what-did-the-cm-say-about-the-viral-video-517158</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 23:08:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বৃষ্টিভেজা চিংড়িঘাটা উড়ালপুলে পর পর কয়েকটি বাইক পিছলে পড়েছে। বুধবার সমাজমাধ্যমে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় বিতর্ক।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> সরকার, নতুন আয়োজন। এ বার পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতিতেও এসেছে নতুন রং। ইডেন গার্ডেন্সের আগমনী অনুষ্ঠান থেকে রেড রোডের আলোকসজ্জা, শহর সাজাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। কলকাতার বিভিন্ন রাস্তা, সেতু ও উড়ালপুলও রাঙিয়ে তোলা হয়েছে নানা রঙে। কিন্তু সেই রঙিন রাস্তা ঘিরেই এ বার উঠছে নিরাপত্তার প্রশ্ন।</p>&#13;
<p>বুধবার সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও-কে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ভিডিয়োটি একটি চারচাকা গাড়ির ভিতর থেকে তোলা বলে মনে হচ্ছে। সেখানে বৃষ্টিভেজা চিংড়িঘাটা উড়ালপুলে পর পর কয়েকটি বাইক পিছলে পড়তে দেখা যাচ্ছে। রাস্তায় রং করার ফলেই কি এই দুর্ঘটনা? সেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। যদিও ভিডিও-টির সত্যতা আজকাল ডট ইন-এর তরফে যাচাই করা হয়নি। দুর্ঘটনার কারণও এখনও নিশ্চিত নয়।</p>&#13;
<p>বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি জানান, রাস্তা রং করার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে, এমন কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ঘটনার বিস্তারিত না জেনে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>রঙিন রাস্তায় দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, &ldquo;আমি একটু আগেই মন্ত্রিসভার বৈঠকে ছিলাম। সেখানে ভিডিওটি পাই এবং দেখি, একটি মোটরসাইকেল পিছলে পড়ে যাচ্ছে। সেটির ধাক্কায় সামনে থাকা আর একটি মোটরসাইকেলও পড়ে যায়। কিন্তু ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা আমরা এখনও জানি না।&rdquo;</p>&#13;
<p>তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান। কেএমডিএ-র যে ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তা রং করার কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছে। কেএমডিএ-এর সিইও গীতেন্দ্র সিংহানিয়া দ্রুত ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজেশ কুমারকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বলেও পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী জানান।&nbsp;</p>&#13;
<p>তিনি আরও বলেন,&rdquo;আমরা যে রং ব্যবহার করেছি, তা অ্যান্টি-স্কিড। তাই এই রঙের কারণে বাইক পিছলে পড়ার কথা নয়। তবে সমাজমাধ্যমে শুনছি, রঙের জন্য রোদে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হচ্ছে। যদিও আমি নিজে এখনও বিষয়টি খতিয়ে দেখার সময় পাইনি। আমরা অভিযোগটি দেখছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;</p>&#13;
<p>পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, পুজোর আগে কলকাতাকে নতুন করে সাজানোর এই উদ্যোগকে মানুষ খুব ভাল ভাবে নিয়েছেন। নতুন সরকারের আমলে শহরের এই সাজসজ্জা সাধারণ মানুষের প্রশংসাও পেয়েছে। তবে যদি পুলিশ ও প্রশাসনের তদন্তে দেখা যায় যে কোথাও মানুষের চলাচলে অসুবিধা হচ্ছে, তা হলে অবশ্যই বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ভাবা হবে। মানুষের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেটাই সরকারের লক্ষ্য।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Chingrighata Flyover Accidents]]></category>
            <category><![CDATA[Suvendu Adhikari On Flyover Accidents]]></category>
            <category><![CDATA[Colorfull Chingrighata Flyover]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/8f1f1423-081a-4ee1-a054-45f93b51e535.webp" length="47694" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/8f1f1423-081a-4ee1-a054-45f93b51e535.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/8f1f1423-081a-4ee1-a054-45f93b51e535.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হোপের সেঞ্চুরি, কিমো পলের দুরন্ত বোলিংয়ে ভারতকে হারাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জন্মদিনে হার হজম করতে হল গম্ভীরকে ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/west-indies-beat-india-to-level-the-t20-series-517157</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/west-indies-beat-india-to-level-the-t20-series-517157</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 23:06:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[হায়দরাবাদে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> হায়দরাবাদে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতকে হারিয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে সমতা ফেরাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের ফলাফল এখন ২-২। &nbsp;ক্যারিবিয়ানদের ২৪৭ রান তাড়া করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২২৩ রানেই থামল ভারত। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে সিরিজে নতুন করে লড়াই জমিয়ে দিল শাই হোপের দল। অন্যদিকে, ভারতের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ঝড় তুললেও ভারতকে জেতাতে পারেননি। এদিন ছিল ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীরের জন্মদিন। জন্মদিনে তাঁকে জয় উফহার দিতে পারলেন না ছেলেরা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের উপর চড়াও হন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা। পাওয়ারপ্লের ছয় ওভারেই ৭৯ রান তুলে নেয় ক্যারিবিয়ানরা। অধিনায়ক শাই হোপের ব্যাটে ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। অন্য প্রান্তে জুয়েল অ্যান্ড্রুও দ্রুত রান তুলছিলেন।</p>&#13;
<p>ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অক্ষর প্যাটেল। তাঁর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ১৬ বলে ২১ রান করে ফেরেন জুয়েল অ্যান্ড্রু। এরপর প্রিন্স যাদবের বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শিমরন হেটমায়ার। মাত্র ১২ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চারটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও রান তোলার গতি কমেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের।</p>&#13;
<p>এরপর শাই হোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতীয় বোলারদের চাপে ফেলেন রভম্যান পাওয়েল। ১৭ বলে ২৪ রান করে অর্শদীপ সিংয়ের বলে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। তবে ক্যারিবিয়ানদের রানের গতি থামেনি। ক্রিজে এসে হোপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে শুরু করেন শেরফেন রাদারফোর্ড। মাত্র ২৬ বলে ৪৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, একের পর এক বাউন্ডারি ও ছক্কায় নিজের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান হোপ। মাত্র ২৮ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ইনিংসের শেষ দুই বলে ১২ রান তুলে শতরান পূর্ণ করেন হোপ। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে নির্ধারিত ২০ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।</p>&#13;
<p>ক্যারিবিয়ানদের বিশাল রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন সঞ্জু স্যামসন। মাত্র ২০ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। ২৩ বলে ৫৬ রানের ইনিংসে ছিল ছ'টি চার ও চারটি ছক্কা। তবে কিমো পলের বলে স্যামসন আউট হতেই ভারতের ইনিংসে ধাক্কা লাগে। অল্প সময়ের ব্যবধানে ফিরে যান ঈশান কিষাণও।</p>&#13;
<p>এরপর শ্রেয়স আইয়ার বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। অভিষেক শর্মা ২৯ রান করে মোতির বলে আউট হন। একই ওভারে নমন ধীরকে স্টাম্পড করিয়ে ভারতকে আরও চাপে ফেলে দেন মোতি। একের পর এক উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ক্রমশ পিছিয়ে পড়তে থাকে ভারত।</p>&#13;
<p>তবে হাল ছাড়েননি তিলক বর্মা। চার ও ছক্কায় পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করেন তিনি। ২৫ বলে ৪৩ রান করে রোমারিও শেফার্ডের বলে রভম্যান পাওয়েলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিলক। শেষ দিকে নীতীশ কুমার রেড্ডি পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ভারতকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর সেই লড়াইও শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি। কিমো পলের বলে ৪১ রান করে আউট হন নীতীশ।</p>&#13;
<p>কিমো পলের দুরন্ত বোলিংই ম্যাচের অন্যতম বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। চার ওভারে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন তিনি। ফলে বড় রান তাড়া করেও ২২৩ রানে থেমে যায় ভারত।</p>&#13;
<p>এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-২ করে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচ এখন দুই দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বেঙ্গালুরুতে সেই লড়াই কে জেতে, সেটাই দেখার।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[west indies]]></category>
            <category><![CDATA[India]]></category>
            <category><![CDATA[india vs west indies]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/66ab74a0-b239-46ab-b8fb-96c1ae2d8295.webp" length="27742" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/66ab74a0-b239-46ab-b8fb-96c1ae2d8295.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/66ab74a0-b239-46ab-b8fb-96c1ae2d8295.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['বিগ বস বাংলা'য় ফের বাবা-মা তুলে তুলকালাম রাজবীর-নন্দিনীর! কী নিয়ে ঝগড়া বাঁধল দু'জনের? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/bigg-boss-bangla-rajveer-dey-and-nandini-dutta-again-fights-with-each-other-517156</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/bigg-boss-bangla-rajveer-dey-and-nandini-dutta-again-fights-with-each-other-517156</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 23:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA['বিগ বস বাংলা'য় ফের ধুন্ধুমার কাণ্ড! 'দুর্বুদ্ধি এবং সুবুদ্ধি'র লড়াইয়ের খেলা শুরু হওয়ার আগেই জোর তর্কাতর্কি বাঁধে রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তর। কিন্তু কেন? কী নিয়ে 'মা বাবা' তুলে চলল কথা কাটাকাটি? ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>'বিগ বস বাংলা'য় ফের ধুন্ধুমার কাণ্ড! 'দুর্বুদ্ধি এবং সুবুদ্ধি'র লড়াইয়ের খেলা শুরু হওয়ার আগেই জোর তর্কাতর্কি বাঁধে রাজবীর দে এবং নন্দিনী দত্তর। কিন্তু কেন? কী নিয়ে 'মা বাবা' তুলে চলল কথা কাটাকাটি?&nbsp;</p>&#13;
<p>এদিনের টাস্কে রাজবীর 'মানুষ' হয়েছেন, এবং তাঁর 'সুবুদ্ধি' হয়েছেন নন্দিনী এবং জীতু 'দুর্বুদ্ধি'। দ্বিতীয়জনের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে হবে প্রথমজনকে। সেই খেলা শুরুর আগে নন্দিনীকে সতর্ক করেন রাজবীর। বলেন জীতুর গায়ের জোর বেশি তাঁর তুলনায়। তাঁর সতর্ক থাকা উচিত। রাজবীর বলেন, "অনুষ্কাকে সাবোটাজ করেছে আগের টাস্কে। শারীরিক ভাবেও স্ট্রং।" তাঁর এই কথাটা গায়ে লেগে যায় নন্দিনীর। তাঁর শারীরিক শক্তি এবং তাঁর ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় চোটপাট করা শুরু করেন তিনি। রাজবীর ছাড়ার পাত্র নন। তিনি পাল্টা বলেন, "তুমি নিজের জিনিস মেনে নাও। কিছু মানতে চাও না নিজের বিষয়ে। টাস্কের বিষয়ে কিছু বললেই এরকম করো।" তাতেও নন্দিনী গজগজ করতে থাকেন। বলেন, "তুমি আমার বাবা না। কী করব, কী করব না, তুমি আমায় বলবে না।"&nbsp;</p>&#13;
<p>নন্দিনীর এই বাবা, মা তুলে কথা বলাকে একেবারে মেনে নিতে পারেন না রাজবীর। বলেন, "ফালতু কথা বলো না। সেই থেকে ফালতু কথা বলে যাচ্ছ। নিজের বাবা মাকে নিয়ে আসো টাস্কের মাঝে। তুমি বাবা নও, এই নও...। আমি তোমার বাবা হতেও চাই না।" এরপর তিনি গোটা বিষয়টা প্রসঙ্গে জীতুকে বলেন, "ওকে আমি কেন ওকে বুদ্ধি দিয়েছি ওর তাতে সমস্যা।" জবাবে নন্দিনী বলেন, "তোমাকে বুদ্ধি দেওয়া নিয়ে কিছু বলিনি। তুমি পুরুষ হিসেবে বলতে পারো না, জীতুর গায়ের শক্ত বেশি। একটা ছেলে একটা মেয়ের শারীরিক গঠন শক্তি আলাদা। এটা তো বেসিক। এই শিক্ষাটা ওর নেই কেন?" যদিও পরবর্তীতে আবারও আগের মতোই তাঁদের মধ্যে সব মিটমাট হয়ে যায়।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে 'বিগ বস বাংলা'। সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনায় এগিয়ে চলেছে এই শো। এবারের প্রতিযোগী হিসেবে আছেন দুর্নিবার সাহা, ভরত কল, নিরঞ্জন মণ্ডল, ঝিলম গুপ্ত, সোনামণি সাহা, তনুশ্রী রায় দাস, সায়ক চক্রবর্তী, মনামী ঘোষ, সৃজলা গুহ, সোহিনী পাল, দীপেন্দু বিশ্বাস, প্রমুখ। অনিন্দ্য সেনগুপ্ত বাদ পড়তেই ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছেন রাজবীর দে। দ্বিতীয় ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছেন জীতু কামাল। খেলা থেকে ইতিমধ্যেই বাদ পড়েছেন জয়িতা চ্যাটার্জি। গত সপ্তাহে এলিমিনেট হয়েছেন অ্যালেক্সজান্দ্রা টেলর এবং সায়ক চক্রবর্তী। এই সপ্তাহে গেম থেকে বাদ পড়লেন সোহিনী পাল, এবং এন্ট্রি নিয়েছেন অনুষ্কা। গত রবিবারের পর্বে বাদ গেলেন না কেউই। এই সপ্তাহের মাঝে বাদ গেলেন দীপেন্দু বিশ্বাস। আর রবিবার অনুষ্কা। সোমবার শারীরিক অসুস্থতার কারণে বাদ পড়েন ঝিলম।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/vZCv49OXTLI?si=12oiU1wHpcMG-Xmb</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bigg boss bangla]]></category>
            <category><![CDATA[bigg boss]]></category>
            <category><![CDATA[sourav ganguly]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bc2a2a41-d67f-4198-b7dd-49ac6c308105.webp" length="34996" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bc2a2a41-d67f-4198-b7dd-49ac6c308105.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bc2a2a41-d67f-4198-b7dd-49ac6c308105.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, আরও এগোল সপ্তম বেতন কমিশনের কাজ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/7th-pay-commission-good-news-for-state-west-bengal-government-employees-work-on-the-7th-pay-commission-has-progressed-further-517155</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/7th-pay-commission-good-news-for-state-west-bengal-government-employees-work-on-the-7th-pay-commission-has-progressed-further-517155</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নোডাল অফিসাররা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে লগ ইন করে নির্ধারিত প্রশ্নমালার উত্তর ও তথ্য নথিভুক্ত করে জমা দিতে পারবেন।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম বেতন কমিশনের কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্য সরকারের সমস্ত দপ্তরের কাছে কর্মী ও বেতন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চাইল কমিশন। বুধবার, ১৪ অক্টোবর, কমিশনের সদস্য-সচিব দেবী প্রসাদ করণম- র জারি করা চিঠিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির নোডাল অফিসারদের নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে এই তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>&#13;
<p>চলতি বছরে অর্থ দপ্তরের (২২ জুলাই এবং ২৯ জুলাই, ২০২৬-এ ) জারি করা বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে সপ্তম বেতন কমিশন গঠিত হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান বেতন ও ভাতা কাঠামো খতিয়ে দেখা এবং সেই সংক্রান্ত সুপারিশ করাই কমিশনের মূল কাজ। রাজ্য সরকারের অর্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ বেতন ও ভাতা পান, এমন নির্দিষ্ট সংস্থার কর্মীদের বেতন কাঠামোও কমিশনের পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে।</p>&#13;
<p>কমিশনের চিঠিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দপ্তরের পদ, পরিষেবা, ক্যাডার এবং কর্মীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন। সেই কারণে প্রতিটি দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, প্রধান সচিব ও সচিবদের তাঁদের দফতরের নোডাল অফিসারকে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে বলা হয়েছে।</p>&#13;
<p>এই তথ্য জমা দিতে কমিশনের নির্দিষ্ট পোর্টাল ** https://7spc.wb.gov.in/ ** ব্যবহার করতে হবে। নোডাল অফিসাররা মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে লগ ইন করে নির্ধারিত প্রশ্নমালার উত্তর ও তথ্য নথিভুক্ত করে জমা দিতে পারবেন।</p>&#13;
<p>তবে নতুন বেতন কাঠামো কী হবে, বেতন কতটা বাড়তে পারে কিংবা কবে থেকে তা কার্যকর হতে পারে, সে বিষয়ে এই চিঠিতে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। আপাতত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা কাঠামো পর্যালোচনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে সপ্তম বেতন কমিশন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[7th pay commission]]></category>
            <category><![CDATA[West Bengal Government Employees]]></category>
            <category><![CDATA[WB Government Employees Salary Hike]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/75311fc1-a036-4992-8415-efa8ac0c5166.webp" length="86366" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/75311fc1-a036-4992-8415-efa8ac0c5166.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/75311fc1-a036-4992-8415-efa8ac0c5166.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এক ওভারেই ৫ উইকেট, দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে নজির লেককের ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/kzn-inlands-chad-laycock-scripted-history-as-he-scalped-five-wickets-in-an-over-during-csa-pro-t20-cups-clash-against-titans-517153</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/kzn-inlands-chad-laycock-scripted-history-as-he-scalped-five-wickets-in-an-over-during-csa-pro-t20-cups-clash-against-titans-517153</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:37:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজিরবিহীন কীর্তি গড়লেন কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ডের পেসার চ্যাড লেকক। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নজিরবিহীন কীর্তি গড়লেন কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ডের পেসার চ্যাড লেকক।&nbsp;<br>সিএসএ প্রো টি-টোয়েন্টি কাপে টাইটান্সের &nbsp;বিরুদ্ধে এক ওভারে পাঁচটি উইকেট তুলে নিয়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়ে নিলেন এই পেসার। চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ছয় উইকেট নিয়ে কেরিয়ারের সেরা বোলিং পরিসংখ্যানও গড়লেন তিনি। তবে লেককের এমন অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ২১ রানে ম্যাচ জিতে নেয় টাইটান্স।&nbsp;</p>&#13;
<p>টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ড। কিন্তু শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন টাইটান্সের দুই ওপেনার। তাঁদের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ন' ওভারেরও কম সময়ে ১১২ রানের জুটি গড়ে ওঠে। ৩৬ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলের রানকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যান লুয়ান-দ্রে প্রিটোরিয়াস। নবম ওভারে তাঁকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন লেকক।</p>&#13;
<p>এরপর সিনেথেম্বা কেশিলের ৪৬ এবং ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ৩৩ রানের ইনিংসে বড় রানের দিকে এগিয়ে যায় টাইটান্স। ১৮ ওভার শেষে তাদের স্কোর ছিল চার উইকেটে ১৯৩ রান। মনে হচ্ছিল, অনায়াসেই ২২০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে যাবে দলটি।</p>&#13;
<p>কিন্তু ১৯তম ওভারে বল হাতে নিয়ে ম্যাচের ছবিটাই বদলে দেন লেকক। একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে টাইটান্সের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি। ওই ওভারেই পাঁচটি উইকেট হারিয়ে কার্যত ছন্দ হারিয়ে ফেলে টাইটান্স। শেষ পর্যন্ত ১৯.৫ ওভারে ২০৪ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। লেককের বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায় চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ছয় উইকেট&mdash;যা দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক ঐতিহাসিক নজির।</p>&#13;
<p>জয়ের জন্য ২০৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে লড়াই চালায় কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ড। তবে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারানোয় জয়ের পথে এগোতে পারেনি তারা। শেষদিকে ব্যাট হাতে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন লেককও। ২৫ বলে অপরাজিত ৩১ রান করে জয়ের আশা জিইয়ে রাখলেও শেষ পর্যন্ত দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি তিনি। নির্ধারিত সময়ে ইনল্যান্ডের ইনিংস থামে ছয় উইকেটে ১৮৩ রানে।</p>&#13;
<p>ফলে ২১ রানে জয় তুলে নিয়ে টানা ষষ্ঠ ম্যাচে অপরাজিত থাকার ধারাবাহিকতা বজায় রাখে &nbsp;টাইটান্স। ম্যাচের ফলাফল তাদের পক্ষে গেলেও দিনের নায়ক হয়ে থাকলেন চ্যাড লেকক। এক ওভারে পাঁচ উইকেট এবং ম্যাচে ছ' উইকেট নেওয়ার এই অবিশ্বাস্য কীর্তি দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[KZN Inland]]></category>
            <category><![CDATA[CSA Pro T20 Cup]]></category>
            <category><![CDATA[Chad Laycock]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bd2660a8-72f0-4591-867b-c99a2e0880d1.webp" length="31966" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bd2660a8-72f0-4591-867b-c99a2e0880d1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bd2660a8-72f0-4591-867b-c99a2e0880d1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রাজ্য সরকারি ৪৫,১৮৫ পদে নিয়োগ, অনুমোদন করল রাজ্য মন্ত্রিসভা, তালিকায় শীর্ষে স্কুলশিক্ষা দপ্তর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/recruitment-in-wb-government-state-cabinet-approves-recruitment-for-45-185-posts-in-the-west-bengal-government-517154</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/recruitment-in-wb-government-state-cabinet-approves-recruitment-for-45-185-posts-in-the-west-bengal-government-517154</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:35:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্কুল শিক্ষা দপ্তরকে। এই দপ্তরে মোট ৩৩,১৯৯ জনকে নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগোল রাজ্য সরকার। স্কুল শিক্ষা থেকে পঞ্চায়েত, কলকাতা পুলিশ থেকে কারিগরি শিক্ষা, বিভিন্ন দপ্তরে মোট ৪৫,১৮৫টি পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করল রাজ্য মন্ত্রিসভা।&nbsp;</p>&#13;
<p>বুধবার নবান্নে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ দপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।</p>&#13;
<p>নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে স্কুল শিক্ষা দপ্তরকে। এই দপ্তরে মোট ৩৩,১৯৯ জনকে নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক পদে ৪,৪৮২ জন, উচ্চ প্রাথমিক স্তরে ৬,০৫২ জন এবং মধ্যশিক্ষা স্তরে ১২,৩৪৩ জন সহশিক্ষক নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকা পদে নিয়োগ করা হবে ৪,৩১২ জনকে।</p>&#13;
<p>শিক্ষা দপ্তরের পাশাপাশি গ্রামীণ প্রশাসনিক পরিকাঠামোয় কর্মী নিয়োগের উপরেও জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে ৭,১২৯টি পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশে ৯৯৬ জন কনস্টেবল এবং কারিগরি শিক্ষা দফতরে ১,৮৮৬ জন কর্মী নিয়োগ করা হবে।</p>&#13;
<p>ইতিমধ্যেই রাজ্যে নতুন করে সরকারি নিয়োগের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে সেই সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক স্তরে আরও এক ধাপ এগোল। এবার অর্থ দপ্তরের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলির পরবর্তী পদক্ষেপের উপর নির্ভর করবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[government recruitment]]></category>
            <category><![CDATA[Recruitment In West Bengal Government]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/53dcbc67-ed7f-44fd-a95c-dff5955af700.webp" length="26032" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/53dcbc67-ed7f-44fd-a95c-dff5955af700.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/53dcbc67-ed7f-44fd-a95c-dff5955af700.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[শীতের আগেই জঙ্গিদের ভারতে ঢোকাতে মরিয়া ইসলামাবাদ, পাক সেনা ও আইএসআই-এর পরিকল্পনা ফাঁস ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/islamabad-desperate-to-push-terrorists-into-india-before-winter-pakistan-army-and-isis-plan-exposed-517152</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/islamabad-desperate-to-push-terrorists-into-india-before-winter-pakistan-army-and-isis-plan-exposed-517152</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 22:20:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, শতাধিক জঙ্গিকে পিওকে-র সামনের সারির ক্যাম্পগুলোতে সরিয়ে আনা হয়েছে। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের ইউনিটগুলোকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যে জানা গিয়েছে যে, ভারতে অনুপ্রবেশের সুবিধার্থে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এবং সেনাবাহিনী পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) ছয় থেকে সাতটি 'লঞ্চ প্যাড' (অনুপ্রবেশের ঘাঁটি) সক্রিয় করেছে।</p>&#13;
<p>গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, শতাধিক জঙ্গিকে সামনের সারির ক্যাম্পগুলোতে সরিয়ে আনা হয়েছে। শীতকালে তুষারপাতের ফলে পাহাড়ি গিরিপথগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার এবং সীমান্ত অতিক্রম করা কঠিন হয়ে পড়ার আগেই অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>এই সতর্কতার আওতায় রয়েছে রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকা এবং কাশ্মীর উপত্যকা। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চলাচলের ওপর কড়া নজর রাখছে। এই রেখাটিই কাশ্মীরকে ভারত ও পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত অংশে বিভক্তকারী সামরিক সীমানা।</p>&#13;
<p>পুঞ্চ জেলার কৃষ্ণা ঘাটি সেক্টরে অনুপ্রবেশের একটি চেষ্টার ঘটনার পরই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ওই ঘটনায় লস্কর-ই-তৈয়বার (এলইটি) একজন শীর্ষ কমান্ডার-সহ চারজন পাকিস্তানি জঙ্গি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে নিহত হয়।</p>&#13;
<p>ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে চার সন্ত্রাসবাদী নিহত<br>নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, কৃষ্ণা ঘাটি সেক্টরের নাঙ্গি টেকরির কাছে নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করার সময় ওই চার ব্যক্তি সামনের দিকের এলাকায় থাকা একটি পুরনো ল্যান্ডমাইন ক্ষেত্রের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করার চেষ্টার সময় নজরদারি ব্যবস্থার মাধ্যমে লস্কর-ই-তৈয়বার দলটিকে শনাক্ত করা হয়েছিল।</p>&#13;
<p>নিহতদের মধ্যে একজনকে মহম্মদ ফয়জান বলে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে লস্কর-ই-তৈয়বার একজন শীর্ষ কমান্ডার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি পিওকে-র নিকিয়াল ও কোটলি এলাকায় অবস্থিত সংগঠনের ক্যাম্পগুলো থেকে অনুপ্রবেশকারীদের পাঠানোর বিষয়টি সমন্বয় করতেন। বাকি তিনজনের নাম ওয়াকাস, ইশতিয়াক ও আসিম বলে শনাক্ত করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহ ছাড়াও অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং যুদ্ধসজ্জার অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। ওই দলের অন্য কোনও সদস্য এর সঙ্গে জড়িত কি না, তা নিশ্চিত করতে একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সক্রিয় সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলো শীত নামার আগেই কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে।</p>&#13;
<p>প্রবল তুষারপাতের ফলে দুর্গম সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পাহাড়ি গিরিপথ ও চলাচলের পথগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে। ছয়-সাতটি 'লঞ্চ প্যাড' (অনুপ্রবেশের প্রস্তুতি কেন্দ্র) সক্রিয় হওয়া এবং শতাধিক জঙ্গির সম্মুখবর্তী ঘাঁটিগুলোর দিকে সরে আসার খবরের পরিপ্রেক্ষিতে রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকা ও কাশ্মীর উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>'লঞ্চ প্যাড' হল নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি অবস্থিত এমন সব স্থান যেখানে সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টার আগে একত্রিত হয়। যেকোনও সন্দেহজনক গতিবিধি শনাক্ত করতে এবং অনুপ্রবেশের প্রচেষ্টা রুখতে সেনাবাহিনী ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর ওপর কড়া নজর রাখছে।</p>&#13;
<p>নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সাম্প্রতিক হামলার জেরে জম্মু অঞ্চলে সন্ত্রাস-বিরোধী অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>এর আগের বিস্ফোরণের ঘটনাতেও নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছিল<br>ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের এই ঘটনার ঠিক আগেই, সোমবার কৃষ্ণ ঘাটি সেক্টরের 'জিরো লাইন'-এর কাছে সাতওয়াল-নাকি এলাকায় আরেকটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। কর্মকর্তাদের মতে, নিয়ন্ত্রণরেখার পাকিস্তান-শাসিত অংশের পাশ দিয়ে একদল মানুষের চলাচলের সময় একটি সন্দেহভাজন আইইডি -র বিস্ফোরণ ঘটে।</p>&#13;
<p>ওই দলটি নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রমের চেষ্টায় থাকা সন্দেহভাজন জঙ্গি নাকি টহলরত পাকিস্তানি নিরাপত্তা কর্মী ছিল, তা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করতে পারেননি। বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তা বাহিনী সতর্কাবস্থা জারি করে এবং ওই সেক্টরে নজরদারি বৃদ্ধি করে।</p>&#13;
<p>আরেকটি ঘটনায়, সোমবার মেন্ধর সেক্টরের বাসোনি এলাকায় সীমান্ত বেড়ার কাছে সেনাবাহিনীর জওয়ানরা দু'টি মরিচা ধরা ল্যান্ডমাইন শনাক্ত করেন। সকাল ৮টা ২৫ মিনিট ও দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে একটি করে বিস্ফোরক শনাক্ত করা হয় এবং পরে সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করেন।</p>&#13;
<p>প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ওই এলাকায় প্রায় এক ডজন ল্যান্ডমাইন শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশ-বিরোধী ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ল্যান্ডমাইন বসানো থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে অনেক সময় পুরনো বিস্ফোরকগুলো স্থানচ্যুত হতে পারে বা দৃশ্যমান হয়ে উঠতে পারে, যা এমন সব এলাকায় ঝুঁকির সৃষ্টি করে যেখানে সাধারণত এগুলোর উপস্থিতি প্রত্যাশিত নয়।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[isi]]></category>
            <category><![CDATA[jammu kashmir]]></category>
            <category><![CDATA[indian army]]></category>
            <category><![CDATA[pok]]></category>
            <category><![CDATA[pak army]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/7b61fccf-92bb-49c2-89b1-c315bb12861b.webp" length="29318" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/7b61fccf-92bb-49c2-89b1-c315bb12861b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/7b61fccf-92bb-49c2-89b1-c315bb12861b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['এই' কারণে ১৩ বছর ধরে সিঙ্গল সলমন! 'কফি উইথ করণ'-এ এসেই জানালেন, 'আমি সন্তান চাই....']]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/salman-khan-reveals-he-want-kid-in-koffee-with-karan-season-9-517150</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/salman-khan-reveals-he-want-kid-in-koffee-with-karan-season-9-517150</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:42:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[শুরু হয়ে গেল 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯। ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ টায় প্রকাশ্যে এল এই জনপ্রিয় সেলেব টক শোয়ের প্রথম পর্ব। আর সেখানেই অতিথি হিসেবে ধরা দিলেন সলমন খান। এই শোয়ে এসে তিনি তাঁর প্রেম জীবন থেকে শুরু করে সন্তান চান কিনা, সমস্ত বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করলেন। জানালেন কেন গত ১৩ বছর ধরে তিনি সিঙ্গল। ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>শুরু হয়ে গেল 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯। ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ টায় প্রকাশ্যে এল এই জনপ্রিয় সেলেব টক শোয়ের প্রথম পর্ব। আর সেখানেই অতিথি হিসেবে ধরা দিলেন সলমন খান। এই শোয়ে এসে তিনি তাঁর প্রেম জীবন থেকে শুরু করে সন্তান চান কিনা, সমস্ত বিষয়ে খোলামেলা আলোচনা করলেন। জানালেন কেন গত ১৩ বছর ধরে তিনি সিঙ্গল।&nbsp;</p>&#13;
<p>সলমন খানের অনুরাগী হন বা দর্শক সকলেই জানতে চান তিনি কেন বিয়ে করছেন না? তবে সেই বিষয়ে কিছু না বলেই এদিন ভাইজান স্পষ্ট করে দিলেন বিয়ে না করলেও তিনি সন্তান চান।&nbsp;</p>&#13;
<p>এত বছর তিনি একা, একাকীত্ব বোধ হয় না? করণের এই প্রশ্নের জবাবে সলমন বলেন, 'আপনার সঙ্গে কেউ না থাকতে চাইলে আপনি সবার থেকে একা। কেউ আমায় সঙ্গী বানানোর থেকে আটকাননি। কিন্তু আমি এভাবেই ভাল আছি। তবে আমি অবশ্যই সন্তান চাই। আমি তোমার জন্য খুব খুশি করণ যে তুমি এটা করেছ। আমার সন্তান আসবে।'</p>&#13;
<p>এদিন ভার্জিনিটি প্রসঙ্গে সলমন খান বলেন, 'আমি এই বিষয়ে কথা বলব না। আপনারা বলতে থাকুন আমি ডেট করছি অমুক অমুককে। কিন্তু আপনি জানেন না সেই মানুষটা আপনার জীবনে থাকবেন কিনা। শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, সেই মানুষটা জীবনে এগিয়ে যান এবং অন্য কাউকে বিয়ে করে নিলেন। আমার বাবা সবসময় বলতেন ছোটবেলা থেকে যে তোমার পার্সোনাল লাইফ তোমার বেডরুম, আর লিভিং রুমে গোটা দেশ।'&nbsp;</p>&#13;
<p>এদিনের এই পর্বে নিজের অসুস্থতা, পাপারাজ্জি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন সলমন খান। এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, করণ জোহর সঞ্চালিত এই শোয়ে আগামীতে শাহরুখ খান, আলিয়া ভাট, করিনা কাপুর, সইফ আলি খান, প্রমুখ আসতে পারেন অতিথি হিসেবে। জল্পনা, শেষ পর্বে অতিথি হিসেবে থাকবেন কিং খান।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/3cMTTodLuk0?si=qN9LUBU7GNKw9FUo</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[karan johar]]></category>
            <category><![CDATA[Koffee With Karan]]></category>
            <category><![CDATA[salman khan]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/28fe4c4c-0671-4d02-9368-0242f59f82aa.webp" length="28792" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/28fe4c4c-0671-4d02-9368-0242f59f82aa.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/28fe4c4c-0671-4d02-9368-0242f59f82aa.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিজয়কে চোখে হারান রশ্মিকা! আজও 'ফ্যানগার্ল' মনে হয় নিজেকে]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/rashmika-mandana-says-she-still-fells-like-a-fan-girl-of-husband-vijay-devarakonda-517151</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/rashmika-mandana-says-she-still-fells-like-a-fan-girl-of-husband-vijay-devarakonda-517151</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:41:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিয়ের পরেও স্বামীকে রীতিমতো চোখে হারান 'ফ্যানগার্ল' রশ্মিকা মান্দানা। অভিনেত্রী জানিয়েছেন মাঝে মধ্যে তিনি নিজেই বিশ্বাস করতে পারেন না এখন তাঁরা বিবাহিত। এখনও বিজয় দেবরকোন্ডাকে পর্দায় অভিনয় করতে দেখলেই তাঁর মনে হয় তিনি আজও বিজয়ের একজন সাধারণ অনুরাগী।]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>বিয়ের পরেও স্বামীকে রীতিমতো চোখে হারান 'ফ্যানগার্ল' রশ্মিকা মান্দানা। অভিনেত্রী জানিয়েছেন মাঝে মধ্যে তিনি নিজেই বিশ্বাস করতে পারেন না এখন তাঁরা বিবাহিত। এখনও বিজয় দেবরকোন্ডাকে পর্দায় অভিনয় করতে দেখলেই উচ্ছসিত অনুরাগীর মতো আচরণ করতে থাকেন তিনি। তাঁর মনে হয় তিনি আজও বিজয়ের একজন সাধারণ অনুরাগী।</p>&#13;
<p>সামনেই মুক্তি পেতে চলেছে রশ্মিকা-বিজয় অভিনীত সিনেমা &lsquo;রণবালি&rsquo;। এই সিনেমা প্রি-রিলিজ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন অভিনেত্রী। সেখানেই স্বামী বিজয়ের প্রতি নিজের সমস্ত অনুভূতির কথা উজাড় করে দিয়েছিলেন তিনি। রশ্মিকার মুখের বিজয়ের প্রশংসা শুনে ব্যাপক উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছেন এই জুটির অনুরাগীরাও।</p>&#13;
<p><br>অভিনেত্রীর কথায়, 'আমি তোমার কাজের ভীষণ বড় ফ্যান। &lsquo;রণবালি&rsquo;-তে তোমার কাজ দেখার জন্য আমি অপেক্ষা করে আছি।' এরপর বিজয়কে তার আসন্ন সিনেমার জন্য একরাশ শুভেচ্ছা জনিয়েছেন অভিনেত্রী। দর্শকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিয়ে সবাইকে ভালো থাকার, হাসিখুশি থাকার এবং একে অপরের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার কথা বলেছেন রশ্মিকা।</p>&#13;
<p>এই সিনেমায় বিজয় দেবরকোন্ডাকে দেখা যাবে একেবারে ছক ভাঙা লুকে। আসন্ন সিনেমায় অভিনেতাকে রুক্ষ মেজাজের একটি চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে। তাঁকে এই নতুন লুকে দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন রশ্মিকাও।</p>&#13;
<p>শুটিং ফ্লোরের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে অভিনেত্রী বলেছেন তিনি নিজের সামনে থেকে দেখেছেন শুটিংয়ের দিনগুলোতে কিভাবে গোটা টিম পরিশ্রম করেছে। কাজের প্রতি তাদের নিষ্ঠা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে এই সিনেমায় বিজয়ের লুককে নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে তার গোঁফ। যা বিশেষ ভাবে মন ছুঁয়েছে অভিনেত্রীর।&nbsp;</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt">https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt</a></p>&#13;
<p>একইসাথে অভিনেত্রী এদিন জানিয়েছেন এই সিনেমাটি তাদের দুজনের জন্যই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর এই সিনেমার হাত ধরেই বাস্তবের জুটি আরও একবার পর্দায় ফিরতে চলেছেন। তাই আপাতত ১৬ ই অক্টোবর এই সিনেমা মুক্তি পাওয়ার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁদের অনুরাগীরা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Ranabali]]></category>
            <category><![CDATA[rashmika mandana]]></category>
            <category><![CDATA[Fan Girl]]></category>
            <category><![CDATA[New Release]]></category>
            <category><![CDATA[vijay devarakonda]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f27c275-740d-42f8-a542-9c20b0b8a9e3.webp" length="37598" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f27c275-740d-42f8-a542-9c20b0b8a9e3.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f27c275-740d-42f8-a542-9c20b0b8a9e3.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সন্তানের দায়িত্ব কেন শুধু মায়ের? মাতৃত্ব নিয়ে সমাজের চেনা ধারণাকে প্রশ্ন পরিণীতির, বিশেষ বার্তা বাবাদের ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/parineeti-chopra-questions-society-s-conventional-views-on-motherhood-and-gives-message-for-fathers-517148</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/parineeti-chopra-questions-society-s-conventional-views-on-motherhood-and-gives-message-for-fathers-517148</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:37:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব, সন্তান প্রতিপালন এবং নারী-পুরুষের সমান দায়িত্ব নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিনেত্রী। ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সন্তানের জন্মের পর মায়ের জীবনেই কেন সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসবে? সন্তানের দেখাশোনা থেকে শুরু করে সংসার সামলানো, নিজের কেরিয়ারের সঙ্গে সমঝোতা করার দায়িত্বও কেন মূলত মায়ের উপরেই বর্তায়? সমাজের এই চেনা ধারণা নিয়েই এবার সরব বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, সন্তানকে বড় করে তোলার দায়িত্ব মা-বাবা দু&rsquo;জনেরই। তা হলে কেন মাকেই সন্তানের প্রধান অভিভাবক হিসেবে ধরে নেওয়া হবে? কেন বাবার ভূমিকা থাকবে তুলনায় গৌণ?</p>&#13;
<p>সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাতৃত্ব, সন্তান প্রতিপালন এবং নারী-পুরুষের সমান দায়িত্ব নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, সন্তান জন্মের পর মায়ের জীবনযাত্রায় নানা পরিবর্তন আসবে, অথচ বাবা আগের মতোই নিজের জীবন কাটাবেন&mdash;সমাজের এই মানসিকতা বদলানো প্রয়োজন। পরিণীতির মতে, সন্তানকে পৃথিবীতে আনার সিদ্ধান্ত দু&rsquo;জনের হলে তার দায়িত্বও দু&rsquo;জনকেই ভাগ করে নিতে হবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>সন্তানের খাওয়াদাওয়া, ঘুম, অসুস্থতা কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজনের দিকে নজর রাখার দায়িত্ব মূলত মায়ের উপরেই বর্তায়। অন্যদিকে, বাবার অংশগ্রহণকে অনেক সময় অতিরিক্ত সাহায্য হিসেবেই দেখা হয়। পরিণীতির বক্তব্য, এই ধারণা থেকেই বেরিয়ে আসতে হবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>অভিনেত্রীর মতে, এই সময়ে বাবার দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। মায়ের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দিকে নজর রাখা, সন্তানের দেখাশোনায় অংশ নেওয়া এবং সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে বাবাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। শুধু মা বলেই সন্তানকে সামলানোর সমস্ত দায়িত্ব তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>পরিণীতির মতে, প্রত্যেক পরিবারের পরিস্থিতি এক নয়। কোনও পরিবারে আর্থিক কারণে একজনকে বেশি সময় কাজ করতে হতে পারে। আবার কোনও পরিবারে একজন কেরিয়ারে মনোযোগ দিলে অন্যজন সন্তানের দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে পারেন। এই ব্যবস্থাগুলির কোনওটিই ভুল নয়, যদি সিদ্ধান্তটি দু&rsquo;জনের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভিত্তিতে নেওয়া হয়।</p>&#13;
<p>তবে অভিনেত্রীর আপত্তি সেই সামাজিক প্রত্যাশায়, যেখানে কোনও আলোচনা ছাড়াই ধরে নেওয়া হয় যে সন্তানের জন্য মাকেই নিজের কেরিয়ার, ব্যক্তিগত সময় এবং স্বাধীনতার সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে। মাতৃত্বের পর অভিনয়জগতে ফিরেছেন পরিণীতি। তাঁর সাম্প্রতিক বক্তব্য তাই শুধু সন্তান প্রতিপালন নয়, কর্মজীবী মায়েদের কেরিয়ার এবং ব্যক্তিগত পরিচয় বজায় রাখার প্রসঙ্গও সামনে এনেছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[women health]]></category>
            <category><![CDATA[parenting]]></category>
            <category><![CDATA[raghav chadha]]></category>
            <category><![CDATA[parineeti chopra]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/12583013-7d5d-4d60-9414-fac4826608fc.webp" length="51770" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/12583013-7d5d-4d60-9414-fac4826608fc.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/12583013-7d5d-4d60-9414-fac4826608fc.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সৌরভের প্রশংসায় যুবরাজ উইলিয়াম, বললেন, 'অন্যতম সেরা']]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/prince-william-plays-cricket-with-sourav-ganguly-brian-lara-and-james-anderson-outside-buckingham-palace-517147</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/prince-william-plays-cricket-with-sourav-ganguly-brian-lara-and-james-anderson-outside-buckingham-palace-517147</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:29:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেসের সামনে ক্রিকেট খেললেন যুবরাজ উইলিয়াম।]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>লন্ডনের বাকিংহাম প্যালেসের সামনে ক্রিকেট খেললেন যুবরাজ উইলিয়াম। মঙ্গলবার আয়োজিত &lsquo;ক্রিকেট অন দ্য মল&rsquo; অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে ক্রিকেট খেলতে দেখা গেল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, অজিঙ্ক রাহানে, ব্রায়ান লারা, জেমস অ্যান্ডারসন ও জো রুটের মতো তারকাদের। আর সেখানেই ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই উত্তরাধিকারী। সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলার সময় উইলিয়াম বলেন, &ldquo;সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় অন্যতম সেরা ক্রিকেটার।&rdquo;</p>&#13;
<p>মুম্বইয়ে হতে চলা আর্থশট প্রাইজের অনুষ্ঠানের প্রচারের উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল এই ক্রিকেট ম্যাচের। তবে লন্ডনের এই অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এখন আলোচনার কেন্দ্রে সৌরভের নতুন দায়িত্ব। ২০২৭ সালের আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন তিনি। হেমাং বাদানির জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলার মহারাজকে।</p>&#13;
<p>২০১৯ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসে উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন সৌরভ। পরবর্তী সময়ে ফ্র্যাঞ্চাইজির পুরুষ ও মহিলা দলের ক্রিকেট ডিরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি লিগে দিল্লির সহযোগী ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রিটোরিয়া ক্যাপিটালসের প্রধান কোচের দায়িত্বেও ছিলেন সৌরভ। এ বার আইপিএলে দিল্লির সিনিয়র দলের কোচ হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন তিনি।</p>&#13;
<p>নতুন দায়িত্ব পেয়ে সৌরভ জানিয়েছেন, দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁর হৃদয়ের খুব কাছের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। দলের মালিকপক্ষ, ম্যানেজমেন্ট, সাপোর্ট স্টাফ ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। তাই এই দায়িত্ব তাঁর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।</p>&#13;
<p>https://x.com/KensingtonRoyal/status/2110074400775225808</p>&#13;
<p>সৌরভের কথায়, &ldquo;আইপিএলে প্রধান কোচের দায়িত্ব নিতে আমি মুখিয়ে রয়েছি। দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আমাদের দলে প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। নতুন মরশুমে দলের সঙ্গে কাজ করে একটি শক্তিশালী ও নির্ভীক দল গড়ে তুলতে চাই।&rdquo;</p>&#13;
<p>দিল্লি ক্যাপিটালসের চেয়ারম্যান ও সহ-মালিক পার্থ জিন্দালও সৌরভকে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অধিনায়ক ও প্রশাসক এ বার কোচ হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দেবেন। সৌরভের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে দিল্লি আইপিএল খেতাব জয়ের লক্ষ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলেও আশাপ্রকাশ করেছেন তিনি।</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, দিল্লি ক্যাপিটালসের মালিকানা রয়েছে জিএমআর ও জেএসডব্লিউ গোষ্ঠীর হাতে। দুই গোষ্ঠী পর্যায়ক্রমে ফ্র্যাঞ্চাইজির পরিচালনার দায়িত্ব সামলায়। ২০২৬ সালে জিএমআরের পরিচালন পর্ব শেষ হয়েছে। গত দুই মরশুমে প্লে-অফে উঠতে পারেনি দিল্লি। ফলে নতুন মরশুমে সৌরভের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দলকে সাফল্যের রাস্তায় ফেরানো।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, দিল্লি ক্যাপিটালসে ফিরেছেন ঋষভ পন্থও। দিল্লি ক্যাপিটালস ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের মধ্যে খেলোয়াড় বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে পন্থের প্রত্যাবর্তন ঘটেছে। এই চুক্তিতে কুলদীপ যাদব গিয়েছেন লখনউ শিবিরে। ফলে নতুন মরশুমে সৌরভের কোচিংয়ে দিল্লির দলগঠন ও পারফরম্যান্সের দিকে নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Prince William]]></category>
            <category><![CDATA[sourav ganguly]]></category>
            <category><![CDATA[buckingham palace]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/726bb443-debe-49bd-b0cf-032283a9c03f.webp" length="81424" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/726bb443-debe-49bd-b0cf-032283a9c03f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/726bb443-debe-49bd-b0cf-032283a9c03f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['আত্মনির্ভর পশ্চিমবঙ্গ', অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/bengal-economic-policy-cm-suvendu-adhikari-delivers-a-new-message-on-west-bengal-economic-policy-517146</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/bengal-economic-policy-cm-suvendu-adhikari-delivers-a-new-message-on-west-bengal-economic-policy-517146</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 21:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, শিল্পায়নের মাধ্যমে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং সরকারি ভাতার উপর নির্ভরতা কমানোকে তিনি অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> হলদিয়ায় ৬,০০০ কোটি টাকার শিল্প বিনিয়োগকে সামনে রেখে রাজ্যের অর্থনৈতিক নীতি নিয়ে নতুন বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যকে ভাতা-নির্ভরতা থেকে বের করে শিল্প ও কর্মসংস্থাননির্ভর অর্থনীতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপর জোর দিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য,পশ্চিমবঙ্গকে আত্মনির্ভর করে তুলতে হলে বিনিয়োগের পাশাপাশি স্থানীয় যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে।</p>&#13;
<p>হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পে সংস্থার সরাসরি বিনিয়োগ প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি ৪০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। পাশাপাশি, পরোক্ষভাবে আরও প্রায় ১,০০০ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।</p>&#13;
<p>তবে শিল্পে বিনিয়োগের সুফল যাতে রাজ্যের যুবসমাজের কাছে পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, দক্ষ কর্মীর সন্ধানে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে শিল্প সংস্থাগুলির যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। হলদিয়া হাইট কলেজ, আইটিআই এবং দুর্গাচকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যোগ্য কর্মী নিয়োগের জন্য ক্যাম্পাসিংয়ের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।</p>&#13;
<p>স্থানীয় কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গে জাতীয় সংহতির কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। প্ল্যান্টে কর্মরত এক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের উল্লেখ করে তিনি জানান, ওই কর্মী আগরতলার বাসিন্দা। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ একসঙ্গে কাজ করবেন, সেটাই স্বাভাবিক। ভারতীয় হিসেবে গর্ববোধ করার পাশাপাশি কোনও ধরনের সংকীর্ণ মানসিকতা থেকে দূরে থাকার বার্তা দেন তিনি।</p>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, শিল্পায়নের মাধ্যমে রাজ্যে কর্মসংস্থান বাড়ানো এবং সরকারি ভাতার উপর নির্ভরতা কমানোকে তিনি অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, &ldquo;আমাদের আত্মনির্ভর বাংলা, পশ্চিমবঙ্গ গড়তে হবে। এটাই আজকে আমাদের শপথ হওয়া উচিত।&rdquo;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Bengal Economic Policy]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[Haldia Petrochem]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/70eb9262-bdc9-4f8e-ad01-898fba6107f9.webp" length="47600" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/70eb9262-bdc9-4f8e-ad01-898fba6107f9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/70eb9262-bdc9-4f8e-ad01-898fba6107f9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কারা যেন এসেছিল! ছোটবেলার সেই ঘটনা আজও রহস্যময় ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিতে ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/tollywood-actor-bhaswar-chatterjee-shared-a-mysterious-story-about-durga-puja-517145</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/tollywood-actor-bhaswar-chatterjee-shared-a-mysterious-story-about-durga-puja-517145</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বাড়ির দুর্গাপুজো নিয়ে অনেক পুরনো স্মৃতি রয়েছে অভিনেতা ভাষার চট্টোপাধ্যায়ের। ছোটবেলায় সন্ধি পুজোর সময় ঘটে যাওয়া এমনই এক অদ্ভুত ঘটনার কথা সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন তিনি। সেই অজানা রহস্য তাঁকে ভাবিয়ে তোলে ঠিকই কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা তিনি পাননি।]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>মায়ের আগমনে দেখতে দেখতে শুরু হয়ে গিয়েছে দুর্গা পুজো। আজ দেবীপক্ষের তৃতীয়া। মা দুর্গার আগমনে গোটা শহর সেজে উঠেছে আলোর মালায়। এখন থেকেই শহর জুড়ে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে বিপুল জনসমাগম। পুজোর দিনে বিশেষ করে বাড়ির পুজোয় আমজনতা হোক কিংবা বিনোদন জগতের তারকা সকলেই হয়ে ওঠেন একেবারে ঘরের মানুষ।&nbsp;</p>&#13;
<p>যাদের বাড়িতে পুজো হয় তাঁদের দায়িত্ব আরও বেশি থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় প্রত্যেক বনেদী বাড়ির পুজোর সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে কোনো না অজানা ইতিহাস। যা কালের নিয়মে ধীরে ধীরে রহস্যে পরিণত হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>বাড়ির দুর্গাপুজো নিয়ে অনেক পুরনো স্মৃতি রয়েছে অভিনেতা ভাষার চট্টোপাধ্যায়েরও। ছোটবেলায় সন্ধি পুজোর সময় ঘটে যাওয়া এমনই এক অদ্ভুত ঘটনার কথা সম্প্রতি স্যোশাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন তিনি। সেই অদ্ভুত অভিজ্ঞতা আজও তাঁকে ভাবিয়ে তোলে ঠিকই কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা তিনি পাননি।</p>&#13;
<p><strong>ঠিক কি ঘটেছিল?</strong></p>&#13;
<p>ফেসবুকের পাতায় ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন, 'শুনলাম এবার সন্ধি পুজো অনেক সকালে পড়েছে,সাতটায় যতদূর শুনলাম। আর শোনার পরেই মনে পড়ে গেল একবারের কথা...অনেকদিন আগে একটা interview তে বলেছিলাম। সেদিন ও সন্ধিপুজো সকালে ছিল।</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt">https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt</a></p>&#13;
<p>রাত থাকতে বাড়ির সকলে উঠে পড়ে কাজে লেগে গেছিল। আমি তখন ক্লাস সিক্স কি সেভেন। তাই বলে ছাড় নেই। আমাকেও বেশ কিছু কাজের ভার দেওয়া হত।সকলের মত আমিও উঠে স্নান সেরে মন্দিরে এসছি। সঙ্গে বাবা আছে। বাকিরা সবাই ভেতরে,কাজে ব্যস্ত। বাইরে তখনও আলো ফোটেনি, লেট october পুজো ছিল। দেখলাম সদর দরজা দিয়ে তিনজন মহিলা এলেন। খালি গায়ে আটপৌরে শাড়ি,মাথায় সিঁদুর। একজনের হাতে ঘটি,একজনের ফুল,আরেকজনের হাতে গোবর। ওনারা এলেন,আমার বা বাবার দিকে তাকালেন না। মন্দিরে ওঠার সিঁড়িতে গোবর নিকিয়ে,জল ঢেলে,ফুল ছড়িয়ে দিলেন । তারপর তিনজনে চলে গেলেন।&nbsp;</p>&#13;
<p><iframe style="border: none; overflow: hidden;" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fbhaswar.chatterjee.9%2Fposts%2Fpfbid05yWiePgi3K2jG5qpW8p4gMAZrHwMwMETprVtR8PAPd4H3yornq9vBkSVASP9Tdbml&amp;show_text=true&amp;width=500" width="500" height="743" frameborder="0" scrolling="no" sandbox="" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="allowfullscreen"></iframe></p>&#13;
<p>সদর সরজা পেরোতেই বাবা বলল এখনও আলো ফোটেনি দেখ ওরা অন্ধকারে যেতে পারছে কিনা,নাহলে টর্চ দেখাবি...আমি তখনই গেলাম,দু সেকেন্ড হয়নি। মন্দির থেকে বাইরের গেট অনেকটা যেতে হয়। দেখলাম কেউ কোথাও নেই। বাবাকে ডাকলাম,বললাম গেল কোথায়? কেউ নেই তো!</p>&#13;
<p>বাবা আমার মতোই হতবাক। এঁরা করা যারা এলেন? যার সাক্ষী থাকলাম শুধু দুজনে...ঘটনাটা আজও আমাদের ভাবায়।' (লেখা অপরিবর্তিত)</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Tollywood]]></category>
            <category><![CDATA[Sandhi Puja]]></category>
            <category><![CDATA[durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[mysterious story]]></category>
            <category><![CDATA[bhaswar chatterjee]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/e0d8f4d4-0060-419e-baaa-fcfbadaf9c5a.webp" length="99670" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/e0d8f4d4-0060-419e-baaa-fcfbadaf9c5a.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/e0d8f4d4-0060-419e-baaa-fcfbadaf9c5a.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[জার্মানিতে আবাসিক ভবনে বিধ্বংসী আগুন, নিহত তিন ভারতীয়, 'ষড়যন্ত্র' বলে সন্দেহ পুলিশের, গ্রেপ্তার এক রোমানিয়ান]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/devastating-fire-in-a-residential-building-in-germany-three-indians-killed-police-suspect-conspiracy-romanian-national-arrested-517144</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/devastating-fire-in-a-residential-building-in-germany-three-indians-killed-police-suspect-conspiracy-romanian-national-arrested-517144</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দমকলকর্মীরা বাড়ির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে ওই তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। আহত পাঁচজন ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁদের বোখুমের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> মঙ্গলবার ভোরে জার্মানির বোখুম শহরের একটি আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে তিনজন ভারতীয় নাগরিক নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫ ও ২৭ বছর বয়সী দু'জন মহিলা এবং ২৬ বছর বয়সী একজন পুরুষ রয়েছেন।</p>&#13;
<p>পুলিশ হত্যার সন্দেহে ওই ভবনের বাসিন্দা ৪১ বছর বয়সী এক রোমানিয়ান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তকারীরা যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়টি নাকচ করে দিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগানো হয়ছে বলে মনে করচেন। তবে আগুন ইচ্ছাকৃতভাবে লাগানো হয়েছিল নাকি দুর্ঘটনাবশত লেগেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>নিহত তিনজনের নাম বা ভারতে তাঁরা কোন রাজ্যের বাসিন্দা তা জানানো হয়নি।আহত পাঁচজন কোন দেশের বা অন্যান্য বিস্তারিত তথ্যও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি।</p>&#13;
<p>বোখুম পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডব্লিউডিআর নিহতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে। এছাড়া জার্মান সংবাদমাধ্যম এন-টিভি, জার্মান বার্তা সংস্থা ডয়েচে প্রেস-এজেন্টুর-কে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে,ধৃত ব্যক্তি একজন রোমানিয়ান নাগরিক। বোখুম পুলিশের একজন মুখপাত্র ডব্লিউডিআর-কে জানিয়েছেন যে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে খুনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। হোমিসাইড স্কোয়াড তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। পুলিশ ও সরকারি কৌঁসুলিরা বুধবার তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>&#13;
<p>বোখুমের হফস্টেডে এলাকায় অবস্থিত বহু-পরিবার বসবাসযোগ্য একটি আবাসিক ভবনে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে ইমাজেন্সি সার্ভিসকে বিষয়টি জানানো হয়।</p>&#13;
<p>দমকলকর্মীরা বাড়ির দোতলার একটি ফ্ল্যাটে ওই তিনজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। আহত পাঁচজন ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁদের বোখুমের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।</p>&#13;
<p>ডব্লিউডিআর-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধারকাজটি অত্যন্ত কঠিন ছিল কারণ আগুনের শিখা সিঁড়ি দিয়ে ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়েছিল, যার ফলে দমকলকর্মীরা সিঁড়ি ব্যবহার করে ওপরের তলার বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছাতে পারছিলেন না।</p>&#13;
<p>এন-টিভি-তে প্রকাশিত ডিপিএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দমকলকর্মীরা টার্নটেবল মই ব্যবহার করে দু'জনকে, বহনযোগ্য মই ব্যবহার করে দু'জনকে এবং একটি সেফটি কুশন বা সুরক্ষা গদি ব্যবহার করে একজনকে উদ্ধার করেন।</p>&#13;
<p>তদন্তকারীরা কীভাবে এই সন্দেহভাজন অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটল তা নির্ণয়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় ওই ভবনের ৪১ বছর বয়সী বাসিন্দাকে হত্যার সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Germany Fire]]></category>
            <category><![CDATA[Germany Fire 3 Indians Killed]]></category>
            <category><![CDATA[Fire]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b51f7d65-cb9c-40f8-9bd5-1aa142f2d314.webp" length="30534" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b51f7d65-cb9c-40f8-9bd5-1aa142f2d314.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b51f7d65-cb9c-40f8-9bd5-1aa142f2d314.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিধ্বংসী হোপ, ভারতের বিরুদ্ধে বিশাল রান করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পারবেন অভিষেকরা? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/shai-hopes-stunning-century-powers-west-indies-to-a-massive-total-against-india-517143</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/shai-hopes-stunning-century-powers-west-indies-to-a-massive-total-against-india-517143</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:50:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নব্বই রানে ক্রিজে ছিলেন। শেষ দুই বলে ১২ রান তুলে দুরন্ত সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন শাই হোপ। তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে ভারতের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> শেষ দুই বলে ১২ রান তুলে দুরন্ত সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন শাই হোপ। তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে ভারতের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান করল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৫০ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। ম্যাচ জিততে ভারতকে করতে হবে ২৪৮ রান।&nbsp;</p>&#13;
<p>হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। কিন্তু শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের উপর চড়াও হন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা। পাওয়ারপ্লের ছয় ওভারেই ৭৯ রান তুলে নেয় সফরকারী দল। শুরু থেকেই শাই হোপের ব্যাটে ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। অন্য প্রান্তে জুয়েল অ্যান্ড্রুও দ্রুত রান তুলছিলেন।</p>&#13;
<p>ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অক্ষর প্যাটেল। তাঁর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ১৬ বলে ২১ রান করে ফিরে যান জুয়েল অ্যান্ড্রু। এরপর প্রিন্স যাদবের বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে আউট হন শিমরন হেটমায়ার। মাত্র ১২ বলে ৩৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চারটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও রান তোলার গতি কমেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের।</p>&#13;
<p>শাই হোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতীয় বোলারদের উপর পাল্টা চাপ তৈরি করেন রভম্যান পাওয়েল। ১৭ বলে ২৪ রান করে অর্শদীপ সিংয়ের বলে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। কিন্তু তাতেও ক্যারিবিয়ানদের বড় রান তোলার পথে বাধা পড়েনি। হোপের সঙ্গে ক্রিজে এসে ঝড় তোলেন শেরফেন রাদারফোর্ড।</p>&#13;
<p>মাত্র ২৬ বলে ৪৯ রান করে ভারতীয় বোলারদের কার্যত দিশাহারা করে দেন রাদারফোর্ড। তাঁর ইনিংসে ছিল বড় শটের একাধিক ঝলক। অন্যদিকে, হোপও একের পর এক বাউন্ডারি ও ছক্কায় নিজের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। ২৮ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন তিনি।</p>&#13;
<p>ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন ময়াঙ্ক যাদব। নিজের চার ওভারে ৫২ রান দিয়েও কোনও উইকেট পাননি তিনি। অক্ষর প্যাটেল চার ওভারে ৪৫ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। প্রিন্স যাদব চার ওভারে ৩৬ রান দিয়ে একটি উইকেট পান। অর্শদীপ সিংও রান আটকাতে পারেননি।</p>&#13;
<p>ইনিংসের শেষ দিকে শাই হোপের ব্যাটিং আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠে। সেঞ্চুরির কাছাকাছি পৌঁছে শেষ দুই বলে ১২ রান তুলে শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৫০ বলে ১০২ রান করে অপরাজিত থাকেন হোপ। তাঁর ইনিংসে ক্যারিবিয়ানরা পায় বড় সংগ্রহের ভিত। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪৭ রান তুলে ভারতকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।</p>&#13;
<p>পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারত এখন ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। এবার ২৪৮ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে হবে শ্রেয়স আইয়ারের দলকে। শাই হোপের সেঞ্চুরি এবং রাদারফোর্ডের ঝোড়ো ইনিংসের পর ভারতীয় ব্যাটাররা কী জবাব দেন, এখন সেটাই দেখার।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[west indies]]></category>
            <category><![CDATA[India]]></category>
            <category><![CDATA[shai hope]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d99f7398-cccd-4d75-bb77-23892b49e540.webp" length="36156" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d99f7398-cccd-4d75-bb77-23892b49e540.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d99f7398-cccd-4d75-bb77-23892b49e540.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বন্দি সৌরভ-আশুতোষ, প্রতিবাদে দিল্লিতে ফের আন্দোলনের ডাক অভিজিৎ দীপকের ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/cjp-fresh-protest-abhijit-deepak-has-called-for-renewed-protests-in-delhi-to-protest-the-arrest-of-sourav-das-and-ashutosh-rankar-517142</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/cjp-fresh-protest-abhijit-deepak-has-called-for-renewed-protests-in-delhi-to-protest-the-arrest-of-sourav-das-and-ashutosh-rankar-517142</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&#13;
আগামী শুক্রবার কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা হাতে জড়ো হওয়ার জন্য "দেশপ্রেমিক"দের আহ্বান জানিয়েছেন 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> শুক্রবার দিল্লির বাণিজ্যিক কেন্দ্র কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা হাতে জড়ো হওয়ার জন্য "দেশপ্রেমিক"দের আহ্বান জানিয়েছেন 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, সিজেপি নেতৃত্ব সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে শুধুমাত্র "তেরঙ্গা ওড়ানোর অপরাধেই জেলে পাঠানো হয়েছে"।</p>&#13;
<p>বুধবার 'এক্স' -এ দীপকে বলেন, "আমরা প্রমাণ করব যে তেরঙ্গা ওড়ানো কোনও অপরাধ নয়।" যাঁরা দিল্লিতে আসতে পারবেন না, তাঁদের নিজ নিজ শহরে 'তেরঙ্গা মিছিল' করার অনুরোধ জানান 'ককরোচ' প্রধান। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, তাঁকেও হয়তো জেলে পাঠানো হতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p>সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা 'পিস বন্ড' (শান্তি রক্ষার মুচলেকা) লঙ্ঘন করেছেন এবং যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। উল্লেখ্য যন্তর মন্তর চত্বর এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের এলাকা হিসেবে স্বীকৃত নয়।</p>&#13;
<p>মঙ্গলবার পুলিশ সৌরভ ও আশুতোষকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার আগে, হাতে তেরঙ্গা নিয়ে সিজেপি সদস্যরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছিলেন। সংগঠনটি দাবি করেছে যে, তারা যন্তর মন্তর এবং তাদের বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকার "পুনরুদ্ধার" করেছে।</p>&#13;
<p>দীপকে বলেন, "আপনারা জানেন, শুধুমাত্র তেরঙ্গা ওড়ানোর কারণেই সৌরভ ও আশুকে জেলে পাঠানো হয়েছে। আমি সমস্ত দেশপ্রেমিককে, যাঁরা তেরঙ্গাকে ভালোবাসেন, তাঁদের অনুরোধ করছি ১৬ অক্টোবর বিকেল ৫টায় জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে আসার জন্য। আমরা দেখাব যে তেরঙ্গা ওড়ানো কোনও অপরাধ নয়।" তিনি আরও বলেন, "যাঁরা দিল্লিতে আসতে পারবেন না, তাঁরা সন্ধ্যায় নিজেদের শহরে তেরঙ্গা মিছিল বের করুন এবং দেখিয়ে দিন যে তেরঙ্গাই আমাদের গর্ব।"</p>&#13;
<p>সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা যোগ করেন, "এর পরে হয়তো আমাকেও জেলে পাঠানো হতে পারে, কিন্তু আমি চিন্তিত নই। তেরঙ্গা আমার গর্ব এবং আমি তা উঁচিয়ে ধরবই।"&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশ জানিয়েছে, সিজেপি সদস্য অজিনক্য শিন্ডেকে ছয় মাস শান্তি ও সদাচরণ বজায় রাখার শর্তে এবং ৫,০০০ টাকার ব্যক্তিগত মুচলেকা ও জামানতের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে সোরভ, আশুতোষ ও অজিনক্য- তিনজনকে একজন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Cockroach Janta Party]]></category>
            <category><![CDATA[Ashutosh Ranka]]></category>
            <category><![CDATA[Delhi Protest]]></category>
            <category><![CDATA[saurav das]]></category>
            <category><![CDATA[CJP Fresh Protest]]></category>
            <category><![CDATA[Abhijeet Dipke]]></category>
            <category><![CDATA[delhi police]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/05444bb4-fe68-49b2-8989-5de957685828.webp" length="40160" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/05444bb4-fe68-49b2-8989-5de957685828.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/05444bb4-fe68-49b2-8989-5de957685828.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বৈভবের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট! গম্ভীরদের কোথায় ভুল, জানালেন শ্রীকান্ত]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/indias-team-management-has-shaken-vaibhav-sooryavanshis-confidence-says-krishnamachari-srikkanth-517141</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/indias-team-management-has-shaken-vaibhav-sooryavanshis-confidence-says-krishnamachari-srikkanth-517141</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:16:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলে ওপেনিংয়ের জায়গা নিয়ে প্রতিযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণের মতো অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের পাশাপাশি উঠে এসেছেন তরুণ বৈভব সূর্যবংশী। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলে ওপেনিংয়ের জায়গা নিয়ে প্রতিযোগিতা ক্রমশ বাড়ছে। অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষাণের মতো অভিজ্ঞ ও প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের পাশাপাশি উঠে এসেছেন তরুণ বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু দলের টপ অর্ডারে বারবার পরিবর্তন এবং নিয়মিত সুযোগ না পাওয়ার কারণে ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসে প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। এই ইস্যুতেই ভারতীয় দলের ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।</p>&#13;
<p>ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড সফরে সঞ্জু স্যামসনের পারফরম্যান্স আশানুরূপ ছিল না। ওই ম্যাচগুলিতে তাঁর রান ছিল ৫, ০ ও ১। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় বৈভব সূর্যবংশীর। প্রথম তিনটি ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ছিল যথাক্রমে ১৪, ১৩ ও ১৫ রান। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে ফিরে স্যামসন ২৭ রান করলেও পরবর্তী জিম্বাবোয়ে সফরে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ে সফরে সুযোগ পেয়ে নজর কাড়েন সূর্যবংশী। তিনটি ম্যাচে তাঁর রান ছিল ৫০, ২০ ও ৮১। তা সত্ত্বেও তাঁকে নিয়ে দলের পরিকল্পনা এবং নিয়মিত সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শ্রীকান্ত।</p>&#13;
<p>একটি ইউটিউব ভিডিওতে তিনি বলেন, &ldquo;ওরা শুধু সঞ্জু স্যামসনের আত্মবিশ্বাসই নষ্ট করেনি, বৈভব সূর্যবংশীর আত্মবিশ্বাসও পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলের বিরুদ্ধে সূর্যবংশীকে টানা তিনটি ম্যাচ খেলার সুযোগ দেওয়া যেত। অভিষেককে অনেক দিন ধরে খেলানো হয়েছে। তাই ওকে বিশ্রাম দিয়ে পরের ম্যাচে সূর্যবংশী ও স্যামসনকে ওপেন করতে পাঠানো যেতে পারে।&rdquo;</p>&#13;
<p>শুধু দল পরিচালনার সিদ্ধান্ত নয়, সঞ্জু স্যামসনের ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শ্রীকান্ত। ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপা জয়ের পথে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ইনিংস খেলেছিলেন স্যামসন। ফাইনালেও তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল গুরুত্বপূর্ণ রান। কিন্তু বিশ্বকাপের পর তাঁর পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার অভাব দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন শ্রীকান্ত।</p>&#13;
<p>তাঁর কথায়, &ldquo;স্যামসন বরাবরই ওঠানামার মধ্যে থাকে। তাঁর ধারাবাহিকতা নিয়ে সব সময়ই প্রশ্ন রয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে হঠাৎ দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করবে, তারপর আবার একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থ হবে। অভিষেক শর্মার ক্ষেত্রে এমন চরম ওঠানামা দেখা যায় না। তবে এবারও স্যামসন পরের ম্যাচে রান করবে।&rdquo;</p>&#13;
<p>ভারতীয় দলে ওপেনিংয়ের জায়গা নিয়ে প্রতিযোগিতা যে আরও বাড়তে চলেছে, তা বলাই যায়। তবে শ্রীকান্তের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের কাছ থেকে সেরাটা পেতে হলে তাঁদের ধারাবাহিকভাবে সুযোগ দেওয়া এবং আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[krishnamachari srikkanth]]></category>
            <category><![CDATA[Vaibhav Sooryavanshi]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/85b89a1d-11c6-4dbf-806c-8e9c2e4a86d0.webp" length="37790" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/85b89a1d-11c6-4dbf-806c-8e9c2e4a86d0.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/85b89a1d-11c6-4dbf-806c-8e9c2e4a86d0.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['তিলক পরলেই সমস্যা...', বলিউডে 'হিন্দুফোবিয়া' রয়েছে, দাবি একতার! ধর্মের জন্য কোন সমস্যায় পড়েন জিতেন্দ্র কন্যা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/ektaa-kapoor-calls-out-hinduphobia-in-bollywood-recalls-being-mocked-because-of-her-faith-517140</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/ektaa-kapoor-calls-out-hinduphobia-in-bollywood-recalls-being-mocked-because-of-her-faith-517140</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 20:09:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[একতা কাপুর বরাবরই রাখঢাক ছাড়াই কথা বলেন। এবারও তাই হল। প্রকাশ্যে জানালেন, তিনি তাঁর ধর্মের জন্য বারংবার কীভাবে কটাক্ষের মুখে পড়েছেন। তিলক পরায়, হাতে ধাগা বাঁধায় লোকজন তাঁকে তান্ত্রিক, ইত্যাদি বলে বিদ্রূপ করেছেন, মজা করেছেন। নিজের বিশ্বাস, ধর্ম মানার কারণ এভাবে একাধিকবার সমস্যায় পড়েছেন]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>একতা কাপুর বরাবরই রাখঢাক ছাড়াই কথা বলেন। এবারও তাই হল। প্রকাশ্যে জানালেন, তিনি তাঁর ধর্মের জন্য বারংবার কীভাবে কটাক্ষের মুখে পড়েছেন। তিলক পরায়, হাতে ধাগা বাঁধায় লোকজন তাঁকে তান্ত্রিক, ইত্যাদি বলে বিদ্রূপ করেছেন, মজা করেছেন। নিজের বিশ্বাস, ধর্ম মানার কারণ এভাবে একাধিকবার সমস্যায় পড়েছেন বলেই জানালেন জিতেন্দ্র কন্যা।&nbsp;</p>&#13;
<p>সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শোয়ে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন একতা কাপুর। সেখানেই তিনি জানালেন বলিউডে 'হিন্দুফোবিয়া' আছে। একই সঙ্গে তিনি এদিন প্রশ্ন তোলেন যে কেন আজও হিন্দু লোকগাঁথার সঙ্গে জড়িত গল্পকে সেভাবে গ্রহণ করা হয় না। বাঁকা নজরে দেখা হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে, 'দ্য বন: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট'। এই ছবির প্রযোজনা করেছেন একতা কাপুর। ছবিটির ব্যবসা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, 'ছবিটি ভালই ব্যবসা করেছে। কিন্তু যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল, এটা লোকগাঁথার উপর ভিত্তি করে বানানো হয়েছে। আমি ক্যামেরায় এটা বলতে চাই, হিন্দুফোবিয়া এবং আরও একাধিক ফোবিয়া আছে আমাদের। অ্যানিমেটেড অ্যানিমেশন নিয়ে আমাদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু আমরা লোকগাঁথা বা মাইথোলজি নিয়ে কথা বলতে, আলোচনা করতে চাই না। আমি তাই সেগুলো প্রকাশ্যে নিয়ে আসছি এবং মানুষ সেটা মেনে নিচ্ছেন। এখন মানুষ অনেক সহজে সবটা গ্রহণ করে, মেনে নেয়।'&nbsp;</p>&#13;
<blockquote class="twitter-tweet">&#13;
<p dir="ltr" lang="en">Ekta Kapoor calling out the deep-rooted Hinduphobia in the industry on Ranveer Allahbadia&rsquo;s podcast hits hard. She revealed how people used to judge and mock her just for wearing a teeka and a dhaaga even calling her a freak and labeling her a tantrik. People in the industry are completely fine celebrating western animation and fantasy, but the moment Indian folklore, culture, or faith is brought up, the bias immediately creeps in. She even recalled walking into a club straight from a mandir and people being genuinely shocked that someone could unapologetically embrace both. Unapologetically wearing your faith on your sleeve shouldn't trigger anyone yet it still does. Glad she addressed it out loud on camera.</p>&#13;
&mdash; ᴅᴇᴀᴅ ᴋɪʟʟᴇʀ (@ReignOfBateman) <a href="https://x.com/ReignOfBateman/status/2109963164339368242?ref_src=twsrc%5Etfw">October 13, 2026</a></blockquote>&#13;
<p>&#13;
<script></script>&#13;
</p>&#13;
<p>এরপরই তিনি জানান, অতীতে ছবিটা এরকম ছিল না। তাঁকে তাঁর পোশাক, তিলকের জন্য কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছে। সেই স্মৃতি হাতড়ে তিনি বলেন, 'আমায় একবার একজন বলেছিলেন, এরকম পাগলের মতো সেজেছ কেন? তিলক পরলে, ধাগা বাঁধলে কেউ পাগল হয়? আমি আপনাকে বলে বোঝাতে পারব না, কিন্তু তিলক পরা বা আপনার ধর্মের কিছু হাতে পরা দারুণ সমস্যার ছিল।' এই কথোপকথনের ফাঁকেই একতা জানান তিনি তান্ত্রিক তকমা পর্যন্ত পেয়েছেন এই একই কারণে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, একতা কাপুর সম্প্রতি জানিয়েছেন 'ডার্টি পিকচার ২' নিয়ে আসতে চলেছেন তিনি। বর্তমানে সেই ছবির কাজ চলছে। অন্যদিকে তাঁর প্রযোজনায় মুক্তি পাওয়া 'দ্য বন: ফোর্স অফ দ্য ফরেস্ট' ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং তামান্না ভাটিয়া। বক্স অফিসে ছবিটি মোটের উপর ভালই ব্যবসা করেছে। ভারতে ৬৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা আয় করেছে এই ছবি, আর বিশ্বজুড়ে ৯০.০১ কোটি টাকা আয় করেছে।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/4c1wPfhYQGA?si=EIc4Rlkl99TQBiTC</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ektaa kapoor]]></category>
            <category><![CDATA[Hinduphobia]]></category>
            <category><![CDATA[hinduism]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6452d09a-dd12-4f9d-969b-32908932d884.webp" length="35592" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6452d09a-dd12-4f9d-969b-32908932d884.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6452d09a-dd12-4f9d-969b-32908932d884.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['আপনি কেন দেশটাকে ধ্বংস করছেন?' বিমানে এ কী পরিস্থিতির মুখে অভিজিৎ দীপকে! পাল্টা কী করলেন সিজেপি নেতা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/after-returning-to-the-capital-man-questioned-cjps-abhijeet-dipke-517139</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/after-returning-to-the-capital-man-questioned-cjps-abhijeet-dipke-517139</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:57:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার সিজেপি-র অভিজিৎ দীপকে। বিমানবন্দরে অভিজিৎ নামার পরেই, এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন করেন। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><br><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: ঠাকুমার প্রয়াণে ফিরেছিলেন বাড়িতে। সেখান থেকে আবার ফিরছিলেন আন্দোলনের কেন্দ্রে। তার মাঝেই ধেয়ে এল প্রশ্ন। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিমানবন্দরে হেনস্তার শিকার সিজেপি-র অভিজিৎ দীপকে। বিমানবন্দরে অভিজিৎ নামার পরেই, এক ব্যক্তি তাঁকে উদ্দেশ করে প্রশ্ন করেন। ইতিমধ্যে তার একটি ভিডিও ছড়য়ে পড়েছে। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আজকাল ডট ইন।</p>&#13;
<p>তবে তাতে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি দীপকেকে দেখে বলেন, 'আপনি কেন দেশটাকে ধ্বংস করছেন?' তবে দীপকে তাতে মেজাজ হারাননিই, থাম্বস-আপ দেখিয়ে চলে যান। দিল্লিতে পৌঁছে দীপকে তাঁর দুই সহকর্মীকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গেও সুর চড়িয়েছেন।</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে আন্দোলনের জে&zwnj;র। ককরোচ জনতা পার্টির একাধিক শীর্ষনেতাকে ফের গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। এবার ঠাঁই হল তিহাড়ে।&nbsp;<br>সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ককরোচ জনতা পার্টির দুই শীর্ষ নেতৃত্ব আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শীন্ডেকে প্রথমে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এরপর অজিঙ্ক শীন্ডেকে পিস বন্ডে সই করিয়ে রেহাই দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে পাঁচদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ কমিশনার নির্দেশ দেন, এবার থেকে আর যন্তর মন্তরে কোনও আন্দোলন করা যাবে না। সেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে মঙ্গলবার রাতে ককরোচ জনতা পার্টির তিন শীর্ষ নেতা ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়েন। এরপর সেখানে জাতীয় পতাকা ওড়িয়ে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তিনজনেই। এরপরই গতকাল রাতে পুলিশ তাঁদের আটক করেন। বুধবার সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতাই ১৪৪ ধারা লঙ্ঘন করেছিলেন। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকার বন্ডে যে সই করেছিলেন, তাও লঙ্ঘন করেছেন তাঁরা। যদিও ককরোচ জনতা পার্টির তরফে এই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>তবে এই ঘটনার পর, সিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন রাহুল গান্ধী। রাহুল লিখেছেন, 'শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে তেরঙা পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এর জন্য তরুণদের কারাগারে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ। ছাত্র, তরুণ, সাংবাদিক এবং &lsquo;ইন্ডিয়া&rsquo; (INDIA) জোট&mdash;বিভিন্ন মঞ্চ হলেও লক্ষ্য একটাই। সব প্রতিবাদ আসলে একই&mdash;নাগরিকদের নিজেদের সাংবিধানিক অধিকারের দাবি। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের। আমরা তা পুনরুদ্ধার করব।'</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Delhi]]></category>
            <category><![CDATA[delhi airport]]></category>
            <category><![CDATA[Delhi Protest]]></category>
            <category><![CDATA[CJP Protest]]></category>
            <category><![CDATA[Abhijeet Dipke]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/25a5d020-d5a5-4c9f-b2b3-adc62d8c02fa.webp" length="85136" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/25a5d020-d5a5-4c9f-b2b3-adc62d8c02fa.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/25a5d020-d5a5-4c9f-b2b3-adc62d8c02fa.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আইপিএলে মুম্বইয়ের অধিনায়ক হতে পারেন রোহিত, হার্দিককে নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের জল্পনা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/mumbai-indians-set-to-reinstate-rohit-sharma-as-captain-for-ipl-2027-after-three-year-stint-with-hardik-pandya-517138</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/mumbai-indians-set-to-reinstate-rohit-sharma-as-captain-for-ipl-2027-after-three-year-stint-with-hardik-pandya-517138</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:49:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আইপিএল ২০২৭-এ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে ফের দেখা যেতে পারে রোহিত শর্মাকে। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> আইপিএল ২০২৭-এ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে ফের দেখা যেতে পারে রোহিত শর্মাকে। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বে প্রত্যাশিত সাফল্য না আসায় তাঁর পরিবর্তে অভিজ্ঞ রোহিতের উপরেই আস্থা রাখতে চাইছে মুম্বইয়ের টিম ম্যানেজমেন্ট। একটি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হার্দিককে নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজি। যদিও এই বিষয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি।</p>&#13;
<p>রোহিতের নেতৃত্বে পাঁচবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ২০১৩, ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯ ও ২০২০ সালে তাঁর অধিনায়কত্বেই ট্রফি জিতেছিল দল। তবে ২০২৪ সালের আইপিএলের আগে গুজরাট টাইটান্স থেকে হার্দিক পান্ডিয়াকে ফিরিয়ে এনে রোহিতের পরিবর্তে তাঁকে অধিনায়ক করা হয়। সেই সিদ্ধান্তে মুম্বই সমর্থকদের একাংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল।</p>&#13;
<p>হার্দিকের নেতৃত্বে ২০২৫ সালে প্লে-অফে উঠলেও বাকি মরশুমগুলিতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি মুম্বই। ২০২৬ সালের আইপিএলে দলের নবম স্থানে শেষ করা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে আগামী মরশুমের আগে অধিনায়কত্ব নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে ফ্র্যাঞ্চাইজি।</p>&#13;
<p>রিপোর্ট অনুযায়ী, গত মরশুমেই মুম্বই ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন হার্দিক। তাঁকে দলে নিতে কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখিয়েছিল বলেও জল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য ট্রেডের ক্ষেত্রে রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে মুম্বইয়ের সমঝোতা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে হার্দিকের পরিবর্তে যশস্বী জয়সওয়ালকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে।</p>&#13;
<p>যশস্বীকে দলে পেলে রোহিতের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে তাঁকে খেলাতে পারে মুম্বই। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদে অধিনায়ক হিসেবেও তাঁকে তৈরি করার সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে, হার্দিককে পেলে রাজস্থান পাবে একজন কার্যকর পেস বোলিং অলরাউন্ডার, যিনি ব্যাট হাতেও বড় ভূমিকা নিতে পারেন।</p>&#13;
<p>তবে এই ট্রেড হলে মুম্বইয়ের সামনে নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে। গত মরশুমে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক রায়ান রিকেলটনকে বসানো বা তাঁর ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তনের কথা ভাবতে হতে পারে। একই সঙ্গে কুইন্টন ডি ককের জায়গা পাওয়াও কঠিন হয়ে উঠবে।</p>&#13;
<p>হার্দিককে নিয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের আগ্রহের জল্পনাও শোনা গিয়েছিল। এ ছাড়া দিল্লি ক্যাপিটালস, কলকাতা নাইট রাইডার্স ও লখনউ সুপার জায়ান্টসের মতো দলগুলির কাছেও তিনি আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারেন। তবে কোনও ট্রেড নিয়ে এখনও নিশ্চিত খবর সামনে আসেনি।</p>&#13;
<p>হার্দিকের পরিবর্তে সূর্যকুমার যাদবকে অধিনায়ক করার সম্ভাবনাও ছিল। হার্দিকের অনুপস্থিতিতে মুম্বইকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সূর্য। এখনও পর্যন্ত আইপিএলে পাঁচটি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে দু&rsquo;টিতে জয় ও তিনটিতে হারের মুখ দেখেছেন তিনি।</p>&#13;
<p>তবে ২০২৬ সালের আইপিএলে ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি সূর্যকুমার। ১৩ ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ ছিল ২৭০ রান। ফলে অধিনায়কত্বের দৌড়ে তিনি পিছিয়ে পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, ভবিষ্যতের অধিনায়ক হিসেবে তিলক বর্মার নামও উঠে এসেছে। বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ভারতীয় দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের পরিকল্পনাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পেতে পারেন। তবে মুম্বই মনে করতে পারে, অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিলকের আরও অভিজ্ঞতা অর্জন করা প্রয়োজন।</p>&#13;
<p>সেই কারণেই রোহিতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিলককে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে তৈরি করার পরিকল্পনা নিতে পারে ফ্র্যাঞ্চাইজি।</p>&#13;
<p>২০২৭ সালের আইপিএলে রোহিতের বয়স হবে ৪০ বছর। ফলে, আগামী মরশুম তাঁর আইপিএল কেরিয়ারের শেষ অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তাঁকে ফের অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত দলের পরিবেশ স্থিতিশীল করতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে রোহিত ১৬৩টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৯৩টিতে জয় পেয়েছেন। তাঁর জয়ের হার ৫৫.৮২ শতাংশ। ২০১৩ সালে রিকি পন্টিং অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর দলের দায়িত্ব নিয়েই প্রথমবার মুম্বইকে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন তিনি।</p>&#13;
<p>শেষবার ২০২৩ সালের আইপিএলে মুম্বইকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রোহিত। সেই মরশুমে দল কোয়ালিফায়ার-২ পর্যন্ত পৌঁছলেও হার্দিকের নেতৃত্বাধীন গুজরাট টাইটান্সের কাছে হেরে বিদায় নেয়।</p>&#13;
<p>এখন নজর ১৫ নভেম্বরের দিকে। ওই দিন আইপিএলের দলগুলিকে নিজেদের ধরে রাখা ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তার আগে হার্দিককে নিয়ে মুম্বই কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং রোহিতকে ফের অধিনায়ক করার জল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেটাই দেখার।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[mumbai indians]]></category>
            <category><![CDATA[rohit sharma]]></category>
            <category><![CDATA[ipl 2027]]></category>
            <category><![CDATA[hardik pandya]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/218c6df4-0bc6-4dcc-baeb-edfd8ef561ff.webp" length="33022" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/218c6df4-0bc6-4dcc-baeb-edfd8ef561ff.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/218c6df4-0bc6-4dcc-baeb-edfd8ef561ff.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আজারবাইজানের জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশই মুসলিম, তাহলে কেন সেদেশে স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ করা হচ্ছে?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/hijab-controversy-despite-96-percent-of-azerbaijans-population-being-muslim-why-is-the-hijab-being-banned-in-schools-there-517137</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/hijab-controversy-despite-96-percent-of-azerbaijans-population-being-muslim-why-is-the-hijab-being-banned-in-schools-there-517137</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:37:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সরকারের তরফে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাকের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> আজারবাইজান স্কুলে পোশাক সংক্রান্ত নতুন নিয়ম চালু করেছে। এই নিয়মে ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ পোশাকের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যার ক্লাসরুমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ইসলামি মাথার স্কার্ফ বা হিজাব পরা প্রায় বন্ধ। যে দেশে জনসংখ্যার প্রায় ৯৬ শতাংশই মুসলিম, সেখানে এই বিধিনিষেধ ধর্মবিশ্বাস ও শিক্ষা নিয়ে একটি বিতর্ক উস্কে দিয়েছে।</p>&#13;
<p>গত মাসে অনুমোদিত এই সংশোধনীতে হিজাবকে সরাসরি নিষিদ্ধ করা হয়নি। এর পরিবর্তে, সরকারি স্কুলগুলোতে এমন সব পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে যা কর্তৃপক্ষ "ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি"-র পরিপন্থী বলে মনে করে। তবে কিছু স্কুল ইতিমধ্যেই হিজাব পরিহিত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ফিরিয়ে দিতে শুরু করেছে, যা নিয়ে দেশজুড়ে প্রতিবাদ সংগঠিত হয়েছে।</p>&#13;
<p>যাঁরা এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তাঁদের কাছে বিষয়টি কেবল স্কুল ইউনিফর্ম বা পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি ব্যক্তিগত ধর্মীয় পছন্দ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতার বিষয়ও বটে। শিক্ষিকা জহরা হাসানোভা আল-জাজিরাকে জানিয়েছেন, তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তিনি আর স্কুলে হিজাব পরতে পারবেন না। তিনি বলেন, "সত্যি বলতে, আমি কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। আমি ব্যথিত।" তিনি আরও বলেন, "(হিজাব পরা) একটি ব্যক্তিগত পছন্দ। আর যদি কোনও দিন আমি এটা খুলে ফেলতে চাই, তবে সেই সিদ্ধান্তটিও আমারই হওয়া উচিত।"</p>&#13;
<p><strong>আজারবাইজান ঠিক কী পরিবর্তন এনেছে?</strong><br>আজারবাইজান সরকার রাষ্ট্র পরিচালিত সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম সংক্রান্ত নিয়মাবলীতে সংশোধনী এনেছে। এর ঘোষিত উদ্দেশ্য হল এমন একটি সাধারণ পোশাকবিধি প্রতিষ্ঠা করা যা আজারবাইজানের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রকে প্রতিফলিত করে।</p>&#13;
<p>রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা 'আজারবাইজানি প্রেস এজেন্সি' (এপিএ) জানিয়েছে, স্কুলের পোশাক যাতে দেশের "ধর্মনিরপেক্ষ নীতি" মেনে চলে, তা নিশ্চিত করাই ছিল এই নিয়মগুলোর লক্ষ্য। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবিষয়ক পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে বিভিন্ন উদযাপনের সময় "আজারবাইজানি জনগণের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জাতীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ" প্রতিফলিত করে এমন পোশাক পরার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।</p>&#13;
<p>এপিএ-র মতে, এই পদক্ষেপ শিক্ষকদের "পেশাগত মান" বজায় রাখতে এবং "স্কুলের ভাবমূর্তি" ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে সহায়তা করবে।</p>&#13;
<p>এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে কারণ নিয়মাবলীতে হিজাবের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। অথচ কিছু স্কুল এই নিয়মগুলোর ভিত্তিতেই ইসলামি মাথার স্কার্ফ বা হিজাব পরিহিত ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ করেছে।</p>&#13;
<p><strong>আজারবাইজান কেন স্কুলে হিজাব ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে?</strong><br>এর উত্তর লুকিয়ে আছে আজারবাইজানের ইতিহাস ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে। আজারবাইজান হল দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের একটি প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র। অঞ্চলটি পূর্ব ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।</p>&#13;
<p>সোভিয়েত আমলে ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের ওপর বিধিনিষেধ ছিল। স্বাধীনতার পর মানুষ তাদের ধর্ম পালনের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বাধীনতা লাভ করলেও, আজারবাইজান তার ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা বজায় রাখে। সহজ কথায়, একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র কোনও নির্দিষ্ট ধর্মের নিয়মকানুন অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত হয় না। আজারবাইজান সরকারের যুক্তি হল, তাদের সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাও এই নীতির আলোকেই পরিচালিত হওয়া উচিত।</p>&#13;
<p>দেশটির সংবিধানের ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে আজারবাইজানকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র থেকে ধর্মকে পৃথক করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে, ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ধর্ম পালন করা কিংবা কোনও ধর্ম অনুসরণ না করার অধিকার।</p>&#13;
<p>বর্তমান বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংবিধানের এই বিধানগুলো। সরকার ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষার দোহাই দিয়ে পোশাক-সংক্রান্ত অভিন্ন নিয়মগুলোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে সমালোচকরা প্রশ্ন তুলছেন যে, হিজাব পরিধানকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বাদ দেওয়ার বিষয়টি ধর্মীয় স্বাধীনতার সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>&#13;
<p><strong>হিজাব বিতর্ককে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও অনশন কর্মসূচি</strong><br>এই বিধিনিষেধের ফলে বিক্ষোভ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু হয়েছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, স্কুল থেকে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষকদের জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত দু'টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা এই নিয়মের প্রতিবাদে ক্লাস বয়কট করেছে।</p>&#13;
<p>কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে। আজারবাইজানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সোমবার জানিয়েছে যে, পোশাক-সংক্রান্ত নিয়ম বাস্তবায়নের বিরোধিতার সময় জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার অভিযোগে ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>এই বিষয়টি কেবল স্কুলের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নেই। ২০২০ সালে রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে ১১৩ বছরের কারাদণ্ড ভোগরত সাংবাদিক পোলাদ আসলানভ এই নতুন নিয়মের প্রতিবাদে অনশন শুরু করেছেন। অস্থিরতার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার খবরও পাওয়া গিেছে। তবে, &lsquo;ওপেন অবজারভেটরি অফ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেয়ারেন্স&rsquo; ও &lsquo;নেটব্লকস&rsquo; -সহ বিভিন্ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্যের মাধ্যমে এই দাবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।</p>&#13;
<p><strong>হিজাব বিতর্ক: তুরস্কের সঙ্গে 'এক জাতি, দুই রাষ্ট্র' সম্পর্কের পরীক্ষা</strong><br>এই বিতর্কটি তুরস্কের সঙ্গেও সম্পর্কের টানাপড়েন সৃষ্টি করেছে, যারা আজারবাইজানের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র। গভীর সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে দেশ দু'টি প্রায়ই নিজেদের সম্পর্ককে "এক জাতি, দুই রাষ্ট্র" হিসেবে অভিহিত করে থাকে।</p>&#13;
<p>এই বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তুরস্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। ইস্তাম্বুলে আজারবাইজানের কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হয়ে বাকু-র কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়মগুলো পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।</p>&#13;
<p>এই বিরোধ তুরস্কের নিজস্ব ইতিহাসে হিজাব বা মাথার স্কার্ফ সংক্রান্ত বিধিনিষেধের স্মৃতিকেও ফিরিয়ে এনেছে। ১৯৯৭ সালে সেনা-সমর্থিত হস্তক্ষেপের পর (যাকে প্রায়শই দেশটির "পোস্ট-মডার্ন ক্যু" বা "উত্তর-আধুনিক অভ্যুত্থান" বলা হয়) হিজাব পরিধানকারী মহিলারা বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি চাকরির কিছু ক্ষেত্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের মুখে পড়েছিলেন।</p>&#13;
<p>পরবর্তীতে তুরস্ক সেই বিধিনিষেধগুলো শিথিল করেছিল, যার ফলে আজারবাইজানের বর্তমান বিতর্কটি তুরস্কের কিছু রাজনীতিবিদ ও ধর্মীয় গোষ্ঠীর কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>&#13;
<p>তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের উপদেষ্টা ওকতায় সারাল আজারবাইজানের এই পদক্ষেপকে "অগ্রহণযোগ্য" বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি 'এক্স' -এ লিখেছেন, "ধর্মীয় কারণে মাথা ঢেকে রাখা কোনও ছাত্রীকে স্কুলের গেটের বাইরে আটকে রাখা, এটি কীভাবে কোনও বিবেক বা ন্যায়বোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে?"</p>&#13;
<p>আজারবাইজানের ক্ষমতাসীন দল 'ইয়েনি আজারবাইজান পার্টি' এর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সারালের মন্তব্যকে "জনতুষ্টিবাদী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন" বলে অভিহিত করেছে। দলটি বলেছে, এই ধরনের মন্তব্য দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে এবং যুক্তি দিয়েছে যে আজারবাইজানের শিক্ষানীতি সমতা, ধর্মনিরপেক্ষতা ও আইনের শাসনের ওপর ভিত্তি করে প্রণীত।</p>&#13;
<p>দলটি তুরস্ককে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আজারবাইজানের অভ্যন্তরীণ শিক্ষানীতি ব্যবহার না করার বিষয়েও সতর্ক করেছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে যে, ঘনিষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করাটা কোনওভাবেই যৌক্তিক নয়।</p>&#13;
<p><strong>আজারবাইজান সরকারের বক্তব্য কী?</strong><br>আজারবাইজানের কর্মকর্তারা ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁদের যুক্তি হল, এই বিধিনিষেধগুলো মূলত স্কুলের পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্কিত, দৈনন্দিন জীবনে নিজ ধর্ম পালনের অধিকারের সঙ্গে এর কোনও সংঘাত নেই।</p>&#13;
<p>আজারবাইজানের পার্লামেন্টের মানবাধিকার বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান জাহিদ ওরুজ বলেছেন, এই পদক্ষেপ ধর্মীয় স্বাধীনতা বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর কোনও আঘাত নয়। তিনি আল-জাজিরাকে বলেছেন, "স্কুলের বাইরে হেডস্কার্ফ বা হিজাব পরার ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। মূল উদ্দেশ্য হল শিক্ষাঙ্গনের ভেতরে নির্ধারিত পোশাকবিধি বজায় রাখা।"&nbsp;</p>&#13;
<p>ওরুয আরও বলেন, পাবলিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের পোশাকের বিষয়টি যেন তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা না হয়। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক আজারবাইজানিই ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন এবং কোরান পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হিসেবে মান্য করেন, অথচ তাঁরা হিজাব পরেন না।</p>&#13;
<p>এখন প্রশ্ন হল, কর্তৃপক্ষ কি পোশাক সংক্রান্ত নিয়মগুলো কীভাবে প্রয়োগ করা হবে তা স্পষ্ট করবে? এবং হিজাব পরিধানকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের কী ভবিষ্যতেও স্কুল থেকে বাদ পড়ার পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে?</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Azerbaijan]]></category>
            <category><![CDATA[Azerbaijan Hijabs Ban In Schools]]></category>
            <category><![CDATA[hijab]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4e35a8bf-6e75-4028-b5f4-d232a114cadd.webp" length="43322" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4e35a8bf-6e75-4028-b5f4-d232a114cadd.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4e35a8bf-6e75-4028-b5f4-d232a114cadd.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[শুরুতে সলমন, আর শেষে শাহরুখ! 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯-এ থাকছে আর কী কী চমক? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/koffee-with-karan-season-9-full-guest-list-shah-rukh-khan-will-be-in-the-final-episode-alia-bhatt-and-others-are-there-517136</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/koffee-with-karan-season-9-full-guest-list-shah-rukh-khan-will-be-in-the-final-episode-alia-bhatt-and-others-are-there-517136</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:34:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA['কফি উইথ করণ' -এর শেষ সিজনের পথ চলা ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে। এই জনপ্রিয় সেলেব টক শোয়ের প্রথম দিনের অতিথি হিসেবে থাকবেন সলমন খান। তবে বাকি অন্যান্য পর্বে আর কারা থাকবেন সেটা জানতে মুখিয়ে দর্শক। এবার প্রকাশ্যে এল অতিথিদের সম্পূর্ণ লিস্ট। ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>'কফি উইথ করণ' -এর শেষ সিজনের পথ চলা ১৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে যাচ্ছে। এই জনপ্রিয় সেলেব টক শোয়ের প্রথম দিনের অতিথি হিসেবে থাকবেন সলমন খান। তবে বাকি অন্যান্য পর্বে আর কারা থাকবেন সেটা জানতে মুখিয়ে দর্শক। এবার প্রকাশ্যে এল অতিথিদের সম্পূর্ণ লিস্ট।&nbsp;</p>&#13;
<p>'কফি উইথ করণ' শোটি গত ২ দশক ধরে চলে আসছে। প্রথমে টিভিতে, পরে ওটিটি মাধ্যমে সম্প্রচার হয় করণ জোহর সঞ্চালিত এই শো। সলমন খান ছাড়াও এই শেষ সিজনে বিশেষ চমক নিয়ে আসবেন শাহরুখ খান। থাকবেন বলিউডের অন্যান্য প্রথম সারির অভিনেতা, অভিনেত্রী সহ দক্ষিণী তারকারাও।&nbsp;</p>&#13;
<p>জানা গিয়েছে, শাহরুখ খান 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯ -এর শেষ পর্বে থাকবেন শাহরুখ খান। সূত্রের খবর তিনি একাই থাকবেন অতিথি হিসেবে। তবে র&zwj;্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে তাঁর সঙ্গে আরিয়ান বা সুহানা থাকতে পারেন। এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, কফি উইথ করণ শোয়ের পথচলা শুরুও হয়েছিল কিন্তু শাহরুখ খানের হাত ধরে। 'কফি উইথ করণ' সিজন ১ -এর প্রথম অতিথি ছিলেন শাহরুখ খান এবং কাজল। ফলে এবার এই সিজনের শেষ অতিথি হিসেবে তিনি থেকে যে একটি বৃত্ত সম্পূর্ণ করবেন সেটা নিঃসন্দেহে বলা যায়।&nbsp;</p>&#13;
<p>১২টির বেশি পর্ব থাকতে পারে এবারের 'কফি উইথ করণ' সিজন ৯ -এ। জানা গিয়েছে, সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর জুটিতে আসবেন এই সিজনে। এছাড়া হবু মা বাবা, কিয়ারা আডবানি এবং সিদ্ধার্থ মালহোত্রাও আসতে পারেন। কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে, রশ্মিকা মন্দানা, বিজয় দেবেরাকোন্ডা রয়েছেন অতিথি তালিকায়। আলিয়া ভাট তাঁর দিদি শাহিন ভাটের সঙ্গে আসতে পারেন। এছাড়া শিখর পাহাড়িয়ার সঙ্গে জাহ্নবী কাপুরকেও দেখা যেতে পারে বলেই শোনা যাচ্ছে। মা ডিম্পল কাপাডিয়ার সঙ্গে করণের শোয়ে আসবেন টুইঙ্কল খান্না।&nbsp;</p>&#13;
<p>এখনও অবধি নিশ্চিত না হলেও, চর্চায় উঠে আসছে এসএস রাজামৌলির নাম। বারাণসীর নায়ক মহেশ বাবুর সঙ্গে তিনি থাকতে পারেন করণের শোয়ে। অন্যদিকে সব ঠিক থাকলে লাভ অ্যান্ড ওয়ার ছবির পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালি রণবীর কাপুর বা ভিকি কৌশলের সঙ্গে থাকতে পারেন শোয়ে।&nbsp;</p>&#13;
<p>তবে সবটাই এখনও চর্চায় জায়গায় রয়েছে। এই গুঞ্জন কতটা সত্যি হয় বাস্তবে সেটাই দেখার।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/3cMTTodLuk0?si=qN9LUBU7GNKw9FUo</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Koffee With Karan season 9]]></category>
            <category><![CDATA[shah rukh khan]]></category>
            <category><![CDATA[Koffee With Karan]]></category>
            <category><![CDATA[Bollywood]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/03359acf-24a5-41f6-8e09-74289241f364.webp" length="30232" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/03359acf-24a5-41f6-8e09-74289241f364.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/03359acf-24a5-41f6-8e09-74289241f364.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফ্লাইদুবাই বিমান কাণ্ডে ফের 'টুইস্ট'! সামনে এল হাড়হিম করা তথ্য ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/another-twist-in-the-flydubai-flight-incident-517135</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/another-twist-in-the-flydubai-flight-incident-517135</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:30:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ককপিটের ভেতরে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী হামলার রেশ এখনও কাটেনি। এর মাঝেই গোটা ঘটনায় নতুন মোড় নিয়ে এলো একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ও সন্দেহ। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ককপিটের ভেতরে ঘটে যাওয়া রক্তক্ষয়ী হামলার রেশ এখনও কাটেনি। এর মাঝেই গোটা ঘটনায় নতুন মোড় নিয়ে এলো একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ও সন্দেহ। ৩০ সেপ্টেম্বরের ওই উড়ানে ওমানি কো-পাইলট হামাম আল-হাম্মামি কুড়ুল নিয়ে আক্রমণ চালিয়েছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মূল পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের ওপর। বিমানটি ছিনতাই বা বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিলেন তিনি। রক্তাক্ত অবস্থাতেও অবিশ্বাস্য সাহস দেখিয়ে ককপিটের দরজা খুলে দেন স্মিত, আর এক যাত্রীর তৎপরতায় শেষমেশ পরাস্ত হয় আক্রমণকারী। ১৭৪ জন যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে তিনি আজ বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হলেও, এই ঘটনার জল যে অনেক দূর গড়িয়েছে তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে দিন দিন।</p>&#13;
<p>তদন্ত যত এগোচ্ছে, রহস্য তত ঘনীভূত হচ্ছে। সম্প্রতি দুবাই থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের আরও দুই পাইলটকে আটক করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ধৃত দুই পাইলট মালদ্বীপের নাগরিক এবং তারা হামলাকারী কো-পাইলটের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ছিলেন। এমনকি তাদের ওপর ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনা করার মতো গুরুতর সন্দেহের আঙুল উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত মলদ্বীপ বা সংশ্লিষ্ট দেশের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি, তবে বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।</p>&#13;
<p>সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিমানে উপস্থিত যাত্রীদের বয়ান। ওই ফ্লাইটের এক প্রত্যক্ষদর্শী যাত্রী এক গা শিউরে ওঠার মতো অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, হামলাকারী কো-পাইলটকে বেঁধে ফেলার পর বিমানের অন্য কেবিন ক্রুরা নাকি সেই বাঁধন আলগা করার চেষ্টা করছিলেন! শুধু তাই নয়, রক্তাক্ত ও মারাত্মক জখম ক্যাপ্টেন স্মিতের মুখে অচেনা এক ধরনের ওষুধ ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের ভিডিও তুলতে বারবার বাধা দেওয়ার পাশাপাশি রহস্য বাড়িয়েছে আরও একটি বিষয়&mdash;সেদিন বিমানের গোটা ক্রু টিমে শুধুই পুরুষ কর্মীরা ডিউটিতে ছিলেন। তবে কি বিমানের ভেতর থেকেই কেউ বা কারা গোপনে সাহায্য করছিল হামলাকারীকে? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে ছিল কোনও সুপরিকল্পিত গভীর ষড়যন্ত্র? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন তোলপাড় বিশ্ব বিমান চলাচল ক্ষেত্র।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Flydubai FZ1073]]></category>
            <category><![CDATA[Smit Machchhar attacked]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/36519f84-d9c4-4d92-a7ad-54e937674b45.webp" length="58782" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/36519f84-d9c4-4d92-a7ad-54e937674b45.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/36519f84-d9c4-4d92-a7ad-54e937674b45.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সন্তানের দাবি শুনেই মাথায় আগুন, বাবার লাঠির আঘাতের পর আর হুঁশ ফিরল না ছেলের! গাইঘাটার ঘটনায় হতবাক গোটা এলাকা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/thakurnagar-gaighata-incident-allegation-son-dies-after-being-struck-by-father-517132</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/thakurnagar-gaighata-incident-allegation-son-dies-after-being-struck-by-father-517132</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:13:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[একমাত্র ছেলে মদ খেয়ে বাড়িতে এসে প্রায়ই অত্যাচার চালাতেন বাবা-মা'র উপর। অভিযোগ মদ খাওয়ার টাকা চেয়ে বাড়িতে ভাঙচুরও চালাতেন। সেই বাক-বিতণ্ডা থেকেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>&nbsp;</strong><br><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>পুজোর আগেই মর্মান্তিক ঘটনা। ছেলের মৃত্যু, তদন্তের স্বার্থে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য গাইঘাটার ঠাকুরনগরে।&nbsp;</p>&#13;
<p>একমাত্র ছেলে মদ খেয়ে বাড়িতে এসে প্রায়ই অত্যাচার চালাতেন বাবা-মা'র উপর। অভিযোগ মদ খাওয়ার টাকা চেয়ে বাড়িতে ভাঙচুরও চালাতেন। বুধবার বিকেলে &nbsp;অত্যাচার শুরু করলে অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে বাবা ছেলেকে লাঠি দিয়ে মারতে গেলেন মাথায় গুতর আঘাত লেগে মৃত্যু হয়েছে &nbsp;ছেলের৷ অভিযোগ তেমনটাই।</p>&#13;
<p>&nbsp;গাইঘাটার ঠাকুরনগরের বড়া কৃষ্ণনগর গ্রামে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নিজের ছেলের মাথায় আঘাতের ঘটনা ঘটার পর, গুরুতর অসুস্থ বাবাও৷ বাকরুদ্ধ হয়েছেন মা ৷ ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>মৃত ছেলের নাম সুমন বিশ্বাস। বয়স ৩০। পেশায় রংমিস্ত্রি ৷ পরিবার ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় অন্যদিনের মতো সুমন এদিন বাড়িতেএসে &nbsp;তাঁর বৃদ্ধ বাবা সুমন্ত বিশ্বাসের উপর চড়াও হন। শুরু হয় মারধর ও অত্যাচার। হৃদরোগে আক্রান্ত বৃদ্ধ বাবা আত্মরক্ষায় হাতের কাছে থাকা লাঠি দিয়ে ছেলেকে আঘাত করেন বলে তথ্য স্থানীয় সূত্রে। আর সেই আঘাতেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সুমন। পরে তাঁর মৃত্যু হয় বলে দাবি প্রতিবেশীদের।</p>&#13;
<p>&nbsp;পরিবারের অভিযোগ, মদ্যপানের টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই মা-বাবার উপর অত্যাচার চালাতেন সুমন। তাঁর অত্যাচারে তটস্থ থাকতেন বৃদ্ধ মা-বাবা দু'জনেই। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গাইঘাটা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। &nbsp;মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে। তদন্তের স্বার্থে বৃদ্ধ বাবা সুমন্ত বিশ্বাসকে আটক করেছে পুলিশ।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[thakurnagar]]></category>
            <category><![CDATA[father-son]]></category>
            <category><![CDATA[police]]></category>
            <category><![CDATA[Death Incident]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b62b3799-1d27-45bf-99cc-552c4d929967.webp" length="116944" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b62b3799-1d27-45bf-99cc-552c4d929967.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b62b3799-1d27-45bf-99cc-552c4d929967.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[লাল পাড়-সাদা শাড়ি পরেই কেন সিঁদুর খেলেন বাঙালি মহিলারা? জানুন অজানা ইতিহাস ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/why-bengali-women-wear-red-white-saree-during-sindur-khela-517131</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/why-bengali-women-wear-red-white-saree-during-sindur-khela-517131</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:11:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[উৎসবের দিনে তো বটেই তবে বিশেষ করে দুর্গা পুজোয় সিঁদুর খেলার দিন লাল সাদা শাড়ি পরা প্রত্যেক বাঙালি মহিলার কাছেই এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>দুর্গাপুজোয় বাঙালি মানেই চির চেনা লাল পাড় সাদা শাড়ি। বছরের পর বছর ধরে এই রং বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। যে কোন উৎসবের দিনে তো বটেই বিশেষ করে সিঁদুর খেলার দিন লাল সাদা শাড়ি পরা প্রত্যেক বাঙালি মহিলার কাছেই এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এক কথায় লাল পাড় সাদা শাড়ির সাথে বাঙালির ঐতিহ্য-সংস্কৃতির সম্পর্ক চিরন্তন এবং শাশ্বত।</p>&#13;
<p>তাই বিজয়া দশমীর ঢাকের আওয়াজের তালে, তালে ধুনুচি নাচের সাথে মাকে বরণের পাশাপাশি বিদায়বেলায় বিষাদের চিরচেনা সুর তো থাকেই, সেইসাথে চিরন্তন বাঙালি সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক হিসাবে থেকে যায় সিঁদুরে রাঙানো বাঙালি মেয়ে বউদের পরনে থাকা লাল-পাড় সাদা শাড়ি।</p>&#13;
<p>কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন বাঙালিদের সিঁদুর খেলার সাথে এই লাল পাড় সাদা শাড়ির যোগসূত্রটা আসলে কোথায়? বাঙালিদের মধ্যে এই শাড়ি কেনই বা এত জনপ্রিয়? &nbsp;আসলে এর পিছনে রয়েছে বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নানা প্রতীকী অর্থ।</p>&#13;
<p><strong>সিঁদুরখেলার সঙ্গে এই শাড়ির সম্পর্ক কী?</strong></p>&#13;
<p>বিজয়া দশমীর দিন উমাকে বিদায় জানানোর আগে প্রত্যেক বিবাহিত হিন্দু মহিলারা সিঁদুরখেলায় মেতে ওঠেন। একরাশ মন খারাপের সাথেই প্রথমে সিঁদুর পরিয়ে মা দুর্গাকে বরণ করে নেওয়া হয়। এরপর মহিলারা একে অপরের সিঁথি সিঁদুর দিয়ে রাঙিয়ে দেন। দীর্ঘদিনের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, বাঙালি মহিলাদের সিঁদুর খেলার এই রীতির সাথে জড়িয়ে রয়েছে দাম্পত্য জীবনের সুখ, শান্তি ও পরিবারের মঙ্গল কামনার মতো সূক্ষ্ম অনুভূতির বিষয়গুলি।</p>&#13;
<p>দু'হাতে লাল সাদা শাখা পলা, কপালে লাল টিপ আর সিঁথিতে রাঙানো সিঁদুরের সাথে পরনে থাকা লাল পাড় সাদা শাড়ি প্রত্যেক বাঙালি নারীর সৌন্দর্য যেন দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়। বছর পর বছর ধরে এটাই বাঙালির ঐতিহ্য সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেছে।</p>&#13;
<p>যদিও, এমন কোন ধরা বাধা নিয়ম নেই যে বিজয় দশমীর দিন সিঁদুর খেলার সময় সবাইকেই লাল সাদা শাড়ি পড়তে হবে। প্রকৃতপক্ষে সময়ের সাথে সাথে এই লাল পাড় সাদা শাড়ি পরা এক প্রকার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তাই সময়ের সাথে সাথে মানুষের পছন্দ-অপছন্দের সাথেই বদলেছে পোশাক পরার ধরনও। কিন্তু তারপরেও প্রজন্মের পর প্রজন্ম পেরিয়ে আজও বাঙালি সংস্কৃতির সাথে এই লাল পাড় সাদা শাড়ির এক অটুট যোগসূত্র তৈরি হয়ে গিয়েছে।</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt">https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt</a></p>&#13;
<p><strong>সাদা-লাল শাড়ির বিশেষত্ব কী?</strong></p>&#13;
<p>বাঙালি সংস্কৃতিতে সাদা রঙকে সাধারণত পবিত্রতা, সরলতা ও শুভ সূচনার প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়। অন্যদিকে, লাল রঙ মানেই শক্তি, উর্বরতা, সমৃদ্ধি এবং বিবাহিত জীবনের প্রতীক। তাই সময়ের সাথে সাথে এই লাল সাদা রং বাঙালি সংস্কৃতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bengali culture]]></category>
            <category><![CDATA[lifestyle]]></category>
            <category><![CDATA[durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[festive season]]></category>
            <category><![CDATA[bengali]]></category>
            <category><![CDATA[Bengali Women]]></category>
            <category><![CDATA[Sindur Khela]]></category>
            <category><![CDATA[Red White Saree]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/c33fbcda-01cc-4541-bdef-946f7e7121c8.webp" length="51794" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/c33fbcda-01cc-4541-bdef-946f7e7121c8.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/c33fbcda-01cc-4541-bdef-946f7e7121c8.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর, ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাব গ্রহণ করল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/west-bengal-cabinet-adopts-motion-of-appreciation-marking-25-years-of-modis-administrative-career-517130</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/west-bengal-cabinet-adopts-motion-of-appreciation-marking-25-years-of-modis-administrative-career-517130</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 19:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক যাত্রা, দেশ গঠনে অবদান এবং বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সর্বসম্মতিক্রমে ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাব গ্রহণ করল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা। বুধবার বিশেষ ক্যাবিনেট বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর দীর্ঘ প্রশাসনিক যাত্রা, দেশ গঠনে অবদান এবং বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের স্বীকৃতির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>&#13;
<p>২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অর্থনীতি, বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, আধুনিকীকরণ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিতে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।</p>&#13;
<p>এ দিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানানো হয়, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালন এবং সরকারি উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের বিষয়টিও প্রস্তাবে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ইতিহাস এবং নতুন প্রজন্মের সামনে সেই ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগকে স্বীকৃতি জানিয়েছে রাজ্য সরকার।</p>&#13;
<p>এ ছাড়া রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন এবং স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, একাধিকবার বেলুড় মঠ সফর ও রাত্রিযাপন, গৌড়ীয় মঠের শতবর্ষ উদযাপনে অংশগ্রহণ এবং ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের শতবর্ষ পালনের প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বাঁশবেড়িয়ার প্রাচীন ত্রিবেণী কুম্ভ মহোৎসবের পুনরুজ্জীবনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।</p>&#13;
<p>বাংলার চলচ্চিত্র, সাহিত্য, লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের স্বীকৃতি থেকে শুরু করে কৃষি এবং পাহাড় থেকে সাগর পর্যন্ত রাজ্যের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অবদানের কথাও প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।</p>&#13;
<p>প্রস্তাবের খসড়া তৈরিতে মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, তাপস রায়, জগন্নাথ চ্যাটার্জি, মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল এবং মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের উপদেষ্টা আইএএস সুপ্রদীপ গুপ্তের ভূমিকার জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজিতে মুদ্রিত প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হবে এবং গেজেটের মাধ্যমেও তা প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।</p>&#13;
<p>প্রস্তাবের শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে 'বিকশিত ভারত' গঠনে পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার করেছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[West Bengal Cabinet]]></category>
            <category><![CDATA[modi]]></category>
            <category><![CDATA[Modi's 25 Years As An Administrator]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/039196ad-b27f-4f19-a8f7-c95035baeaa6.webp" length="29826" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/039196ad-b27f-4f19-a8f7-c95035baeaa6.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/039196ad-b27f-4f19-a8f7-c95035baeaa6.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[নিউজিল্যান্ড সফরের আগে তিন ক্রিকেটারের ফিটনেস নিয়ে উদ্বেগ, ভারতের ওয়ানডে ও টেস্ট দল ঘোষণা বিলম্বিত ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/indias-odi-and-test-squad-announcement-has-been-delayed-following-fitness-concerns-over-these-three-players-against-new-zealand-517129</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/indias-odi-and-test-squad-announcement-has-been-delayed-following-fitness-concerns-over-these-three-players-against-new-zealand-517129</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:55:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের আগে চোটের সমস্যায় পড়েছে ভারতীয় দল। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের আগে চোটের সমস্যায় পড়েছে ভারতীয় দল। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, হর্ষিত রানা ও ঋষভ পন্থের ফিটনেস রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন নির্বাচকরা। সেই কারণেই দুই ফরম্যাটের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণায় দেরি হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন ক্রিকেটারের চোট প্রাথমিকভাবে খুব গুরুতর বলে মনে না হলেও কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না বিসিসিআই-এর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের চিকিৎসক দল।</p>&#13;
<p>ভারতের নিউজিল্যান্ড সফর শুরু হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। ২২ অক্টোবর ক্রাইস্টচার্চে শুরু হবে সেই সিরিজ। টি-টোয়েন্টি দলের ঘোষণা ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। তবে ওয়ানডে ও টেস্ট দলের চূড়ান্ত তালিকা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৮ অক্টোবর নাগাদ নিউজিল্যান্ডের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা দুই ফরম্যাটের দলের। ৪ নভেম্বর অকল্যান্ডে শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ এবং ১৯ নভেম্বর ওয়েলিংটনে শুরু হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ।</p>&#13;
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, হর্ষিত রানা ও ঋষভ পন্থের চোটের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন নির্বাচকরা। একটি সূত্রের মতে, পন্থ ও কৃষ্ণের চোট প্রথম দিকে গুরুতর বলে মনে না হলেও চিকিৎসকরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁদের তিন সপ্তাহের পুনর্বাসনের সময় দিয়েছেন। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে না বোর্ড।</p>&#13;
<p>গত ৩০ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে বাঁ-দিকের হ্যামস্ট্রিংয়ে অস্বস্তি অনুভব করেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মাত্র পাঁচ ওভার বল করার পরই তাঁকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়। এরপর বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে রিপোর্ট করেন এই ভারতীয় পেসার। সেখানে তাঁকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য তিন সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে।</p>&#13;
<p>চোট খুব গুরুতর না হলেও, নিউজিল্যান্ডের মতো পরিবেশে প্রসিদ্ধের মতো পেসারের উপস্থিতি ভারতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তাঁর ফিটনেসের বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাইছেন নির্বাচকরা।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, হর্ষিত রানাকেও দুই ফরম্যাটের দলে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। পেস বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও অবদান রাখতে পারেন এই অলরাউন্ডার। আট নম্বরে ব্যাট করার ক্ষমতা তাঁকে দলের ভারসাম্য বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।</p>&#13;
<p>জুলাই মাস থেকেই সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন হর্ষিত। জানা যাচ্ছে, আগামী ২৫ অক্টোবরের আশপাশে তাঁর রিটার্ন-টু-প্লে ম্যাচের পরিস্থিতি তৈরি করার &nbsp;কথা। সেই পরীক্ষার ফলের উপর নির্ভর করতে পারে নিউজিল্যান্ড সফরে তাঁর খেলার সম্ভাবনা। দলের রওনা দেওয়ার সম্ভাব্য তারিখের এত কাছাকাছি সময়ে ফিটনেস পরীক্ষা হওয়ায় তাঁকে চূড়ান্ত দলে রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।</p>&#13;
<p>ঋষভ পন্থের চোটও নির্বাচকদের চিন্তা বাড়িয়েছে। ইরানি কাপের সময় সাইড স্ট্রেইনে আক্রান্ত হন ভারতীয় উইকেটকিপার-ব্যাটার। সেই কারণে ২৪ অক্টোবর থেকে নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে শুরু হতে চলা ভারত এ-র প্রথম দুটি চার দিনের ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।</p>&#13;
<p>টেস্ট সিরিজের আগে ম্যাচ প্র্যাকটিসের জন্য ভারত এ-র হয়ে খেলার পরিকল্পনা ছিল পন্থের। কিন্তু চোটের কারণে আপাতত সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের মতো পন্থকেও তিন সপ্তাহের পুনর্বাসনের সময় দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ম্যাচগুলিতে তিনি খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।</p>&#13;
<p>নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে পেসাররা সাধারণত সুইং ও সিম মুভমেন্ট থেকে সাহায্য পান। তাই আসন্ন সফরে ভারতের সাফল্যের ক্ষেত্রে বোলারদের ফিটনেস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। পাশাপাশি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি চক্রের অন্তর্গত দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>&#13;
<p>সব মিলিয়ে, তিন ক্রিকেটারের ফিটনেস রিপোর্টের দিকেই এখন নজর বিসিসিআই-এর নির্বাচকদের। তাঁরা কবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠছেন, তার উপর নির্ভর করতে পারে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ভারতের ওয়ানডে ও টেস্ট দল ঘোষণার সময় এবং চূড়ান্ত দল নির্বাচনের সমীকরণ।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[India]]></category>
            <category><![CDATA[new zealand]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/89b25bf5-44b2-4471-9a17-6bbfb639cfac.webp" length="57638" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/89b25bf5-44b2-4471-9a17-6bbfb639cfac.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/89b25bf5-44b2-4471-9a17-6bbfb639cfac.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, বিরোধী ও 'ককরোচ'-দের মোকাবিলায় মরিয়া বিজেপি এবং মোদি সরকারের পাল্টা  কী পরিকল্পনা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/bjp-agenda-delhi-is-in-the-throes-of-protests-what-is-the-counter-strategy-of-the-bjp-and-modi-government-to-tackle-the-opposition-and-cjp-led-groups-517125</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/bjp-agenda-delhi-is-in-the-throes-of-protests-what-is-the-counter-strategy-of-the-bjp-and-modi-government-to-tackle-the-opposition-and-cjp-led-groups-517125</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:48:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মেপে পা ফেলতে চাইছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। সাবধানী বিজেপি সরকারও। চলছে সর্বোচ্চস্তরে পরিকল্পনার সলতে পাকানোর কাজ।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন' (এসআইআর) বা ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কংগ্রেস-নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া' &nbsp;এবং 'ককরোচ জনতা পার্টি'র (সিজেপি) চলমান বিক্ষোভের মুখে, পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকার একটি বহুমুখী কৌশল নিয়ে কাজ করছে বলে খবর।&nbsp;</p>&#13;
<p>দলীয় সূত্রের খবর, এসআইআর প্রক্রিয়ায় তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নির্বাচন কমিশন যখন তৎপরতা বাড়িয়েছে, তখন বিজেপি-নেতৃত্বাধীন সরকার বিক্ষোভের জন্য রামলীলা ময়দানের মতো বড় জায়গা বেঁধে দিয়েছে। পাশাপাশি, গেরুয়া শিবির- ছাত্র ও যুবসমাজ-সহ বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতেও প্রস্তুত বলে জানা গিয়েছে।</p>&#13;
<p>নির্বাচন কমিশনের পুরো বিষয়টি নিয়ে (যার মধ্যে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যকার মতপার্থক্য থেকে শুরু করে দেশের ভোটার তালিকায় পরিবর্তনের তথ্য অন্তর্ভুক্ত) একটি "তথ্য-বিবরণী" তৈরির পাশাপাশি, বিজেপি সরকার দিল্লিতে "নৈরাজ্য" মোকাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা বিরোধী দলগুলোকে (বিশেষ করে কংগ্রেস, লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং আম আদমি পার্টি) নিশানা করছে।</p>&#13;
<p>এসআইআর-এর কারণে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়া নিয়ে তৈরি বিক্ষোভ মোকাবিলায়, বিজেপি কৌশলে তাদের পুরনো ইস্যু- 'অনুপ্রবেশকারী' &nbsp;এবং "জনবিন্যাসগত বদল"-এর দিকেও মনোযোগ ফেরানোর চেষ্টা করছে।</p>&#13;
<p>'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে, নির্বাচন কমিশন ২০টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি "বিশেষ অভিযান" চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর 'দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস' জানিয়েছিল যে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশির অগোচরে নেওয়া এসআইআর-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং প্রক্রিয়ার গুরুতর ত্রুটিগুলোর বিষয়ে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার লিখিতভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন।</p>&#13;
<p>পরবর্তীকালে, যেসব রাজ্যে এসআইআর-এর দাবি ও আপত্তি জানানোর প্রক্রিয়া এখনও চলছে, সেখানে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের মাধ্যমে পুনরায় তালিকায় যুক্ত হওয়া ভোটারদের সংখ্যার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন নিয়মিত তথ্য প্রকাশ করে আসছে।</p>&#13;
<p>সোমবার, দিল্লির মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক 'এক্স'-এ ২০২৬ সালের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে একটি বার্তা পোস্ট করেন। এই প্রক্রিয়ার ফলে শহরের ১.৪৫ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪৭.৭ লক্ষ ভোটারের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল। বার্তায় বলা হয়, 'দিল্লির ভোটার তালিকায় প্রায় ৩৩ লক্ষ এন্ট্রি বা নাম 'লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি' (যৌক্তিক অসঙ্গতি) বা 'আনম্যাপড' হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এই সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য আমরা একটি সক্রিয় প্রচার শুরু করেছিলাম। ইতিমধ্যে ৩৩ লক্ষের মধ্যে প্রায় ২০ লক্ষ সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে, অনুগ্রহ করে ১৪,৯৪৭ জন বিএলও, ৯০২ জন এইআরও, ৭০ জন ইআরও, ১৩ জন ডিইও বা মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে নির্দ্বিধায় যোগাযোগ করুন। কোনও যোগ্য ভোটারকেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না।"</p>&#13;
<p>একই ধরনের পোস্টে, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের মতো যেসব রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ায় ব্যাপক হারে নাম বাদ পড়েছিল, সেখানকার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকরাও জানিয়েছেন। বাংলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান যে, রাজ্যের ২৪ জন ডেপুটি ইলেকশন অফিসার এ বিষয়ে "একটি সক্রিয় প্রচার" শুরু করেছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, তাঁদের ৩৮ জন ডিইও একই কাজ করছেন এবং এই উদ্দেশ্যে ৯০,০০০-এরও বেশি বিশেষ ক্যাম্প আয়োজন করা হবে। ধারাবাহিক বিক্ষোভ এবং পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের ফলে নয়াদিল্লি যখন অচল হয়ে পড়েছিল, তার কয়েক দিন পরেই (সোমবার) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার একটি নির্দেশিকা জারি করেন। এতে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভ প্রদর্শনের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করা হয় এবং এর পরিবর্তে তিনটি নতুন স্থান (মধ্য দিল্লিতে রামলীলা ময়দান, উত্তর দিল্লিতে বুরাড়ি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লিতে সিবিডি গ্রাউন্ড) নির্ধারণ করা হয়। নাগরিকদের "অসুবিধা" কমানোর অজুহাতেই মূলত এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।</p>&#13;
<p><strong>'জেন-জি'-দের সঙ্গে যোগাযোগ</strong><br>'নিট' পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে যন্তর মন্তরে সিজেপি-র জুন-জুলাই মাসের আন্দোলনের সময় (যার জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন) কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিং সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেন এবং আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমাধানে পৌঁছান যা আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটায়।</p>&#13;
<p>পরবর্তীকালে, নরেন্দ্র মোদি সরকার সংসদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে একটি কঠোর আইন পাস করে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-কে ঢেলে সাজায় এবং ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে পরীক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্ক ফোর্স গঠন করে।</p>&#13;
<p>দিল্লিতে চলমান অচলাবস্থার বিষয়ে বিজেপির সূত্রগুলো জানিয়েছে, "দেশের আইন অত্যন্ত স্পষ্ট এবং তা সবার জন্যই সমানভাবে প্রযোজ্য। সরকার কেবল সেই আইনের বিধানগুলোই কার্যকর করছে (অর্থাৎ সবকিছুই যথাযথ পদ্ধতি মেনে হওয়া উচিত, তা সে রাস্তায় বিক্ষোভ প্রদর্শনই হোক কিংবা প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের বিষয়টিই হোক) যার জন্য একমাত্র 'ইমপিচমেন্ট' প্রক্রিয়াই অবলম্বন করা সম্ভব।"</p>&#13;
<p>দলের একটি সূত্র আরও জানায়: "এসআইআর সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা দূর করতে নির্বাচন কমিশন যেমন করেছে, তেমনি সরকারও অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত নয়াদিল্লি থেকে তরুণ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সংযম দেখিয়েছে। কোনও ধরনের ফৌজদারি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই তারা একদিকে যেমন আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করেছে, অন্যদিকে জনগণের বিক্ষোভ প্রদর্শনের অধিকারকেও নিশ্চিত করেছে।"</p>&#13;
<p>ওই সূত্রটি বলে, "মোদি সরকার যদি সত্যিই জনগণের বিক্ষোভ প্রদর্শনের মৌলিক অধিকারের বিরোধী হত, তবে তারা রামলীলা ময়দানের মতো স্থানগুলোকে বিক্ষোভের জন্য নির্দিষ্ট করে দিত না। এই ব্যবস্থাটি নেওয়া হয়েছিল যাতে রাস্তায় একদল মানুষের ক্ষোভ প্রকাশের কারণে বৃহত্তর জনসমাজকে কোনও ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়।"</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[modi government]]></category>
            <category><![CDATA[gyanesh kumar]]></category>
            <category><![CDATA[CJP]]></category>
            <category><![CDATA[Delhi Anti CEC Protests]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/db9ae7f6-49e1-475c-838f-e7fa632c1d3c.webp" length="55822" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/db9ae7f6-49e1-475c-838f-e7fa632c1d3c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/db9ae7f6-49e1-475c-838f-e7fa632c1d3c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[৫ হাজার টাকা আর অতিরিক্ত ৫০ কেজি চাল- প্রায় ২০ হাজার পরিবারকে পুজোর আগেই বড় 'বোনাস' শুভেন্দুর! কারা পাবেন?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/west-bengal-government-to-assist-worker-families-of-closed-tea-gardens-announced-by-cm-suvendu-adhikari-517127</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/west-bengal-government-to-assist-worker-families-of-closed-tea-gardens-announced-by-cm-suvendu-adhikari-517127</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:46:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ বন্ধ চা বাগানের ১৯ হাজার ৫২৪টি শ্রমিক পরিবারকে পুজো উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা করে এবং অতিরিক্ত ৫০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> পুজোর মুখে চা শ্রমিকদের জন্য আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। বন্ধ চা বাগানের ১৯ হাজার ৫২৪টি শ্রমিক পরিবারকে পুজো উপলক্ষে ৫ হাজার টাকা করে এবং অতিরিক্ত ৫০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, 'মানবিক সরকারের ছোট প্রয়াস এটি।'</p>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে বর্তমানে ২১টি চা বাগান বন্ধ রয়েছে। ওই বাগানগুলির শ্রমিক পরিবারগুলি এত দিন মাসে ৩৫ কেজি করে চাল পেতেন। পুজোর আগে তাঁদের জন্য অতিরিক্ত চাল ও নগদ অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকের বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেলে তাঁর পরিবার এই সুবিধা পাবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, রাজ্যের ২৫০টি খোলা চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অধিকাংশ চা বাগানের শ্রমিক ইতিমধ্যেই এই বোনাস পেয়ে গিয়েছেন।</p>&#13;
<p>বন্ধ চা বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলিকে পুজোর আগে আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী দেওয়ার পাশাপাশি খোলা চা বাগানের শ্রমিকদের বোনাসের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে চাইছে রাজ্য সরকার। পুজোর আগে এই ঘোষণার ফলে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী বন্ধ চা বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলি অতিরিক্ত আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা পাবে।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী তৈরি করতে এবার স্থানীয় আইটিআইগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি ফেনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে শিল্পের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের যোগসূত্রের উপর গুরুত্ব দিলেন তিনি। নতুন কারখানায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১,৪০০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal government]]></category>
            <category><![CDATA[tea garden]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Puja 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/3ae3b595-d456-4d42-a212-e69e85f8a4eb.webp" length="169902" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/3ae3b595-d456-4d42-a212-e69e85f8a4eb.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/3ae3b595-d456-4d42-a212-e69e85f8a4eb.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[চলন্ত ট্রেনের জানলা ঝুলতে ঝুলতে যাচ্ছে যুবক! নেপথ্যে কারণ জেনে আঁতকে উঠল নেটপাড়া ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/theif-caught-by-passengers-inside-a-running-train-in-bihar-video-goes-viral-517123</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/theif-caught-by-passengers-inside-a-running-train-in-bihar-video-goes-viral-517123</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:45:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ চলন্ত ট্রেনের জানলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে মোবাইল ছিনতাই করার চেষ্টা যে এমন চরম বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, তা হয়তো ভাবতেও পারেনি অভিযুক্ত যুবক। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>চলন্ত ট্রেনের জানলা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে মোবাইল ছিনতাই করার চেষ্টা যে এমন চরম বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে, তা হয়তো ভাবতেও পারেনি অভিযুক্ত যুবক। সম্প্রতি বিহারের ভাগলপুর জেলার শিবনারায়ণপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঘটে গেছে এক চোখ কপালে তোলার মতো ঘটনা। সাহেবগঞ্জ-দানাপুর ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস যখন স্টেশন ছাড়ছিল, ঠিক তখনই খোলা জানলা দিয়ে ভেতরে থাকা এক যাত্রীর মোবাইল টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। তবে সতর্ক যাত্রীরা তার পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়ে তৎক্ষণাৎ তার হাত শক্ত করে খপ করে ধরে ফেলেন।</p>&#13;
<p>ট্রেন গতি বাড়াতে শুরু করলেও যাত্রীরা হাত ছাড়েননি। ফলে গতিশীল ট্রেনের বাইরের দিকে বিপজ্জনকভাবে ঝুলতে থাকে ওই যুবক। চলন্ত ট্রেনের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করতে করতে সে চিৎকার করে হাত ছেড়ে দেওয়ার বা বাঁচানোর আর্তি জানাতে থাকে। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য যাত্রীরাও হতবাক হয়ে এই রোমহর্ষক দৃশ্য দেখেন। জানা গেছে, প্ল্যাটফর্মের শেষ প্রান্তে গিয়ে যুবকটি ছিটকে পড়ে যায় এবং আহত হয়। পরবর্তীতে রেলওয়ে সুরক্ষা বল (RPF) তাকে হেফাজতে নেয়।</p>&#13;
<p>এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটদুনিয়ায় তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে যেমন অনেকে চোর ধরার জন্য যাত্রীদের উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করছেন, অন্যদিকে অনেকেই বিষয়টিকে চরম অমানবিক ও বিপজ্জনক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। কারণ ট্রেনের জানলা ধরে কাউকে এভাবে ঝুলিয়ে রাখা প্রাণঘাতী হতে পারত এবং মুহূর্তের ভুলে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়, এমন কোনও পরিস্থিতিতে আইন নিজের হাতে না তুলে বা কারও জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে রেলের হেল্পলাইন নম্বর ১৩৯ অথবা &lsquo;রেলমদদ&rsquo; অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত সাহায্য চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে ট্রেন স্টেশনে ঢোকা বা বের হওয়ার সময় যাত্রীদেরও খোলা জানলার কাছাকাছি মোবাইল ও দামি জিনিস সাবধানে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[viral video]]></category>
            <category><![CDATA[bihar news]]></category>
            <category><![CDATA[viral news]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/a6f43fcc-927d-4e70-baa9-666029467fad.webp" length="42982" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/a6f43fcc-927d-4e70-baa9-666029467fad.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/a6f43fcc-927d-4e70-baa9-666029467fad.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্মৃতির পাশে হরমনপ্রীত, ধোনি-কোহলি মডেলেই নেতৃত্ব বদল চান বিসিসিআই কর্তা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/dhoni-guided-captain-kohli-bcci-wants-harmanpreet-kaur-to-do-the-same-517122</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/dhoni-guided-captain-kohli-bcci-wants-harmanpreet-kaur-to-do-the-same-517122</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:40:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটে নেতৃত্ব বদলের সময় সিনিয়র ক্রিকেটারকে দলের সঙ্গে রাখার পক্ষপাতী বিসিসিআই। সম্প্রতি হরমনপ্রীত কৌরকে সরিয়ে স্মৃতি মান্ধানার হাতে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ দিয়েই নতুন অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু করবেন স্মৃতি। তবে দলে রয়েছেন হরমনপ্রীতও]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটে নেতৃত্ব বদলের সময় সিনিয়র ক্রিকেটারকে দলের সঙ্গে রাখার পক্ষপাতী বিসিসিআই। সম্প্রতি হরমনপ্রীত কৌরকে সরিয়ে স্মৃতি মান্ধানার হাতে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে সিরিজ দিয়েই নতুন অধিনায়ক হিসেবে যাত্রা শুরু করবেন স্মৃতি। তবে দলে রয়েছেন হরমনপ্রীতও। বিসিসিআই সভাপতি মিঠুন মানহাস মনে করেন, নতুন অধিনায়ককে সাহায্য করতে দলে সিনিয়র ক্রিকেটারের উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>&#13;
<p>একটি সাক্ষাৎকারে বোর্ড সভাপতি বলেন, 'আমি সবসময় বিশ্বাস করি, এমন সময় নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেওয়া উচিত, যখন দলে একজন সিনিয়র ক্রিকেটার রয়েছেন। যে তাঁকে পথ দেখাতে পারবে। কারণ অধিনায়কত্ব কখনও সহজ নয়। আপনার যতই অভিজ্ঞতা থাকুক না কেন।' ভারতের ছেলেদের দলের নেতৃত্ব বদলের উদাহরণও টানেন মানহাস। মহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়ক হওয়ার সময় তাঁর পাশে ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। পরে ধোনি নিজেও বিরাট কোহলিকে অধিনায়ক হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেন।</p>&#13;
<p>কোহলির পর রোহিত শর্মার ক্ষেত্রেও সেই ধারাই বজায় ছিল। বর্তমানে কোহলি এবং রোহিত দু'জনই শুভমন গিলকে অধিনায়ক হিসেবে মানিয়ে নিতে সাহায্য করছেন। মহিলা দলের ক্ষেত্রেও একই ভূমিকা পালন করবেন হরমনপ্রীত, দাবি বোর্ড সভাপতির। মানহাস বলেন, 'এমন পরিস্থিতি আসবে, যখন সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে আপনি দ্বিধায় পড়বেন। সেই সময় হরমনপ্রীত স্মৃতির জন্য বড় সম্পদ হয়ে উঠবেন।' স্মৃতির অধিনায়ক হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি কোনও ব্যাখ্যায় না গিয়ে, মানহাস বরং দলের সিনিয়র ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফদের নতুন অধিনায়ককে পূর্ণ সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[womens cricket]]></category>
            <category><![CDATA[bcci]]></category>
            <category><![CDATA[smriti mandhana]]></category>
            <category><![CDATA[harmanpreet kaur]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/295510c2-035e-4e08-9923-2112b8086eff.webp" length="15930" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/295510c2-035e-4e08-9923-2112b8086eff.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/295510c2-035e-4e08-9923-2112b8086eff.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হলদিয়ার বিরাট বিনিয়োগ ও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ, ফেনল ও অ্যাসিটোন প্ল্যান্টের উদ্বোধনে গিয়ে ঘোষণা শুভেন্দুর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/cm-suvendu-adhikari-announces-massive-investment-new-employment-opportunities-haldia-after-inaugurating-plants-517124</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/cm-suvendu-adhikari-announces-massive-investment-new-employment-opportunities-haldia-after-inaugurating-plants-517124</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:36:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি ফেনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে শিল্পের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের যোগসূত্রের উপর গুরুত্ব দিলেন তিনি।]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী তৈরি করতে এবার স্থানীয় আইটিআইগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি ফেনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদন কারখানার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে শিল্পের সঙ্গে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের যোগসূত্রের উপর গুরুত্ব দিলেন তিনি। নতুন কারখানায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১,৪০০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>অনুষ্ঠানে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের কর্ণধার পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় দক্ষ স্থানীয় কর্মীর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়কে স্থানীয় আইটিআইগুলি পরিদর্শনের নির্দেশ দেন শুভেন্দু। শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে বলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যোগ্য কর্মীদের জন্য রাজ্যের দরজা খোলা থাকলেও স্থানীয় যুবকদের দক্ষ করে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।</p>&#13;
<p>হলদিয়ায় নতুন রাসায়নিক কারখানার উদ্বোধনকে ঘিরে শিল্পায়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণকে সামনে আনল রাজ্য সরকার। বছরে ৩.৪৫ লক্ষ টন ফেনল এবং ২.১৫ লক্ষ টন অ্যাসিটোন উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন এই কারখানায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই উৎপাদন শুরু হলে সংশ্লিষ্ট রাসায়নিকের জন্য বিদেশের উপর নির্ভরতা কমবে। তিনি বলেন, &ldquo;এই প্ল্যান্টের মাধ্যমে আমরা আত্মনির্ভর হয়েছি। সমগ্র পশ্চিমবঙ্গকে আত্মনির্ভর করতে হবে। আমরা বড্ড ভাতানির্ভর হয়ে গিয়েছি। এই জায়গা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।&rdquo;</p>&#13;
<p>চতুর্থীর দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়, অর্থমন্ত্রী স্বপন মজুমদার, উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিধায়ক ও সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর নবনীত নারায়ণও। হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের তরফে জানানো হয়েছে, নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।</p>&#13;
<p>শুধু রাসায়নিক শিল্পেই সীমাবদ্ধ থাকছে না হলদিয়ার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ৯৮ একর জমিতে একটি আন্তর্জাতিক মানের নরম পানীয় উৎপাদনকারী সংস্থার কারখানা এবং ৫০ একর জমিতে চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা গড়ে উঠবে। পাশাপাশি ২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যার ট্রমা কেয়ার ও বার্ন ইউনিট তৈরির ঘোষণা করেছেন তিনি। ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে ওই ইউনিট চালু করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।</p>&#13;
<p>এ ছাড়া রাজ্যে একটি ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার জন্য পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। হলদিয়ায় নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি স্থানীয় যুবকদের শিল্পের উপযোগী করে তোলার পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়, এখন নজর থাকবে সেদিকেই।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Haldia Plants]]></category>
            <category><![CDATA[WB Investment]]></category>
            <category><![CDATA[Haldia Plant Inauguration Ceremony]]></category>
            <category><![CDATA[WB Employment Opportunity]]></category>
            <category><![CDATA[Haldia ITI]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d9775512-886e-49fa-bb30-a06f13a29718.webp" length="44046" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d9775512-886e-49fa-bb30-a06f13a29718.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d9775512-886e-49fa-bb30-a06f13a29718.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এক-দু'টো নয়, ৪০০টি পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলেন 'জয়াম্মা' রশ্মিকা! কারণ জানলে অবাক হবেন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/entertainment/rashmmika-mandanna-adopts-400-families-after-playing-jayamma-in-ranabali-517119</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/entertainment/rashmmika-mandanna-adopts-400-families-after-playing-jayamma-in-ranabali-517119</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:18:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আর ক'দিনের অপেক্ষা, তারপরই মুক্তি পেতে চলেছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা অভিনীত 'রানাবলী' ছবিটি। বিয়ের পর, জুটি হিসেবে এটাই তাঁদের প্রথম ছবি হতে চলেছে। 'রানাবলী' ছবিতে জয়াম্মার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রশ্মিকার। আর এই চরিত্রে অভিনয় করেই, এক দারুণ পদক্ষেপ নিলেন তিনি। ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>আর ক'দিনের অপেক্ষা, তারপরই মুক্তি পেতে চলেছে বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা অভিনীত 'রানাবলী' ছবিটি। বিয়ের পর, জুটি হিসেবে এটাই তাঁদের প্রথম ছবি হতে চলেছে। 'রানাবলী' ছবিতে জয়াম্মার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রশ্মিকার। আর এই চরিত্রে অভিনয় করেই, এক দারুণ পদক্ষেপ নিলেন তিনি। কী? ৪০০টি পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিলেন রশ্মিকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>'রানাবলী' ছবিটিতে ১৮৭৬-৭৮ সালে হওয়া ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের কথা তুলে ধরা হয়েছে। ভারতীয় ইতিহাসের এই অন্যতম কালো অধ্যায়ের কথা পর্দায় ফুটিয়ে তোলার পরই তিনি এই দুঃসাহসিক কাজটি করলেন। কিন্তু কেন? অভিনেত্রী এই ৪০০টি পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার যে কারণ জানিয়েছেন সেটা শুনলে চোখে জল আসবে যে কারও।&nbsp;</p>&#13;
<p>রশ্মিকা মন্দানা তাঁর এই মানবিক কাজের কথা সমাজমাধ্যমে নিজেই জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে অভিনেত্রী লেখেন, তিনি আগামী ৩ মাসের জন্য ৪০০ টি পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁদের সমস্ত খাদ্য সামগ্রী পাঠাবেন ৩ মাস। এর ফলে সেই পরিবারের মানুষেরা আগামী ৩ মাস অর্থ সঞ্চয় করতে পারবেন কিছুটা হলেও, আর সেটা দিয়ে তাঁরা ভবিষ্যতের কিছুটা হলেও পরিকল্পনা করতে পারবেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>রশ্মিকা এদিন একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন সেখানে দেখা যাচ্ছে তাঁর টিম সেই পরিবারগুলোর হাতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন। সঙ্গে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, 'আপনি যে চরিত্রে অভিনয় করেন তার মধ্যে এমন কিছু একটা থাকে, যা আপনাকে দারুণ অনুপ্রেরণা জোগায়। অনেকে আপনারা জিজ্ঞেস করেছিলেন যে আমার আর জয়াম্মার মধ্যে কোনও মিল আছে কিনা। হ্যাঁ, আছে। আর এটাই হল সেই মিল। এটা আমার মধ্যে সবসময় ছিল, ওঁর মধ্যেও। আপনারা আমাকে যে ভালবাসা দেন, সেটা আমি এভাবেই ফিরিয়ে দিতে চাই। কিন্তু সবসময় সেটা আড়ালেই করেছি, লোক দেখিয়ে নয়। শুধু আমার টিম, আর আমার ঘনিষ্ঠ কিছু মানুষ জানতেন। এখন এটা প্রকাশ্যে আনলাম, কারণ আমার মনে হচ্ছে, এটা যদি আপনাদেরও কিছুটা হলেও অনুপ্রেরণা জোগায়, আপনারাও যদি কেউ এমন পদক্ষেপ নেন তাহলে আমি খুশি হবো।'&nbsp;</p>&#13;
<p>https://www.instagram.com/p/DedsfplDOIi/?utm_source=ig_web_copy_link&amp;srtk=NTc4MTIwNjQ2YQ==</p>&#13;
<p>রশ্মিকা মন্দানা তাঁর এই পোস্টে জানিয়েছেন যে ৪০০টি পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। আগামী ১ বছর এই উদ্যোগ চালিয়ে যাবেন। তাঁর এই মানবিক রূপ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। প্রশংসায় ভরিয়েছেন তাঁর পোস্টের কমেন্ট বক্স। অনেকেই জানিয়েছেন তাঁরাও আগামীতে তাঁদের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষকে সাহায্য করবেন।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/vZCv49OXTLI?si=12oiU1wHpcMG-Xmb</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Ranabali]]></category>
            <category><![CDATA[Bollywood]]></category>
            <category><![CDATA[Rashmmika Mandanna]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/5c151573-f347-4609-bb7d-cb194f00b1a7.webp" length="22026" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/5c151573-f347-4609-bb7d-cb194f00b1a7.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/5c151573-f347-4609-bb7d-cb194f00b1a7.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আইপিএলে সৌরভ-যুবির পুনর্মিলন, দিল্লির কোচিং স্টাফে যোগ দিলেন প্রাক্তন ভারতীয় তারকা ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/yuvraj-singh-reunited-with-sourav-ganguly-as-he-joins-the-delhi-capitals-coaching-staff-ahead-of-ipl-2027-517121</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/yuvraj-singh-reunited-with-sourav-ganguly-as-he-joins-the-delhi-capitals-coaching-staff-ahead-of-ipl-2027-517121</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:17:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[২০২৭ সালের আইপিএলের আগে বড় চমক দিল দিল্লি ক্যাপিটাল্স।]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ২০২৭ সালের আইপিএলের আগে বড় চমক দিল দিল্লি ক্যাপিটাল্স। দলের সহকারী কোচ ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিযুক্ত হলেন ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার যুবরাজ সিং। এই প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কোচিংয়ের দায়িত্ব নিতে চলেছেন ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও ২০১১ সালের একদিনের বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। দিল্লির প্রধান কোচ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করবেন তিনি।</p>&#13;
<p>দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে যুবরাজের সম্পর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০১৫ সালে আইপিএল নিলামে তৎকালীন দিল্লি ডেয়ারডেভিলস তাঁকে ১৬ কোটি টাকায় দলে নিয়েছিল। সেই সময় আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন যুবরাজ। এবার নতুন ভূমিকায় সেই ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই ফিরছেন তিনি।</p>&#13;
<p>দিল্লি ক্যাপিটালসের তরফে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন যুবরাজ। তিনি বলেন, &ldquo;দিল্লি ক্যাপিটালসের সঙ্গে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে পেরে আমি উত্তেজিত। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে আমার পুরনো সম্পর্ক রয়েছে। মালিকদেরও ভালভাবে চিনি। তাই এই সুযোগ আমার কাছে বিশেষ।&rdquo;</p>&#13;
<p>সৌরভের সঙ্গে কোচ হিসেবে জুটি বাঁধার বিষয়েও আশাবাদী যুবরাজ। তাঁর কথায়, &ldquo;এবার কোচ হিসেবে দাদার সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি। কোচিংয়ের প্রতি আমার সত্যিকারের আগ্রহ রয়েছে। এই প্রতিভাবান দলটির সঙ্গে কাজ শুরু করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। দলের সাফল্যে অবদান রাখতে চাই।&rdquo;</p>&#13;
<p>২০০০ সালে সৌরভের অধিনায়কত্বেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল যুবরাজের। পরবর্তী সময়ে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ম্যাচ উইনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালের একদিনের বিশ্বকাপ জয়ে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। এবার সেই সৌরভের সঙ্গেই নতুন ভূমিকায় কাজ করবেন যুবরাজ।</p>&#13;
<p>দিল্লি ক্যাপিটালসের চেয়ারম্যান ও সহ-মালিক পার্থ জিন্দাল যুবরাজের নিয়োগ নিয়ে বলেন, &ldquo;যুবিকে দিল্লি ক্যাপিটালস পরিবারে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ও ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ম্যাচ উইনার। বর্তমান ভারতীয় ক্রিকেটের বহু প্রতিভাবান তরুণকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও ওর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।&rdquo;</p>&#13;
<p>যুবরাজের অভিজ্ঞতা, জয়ের মানসিকতা এবং ক্রিকেটারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষমতা দলের কাজে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন জিন্দাল।&nbsp;</p>&#13;
<p>খেলোয়াড়ি জীবনের পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তরুণ ক্রিকেটারদের মেন্টর হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন যুবরাজ। শুভমন গিল, অভিষেক শর্মা ও প্রভসিমরন সিংয়ের মতো ক্রিকেটারদের ব্যাটিংয়ের উন্নতিতে তাঁর পরামর্শের কথা উঠে এসেছে একাধিকবার। ঋষভ পন্থও কঠিন সময়ে যুবরাজের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়েছেন।</p>&#13;
<p>২০১৯ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়া যুবরাজ ভারতের হয়ে ৩০৪টি একদিনের আন্তর্জাতিক, ৪০টি টেস্ট এবং ৫৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। আইপিএলে ১৩২টি ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২,৭৫০ রান ও ৩৬টি উইকেট।</p>&#13;
<p>সাম্প্রতিককালে ব্যর্থ হয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০২৫ সালে পঞ্চম এবং ২০২৬ সালে ষষ্ঠ স্থানে শেষ করে দলটি। ফলে নতুন মরশুমের আগে কোচিং বিভাগে বড়সড় পরিবর্তনের পথে হাঁটল ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রধান কোচ হিসেবে সৌরভ এবং সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে যুবরাজের নিয়োগের মাধ্যমে দলে অভিজ্ঞতা ও জয়ের মানসিকতা ফেরাতে চাইছে দিল্লি।</p>&#13;
<p>এখন দেখার, সৌরভ-যুবরাজের জুটি আগামী মরশুমে দিল্লি ক্যাপিটালসকে প্রথম আইপিএল শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[yuvraj singh]]></category>
            <category><![CDATA[ipl 2027]]></category>
            <category><![CDATA[sourav ganguly]]></category>
            <category><![CDATA[delhi capitals]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f3a0c87-dd49-4ba7-a57a-37baa176be71.webp" length="20418" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f3a0c87-dd49-4ba7-a57a-37baa176be71.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/4f3a0c87-dd49-4ba7-a57a-37baa176be71.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ধানখেতে ফের হাতির মৃত্যু! নাগরাকাটার সুকানি বস্তিতে চাঞ্চল্য]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/another-elephant-dies-in-a-paddy-field-in-siliguri-517118</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/another-elephant-dies-in-a-paddy-field-in-siliguri-517118</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:12:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ফের ধানখেতে হাতির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ডুয়ার্সে। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা ব্লকের সুকানি বস্তি এলাকায়, রামকৃষ্ণ স্কুলের পিছনে একটি ধানখেতে।]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ফের ধানখেতে হাতির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল ডুয়ার্সে। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা ব্লকের সুকানি বস্তি এলাকায়, রামকৃষ্ণ স্কুলের পিছনে একটি ধানখেতে। সেখানে একটি পূর্ণবয়স্ক হাতির মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গভীর রাতে খাবারের সন্ধানে লোকালয় সংলগ্ন ধানখেতে বেরিয়ে এসেছিল হাতিটি। এরপর সকালে হাতিটির মৃতদেহ দেখতে পাওয়া যায়।&nbsp;</p>&#13;
<p>খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছন বন দপ্তরের কর্মীরা। কী কারণে হাতিটির মৃত্যু হল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ধানখেতে হাতির মৃত্যু ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। বন দপ্তর সূত্রে পরবর্তী তদন্ত ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই হাতিটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[siliguri news]]></category>
            <category><![CDATA[Elephant dies]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b592307b-0206-4904-ae5d-648cea4311e2.webp" length="76294" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b592307b-0206-4904-ae5d-648cea4311e2.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b592307b-0206-4904-ae5d-648cea4311e2.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তার ছাড়াই চার্জ হবে ইলেকট্রিক বাস! ঘণ্টার পর ঘণ্টা চার্জিংয়ের সমস্যাও কমবে, সুইস প্রযুক্তিতে কী ভাবে চার্জ হবে জানেন?  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/wireless-charging-for-electric-bus-electric-buses-will-charge-without-cables-how-will-they-charge-using-swiss-technology-517120</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/wireless-charging-for-electric-bus-electric-buses-will-charge-without-cables-how-will-they-charge-using-swiss-technology-517120</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:10:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এবার সেই সমস্যার সমাধানে সুইজারল্যান্ডের স্বনামধন্য ইটিএইচ জুরিখ-এর স্পিন-অফ কোম্পানি, উইন্ডাকশন সংস্থা। তারা এবার বাজারে নিয়ে এসেছে একটি ওয়্যারলেস চার্জিং ব্যবস্থা। তাতে তার ছাড়াই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমের বাস চার্জ করা যাবে।]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph"><strong class="PlaygroundEditorTheme__textBold">আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>বৈদ্যুতিন যানের ব্যবহার ক্রমশ বাড়ছে। কিন্তু সমস্যা একটাই। চার্জ ফুরোলেই ফোনের মতোই চার্জে দিতে হয় এই বৈদ্যুতিন যানগুলিকে। সময় লাগত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হয় ইলেকট্রিক বাসগুলি। বিশেষ করে বাসগুলি চার্জ করার জন্য ভারী ও বড় আকারের তারের প্রয়োজন হত। এবার সেই সমস্যার সমাধানে সুইজারল্যান্ডের স্বনামধন্য ইটিএইচ জুরিখ-এর স্পিন-অফ কোম্পানি, উইন্ডাকশন সংস্থা। তারা এবার বাজারে নিয়ে এসেছে একটি ওয়্যারলেস চার্জিং ব্যবস্থা। তাতে তার ছাড়াই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমের বাস চার্জ করা যাবে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">জানা গিয়েছে, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তিটি বাসে যাত্রী ওঠানামার সঙ্গে সঙ্গেই সক্রিয় হয়ে ওঠে। যদি এই প্রযুক্তিটি জনগণের মধ্যে ব্যাপকভাবে গৃহীত হয়, তাহলে এই প্রযুক্তিই বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পারে। সাধারণত গাড়ি বা বাসকে কোনও তার ছাড়া চার্জ করার ক্ষেত্রে রাস্তায় লাগানো প্লেট ও গাড়ির মধ্যে বেশ কিছুটা দূরত্ব থাকে। এর ফলে দ্রুত চার্জ হয় গাড়িটি।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">এই সমস্যার সমাধানেই 'উইন্ডাকশন' সরাসরি বাসের টায়ারের ভেতরেই চার্জিং কয়েল বসিয়ে দেবে। এই অনন্য প্রযুক্তিই চার্জিং প্লেটকে গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যার ফলে তৈরি হয় একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ড। বাসটি প্লেটের উপর থামলেই টায়ারের ভেতরের কয়েলগুলি সরাসরি ব্যাটারি চার্জ করা শুরু করে দেয়। এই প্রযুক্তির ফলে বাসের চাকা বিদ্যুৎ পরিবাহী প্লেটের সংস্পর্শে থাকে। এর ফলে শক্তি অপচয় ১০%-এরও বেশি কমে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">সাধারণ টায়ারগুলিকে মজবুত করতে স্টিলের বেল্ট লাগাতে হবে। ফলে এগুলি ওয়্যারলেস প্রযুক্তির সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত নয়। সেই সমস্যা দূর করতে সংস্থাটি একটি নতুন ধরনের স্টিল-মুক্ত টায়ারও তৈরি করেছে। এই টায়ারগুলি লাগালেই বাসটিকে তার ছাড়াই চার্জ করা সম্ভব হবে। এছাড়াও, চলন্ত অবস্থায় চার্জ করার সুবিধা জন্য বাসগুলোতে ভারী ব্যাটারিও লাগাতে হয় না। পাশাপাশি, ছোট আকারের ব্যাটারি কেনার খরচ ও ওজন কমবে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">এই প্রযুক্তি জুরিখ এয়ারপোর্ট এবং জুরিখ ওয়েরলিকনের মধ্যে ২৪টি স্টপের একটি রুটে পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্রযুক্তি চালু করা হয়েছিল। গোটা যাত্রাপথে বাসটিকে মাত্র দু'বার চার্জ দিতে হয়েছিল। জানা গিয়েছে, দিনে ১৬ ঘণ্টা চললে বাসগুলিকে তিন ঘণ্টার ব্যবধানে চার্জ করতে হতে পারে। যার ফলে ডিপোতে গোটা রাত ধরে একটানা পাঁচ ঘণ্টা চার্জ দিতে হবে না। ফলে পাওয়ার গ্রিডের উপর চাপও কমবে। পাশাপাশি, খবর ২০২৮ সাল থেকেই এই প্রযুক্তিকে গণপরিবহনের ক্ষেত্রেও পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করা হতে পারে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Wireless Charging]]></category>
            <category><![CDATA[ETH Zurich]]></category>
            <category><![CDATA[Winduction]]></category>
            <category><![CDATA[Swiss Technology]]></category>
            <category><![CDATA[Electric Vehicle]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/9539bfab-2b2b-49a5-91df-7626f0fd0509.webp" length="79250" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/9539bfab-2b2b-49a5-91df-7626f0fd0509.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/9539bfab-2b2b-49a5-91df-7626f0fd0509.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['কোনও ট্রেন বাতিল হয়নি', ১০ অক্টোবর আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠতেই সুপ্রিম কোর্টে জানাল দিল্লি মেট্রো]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/delhi-metro-to-sc-no-trains-were-cancelled-delhi-metro-informed-the-supreme-court-on-october-10-following-allegations-of-contempt-of-court-517117</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/delhi-metro-to-sc-no-trains-were-cancelled-delhi-metro-informed-the-supreme-court-on-october-10-following-allegations-of-contempt-of-court-517117</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 18:01:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মেট্রো কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর প্রায় ৩২ লক্ষ যাত্রী মেট্রোয় যাতায়াত করেন। অথচ মাসের দ্বিতীয় শনিবার, যা সাধারণত সরকারি ছুটির দিন, সেই সংখ্যাটা থাকে প্রায় ৫৮ লক্ষ।]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> গত ১০ অক্টোবর বিরোধী দল এবং 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র ডাকা বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বেশ কিছু স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হলেও, দিল্লির মেট্রো পরিষেবায় কোনও কাটছাঁট বা বাতিলের ঘটনা ঘটেনি। সুপ্রিম কোর্টে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল দিল্লি মেট্রো (ডিএমআরসি) কর্তৃপক্ষ।</p>&#13;
<p>সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া জবাবে ডিএমআরসি জানিয়েছে, মেট্রো পরিষেবার সামগ্রিক পরিধি বা ট্রেনের ট্রিপের সংখ্যায় বিন্দুমাত্র কম হয়নি। পুরো মেট্রো নেটওয়ার্কটি ৩০৩টি স্টেশন নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে মাত্র ৫৭টি স্টেশনে প্রবেশ ও প্রস্থান বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন জানিয়েছে।</p>&#13;
<p>১০ অক্টোবর পরিষেবাতে ২৭১টি ট্রেন নামানো হয়েছিল এবং তা কঠোরভাবে শনিবারের নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই চালানো হয়েছিল। এছাড়াও বলা হয়েছে যে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী পুরো নেটওয়ার্ক জুড়ে মোট ৪,১৫৭টি ট্রেনের ট্রিপ সম্পন্ন হয়েছিল।</p>&#13;
<p>ডিএমআরসি-র চেয়ারপার্সনের দাখিল করা জবাবে বলা হয়েছে, স্টেশনগুলোর ওপর বিধিনিষেধ ছিল খুবই সামান্য, মেট্রো নেটওয়ার্কের ৮৫ শতাংশই খোলা ছিল। ৪৫টি স্টেশনের মধ্যে ১৪টিতে এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার (ইন্টারচেঞ্জ) সুবিধা নিরবচ্ছিন্ন ছিল এবং কোনও স্টেশন বন্ধ থাকলে যাত্রীদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থাও ছিল।</p>&#13;
<p>হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, 'যেসব স্টেশনে যাত্রীদের প্রবেশ-প্রস্থান সীমিত করা হয়েছিল, সেসব ক্ষেত্রে যাত্রীদের অসুবিধা কমাতে অন্যান্য মেট্রো স্টেশন খোলা রাখা হয়েছিল... আদালতের হস্তক্ষেপের পরই প্রভাবিত স্টেশনগুলোর সংখ্যা পুনর্বিবেচনা করে কমানো হয়েছিল।'</p>&#13;
<p>৯ অক্টোবর জারি করা সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত ৪৫টি স্টেশন ছাড়া পুরো মেট্রো নেটওয়ার্কই পুরোপুরি সচল ছিল। ওই দিন প্রায় ৩২ লক্ষ যাত্রী মেট্রোতে যাতায়াত করেছিলেন। উল্লেখ্য, সাধারণত কোনও সরকারি ছুটির দিনের 'দ্বিতীয় শনিবারে' যাত্রীসংখ্যা থাকে প্রায় ৫৮ লক্ষ।</p>&#13;
<p>যাত্রীসংখ্যা কম হওয়ার কারণ হিসেবে বিক্ষোভের প্রভাবকে দায়ী করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিক্ষোভের কারণেই যাত্রীরা যাতায়াত থেকে বিরত ছিলেন। দিল্লি পুলিশের অনুরোধে ডিএমআরসি জাতীয় রাজধানী জুড়ে ৪৫টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ করে দিয়েছিল। পুলিশ "সংবেদনশীল এলাকাগুলোর দিকে বিশৃঙ্খল জনস্রোত এগিয়ে আসার" আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিল।</p>&#13;
<p>দিল্লি মেট্রো ছাড়াও, সরাই কালে খান ও নিউ অশোক নগরের 'নামো ভারত' মেট্রো স্টেশনগুলোও রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছিল।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[CJP Protest]]></category>
            <category><![CDATA[delhi metro]]></category>
            <category><![CDATA[INDIA Bloc Protest]]></category>
            <category><![CDATA[Anti Gyanesh Kumar Protest]]></category>
            <category><![CDATA[Delhi Metro To Supreme Court]]></category>
            <category><![CDATA[Supreme court]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/1216f3b1-8888-433b-9832-5513b1b04103.webp" length="107852" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/1216f3b1-8888-433b-9832-5513b1b04103.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/1216f3b1-8888-433b-9832-5513b1b04103.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ভারতীয় বোলিং নখদাঁতহীন? কী বললেন ভারতের প্রাক্তন বোলিং কোচ?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/indian-bowling-attack-toothless-former-bowling-coach-makes-stance-clear-517116</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/indian-bowling-attack-toothless-former-bowling-coach-makes-stance-clear-517116</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:55:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরার অনুপস্থিতিতে এই বোলিং ইউনিট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার উপযুক্ত কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কিন্তু সমালোচকদের সঙ্গে একমত নন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন বোলিং কোচ ভরত অরুণ। আগের ম্যাচের উদাহরণ টেনে জানান, ২২৩ রান ডিফেন্ড করেছে বোলাররা। ]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-২০ তে ভারতীয় বোলারদের নির্বিষ বোলিংয়ের ফলে বিশাল রান করেও হারতে হয়েছে। সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। অনেকেই এই বোলিংকে নখদাঁতহীন অ্যাখ্যা দেয়। ২৫০ রান করেও জিততে না পারা টিম ইন্ডিয়ার জন্য একপ্রকার ওয়েক আপ কল। তারকা পেসার যশপ্রীত বুমরার অনুপস্থিতিতে এই বোলিং ইউনিট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার উপযুক্ত কিনা সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কিন্তু সমালোচকদের সঙ্গে একমত নন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন বোলিং কোচ ভরত অরুণ। আগের ম্যাচের উদাহরণ টেনে জানান, ২২৩ রান ডিফেন্ড করেছে বোলাররা।&nbsp;</p>&#13;
<p>ভরত অরুণ বলেন, 'অনেকেই বলছে ভারতীয় বোলিং নখদাঁতহীন। আমার মনে হয়, এটা ঠিক বলছে না। কারণ শেষ ম্যাচেই ২২৩ রান ডিফেন্ড করেছে। মানছি আগের কয়েকটা ম্যাচে বড় রান করেও হারতে হয়েছে। কিন্তু আগের ম্যাচে বোলাররা ভাল বল করেছে। কখনও ব্যর্থ হতেই পারে।' ভারতে এমন বোলার নেই যারা বল সুইং করতে পারে, এমন দাবি মানতে নারাজ ভরত অরুণ। দাবি, এমন প্রতিভাদের চিহ্নিত করতে হবে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। অরুণ বলেন, 'আমি এটা মানতে নারাজ। আমার মতে, ভারতে প্রচুর তরুণ বোলার আছে যারা বল সুইং করাতে পারে। এই বোলারদের চিহ্নিত করতে হবে নির্বাচক এবং টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, দেশে যথাযথ সুইং বোলার আছে কিনা? যারা বল সুইং করতে পারে? আমি বলব আছে। ভারতে এমন অনেক বোলার আছে, যারা বল সুইং করাতে পারে।'&nbsp;</p>&#13;
<p>আগের দিন ম্যাচের পর বোলারদের প্রশংসা করেন শ্রেয়স। জানান, তাঁদের ভাবনায় অনেক বেশি স্বচ্ছতা ছিল। শ্রেয়স বলেন, 'বোলাররা আত্মবিশ্বাসী ছিল। স্বচ্ছ ধরনা ছিল। সেটাই কাজে লাগিয়েছে। আমি যখনই যাকে বল দিয়েছি, সে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছে। আমরা সেটাই চাই।' বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে চতুর্থ টি-২০ ম্যাচ ভারতের।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[india vs west indies]]></category>
            <category><![CDATA[shreyas iyer]]></category>
            <category><![CDATA[bharat arun]]></category>
            <category><![CDATA[Team India]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/455377e7-ffb6-4e9f-a36f-e491f550a6d4.webp" length="82024" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/455377e7-ffb6-4e9f-a36f-e491f550a6d4.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/455377e7-ffb6-4e9f-a36f-e491f550a6d4.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বারবার পুলিশি অভিযানেও বন্ধ হয়নি কারবার! দাঁতনে ড্রোন উড়িয়ে উদ্ধার ১০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/police-recover-100-kg-of-banned-firecrackers-in-west-bengal-s-dantan-517114</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/police-recover-100-kg-of-banned-firecrackers-in-west-bengal-s-dantan-517114</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:53:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[শুধু পুলিশ বাহিনী নিয়ে তল্লাশি নয়, আকাশে ড্রোন উড়িয়েও চলল নজরদারি। অভিযানে উদ্ধার হল প্রায় এক কুইন্টাল নিষিদ্ধ শব্দবাজি।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>একবার নয়, একাধিকবার পুলিশের অভিযান। তারপর আড়ালে চলছিল নিষিদ্ধ শব্দবাজি তৈরির কারবার। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানার তুরকা গ্রামে ফের বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধারের ঘটনায় উঠছে সেই প্রশ্ন। এবার শুধু পুলিশ বাহিনী নিয়ে তল্লাশি নয়, আকাশে ড্রোন উড়িয়েও চলল নজরদারি। অভিযানে উদ্ধার হল প্রায় এক কুইন্টাল নিষিদ্ধ শব্দবাজি।</p>&#13;
<p><br>পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দাঁতনের তুরকা গ্রামে নিষিদ্ধ শব্দবাজি তৈরির অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও ওই এলাকায় একাধিকবার তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। কিন্তু তাতেও যে বেআইনি কারবার পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, সাম্প্রতিক অভিযানের পর ফের সেই আশঙ্কাই সামনে এসেছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;সম্প্রতি পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, তুরকা গ্রামে নতুন করে নিষিদ্ধ শব্দবাজি তৈরি করা হচ্ছে। খবর পেয়েই অভিযানের পরিকল্পনা করে পুলিশ। বেলদার এসডিপিও আনন্দ মণ্ডলের নেতৃত্বে এবং দাঁতন থানার আইসি সুবীর মাঝির তত্ত্বাবধানে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় অভিযান চালায়।</p>&#13;
<p><br>এবারের অভিযানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতে। গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ড্রোন উড়িয়ে আকাশপথে নজরদারি চালানো হয়। পাশাপাশি চলে পুলিশের তল্লাশি। সেই অভিযানেই উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজি। উদ্ধার হওয়া বাজির আনুমানিক ওজন প্রায় ১০০ কিলোগ্রাম বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এতবার পুলিশি অভিযান চালানোর পরেও কীভাবে নতুন করে নিষিদ্ধ শব্দবাজি তৈরির অভিযোগ উঠছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশের নজর এড়িয়ে কি ফের সক্রিয় হয়ে উঠছে বেআইনি বাজি তৈরির চক্র? নাকি পুরনো কারবারই অন্য ভাবে চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে? এই প্রশ্নগুলিই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকায়।</p>&#13;
<p><br>নিষিদ্ধ শব্দবাজি তৈরি ও মজুতের ঘটনায় শুধু আইনভঙ্গের অভিযোগই নয়, বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িয়ে রয়েছে। বিপুল পরিমাণ বাজি মজুত থাকলে যে কোনও অসতর্কতায় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। ফের প্রায় এক কুইন্টাল নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধারের ঘটনায় তাই পুলিশের অভিযান যেমন তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনই প্রশ্ন উঠছে বেআইনি কারবারের স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া নিয়েও। তুরকা গ্রামে ধারাবাহিক অভিযানের পর এবার নিষিদ্ধ শব্দবাজির কারবারে কতটা রাশ টানা সম্ভব হয়, সেটাই দেখার।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[firecrackers]]></category>
            <category><![CDATA[Police Recover]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6733c425-02df-43a7-85b1-937992cffbfe.webp" length="64314" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6733c425-02df-43a7-85b1-937992cffbfe.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6733c425-02df-43a7-85b1-937992cffbfe.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বাড়িতেই লোক ঠকানোর বিরাট কাণ্ড ঘটাচ্ছিল স্বামী-স্ত্রী, আচমকা পুলিশ হানা দিতেই সব ফাঁস! এতদিন বোকা বনছিল গোয়ালপোখরের মানুষ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/huge-amount-of-fake-lottery-found-in-north-dinajpur-one-arrested-517113</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/huge-amount-of-fake-lottery-found-in-north-dinajpur-one-arrested-517113</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:53:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরেতে জাল লটারির কারবারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম অমিত পোদ্দার। তাঁর বাড়ি পাঞ্জিপাড়া এলাকায়। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখরেতে জাল লটারির কারবারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতের নাম অমিত পোদ্দার। তাঁর বাড়ি পাঞ্জিপাড়া এলাকায়। পুলিশি অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের জাল লটারি উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। যদিও অমিতের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তাঁর স্ত্রী। তাঁর দাবি, ষড়যন্ত্র করে তাঁর স্বামীকে এই ঘটনায় জড়ানো হয়েছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে গোপন সূত্রে জাল লটারি মজুত রাখার খবর আসে। এরপর ইসলামপুর পুলিশ জেলার অ্যান্টি ক্রাইম শাখা এবং পাঞ্জিপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ যৌথভাবে অমিতের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকেই বিপুল পরিমাণ লটারি উদ্ধার করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার তাঁকে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এত বিপুল পরিমাণ লটারি কোথা থেকে এল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। এর পিছনে কোনও সংগঠিত চক্র রয়েছে কি না, লটারিগুলি কোথায় সরবরাহ করার পরিকল্পনা ছিল এবং এই কারবারে আরও কেউ যুক্ত রয়েছেন কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, ধৃতের স্ত্রীর বক্তব্য, তাঁর স্বামী নির্দোষ এবং তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর দাবি, এক টোটোচালক টিকিটের দু&rsquo;টি কার্টন তাঁদের বাড়িতে রেখে চলে যান। ওই ঘটনার সঙ্গে তাঁর স্বামীর কোনও যোগ নেই বলেই দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি, অমিতের একটি নিজস্ব লটারি এজেন্সি রয়েছে এবং তিনি সরকারি অনুমোদিত লটারি বিক্রি করেন বলেও জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশের তদন্তে উদ্ধার হওয়া লটারির উৎস এবং তার সঙ্গে ধৃতের যোগসূত্র সম্পর্কে কী তথ্য উঠে আসে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[arrest]]></category>
            <category><![CDATA[Fake Lottery]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal crime news]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/86ee9d48-c656-4e42-b308-3e629874eed0.webp" length="124570" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/86ee9d48-c656-4e42-b308-3e629874eed0.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/86ee9d48-c656-4e42-b308-3e629874eed0.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ভুলেও করবেন না এই কাজ! এক্সটেনশন বোর্ড থেকেই ঘটে যেতে পারে বড় দুর্ঘটনা ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/how-to-use-extention-board-for-an-electric-iron-and-room-heaters-517115</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/how-to-use-extention-board-for-an-electric-iron-and-room-heaters-517115</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[একটাই এক্সটেনশন বোর্ডে হিটার এবং ইলেকট্রিক আয়রনের প্ল্যাগ লাগিয়ে রাখার প্রবণতা থাকে অনেকের। যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে গোটা যেতে পারে বড়সড় কোন দুর্ঘটনা। তাই আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করে এই ধরনের অভ্যাস থেকে বিরত থাকাই ভালো।]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত আমরা সকলেই কমবেশি বৈদ্যুতিক যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল। গরমকালে এসি হোক কিংবা শীতকালে রুম হিটার সবই বিদ্যুৎ নির্ভর। সামনেই আছে শীতকাল আর শীতকালে শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচার জন্য অনেকেই রুম হিটার ব্যবহার করেন। তাছাড়া জামা কাপড় আর ইস্ত্রি করার জন্য ইলেকট্রিক আয়রন তো রোজকার জীবনের অঙ্গ। তবে এই সমস্ত ছোটখাটো জিনিস থেকেই অসাবধানতার অসাবধানতার কারণে অনেক সময় বড়সড় বিপদ নেমে আসতে পারে।</p>&#13;
<p><br>দিনভর ক্লান্তির পর একবার বিছানায় গা এলিয়ে দিলে আলসেমি চেপে ধরে কম বেশী সবাইকেই। বিশেষ করে শীতের দিনে আলসেমিটা একটু বেশিই হয়। তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় একটাই এক্সটেনশন বোর্ডে হিটার এবং ইলেকট্রিক আয়রনের প্ল্যাগ লাগিয়ে রাখার প্রবণতা। যার ফলে মুহূর্তের মধ্যে গোটা যেতে পারে বড়সড় কোন দুর্ঘটনা। তাই আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করে এই ধরনের অভ্যাস থেকে বিরত থাকাই ভালো।</p>&#13;
<p><br><strong>একসঙ্গে হিটার এবং ইস্ত্রি চালানো উচিত নয় কেন?</strong></p>&#13;
<p>হিটার এবং ইলেকট্রিক আয়রন, উভয় ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকেই ব্যাপক পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হয়ে থাকে। সাধারণত একটি হিটার প্রায় ১০০০ থেকে ২০০০ ওয়াট এবং একটি ইস্ত্রি প্রায় ১০০০ থেকে ১৫০০ ওয়াট খরচ হয়। কিন্তু সাধারণ এক্সটেনশন বোর্ডগুলি বিদ্যুৎ বহন করার ক্ষমতা সীমিত হয়ে থাকে। যা প্রায় ৫০০ থেকে ১৫০০ ওয়াটের কাছাকাছি হয়ে থাকে।</p>&#13;
<p>তাই একসঙ্গে এই দুটি যন্ত্র ব্যবহার করতে গেলে এক্সটেনশন বোর্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়তে পারে। এর ফলে প্ল্যাগ অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে। এমনকি অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়ার ফলে তারের আবরণ গলে গিয়ে শর্ট সার্কিট কিংবা আগুন লাগার মতো দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>কীভাবে সর্তকতা অবলম্বন করবেন?</strong></p>&#13;
<p>আগে থেকেই দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য বেশ কিছু বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রথমত হিটার, ইস্ত্রি, গিজার বা ইন্ডাকশনের মতো যে সমস্ত বৈদ্যুতিক যন্ত্র থেকে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয় সেগুলি উপযুক্ত ক্ষমতাসম্পন্ন দেওয়ালের সকেটে &nbsp;লাগান। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে যাতে একই এক্সটেনশন বোর্ডে একাধিক যন্ত্র যাতে না লাগানো হয়।</p>&#13;
<p>দ্বিতীয়ত, যদি নিয়মিত এক্সটেনশন বোর্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় তাহলে দোকান থেকে কেনার সময় সেটির ওয়াট ও অ্যাম্পিয়ারের ক্ষমতা যাচাই করে কিনুন। শুধু বেশি সকেট থাকলেই বোর্ডটি বেশি বিদ্যুৎ বহন করতে পারবে, এমনটা নয়।</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt">https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=krnRrCB20nqguKbt</a></p>&#13;
<p>তৃতীয়ত, বোর্ড বা তার গরম হয়ে গেলে, পোড়া গন্ধ বের হলে কিংবা বৈদ্যুতিক শিখা দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিন। প্রয়োজনে ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে তাকে দেখান।</p>&#13;
<p>আর বিপদ এড়ানোর জন্য এ ধরনের এক্সটেনশন বোর্ড থেকে যাতে কম বিদ্যুৎ খরচ হয় তার জন্য মোবাইল চার্জার বা কম বিদ্যুৎ খরচ করা যন্ত্রের ব্যবহার করাই ভাল।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[accident]]></category>
            <category><![CDATA[lifestyle]]></category>
            <category><![CDATA[Extension Board]]></category>
            <category><![CDATA[Room Heaters]]></category>
            <category><![CDATA[Electric Products]]></category>
            <category><![CDATA[iron]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/1e71344c-1091-4332-b4d3-15053a7deb5a.webp" length="31666" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/1e71344c-1091-4332-b4d3-15053a7deb5a.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/1e71344c-1091-4332-b4d3-15053a7deb5a.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কড়া নিরাপত্তায় মোড়া আবাসন, পুজোর আগে একাধিক ফ্ল্যাট থেকে সোনা-রুপো-টাকা পয়সা সব লুট! আতঙ্কে গোটা এলাকা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/gold-biscuits-silver-huge-amount-of-cash-stolen-from-two-locked-noida-flats-517111</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/gold-biscuits-silver-huge-amount-of-cash-stolen-from-two-locked-noida-flats-517111</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:47:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে পুজোর আগে ভয়াবহ চুরির ঘটনা। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে দু'টি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ২ কোটি টাকার মূল্যমান সামগ্রী চুরি করে পালাল চোর।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে পুজোর আগে ভয়াবহ চুরির ঘটনা। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে দু'টি ফ্ল্যাট থেকে প্রায় ২ কোটি টাকার মূল্যমান সামগ্রী চুরি করে পালাল চোর। দামি সোনা, রুপোর গয়না, বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা চুরির অভিযোগ দায়ের হয়েছে থানায়। যে ঘটনায় উত্তাল গোটা শহর।&nbsp;</p>&#13;
<p>সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে নয়ডায়। পুলিশ জানিয়েছে, নয়ডা হাউজিং সোসাইটির দু'টি ফ্ল্যাট বন্ধ ছিল। সেই বন্ধ ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভয়াবহ চুরির ঘটনাটি ঘটেছে। দু'টি ফ্ল্যাট থেকে বিপুল পরিমাণ সোনার বিস্কুট, রুপোর গয়না ও নগদ ২ কোটি টাকা চুরি করে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘিরে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>জানা গিয়েছে, চুরির ঘটনার সময় একজন ফ্ল্যাটের মালিক আমেরিকায় ছিলেন। আরেকটি ফ্ল্যাটের মালিক পানিপথে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। নীতিন জৈন নামের একজন ফ্ল্যাটের মালিক জানিয়েছেন, চুরির ঘটনাটি ঘটেছে রাত দুটো থেকে আড়াইটের মধ্যে। প্রতিবেশীদের থেকেই প্রথমে তিনি চুরির বিষয়টি জানতে পারেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশকে নীতিন জানিয়েছেন, তাঁর ঘর থেকেই সোনা ও রুপোর গয়না এবং বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা নিয়ে পালিয়েছে চোর। ঘরের দরজা ভেঙেই এই চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>কী কী জিনিস চুরি গিয়েছে? পুলিশ জানিয়েছে, ৪৫ গ্রাম ওজনের সোনার হার, চারটি সোনার বালা, দুটি সোনার ব্রেসলেট, চার জোড়া সোনার কানের দুল, চারটি সোনার আংটি, একটি সোনার চেন, একটি সোনার মঙ্গলসূত্র এবং দুটি সোনার পেনডেন্ট। পাশাপাশি ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার বিস্কুট, সোনার কয়েন, ২ কিলোগ্রাম রুপোর গয়না, নগদ এক লক্ষ টাকা চুরি গিয়েছে সেদিন। মোট এক কোটি ৫ লক্ষ টাকার জিনিস চুরি গিয়েছে একটি ফ্ল্যাট থেকে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশ জানিয়েছে, ঠিক পাশের ফ্ল্যাট থেকেও প্রায় এক কোটি টাকার সোনা, রুপোর গয়না চুরি হয়েছে। আবাসনের ও আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Noida Flat Robbery]]></category>
            <category><![CDATA[Cash Stolen]]></category>
            <category><![CDATA[gold biscuits]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/8a66f6b7-12e8-473f-89a1-99457c7bb7d0.webp" length="41846" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/8a66f6b7-12e8-473f-89a1-99457c7bb7d0.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/8a66f6b7-12e8-473f-89a1-99457c7bb7d0.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দ্বিতীয় বর্ষেও সাফল্যের সঙ্গে আয়োজিত হল আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম, উদ্যোগে টেকনো ইন্টারন্যাশনাল নিউটাউনের সিএসই বিভাগ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/campus-and-career/isicva-2026-the-international-symposium-was-successfully-organized-for-the-second-year-initiated-by-the-cse-department-of-techno-international-newtown-517108</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/campus-and-career/isicva-2026-the-international-symposium-was-successfully-organized-for-the-second-year-initiated-by-the-cse-department-of-techno-international-newtown-517108</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:40:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[গত বছরের প্রথম সংস্করণের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ বছরও টেকনো ইন্টারন্যাশনাল নিউটাউনের (TINT) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের উদ্যোগে সফলভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম (ISICVA 2026)।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>গত বছরের প্রথম সংস্করণের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ বছরও টেকনো ইন্টারন্যাশনাল নিউটাউনের (TINT) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের উদ্যোগে সফলভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠিত হল আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম (ISICVA 2026)। কম্পিউটার ভিশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী গবেষণাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামে দেশ-বিদেশের গবেষক, শিক্ষাবিদ, প্রযুক্তিবিদ এবংও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। আধুনিক প্রযুক্তির অগ্রগতি, গবেষণার নতুন সম্ভাবনা এবং বাস্তবক্ষেত্রে তার প্রয়োগ নিয়ে মত বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে ওঠে এই সম্মেলন।</p>&#13;
<p>১২ অক্টোবর &lsquo;VisionSphere 2026&rsquo;-এর মাধ্যমে এই আয়োজনের সূচনা হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি হাতেকলমে প্রযুক্তিগত কর্মশালার আয়োজন করা হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে সরাসরি জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পান। কর্মশালার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ইবিজি ফাউন্ডেশনের ডিরেক্টর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ই. বালাগুরুস্বামীর বক্তব্য। তাঁর বক্তব্যে প্রযুক্তিগত শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা এবংও গবেষণার গুরুত্ব বিশেষভাবে উঠে আসে।</p>&#13;
<p>১৩ অক্টোবর এই আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টেকনো ইন্টারন্যাশনাল নিউটাউনের অধ্যক্ষ তথা সম্মেলনের জেনারেল চেয়ার অধ্যাপক অয়ন চক্রবর্তী, সিএসই বিভাগের প্রধান তথা জেনারেল চেয়ার অধ্যাপক স্বাগত পল, ডেপুটি রেজিস্ট্রার অধ্যাপক সোমা চট্টোপাধ্যায়, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের বিশিষ্ট আধিকারিক অধ্যাপক অরিন্দম রায় ও শিক্ষাবিদরা ও দেশ-বিদেশের আমন্ত্রিত অতিথিরা।</p>&#13;
<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক ই. বালাগুরুস্বামী তাঁর বক্তব্যে প্রযুক্তি ও শিক্ষাক্ষেত্রে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা, গবেষণার উৎকর্ষ এবংও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের দক্ষতা বিকাশের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সম্মেলনের প্রথম দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদদের বক্তৃতা। সার্বিয়ার সিঙ্গিডুনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মিলান টুবা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব প্রিটোরিয়ার অধ্যাপক টিমোথি আদেলিই তাঁদের বক্তব্যে কম্পিউটার ভিশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এছাড়াও, আইআইটি খড়গপুরের অধ্যাপক রজত শুভ্র চক্রবর্তী কম্পিউটার ভিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির গবেষণামূলক সম্ভাবনা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল বক্তৃতা প্রদান করেন।</p>&#13;
<p>সম্মেলনে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি তার নৈতিক, সামাজিক এবংও ব্যবহারিক চ্যালেঞ্জগুলিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই উদ্দেশ্যে আয়োজিত হয় দু&rsquo;টি গুরুত্বপূর্ণ প্যানেল আলোচনা। প্রথম প্যানেল আলোচনার বিষয় ছিল &lsquo;Privacy-Preserving Computer Vision&rsquo;। আলোচনায় অংশ নেন ভিজিল্যান্স অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স রিসার্চ সেন্টার (VECC)-এর ড. তাপস সামন্ত, সম্রাট চৌধুরী এবং চিকিৎসক ড. অনিরুদ্ধ সরকার। কম্পিউটার ভিশন প্রযুক্তিতে ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, চিকিৎসা-সংক্রান্ত চিত্রের গোপনীয়তা, তথ্যের নিরাপদ ব্যবহার এবংও দায়িত্বশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>&#13;
<p>দ্বিতীয় প্যানেল আলোচনার বিষয় ছিল &lsquo;Human&ndash;AI Co-Creation: Redefining Creativity Through Computer Vision&rsquo;। এই আলোচনায় অংশ নেন পাবলিকেশনের সুকল্প চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক শুভজিৎ দাস এবং বিশিষ্ট বাংলা ঔপন্যাসিক সায়ন্তন ঠাকুর। অধ্যাপক নীলাঞ্জন দে আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সৃজনশীলতার পরিবর্তিত ধারণা, মানব ও এআই-এর যৌথ সৃষ্টির সম্ভাবনা, মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট, মৌলিকতা, সাহিত্য ও সংবাদমাধ্যমে এআই-এর ব্যবহার, চৌর্যবৃত্তি এবংও ভুয়ো তথ্যের বিস্তার নিয়ে হওয়া আলোচনা বিশেষ তাৎপর্য লাভ করে। প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার পারস্পরিক সম্পর্ক এবংও দায়িত্বশীল এআই-এর ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা এই আলোচনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।</p>&#13;
<p>সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল গবেষণাপত্র উপস্থাপনা পর্ব। বিভিন্ন প্রযুক্তিগত অধিবেশনে দেশ-বিদেশের গবেষক ও শিক্ষাবিদরা তাঁদের গবেষণার ফলাফল, উদ্ভাবনী পদ্ধতি এবংও বাস্তবক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য ধারণা উপস্থাপন করেন। কম্পিউটার ভিশনের উদ্ভাবন, বুদ্ধিদীপ্ত ভিশন সিস্টেম, কম্পিউটার ভিশনের বিভিন্ন প্রয়োগ এবং স্মার্ট ভিশন অ্যাপ্লিকেশন&mdash; এই চারটি প্রধান গবেষণাক্ষেত্রকে কেন্দ্র করে সম্মেলনে আলোচনা ও জ্ঞান বিনিময় হয়।</p>&#13;
<p>এ বছরের সম্মেলনে গবেষকদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য সাড়া পাওয়া গিয়েছে। মোট ৩৭৬টি গবেষণাপত্র জমা পড়েছে। ১৫টি দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে সম্মেলনটি আন্তর্জাতিক মাত্রা লাভ করেছে। কঠোর পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মাত্র ৬৪টি গবেষণাপত্র নির্বাচিত হয়। গৃহীত ও উপস্থাপিত গবেষণাপত্রগুলি Springer-এর &lsquo;Lecture Notes in Networks and Systems (LNNS)&rsquo; সিরিজে প্রকাশের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। যা Scopus সূচিভুক্ত। এর ফলে নির্বাচিত গবেষকরা আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিসরে নিজেদের কাজ তুলে ধরার সুযোগ পাবেন।</p>&#13;
<p>গত বছরের প্রথম সংস্করণের সাফল্যের ভিত্তিতে ISICVA 2026-এর এই আয়োজন টেকনো ইন্টারন্যাশনাল নিউ টাউনের সিএসই বিভাগের গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করেছে। কম্পিউটার ভিশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবংও শিল্পক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সংযোগ স্থাপন, নতুন ধারণার বিকাশ এবং দায়িত্বশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রসারে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দ্বিতীয় বর্ষেও এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সফল আয়োজনের মাধ্যমে TINT-এর CSE বিভাগ গবেষণামুখী শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের প্রসারে নিজেদের ধারাবাহিক উদ্যোগের প্রচেষ্টার পরিচয় দিয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ISICVA 2026]]></category>
            <category><![CDATA[tint]]></category>
            <category><![CDATA[cse]]></category>
            <category><![CDATA[techno international newtown]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/53f267e5-5903-488f-8f18-a71592e27970.webp" length="86538" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/53f267e5-5903-488f-8f18-a71592e27970.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/53f267e5-5903-488f-8f18-a71592e27970.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফ্লাইদুবাই কাণ্ডের জের, ইজরায়েলগামী বিমানে পাক পাইলটদের নিষিদ্ধ করল এয়ার ফ্রান্স, তালিকায় যোগ দেবে অন্য বিমানসংস্থাও? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/air-france-bans-pakistani-pilots-air-france-bans-pakistani-pilots-from-israel-flights-following-the-flydubai-incident-517106</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/air-france-bans-pakistani-pilots-air-france-bans-pakistani-pilots-from-israel-flights-following-the-flydubai-incident-517106</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:22:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ইজরায়েলগামী বিমানে পাকিস্তান-সহ বিশ্বের ২৯টি দেশের পাইলট ও কেবিন ক্রুদের বিমান পরিচালনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল এয়ার ফ্রান্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এবং স্মার্টউইংসের মতো আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলি।]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph"><strong class="PlaygroundEditorTheme__textBold">আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ইজরায়েলগামী বিমানে পাকিস্তান-সহ বিশ্বের ২৯টি দেশের পাইলট ও কেবিন ক্রুদের বিমান পরিচালনার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল এয়ার ফ্রান্স, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এবং স্মার্টউইংসের মতো আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলি। ফ্লাইদুবাইয়ে সাম্প্রতিক বিমান হামলার পরই বিমানসংস্থার উপর এ বিষয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাই যে সমস্ত দেশের সঙ্গে ইজরায়েলের কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, সেই দেশগুলির নাগরিক সুরক্ষার স্বার্থে এই বিধিনিষেধ মেনে চলতে বাধ্য করা হচ্ছে বিমানসংস্থাকে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওমানের এক সহ-পাইলট দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাই বিমানে হামলার চেষ্টা চালান। ওই ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তার কড়াকড়ি শুরু করে ইজরায়েলের পরিবহণ মন্ত্রক। ১ অক্টোবর জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইজরায়েলের নাগরিক নন, ইজরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কহীন দেশের নাগরিক বা ইজরায়েল -সহ অন্য দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা কোনও কর্মীই একমাত্র ইজরায়েলগামী বিমানে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">ঘটনার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড়সড় প্রভাব পড়েছে। মঙ্গলবার ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের একটি বিমান আদ্দিস আবাবা থেকে তেল আবিবের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর সেটিকে মাঝপথ থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। কারণ, বিমানটিতে একজন ইন্দোনেশীয় পাইলট কর্মরত ছিলেন। পরে পাইলট বদলে বিমানটি আবার তেল আবিবের উদ্দেশ্যে উড়ে যায়।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">নতুন নিয়ম কার্যকর করতে শিকাগোভিত্তিক ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স তাদের কর্মীদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে যে ২৯টি দেশের নাগরিকদের নিষিদ্ধ বা বিধিনিষেধের তালিকায় রাখা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, ইন্দোনেশিয়া, উত্তর কোরিয়া এবং ভেনিজুয়েলা। এয়ার ফ্রান্স তাদের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে, তাঁদের কোনও দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে তা অবশ্যই সংস্থাকে জানাতে হবে, তা না হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হতে পারে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">যদিও ফ্রান্সের কিছু বিমান ইউনিয়ন এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করে এটিকে 'জাতীয়তার ভিত্তিতে বৈষম্য' বলে অভিহিত করেছে। তবে এয়ার সংস্থাগুলি জানিয়েছে যে তারা যে দেশে পরিষেবা দেয়, সেই দেশে প্রবেশের নিয়ম বা সুরক্ষানীতি মেনে চলতে তারা বাধ্য।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">বিশেষজ্ঞদের মতে, ওমানি পাইলটের সেই ঘটনার পর ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা 'শিন বেট' ও বিমান মন্ত্রক এখন থেকে প্রতিটি বিমানের কর্মীদের জাতীয়তা কড়া নজরদারিতে রাখছে। ফলে আগামী দিনে আরও অনেক আন্তর্জাতিক বিমানসংস্থা পাকিস্তান-সহ এই দেশগুলির কর্মীদের ইজরায়েলগামী রুটে ডিউটি থেকে বাদ রাখতে পারে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Omani Pilot]]></category>
            <category><![CDATA[israel]]></category>
            <category><![CDATA[Flydubai Incident]]></category>
            <category><![CDATA[Pakistani Pilot]]></category>
            <category><![CDATA[air france]]></category>
            <category><![CDATA[tel aviv]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/f1c4ac13-1ed4-463e-8712-904794ea638a.webp" length="49012" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/f1c4ac13-1ed4-463e-8712-904794ea638a.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/f1c4ac13-1ed4-463e-8712-904794ea638a.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আর কয়েক দিনের অপেক্ষা, দেশের বৃহত্তম আইপিও আনছে মুকেশ আম্বানির জিও, ৩৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/mukesh-ambani-s-jio-platforms-may-launch-its-ipo-on-october-21-517105</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/mukesh-ambani-s-jio-platforms-may-launch-its-ipo-on-october-21-517105</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:06:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভারতীয় বিলিয়নিয়ার মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্সের জিও প্ল্যাটফর্মস আগামী ২১ অক্টোবর তাদের ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও) চালু করার পরিকল্পনা করছে।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ভারতীয় বিলিয়নিয়ার মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্সের জিও প্ল্যাটফর্মস আগামী ২১ অক্টোবর তাদের ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (আইপিও) চালু করার পরিকল্পনা করছে। এটি ভারতের শেয়ার বাজারে সবচেয়ে বড় আইপিও হতে চলেছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র জানিয়েছে, এই আইপিও-র মাধ্যমে জিও প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা) সংগ্রহ করতে চাইছে। শেয়ারগুলি ২৮ অক্টোবর শেয়ার বাজের তালিকাভুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>এতদিন পর্যন্ত ভারতের সবচেয়ে বড় আইপিও ছিল হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়ার। ২০২৪ সালে আইপিও-র মাধ্যমে সংস্থাটি ২.৯ বিলিয়ন ডলারে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছিল। অন্যদিকে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ অফ ইন্ডিয়া (এনএসইআই) গত মাসে ২.৩ বিলিয়ন ডলারের আইপিও-র পর বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে।</p>&#13;
<p>গত সপ্তাহে রয়টার্স জানিয়েছিল যে, জিও প্ল্যাটফর্মস প্রায় ১০৬ বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়ন এবং শেয়ার প্রতি ১,০৬৫ থেকে ১,১১৯ টাকার মূল্যসীমা নির্ধারণের লক্ষ্য রাখছে। এই প্রস্তাবিত আইপিও-র মাধ্যমে ৩০,২১৩ কোটি টাকা পর্যন্ত সংগ্রহ করা হতে পারে। যা ২০২৪ সালে হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়ার ২৭,৮০০ কোটি টাকার আইপিও-র চেয়েও বড় হবে।</p>&#13;
<p>জিও প্ল্যাটফর্মসের শুরু হয়েছিল একটি টেলিকম-কেন্দ্রিক ব্যবসা হিসেবে। ক্রমশ এটি মোবাইল কানেক্টিভিটি, ব্রডব্যান্ড, ক্লাউড, বিনোদন, এন্টারপ্রাইজ টেকনোলজি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিস্তৃত পরিসরের ডিজিটাল পরিষেবা প্রদানকারী একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস পর্যন্ত এর গ্রাহক সংখ্যা ছিল প্রায় ৫২.৪৪ কোটি।</p>&#13;
<p>এই আইপিও রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ। বিনিয়োগকারীরা নজরে রাখছেন যে এই তালিকাভুক্তি তাদের ডিজিটাল ও টেলিকম ব্যবসায় কীভাবে নতুন সম্ভাবনা উন্মোচন করতে পারে। তবে, অফার ডকুমেন্ট এবং শেয়ার মূল্যের &nbsp;আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলেই চূড়ান্ত মূল্যায়ন, ইস্যুর শর্তাবলী এবং বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া আরও স্পষ্ট হবে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[mukesh ambani]]></category>
            <category><![CDATA[Jio Platforms]]></category>
            <category><![CDATA[ipo]]></category>
            <category><![CDATA[reliance jio]]></category>
            <category><![CDATA[jio]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bbe29e38-c57b-4e9f-8cb8-02d825907748.webp" length="25948" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bbe29e38-c57b-4e9f-8cb8-02d825907748.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/bbe29e38-c57b-4e9f-8cb8-02d825907748.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[থাকার জন্য পৃথিবীর চেয়েও হাজার গুণে সেরা গ্রহ আছে? ব্রহ্মাণ্ডে তার খোঁজ কি পেলেন বিজ্ঞানীরা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/scientists-believe-planets-better-than-ours-exist-in-the-universe-and-reveal-what-superhabitable-planets-might-look-like-517104</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/scientists-believe-planets-better-than-ours-exist-in-the-universe-and-reveal-what-superhabitable-planets-might-look-like-517104</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:06:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এই মহাবিশ্বে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। ]]></description>
            <dc:creator>রাহুল মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>এই মহাবিশ্বে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। এতদিন বিজ্ঞানীদের প্রধান লক্ষ্য ছিল অবিকল &lsquo;পৃথিবীর মতো&rsquo; কোনও গ্রহ খুঁজে বের করা। কিন্তু সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর বৈজ্ঞানিক ধারণা সামনে এসেছে&mdash; পৃথিবী হয়তো প্রাণের জন্য একমাত্র বা সেরা জায়গা নয়! এর চেয়েও অনেক বেশি প্রাণের জন্য অনুকূল পরিবেশযুক্ত গ্রহ মহাবিশ্বে লুকিয়ে থাকতে পারে, যেগুলোকে বিজ্ঞানীরা নাম দিয়েছেন &lsquo;সুপারহ্যাবিটেবল প্ল্যানেট&rsquo;।</p>&#13;
<p>কেমন দেখতে হতে পারে এই &lsquo;সুপারহ্যাবিটেবল&rsquo; গ্রহগুলো? নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিজ্ঞানীরা এমন কিছু গ্রহের কল্পনা করছেন যা পৃথিবীর চেয়ে আকারে সামান্য বড় এবং ভারী হবে।</p>&#13;
<p>আকার ও ভর: এই আদর্শ গ্রহগুলো পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি প্রশস্ত এবং দ্বিগুণ ভরের হতে পারে।</p>&#13;
<p>ঘন বায়ুমণ্ডল ও চৌম্বক ক্ষেত্র: এই গ্রহগুলির শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণ শক্তি একটি ঘন বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে সাহায্য করবে, যা তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখবে। এছাড়া বড় লোহা বা আয়রনের কোর একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করবে, যা ক্ষতিকর মহাজাগতিক বিকিরণ অর্থাৎ কসমিক রেডিয়েশন থেকে সেই গ্রহের প্রাণকে রক্ষা করবে।</p>&#13;
<p>ভূপ্রকৃতি: বিশাল সমুদ্র ও বিশাল মহাদেশের পরিবর্তে এই গ্রহগুলোর পৃষ্ঠতল অগভীর সমুদ্র, হ্রদ এবং হাজার হাজার ছোট দ্বীপে পরিপূর্ণ থাকতে পারে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এই ধরনের পরিবেশে জীববৈচিত্র্য পৃথিবীর চেয়েও বহুগুণ বেশি বিকশিত হতে পারে।</p>&#13;
<p>কেন &lsquo;কমলা তারা&rsquo; বা K-Dwarf স্টার পৃথিবীর সূর্যের চেয়েও ভাল?</p>&#13;
<p>এই ধরনের সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহের জন্য আমাদের সূর্যের মতো নক্ষত্র আদর্শ না-ও হতে পারে। বিজ্ঞানীরা বিশেষ নজর দিচ্ছেন কে-ডোয়ার্ফ স্টার (K-dwarf stars)-এর ওপর, যা আমাদের সূর্যের তুলনায় আকারে ছোট, ঠান্ডা এবং দেখতে খানিক কমলা রঙের।</p>&#13;
<p>দীর্ঘায়ু: এই তারাগুলো অত্যন্ত ধীরগতিতে নিজেদের জ্বালানি পোড়ায় এবং দীর্ঘ কয়েক হাজার কোটি বছর ধরে স্থিতিশীল থাকতে পারে।</p>&#13;
<p>বিবর্তনের সুযোগ: পৃথিবীতে জটিল প্রাণের বিকাশ হতে প্রায় চার বিলিয়ন বছর সময় লেগেছে। সূর্যের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আগামী ৫০০ মিলিয়ন বছরের মধ্যে পৃথিবী অতিরিক্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু কে-ডোয়ার্ফ নক্ষত্রের চারপাশে থাকা গ্রহগুলো প্রাণের বিকাশ ও বিবর্তনের জন্য অনেক বেশি সময় পাবে।</p>&#13;
<p>বার্লিনের অ্যাস্ট্রোবায়োলজিস্ট ইভা ভিলোভিচ একটি পরীক্ষামূলক গবেষণায় দেখেছেন যে, কৃত্রিম কমলা আলোয় (কে-ডোয়ার্ফ স্টারের অনুকরণে) গাছের সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া কেবল সফলভাবেই কাজ করে না, বরং এই আলোয় গাছগুলো দ্রুত এবং লম্বা হয়েও বাড়ে!</p>&#13;
<p>কবে নাগাদ পাওয়া যেতে পারে এই গ্রহের সন্ধান? ২০১৪ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী রেনে হেলার এবং জন আর্মস্ট্রং প্রথম এই &lsquo;সুপারহ্যাবিটেবল&rsquo; ধারণার প্রস্তাব দেন। তবে এই গ্রহগুলো আবিষ্কার করা এবং সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।</p>&#13;
<p>দূরবর্তী গ্রহের বায়ুমণ্ডল পর্যবেক্ষণ করতে আসছে বেশ কিছু অত্যাধুনিক মিশন:</p>&#13;
<p>ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির প্লেটো মিশন (যা ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে)।</p>&#13;
<p>চিলিতে তৈরি হচ্ছে &nbsp;অত্যাধুনিক বড় লার্জ টেলিস্কোপ।</p>&#13;
<p>নাসার পরিকল্পিত হ্যাবিটেবল ওয়ার্ল্ডস অবজারভেটরি &mdash; যা ২০৪০-এর দশকে এই অনুসন্ধানে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।</p>&#13;
<p>আপাতত এই সুপারহ্যাবিটেবল গ্রহগুলো নিছক একটি বৈজ্ঞানিক ধারণা বা অনুমান হলেও, তা মহাবিশ্বের অন্য প্রান্তে প্রাণের নতুন সম্ভাবনার এক রোমাঞ্চকর দুয়ার খুলে দিয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[exoplanets]]></category>
            <category><![CDATA[space exploration]]></category>
            <category><![CDATA[science news]]></category>
            <category><![CDATA[astronomy]]></category>
            <category><![CDATA[Superhabitable Planets]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/414a504d-86eb-4548-9fb1-aee5384f6526.webp" length="21894" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/414a504d-86eb-4548-9fb1-aee5384f6526.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/414a504d-86eb-4548-9fb1-aee5384f6526.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[একটি মন্তব্যের জেরে আরেকটু হলেই হচ্ছিল ফাঁসি, সৌদিতে একটুর জন্য  রক্ষা পেলেন হিন্দু যুবক ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/supreme-court-overturns-death-sentence-of-srilankan-hindu-youth-in-saudi-arabia-517101</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/supreme-court-overturns-death-sentence-of-srilankan-hindu-youth-in-saudi-arabia-517101</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:05:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মন্তব্যের জেরে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক শ্রীলঙ্কান হিন্দু পরিযায়ী শ্রমিককে শেষ পর্যন্ত রেহাই দিল সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি মন্তব্যের জেরে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এক শ্রীলঙ্কান হিন্দু পরিযায়ী শ্রমিককে শেষ পর্যন্ত রেহাই দিল সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট। চরম সাজা বাতিল করে আদালত ওই যুবকের প্রাণভিক্ষা মঞ্জুর করায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তাঁর পরিবার ও শ্রীলঙ্কা প্রশাসন।</p>&#13;
<p>বছর চব্বিশের শিবারাসা আনোজানের এই বিপত্তির সূত্রপাত ঘটেছিল গত জুন মাসে। শ্রীলঙ্কায় একটি হিন্দু তীর্থযাত্রার সময় রেকর্ড করা একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় এক মুসলিম যুবক তীর্থযাত্রীদের পেছন পেছন যাওয়া একটি কুকুরকে লাথি মারছে। এই ভিডিওকে কেন্দ্র করে নেটদুনিয়ায় তীব্র বিতর্ক ও ধর্মীয় বাগ্&zwnj;বিতণ্ডা শুরু হয়। আলোচনার একপর্যায়ে এক ব্যক্তি হিন্দু দেবদেবীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করলে, ক্ষোভে তামিল ভাষায় মহানবীকে নিয়ে পাল্টা একটি মন্তব্য করে বসেন আনোজান। যদিও ভুল বুঝতে পেরে মুহূর্তের মধ্যেই তিনি পোস্টটি মুছে দেন এবং একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে প্রকাশ্যে ক্ষমাও চান।</p>&#13;
<p>কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাঁর সেই মন্তব্যের স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে এবং শ্রীলঙ্কা থেকে কিছু ব্যক্তি সৌদি আরবে আনোজানের কর্মস্থলের মালিকের কাছে সেই ছবি ইমেল মারফত পাঠিয়ে দেন। বিষয়টি সৌদি প্রশাসনের নজরে আসতেই জুলাই মাসে গ্রেপ্তার হন তিনি। সাইবার অপরাধ দমন আইনের আওতায় প্রাথমিক শুনানিতে আল-আহসা ফৌজদারি আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রায় ৮০ কোটি শ্রীলঙ্কান রুপি (৩০ লাখ সৌদি রিয়াল) জরিমানা করে। তবে বিষয়টি সেখানেই থামেনি; মামলাটি আপিল আদালতে উঠলে গত সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর শাস্তি বাড়িয়ে সরাসরি মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দেয়।</p>&#13;
<p>অবশেষে সৌদি সুপ্রিম কোর্ট আপিল আদালতের সেই চরম রায় নাকচ করে শিবারাসার মৃত্যুদণ্ড বাতিল ঘোষণা করেছে। শ্রীলঙ্কার বিদেশ মন্ত্রক এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে। তবে তিনি মূল আদালতের নির্দেশিত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করবেন, নাকি সমস্ত অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ নিষ্কৃতি পাবেন&mdash;তা এখনও কূটনৈতিক স্তরে স্পষ্ট নয়। শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকেও আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং আনোজান ও তাঁর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[srilanka]]></category>
            <category><![CDATA[saudi arabia]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/f7504540-7401-4221-a561-f4944e2dc736.webp" length="66524" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/f7504540-7401-4221-a561-f4944e2dc736.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/f7504540-7401-4221-a561-f4944e2dc736.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিদেশি বিনিয়োগে নয়া নজির! কার হাতে যাচ্ছে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের ৬০.৭২% শেয়ার]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/idbi-bank-sale-approved-centre-clears-rs-52-878-crore-deal-with-fairfax-financial-517103</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/idbi-bank-sale-approved-centre-clears-rs-52-878-crore-deal-with-fairfax-financial-517103</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান। আইডিবিআই ব্যাঙ্কের মালিকানা হস্তান্তরের পথে আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্রীয় সরকার। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান। আইডিবিআই ব্যাঙ্কের মালিকানা হস্তান্তরের পথে আরও এক ধাপ এগোল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে কানাডার ফেয়ারফ্যাক্স ফিনানশিয়াল হোল্ডিংসের কাছে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের ৬০.৭২ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তির মূল্য ৫২,৮৭৮ কোটি টাকা। ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় ধনকুবের প্রেম ওয়াটসার সমর্থনপুষ্ট এই সংস্থার হাত ধরে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের মালিকানা বদল হতে চলেছে। আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>&#13;
<p><br>এই চুক্তি সম্পন্ন হলে ভারতের আর্থিক ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত বৃহত্তম প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআইয়ের নজির তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই পদক্ষেপকে সরাসরি বিলগ্নিকরণ বলতে নারাজ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁর কথায়, এটি বিলগ্নিকরণ নয়, বরং একটি &lsquo;কৌশলগত পুনর্গঠন&rsquo;। কারণ, আইডিবিআই ব্যাঙ্কে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশীদারিত্ব পুরোপুরি শেষ হয়ে যাচ্ছে না।</p>&#13;
<p><br>একসময় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক হিসেবে পরিচিত ছিল আইডিবিআই ব্যাঙ্ক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক দুরবস্থার কারণে ব্যাঙ্কটির পরিস্থিতি খারাপ হতে থাকে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে জীবন বিমা নিগম বা এলআইসি ব্যাঙ্কটির প্রোমোটার হয়ে ওঠে। এর ফলে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের মালিকানা কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে এবং ব্যাঙ্কটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের মর্যাদা পায়।</p>&#13;
<p><br>চুক্তির আগে আইডিবিআই ব্যাঙ্কে এলআইসির অংশীদারিত্ব ছিল ৪৯.২৪ শতাংশ। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ছিল ৪৫.৪৮ শতাংশ শেয়ার। দুই পক্ষের সম্মিলিত অংশীদারিত্ব ছিল ৯৪.৭১ শতাংশ। নতুন চুক্তি কার্যকর হলে এলআইসির হাতে থাকা শেয়ারের পরিমাণ কমে প্রায় ১৯ শতাংশে দাঁড়াবে। একইভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের অংশীদারিত্ব কমে হবে প্রায় ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ, মালিকানা হস্তান্তরের পরেও ব্যাঙ্কটির সঙ্গে কেন্দ্র ও এলআইসির সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন হবে না।</p>&#13;
<p><br>এই চুক্তির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। ফেয়ারফ্যাক্সের সঙ্গে স্বাক্ষরিত শেয়ার ক্রয় চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত ব্যাঙ্কটির নাম অপরিবর্তিত রাখতে হবে। অর্থাৎ, নতুন প্রোমোটার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেও ওই সময়সীমার মধ্যে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের নাম বদলাতে পারবে না ফেয়ারফ্যাক্স।</p>&#13;
<p><br>সব মিলিয়ে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত ভারতের ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন অধ্যায় খুলতে পারে। একই সঙ্গে আইডিবিআই ব্যাঙ্কের মালিকানা কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। তবে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর ব্যাঙ্কটির পরিচালনা, ব্যবসায়িক কৌশল এবং গ্রাহক পরিষেবায় কী ধরনের পরিবর্তন আসে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট মহলের।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[nirmala sitharaman]]></category>
            <category><![CDATA[Prem Watsa]]></category>
            <category><![CDATA[idbi bank]]></category>
            <category><![CDATA[Fairfax Financial Holdings]]></category>
            <category><![CDATA[IDBI Bank Stake Sale]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/e2b6fbc0-777d-4996-9a4d-91af74f98959.webp" length="69902" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/e2b6fbc0-777d-4996-9a4d-91af74f98959.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/e2b6fbc0-777d-4996-9a4d-91af74f98959.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্ত্রী দরজায় কড়া নাড়তেই আতঙ্ক, বারান্দা দিয়ে পালাতে গিয়ে ২২ তলা থেকে পড়ে সব শেষ! নয়ডার ঘটনায় কেঁপে উঠছে গোটা দেশ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/husband-falls-to-death-after-trying-to-escape-from-balcony-to-avoid-fight-with-wife-in-uttar-pradesh-517100</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/husband-falls-to-death-after-trying-to-escape-from-balcony-to-avoid-fight-with-wife-in-uttar-pradesh-517100</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 17:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[স্ত্রীর সঙ্গে নিত্যদিন অশান্তি। ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টাই প্রাণ কাড়ল যুবকের। ফ্ল্যাটের ব্যালকনি থেকে নীচে ঝাঁপ দিতেই সব শেষ! ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: স্ত্রীর সঙ্গে নিত্যদিন অশান্তি। ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টাই প্রাণ কাড়ল যুবকের। ফ্ল্যাটের ব্যালকনি থেকে নীচে ঝাঁপ দিতেই সব শেষ! যুবকের মর্মান্তিক পরিণতিতে এলাকায় তুমুল শোরগোল।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডায়। পুলিশ জানিয়েছে, ৩১ বছর বয়সি ওই যুবক আবাসনের ২২ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। মাটিতে ঠাস করে পড়তেই ঘটনাস্থলেই মর্মান্তিক পরিণতি হয়েছে তাঁর।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গ্রেটার নয়ডার সেঞ্চুরিয়ান পার্ক ট্রপিক্যাল গার্ডেন সোসাইটিতে। স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা, অশান্তি এড়িয়ে যাওয়ার জন্যেই আবাসনে ২২ তলার ব্যালকনি থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন ওই যুবক। ২০২৪ সালে হর্ষিত লাভানিয়া বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে নিত্যদিন ঝামেলার কারণে গত ছ'মাস ধরেই তিনি আলাদা থাকতেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ওই আবাসনে হর্ষিত ভাড়া ফ্ল্যাটে থাকতেন। ঘটনার দিন আচমকাই তাঁর স্ত্রী সেখানে এসেছিলেন। ফ্ল্যাটের দরজা ধাক্কাতেই আঁতকে উঠেছিলেন হর্ষিত। তিনি চাননি, স্ত্রী ঘরের ভিতরে আসুক। স্ত্রীর সঙ্গে আবারও ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দরজা বন্ধ করেই ছিলেন তিনি। এদিকে বারবার কথা বলার কাকুতি মিনতি করছিলেন তাঁর স্ত্রী। এমনকী সিকিউরিটি গার্ডকে ডেকে দরজা খোলার কথাও বলেছিলেন তিনি। এরপরই চরম পদক্ষেপ করেন হর্ষিত।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সেই সময় ফ্ল্যাটের ব্যালকনি থেকে নীচে নামার চেষ্টা করছিলেন যুবক। আচমকাই তাঁর পা পিছলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ব্যালকনি থেকে নীচে পড়ে যান। মাটিতে পড়তেই গুরুতর আহত হন তিনি। তড়িঘড়ি স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>যুবকের পরিবারের তরফে জানানো হয়, দাম্পত্য কলহের জেরেই দীর্ঘদিন ধরেই মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ছিলেন হর্ষিত। যদিও থানায় পরিবারের তরফে এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[uttar pradesh crime news]]></category>
            <category><![CDATA[marriage dispute]]></category>
            <category><![CDATA[Husband Wife Fight]]></category>
            <category><![CDATA[husband death]]></category>
            <category><![CDATA[tragic death]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/ad3f33d5-43b4-4416-bc00-236e9ebeca3e.webp" length="76510" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/ad3f33d5-43b4-4416-bc00-236e9ebeca3e.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/ad3f33d5-43b4-4416-bc00-236e9ebeca3e.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দুর্গাপুজোয় বাড়ি যাওয়ার মিথ্যে অজুহাত, নেটমাধ্যমে সাহায্যে চাইতেই বিপাকে কর্মী, ভাইরাল গল্পে ব্যাপক শোরগোল ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/kolkata-durga-puja-case-false-excuse-to-go-home-for-durga-puja-worker-lands-him-in-trouble-517098</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/kolkata-durga-puja-case-false-excuse-to-go-home-for-durga-puja-worker-lands-him-in-trouble-517098</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 16:43:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দাদুর মিথ্যে অসুস্থতার অজুহাতে চিকিৎসার জরুরি অবস্থার গল্প ফেঁদে বিপাকে পড়ে যান তিনি। আবেদন করেছিলেন 'পেইড লিভ'-এর জন্য। কিন্তু জল এতটাই গড়ায় যে শেষ পর্যন্ত তা নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয় তুমুল চর্চা।]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph"><strong class="PlaygroundEditorTheme__textBold">আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>দুর্গাপুজো মানেই মায়ের বাড়ি ফেরা। এই সময়ে বাঙালিমাত্রই বাড়ির ফেরার টান অনুভব করেন। সেই টানেই ছুটিতে বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন এক প্রবাসী তরুণ। কিন্তু দাদুর মিথ্যে অসুস্থতার অজুহাতে চিকিৎসার জরুরি অবস্থার গল্প ফেঁদে বিপাকে পড়ে যান তিনি। আবেদন করেছিলেন 'পেইড লিভ'-এর জন্য। কিন্তু জল এতটাই গড়ায় যে শেষ পর্যন্ত তা নিয়ে নেটপাড়ায় শুরু হয় তুমুল চর্চা।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দাদুর অসুস্থতার জন্য চিকিৎসা করাতেই কলকাতা ফিরতে চান তরুণ। কিন্তু ম্যানেজার হাসপাতালের প্রয়োজনীয় মেডিকেল প্রমাণপত্র চেয়ে বসেন। আর তাতেই ঘোর বিপদে পড়েন ওই কর্মী। তখনই স্মরণাপন্ন হন 'রেডিট' প্ল্যাটফর্মের। সকলের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন ছিল 'অফিসের ম্যানেজার প্রমাণপত্র চেয়েছে, কিন্তু আমার কাছে তা নেই। এখন আমার কী করণীয়?" রেডডিটের কমেন্ট বক্সে এই পরিস্থিতিতে একাধিক অদ্ভুত ও বিতর্কিত পরামর্শ দিতে দেখা যায় অন্য ব্যবহারকারীদের।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">পোস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার বাসিন্দা ওই কর্মী শহরের বাইরে কর্মরত। দুর্গাপুজোয় বাড়ি ফেরার ইচ্ছে থাকলেও তাঁর সমস্ত 'পেইড লিভ' (সবেতন ছুটি) শেষ হয়ে গিয়েছিল। অগত্যা বেতনহীন ছুটি (অনঅফিসিয়াল লিভ) নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু ছুটি না পাওয়ার আশঙ্কায় তিনি ম্যানেজারকে জানান যে তাঁর দাদু গুরুতর অসুস্থ, তাই তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে বাড়ি ফিরতে হবে। একই সঙ্গে সাময়িকভাবে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'-এর আবেদনও জানান তিনি। তবে এর পরেই গোল বাঁধে। ম্যানেজার ইমেলের মাধ্যমে অসুস্থতার যাবতীয় মেডিকেল নথি ও ডাক্তারের প্রমাণপত্র জমা দিতে বলেন। কর্মীটি স্বীকার করেছেন, বিষয়টি পুরোটাই কাল্পনিক ছিল। তাই তাঁর কাছে দেওয়ার মতো কোনও নথি নেই।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">নিজের ভুল স্বীকার করে ওই কর্মী জানান, তিনি বেতনহীন ছুটি নিতেও রাজি আছেন। কিন্তু কোম্পানিতে নতুন হওয়ায়, সত্যি কথা বললে যদি তাঁর ভবিষ্যৎ বা ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব পড়ে&mdash;সেই আশঙ্কায় ভুগছেন তিনি। কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন, তা নিয়ে রেডডিট ব্যবহারকারীদের পরামর্শ চান তিনি।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">পোস্টটি প্রকাশ হতেই নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, "কোম্পানিগুলির পরিবারের লোকজনের মেডিকেল নথি চাওয়ার এই মানসিকতা বন্ধ হওয়া দরকার।"</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">অন্য এক নেটিজেন ভারতের সামগ্রিক কর্মসংস্কৃতিকে দায়ী করে মন্তব্য করেন, "ভারতে এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা। ছুটির জন্য মানুষকে মিথ্যে বলতে বাধ্য করা হয়। একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশে ছুটির নেওয়ার জন্য কোনও কৈফিয়ত বা কাল্পনিক অজুহাত দেওয়ার প্রয়োজন হওয়া উচিত নয়।"</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Kolkata Durga Puja 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Puja Leave]]></category>
            <category><![CDATA[durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[kolkata durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Puja 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/dcdb2597-64a8-426e-94f5-cbb2d632fc85.webp" length="64002" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/dcdb2597-64a8-426e-94f5-cbb2d632fc85.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/dcdb2597-64a8-426e-94f5-cbb2d632fc85.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পাকিস্তানে দিনেদুপুরে ঝাঁজরা ভারত বিরোধী কুখ্যাত লস্কর কমান্ডার! তবে কি ফের সক্রিয় সেই ‘অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী’?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/laskar-commander-assasinated-in-pakistan-517097</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/laskar-commander-assasinated-in-pakistan-517097</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 16:43:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের একটি হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ সমাজমাধ্যমে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong>&nbsp;পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে গুলি করে খুনের একটি হাড়হিম করা সিসিটিভি ফুটেজ সমাজমাধ্যমে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি করেছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া একাধিক দাবিমতে, নিহত ব্যক্তি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার ইমরান, যার সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের যোগসাজশ ছিল। তবে এই ভিডিওর সত্যতা, ঘটনাস্থল কিংবা নিহতের পরিচয় নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিরপেক্ষ সূত্রে নিশ্চিত খবর মেলেনি। এমনকি পাকিস্তান পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সরকারিভাবে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করা হয়নি।</p>&#13;
<p>ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে ১৩ অক্টোবরের একটি সময়চিহ্ন (টাইমস্ট্যাম্প) দেখা যাচ্ছে। ফুটেজে ধরা পড়ে, এক ব্যক্তি মোটরসাইকেল নিয়ে একটি আবাসনের ফটক দিয়ে বের হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই সাদা পোশাক পরা এক বন্দুকবাজ তাঁর পথ আটকে দাঁড়িয়ে পরপর গুলি ছুড়তে শুরু করে। আতঙ্কে চালক বাইক নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যান। মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থাতেও ওই ব্যক্তি প্রাণ বাঁচাতে হাত দিয়ে হামলাকারীকে থামানোর চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু আততায়ী পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে অনবরত গুলি চালাতে থাকে।</p>&#13;
<p>ঘটনার নৃশংসতা এখানেই শেষ নয়। প্রথম পিস্তলের গুলি শেষ হতেই হামলাকারী শান্ত মাথায় নিজের ব্যাগ থেকে আরেকটি বন্দুক বের করে আবারও গুলি চালায়। মৃত্যু নিশ্চিত জেনে মাটিতে নিথর দেহ ফেলে রেখে, দুই হাত তুলে উল্লাস প্রকাশ করতে করতে অস্ত্র হাতে এলাকা ছাড়ে ওই শুটার।</p>&#13;
<p>সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি উঠছে, এটি কোনও সাধারণ সংঘর্ষ নয়, বরং অত্যন্ত সুপরিকল্পিত একটি 'টার্গেটেড কিলিং'। পাকিস্তানজুড়ে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হাতে ভারতবিরোধী একাধিক জঙ্গি নেতার একের পর এক প্রাণ হারানোর যে ধারা সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ করা গেছে, এই ঘটনাটিকেও অনেকে সেই তালিকারই অংশ বলে মনে করছেন। তবে ভিডিওটিতে থাকা সময়চিহ্ন ছাড়া ঘটনাটি আদতে কবে এবং কোথায় ঘটেছে, তা নিশ্চিত করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ মেলেনি। পাকিস্তান প্রশাসন বা সে দেশের সামরিক বাহিনীর তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসায় গোটা ঘটনাটি ঘিরে ধোঁয়াশা ও রহস্য জারি রয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Pakistan]]></category>
            <category><![CDATA[laskar e toiba]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/99775eb7-698a-4702-9e3d-c046b7c342ec.webp" length="35128" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/99775eb7-698a-4702-9e3d-c046b7c342ec.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/99775eb7-698a-4702-9e3d-c046b7c342ec.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্ট্যালিনের ভঙ্গি নকল করেই বিপাকে বিজয়? আরএসএস যোগ টেনে আক্রমণ ডিএমকের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/dmk-targets-vijay-over-viral-hand-gesture-draws-parallels-with-rss-s-dhwaj-pranam-517096</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/dmk-targets-vijay-over-viral-hand-gesture-draws-parallels-with-rss-s-dhwaj-pranam-517096</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 16:38:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এবার বিতর্কের কেন্দ্রে একটি হাতের ভঙ্গি। প্রথমে সেই ভঙ্গি করেছিলেন ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন। পরে তা নকল করে বিধানসভার অধিবেশনে দেখিয়েছিলেন তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম-এর প্রধান বিজয়। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এবার বিতর্কের কেন্দ্রে একটি হাতের ভঙ্গি। প্রথমে সেই ভঙ্গি করেছিলেন ডিএমকে নেতা এম কে স্ট্যালিন। পরে তা নকল করে বিধানসভার অধিবেশনে দেখিয়েছিলেন তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম-এর প্রধান বিজয়। মুহূর্তের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই দৃশ্য। এবার সেই হাতের ভঙ্গিকেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের পতাকাকে অভিবাদন জানানোর ভঙ্গির সঙ্গে তুলনা করে বিজয়কে নিশানা করল ডিএমকে। দলের আইটি সেলের এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।</p>&#13;
<p><br>ঘটনার সূত্রপাত চলতি বছরের মার্চ মাসে। সেই সময় তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এম কে স্ট্যালিন। চেন্নাইয়ে ডিএমকের সদর দফতর থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় সাংবাদিকেরা তাঁকে আসন সমঝোতা নিয়ে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নের উত্তরে হাত দিয়ে একটি বিশেষ ভঙ্গি করেন স্ট্যালিন। হাতের সেই নড়াচড়ার মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন, আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ভঙ্গি রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।</p>&#13;
<p>https://x.com/DMKITwing/status/2110249635684216885</p>&#13;
<p><br>এরপর জুন মাসে পরিস্থিতি বদলে যায়। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিধানসভার অধিবেশনে বক্তব্য রাখছিলেন বিজয়। ডিএমকে বিধায়কেরা অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর স্পিকার জে সি ডি প্রভাকরের কাছে একটি বিশেষ ভঙ্গি প্রদর্শনের অনুমতি চান তিনি। এরপরই স্ট্যালিনের সেই ভাইরাল হাতের ভঙ্গি নকল করেন টিভিকে প্রধান। শাসক দলের আসন থেকে ওঠে উচ্ছ্বাসের আওয়াজ। সোশ্যাল মিডিয়াতেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিয়ো। বিষয়টিকে নিছক মজার ঘটনা হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছিল টিভিকে।</p>&#13;
<p><br>তবে রাজনৈতিক কটাক্ষের পালা তখন থেকেই শুরু। স্ট্যালিন যখন প্রথম ওই ভঙ্গি করেছিলেন, তখন বিরোধী দল এআইএডিএমকে তাঁকে অহংকারী বলে কটাক্ষ করেছিল। আর বিজয় একই ভঙ্গি করার পর তাঁকে আক্রমণ করে ডিএমকে। এবার সেই বিতর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল স্ট্যালিনের দল।</p>&#13;
<p><br>বুধবার ডিএমকের আইটি সেলের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়। সেখানে দু&rsquo;টি অবয়ব দেখানো হয়েছে। একটির সঙ্গে আরএসএসের কোনও কর্মীর পতাকাকে অভিবাদন জানানোর ভঙ্গির মিল রয়েছে। অন্য অবয়বটি বিজয়ের পরিচিত হাতের ভঙ্গির অনুকরণে তৈরি। আরএসএসের এই অভিবাদন &lsquo;ধ্বজ প্রণাম&rsquo; নামে পরিচিত। সাধারণত সঙ্ঘের শাখার শুরু ও শেষে এই অভিবাদন করা হয়। দাঁড়িয়ে ডান হাত বুকের মাঝামাঝি রেখে, হাতের তালু নীচের দিকে করে এবং মাথা সামান্য ঝুঁকিয়ে এই ভঙ্গি করা হয়।</p>&#13;
<p>https://x.com/arunraajkg/status/2110018559640523197</p>&#13;
<p><br>পোস্টারের মাধ্যমে বিজয়কে আরএসএসের &lsquo;দত্তক সন্তান&rsquo; বলে কটাক্ষ করেছে ডিএমকে। রাজনৈতিক মহলে টিভিকে-কে বিজেপির &lsquo;বি-টিম&rsquo; বলেও আক্রমণ করা হয়ে থাকে। সেই অভিযোগকেই নতুন করে সামনে আনতে চাইছে স্ট্যালিনের দল।</p>&#13;
<p><br>অন্যদিকে, বিজয়ের সমর্থকেরা তাঁর এই হাতের ভঙ্গিকে নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয়ের অংশ করে তুলেছেন। দলীয় কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিভিন্ন জমায়েতে এই ভঙ্গি দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি তামিলনাড়ুর মন্ত্রী অরুণ রাজ একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন, যেখানে সরকারি মেডিক্যাল কলেজের কয়েক জন পড়ুয়াকে বিজয়ের ওই ভঙ্গি নকল করতে দেখা যায়।</p>&#13;
<p><br>একটি রাজনৈতিক সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার বার্তা দিতে ব্যবহৃত হাতের ভঙ্গি এখন তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। বিধানসভার নাটকীয় মুহূর্ত থেকে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, আর সেখান থেকে আরএসএসের সঙ্গে তুলনা&mdash;বিজয়ের রাজনৈতিক পরিচয় ঘিরে সংঘাতের নতুন হাতিয়ার হয়ে উঠেছে এই সামান্য অঙ্গভঙ্গিই।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dmk]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Politics]]></category>
            <category><![CDATA[vijay]]></category>
            <category><![CDATA[mk stalin]]></category>
            <category><![CDATA[political controversy]]></category>
            <category><![CDATA[Dhwaj Pranam]]></category>
            <category><![CDATA[rss]]></category>
            <category><![CDATA[tvk]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/9dd9f314-0021-45a3-99f8-86501c8bd328.webp" length="22078" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/9dd9f314-0021-45a3-99f8-86501c8bd328.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/9dd9f314-0021-45a3-99f8-86501c8bd328.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['মেয়েদের রিকোয়েস্ট ফেলতে পারিনা', পেশায় ভিক্ষুক, কিন্তু ২১টা বিয়ে! বিয়ের কারণ শুনলে চমকে উঠবেন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/bangladeshi-beggar-moru-mia-married-to-21-wives-in-10-years-517090</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/bangladeshi-beggar-moru-mia-married-to-21-wives-in-10-years-517090</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 16:20:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ বিয়ের প্রস্তাব দিলে কি আর 'না' বলা যায়! মহিলাদের মন ভাঙতে চাননি বলেই একে একে ২১ বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন তিনি। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>বিয়ের প্রস্তাব দিলে কি আর 'না' বলা যায়! মহিলাদের মন ভাঙতে চাননি বলেই একে একে ২১ বার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন তিনি। পেশায় ভিক্ষুক হলেও সম্পর্কের হিসাব মেলাতে গিয়ে এখন নিজেই হিমশিম খাচ্ছেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বছর পঁয়ত্রিশের মরু মিয়া। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই বিচিত্র জীবনের গল্প ছড়িয়ে পড়তেই তা রীতিমতো আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।</p>&#13;
<p>প্রায় এক দশক আগে একটি ধানের বয়লারে কাজ করার সময় পরিবারের পছন্দে শহিদা নামের এক মহিলাকে প্রথম বিয়ে করেন মরু। কিন্তু সেই শুরু, এরপর আর তাঁর থামার নাম নেই। মরু যেখানেই যেতেন, ফেরার পথে প্রায়ই সঙ্গে করে নিয়ে আসতেন নতুন কোনও &nbsp;মহিলাকে&mdash;যাঁদের অনেকের বয়সই ছিল তাঁর মায়ের মতো। প্রতিবেশীদের কাছে গর্বের সঙ্গে তাঁদের নতুন স্ত্রী হিসেবে পরিচয় করিয়ে কাজী ডেকে বিয়েও করতেন। তবে কাবিননামা না করায় সংসার ভাঙলেও কখনো আদালতের ঝক্কি পোহাতে হয়নি তাঁকে।</p>&#13;
<p>এত বিয়ের রহস্য কী? মরুর দাবি, তিনি নিজে কখনো মহিলাদের আকৃষ্ট করতে কোনও চেষ্টা করেননি। বরং মহিলারা নাকি তাঁকে দেখলেই বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসতেন। তাঁর ভাষায়, মহিলারা আমার মধ্যে কী দেখেছেন তারাই বলতে পারবেন। তবে কেউ অনুরোধ নিয়ে এলে তাঁকে ফিরিয়ে দিয়ে অসম্মান করতে বা মন খারাপ করাতে মন সায় দেয়নি। আর সেই মন রক্ষার চক্করেই সংখ্যাটা গিয়ে ঠেকেছে একুশে।</p>&#13;
<p>অবাক করার মতো বিষয় হল, নিজের ২১ জন স্ত্রীর নাম পর্যন্ত মনে রাখতে পারেননি মরু। অনেক মাথা খাটিয়ে শেষমেশ শিলা, নার্গিস, সেলিনা, আলিয়া, তারা, জোৎস্না, রাবেয়া ও পারুল&mdash;এই আটজনের নাম বলতে পেরেছেন তিনি। প্রতিটি স্ত্রীর ঘরেই তাঁর সন্তান রয়েছে। তবে বর্তমানে এক কামরার একটি ঘরে তিন স্ত্রীকে নিয়ে তাঁর দিন কাটছে। পেশায় ভিক্ষুক মরু প্রতিদিন ভিক্ষা করতে বের হওয়ার সময় পছন্দমতো যেকোনও &nbsp;এক স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে যান।</p>&#13;
<p>স্বভাবতই মরুর এই আচরণে চরম ক্ষুব্ধ তাঁর প্রথম স্ত্রী শহিদা। সংসার ও সন্তানদের কোনও খোঁজখবর না নেওয়ার আক্ষেপ তাঁর গলায়। অন্য স্ত্রীদের মনেও মান-অভিমান কম নেই, তবে শেষমেশ নিয়তি মেনে নিয়ে একই ছাদের নিচে তাঁরা এখন অনেকটা বোনের মতোই দিন কাটাচ্ছেন।</p>&#13;
<p>তবে একের পর এক বিয়ে করার এই অদ্ভুত নেশা এবার নাকি কাটতে চলেছে। সম্প্রতি পায়ে চোট পেয়ে শয্যাশায়ী হওয়ার পর মরু উপলব্ধি করেছেন, সেই কঠিন সময়ে ছোট স্ত্রী ছাড়া আর কেউ তাঁর পাশে এসে দাঁড়ায়নি। এতে মনে বেশ আঘাত পেয়েছেন তিনি। তাই এবার আর নতুন কারও মন রক্ষা নয়, বরং ছোট স্ত্রীকে নিয়েই বাকি জীবনটা কোনওমতে পার করে দিতে চান মরু। যদিও তাঁর এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত কতদিন টেকে, তা সময়ই বলে দেবে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bangladesh news]]></category>
            <category><![CDATA[Bangaldesh viral news]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6a85e129-5d93-4baf-a04c-159fe8cf81c8.webp" length="25252" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6a85e129-5d93-4baf-a04c-159fe8cf81c8.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/6a85e129-5d93-4baf-a04c-159fe8cf81c8.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দিল্লির যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা, বিক্ষোভ-প্রতিবাদ, কোন খাঁড়া ঝুলছে আন্দোলনকারীদের কপালে? জানুন আইন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/provisions-for-punishment-attempts-to-enter-delhis-jantar-mantar-and-protests-despite-the-ban-what-consequences-do-the-agitators-face-know-the-law-517088</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/provisions-for-punishment-attempts-to-enter-delhis-jantar-mantar-and-protests-despite-the-ban-what-consequences-do-the-agitators-face-know-the-law-517088</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 15:57:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[যন্তর মন্তর চত্বর এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য অনুমোদিত এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয় না। নিষেধাজ্ঞা জারি করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।&#13;
]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বুধবার পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে পাঠানো হয়েছে। এই দু'জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা 'পিস বন্ড' (শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা) লঙ্ঘন করেছেন এবং যন্তর মন্তরে আইন ভেঙে প্রবেশ করেছেন। যন্তর মন্তর চত্বর এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য অনুমোদিত এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয় না।</p>&#13;
<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধী নেতৃত্ব সরব হচ্ছেন। আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল সিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে নেওয়া এই ব্যবস্থাকে "সম্পূর্ণ হাস্যকর" বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেছেন যে- যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের সম্পত্তি। তিনি এই জায়গায় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ ফের ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছেন।</p>&#13;
<p><strong>যন্তর মন্তর এখন নিষিদ্ধ এলাকা: এরপর কী?</strong><br>বিক্ষোভ প্রদর্শন, জনসমাগম, ভাষণ দেওয়া বা জনঅসন্তোষ উস্কে দেওয়ার উদ্দেশ্যে কেউ যদি যন্তর মন্তরে ফিরে আসেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে এবং জামিন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তর বা দিল্লির অন্যান্য নিষিদ্ধ এলাকায় বিক্ষোভ দেখালে আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে।</p>&#13;
<p>যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের অনুমোদিত স্থানের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আগে, বিক্ষোভকারীদের নিউ দিল্লি জেলার ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিপিসিআই)-এর কাছ থেকে লিখিত 'নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট' (এনওসি) সংগ্রহ করতে হতো। আবেদনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এবং বিক্ষোভের সময়কাল উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক ছিল।</p>&#13;
<p>অনুমতি ছাড়া জনসমাগম করলে আটক, জরিমানা এবং অপরাধের প্রকৃতি ও গুরুত্ব অনুযায়ী ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।</p>&#13;
<p>তবে, যন্তর মন্তরে এখন নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় বিক্ষোভ, স্লোগান দেওয়া এবং কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর মতো কার্যকলাপ নিষিদ্ধ। পুলিশের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিষ্ঠান, সংগঠন বা গোষ্ঠী বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে তারা আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>আইন কী বলে?</strong><br>পুলিশ 'ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা' -র ১৬৩ ধারার অধীনে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে। এই আইনটি 'কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর' (সিআরপিসি)-র ১৪৪ ধারাকে প্রতিস্থাপন করেছে। এই ধরনের আদেশের মাধ্যমে যন্তর মন্তরের আশেপাশের সংবেদনশীল এলাকা-সহ নির্দিষ্ট কিছু স্থানে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হতে পারে।</p>&#13;
<p>পুলিশ কোনও জনতাকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার নির্দেশ দিতে পারে। যারা নির্দেশ মেনে চলতে অস্বীকার করবেন, তাদের সরিয়ে দেওয়া বা আটক করা হতে পারে, এবং আইনি পদক্ষেপ করা হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে...</strong><br>কোনও সরকারি কর্মচারীর জারি করা বৈধ আদেশ অমান্য করলে 'ভারতীয় ন্যায় সংহিতা'-র ধারা ২২৩-এর অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এই আইনটি 'ভারতীয় দণ্ডবিধি' (আইপিসি)-র ধারা ১৮৮-এর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে। লঙ্ঘনের ধরন ও তার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে শাস্তির মাত্রা নির্ধারিত হয় এবং এতে কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।</p>&#13;
<p>যদি কোনও বিক্ষোভ হিংস্র হয়ে ওঠে বা অংশগ্রহণকারীরা সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সেই জমায়েতকে 'বেআইনি জমায়েত' হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ধারা ১৮৯ (যা আইপিসি-র ধারা ১৪৩-এর স্থলাভিষিক্ত) বেআইনি জমায়েত সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। এর জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে। যদি জমায়েতের সদস্যরা প্রাণঘাতী অস্ত্রে সজ্জিত থাকে, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ দুই বছর পর্যন্ত হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>পুলিশ কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া বা আক্রমণ&nbsp;</strong><br>বিক্ষোভকারীরা যদি পুলিশের মুখোমুখি হয়, ব্যারিকেড ভেঙে ফেলে বা কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের কাজে বাধা দেয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হতে পারে। সরকারি কর্মচারীর সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার বিষয়টি ধারা ২২১-য়ে উল্লেখ রয়েছে। এর জন্য সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে।</p>&#13;
<p>পুলিশ কর্মীদের ওপর হামলা বা তাদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ঘটনায় আরও গুরুতর অভিযোগ আনা হতে পারে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে, এই অপরাধটি জামিন-অযোগ্য হতে পারে এবং এতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন</strong><br>বিক্ষোভকারীরা যদি বাস, ব্যারিকেড বা অন্যান্য সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করে, তবে পুলিশ 'সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধ আইন'-এর আওতায় মামলা দায়ের করতে পারে। এই আইনে সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধন সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এছাড়া, যারা এর জন্য দায়ী, তাদের ক্ষতির ক্ষতিপূরণও দিতে হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>পুলিশ যখন কোনও বিক্ষোভ থামায়, তখন কী হয়?</strong><br>পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে করে অন্য কোনও জায়গায় (যেমন- স্টেডিয়াম বা পুলিশ কেন্দ্র) নিয়ে যেতে পারে এবং পরে তাদের ছেড়ে দিতে পারে। যদি ঘটনাটি গুরুতর হয়, তবে আয়োজক ও প্রধান অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হতে পারে।</p>&#13;
<p>যেসব সংগঠনের সদস্যরা বিক্ষোভ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করে, ভবিষ্যতে দিল্লিতে বিক্ষোভের অনুমতি চাওয়ার সময় তাদের আরও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মুখে পড়তে হতে পারে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[VJP Protest At Jantar Mantar]]></category>
            <category><![CDATA[Cockroach Janta Party]]></category>
            <category><![CDATA[Jantar Mantar No Protest]]></category>
            <category><![CDATA[Delhi]]></category>
            <category><![CDATA[jantar mantar]]></category>
            <category><![CDATA[CJP]]></category>
            <category><![CDATA[Anti CEC Protest]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/fcde39df-31b8-4326-9a0c-70c648e48f19.webp" length="58914" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/fcde39df-31b8-4326-9a0c-70c648e48f19.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/fcde39df-31b8-4326-9a0c-70c648e48f19.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[টাটা ট্রাস্টের অভ্যন্তরীণ সংঘাত প্রকাশ্যে, বম্বে হাই কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল বাবা-ছেলের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/noel-tata-and-son-neville-file-caveat-in-bombay-high-court-amid-tata-trusts-governance-dispute-517087</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/noel-tata-and-son-neville-file-caveat-in-bombay-high-court-amid-tata-trusts-governance-dispute-517087</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 15:56:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[টাটা ট্রাস্টের পরিচালন ব্যবস্থা ঘিরে বিবাদ ক্রমশ জটিল হচ্ছে। এবার আইনি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করলেন টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা এবং তাঁর ছেলে নেভিল টাটা।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> টাটা ট্রাস্টের পরিচালন ব্যবস্থা ঘিরে বিবাদ ক্রমশ জটিল হচ্ছে। এবার আইনি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করলেন টাটা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোয়েল টাটা এবং তাঁর ছেলে নেভিল টাটা। বম্বে হাই কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন তাঁরা। এর এক সপ্তাহ আগে মুম্বইয়ের সিটি সিভিল কোর্টেও একই ধরনের পদক্ষেপ করেছিলেন দু&rsquo;জনে। বুধবার এনডিটিভি প্রফিটের এক প্রতিবেদনে সূত্রের উল্লেখ করে এই খবর জানানো হয়েছে।</p>&#13;
<p><br>টাটা ট্রাস্টের দুই ট্রাস্টি ভেনু শ্রীনিবাসন এবং বিজয় সিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই আইনি তৎপরতা। তাঁরা মহারাষ্ট্রের চ্যারিটি কমিশনারের কাছে সির দোরাবজি টাটা ট্রাস্টের পরিচালন ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। ট্রাস্টের প্রশাসনিক কাজে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের। পাশাপাশি, টাটা সন্সের সঙ্গে যুক্ত কিছু লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি দাতব্য ট্রাস্ট তার নির্ধারিত ভূমিকার সীমা অতিক্রম করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।</p>&#13;
<p><br><strong>কী এই ক্যাভিয়েট?</strong><br>ক্যাভিয়েট হল আদালতে দাখিল করা একটি আনুষ্ঠানিক আইনি নোটিস। এর মাধ্যমে আবেদনকারী চান, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনও নির্দেশ দেওয়ার আগে আদালত যেন তাঁর বক্তব্য শোনার সুযোগ দেয়। অর্থাৎ, নোয়েল ও নেভিল টাটার এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল, তাঁদের সংশ্লিষ্ট কোনও বিষয়ে আদালত একতরফা নির্দেশ দেওয়ার আগে তাঁদের বক্তব্য পেশের সুযোগ নিশ্চিত করা। তবে ক্যাভিয়েট দাখিল হওয়া মানেই কোনও মামলায় রায় ঘোষণা হয়েছে, এমন নয়। একইভাবে, এতে অভিযোগের সত্যতাও প্রমাণিত হয় না।</p>&#13;
<p><br>সূত্রের খবর, গত ৭ অক্টোবর মুম্বইয়ের সিটি সিভিল কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছিলেন নোয়েল ও নেভিল। এবার বম্বে হাই কোর্টেও সেই আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আবেদনে সহ-ট্রাস্টি ভেনু শ্রীনিবাসন, বিজয় সিং, দারিয়ুস খাম্বাটা এবং ভাস্কর ভাটের নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। টাটা ট্রাস্টের সূত্রের দাবি, খাম্বাটা ও ভাটের নাম অন্তর্ভুক্তি প্রক্রিয়াগত বিষয়।</p>&#13;
<p><br><strong>কেন বিবাদে জড়ালেন ট্রাস্টিরা?</strong><br>গত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে এসডিটিটির প্রশাসন ও পরিচালন ব্যবস্থা নিয়ে অবিলম্বে তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন ভেনু শ্রীনিবাসন। তাঁর অভিযোগ, ১৬ সেপ্টেম্বর প্রচারিত সার্কুলার রেজোলিউশন নম্বর ১০৭-এর মাধ্যমে তাঁর স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়া ও ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা খর্ব করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর দাবি, এর ফলে ট্রাস্টের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হতে পারে এবং টাটা সন্সের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াতেও প্রভাব পড়তে পারে।</p>&#13;
<p><br>২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে তাঁকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকেও এই অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত করেছেন শ্রীনিবাসন। তবে এগুলি তাঁর অভিযোগ, এখনও প্রমাণিত সত্য নয়।</p>&#13;
<p><br>এদিকে, শ্রীনিবাসন ও বিজয় সিংয়ের অভিযোগের জবাব দেওয়ার জন্য টাটা ট্রাস্টকে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের চ্যারিটি কমিশনার। আগে এই জবাব জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১২ অক্টোবর।</p>&#13;
<p><br>সূত্রের খবর, অভিযোগের পর টাটা ট্রাস্ট গোষ্ঠীর একাধিক ট্রাস্ট মহারাষ্ট্রের চ্যারিটি কমিশনারের কাছে মোট ৮৪টি ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোনও নির্দেশ দেওয়ার আগে যাতে তাদের বক্তব্য শোনার সুযোগ দেওয়া হয়, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। ফলে টাটা ট্রাস্টের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এখন আইনি ও নিয়ন্ত্রক স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[tata sons]]></category>
            <category><![CDATA[noel tata]]></category>
            <category><![CDATA[bombay high court]]></category>
            <category><![CDATA[tata trusts]]></category>
            <category><![CDATA[venu srinivasan]]></category>
            <category><![CDATA[Vijay Singh]]></category>
            <category><![CDATA[Neville Tata]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/88e86284-1abc-45f5-b80f-4dbffc123398.webp" length="19548" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/88e86284-1abc-45f5-b80f-4dbffc123398.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/88e86284-1abc-45f5-b80f-4dbffc123398.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বগলের লোমে লাল নীল, হলুদ রং! ভাইরাল ট্রেন্ড ঘিরে চর্চা, কেন এমন করছেন তরুণীরা? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/underarm-hair-color-viral-young-women-dye-armpit-hair-as-fashion-statement-and-expression-accepting-natural-body-517085</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/underarm-hair-color-viral-young-women-dye-armpit-hair-as-fashion-statement-and-expression-accepting-natural-body-517085</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 15:45:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মাথার চুলে রং করা নয়, বরং বগলের লোমে নীল, হলুদ কিংবা অন্য উজ্জ্বল রং লাগিয়ে নিজেদের সাজিয়ে তুলছেন তাঁরা। কারও কাছে এটি নিছক ফ্যাশন, আবার কারও কাছে নিজের শরীরের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা।]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সৌন্দর্যের সংজ্ঞা কি সমাজ ঠিক করে দেবে, নাকি নিজের শরীর নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন মহিলারা নিজেরাই? এই প্রশ্নকে সামনে রেখেই চিনের তরুণীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এক অভিনব ফ্যাশন ট্রেন্ড। মাথার চুলে রং করা নয়, বরং বগলের লোমে নীল, হলুদ কিংবা অন্য উজ্জ্বল রং লাগিয়ে নিজেদের সাজিয়ে তুলছেন তাঁরা। কারও কাছে এটি নিছক ফ্যাশন, আবার কারও কাছে নিজের শরীরের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠার বার্তা।</p>&#13;
<p>&lsquo;সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট&rsquo;-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিনের বিভিন্ন সমাজমাধ্যমে এই প্রবণতা নজর কাড়ছে। বিশেষ করে চিনের জনপ্রিয় লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্ম রেডনোটে (RedNote) নিজেদের রঙিন বগলের লোমের ছবি প্রকাশ করছেন তরুণীরা। কেউ নীল রং করছেন, কেউ আবার উজ্জ্বল হলুদ কিংবা অন্য রং বেছে নিচ্ছেন। এই নতুন সাজের পাশাপাশি অনেকে চুল ব্লিচ করা ও রং করার পদ্ধতি নিয়েও আলোচনা করছেন।</p>&#13;
<p>কেন হঠাৎ বগলের লোমে রং করার প্রবণতা?</p>&#13;
<p>দীর্ঘদিন ধরে সমাজে মহিলাদের শরীরের স্বাভাবিক লোম নিয়ে নানা ধরনের ধারণা প্রচলিত। বিশেষ করে বগলের লোমকে অনেক ক্ষেত্রেই অস্বস্তিকর বা সৌন্দর্যের পরিপন্থী বলে মনে করা হয়। ফলে ওয়াক্সিং, শেভিং কিংবা অন্যান্য পদ্ধতিতে বগলের লোম তুলে ফেলার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু চিনের একাংশের তরুণী এখন সেই প্রচলিত ধারণাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছেন।</p>&#13;
<p>&nbsp;২০১১ সালে লেডি গাগার সবুজ বগলের লোম নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে চর্চা হয়েছিল। ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে পশ্চিমি সিনেমা, টেলিভিশন, ফ্যাশন ম্যাগাজিন এবং লোম তোলার পণ্যের বিজ্ঞাপনের প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের ত্বককে লোমহীন ও মসৃণ রাখার ধারণাও জোরালো হয়। অথচ অতীতে চিনের শিল্প ও সিনেমায় মহিলাদের স্বাভাবিক বগলের লোম দেখা যেত।&nbsp;</p>&#13;
<p>সমাজমাধ্যমে কেউ বিষয়টিকে অদ্ভুত বলে মনে করছেন, আবার অনেকে মহিলাদের ব্যক্তিগত পছন্দের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলছেন। তবে বগলের লোমে রং করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। ত্বকের এই অংশ সংবেদনশীল হওয়ায় রং বা ব্লিচ ব্যবহারে অ্যালার্জি, জ্বালা কিংবা ত্বকে প্রদাহ হতে পারে। তাই এ ধরনের প্রসাধনী ব্যবহারের আগে তার উপযোগিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[viral]]></category>
            <category><![CDATA[unwanted hair]]></category>
            <category><![CDATA[Underarm]]></category>
            <category><![CDATA[trending now]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/c5351f7a-2ab8-445b-b923-ad0c1db99501.webp" length="80442" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/c5351f7a-2ab8-445b-b923-ad0c1db99501.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/c5351f7a-2ab8-445b-b923-ad0c1db99501.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তীব্রতর সৌদি-হুথি সংঘর্ষ, ইয়েমেনের সানায় বিমান হামলা সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের, তেল শোধনাগার ধ্বংস হতেই হুঁশিয়ারি ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/international/saudi-attack-on-yemens-sanaa-saudi-led-coalition-air-strike-on-yemens-sanaa-oil-site-517076</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/international/saudi-attack-on-yemens-sanaa-saudi-led-coalition-air-strike-on-yemens-sanaa-oil-site-517076</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 14:57:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মঙ্গলবার সৌদি আরবের তরফে হুথি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একটি তেল শোধনাগারে বিমান হামলা চালিয়েছে। ]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph"><strong class="PlaygroundEditorTheme__textBold">আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>সৌদি-হুথি সংঘাত বর্তমানে তুঙ্গে। সম্প্রতি সৌদির রাজধানী রিয়াধের বিমানবন্দরে একের পর এক হামলা চালায় ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। হুঁশিয়ারি দেয় বিমানবন্দর চত্বর এড়িয়ে চলার। মঙ্গলবার সৌদি আরবের তরফে হুথি নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের রাজধানী সানায় একটি তেল শোধনাগারে বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলার আগেই সাধারণ নাগরিকদের ওই এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ার পর এটাই ছিল সৌদি নেতৃত্বাধীনের জোটের দেওয়া এই প্রথম স্থানান্তরের নির্দেশ।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, হুথি পরিচালিত চ্যানেল 'আল-মাসিরা' থেকে জানা যায়, সানার পশ্চিমে আল-সাবাহায় তেল সংস্থা 'ইয়েমেন পেট্রোলিয়াম কোম্পানি' ও তার সংলগ্ন এলাকা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তেল শোধনাগারটি জ্বলছে। সেখান থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রচণ্ড জোরে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান বলে জানিয়েছেন। তবে তেল সংস্থাটি জানিয়েছে, পর্যাপ্ত তেল মজুদ থাকায় এই হামলার ফলে নাগরিকদের জ্বালানি সরবরাহে কোনও সঙ্কট তৈরি হবে না।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">এই হামলার জবাবে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবকে পাল্টা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, সানা বা ইয়েমেনি ভূখণ্ডে কোনও আক্রমণ হলে রিয়াধের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, তেল শোধনাগার এবং দাম্মামের আরামকো প্রতিষ্ঠানে পাল্টা বিধ্বংসী আঘাত হানা হবে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি জোটের মধ্যেকার এই সংঘাত সাম্প্রতিক সপ্তাহে চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বাব আল-মান্দেব প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হুথিরা দখলে নেওয়ার পর এই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এর আগে রিয়াধ বিমানবন্দরে হুথি হামলায় একজন ভারতীয় নাগরিক-সহ ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহতের সংখ্যা ছিল ৩০০-র বেশি। হুথি হানার হুঁশিয়ারির জন্য বিমানবন্দরের সমস্ত পরিষেবাও স্থগিত রাখা হয়। এই হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই রিয়াধের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে। অনেক দেশই তাদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[houthi]]></category>
            <category><![CDATA[iran]]></category>
            <category><![CDATA[Sanaa]]></category>
            <category><![CDATA[Yemen Conflict]]></category>
            <category><![CDATA[Yemen Oil Company]]></category>
            <category><![CDATA[Saudi Airstrike]]></category>
            <category><![CDATA[Saudi Led Coalition]]></category>
            <category><![CDATA[saudi arabia]]></category>
            <category><![CDATA[Sanaa Oil Facility]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/50baafb7-3c3f-44b3-8149-6ce380f74142.webp" length="18824" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/50baafb7-3c3f-44b3-8149-6ce380f74142.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/50baafb7-3c3f-44b3-8149-6ce380f74142.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পকেটে মোবাইল, কোলে ল্যাপটপ! প্রজনন ক্ষমতা কমছে এই অভ্যাসে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/men-fertility-risk-mobile-phone-in-the-pocket-laptop-on-the-lap-is-this-habit-reducing-fertility-517075</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/men-fertility-risk-mobile-phone-in-the-pocket-laptop-on-the-lap-is-this-habit-reducing-fertility-517075</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 14:51:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এই অভ্যাসগুলির সঙ্গে পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা করছেন গবেষকরা? বিশেষ করে ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ করা এবং মোবাইল ফোন পকেটে রাখার মতো অভ্যাস নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত স্মার্টফোন এবং ল্যাপটপ আমাদের নিত্যসঙ্গী। অফিসের কাজ হোক বা অবসর কাটানো, বেশির ভাগ সময়ই কোনও না কোনও ডিজিটাল যন্ত্রের সামনে কাটে। কিন্তু জানেন কি, এই অভ্যাসগুলির সঙ্গে পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্যের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা করছেন গবেষকরা? বিশেষ করে ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ করা এবং মোবাইল ফোন পকেটে রাখার মতো অভ্যাস নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।</p>&#13;
<p>কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করা কি ক্ষতিকর?</p>&#13;
<p>অনেকেই সোফায় বসে কিংবা বিছানায় শুয়ে কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করেন। কিন্তু ল্যাপটপ ব্যবহারের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ কোলে রাখলে অণ্ডকোষের আশপাশের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পুরুষের শরীরে শুক্রাণু তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার জন্য অণ্ডকোষের তাপমাত্রা শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রার তুলনায় কিছুটা কম থাকা প্রয়োজন। অতিরিক্ত তাপের সংস্পর্শে থাকলে শুক্রাণুর উৎপাদন এবং গুণমান প্রভাবিত হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>প্যান্টের পকেটে মোবাইল রাখলে কী হয়?</p>&#13;
<p>স্মার্টফোন প্যান্টের পকেটে রাখা অত্যন্ত সাধারণ অভ্যাস। মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি বা আরএফ তরঙ্গ পুরুষের প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা হয়েছে। কিছু গবেষণায় শুক্রাণুর গতিশীলতা ও গুণমান কমতে দেখা গিয়েছে৷&nbsp;</p>&#13;
<p><br>প্রজনন স্বাস্থ্য ভাল রাখতে কী করবেন?</p>&#13;
<p>১. দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ কোলে রেখে কাজ করবেন না। ডেস্ক বা ল্যাপটপ স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন।</p>&#13;
<p>২. মোবাইল ফোন সব সময় প্যান্টের সামনের পকেটে রাখার অভ্যাস বদলাতে পারেন।</p>&#13;
<p>৩. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন।</p>&#13;
<p>৪. ধূমপান এড়িয়ে চলুন এবং মদ্যপানের অভ্যাস থাকলে তা কমানোর বিষয়ে সচেতন হন।</p>&#13;
<p>৫. পর্যাপ্ত ঘুমোন এবং সুষম খাবার খান।</p>&#13;
<p>৬. দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তানধারণে সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p>&#13;
<p>মনে রাখতে হবে, পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা একাধিক শারীরিক, হরমোনজনিত ও জীবনযাপন-সংক্রান্ত বিষয়ের উপর নির্ভর করে। মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করলেই প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়, এমন ধারণা ঠিক নয়। তবে কাজের ধরন ও দৈনন্দিন অভ্যাসে ছোটখাটো পরিবর্তন সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[men health]]></category>
            <category><![CDATA[fertility]]></category>
            <category><![CDATA[health]]></category>
            <category><![CDATA[fertile]]></category>
            <category><![CDATA[sperm quality]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/12dbf612-e34b-4783-bbd9-6005a93ca7e9.webp" length="25362" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/12dbf612-e34b-4783-bbd9-6005a93ca7e9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/12dbf612-e34b-4783-bbd9-6005a93ca7e9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দু’দিনের ব্যবধানে দুই বিরল দুর্ঘটনা, পেটের অঙ্গ বুকে উঠে এল! জটিল অস্ত্রোপচারে প্রাণ ফেরাল আরজি কর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/doctors-of-rg-kar-medical-college-have-done-the-unthinkable-they-saved-two-patient-after-rare-operation-517068</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/doctors-of-rg-kar-medical-college-have-done-the-unthinkable-they-saved-two-patient-after-rare-operation-517068</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 14:21:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে দু’টি ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দুই রোগীরই শরীরের পেটের অঙ্গ উঠে এসেছিল বুকে। বিরল এই পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলেন চিকিৎসকরা। ]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>মাত্র দু&rsquo;দিনের ব্যবধানে দু&rsquo;টি ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দুই রোগীরই শরীরের পেটের অঙ্গ উঠে এসেছিল বুকে। বিরল এই পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলেন চিকিৎসকরা। শেষ পর্যন্ত জটিল অস্ত্রোপচারে দুই রোগীকেই সুস্থ করে তোলার পথে বড় সাফল্য পেল কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। চিকিৎসকদের দাবি, এমন বিরল পরিস্থিতি একই সময়ে দুই রোগীর ক্ষেত্রে সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁদের আগে মনে পড়ছে না।</p>&#13;
<p>গত ৩০ সেপ্টেম্বর, বুধবার, বাইক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ১৯ বছরের এক যুবতীকে একাধিক হাসপাতাল ঘুরে নিয়ে আসা হয় আরজি করে। হুগলির বাসিন্দা ওই যুবতীর প্রথমে হাত-পা ভাঙার চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু পরে একাধিক পরীক্ষার পর দেখা যায় পরিস্থিতি ভয়াবহ। দেখা যায়, বুক ও পেটের মাঝখানে থাকা ডায়াফ্রাম সম্পূর্ণ ছিঁড়ে গিয়েছে। ফলে ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র, পাকস্থলী-সহ পেটের একাধিক অঙ্গ উঠে এসেছে বুকের মধ্যে।</p>&#13;
<p>এর ঠিক দু&rsquo;দিন পর, ২ অক্টোবর, শুক্রবার, একই ধরনের গুরুতর আঘাত নিয়ে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিহারের ২৯ বছরের এক যুবককে। তাঁর ক্ষেত্রেও ডায়াফ্রাম ছিঁড়ে যাওয়ায় পেটের একাধিক অঙ্গ বুকে উঠে এসেছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের আঘাতে শুধু পেটের অঙ্গগুলিকে ফের যথাস্থানে ফিরিয়ে আনাই যথেষ্ট নয়। ডায়াফ্রামের ছিন্ন অংশ মেরামত করার পাশাপাশি রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক প্রক্রিয়াও সামলাতে হয়। কার্ডিয়াক সার্জেন রাজর্ষি বসু, অ্যানাস্থেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক রাজশ্রী বিশ্বাস এবং তাঁদের সহযোগী স্নাতকোত্তর স্তরের চিকিৎসকদের যৌথ প্রচেষ্টায় জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।</p>&#13;
<p>বর্তমানে দুই রোগীই চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকদের বক্তব্য, দু&rsquo;জনের অবস্থারই উন্নতি হয়েছে এবং তাঁরা অনেকটাই বিপন্মুক্ত। তবে একজনকে এখনও ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রেখে বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। দ্রুত তাঁদের সুস্থ করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী চিকিৎসকরা।</p>&#13;
<p>আজকাল ডট ইন-এর মুখোমুখি হয়ে চিকিৎসক রাজর্ষি বসু ও রাজশ্রী বিশ্বাস জানান, এই সাফল্য কোনও এক জন চিকিৎসকের পক্ষে সম্ভব ছিল না। তাঁদের কথায়, &ldquo;আমাদের কারও একার পক্ষে এত বড় চিকিৎসা সম্ভব ছিল না। জুনিয়র টিম এবং একে অপরের সহযোগিতা ছাড়া এটা একেবারেই সম্ভব হত না। তবে এখন তাঁরা অনেকটাই বিপন্মুক্ত। একজন সিসিইউতে রয়েছে, কিন্তু ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। আশা করছি, খুব শীঘ্রই দু&rsquo;জনকেই সুস্থ অবস্থায় পরিবারের হাতে তুলে দিতে পারব।&rdquo;</p>&#13;
<p>আরজি করের এমএসভিপি সপ্তর্ষি চ্যাটার্জিও চিকিৎসকদের এই সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, &ldquo;আমি সবটা শুনেছি। আমাদের হাসপাতালের এই জোড়া সাফল্য আবারও প্রমাণ করল, আমাদের চিকিৎসকরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে চিকিৎসা করে চলেছেন। তাঁদের যত প্রশংসাই করা হোক, কম হবে। এখন আমাদের একটাই আশা, যাতে শীঘ্রই দু&rsquo;জনকে সুস্থ অবস্থায় পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারি।&rdquo;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[rg kar medical college]]></category>
            <category><![CDATA[health]]></category>
            <category><![CDATA[rg kar hospital]]></category>
            <category><![CDATA[rg kar]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/93f28c7d-e5ee-4143-bb36-6af76cfbe557.webp" length="57316" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/93f28c7d-e5ee-4143-bb36-6af76cfbe557.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/93f28c7d-e5ee-4143-bb36-6af76cfbe557.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এক চামচ অলিভ অয়েল খেলেই কমবে ডায়াবেটিস? রক্তে শর্করা বৃদ্ধির ঝুঁকি কমাতে কী বলছে নতুন গবেষণা? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/consuming-a-spoonful-of-olive-oil-reduce-diabetes-what-does-new-research-say-517066</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/consuming-a-spoonful-of-olive-oil-reduce-diabetes-what-does-new-research-say-517066</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 14:20:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সম্প্রতি এমনই এক সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে নতুন গবেষণায়। গবেষকদের দাবি, কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার আগে অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল খেলে খাবারের পর রক্তে শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি কিছুটা কম হতে পারে। ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবারের তালিকা নিয়ে সচেতন থাকেন অনেকেই। বিশেষ করে ভাত, রুটি, পাউরুটি বা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু শুধু কী খাচ্ছেন, তা-ই নয়, খাবার খাওয়ার আগে কোন উপাদান শরীরে প্রবেশ করছে, তার উপরও রক্তে শর্করার ওঠানামা নির্ভর করতে পারে। সম্প্রতি এমনই এক সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে নতুন গবেষণায়। গবেষকদের দাবি, কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার আগে অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল খেলে খাবারের পর রক্তে শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি কিছুটা কম হতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p>জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ডাইসুকে ইয়াবে এবং তাঁর দলের এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ডায়াবিটিস পত্রিকায়। গবেষণায় ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে দেখা হয়, গ্লুকোজ গ্রহণের আগে অলিভ অয়েল খাওয়া ইঁদুরগুলির রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম বেড়েছিল। বিশেষ করে খাবার খাওয়ার ১৫ ও ৩০ মিনিট পর এই পার্থক্য স্পষ্ট ছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;সাধারণত খাবার পাকস্থলী থেকে ক্ষুদ্রান্ত্রে পৌঁছনোর পর কার্বোহাইড্রেট ভেঙে গ্লুকোজ তৈরি হয় এবং তা রক্তে মিশে যায়। অলিভ অয়েলের মতো ফ্যাটজাতীয় উপাদান পাকস্থলী থেকে খাবার ক্ষুদ্রান্ত্রে যাওয়ার গতি ধীর করে দিতে পারে। ফলে গ্লুকোজ শোষণের প্রক্রিয়াও ধীর হতে পারে।</p>&#13;
<p>&nbsp;গবেষণায় অলিভ অয়েলের পাশাপাশি ফ্ল্যাক্সসিড অয়েল, নারকেল তেল, মাছের তেল এবং লার্ডের মতো অন্যান্য ফ্যাটজাতীয় উপাদানও পরীক্ষা করা হয়েছিল। বিভিন্ন পরীক্ষার ফল মিলিয়ে রক্তে শর্করার প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে অলিভ অয়েল তুলনামূলকভাবে ভাল ফল দেখিয়েছে। তবে গবেষণাটি ইঁদুরের উপর করা হয়েছে। তাই কোন তেল মানুষের ক্ষেত্রে কতটা কার্যকর, কী পরিমাণে খাওয়া প্রয়োজন অথবা দীর্ঘমেয়াদে এর কী প্রভাব পড়তে পারে, তা জানার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।&nbsp;</p>&#13;
<p>রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে খাবারের পরিমাণ, কার্বোহাইড্রেটের ধরন, শারীরিক পরিশ্রম, ওজন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।<br>সুষম খাবার খাওয়া, পরিমিত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ, শাকসবজি ও ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা জরুরি। বিশেষ করে যাঁরা ইনসুলিন বা রক্তে শর্করা কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[olive oil]]></category>
            <category><![CDATA[diabetes]]></category>
            <category><![CDATA[diabetes risk]]></category>
            <category><![CDATA[Diabetes Care]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/2133211a-5b3e-4ee4-8e74-a10b4c2f6a3b.webp" length="25398" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/2133211a-5b3e-4ee4-8e74-a10b4c2f6a3b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/2133211a-5b3e-4ee4-8e74-a10b4c2f6a3b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রুপির দামে বড়সড় প্রত্যাবর্তন, তিন দিনে ১৭৯ পয়সা বৃদ্ধি—কী পদক্ষেপ নিল আরবিআই?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/indian-rupee-rises-179-paise-in-three-days-against-us-dollar-517058</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/indian-rupee-rises-179-paise-in-three-days-against-us-dollar-517058</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 13:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দীর্ঘদিনের চাপ কাটিয়ে মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ভারতীয় মুদ্রা। বুধবার টানা তৃতীয় দিনের মতো শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>&nbsp;দীর্ঘদিনের চাপ কাটিয়ে মার্কিন ডলারের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ভারতীয় মুদ্রা। বুধবার টানা তৃতীয় দিনের মতো শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। এদিন সকালে ডলারের তুলনায় ৩৬ পয়সা বেড়ে ৯৪.৯৯ স্তরে লেনদেন শুরু করে রুপি। দিনের প্রথম ভাগে আরও শক্তিশালী হয়ে পৌঁছে যায় ৯৪.৯২ স্তরে। অর্থাৎ, প্রতি ডলারের দাম ৯৫ টাকার নিচে নেমে আসে। সাম্প্রতিক সময়ে টানা দরপতনের পর এই পুনরুদ্ধার ভারতীয় মুদ্রার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p><br>মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, মার্কিন ডলারের তুলনায় ৯৫.৩৬ স্তরে লেনদেন শেষ করেছিল ভারতীয় টাকা। তার আগে সোমবারও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছিল মুদ্রার দামে। শুক্রবারের ৯৬.৭১ স্তরের সঙ্গে তুলনা করলে, মাত্র তিনটি লেনদেনের দিনে ডলারের বিরুদ্ধে মোট ১৭৯ পয়সা শক্তিশালী হয়েছে রুপি।</p>&#13;
<p><br><strong>কেন বাড়ছে ভারতীয় টাকার দাম?</strong><br>বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় মুদ্রার এই ঘুরে দাঁড়ানোর পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সাম্প্রতিক বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত পদক্ষেপের। ডলারের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্য ফেরানো এবং মুদ্রাবাজারে অতিরিক্ত জল্পনামূলক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করাই এই পদক্ষেপগুলির অন্যতম উদ্দেশ্য।</p>&#13;
<p><br>তেল সংস্থাগুলির জন্য ডলার সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করেছে আরবিআই। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ডলার পাওয়ার সুযোগ থাকায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ডলার কেনার জন্য স্পট ফরেক্স মার্কেটের উপর সরাসরি চাপ কমতে পারে। এর ফলে ডলারের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>&#13;
<p><br>পাশাপাশি, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারের ওঠানামা থেকে ঝুঁকি কমানোর জন্য ব্যবহৃত কিছু হেজিং লেনদেনের খরচও বাড়ানো হয়েছে। এর লক্ষ্য মুদ্রাবাজারে অতিরিক্ত ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা কমানো এবং টাকার উপর চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।</p>&#13;
<p><br><strong>আরবিআই গভর্নর কী বলছেন?</strong><br>মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা এই পদক্ষেপগুলির পক্ষে সওয়াল করেন। তাঁর বক্তব্য, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে জল্পনামূলক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করা হলেও যেসব সংস্থার প্রকৃত বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত ঝুঁকি রয়েছে, তাদের হেজিংয়ের সুযোগ বজায় রাখা জরুরি।</p>&#13;
<p><br>প্রয়োজনে মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।</p>&#13;
<p><br>মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক স্থিতিশীলতার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে গভর্নর জানান, আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা ছাড়া মূল্যস্থিতির লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নয়। কারণ, আর্থিক ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যকারিতার উপরই মুদ্রানীতির প্রভাব অনেকাংশে নির্ভর করে।</p>&#13;
<p><br><strong>তিন দিনে কীভাবে বাড়ল রুপির দাম?</strong><br>সোমবার ডলারের তুলনায় ৯৩ পয়সা বেড়ে ৯৫.৭৮ স্তরে পৌঁছেছিল ভারতীয় টাকা। ছয় মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সেটি ছিল এক দিনে রুপির অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। মঙ্গলবার আরও ৪২ পয়সা শক্তিশালী হয়ে ৯৫.৩৬ স্তরে লেনদেন শেষ করে মুদ্রাটি। বুধবার সকালের বৃদ্ধিতে সেই পুনরুদ্ধার আরও জোরদার হয়েছে।</p>&#13;
<p><br>তবে আগামী দিনে রুপির দাম কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে ডলারের চাহিদা, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে লেনদেন এবং আরবিআইয়ের পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হচ্ছে, তার উপর। আপাতত টানা তিন দিনের এই বৃদ্ধি ভারতীয় মুদ্রার জন্য স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[RBI Forex Measures]]></category>
            <category><![CDATA[indian rupee]]></category>
            <category><![CDATA[us dollar]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/548cd688-078d-49a8-98a8-70652e3f043b.webp" length="80230" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/548cd688-078d-49a8-98a8-70652e3f043b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/548cd688-078d-49a8-98a8-70652e3f043b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কাজ দেবে ম্যাজিকের মতো! কমলালেবুর খোসা দিয়ে বানান ঘরোয়া কিচেন ক্লিনার ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/home-made-kitchen-cleaner-with-orange-peels-517051</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/home-made-kitchen-cleaner-with-orange-peels-517051</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 12:59:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দুর্গাপুজো শেষ হতে না হতেই চলে আসবে কালীপুজো। পুজো প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের তুমুল ব্যস্ততার সাথেই এখন জোরকদমে চলছে ঘর-বাড়ি ঝাড়া মোছার কাজ। জানলে অবাক হবেন বাড়িঘর পরিষ্কার করার কাজে একেবারে ম্যাজিকের মত কাজ করে কমলালেবুর খোসা আর ভিনিগারের মিশ্রণে তৈরি একেবারে ঘরোয়া ক্লিনার।]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>দেশজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ। দুর্গাপুজো হোক কিংবা নবরাত্রি সারা বছর এই দিনগুলোর অপেক্ষাতেই থাকেন আপামর দেশবাসী। সামনেই আসছে আলোর উৎসব। দুর্গাপুজো শেষ হতে না হতেই চলে আসবে কালীপুজো। উৎসবের মরশুমে চারিদিকে এখন সাজো সাজো রব। তাই পুজোর এই বিশেষ দিন গুলোতে শুধুই নিজেদের সাজগোজ নয়, সেই সাথে বাড়িঘর পরিষ্কার করতে করতেই হাঁপিয়ে উঠছেন অনেকেই।</p>&#13;
<p>উৎসবের দিনে অনেকের বাড়িতেই অতিথি সমাগম হয়। তাছাড়া নিজেদের পাশাপাশি, যখন &nbsp;বাড়ির প্রতিটি জায়গা পরিপাটি করে সাজানো হয় তখন দেখতেও সুন্দর লাগে। আরাম হয় চোখে। তাই পুজো প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের তুমুল ব্যস্ততার সাথেই এখন জোরকদমে চলছে ঘর-বাড়ি ঝাড়া মোছার কাজ। জানলে অবাক হবেন বাড়িঘর পরিষ্কার করার কাজে একেবারে ম্যাজিকের মত কাজ করে কমলালেবুর খোসা আর ভিনিগারের মিশ্রণে তৈরি একেবারে ঘরোয়া ক্লিনার।</p>&#13;
<p><strong>উপকরণ:</strong></p>&#13;
<p>বেশ কয়েকটি কমলালেবুর খোসা, ঘরে থাকা সাদা ভিনিগার, পরিষ্কার কাচের বোতল এবং জল।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>পদ্ধতি:</strong></p>&#13;
<p>প্রথমে কমলা লেবুর খোসাগুলো খুব ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এবার একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর লেবুর খোসাগুলো কাচের বোতলে অর্ধেক থেকে দুই তৃতীয়াংশ পর্যন্ত ভরে নিতে হবে। সমস্ত খোসাগুলো যাতে ভালোমতো ডুবে থাকে তার জন্য পরিমাণ মতো ভিনেগার মিশিয়ে নিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে লেবুর খোসার কোন অংশ যাতে উপরে ভেসে না ওঠে।</p>&#13;
<p>বোতলের মুখ টাইট করে বন্ধ করে ঠান্ডা এবং ছায়াযুক্ত স্থানে রেখে দিতে হবে। &nbsp;একটানা দু সপ্তাহ এইভাবে রাখা হলে কমলালেবুর খোসার মিষ্টি গন্ধ ভিনেগারের সাথে মিশে যাবে। তবে এই দুই সপ্তাহে মাঝেমধ্যেই কাঁচর বোতলটি ঝাঁকিয়ে নিতে হবে।</p>&#13;
<p>দু&rsquo;সপ্তাহ পর পরিষ্কার কাপড় দিয়ে কিংবা একটি ছাঁকনির সাহায্যে ওই তরলটি ছেঁকে নিতে হবে। এরপর ওই মিশ্রণের সাথে সমান পরিমাণে জল মিশিয়ে কমলালেবুর এই ঘরোয়া ক্লিনারটি একটি স্প্রে বোতলে ঢেলে নিতে হবে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>বাড়ির কোথায় কোথায় ব্যবহার করা যায়?</strong></p>&#13;
<p>রান্নাঘরের টাইলসের উপর হামেশাই তেল মশলার আস্তরণ পড়ে যায়। তাই রান্না ঘরের টাইলসের পাশাপাশি স্টিলের সিঙ্ক, গ্যাস ওভেন, দেওয়ালে কিংবা এমন যে কোন জায়গা যেখানে তেলচিটে ভাব কিংবা হালকা ময়লা জমে আছে সেখানে এই ঘরোয়া ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে।</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=y3h620nCZ6eRekyo">https://youtu.be/TTaC77AoBTQ?si=y3h620nCZ6eRekyo</a></p>&#13;
<p>ক্লিনার স্প্রে করার পর দু মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর ভেজা কাপড় কিংবা স্পঞ্জ দিয়ে সমস্ত ময়লা পরিষ্কার করে নিন। এতে ময়লা দূর হওয়ার পাশাপাশি কমলালেবুর একটা মিষ্টি গন্ধ থেকে যায়।</p>&#13;
<p>যদিও সব জায়গায় এই ক্লিনার ব্যবহার করা যায় না। তাই মার্বেল, গ্রানাইট, পালিশ না করা কাঠ কিংবা ইলেকট্রনিক যন্ত্রের ওপর এই ক্লিনার ব্যবহার না করাই ভালো।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[সিকিমবিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
            <category><![CDATA[lifestyle]]></category>
            <category><![CDATA[Orange Peels]]></category>
            <category><![CDATA[Home Made]]></category>
            <category><![CDATA[Kitchen Cleaner]]></category>
            <category><![CDATA[Diwali Cleaning]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d10482ed-3446-45ca-b375-3be4ee0836dc.webp" length="54484" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d10482ed-3446-45ca-b375-3be4ee0836dc.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/d10482ed-3446-45ca-b375-3be4ee0836dc.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পুজোর আগেই কলকাতায় বসে চলছিল মারাত্মক ষড়যন্ত্র! এসটিএফের দুরন্ত অভিযানে সব মাটি, খোঁজ মিলল 'সেই' কারখানার]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/illegal-arms-factory-busted-in-kolkata-weapons-and-equipment-seized-517045</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/illegal-arms-factory-busted-in-kolkata-weapons-and-equipment-seized-517045</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 11:41:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কলকাতায় একটি বেআইনি অস্ত্র তৈরির কারখানার হদিশ পেল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। ]]></description>
            <dc:creator>আর্যা ঘটক</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কলকাতায় একটি বেআইনি অস্ত্র তৈরির কারখানার হদিশ পেল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, কলকাতা পুলিশের নাদিয়াল থানার অন্তর্গত আয়ুবনগরের একটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই বেআইনি অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান মেলে।</p>&#13;
<p>অভিযানে উদ্ধার হয়েছে দুটি ৭ এমএম আগ্নেয়াস্ত্র, দুটি দেশি আগ্নেয়াস্ত্র, বিভিন্ন ধরনের তাজা কার্তুজ ও ব্যবহৃত কার্তুজ। পাশাপাশি, অস্ত্র তৈরির প্রচুর সরঞ্জামও উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও সরঞ্জাম থেকে ওই বাড়িতে বেআইনিভাবে আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কাজ চলছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে তদন্তকারীরা।</p>&#13;
<p>তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যায়। যদিও তাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে বলে এসটিএফ সূত্রে খবর। পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য তল্লাশি শুরু হয়েছে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=niKbkoeEkKI</p>&#13;
<p>এই ঘটনায় নাদিয়াল থানায় অস্ত্র আইনের (আর্মস অ্যাক্ট) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই বেআইনি অস্ত্র তৈরির কারখানার পিছনে আর কারা জড়িত রয়েছে, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম কোথা থেকে আসত এবং তৈরি অস্ত্র কোথায় সরবরাহ করা হত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[crime news]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal stf]]></category>
            <category><![CDATA[kolkata news]]></category>
            <category><![CDATA[Illegal Arms Factory]]></category>
            <category><![CDATA[​Nadiak Police Station]]></category>
            <category><![CDATA[Arms Seized]]></category>
            <category><![CDATA[kolkata police]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b8f15235-c9fb-431f-a035-14815793142e.webp" length="30402" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b8f15235-c9fb-431f-a035-14815793142e.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/b8f15235-c9fb-431f-a035-14815793142e.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[চতুর্থীতে হু হু করে কমল সোনার দাম! কলকাতায় ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট কত? আজ সস্তায় সোনা কিনুন ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/gold-price-kolkata-check-22-and-24-carat-gold-prices-drop-ahead-of-durga-puja-check-city-wise-rates-on-october-14-517038</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/gold-price-kolkata-check-22-and-24-carat-gold-prices-drop-ahead-of-durga-puja-check-city-wise-rates-on-october-14-517038</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 10:00:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দুর্গা পুজোর মাস৷ আজ চতুর্থী। পুজোর মুখেই হলুদ ধাতুর দামে নতুন চমক। আজ সোনার দাম গত কালকের থেকেও  কিছুটা কমল। আর সোনার দর কমা মানেই মধ্যবিত্তের নিশ্চন্ত। এই সুযোগে অনেকেই পুজোর আগেভাগেই সোনার দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন। ]]></description>
            <dc:creator>আর্যা ঘটক</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> দুর্গা পুজোর মাস৷ আজ চতুর্থী। পুজোর মুখেই হলুদ ধাতুর দামে নতুন চমক। আজ সোনার দাম গত কালকের থেকেও &nbsp;কিছুটা কমল। আর সোনার দর কমা মানেই মধ্যবিত্তের নিশ্চন্ত। এই সুযোগে অনেকেই পুজোর আগেভাগেই সোনার দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>একনজরে দেখে নিন, আজ, ১৪ অক্টোবর, বুধবার কোন শহরে সোনার দাম কত- কলকাতায় ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>&#13;
<p>দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ৪১০ টাকা। মুম্বইয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>&#13;
<p>আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ৩১০ টাকা। পুনেতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>&#13;
<p>জয়পুরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ৪১০ টাকা। বেঙ্গালুরুতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>&#13;
<p>লখনউয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ৪১০ টাকা। চেন্নাইয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>&#13;
<p>গুরুগ্রামে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ৪১০ টাকা। ভুবনেশ্বরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>&#13;
<p>পাটনায় ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ৩১০ টাকা। হায়দরাবাদে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৮ হাজার ২৬০ টাকা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[gold rate]]></category>
            <category><![CDATA[Kolkata Gold News]]></category>
            <category><![CDATA[kolkata gold price]]></category>
            <category><![CDATA[Gold Price Today]]></category>
            <category><![CDATA[gold price big change]]></category>
            <category><![CDATA[gold price big fall]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/70ec12b4-c006-4b2b-afc8-3c93f6cbb9bf.webp" length="161226" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/70ec12b4-c006-4b2b-afc8-3c93f6cbb9bf.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/70ec12b4-c006-4b2b-afc8-3c93f6cbb9bf.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ঘুম থেকে উঠেই ঈষদুষ্ণ জল খেলে শরীরে কী হয় জানেন? কতটা উপকারী এই অভ্যাস?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/what-happens-to-your-body-if-you-drink-lukewarm-water-right-after-waking-up-know-health-benefits-517033</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/what-happens-to-your-body-if-you-drink-lukewarm-water-right-after-waking-up-know-health-benefits-517033</guid>
            <pubDate>Wed, 14 Oct 2026 09:31:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[চা বা কফির বদলে ঈষদুষ্ণ জল পান করার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। পর্যাপ্ত জল পান করা শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই প্রথম পছন্দ চা বা কফি। তবে দিনের শুরুতে এক কাপ চা বা কফির বদলে ঈষদুষ্ণ জল পান করার অভ্যাস শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। পর্যাপ্ত জল পান করা শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। বিশেষ করে দীর্ঘক্ষণ ঘুমের পর শরীরে জলের জোগান বজায় রাখতে সকালে জল পান করতে পারেন।</p>&#13;
<p>হজমে সাহায্য করে: সকালে ঈষদুষ্ণ জল পান করলে হজমের প্রক্রিয়ায় কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। তবে শুধু গরম জল খেলেই হজমের যাবতীয় সমস্যা দূর হয়ে যাবে, এমনটা নয়।</p>&#13;
<p>শরীরে জলের ঘাটতি মেটায়: রাতে দীর্ঘক্ষণ ঘুমের পর সকালে জল পান করলে শরীরের তরলের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য হয়। শরীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত জল প্রয়োজন। তাই দিনের শুরুতেই জল পান করার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।</p>&#13;
<p>ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: ওজন কমানোর জন্য অনেকেই সকালে ঈষদুষ্ণ জল পান করেন। এই অভ্যাস শরীরে জলের জোগান বজায় রাখতে সাহায্য করলেও শুধু গরম জল পান করে অতিরিক্ত মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি।</p>&#13;
<p>গলা ও শরীরে আরাম দেয়: হালকা গরম জল পান করলে গলায় আরাম মিলতে পারে। বিশেষ করে গলা খুসখুস করা বা অস্বস্তির ক্ষেত্রে উষ্ণ পানীয় সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। তবে এটি কোনও সংক্রমণ বা অসুস্থতার চিকিৎসার বিকল্প নয়।</p>&#13;
<p>খেয়াল রাখবেন, জল যেন অতিরিক্ত গরম না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখা জরুরি। খুব গরম জল মুখ, জিভ ও গলার ক্ষতি করতে পারে। পাশাপাশি সারাদিনেও পর্যাপ্ত জল পান করা প্রয়োজন। ঈষদুষ্ণ জলের পরিবর্তে সাধারণ তাপমাত্রার জল পান করলেও শরীরের প্রয়োজনীয় জলীয় চাহিদা পূরণ হতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিঃদ্রঃ এই প্রতিবেদনটি সাধারণ স্বাস্থ্যতথ্যের জন্য। কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[health]]></category>
            <category><![CDATA[healthy lifestyle]]></category>
            <category><![CDATA[Lukewarm water Benefits]]></category>
            <category><![CDATA[morning habits]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/111cdfdd-bce0-4a55-8e40-f45c09c76a39.webp" length="35336" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/111cdfdd-bce0-4a55-8e40-f45c09c76a39.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/14/111cdfdd-bce0-4a55-8e40-f45c09c76a39.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ক্যাসেট নস্টালজিয়া ফেরাতে 'পুজোর গান' বিক্রি করতে চেয়েছিল টালা! ১০১ বছরে বিতর্ক টিকিট বিক্রি নিয়ে]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/tala-prattoy-durga-puja-2026-controversy-against-price-for-ticket-while-visit-pandal-here-what-puja-committee-say-517024</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/tala-prattoy-durga-puja-2026-controversy-against-price-for-ticket-while-visit-pandal-here-what-puja-committee-say-517024</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 23:02:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[পুজো কমিটির বক্তব্যের মূল কথা, ক্যাসেট নস্টালজিয়া উসকে আদতে পুজোর গান বিক্রি করতে চেয়েছিল পুজো কমিটি। কিন্তু কী হবে উপার্জিত টাকা দিয়ে?]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: ১০১-এ জট কাটিয়ে প্রত্যয় নিয়েই ফিরেছিল টালা। ২০২৪ সালের পর, স্বল্প সময়ে, স্বল্প পরিসরে, শিল্পী সুশান্ত পাল ফিরেছেন তাঁর ভাবনা, &lsquo;ডিটাচমেন্ট, বিয়োজন&rsquo; নিয়ে। কিন্তু সেই টালা প্রত্যয় নিয়েই পুজোর মুখে ফের বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, সাধারণের জন্য টালার দরজা খুলে দেওয়ার আগে, ওই প্যান্ডেলে ঢুকতে গেলে গুণতে হয়েছে টাকা। এমনিতে ক্রয় মূল্য ২০০। জিএসটি দিয়ে আরও খানিক বেশি। মাস আর্ট নিয়ে ইতিমধ্যেই বিপুল বিতর্ক। তার মাঝেই ফের টাকা দিয়ে টিকিট বিক্রির অভিযোগ?&nbsp;</p>&#13;
<p>টালা প্রত্যয়ের পুজো কমিটি এই অভিযোগের মুখে দাঁড়িয়ে কী বলছে? এই পুজোর নতুন কমিটির কোষাধ্যক্ষ শুভঙ্কর সাহা বলছেন একেবারে উল্টো কথা। তাঁর বক্তব্যের মূল কথা, ক্যাসেট নস্টালজিয়া উসকে আদতে পুজোর গান বিক্রি করতে চেয়েছিল পুজো কমিটি। কী হবে উপার্জিত টাকা দিয়ে? তাও খোলসা করেছেন তিনি।</p>&#13;
<p>শুভঙ্কর বলছেন, 'টাকা দিয়ে পুজো দেখতে হবে, অমরা এই কনসেপ্টে বিশ্বাসীই নই। ২০২৬ সালে, আমরা একটি অ্যাপে অ্যাড দিই, Immerse into the music feel the puja নামের ইভেন্টের। দেখুন আগে পুজোর সিডি , ক্যাসেট হতো। সেরকম পুজোর গান আছে এখানে। শিল্পী সুশান্ত শিবানী পাল এবং শীর্ষক পাল, যে থিম সং বানিয়েছেন, গত কয়েকবছরে মানুষের চাহিদা দেখেই অমরা বিক্রি করার পরিকল্পনা নিই। তাতে লাগত ২০০টাকা। বিষয় ছিল, আপনি যদি ওই মিউজিক কেনেন, পুজো কর্তৃপক্ষ দুটো পাস দিচ্ছিল কমপ্লিমেন্টারি। কিছু অসৎ মানুষ কলুষিত করতে চাইছেন বিষয়টা।'</p>&#13;
<p>কিন্তু যাঁরা এই কমপ্লিমেন্টারি পাস পাচ্ছেন, তাঁদের লাভ কী? কোন বাড়তি সুবিধা? শুভঙ্কর বলছেন, '১১ তারিখ থেকে এই ইভেন্ট শুরু হয় ওই নির্দিষ্ট অ্যাপে। তাঁদের ভিভিআইপি ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। পুজোর প্যান্ডেলে বেশকিছু স্তর রয়েছে। আমরা তাঁদের প্রতিমার আরও কিছুটা কাছে পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ দিচ্ছি।' তবে একইসঙ্গে পুজো কর্তৃপক্ষের দাবি ১১ তারিখ থেকে এই মিউজিক বিক্রির পরিকল্পনা থাকলেও, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুজোর উদ্বোধন করার কিছু পরেই, সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় টালা প্রত্যয়ের প্যান্ডেলের দরজা।&nbsp;</p>&#13;
<p>কিন্তু এই যে পুজোর গান বিক্রির ভাবনা, তা থেকে অর্জিত টাকা দিয়ে কী করবে টালা? পরিকল্পনা কী? কোষাধ্যক্ষ বলছেন, 'যিনি মিউজিক তৈরি করেছেন, তাঁর শেয়ারিং আছে, শেয়ারিং রয়েছে পুজো কমিটির। আমরা খুব দ্রুত এনজিও'র মাধ্যমে মানুষের জন্য কাজ শুরু করতে চলেছি। সেই কারণেই এই টাকা তোলার পরিকল্পনা।'</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Tala Prattoy]]></category>
            <category><![CDATA[Tala Prattoy Controversy]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Puja 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/783c5fcf-c9ae-4708-b6ff-5785f7fc5c54.webp" length="200876" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/783c5fcf-c9ae-4708-b6ff-5785f7fc5c54.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/783c5fcf-c9ae-4708-b6ff-5785f7fc5c54.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রেলে ৩৫৪৮ পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, স্নাতক হলেই আবেদন, হাতে আর কতদিন সময়?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/indian-railways-recruitment-2026-3548-ntpc-graduate-vacancies-salary-up-to-35400-517021</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/indian-railways-recruitment-2026-3548-ntpc-graduate-vacancies-salary-up-to-35400-517021</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 22:30:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[রেলে চাকরির জন্য অপেক্ষায় থাকা স্নাতক উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর। ২০২৬ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরিজ নিয়োগের মাধ্যমে মোট ৩,৫৪৮টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ভারতীয় রেল।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> রেলে চাকরির জন্য অপেক্ষায় থাকা স্নাতক উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর। ২০২৬ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরিজ নিয়োগের মাধ্যমে মোট ৩,৫৪৮টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ভারতীয় রেল। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তির নম্বর CEN 06/2026। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চারটি পৃথক পদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীদের আগামী ৬ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন জমা দিতে হবে।</p>&#13;
<p><br><strong>কোন পদে কত শূন্যপদ?</strong><br>রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চারটি পদে মোট ৩,৫৪৮ জনকে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে গুডস ট্রেন ম্যানেজার পদে। এই পদে মোট ২,৭৫০ জনকে নিয়োগ করা হবে। এছাড়া সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট পদে ৩৭১টি, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট পদে ৩০০টি এবং চিফ কমার্শিয়াল কাম টিকিট সুপারভাইজার পদে ১২৭টি শূন্যপদ রয়েছে।<br>এই পদগুলিতে রেলের ট্রেন পরিচালনা, বাণিজ্যিক পরিষেবা, হিসাবরক্ষণ এবং প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার সুযোগ পাবেন নির্বাচিত প্রার্থীরা।</p>&#13;
<p><br><strong>বেতন কত?</strong><br>সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন অনুযায়ী, চিফ কমার্শিয়াল কাম টিকিট সুপারভাইজার পদে প্রাথমিক বেসিক বেতন মাসে ৩৫,৪০০ টাকা। অন্য তিনটি পদে প্রাথমিক বেসিক বেতন মাসে ২৯,২০০ টাকা। এর পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী প্রযোজ্য ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। ফলে সরকারি চাকরির পাশাপাশি রেলের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করার সুযোগও থাকছে প্রার্থীদের সামনে।</p>&#13;
<p><br><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা</strong><br>এই নিয়োগে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অথবা সমতুল্য যোগ্যতা থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট পদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনও অতিরিক্ত শর্ত থাকলে তা পূরণ করতে হবে।</p>&#13;
<p><br>বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৩ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত শ্রেণির যোগ্য প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় পাবেন।</p>&#13;
<p><br><strong>আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ তারিখ</strong><br>অনলাইনে আবেদন শুরু হয়েছে ৮ অক্টোবর থেকে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ নভেম্বর, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৮ নভেম্বর। অন্যদিকে, আবেদনপত্রে ভুল সংশোধনের সুযোগ পাওয়া যাবে ৯ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত।</p>&#13;
<p><br><strong>কীভাবে হবে নির্বাচন?</strong><br>প্রার্থীদের প্রথমে প্রথম পর্যায়ের কম্পিউটার বেসড টেস্ট &nbsp;এবং পরে দ্বিতীয় পর্যায়ের CBT-তে বসতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং মেডিক্যাল পরীক্ষা হবে। নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ এবং মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত নির্বাচন করা হবে।</p>&#13;
<p><br>রেলের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট এবং সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট পদে আলাদা করে কম্পিউটার বেসড টাইপিং স্কিল টেস্ট নেওয়া হবে না। তবে চাকরিতে যোগদানের পর প্রার্থীদের কম্পিউটার ও টাইপিং সংক্রান্ত প্রাথমিক দক্ষতা মূল্যায়ন করা হবে। আবেদন করার আগে প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট RRB-এর সরকারি বিজ্ঞপ্তি ভালোভাবে পড়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Railway NTPC Recruitment]]></category>
            <category><![CDATA[RRB NTPC Graduate Level Jobs]]></category>
            <category><![CDATA[Indian Railways Recruitment 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/eab88329-0b5a-45d5-b88e-ace23a5115e2.webp" length="120154" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/eab88329-0b5a-45d5-b88e-ace23a5115e2.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/eab88329-0b5a-45d5-b88e-ace23a5115e2.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অষ্টম বেতন কমিশন: ১৮ হাজারের বেসিক হতে পারে ৩২,৯৪০ থেকে ৬৮,৯৪০ টাকা! কী বলছে হিসাব?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/8th-pay-commission-how-much-will-salary-increase-at-1-83-2-2-57-and-3-83-fitment-factors-517016</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/8th-pay-commission-how-much-will-salary-increase-at-1-83-2-2-57-and-3-83-fitment-factors-517016</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 21:19:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অষ্টম বেতন কমিশন ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। বেতন কাঠামো, মহার্ঘ ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা, পেনশন-সহ একাধিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করতে পারে এই কমিশন।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: &nbsp;</strong>অষ্টম বেতন কমিশন ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের প্রত্যাশা ক্রমশ বাড়ছে। বেতন কাঠামো, মহার্ঘ ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা, পেনশন-সহ একাধিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করতে পারে এই কমিশন। বর্তমানে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন, পেনশনভোগী সংগঠন এবং অন্যান্য অংশীদারদের মতামত সংগ্রহ ও পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে কমিশন। চলতি মাসের শেষের দিকে মুম্বইয়ে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকেরও কর্মসূচি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নিয়ে। ১.৮৩, ২, ২.৫৭ অথবা ৩.৮৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কার্যকর হলে কতটা বাড়তে পারে বেতন? দেখে নেওয়া যাক হিসাব।</p>&#13;
<p><br><strong>ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কী?</strong><br>ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হল একটি গুণক, যার সাহায্যে পুরনো বেসিক বেতনকে নতুন বেতন কাঠামোয় রূপান্তর করা হয়। পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী পুরনো মূল পেনশন থেকে সংশোধিত পেনশন নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।</p>&#13;
<p><br>এর সাধারণ হিসাব হল, বর্তমান বেসিক বেতন &times; ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর = সংশোধিত বেসিক বেতন। উদাহরণ হিসেবে, সপ্তম বেতন কমিশনে ২.৫৭ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কার্যকর হওয়ার পরে ন্যূনতম বেসিক বেতন ৭,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮,০০০ টাকা হয়েছিল।</p>&#13;
<p><br><strong>অষ্টম বেতন কমিশনে কত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের দাবি?</strong><br>অষ্টম বেতন কমিশনের কাছে বিভিন্ন কর্মচারী ও পেনশনভোগী সংগঠন নিজেদের দাবিদাওয়া পেশ করেছে। কয়েকটি সংগঠন ৩.৮৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, বিশেষজ্ঞদের একাংশের রক্ষণশীল অনুমান ১.৮৩ থেকে ২-এর মধ্যে। মাঝারি অনুমান অনুযায়ী, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২ থেকে ২.৫৭ হতে পারে।</p>&#13;
<p><br>তবে এখনও পর্যন্ত অষ্টম বেতন কমিশন কোনও ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর চূড়ান্ত করেনি। ফলে এই সংখ্যাগুলিকে সম্ভাব্য হিসাব হিসেবেই দেখতে হবে, সরকারি ঘোষণা হিসেবে নয়।</p>&#13;
<p><br><strong>কোন ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে কত বেতন হতে পারে?</strong><br><strong>বর্তমান বেসিক বেতন ১৮,০০০ টাকা ধরে সম্ভাব্য হিসাব করলে&mdash;</strong><br><strong>১.৮৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: ৩২,৯৪০ টাকা।</strong><br><strong>২ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: ৩৬,০০০ টাকা।</strong><br><strong>২.৫৭ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: ৪৬,২৬০ টাকা।</strong><br><strong>৩.৮৩ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: ৬৮,৯৪০ টাকা।</strong></p>&#13;
<p><br>এই হিসাব শুধুমাত্র বেসিক বেতনের গুণিতক অনুযায়ী করা হয়েছে। চূড়ান্ত বেতন নির্ধারণের সময় কমিশনের সুপারিশ, বেতন ম্যাট্রিক্স, ভাতা এবং কেন্দ্রের অনুমোদিত নিয়ম গুরুত্বপূর্ণ হবে। তাই এই অঙ্কগুলিকে নিশ্চিত বেতনবৃদ্ধি হিসেবে ধরা যাবে না।</p>&#13;
<p><br><strong>কবে কার্যকর হতে পারে অষ্টম বেতন কমিশন?</strong><br>অষ্টম বেতন কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রাক্তন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। কমিশনের সদস্য-সচিব পঙ্কজ জৈন এবং সদস্য অধ্যাপক পুলক ঘোষ। ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর কমিশন গঠিত হওয়ায়, ১৮ মাসের মধ্যে সুপারিশ জমা দেওয়ার সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৭ সালের মে মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা পড়ার কথা।</p>&#13;
<p><br>এর পর কেন্দ্রীয় সরকার সুপারিশগুলি পর্যালোচনা করে অনুমোদন ও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেবে। ফলে রিপোর্ট জমা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে বর্ধিত বেতন হাতে পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। চূড়ান্ত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, বেতনবৃদ্ধি এবং কার্যকর হওয়ার সময়সীমা জানতে সরকারি ঘোষণার দিকেই নজর রাখতে হবে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[central government employees]]></category>
            <category><![CDATA[8th pay commission]]></category>
            <category><![CDATA[fitment factor]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/ae40d5cc-1961-4528-bc1c-18d5e0495555.webp" length="67718" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/ae40d5cc-1961-4528-bc1c-18d5e0495555.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/ae40d5cc-1961-4528-bc1c-18d5e0495555.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[প্রোটিনে ঠাসা নিরামিষ রেড সস পাস্তা! বাড়িতেই বানান এই সহজ 'ওয়ান পট মিল']]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/try-this-easy-one-pot-meal-red-sauce-pasta-recipe-517012</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/try-this-easy-one-pot-meal-red-sauce-pasta-recipe-517012</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 20:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[খাটনি কমাতে আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একেবারে সহজ অথচ পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি, 'ওয়ান পট মিল' রেসিপি। এই খাবারটি অনায়াসেই রাতের ডিনারও হতে পারে।]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সারাদিনের ব্যস্ততা, অফিসের কাজ সব সামলে বাড়ি ফেরার পর রান্না করার কথা ভাবলেই যেন গায়ে জ্বর আসে। যদিও এটাই অনেকের ডেইলি রুটিন। তাই খাটনি কমাতে আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি একেবারে সহজ অথচ পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি, 'ওয়ান পট মিল' রেসিপি। এই খাবারটি অনায়াসেই রাতের ডিনার হতে পারে।</p>&#13;
<p>তাহলে চলুন আর বেশি দেরি না করে ঝটপট দেখে নেওয়া যাক প্রোটিনে ভরপুর একেবারে নিরামিষ লাল সস পাস্তার এই ওয়ান পট মিলের রেসিপি।কোনরকম ঝঞ্ঝাট ছাড়া, খুব অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে দারুন সুস্বাদু এই পাস্তার রেসিপিট। প্রসঙ্গত এই রেসিপিটি একজন জনপ্রিয় পুষ্টিবিদ-এর তৈরি একটি রেসিপি থেকে অনুপ্রাণিত।</p>&#13;
<p><br><strong>উপকরণ&nbsp;</strong></p>&#13;
<p><strong>ভাজা সব্জির জন্য&nbsp;</strong><br>১ চা চামচ এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল,৪ কোয়া রসুন,১টি বড় লাল ক্যাপসিকাম বড় টুকরো করে কেটে নিতে হবে, ১০টি চেরি টমেটো, অর্ধেক করে কাটতে হবে,লবণ স্বাদমতো ।</p>&#13;
<p><br><strong>সসের জন্য</strong></p>&#13;
<p>১ চা চামচ পেরি-পেরি মশলা, &frac12; চা চামচ লঙ্কা গুঁড়ো, &frac12; চা চামচ অরিগানো, ৮টি ভেজানো কাজু বাদাম, ১০০ গ্রাম হাই-প্রোটিন, লো-ফ্যাট পনির ,⅓ কাপ জল। প্রয়োজনে লবণ এবং এক চিমটি চিনি।</p>&#13;
<p><strong>আরও যা যা লাগবে&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>১ প্যাকেট শিরাতাকি নুডলস। ধুয়ে, জল ঝরানো।<br>পরিবেশনের আগে সাজানোর জন্য কুচানো পার্সলে এবং অতিরিক্ত অরিগ্যানো।</p>&#13;
<p><br><strong>পদ্ধতি</strong><br>প্রথমে একটি প্যানে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল গরম করে নিন। তেল একটু গরম হলে রসুন, লাল ক্যাপসিকাম ও চেরি টমেটোর সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে দিন। সবজিগুলো নরম ও হালকা ভাজা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।</p>&#13;
<p><br>সমস্ত ভাজা সবজিগুলো ব্লেন্ডারে নিয়ে তার সাথে পেরি-পেরি মশলা, চিলি ফ্লেক্স, অরিগ্যানো, ভেজানো কাজু, পনির এবং জল দিয়ে দিন। এরপর সমস্ত উপকরণগুলির একটা মসৃণ ও ক্রিমি পেস্ট বানিয়ে নিন।</p>&#13;
<p><br>এবার সসটি আবার প্যানে ঢেলে কম আঁচে গরম করুন। এবার প্রয়োজন হলে লবণ- চিনি অ্যাড করে স্বাদ ব্যালেন্স করে নিন।</p>&#13;
<p><br>সবশেষে আগে থেকে জল ঝরিয়ে রাখা শিরাতাকি নুডলসগুলো প্যানে দিয়ে দিন। এবার ভালো করে নেড়েচেড়ে নুডলসের সাথে সসটা মিশিয়ে নিন।</p>&#13;
<p>আর এবার একদম শেষে সামান্য কুচানো পার্সলে ও প্রয়োজন মতো অরিগ্যানো দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করে নিন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[pasta]]></category>
            <category><![CDATA[Veg Pasta]]></category>
            <category><![CDATA[recipe]]></category>
            <category><![CDATA[Tasty Food]]></category>
            <category><![CDATA[easy recipe]]></category>
            <category><![CDATA[Red Sauce]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/60e262bd-d878-457c-b7c9-f8a0c8e72b83.webp" length="59782" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/60e262bd-d878-457c-b7c9-f8a0c8e72b83.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/60e262bd-d878-457c-b7c9-f8a0c8e72b83.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[১০ বছরের জন্য মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ? ইক্যুইটি, সোনা ও ডেট ফান্ডে কত টাকা রাখবেন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/10-year-mutual-fund-investment-strategy-how-to-balance-equity-gold-and-debt-funds-517011</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/10-year-mutual-fund-investment-strategy-how-to-balance-equity-gold-and-debt-funds-517011</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 20:25:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ গড়ে তোলার জন্য মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন? হাতে যদি ১০ বছরের সময় থাকে, তা হলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক কৌশল বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ গড়ে তোলার জন্য মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন? হাতে যদি ১০ বছরের সময় থাকে, তা হলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সঠিক কৌশল বেছে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে বিনিয়োগ করে রাখলে শেয়ার বাজারের বৃদ্ধির সুফল পাওয়ার সুযোগ থাকে। তবে শুধু সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ রিটার্ন দেওয়া ফান্ড বেছে নিলেই হবে না। বরং বর্তমান বাজারের অস্থিরতার মধ্যে ঝুঁকি সামলাতে বৈচিত্র্যপূর্ণ পোর্টফোলিও তৈরি করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।</p>&#13;
<p><br>বিশেষজ্ঞদের মতে, বিনিয়োগকারীর ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা, আগে থেকে থাকা বিনিয়োগ, আর্থিক লক্ষ্যের ধরন এবং বিভিন্ন সম্পদের আপেক্ষিক মূল্যায়নের উপর ভিত্তি করেই পোর্টফোলিও সাজানো উচিত।</p>&#13;
<p><br><strong>১০ বছরের পোর্টফোলিওতে কেন ইক্যুইটির পাশাপাশি সোনা ও ঋণপত্র জরুরি?</strong><br>দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইক্যুইটিতে তুলনামূলক বেশি অর্থ রাখা যেতে পারে। তবে তার অর্থ এই নয় যে সম্পূর্ণ টাকা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করতে হবে। আর্থিক লক্ষ্যে পৌঁছনোর ঠিক আগে বাজারে বড়সড় পতন হলে সঞ্চিত অর্থের উপর তার প্রভাব পড়তে পারে।</p>&#13;
<p><br>মাঝারি থেকে বেশি ঝুঁকি নিতে পারেন এমন বিনিয়োগকারীরা পোর্টফোলিওর প্রায় ৬৫ শতাংশ ভারতীয় ইক্যুইটিতে, ৫-১০ শতাংশ আন্তর্জাতিক ইক্যুইটিতে এবং ১০ শতাংশ সোনায় রাখতে পারেন। বাকি অর্থ ঋণভিত্তিক বিনিয়োগে রাখা যেতে পারে।</p>&#13;
<p><br>সোনাকে স্বল্পমেয়াদে দাম বাড়ার সুযোগ হিসেবে না দেখে দীর্ঘমেয়াদি পোর্টফোলিওর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। সোনার দাম বেড়ে গেলে বা কমে গেলে নির্ধারিত বরাদ্দের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিনিয়োগের ভারসাম্য ফেরানো যেতে পারে।</p>&#13;
<p><br>অন্যদিকে, ঋণভিত্তিক ফান্ড পোর্টফোলিওতে স্থিতিশীলতা ও তারল্য আনতে সাহায্য করে। বর্তমান অনিশ্চিত সুদের হারের পরিস্থিতিতে স্বল্পমেয়াদি ও অ্যাক্রুয়াল ডেট ফান্ড বিবেচনা করতে হবে। তবে নতুন করে ঋণভিত্তিক ফান্ডে বিনিয়োগের আগে ইপিএফ, পিপিএফ এবং ফিক্সড ডিপোজিটে থাকা অর্থের হিসাব রাখা জরুরি।</p>&#13;
<p><br><strong>আন্তর্জাতিক ইক্যুইটিতে বিনিয়োগ কেন গুরুত্বপূর্ণ?</strong><br>শুধু ভারতীয় বাজারের উপর নির্ভর না করে বিদেশি শেয়ারে বিনিয়োগের মাধ্যমেও পোর্টফোলিওতে বৈচিত্র্য আনা যায়। আন্তর্জাতিক ইক্যুইটি ফান্ডের মাধ্যমে বিশ্ববাজারের প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং মহাকাশ শিল্পের মতো ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ পাওয়া যায়। পোর্টফোলিওর ১০-১৫ শতাংশ বিদেশি শেয়ারে রাখা যেতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক ব্যবসার বৃদ্ধির সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি টাকার দরপতনের ঝুঁকির বিরুদ্ধে কিছুটা সুরক্ষা মিলতে পারে।</p>&#13;
<p><br><strong>কোন ফান্ডে বিনিয়োগে সতর্ক থাকবেন?</strong><br>বিশেষজ্ঞদের মতে, ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা কম হলে থিম্যাটিক ও সেক্টরাল ফান্ডের পাশাপাশি নতুন ফান্ড অফার বা এনএফও-তে বিনিয়োগ সীমিত রাখা উচিত। কারণ, নির্দিষ্ট শিল্প বা বিনিয়োগের বিষয়ের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।</p>&#13;
<p><br>নিয়মিত এসআইপি-র মাধ্যমে বিনিয়োগ করলে বিভিন্ন সময়ে বাজারের ওঠানামার মধ্যে টাকা বিনিয়োগের সুযোগ মেলে। পাশাপাশি, আর্থিক লক্ষ্যে পৌঁছনোর শেষ দুই থেকে তিন বছর আগে ধীরে ধীরে ইক্যুইটির পরিমাণ কমিয়ে ঋণভিত্তিক বিনিয়োগ বাড়ালে বাজারের বড় পতনের ঝুঁকি কিছুটা কমানো সম্ভব।</p>&#13;
<p><br>সব মিলিয়ে, ১০ বছরের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু বেশি রিটার্ন নয়, বরং ঝুঁকি সামলে দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ তৈরি করা। তবে মনে রাখতে হবে, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ বাজারের ঝুঁকির অধীন।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[mutual funds]]></category>
            <category><![CDATA[sip investment]]></category>
            <category><![CDATA[Equity Funds]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/51098e26-7eca-4367-9faa-afd04af75b5e.webp" length="60050" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/51098e26-7eca-4367-9faa-afd04af75b5e.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/51098e26-7eca-4367-9faa-afd04af75b5e.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সীতারমনের এক টোটকাতেই কামাল! সেনসেক্স-নিফটিতে সবুজ ঝড়]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/sensex-surges-over-1100-points-as-sitharaman-s-ltcg-stt-remarks-lift-market-sentiment-516997</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/sensex-surges-over-1100-points-as-sitharaman-s-ltcg-stt-remarks-lift-market-sentiment-516997</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 18:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[টানা কয়েক সপ্তাহের চাপের পর মঙ্গলবার দুপুরে ভারতীয় শেয়ার বাজারে দেখা গেল বড়সড় উত্থান। অর]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>টানা কয়েক সপ্তাহের চাপের পর মঙ্গলবার দুপুরে ভারতীয় শেয়ার বাজারে দেখা গেল বড়সড় উত্থান। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নতুন করে আশার আলো দেখলেন বিনিয়োগকারীরা। দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভকর এবং সিকিউরিটিজ ট্রানজ্যাকশন ট্যাক্স নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আর সেই খবর সামনে আসতেই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। দিনের লেনদেনে সেনসেক্স এক ধাক্কায় ১১০০ পয়েন্টেরও বেশি বেড়ে যায়। অন্যদিকে, নিফটিও ৩৫০ পয়েন্টের বেশি উত্থান দেখায়।</p>&#13;
<p><br>ব্লুমবার্গ নিউ ইকোনমি ফোরামে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নির্মলা সীতারমন বলেন, দীর্ঘমেয়াদি মূলধনী লাভকর নিয়ে ভারতীয় ও বিদেশি&mdash;উভয় ধরনের বিনিয়োগকারীরাই নিজেদের মতামত জানাচ্ছেন। পাশাপাশি, শেয়ার বাজারে লেনদেনের উপর ধার্য STT এবং বিভিন্ন সম্পদশ্রেণির ক্ষেত্রে একই ধরনের করনীতি প্রয়োগ করা উচিত কি না, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। তাঁর মতে, এই ধরনের বিতর্ক স্বাস্থ্যকর এবং বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।</p>&#13;
<p><br>অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখেছেন বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের ধারণা, মূলধনী লাভকর এবং লেনদেনের খরচ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ সম্পর্কে সরকার অবগত। যদিও করের হার কমানো বা কোনও নির্দিষ্ট পরিবর্তনের ঘোষণা করেননি অর্থমন্ত্রী, তবু তাঁর বক্তব্য বাজারে আশাবাদ তৈরি করেছে।</p>&#13;
<p><br><strong>IT শেয়ারে বড়সড় উত্থান</strong><br>মঙ্গলবার বাজারের উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বা IT ক্ষেত্রের শেয়ারগুলি। নিফটি IT সূচক প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। HCL Technologies-এর শেয়ারের দাম প্রায় ৮ শতাংশ বাড়ে। সংস্থার ত্রৈমাসিক ফলাফল এবং মুনাফার উন্নতি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করেছে। অন্যদিকে, দেশের বৃহত্তম IT পরিষেবা সংস্থা TCS-এর শেয়ারও প্রায় ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>&#13;
<p><br>বিশেষজ্ঞদের মতে, Accenture, TCS এবং HCLTech-এর সাম্প্রতিক ফলাফল থেকে ইঙ্গিত মিলছে যে IT সংস্থাগুলির আয়বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের সবচেয়ে খারাপ পর্ব হয়তো কাটতে চলেছে। ফলে এই ক্ষেত্রের শেয়ারে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে।</p>&#13;
<p><br>তবে চলতি বছরে নিফটি IT সূচক এখনও প্রায় ২৩ শতাংশ নীচে রয়েছে। আয়বৃদ্ধির গতি কমে যাওয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে উদ্বেগের কারণে এত দিন এই ক্ষেত্রের শেয়ারে চাপ ছিল।</p>&#13;
<p><br><strong>মুদ্রাস্ফীতি ও অপরিশোধিত তেলের দাম নিয়ে উদ্বেগ</strong><br>বাজারের সামগ্রিক ছবিতে অবশ্য কিছুটা মিশ্র প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ১৬টি প্রধান ক্ষেত্রভিত্তিক সূচকের মধ্যে ১৪টি ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও স্মল-ক্যাপ সূচক প্রায় ০.৭ শতাংশ কমেছে। মিড-ক্যাপ সূচক বেড়েছে ০.৪ শতাংশ।</p>&#13;
<p><br>দেশের বাজারে এখন নজর রয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সুদের নীতির দিকেও। সেপ্টেম্বরে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেড়ে ৫.৫৪ শতাংশে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের উপরে থাকায় মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা বাড়ছে। ফলে করনীতি নিয়ে আলোচনায় বাজারে স্বস্তি ফিরলেও আগামী দিনে মুদ্রাস্ফীতি ও সুদের হারের গতিপথই বিনিয়োগকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=JwFdq_tA9cE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[IT Stocks]]></category>
            <category><![CDATA[nifty 50]]></category>
            <category><![CDATA[nirmala sitharaman]]></category>
            <category><![CDATA[Sensex Rally]]></category>
            <category><![CDATA[STT]]></category>
            <category><![CDATA[LTCG Tax]]></category>
            <category><![CDATA[indian stock market]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/0cf32279-3126-4939-bda4-11e6a026518b.webp" length="98464" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/0cf32279-3126-4939-bda4-11e6a026518b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/0cf32279-3126-4939-bda4-11e6a026518b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সপ্তমীতেই শহরে পা অমিত শাহের, দু'দিনের সফর তালিকায় রয়েছে বেলুড় মঠ-সহ শহরতলির পুজো মণ্ডপও]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/ami-shah-in-kolkata-durga-puja-amit-shah-will-arrive-in-kolkata-on-saptami-for-a-two-day-durga-puja-visit-516991</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/ami-shah-in-kolkata-durga-puja-amit-shah-will-arrive-in-kolkata-on-saptami-for-a-two-day-durga-puja-visit-516991</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 18:18:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সফরকালে বেলুড় মঠ-সহ কলকাতা ও শহরতলির একাধিক দুর্গাপুজো মণ্ডপ দর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> দুর্গাপুজো উপলক্ষে কলকাতার একাধিক পুজোমণ্ডপ দর্শনে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দু&rsquo;দিনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে থাকবেন তিনি। সফরকালে বেলুড় মঠ-সহ কলকাতা ও শহরতলির একাধিক দুর্গাপুজো মণ্ডপ দর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তাঁর।</p>&#13;
<p><br>সফরসূচি অনুযায়ী, ১৭ অক্টোবর, শনিবার সন্ধেবেলা গুজরাতের আমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানে রওনা দেবেন অমিত শাহ। রাত ৮টার আশপাশে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছনোর কথা তাঁর। আলিপুরের সৌজন্যে থাকবেন।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>পরের দিন, ১৮ অক্টোবর, রবিবার&nbsp; সৌজন্য থেকে বেরিয়ে সকাল ১১টা মিনিটে হাওড়ার বেলুড় মঠে পৌঁছনোর কথা তাঁর। সেখানে সকাল ১২টা পর্যন্ত দর্শনের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>এরপর হাওড়ার বালি দেশবন্ধু ক্লাবের দুর্গাপুজো মণ্ডপে যাবেন তিনি। দুপুরে আলিপুরের সৌজন্য মধ্যাহ্নভোজের পর ফের পুজো পরিক্রমায় বেরোবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p>&#13;
<p><br>সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর দেড়টা নাগাদ চেতলার ২৪ পল্লি দুর্গাপুজো মণ্ডপে পৌঁছবেন অমিত শাহ। সেখানে ২টো পর্যন্ত থাকার কথা। এরপর সেখান থেকে শোভাবাজার রাজবাড়িতে পৌঁছবেন।&nbsp; &nbsp;</p>&#13;
<p><br>এরপর দক্ষিণ দমদমের লেকটাউন এলাকার শ্রীভূমি দুর্গাপুজো মণ্ডপে যাওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। দুপুরবেলা সেখানে থাকবেন তিনি। বিকেল ৩টে নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন অমিত শাহ।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[amit shah]]></category>
            <category><![CDATA[Chetla]]></category>
            <category><![CDATA[belur math]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[Bali]]></category>
            <category><![CDATA[kolkata durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[ministry of home affairs]]></category>
            <category><![CDATA[Deshbandhu Park]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Puja 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/1297c20f-555f-48ff-8c6f-307151bf132b.webp" length="116650" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/1297c20f-555f-48ff-8c6f-307151bf132b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/1297c20f-555f-48ff-8c6f-307151bf132b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পুজো মিটলেই ডিটক্স! বাড়তি ওজন কমানোর চিন্তায় ভুল করছেন না তো?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/easy-tips-for-weight-loss-after-durgapuja-516983</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/easy-tips-for-weight-loss-after-durgapuja-516983</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 17:34:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দ্রুত ওজন কমানোর চক্করে এই সময়ে অনেকে ডিটক্স ড্রিঙ্ক, ফলের রস কিম্বা অন্য কোন কড়া ডায়েটের শরণাপন্ন হন। কিন্তু প্রশ্ন হল শরীর থেকে এই বাড়তি মেদ ঝরানোর জন্য আদৌ কি ডিটক্সের প্রয়োজন আছে? ]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>বাঙালি মানেই ভোজন রসিক। দুর্গাপুজোর সময় সবাই নো ডায়েট মুডেই থাকেন। তাছাড়া সারা বছর যে যতই ডায়েট করুক না কেন পুজোর দিনগুলোতে সেসব আর খাটে না। পুজোয় খাওয়া-দাওয়ার পর এক লাফে ওজনও বেড়ে যায় অনেকটা। তাই পুজো মিটতে না মিটতেই ওজন কমানোর চিন্তা শুরু হয়ে যায় সকলের।&nbsp;</p>&#13;
<p>আর এখানেই ভুল করে বসেন অনেকে। দ্রুত ওজন কমানোর চক্করে এই সময়ে অনেকে ডিটক্স ড্রিঙ্ক, ফলের রস কিম্বা অন্য কোন কড়া ডায়েটের শরণাপন্ন হন। কিন্তু প্রশ্ন হল শরীর থেকে এই বাড়তি মেদ ঝরানোর জন্য আদৌ কি ডিটক্সের প্রয়োজন আছে? কিম্বা এরফলে শরীরে কি প্রভাব পড়তে পারে? এগুলো জানাও অত্যন্ত জরুরী।&nbsp;</p>&#13;
<p>তাই হুট করে এক দিনেই খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে তাড়াতাড়ি রোগা হওয়ার চেষ্টা না করে কিংবা কোনো কঠোর ডায়েটের মধ্যে না গিয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার খাওয়া এবং নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তোলাই অনেক বেশি উপকারী বলে দাবি করে থাকেন অধিকাংশ পুষ্টিবিদরা।</p>&#13;
<p><strong>ফল ও শাকসবজি</strong></p>&#13;
<p>রোজকার খাবারে ফলের সাথেই শাকসবজি, ডাল আর গোটা শস্যজাতীয় খাবার রাখুন। ফাইবার সমৃদ্ধ এই সমস্ত খাবারগুলি যেমন হজমে সাহায্য করে তেমনই অনেকক্ষণ পেট ভরিয়েও রাখতে পারে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিনের জন্য মাছ ডিম ডাল কিংবা পনিরও খাওয়া যেতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান &nbsp;</strong></p>&#13;
<p>সারাদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা আবশ্যক।কারণ শরীরে জলের ঘাটতি হলেই ক্লান্তি ভাব আসতে পারে। যার ফলে হজমেও সমস্যা হয়।</p>&#13;
<p><br><strong>মিষ্টি ও ভাজাভুজি কম খান</strong></p>&#13;
<p>উৎসবের দিনগুলিতে মিষ্টি কিংবা ভাজা ভুজি একটু বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই উৎসব শেষ হতেই অতিরিক্ত তেল যুক্ত খাবার, প্যাকেটজাত খাবার, মিষ্টি এগুলো খাওয়া কমিয়ে ফেলতে হবে। তবে নিয়মিত এই সমস্ত খাবার খাওয়া না গেলেও মাঝে মধ্যে পরিমাণ বুঝে খাওয়া যেতেই পারে।</p>&#13;
<p><br><strong>হাঁটা, ঘুম এবং নিয়ম মাফিক জীবনযাপন&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>শুধু পুজোর পরে বলে নয়, সারা বছরই নিয়ম করে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা কিংবা হালকা ব্যায়াম করা দরকার। তবে শুধু শরীরচর্চা করলেই হবে না, সেই সাথে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম আর নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার অভ্যাস।&nbsp;</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/vZCv49OXTLI?si=YxWdb1kCOr6QPuNg">https://youtu.be/vZCv49OXTLI?si=YxWdb1kCOr6QPuNg</a></p>&#13;
<p>তাই পুজোর পরেই ওজন বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা না করে, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করার অভ্যাস অনেক বেশি কার্যকরী। এই কারণেই খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দ্রুত ওজন না কমিয়ে, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা অনেক বেশি কার্যকরি বলে দাবি করেন পুষ্টিবিদরাও।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[durgapuja]]></category>
            <category><![CDATA[সিকিমবিশ্ববিদ্যালয়]]></category>
            <category><![CDATA[lifestyle]]></category>
            <category><![CDATA[healthy diet]]></category>
            <category><![CDATA[weightloss]]></category>
            <category><![CDATA[Detox]]></category>
            <category><![CDATA[Easy tips]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/1c687131-c524-4861-a610-f358075e462c.webp" length="60348" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/1c687131-c524-4861-a610-f358075e462c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/1c687131-c524-4861-a610-f358075e462c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কাজ দেবে ম্যাজিকের মত! দুধের সর দিয়েই করুন পুজো স্পেশাল রূপচর্চা ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/uses-of-milk-cream-for-skin-care-home-remedy-516970</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/uses-of-milk-cream-for-skin-care-home-remedy-516970</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 16:11:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দুধের সর বহু প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চার ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আজ আপনাদের জানাবো দুধের সর ব্যবহার করার এমনই পাঁচটি ঘরোয়া টোটকার কথা।]]></description>
            <dc:creator>অনিতা দত্ত</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>খাঁটি দুধের সর থেকে ঘরোয়া পদ্ধতিতে দানাদার দেশি ঘি তো অনেকেই তৈরী করেন। তাছাড়া অনেক খাবারের স্বাদ বাড়াতেও দুধের সর দেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু শুধু খাওয়ার জিনিস হিসেবেই নয়, এই দুধের সর বহু প্রাচীনকাল থেকেই রূপচর্চার ক্ষেত্রে ঘরোয়া উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। আজ আপনাদের জানাবো দুধের সর ব্যবহার করার এমনই পাঁচটি ঘরোয়া টোটকার কথা।</p>&#13;
<p><br><strong>রুক্ষ শুষ্ক হাতের জন্য প্যাক</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;শীতকালে বিশেষ করে যাদের ড্রাই স্কিন, একটুতেই চামড়ায় টান ধরতে শুরু করে তারা কিংবা বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার কারণে যাদের ত্বকের চামড়ায় টান ধরতে থাকে তারা এই ঘরোয়া খাঁটি দুধের সর লাগিয়ে ত্বক নরম রাখার চেষ্টা করতে পারেন। যদিও সবার স্ক্রিনের ধরণ একইরকম নয় তাই যাদের স্কিন সেনসেটিভ হয় কিংবা ব্রণ অথবা ত্বকের অন্য কোন সমস্যা থাকের তাদের এর ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>পায়ের জন্য প্যাক তৈরি করুন&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>যাদের পায়ের গোড়ালি সারাক্ষণ শুকনো থাকে তারাও এই দুধের সর ফুটপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে খুব অল্প সময়ের জন্য পায়ের ত্বকের ওপর এই ক্রিম লাগিয়ে নিয়ে তারপর ধুয়ে ফেলতে হবে। তবে যদি কারও পায়ের গোড়ালি ফাটা থাকে কিংবা পায়ে কোনো ক্ষতস্থান থাকে তাহলে সেখানে লাগানো যাবে না।</p>&#13;
<p><strong>মুখের চামড়া নরম করতে&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>এটি অনেক পুরনো একটি ঘরোয়া টোটকা। আগেকার দিনের মা-ঠাকুমারা দুধের সর মুখের মধ্যে ক্রিম হিসাবে ব্যবহার করতেন। যা খুব ভালো মশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। তবে এটি শুধুমাত্র ড্রাই স্কিনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যাদের স্কিন ওয়েলি এবং মুখের ব্রণ হয় তাদের এই টোটকা ব্যবহার না করাই উচিত ।</p>&#13;
<p><strong>চুলের প্যাক হিসাবে&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>শুধুই হাত-পা কিংবা মুখের জন্য নয়, দুধের সর শুষ্ক চুলের ক্ষেত্রেও দারুণ উপকারী। মাথায় কেউ ঘরোয়া প্যাক লাগাতে চাইলে দুধের সর ব্যবহার করতে পারেন। তবে যখন এই দুধের সর প্যাক হিসাব মাথায় লাগানো হবে তখন তা মাথার ত্বকে লাগানোর পরিবর্তে চুলের দৈর্ঘ্য অল্প অল্প করে নিয়ে লাগাতে হবে। পরে শ্যাম্পু করে ভালোভাবে চুল ধুয়ে নিতে হবে।</p>&#13;
<p><br><strong>হাত এবং পা মালিশ করার জন্য&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>প্রাচীনকাল থেকেই ঘরোয়া পদ্ধতিতে হাত এবং পায়ের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে মালিশ করার প্রচলন রয়েছে। আর এক্ষেত্রে দুধের সর কিন্তু অত্যন্ত উপযোগী। দুধের সরের মসৃণতার কারণে এটির ব্যবহার ব্যাপক প্রচলিত।</p>&#13;
<p><a href="https://youtu.be/vZCv49OXTLI?si=YxWdb1kCOr6QPuNg">https://youtu.be/vZCv49OXTLI?si=YxWdb1kCOr6QPuNg</a></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>দুধের সর কীসে ব্যবহার করবেন না?</strong></p>&#13;
<p><strong>চামড়ার জিনিস পরিষ্কার&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>অনেকে অবশ্য চামড়ার জুতো ব্যাগ কিংবা আসবাবপত্রে এই দুধের সর লাগানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু তা একেবারে ঠিক নয়। দুধের সর চামড়া জিনিসে লাগানো হলে দাগ পড়ে যেতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>কাঠের জিনিস পরিষ্কার</strong></p>&#13;
<p>শুধু চামড়ার জিনিস নয় অনেকে আবার কাঠের জিনিসপত্র পরিষ্কার করার জন্য দুধের সর ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু তা একেবারে উচিত নয়। দরকার হলে কাঠের টেবিল চেয়ার আলমারি পরিষ্কার করার জন্য শুকনো কাপড় কিংবা ফার্নিচার ক্লিনার ব্যবহার করা যেতে পারে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[lifestyle]]></category>
            <category><![CDATA[Uses]]></category>
            <category><![CDATA[skin care]]></category>
            <category><![CDATA[beauty tips]]></category>
            <category><![CDATA[Milk Cream]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/b215a8d7-a318-4fb0-8bad-668814d17dbe.webp" length="28776" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/b215a8d7-a318-4fb0-8bad-668814d17dbe.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/b215a8d7-a318-4fb0-8bad-668814d17dbe.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পুজোর মুখে মাথায় হাত সুজিত বসুর, মুখে হাসি ফিরল সব্যসাচীর! দুই মামলায় বড় নির্দেশ আদালতের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/calcutta-hc-rejected-bail-plea-of-sujit-bose-on-the-other-hand-sabyasachi-dutta-granted-bail-on-terms-516959</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/calcutta-hc-rejected-bail-plea-of-sujit-bose-on-the-other-hand-sabyasachi-dutta-granted-bail-on-terms-516959</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 15:06:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ পুজোর আগে জামিন পেলেন না রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। ]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>পুজোর আগে জামিন পেলেন না রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চ তাঁর জামিনের আর্জি খারিজ করে দেয়। এর ফলে পুজোয় জেলেই কাটাতে হবে সুজিতকে।</p>&#13;
<p>দক্ষিণ দমদম পুরসভায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তদন্তের সম্মুখীন হয়েছেন সুজিত। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পুরসভার বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর নাম বেআইনিভাবে সুপারিশ করেছিলেন তিনি। এই মামলাতেই গত মে মাসে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>পুজোর আগে জামিনের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার তাঁর আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। তাঁর জামিনের বিরুদ্ধে ইডির তদন্তে প্রভাব খাটানো এবং প্রমাণ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কার কথা আদালতে তুলে ধরেছিল। ইডির সওয়াল শুনে জামিন মঞ্জুর করেননি বিচারপতি।</p>&#13;
<p>পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে প্রথমে ইডি গ্রেপ্তার করেছিল অয়ন শীলকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই সুজিতের নাম উঠে আসে। বেআইনিভাবে নাম সুপারিশ করার পাশাপাশি বিপুল অঙ্কের আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগও উঠেছে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীর বিরুদ্ধে।&nbsp;</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, স্বস্তি পেলেন নিউটাউন রাজারহাটের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা বিধাননগর পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। তোলাবাজির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল বিধাননগর থানার পুলিশষ মঙ্গলবার কলকাতার হাই কোর্টের বিচারপতি চৈতালি চ্যাটার্জির বেঞ্চ তাঁর শর্তসাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করেছে। ২০১৮ সালে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ২.৩ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগে সব্যসাচীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন পেলেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতার শর্তে জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Sabyasachi Dutta]]></category>
            <category><![CDATA[sujit bose]]></category>
            <category><![CDATA[calcutta high court]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/824885cf-94b0-445a-a883-bb727545decd.webp" length="28902" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/824885cf-94b0-445a-a883-bb727545decd.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/824885cf-94b0-445a-a883-bb727545decd.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কাঁকুড়গাছির নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের বৌদিকে চাকরির আশ্বাস শুভেন্দুর, পুজো উদ্বোধনের পর দাবি দাদা বিশ্বজিতের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/suvendu-adhikari-assures-job-to-the-sister-in-law-of-abhijit-biswas-the-slain-bjp-worker-from-kankurgachi-claim-made-by-his-elder-brother-biswajit-after-a-puja-inauguration-516957</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/suvendu-adhikari-assures-job-to-the-sister-in-law-of-abhijit-biswas-the-slain-bjp-worker-from-kankurgachi-claim-made-by-his-elder-brother-biswajit-after-a-puja-inauguration-516957</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 14:49:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[২০২০ সালে দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় নিহত হন তিনি। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের স্মৃতিতে আয়োজিত দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে হাজির মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার কাঁকুড়গাছিতে এই পুজোয় এসে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকারের স্ত্রী রানি-কে নিজের অ্যাটেনড্যান্ট হিসেবে নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনই দাবি বিশ্বজিতের। তিনি জানিয়েছেন, পুরো বিষয় বিজেপি নেতার সায়ন্তন বসুকে দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।&nbsp;</p>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে খুশি বিশ্বজিৎ সরকার। তাঁর কথায়, "ভাই অভিজিৎ সরকারের মৃত্যুর পর থেকে যে লড়াই আমি চালিয়ে গিয়েছি, সেই লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকেই পুজোয় আমন্ত্রণ করছে কিন্তু আপনারা আগেও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।"</p>&#13;
<p>স্ত্রীকে চাকরির আশ্বাস প্রসঙ্গে বিশ্বজিতের দাবি, পুজোর উদ্বোধনে এসে মুখ্যমন্ত্রী আমার স্ত্রী রানি সরকারকে নিজের অ্যাটেনড্যান্ট হিসেবে নিয়োগের কথা জানিয়েছেন।</p>&#13;
<p>অভিজিৎ সরকারের হত্যাকারীদের শাস্তি নিয়েও মন্তব্য করেছেন দাদা বিশ্বজিৎ। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী আসার পরেই অভিজিৎ সরকারের খুনিরা শাস্তি পেয়েছে।</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, ২০২০ সালে দুর্গাপুজো শুরু করেছিলেন বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় নিহত হন তিনি। তাঁর স্মৃতিতে, প্রতি বছর পুজোর আয়োজন করেন দাদা বিশ্বজিৎ সরকার। এই পুজোয় অভিজিৎ-সহ ভোট-পরবর্তী হিংসায় নিহতদের স্মরণ করা হয়। এবারও সেই পুজোর উদ্বোধন করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাৎপর্যপূর্ণ হল বিশ্বজিতের স্ত্রী-কে মুখ্যমন্ত্রীর চাকরির আশ্বাস।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[Biswajit Biswas]]></category>
            <category><![CDATA[Abhijit Biswas]]></category>
            <category><![CDATA[Kankurgachi]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/00940aae-0c5d-4ff5-9f2a-b24555235200.webp" length="58766" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/00940aae-0c5d-4ff5-9f2a-b24555235200.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/00940aae-0c5d-4ff5-9f2a-b24555235200.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ব্যবসায়ীদের কিছুটা রেহাই দিল কেন্দ্র, কবে চালু হবে ইউপিআই এমডিআর, জানাল এনপিসিআই]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/on-selected-merchants-upi-mdr-to-be-implemented-post-diwali-said-mpci-516944</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/on-selected-merchants-upi-mdr-to-be-implemented-post-diwali-said-mpci-516944</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 13:43:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আগামী বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর থেকে দেশ জুড়ে ব্যবসায়ীদের জন্য ইউপিআই মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত আপাতত বদলাল কেন্দ্র।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>আগামী বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর থেকে দেশ জুড়ে ব্যবসায়ীদের জন্য ইউপিআই মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত আপাতত বদলাল কেন্দ্র। ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এনপিসিআই) মঙ্গলবার জানিয়েছে, দিপাবলীর পরেই নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি-থেকে-ব্যবসায়ী (পি২এম) ইউপিআই লেনদেনের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) কার্যকর করা হবে।</p>&#13;
<p>একটি বিবৃতিতে এনপিসিআই জানিয়েছে, উৎসবের মরসুমের কথা বিবেচনা করে ১৩ অক্টোবর একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কবে থেকে এমডিআর চালু করা হবে তার তারিখ আলাদাভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এমডিআর ডিজিটাল পেমেন্ট প্রসেস করার জন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া একটি ফি। প্রস্তাবিত এই চার্জ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। যদিও বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি কোন কোন শ্রেণীর লেনদেনের উপর এই চার্জ আরোপ করা হবে।</p>&#13;
<p>নতুন কাঠামো অনুযায়ী, দু&rsquo;হাজার টাকার বেশি ইউপিআই পেমেন্ট গ্রহণকারী ব্যবসায়ীদের লেনদেনের মূল্যের উপর ০.৪ শতাংশ ফি দিতে হবে। তবে, ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই চার্জ প্রযোজ্য হবে না এবং নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণীর ক্ষেত্রে পেমেন্টের পরিমাণ নির্বিশেষে একটি নির্দিষ্ট পাঁচ টাকা ফি ধার্য করা হবে।</p>&#13;
<p>গত ১১ আগস্ট সংসদে &lsquo;ট্যাক্সেশন অ্যান্ড আদার ল&rsquo;জ (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬&rsquo; পাস হওয়ার পর এই এমডিআর কাঠামোটি আনা হয়। এই বিলে &lsquo;পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেমস অ্যাক্ট, ২০০৭&rsquo;-এর ধারা ১০এ সংশোধন করে সরকারকে নির্দিষ্ট ডিজিটাল পেমেন্টের উপর চার্জ আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।</p>&#13;
<p>এর ভিত্তিতে, দু&rsquo;হাজার টাকার বেশি ইউপিআই পেমেন্টের ক্ষেত্রে দু&rsquo;ধরনের ফি প্রযোজ্য হবে। রেলওয়ে, টেলিকম পরিষেবা, বিমা এবং জ্বালানি ক্রয়ের সময় মার্চেন্টদের করা পেমেন্টের ক্ষেত্রে প্রতি লেনদেনে ফ্ল্যাট পাঁচ টাকা এমডিআর ধার্য হবে। দু&rsquo;হাজার টাকার উপর ০.৪% এমডিআর ধার্য হবে। যা সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত সীমিত।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[UPI MDR]]></category>
            <category><![CDATA[npci]]></category>
            <category><![CDATA[Merchant Discount Rate]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/5694c1c4-7f83-4dbf-92f6-94bbc44405d2.webp" length="38466" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/5694c1c4-7f83-4dbf-92f6-94bbc44405d2.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/5694c1c4-7f83-4dbf-92f6-94bbc44405d2.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[৫৫-র আগে অবসর নেবেন নাকি তার পরে? পিএফ-এ সুদের নিয়মগুলি জানুন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/epfo-will-you-retire-before-age-55-or-after-know-the-rules-regarding-pf-interest-516937</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/epfo-will-you-retire-before-age-55-or-after-know-the-rules-regarding-pf-interest-516937</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 13:02:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অনেক কর্মীই মনে করেন যে, অবসরের পরেও তাঁদের ইপিএফ ব্যালেন্সের ওপর অনির্দিষ্টকাল ধরে সুদ মিলবে। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> অবসরের পরিকল্পনা করছেন এমন কর্মীদের বোঝা উচিত যে, কাজ থেকে অবসর নেওয়ার পরেও কীভাবে তাঁদের এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) সঞ্চয়ের ওপর সুদ জমা হতে থাকে। অনেক কর্মীই মনে করেন যে, অবসরের পরেও তাঁদের ইপিএফ ব্যালেন্সের ওপর অনির্দিষ্টকাল ধরে সুদ মিলবে। তবে, ইপিএফ-এর সুদের নিয়মগুলি নির্ভর করে সদস্যের বয়স, কর্মসংস্থানের অবস্থা এবং 'এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডস স্কিম'-এর প্রযোজ্য বিধানগুলোর ওপর।</p>&#13;
<p>এই নিয়মগুলি জানা থাকলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা তাঁদের জমা করা প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং সুদ প্রদান সংক্রান্ত বিভ্রান্তি এড়াতে পারেন।</p>&#13;
<p><strong>৫৫ বছর বয়সের আগে অবসর নিলে: আপনার ইপিএফ-এর কী হবে?</strong><br>যদি কোনও কর্মী ৫৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই অবসর নেন, তবে প্রযোজ্য নিয়ম অনুসারে, সদস্যের বয়স ৫৮ বছর হওয়া পর্যন্ত তাঁর ইপিএফ ব্যালেন্সের ওপর সুদ জমা হতে পারে।</p>&#13;
<p>উদাহরণস্বরূপ, ধরুন একজন কর্মী ৫২ বছর বয়সে অবসর নিলেন। ওই কর্মীর জমা করা ইপিএফ ব্যালেন্সের ওপর ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত সুদ পাওয়া যেতে পারে, এমনকি যদি অ্যাকাউন্টে আর কোনও নতুন অর্থ জমা (কন্ট্রিবিউশন) নাও করা হয়।</p>&#13;
<p>এর অর্থ হল, চাকরি থেকে অবসর নিলেই যে অবিলম্বে সুদ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, তা নয়। বয়স-সংক্রান্ত প্রযোজ্য বিধান এবং সদস্যের অ্যাকাউন্টের অবস্থা নির্ধারণ করে যে কতদিন পর্যন্ত সুদ জমা হতে থাকবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>তাই, যারা আগেভাগে অবসর নিচ্ছেন, তাঁদের উচিত সঞ্চিত অর্থ কবে তুলবেন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নিজেদের ইপিএফ অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট এবং ইপিএফও-র সাম্প্রতিক নির্দেশিকাগুলি যাচাই করে নেওয়া।</p>&#13;
<p><strong>ইপিএফ-এ কতদিন পর্যন্ত সুদ পাওয়া যায়?</strong><br>যেসব কর্মী ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সে অবসর নেন, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী অবসরের পরেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সুদ পাওয়া যেতে পারে। তবে, অবসরের পর তিন বছর পর্যন্ত সুদ পাওয়া যায়- এই ধারণাটি সদস্যের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুনির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী যাচাই করে নেওয়া উচিত।</p>&#13;
<p>উদাহরণস্বরূপ, ৫৬ বছর বয়সে অবসর নেওয়া কোনও কর্মীর ধরে নেওয়া উচিত নয় যে ৫৮ বছর বয়সে সুদ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে কিংবা অনির্দিষ্টকাল ধরে সুদ পাওয়া যেতে থাকবে। এক্ষেত্রে ইপিএফ-এর প্রযোজ্য নিয়ম এবং সদস্যের কর্মসংস্থান ও অ্যাকাউন্টের অবস্থা বিবেচনা করা আবশ্যক।</p>&#13;
<p>ইপিএফ ব্যালেন্সের ওপর সুদ সংক্রান্ত সাধারণ নিয়ম এবং যেসব শর্তের ভিত্তিতে কোনও অ্যাকাউন্টকে 'নিষ্ক্রিয়' হিসেবে গণ্য করা হয়- এই দু'য়ের মধ্যে পার্থক্য বোঝা জরুরি।</p>&#13;
<p>'নিষ্ক্রিয়' ইপিএফ অ্যাকাউন্ট বলতে কী বোঝায়? 'অকার্যকর' ইপিএফ অ্যাকাউন্ট বলতে এমন একটি অ্যাকাউন্টকে বোঝায় যা সংশ্লিষ্ট ইপিএফ বিধিমালার আওতায় অকার্যকর হিসেবে গণ্য হওয়ার শর্তাবলী পূরণ করে। এই শ্রেণিবিন্যাসের অর্থ এই নয় যে অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়ে গিয়েছে।</p>&#13;
<p>অ্যাকাউন্টে জমা থাকা অর্থের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইপিএফও বিধানের আওতাভুক্ত থাকে। সদস্যদের উচিত তাদের অ্যাকাউন্টের নথিপত্র যাচাই করা, ব্যালেন্স বা জমার বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করা এবং সঞ্চিত অর্থ দাবি বা স্থানান্তর করার প্রয়োজন হলে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা।</p>&#13;
<p>কর্মচারীদের এটাও মনে রাখা উচিত যে, একটি 'অকার্যকর' অ্যাকাউন্ট এবং একটি 'বন্ধ' অ্যাকাউন্ট এক নয়। জমা থাকা অর্থ এবং প্রদেয় সুদের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট স্কিমের বিধানের ওপর নির্ভর করে।</p>&#13;
<p><strong>অবসর গ্রহণের পরপরই কি ইপিএফ-এর সুদ পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়?</strong><br>না, অবসর গ্রহণের অর্থই এই নয় যে সঙ্গে সঙ্গে ইপিএফ-এর সুদ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। সুদ সংক্রান্ত বিষয়টি প্রযোজ্য বিধিমালার ওপর নির্ভর করে। এর মধ্যে বয়স, কর্মসংস্থানের অবস্থা এবং অ্যাকাউন্ট অকার্যকর হওয়ার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে।</p>&#13;
<p>টাকা তোলার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সদস্যদের উচিত তাঁদের সর্বশেষ ইপিএফ পাসবুক পরীক্ষা করা, ইপিএফও-র প্রযোজ্য নির্দেশিকা পর্যালোচনা করা এবং তাঁদের অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ শর্ত প্রযোজ্য কি না, তা নিশ্চিত করা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[PF Interest]]></category>
            <category><![CDATA[epfo]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/91b4784c-7b62-46a3-8da8-6bda8fabb539.webp" length="28572" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/91b4784c-7b62-46a3-8da8-6bda8fabb539.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/91b4784c-7b62-46a3-8da8-6bda8fabb539.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তৃতীয়ায় হু হু করে কমল সোনার দাম, কলকাতায় ১০ গ্রাম সোনার দামে বিরাট চমক! আজ ২২ ক্যারাটের দর কত? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/business/kolkata-gold-price-big-fall-today-check-22-and-24-carat-gold-price-across-india-on-october-13-516936</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/business/kolkata-gold-price-big-fall-today-check-22-and-24-carat-gold-price-across-india-on-october-13-516936</guid>
            <pubDate>Tue, 13 Oct 2026 12:47:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[পুজোয় সোনা কেনার পরিকল্পনা রয়েছে? তৃতীয়ায় হুড়মুড়িয়ে কমল সোনার দাম। আজ দেশজুড়ে একধাক্কায় নামল হলুদ ধাতুর দর। ২২ ও ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক কমল কলকাতাতেও।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: পুজোয় সোনা কেনার পরিকল্পনা রয়েছে? তৃতীয়ায় হুড়মুড়িয়ে কমল সোনার দাম। আজ দেশজুড়ে একধাক্কায় নামল হলুদ ধাতুর দর। ২২ ও ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক কমল কলকাতাতেও। যা ঘিরে আবারও স্বস্তিতে মধ্যবিত্তরা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>একনজরে দেখে নিন, আজ, ১৩ অক্টোবর, মঙ্গলবার কোন শহরে সোনার দাম কত-&nbsp;</p>&#13;
<p>কলকাতায় ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দিল্লিতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৪০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>মুম্বইয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আহমেদাবাদে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৪০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>পুনেতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>জয়পুরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৪০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>বেঙ্গালুরুতে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>লখনউয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৪০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>চেন্নাইয়ে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>গুরুগ্রামে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ৪৪০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>ভুবনেশ্বরে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পাটনায় ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৯০০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৪০ টাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>হায়দরাবাদে ১০ গ্রাম ২২ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫০ টাকা। ১০ গ্রাম ২৪ ক্যারাট সোনার দাম এক লক্ষ ৪৯ হাজার ২৯০ টাকা।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[gold price fall]]></category>
            <category><![CDATA[kolkata gold price]]></category>
            <category><![CDATA[Gold Price Today]]></category>
            <category><![CDATA[22 carat gold price]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/ef23005a-759d-4c96-865e-53b403c00cf5.webp" length="45950" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/ef23005a-759d-4c96-865e-53b403c00cf5.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/13/ef23005a-759d-4c96-865e-53b403c00cf5.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অভিষেকের ঝড়, অর্শদীপের আগুনে বোলিং, ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/special-news/abhishek-sharmas-explosive-knock-and-arshdeep-singhs-fiery-bowling-power-india-to-a-win-over-west-indies-516789</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/special-news/abhishek-sharmas-explosive-knock-and-arshdeep-singhs-fiery-bowling-power-india-to-a-win-over-west-indies-516789</guid>
            <pubDate>Sun, 11 Oct 2026 22:47:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৪৯ রান তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে ভারতের ২২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষরক্ষা হল না ক্যারিবিয়ানদের। তারা থামল ২০৯ রানে। পাঁচ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজে ভারত এগিয়ে গেল ২-১-এ। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৪৯ রান তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে ভারতের ২২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষরক্ষা হল না ক্যারিবিয়ানদের। তারা থামল ২০৯ রানে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;অভিষেক শর্মার বিধ্বংসী ব্যাটিং এবং অর্শদীপ সিংয়ের দুরন্ত বোলিংয়ের সৌজন্যে ম্যাচ জিতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অভিষেক শর্মার ঝোড়ো ইনিংসের উপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২২৩ রান তোলে ভারত। যদিও শুরুতে দ্রুত রান তুলে বড় স্কোরের ভিত গড়ার পর মাঝের ওভারে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারতীয় দল। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে লড়াকু স্কোর খাড়া করে টিম ইন্ডিয়া।</p>&#13;
<p>ভারতের ইনিংসের শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি। অভিজ্ঞ স্পিনার রোস্টন চেজ প্রথম ওভারে মাত্র চার রান দেন। এরপর শামার জোসেফের ঘণ্টায় ১৫০.৮ কিলোমিটার গতির আগুনে বলে মিড-উইকেটে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সঞ্জু স্যামসন। তাঁর সংগ্রহ মাত্র তিন রান। তবে সেই ধাক্কা সামলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যায় ভারত।</p>&#13;
<p>শুরুতে কিছুটা সময় নিয়ে ব্যাট করলেও ক্রিজে থিতু হওয়ার পর বিধ্বংসী মেজাজে ধরা দেন অভিষেক। রোস্টন চেজের এক ওভারে দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১৮ রান তোলেন তিনি। অন্যদিকে, কিমো পলের ওভারে একাধিক বাউন্ডারি মেরে হাত খোলেন ঈশান কিষাণ। শামার স্প্রিঙ্গারের এক ওভার থেকে আসে ২১ রান। পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে শামার জোসেফকে আক্রমণ করে মাত্র ১৮ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন অভিষেক।</p>&#13;
<p>শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ৬৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও পাঁচটি ছক্কা। এই ইনিংসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২,০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন অভিষেক। মাত্র ১,০২৪ বলে এই কৃতিত্ব অর্জন করে বলের হিসাবে দ্রুততম ২,০০০ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি রান সংগ্রহের নজিরও গড়েন তিনি।</p>&#13;
<p>অভিষেকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ঈশান কিষাণও। মাত্র ১৮ বলে ৩৭ রান করে রোস্টন চেজের বলে স্টাম্পড হন তিনি। একই ওভারে শ্রেয়স আইয়ারকে এলবিডব্লিউ করে ভারতকে জোড়া ধাক্কা দেন চেজ। এরপর শামার স্প্রিঙ্গারের বলে ক্যাচ অ্যান্ড বোল্ড হয়ে ফেরেন অভিষেক। পাঁচ বলে ১০ রান করে আউট হন নমন ধীর।</p>&#13;
<p>পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। তিলক বর্মা ও অক্ষর প্যাটেলের রান আউট পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। হাঁটতে হাঁটতে রান আউট হন তিলক। ঝুঁকিপূর্ণ সিঙ্গল নিতে গিয়ে রান আউট হন অক্ষরও। শামার স্প্রিঙ্গারকে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই উইকেট হারান অর্শদীপ সিং। মাঝের ওভারে দ্রুত উইকেট পড়লেও শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ২২৩ রান সংগ্রহ করে ভারত।</p>&#13;
<p>জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অধিনায়ক শাই হোপ মাত্র পাঁচ রান করে ফিরে যান। তবে কামিল পুরান ২৭ বলে ৪২ রান করে পাল্টা লড়াইয়ের চেষ্টা করেন। বিপজ্জনক ব্যাটার শিমরন হেটমায়ারও ২৬ বলে ৪৩ রান করে আশা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁদের কেউই ইনিংসকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে পারেননি।</p>&#13;
<p>রভম্যান পাওয়েল মাত্র পাঁচ রান করে আউট হন। এরপর রাদারফোর্ড ৩২ এবং স্যাম্পসন ২১ রান করে ফিরে গেলে ক্যারিবিয়ানদের জয়ের আশা কার্যত শেষ হয়ে যায়। কিমো পল ১০ রান করে অর্শদীপ সিংয়ের বলে আউট হন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে অর্শদীপই ছিলেন অন্যতম সফল। চার ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তাড়ায় বড় ধাক্কা দেন তিনি।</p>&#13;
<p>শেষ ওভারে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ৩৭ রান। ফলে ম্যাচে ফেরার আর কোনও বাস্তবসম্মত সুযোগ ছিল না ক্যারিবিয়ানদের সামনে। ভারতের বড় রানের পুঁজি এবং বোলারদের নিয়ন্ত্রিত পারফরম্যান্সের সামনে শেষ পর্যন্ত হার মানতে হয় তাদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামে ৭ উইকেটে ২০৯ রানে।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[abhishek sharma]]></category>
            <category><![CDATA[india vs west indies]]></category>
            <category><![CDATA[arshdeep singh]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/11/f34441c1-f080-4984-92a4-583f725e5516.webp" length="34904" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/11/f34441c1-f080-4984-92a4-583f725e5516.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/11/f34441c1-f080-4984-92a4-583f725e5516.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রোসেটা স্টোন, যে পাথর থেকে উদ্বার হয়েছিল এক হারিয়ে যাওয়া ভাষা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-rosetta-stone-516693</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-rosetta-stone-516693</guid>
            <pubDate>Sun, 11 Oct 2026 00:15:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[একটি কালচে, ভাঙাচোরা পাথর। দেখতে মোটেই তেমন আহামরি নয়। সেটা দেখতেই কী ভিড়! ফুট চারেক উচ্চতা, আর প্রস্থে প্রায় তিন ফুট, ৭৬০ গ্রাম ওজনের এই পাথরটি লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামের চার নম্বর ঘরে আছে।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>অয়ন ভট্টাচার্য&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>একটি কালচে, ভাঙাচোরা পাথর। দেখতে মোটেই তেমন আহামরি নয়। সেটা দেখতেই কী ভিড়! ফুট চারেক উচ্চতা, আর প্রস্থে প্রায় তিন ফুট, ৭৬০ গ্রাম ওজনের এই পাথরটি লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়ামের চার নম্বর ঘরে আছে। প্রাচীন মিশরের হিয়েরোগ্লিফ বা চিত্রলিপির রহস্য উন্মোচনের ক্ষেত্রে এই পাথরের গুরুত্ব অমূল্য। এই পাথর থেকেই খুলে গিয়েছিল আড়াই হাজর বছরের হারিয়ে যাওয়া মিশরের লিপির সঙ্গে বহু অজানা ইতিহাসের তালা!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ব্রিটিশ মিউজিয়ামে প্রায় আশি লক্ষ দ্রষ্টব্য আছে। সারা পৃথিবী থেকে যে পরিমাণ সম্পদ নিয়ে এসেছিল ব্রিটিশরা খান দশেক মিউজিয়াম ভরিয়েও অনেক সামগ্রীর জায়গা হয়নি। ঔপনিবেশিক শাসনের স্বাভাবিক উপহার আর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সচেঞ্জ - এইসব তকমা লাগানোর চেষ্টা হলেও, আসলে অধিকাংশই যে অবাধ লুণ্ঠন, কে আর না জানে! তবে ব্রিটিশ মিউজিয়াম সাধারণের জন্য বিনা পয়সায় সব কিছু দেখার ব্যবস্থা করেছে। সব দ্রষ্টব্য খুবই যত্নের সঙ্গেই রাখা। শুধু মিশর নিয়েই আছে দশটি গ্যালারি। মেসোপটেমিয়া, প্রাচীন ব্যাবিলন, ইনকা, গ্রীসের পার্থেনন মন্দিরের অনবদ্য সব মূর্তি, ভারতীয় উপমহাদেশের অগুনতি প্রত্নসম্ভার - সারা পৃথিবীর প্রায় সব কিছু এমন জাহাজে করে নিয়ে এসে ব্রিটিশরা নির্দ্বিধায় সাজিয়ে রেখেছে!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>রোসেটা পাথরটি আসলে একটি বড় শিলালিপির ভাঙা অংশ, খ্রিস্টপূর্ব ১৯৬ সালে, মিশরের রাজা পঞ্চম টলেমি -র রাজত্বকালে লেখা। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, একই রাজকীয় ঘোষণা এই পাথরে লেখা হয়েছিল তিনটি আলাদা লিপিতে&mdash;উপরের অংশে হিয়েরোগ্লিফিক, মাঝখানে ডেমোটিক ( প্রাচীন মিশরের ভাষা) এবং নিচে প্রাচীন গ্রিক। আজকের ভাষায় বললে, একটা সরকারি বিজ্ঞপ্তি একই সঙ্গে বাংলা, ইংরেজি এবং আর একটি প্রাচীন ভাষায় লেখা রয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৭৯৮ সালে নেপোলিয়ন মিশর আক্রমণ করেন। তাঁর সঙ্গে শুধু সৈন্য ছিল না, ছিলেন বহু বিজ্ঞানী, শিল্পী ও গবেষকও। তাঁদের লক্ষ্য ছিল মিশরের প্রাচীন সভ্যতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা। ১৭৯৯ সালের জুলাই মাসে রোসেটা বা বর্তমানের রাশিদ শহরের কাছে একটি পুরনো দুর্গ সংস্কারের কাজ চলছিল। সেই সময় ফরাসি সৈন্যরা মাটির নিচে খুঁজে পান পাথরটি। সামরিক কর্মকর্তা পিয়েরে ফ্রাঁসোয়া বাউচার্ড বুঝতে পারেন, এটি সাধারণ কোনও পাথর নয়। পাথরের গায়ে পাশাপাশি তিন ধরনের লিপি দেখে তিনি বুঝেছিলেন এর মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে প্রাচীন মিশরের ভাষা বোঝার অসাধারণ সূত্র।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>যদিও পাথরটি আবিষ্কার করেছিল ফরাসিরা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি চলে যায় ব্রিটিশদের হাতে! ১৮০১ সালে মিশরে ফরাসিদের পরাজয়ের পর একটি চুক্তির মাধ্যমে রোসেটা স্টোন সহ বেশ কিছু প্রাচীন নিদর্শন ব্রিটিশদের দখলে আসে। ১৮০২ সালে পাথরটি লন্ডনে পৌঁছয় এবং ব্রিটিশ মিউজিয়ামে রাখা হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত এটি সেখানেই রয়েছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পাথরটির গ্রিক লেখা দেখে ইউরোপের পণ্ডিতরা এর অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন। ইংরেজ বিজ্ঞানী ও ভাষাবিদ টমাস ইয়ং গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র খুঁজে পান। তিনি বুঝতে পারেন, হিয়েরোগ্লিফ শুধু ছবি নয়, কিছু চিহ্ন নির্দিষ্ট শব্দ বা ধ্বনিও প্রকাশ করতে পারে। বিশেষ করে রাজাদের নাম বোঝার ক্ষেত্রে তাঁর গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এরপর সামনে আসেন ফরাসি পণ্ডিত জাঁ ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্পোলিয়ন। বছরের পর বছর গবেষণা করে তিনি বুঝতে পারেন হিয়েরোগ্লিফ লেখায় একই সঙ্গে প্রতীক, শব্দ এবং ধ্বনির ব্যবহার রয়েছে। ১৮২২ সালে তাঁর গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়। প্রাচীন মিশরের এই ভাষা এর পরেই পাঠোদ্ধার করার প্রক্রিয়া গতি পায়, মিশরের ইতিহাসের বহু অজানা দিকও খুলে যায় বিশ্বের কাছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>মিশর বারবার দাবি করেছে রোসেটা স্টোন-কে মিশরে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। মিশরীয়দের যুক্তি, এটি মিশরের মাটিতে তৈরি, মিশরের ইতিহাস ও সভ্যতার অংশ। ঔপনিবেশিক যুগে সামরিক পরাজয়ের পর ইউরোপীয় শক্তির হাতে চলে যাওয়া এই ধরনের নিদর্শনকে আজকের দৃষ্টিতে নতুন করে দেখা প্রয়োজন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অন্যদিকে ব্রিটিশ মিউজিয়ামের এর যুক্তি, ১৮০১ সালের সামরিক চুক্তির অধীনেই পাথরটি ব্রিটিশদের হাতে আসে। তাদের আরও বক্তব্য, একই রাজকীয় ঘোষণার একাধিক অনুলিপি পাওয়া গেছে এবং সেগুলির অনেকগুলি এখনও মিশরেই রয়েছে। এই বিতর্ক শুধুই একটি পাথর ফেরত দেওয়ার প্রশ্ন নয়। এর মধ্যে রয়েছে ইতিহাস, সাম্রাজ্যবাদ, প্রত্নসম্পদ, জাদুঘরের অধিকার এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্ন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই পাথরটি নিজে কোনও গুপ্তধনের মানচিত্র নয়, কোনও রহস্যময় মন্ত্রও নয়। আসলে এটি ছিল রাজা পঞ্চম টলেমিকে ঘিরে মেমফিস ডিক্রি বা একটি ধর্মীয়-রাজকীয় ঘোষণা। খ্রিস্টপূর্ব ১৯৬ সালে মিশরের রাজা টলেমি পঞ্চমের বয়স ছিল মাত্র তেরো-চৌদ্দ বছর। মিশর তখন গ্রিক টলেমীয় শাসকদের অধীনে। রাজা নিজে গ্রিক বংশোদ্ভূত হলেও মিশরের প্রাচীন ধর্ম, দেবতা এবং পুরোহিতদের সমর্থন তাঁর শাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ঘোষণাটির শুরুতেই টলেমিকে মহিমান্বিত করা হয়েছে। তাঁকে বলা হয়েছে দেবতাদের প্রিয়, মিশরের রক্ষক এবং এমন এক রাজা যিনি তাঁর পিতা-মাতার উত্তরাধিকার বহন করছেন। এরপর দীর্ঘভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি মিশরের জন্য কী কী ভাল কাজ করেছেন।</p>&#13;
<p>ঘোষণায় বলা হয়েছে, টলেমি মন্দিরগুলিকে অর্থ ও অনুদান দিয়েছেন, দেবতাদের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় উপহার ও উৎসর্গের ব্যবস্থা করেছেন এবং বহু পুরনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা পুনর্নির্মাণ করেছেন। মানুষের উপর আরোপিত কিছু কর ও আর্থিক বোঝা কমানো বা মকুব করার কথাও বলা হয়েছে। তাঁর শাসনকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন তিনি সাধারণ মানুষের দুর্দশা দূর করে মিশরে শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে এনেছেন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>কিন্তু এই ঘোষণার মধ্যে শুধু দান-খয়রাতের গল্প নেই। টলেমির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং তাঁর শত্রুদের পরাজয়ের কথাও রয়েছে। অর্থাৎ রাজনৈতিক দিক থেকেও এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রচারপত্র। বার্তাটি পরিষ্কার&mdash;রাজা তাঁর শত্রুদের পরাজিত করেছেন, দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়েছেন এবং দেবতাদের মন্দির ও পুরোহিতদের পুরনো মর্যাদা রক্ষা করেছেন। এর বিনিময়ে মিশরের পুরোহিতরাও রাজাকে বিশেষ সম্মান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। টলেমির মূর্তি মন্দিরে স্থাপন করা হবে, তাঁর সম্মানে বিশেষ উৎসব পালিত হবে এবং তাঁকে দেবতাদের সঙ্গে যুক্ত করে ধর্মীয় সম্মান দেওয়া হবে। অর্থাৎ এটি ছিল এক ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতা&mdash;রাজা পুরোহিত ও মন্দিরগুলিকে সাহায্য করবেন, আর পুরোহিতরা তাঁর রাজকীয় ও ধর্মীয় বৈধতাকে শক্তিশালী করবেন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি আসে ঘোষণার শেষের দিকে। সেখানে নির্দেশ দেওয়া হয়, এই রাজকীয় ঘোষণা মিশরের মন্দিরগুলিতে পাথরের ফলকে লিখে স্থাপন করতে হবে এবং তা লিখতে হবে তিনটি লিপিতে&mdash;পবিত্র হায়ারোগ্লিফিক, সাধারণ মিশরীয় ডেমোটিক এবং গ্রিক ভাষায়। যার মানে রাষ্ট্র শাসনের ভরকেন্দ্র ছিল মন্দিরে। ঘোষণা পত্রে বুঝিয়ে দেওয়া আসলে দেশ চালাচ্ছে কারা! আর তিনটি ভাষায় তৈরি এই প্রচার পত্র যাতে বহু মানুষের বোধগম্য হয়, ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে এইভাবেই ছড়িয়ে দেওয়া হতো রাজকীয় ঘোষণা। প্রাচীন লিপি উদ্বার ছাড়াও রোসেটা স্টোন সেই যুগের রাষ্ট্রব্যবস্থার এই দিকটাও উন্মোচন করে দিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>তবে সাধারণ মানুষের আশা আকাঙ্খা চাহিদার হদিশ পাওয়া সত্যিই দুষ্কর। সেই ইতিহাস তো চিরকালই আলাদা!</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Rosetta Stone]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/7eb027c9-350d-4e00-8b85-a472ee0a5045.webp" length="147294" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/7eb027c9-350d-4e00-8b85-a472ee0a5045.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/7eb027c9-350d-4e00-8b85-a472ee0a5045.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সম্পাদকীয়: হারিয়ে যাওয়া শরতের সুর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-editorial-feature-story-516691</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-editorial-feature-story-516691</guid>
            <pubDate>Sun, 11 Oct 2026 00:15:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মফস্বলের আগমনী গানের স্মৃতিমেদুর দিনগুলি--&#13;
আজ থেকে পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে বাংলার মফস্বল শহর, ছোট শহরতলি আর গ্রামগুলির শরৎকাল ছিল অন্যরকম। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>গৌতম রায়</strong></p>&#13;
<p>মফস্বলের আগমনী গানের স্মৃতিমেদুর দিনগুলি--আজ থেকে পঞ্চাশ-ষাট বছর আগে বাংলার মফস্বল শহর, ছোট শহরতলি আর গ্রামগুলির শরৎকাল ছিল অন্যরকম। তখন শরৎ শুধু কাশফুলের ঋতু ছিল না, শুধু নীল আকাশ আর সাদা মেঘের ঋতুও ছিল না&mdash;শরৎ ছিল শোনারও একটি ঋতু। ভোরের বাতাসে, দুপুরের অলসতায়, সন্ধ্যার আবছা আলোয় কোথা থেকে ভেসে আসত আগমনী গান। মহালয়ার কয়েক দিন আগে থেকেই যেন বাতাসের মধ্যে একটা অদৃশ্য অপেক্ষা জমতে শুরু করত&mdash;&ldquo;মা আসছেন।&rdquo;</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;আজকের মতো তখন সর্বত্র মাইক্রোফোন, লাউডস্পিকার, রেকর্ড করা গান কিংবা মোবাইল ফোন ছিল না। ফলে গানকে শুনতে হলে, গানকেই মানুষের কাছে আসতে হত। আর সেই গান কখনও আসত পাড়ার গায়কের কণ্ঠে, কখনও বাউলের একতারা হাতে, কখনও কোনও আউল- বাউল -ফকিরের উদাসী গলায়, কখনও বা গ্রামের কোনও অখ্যাত শিল্পীর কণ্ঠে। তাঁদের অনেকেই হয়তো সংগীতের প্রথাগত শিক্ষা পাননি; কিন্তু তাঁদের গলায় ছিল মাটির গন্ধ, জীবনের অভিজ্ঞতা আর ভক্তির গভীরতা।</p>&#13;
<p>আগমনী গানের আসল সৌন্দর্য ছিল তার মা-মেয়ের সম্পর্কের মানবিকতায়। দুর্গা সেখানে শুধু মহিষাসুরমর্দিনী নন, তিনি বাঙালি ঘরের মেয়ে&mdash;উমা। তিনি বাপের বাড়িতে আসবেন। সেই আসাকে ঘিরে মেনকার উৎকণ্ঠা, মেয়েকে ঘরে ফেরানোর আনন্দ&mdash;সবকিছু মিলিয়ে দেবীর পৌরাণিক পরিচয়টি একসময় বাঙালির একেবারে ঘরের মানুষের সম্পর্ক হয়ে উঠেছিল।</p>&#13;
<p>তাই আগমনী শুনলে গ্রামের বৃদ্ধা মায়েরা হয়তো নিজেদের মেয়েদের কথা ভাবতেন। যে মেয়ে বিয়ে হয়ে দূরের গ্রামে চলে গেছে, যে মেয়ের বছরে একবারও দেখা পাওয়া যায় না&mdash;উমার ফিরে আসার গল্পে যেন সেই হারিয়ে যাওয়া মেয়েটিও ফিরে আসত। দুর্গাপুজো হয়ে উঠত কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, বিচ্ছেদের পর মিলনের উৎসব।</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; মফস্বলের সকাল তখনও আজকের মতো ব্যস্ত হয়ে ওঠেনি। পাকা রাস্তার সংখ্যা কম, যানবাহনের শব্দ কম, দোকানের ঝাঁপ খুলত একটু পরে। দূরে কোনও বাড়ির উঠোনে ধান শুকোচ্ছে, কোথাও গরুর গাড়ি যাচ্ছে, কোথাও পুকুরঘাটে কলস হাতে মেয়েরা। সেই পরিবেশের মধ্যে হঠাৎ যদি শোনা যেত&mdash;</p>&#13;
<p>&ldquo;ও মা, উমা নাকি আসবে এবার&hellip;&rdquo;</p>&#13;
<p>তাহলে মানুষ থমকে দাঁড়াত। গানটি কোথা থেকে আসছে, কে গাইছে&mdash;সেটা জানার একটা কৌতূহল তৈরি হতো। আজকের মতো গান শুনতে মানুষ আলাদা করে যন্ত্র চালাত না; জীবনযাত্রার মধ্যেই গান এসে মিশে যেত।</p>&#13;
<p>আর আশ্চর্যের বিষয়, এই আগমনী গানের জগৎটি একেবারে কোনও নির্দিষ্ট সামাজিক গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ ছিল না। আউল, বাউল, ফকির, বৈষ্ণব, মুর্শিদী, কীর্তনীয়া&mdash;বাংলার লোকসংস্কৃতির নানা ধারার মানুষ তাঁদের নিজস্ব সুর, উচ্চারণ ও আবেগে দেবীকে স্মরণ করতেন। কোথাও শাক্ত পদাবলির সুর, কোথাও লোকগানের ঢঙ, কোথাও কীর্তনের আবহ&mdash;সব মিলিয়ে তৈরি হতো এক বিচিত্র বাংলার সঙ্গীতজগৎ।</p>&#13;
<p>এইখানেই বাংলার মাটির সংস্কৃতির একটি বড় বৈশিষ্ট্য ধরা পড়ে। ধর্মীয় পরিচয় মানুষের সংস্কৃতিকে সবসময় আলাদা করে রাখেনি। গ্রামের কোনও মুসলমান ফকিরও শারদীয় উৎসবের গান গাইতে পারেন, কোনও হিন্দু শ্রোতাও তাঁর গান মুগ্ধ হয়ে শুনতে পারেন। গানটির বিষয় ছিল দেবী, কিন্তু তার আবেগ ছিল মায়ের জন্য সন্তানের আকুলতা&mdash;যে অনুভূতির কোনও একক ধর্মীয় মালিকানা নেই।</p>&#13;
<p>মফস্বলের শহরের অলিগলিতে তখন পুজোর প্রস্তুতিও ছিল অনেক বেশি ঘরোয়া। বাঁশ দিয়ে মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে, প্রতিমার কাঠামো বাঁধা হচ্ছে, কুমোরপাড়ায় খড়ের গায়ে মাটির প্রলেপ পড়ছে। কোথাও প্যান্ডেল বলতে কয়েকটি বাঁশ, চট আর রঙিন কাপড়। বিদ্যুতের আলোর বাহার ছিল সীমিত। কিন্তু মানুষের অপেক্ষা ছিল অসীম।</p>&#13;
<p>সন্ধ্যা নামলে কোনও পাড়ার চায়ের দোকানের সামনে কয়েকজন বসে গল্প করছেন। হঠাৎ পাশ দিয়ে একজন গায়ক চলে গেলেন। হাতে হয়তো একতারা, সঙ্গে দোতারা কিংবা খঞ্জনি হাতে সঙ্গীনী। তিনি থামলেন না, তাঁরা থামলেন না। কিন্তু তাঁদের কণ্ঠের সুর, যন্ত্রের মূর্চ্ছনা - রাস্তায় ছড়িয়ে গেল। বাড়ির জানালা খুলে গেল। উঠোনে কাজ করতে থাকা মানুষ একটু দাঁড়িয়ে গেলেন। শিশুরা দৌড়ে রাস্তার দিকে গেল। আজকের দিনে আমরা গানকে &lsquo;শুনি&rsquo;। তখন মানুষ অনেক সময় গানের সঙ্গে দেখা করত।</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;সেই সময়ের আগমনী গানের মধ্যে ছিল এক ধরনের বিষণ্ণ আনন্দ। মা আসছেন&mdash;এই আনন্দের সঙ্গে ছিল মায়ের আবার চলে যাওয়ার আশঙ্কা। চার দিনের উৎসবের শেষে বিসর্জন হবে। তাই আগমনীতে যতটা আনন্দ, তার গভীরে ততটাই ছিল বিচ্ছেদের ছায়া। উমা আসবেন, ঘর ভরে উঠবে, তারপর আবার চলে যাবেন কৈলাসে।</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; এই আসা-যাওয়ার মধ্যেই বাঙালির জীবনের এক গভীর সত্য লুকিয়ে ছিল। মেয়েরা বিয়ে হয়ে চলে যায়, ছেলেরা কাজের সন্ধানে শহরে যায়, কেউ কলকাতায়, কেউ আসামে, কেউ দিল্লি-মুম্বইয়ে। কেউ আর ফিরে আসে না। ফলে উমার বাপের বাড়ি ফেরা ছিল বাংলার বিচ্ছিন্ন মানুষের নিজের ঘরে ফেরার কল্পনা।</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; সময়ের সঙ্গে সেই পৃথিবী বদলে গেছে। মফস্বল শহর বড় হয়েছে, পাকা রাস্তা হয়েছে, টেলিভিশন এসেছে, ক্যাসেট এসেছে, তারপর সিডি, ইন্টারনেট, ইউটিউব, স্মার্টফোন। এখন এক মুহূর্তে পৃথিবীর যেকোনও প্রান্তের গান শোনা যায়। অথচ সেই সহজলভ্যতার মধ্যেই যেন হারিয়ে গেছে অপেক্ষার আনন্দ।</p>&#13;
<p>তখন মহালয়ার আগে কোনও গায়কের কণ্ঠে দূর থেকে আগমনী ভেসে এলে মনে হতো&mdash;শরৎ এসে গেছে। এখন ক্যালেন্ডারে তারিখ দেখে আমরা জানি শরৎ এসেছে। আবহাওয়ার অ্যাপ বলে দেয়, বৃষ্টি হবে কি না। সামাজিক মাধ্যমে পুজোর ছবি আসে। কিন্তু সেই দূর থেকে ভেসে আসা অচেনা কণ্ঠের মতো করে আর কে যেন বলে না&mdash;&ldquo;উমা আসছে।&rdquo;</p>&#13;
<p>হারিয়ে গেছে শুধু গান নয়; হারিয়ে গেছে গানকে ঘিরে থাকা একটি সামাজিক পরিবেশও। হারিয়েছে উঠোন, পুকুরঘাট, কাশবন, মাটির রাস্তা, সন্ধ্যার অন্ধকার, হ্যারিকেনের আলো, গানের জন্য হঠাৎ থেমে যাওয়া পথচারী, জানালার আড়াল থেকে কান পেতে থাকা মানুষ।</p>&#13;
<p>তবু সেই সুর সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়নি। কোনও কোনও বৃদ্ধের স্মৃতিতে এখনও হয়তো তার একটি কলি বেঁচে আছে। কোনও পুরনো পুজোমণ্ডপের স্মৃতিতে, কোনও বিস্মৃত গায়কের নামের সঙ্গে, কোনও গ্রামের মেঠোপথের কথা বলতে গিয়ে হঠাৎ কেউ বলে ওঠেন&mdash;&ldquo;সেই সময় পুজোর আগে কী আগমনী গানই না হতো!&rdquo;&nbsp;আর তখন বোঝা যায়, গান আসলে কেবল শব্দ নয়। গান একটি সময়কে ধরে রাখে।</p>&#13;
<p>পঞ্চাশ-ষাট বছর আগের মফস্বল বাংলার সেই আগমনী গান তাই আজ আমাদের কাছে শুধু ধর্মীয় সংগীতের স্মৃতি নয়। সেটি এক হারিয়ে যাওয়া বাংলার স্মৃতি&mdash;যেখানে উৎসব ছিল অপেক্ষার, গান ছিল মানুষের, আর দেবী ছিলেন দূরের কোনও অলৌকিক শক্তি নন; তিনি ছিলেন বাপের বাড়ি ফেরা সেই চেনা মেয়ে&mdash;আমাদের উমা।</p>&#13;
<p>শরৎ এখনও আসে। কাশফুল এখনও দোলে। আকাশে এখনও সাদা মেঘ ভাসে। পুজোর ঢাক এখনও বাজে।</p>&#13;
<p>শুধু কোনও কোনও সন্ধ্যায় মনে হয়&mdash;</p>&#13;
<p>দূরের সেই মেঠোপথ দিয়ে যদি আবার কোনও আউল-বাউল হেঁটে যেতেন, আর তাঁর কণ্ঠ থেকে ভেসে আসত একটি পুরনো আগমনী&mdash;তাহলে হয়তো বহুদিনের ঘুম ভেঙে আমাদের ভিতরের সেই পুরনো বাংলাটিও আবার একবার ফিরে আসত।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/0bcc21ec-8fc2-4fa5-995f-b7a207e4b4ff.webp" length="140342" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/0bcc21ec-8fc2-4fa5-995f-b7a207e4b4ff.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/0bcc21ec-8fc2-4fa5-995f-b7a207e4b4ff.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মফস্বলের কিস্যা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-durga-puja-516695</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-durga-puja-516695</guid>
            <pubDate>Sun, 11 Oct 2026 00:15:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আমাদের এই ছোট্ট জনপদে এমনিতে কত যে কিস্যা তার ইয়ত্তা নেই। তখন দুরন্ত কৈশোরের একেবারে শেষ। যৌবন যে গুটি গুটি পায়ে এসে হাজির হয়েছে, তা শরীরের ভিতর মালুম হচ্ছে বেশ। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>শমিত ঘোষ</strong></p>&#13;
<p>আমাদের এই ছোট্ট জনপদে এমনিতে কত যে কিস্যা তার ইয়ত্তা নেই। তখন দুরন্ত কৈশোরের একেবারে শেষ। যৌবন যে গুটি গুটি পায়ে এসে হাজির হয়েছে, তা শরীরের ভিতর মালুম হচ্ছে বেশ। নাকের নীচে সরু গোঁফের রেখা তাঁর জলজ্যন্ত প্রমাণ। আমাদের সেই সব ক্যাবলা চেহারার পাশে ঋভু দা&rsquo;কে &lsquo;হিরো&rsquo; মনে হত। লম্বা-চওড়া চেহারা, প্রায় ছয় ফুটের কাছে হাইট, কোঁকড়া চুল নেমে গেছে কাঁধ অবধি। ইংরেজিতে অনার্স ঋভু দা তখন সরকারী চাকরির জন্য পড়ছে। ঋত্ত্বিক রোশান আর ঋভু দা এই দুজনেই তখন আমাদের পাড়ার মেয়েদের &lsquo;হার্টথ্রব&rsquo;!</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুজোর সময় ক্যাপ বন্দুক নিয়ে খেলার একটা অদ্ভুত উন্মাদনা ছিল আমাদের ছোটবেলায়। বছর কয়েক আগেও পাড়ার যে মেয়েগুলোর সঙ্গে আমরা ছোঁয়াছুঁয়ি, লুকোচুরি, চোর-পুলিশ খেলেছি পাড়ার মণ্ডপে, সেই মেয়েগুলোই হঠাৎ কেমন যেন বদলে গেল ক্লাস এইটে উঠেই। আমরা যারা ক্লাস নাইন-টেনের জীবন বিজ্ঞানের ক্লাসে প্রথমবার &lsquo;প্রজনন&rsquo; চ্যাপ্টার পড়তে গিয়ে গোল গোল চোখ করে তাকিয়েছি, তাদের পাড়ার মেয়েগুলোর এই বদলে যাওয়ার কারণ বুঝতে অনেকখানি সময় লেগেছিল। কিন্তু, রনির লাগেনি। যা কিছু আমাদের অজানা তা কীভাবে যেন আগে থেকেই জেনে যেত রনি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>লাইফসাইন্স ক্লাসে দীপ স্যার &lsquo;রিপ্রোডাকশন&rsquo; পড়িয়েছিলেন। আর রনি দেখিয়েছিল। গরমকালে দুপুরবেলা ওঁর বাড়ির দোতলার ঘরের সিডি প্লেয়ারে প্রথম আমরা এমন সব দৃশ্য দেখে চমকে উঠলাম! এও হয়! সত্যি! রনির কাছে যদিও এসব ছিল জলভাত। সেবার দুর্গাপুজোর সপ্তমীতে রনি আমাকে বলল,</p>&#13;
<p>- রাই বলে মেয়েটার কিন্তু তোকে ভাল লেগেছে!</p>&#13;
<p>- কোন রাই?</p>&#13;
<p>- আরে ওই যে, সেক্রেটারি অমল কাকুর ভাইজি। কৃষ্ণনগর থেকে এসেছে&hellip;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আমাদের এই সব মফস্বলের পুজো প্যান্ডেলে হালকা এসব ভাল লাগা টাগা হত ঠিকই, কিন্তু সেসবই দশমীর বিসর্জন অবধি। তারমধ্যে যদি ফোন নাম্বার এক্সচেঞ্জ হল তো ভাল, নয়তো আসছে বছর আবার অন্য কারও সঙ্গে চেষ্টা হবে! তখন তো আর ফেসবুক বা মোবাইল ইন্টারনেট এত সহজলভ্য ছিল না। সাইবার ক্যাফেতে গিয়ে ঘণ্টায় ১০ টাকা দিয়ে ফেসবুক করা জেনারেশন আমরা! ফলে সেই সব প্রাক-ইন্টারনেট যুগে প্রেমে পড়া সহজ হলেও প্রেম করা ছিলো মস্ত বড় ঝক্কি!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এসব কি বলছে রনি? রাই মেয়েটা ভাল। ইলেভনে পড়ে। কৃষ্ণনগরের দিকে ওদের বাড়ি। ওর কাকা আমাদের পাড়ার পুজোর নতুন সেক্রেটারি, তাই রাইও এবার আমাদের পুজোতেই জাঁকিয়ে বসেছে। মিশেও গেছে মেয়েটা অল্পদিনে। আর তাছাড়া ও তো আমাদের চেয়ে বছর দুয়েকের বড়। আমার তখন ক্লাস নাইন। মেয়েটা আমার দিকে কয়েকবার তাকিয়েছে! তাতে কি প্রমাণ হয়? সে তো অঙ্ক ব্যাচের পূজার দিকে ৬ মাস ধরে তাকিয়ে থাকার পরে যখন প্রপোজ করেছিলাম, পূজা বলেছিল, &ldquo;স্যরি রে আমি শুভমের সাথে কমিটেড&hellip;&rdquo;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পরের দিন সন্ধ্যার দিকে রনির কথার প্রমাণ পেয়েছিলাম হাতেনাতে। যখন প্যান্ডেলের পিছনের অন্ধকার গলিটায় রাই আমার হাতটা চেপে ধরেছিল ওঁর বুকে। সেই প্রথম কোনও নারীর স্তনে আমার হাত। যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল সারা শরীরে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সকালে অষ্টমীর অঞ্জলি দিতে গিয়ে রাই যখন আমার গা ঘেঁসে এসে দাঁড়িয়েছিল তখনও কেমন যেন একটা লেগেছিল। প্যান্ডেল ভর্তি পাড়ার সব লোকজন। কেউ কিছু দেখছে না তো? কিন্তু, এই সব চিন্তা ফুঁৎকারে উড়ে গিয়েছিল। কারণ, অষ্টমীর দিন সব মেয়েদেরই কী অসম্ভব মায়াবী লাগে। তখনও-এখনও।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>লাল পাড়-সাদা শাড়ি, চোখে হালকা কাজল আর লিপস্টিক পরা রাইকে সেই প্রথমবার ভাল করে দেখলাম। চুলটা পনিটেল করে বাঁধা। সদ্য স্নান করে এসেছে বোঝা যাচ্ছে। অঞ্জলি দিতে গিয়ে বারবার মেয়েটার গায়ের মিষ্টি গন্ধটা নাকে আসছে। এত ধূপ ধুনো ফুলের গন্ধের মধ্যেও রাই&rsquo;য়ের গায়ের গন্ধে বারবার যেন হারিয়ে যাচ্ছিলাম। অঞ্জলি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ঋভুদাকে দেখেছিলাম পাড়ার মোড়ে পাঞ্জাবি, পায়জামা পরে, কিং সাইজ সিগারেটে লম্বা টান দিচ্ছে! ঠিক যেন রাজপুত্তুর।&nbsp; &nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সেদিন সন্ধ্যায় অমল কাকুদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় রাই নিজেই ডেকে বলেছিল, এখানে কোনও ষ্টেশনারী দোকান আছে? আসলে আমার একটা মাসকারা কেনার আছে, আমি তো এখানে কিছুই চিনি না। একটু চিনিয়ে দিবি?&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>বলতে ইচ্ছা হল, এত সুন্দর চোখে আবার মাসকারা&rsquo;র কী দরকার?&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;এমনিতেই ওঁর চোখগুলো বড্ড সুন্দর। হিন্দি সিনেমার সোনাক্ষী সিনহার মতো বড় বড় , গভীর। যেন আস্ত দুটো পুকুর। জীবনে প্রথমবার কোনও মেয়ে নিজে থেকে আমায় দোকান চিনিয়ে দিতে বলছে। এই সুযোগ ছাড়া যাবেনা। অঙ্ক ব্যাচের পূজার রিজেকশনটা এখনও মনের মধ্যে দগদগে ঘা দিয়ে রেখেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>প্যান্ডেলের পিছনের এই গলিটা ফাঁকা থাকে। শর্টকাটে বড় রাস্তায় ওঠা যায়। সন্ধ্যাবেলাতেও রাই&rsquo;য়ের গা থেকে একটা গন্ধ আসছে। এটা সকলের সেই পারফিউমটা না। এটা অন্য। এই গন্ধের মধ্যে একটা বন্যতা আছে। বুড়ো ছাতিম গাছে ফুল হয়েছে অনেক। সেই ছাতিমের গন্ধের সাথে রাই&rsquo;য়ের পারফিউমের গন্ধ মিলেমিশে কেমন ঝিম ঝিম করে ওঠে মাথাটা। আর ঠিক তখনই রাই ওর গোটা শরীরটা নিয়ে আমার কাছে হঠাৎই ঘন হয়ে আসে। হাতগুলো চেপে ধরে অতর্কিতে। তারপরেই নিজের বুকের কাছে নিয়ে যায়! কয়েকটা সেকেন্ড মাত্র। কিন্তু ঐ একটা ঘটনা যেন আমাকে এক ঝটকায় অনেকটা বড় করে দিল! হাতটা সরিয়ে নেওয়ার পরে আর একটাও কথা বলিনি দু&rsquo;জনে। সেদিন পুজো প্যান্ডেলের আড্ডায় বারবার আমাকে অন্যমনস্ক দেখে রনি জিজ্ঞেস করেছিলো, কী হয়েছে বল তো তোর?&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>নাহ, রনিকে কিছু বলতে হয়নি। দুনিয়ার সব খবর ওর কাছে থাকে। তাই, দ্বাদশীর দিন বাড়িতে এসে নিজেই বলেছিল,&nbsp;</p>&#13;
<p>- এটা কি শুনলাম রে!&nbsp;</p>&#13;
<p>- কী?</p>&#13;
<p>বুকটা ছ্যাঁত করে উঠলো! ও কি তাহলে জেনে গেল সেদিন গলিতে কি হয়েছিল&hellip;</p>&#13;
<p>আমি অবাক হওয়ার ভান করে বলেছিলাম, কী হয়েছে বলবি তো?</p>&#13;
<p>-রাই ঋভু দা&rsquo;র সঙ্গে প্রেম করছে!&nbsp;</p>&#13;
<p>এবার সত্যি সত্যিই আমার অবাক হওয়ারই পালা!&nbsp;</p>&#13;
<p>-কীহ!&nbsp;</p>&#13;
<p>-ইয়েস ব্রাদার! অষ্টমীর রাত্রি থেকে সেই যে জ্বর বাঁধালি, বাকি পুজোয় তো আর বেরোলিই না। এদিকে নবমীর দিন সবুজ সঙ্ঘের মাঠে ঋভু দা সবার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে ফিল্মি স্টাইলে রাই&rsquo;কে প্রপোজ করেছে!</p>&#13;
<p>-আর রাই কী বলল?&nbsp;</p>&#13;
<p>আমার গলাটাকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক করে জিজ্ঞেস করলাম। আমার প্রশ্নটাকে মাছি তাড়ানোর মতো করে উড়িয়ে দিয়ে রনি বলল,&nbsp;</p>&#13;
<p>-ঋভু দা&rsquo;র মতো হ্যান্ডসম ছেলে যাকে প্রপোজ করবে, সেই তো হ্যাঁ&rsquo;ই বলবে! তুই তো শালা ক্যালানে সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করলি!</p>&#13;
<p>কিছুই হয়নি এমন একটা ভাব নিয়ে রনি&rsquo;কে বললাম, আরে নানা রাই&rsquo;য়ের আমার প্রতি কিছু ছিলই না। ওটা তোর ভুল ধারনা! নইলে ঋভু দা প্রপ্রোজ করার সঙ্গে সঙ্গে হ্যাঁ করে দেয়?</p>&#13;
<p>নিজের ওপর কেমন একটা সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকাল রনি। তারপর ঠোঁটটাকে উল্টো করে বলেছিল, হুম&hellip; হবে হয়তো! তাহলে হয়তো আমি ভুলই দেখেছি বুঝলি!&nbsp;</p>&#13;
<p>জিজ্ঞেস করেছিলাম, কিন্তু ঋভুদা হঠাৎ রাইয়ের সাথে&hellip;</p>&#13;
<p>- এবার পুজোতেই প্রথম দেখেছে! যাকে বলে লভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট! অষ্টমীর দিন রাইকে যা লাগছিল! সেটা দেখে ঋভু দা&rsquo;র মতো ছেলেও বোল্ড হয়ে গেছে!&nbsp;</p>&#13;
<p>মা ততক্ষণে ঘুগনি আর নিমকির বাটি নিয়ে ঘরে এসেছে, ফলে বাধ্য হয়েই রনিকে মা&rsquo;কে বিজয়ার প্রণাম করে প্রসঙ্গটা পাল্টাতেই হয়েছিল।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>জীবন গিয়েছে চলে প্রায় দেড় দশক পার। আবার একটা পুজো। মফস্বলের গলি সাজবে এলইডি টুনির আলোয়। রাই আর ঋভু দা&rsquo;র বোধহয় গত বছর ডিভোর্স হয়ে গেছে। রাই কীসব কেস-টেস&rsquo;ও নাকি করেছে ঋভু দা&rsquo;দের পুরো ফ্যামিলির নামে। মায়ের পুরনো বান্ধবী রীতা কাকিমার কাছে এসব খোঁজ পাওয়া যায়। আমাদের ওই পাড়ায় আর থাকা হয়নি। বাবা ট্রান্সফারটা নিয়ে নিয়েছিল আমার মাধ্যমিকের পরেই। রনি থাকলে ওই পাড়ার সব খবর বলতে পারত। ও সব কিছুই আগে আগে জেনে যেত। সব কিছুতেই আগে ছিল বলেই বোধহয় ভগবান ওকে আগেভাগে টেনে নিয়েছে। বছর পাঁচেক আগে, এরকমই একটা পুজোর সময়ে গলা অবধি মাল টেনে বাইক নিয়ে এক্সপ্রেসওয়ের ডিভাইডারে ধাক্কা মেরেছিল রনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আমাদের মফস্বলের এরকম অনেক কিস্যা আছে। মহালয়ার ভোর, পাড়ার প্রেম, বন্ধুত্ব এইসব কিছু মিলে মিশে আমাদের একটা মফস্বল ছিল, জানেন?</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[durga puja]]></category>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/90f80711-98dd-4e5e-be90-50444330e6d0.webp" length="94780" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/90f80711-98dd-4e5e-be90-50444330e6d0.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/90f80711-98dd-4e5e-be90-50444330e6d0.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সকলের জন্য এআই ও ভাষার সমতা: বাংলা ও আঞ্চলিক ভাষার বৈষম্য দূর করতে সমাধানের পথ কী?  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/ai-and-language-equity-solution-to-eliminate-disparity-between-english-bengali-other-regional-languages-516627</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/ai-and-language-equity-solution-to-eliminate-disparity-between-english-bengali-other-regional-languages-516627</guid>
            <pubDate>Sat, 10 Oct 2026 15:47:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[পরিচিত এই মডেলগুলিকে মূলত ইন্টারনেটের অজস্র লেখালেখি দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবে ইন্টারনেটে থাকা বিষয়বস্তুর সিংহভাগই ইংরেজি। অথচ প্রায় ২৮ কোটি মানুষের মুখের ভাষা এবং বিশ্বের প্রথম সারির সাতটি ভাষার একটি হওয়া সত্ত্বেও, প্রতি এক হাজার ওয়েবসাইটের মধ্যে একটিরও কম ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ব্যবহৃত হয়।]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌমেধিক ভারতী</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">চলতি দশকের খুব কম উদ্ভাবনই 'লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল' বা এলএলএম (LLM)-এর মতো এত দ্রুত সকলের কাছে ছড়িয়ে পড়েছে। চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) কিংবা ক্লড (Claude)-এর মতো জনপ্রিয় চ্যাটবটগুলির মূলে রয়েছে এই প্রযুক্তিই। এতে ব্যবহারকারী সহজ, স্বাভাবিক ভাষায় কোনও প্রশ্ন লিখলে যন্ত্রটিও সুস্পষ্ট উত্তর দেয়। কোনও জটিল আইনি নোটিসের ব্যাখ্যা, দীর্ঘ প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ তৈরি, কঠিন বিষয় বুঝতে পড়ুয়াদের সহায়তা থেকে চিঠি লেখা বা অনুবাদের মতো কাজও অনায়াসে সেরে ফেলতে পারে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">মূলত, LLM প্রযুক্তির এই কার্যকারিতাই সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে। একজন কৃষকের কোনও দুর্বোধ্য কারিগরি নির্দেশিকা পড়তে, একজন রোগীর নিজের মেডিকেল রিপোর্ট বুঝতে কিংবা একজন ব্যবসায়ীর হিসাবরক্ষার জন্য এখন হাতের মুঠোয় মিলছে বিশেষজ্ঞের সহায়তা। যেখানে এর জন্য অতীতে প্রচুর অর্থ, বিশেষ যোগাযোগ, সুযোগ কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার প্রয়োজন হত, এখন সেই সমস্যা দূর হয়েছে। উল্লেখ্য, ওপেনএআই (OpenAI)-এর তথ্য অনুযায়ী, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের দিক থেকে ভারত এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">তবে একটি ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ঠিক ততটাই দক্ষ হয়ে ওঠে, যতটা তথ্যের সাহায্যে তাকে সমৃদ্ধ করা হয়েছে। তাহলে এই মডেলগুলি আসলে কোন তথ্যের সাহায্য নিল? কী ভাবে নিজের পারদর্শিতা বাড়াল? পরিচিত এই মডেলগুলিকে মূলত ইন্টারনেটের অজস্র লেখালেখি দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবে ইন্টারনেটে থাকা বিষয়বস্তুর সিংহভাগই ইংরেজি। অথচ প্রায় ২৮ কোটি মানুষের মুখের ভাষা এবং বিশ্বের প্রথম সারির সাতটি ভাষার একটি হওয়া সত্ত্বেও, প্রতি এক হাজার ওয়েবসাইটের মধ্যে একটিরও কম ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ব্যবহৃত হয়।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">এ ক্ষেত্রে আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার দু'টি সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে, যার মধ্যে দ্বিতীয়টি বিশেষভাবে গুরুতর।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">প্রথম বিষয়টি হল, ন্যায্যতা। যে প্রযুক্তি স্কুল, হাসপাতাল, অফিস কিংবা সরকারি পরিষেবার রূপ আমূল বদলে দিতে পারে, তা যদি কেবল একটি ভাষাতেই সবচেয়ে কার্যকর থাকে, তবে তাকে আর 'সবার জন্য প্রযুক্তি' বলা যায় না। ওপেনএআই (OpenAI)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভারতের প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ইংরেজিকে মুখ্য ভাষা হিসেবে ব্যবহার করেন না। লন্ডনের কোনও শিশু ইংরেজিতে প্রশ্ন করে যে মানের উত্তর পায়। সেভাবে বাঁকুড়ার প্রত্যন্ত গ্রামের একটি শিশু বাংলায় প্রশ্ন করেও তেমন উন্নতমানের উত্তর পায় না। এদিকে, তারও সমান অধিকার থাকার কথা।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">দ্বিতীয় বিষয়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমাগত বাড়তে থাকা এক ব্যবধান। ২০২০ সালে জিপিটি-৩ (GPT-3)-কে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন টোকেন দিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল, যার প্রায় ৯৩ শতাংশই ছিল ইংরেজি। ২০২৪ সালে মেটার লামা-৩ (Llama-3)-কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ১৫ ট্রিলিয়নেরও বেশি টোকেন দিয়ে, যা আগের তুলনায় প্রায় পঞ্চাশ গুণ বেশি। মেটা জানিয়েছে, এর মধ্যে ৫ শতাংশের কিছু বেশি ছিল ইংরেজি ছাড়া অন্যান্য ভাষার উপাদান, যা আবার ৩০টিরও বেশি ভাষার মধ্যে ভাগ করা হয়। প্রশিক্ষণের তথ্যভাণ্ডার পঞ্চাশ গুণ বড় হলেও অন্যান্য ভাষার অংশ সেই তুলনায় নগণ্যই থেকে গেছে। ফলে প্রকৃত তথ্যের পরিমাণের দিক থেকে ইংরেজি এবং অন্যান্য ভাষার মধ্যেকার ফারাক বছর বছর বেড়েই চলেছে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">এটি মূলত একটি বৃত্তাকার প্রক্রিয়ার মতো কাজ করে। ইংরেজি ভাষায় পারদর্শী একটি মডেল প্রযুক্তিটিকে আরও কার্যকর করে তোলে। ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষ ইংরেজিতে কনটেন্ট তৈরি করেন, বিভিন্ন প্রকাশনা উপস্থাপন করেন এবং তথ্য অনুসন্ধানের জন্য এই মডেল ব্যবহার করেন। ফলে পরবর্তী প্রজন্মের মডেলগুলির জন্য আরও বেশি ইংরেজি তথ্যভান্ডার তৈরি হয়।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">অন্যদিকে, যেসব ভাষার তথ্যের জোগান সীমিত, সেগুলির মডেলও দুর্বল থেকে যায়। এর ফলে সাধারণ মানুষ মাতৃভাষায় এলএলএম প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহ হারান। ফলে নতুন লেখালেখির সংখ্যাও বাড়ে না। ২০২০ সালে মাইক্রোসফটের গবেষকরা সতর্ক করেছিলেন, প্রযুক্তির এই ভাষাগত বৈষম্যে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারকারীদের কোণঠাসা করে দিতে পারে। তাঁদের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পর্যালোচিত ভাষাগুলির প্রতি দশটির প্রায় নয়টিতেই প্রয়োজনীয় ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডার নেই বললেই চলে। বাংলা ও হিন্দি ভাষা এই তালিকায় মাঝামাঝি জায়গায় ঠাঁই পেয়েছে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">প্রযুক্তির এই ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা ভবিষ্যতে এমন এক জগতে পৌঁছাব যেখানে ইংরেজি ছাড়া বাকি সমস্ত ভাষার ব্যবহার সীমিতই থাকবে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">তবে তা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তিই শুধু দায়ী, তা নয়। এই প্রযুক্তি জরুরি, মূল ধারণাতেও কোনও গলদ নেই; বরং ত্রুটি রয়েছে সেই বিকাশ প্রক্রিয়ায়। যেখানে এতদিন কেবল নির্দিষ্ট কিছু মানুষের চাহিদাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর সমাধানের পথ লুকিয়ে উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তি গড়ে তোলার মাধ্যমে। এই সঙ্কট থেকে মুক্তির জন্য চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ করা যেতে পারে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">প্রথমত, বহুভাষিকতাকে এআই গবেষণার মূল ধারায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। নতুন কোনও মডেল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার আগে বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলির উচিত বাংলা-সহ অন্যান্য ভাষায় এর কার্যকারিতা যথাযথভাবে যাচাই করা এবং বিস্তারিত ভাষাভিত্তিক ফলাফল প্রকাশ করা। ডেটা নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার সুরক্ষার মতোই ভাষাগত সমতা বজায় রাখাও এআই (AI)-এর একটি মৌলিক এবং নৈতিক শর্ত।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে সমৃদ্ধ ও উন্নতমানের তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলতে হবে। বাংলা ভাষার বিপুল পরিমাণ মূল্যবান উপাদান, যেমন- পুরনো সংবাদপত্র, বই, ম্যাগাজিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার এবং সরকারি নথিপত্রে আজও ডিজিটাল রূপ না পেয়ে পড়ে রয়েছে। শুধু মুদ্রিত লেখাই নয়, কথ্য ভাষার অডিও কিংবা ভিডিও নথিপত্রও এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত মূল্যবান। এ সমস্ত ডেটা সংগ্রহের উদ্যোগে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই প্রযুক্তির সুফল যেন প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছয়, তা-ও দেখা প্রয়োজন। ভারত ইতিমধ্যেই এ ক্ষেত্রে কাজ শুরু করেছে। প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার অর্থপুষ্ট প্রকল্প 'ইন্ডিয়া এআই মিশন' (IndiaAI Mission) নিয়ে উদ্যোগী সরকার। সেখানে সংবিধানস্বীকৃত ২২টি ভাষার জন্য তৈরি 'সর্বম এআই' (Sarvam AI) ও &lsquo;ভারতজেন&rsquo; (BharatGen)-এর মতো মডেলগুলিকে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। যা নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">তৃতীয়ত, নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি কেবল ওই ২২টি ভাষার গণ্ডিতে আটকে রাখলে চলবে না। সংবিধানে 'তফসিলভুক্ত' ভাষাগুলিই সচরাচর রাষ্ট্রীয় মনোযোগ পায়, অথচ বহু আদিবাসী ও প্রান্তিক ভাষা তা থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। 'পিপলস লিঙ্গুইস্টিক সার্ভে অফ ইন্ডিয়া'র তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ১৯৭টি ভাষা এখন বিলুপ্তির পথে, যা বিশ্বের যেকোনও দেশের চেয়ে বেশি। এই সমীক্ষার প্রধান অধ্যাপক গণেশ ডেভির মতে, ১৯৬১ সালের পর থেকে এ দেশে ইতিমধ্যে অন্তত ২২০টি ভাষা হারিয়ে গিয়েছে। এ ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিপন্ন ভাষাগুলোর ডিজিটাল অভিধান প্রণয়ন, অডিও-ভিডিও সংরক্ষণ এবং পাঠ্যোপকরণ তৈরির উদ্যোগে অর্থায়ন করতে পারে। সুপরিকল্পিতভাবে এগোলে এই প্রযুক্তি শুধু ভাষাগুলিকে নথিবদ্ধ করতেই নয়, বরং শিক্ষাদানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতেও বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">চতুর্থত, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলিকে পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের স্পষ্ট জানানো উচিত, সংশ্লিষ্ট মডেলটির প্রশিক্ষণে প্রতিটি ভাষার ঠিক কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ভাষায় মডেলটির কার্যকারিতা কেমন।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)-এর ব্যবহার আরও বাড়বে। তাই মানুষ যে ভাষায় চিন্তা করে ও জীবনযাপন করে, ঠিক সেই ভাষাতেই প্রতিটি মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের সক্ষমতা থাকা উচিত এই প্রযুক্তির। প্রযুক্তিকে প্রকৃত অর্থে 'সকলের জন্য' করে তুলতে হবে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ai]]></category>
            <category><![CDATA[Language Equality]]></category>
            <category><![CDATA[LLM]]></category>
            <category><![CDATA[chatgpt]]></category>
            <category><![CDATA[Bengali Language Equality]]></category>
            <category><![CDATA[Regional Language Equality]]></category>
            <category><![CDATA[Artificial Intelligence]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/8592a6d3-2c11-4f9d-95ff-fb499abcb593.webp" length="98286" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/8592a6d3-2c11-4f9d-95ff-fb499abcb593.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/10/8592a6d3-2c11-4f9d-95ff-fb499abcb593.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সংখ্যায় নিজেকে 'হারালেন', রেকর্ড ভোটে হাসিরানিকে জিতিয়ে 'জননায়ক' শুভেন্দু! মুছে গেল ৭০-৩০ ব্যবধান]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/nandigram-by-election-result-update-hasirani-rath-get-record-margin-vote-here-what-cm-suvendu-adhikari-says-516518</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/nandigram-by-election-result-update-hasirani-rath-get-record-margin-vote-here-what-cm-suvendu-adhikari-says-516518</guid>
            <pubDate>Fri, 09 Oct 2026 16:14:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[রেকর্ড মার্জিনে ভোট প্রাপ্তি। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে রেকর্ড ব্যবধানে বিজেপির জয়ের কৃতিত্ব প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা'কে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে রেকর্ড ব্যবধানে বিজেপির জয়ের কৃতিত্ব প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা'কে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রায় ৭০ হাজার ৩০০ অন্নপূর্ণা যোজনার প্রাপক মহিলা সপরিবারে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে দাবি করলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে জনতার সমর্থনেই এই বিপুল জয় সম্ভব হয়েছে।</p>&#13;
<p>শুক্রবার বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নন্দীগ্রাম থেকে বিজেপির প্রার্থী তথা প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা-কে জনতা জনার্দন আশীর্বাদ করেছেন। চন্দ্রনাথ রথ ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন জওয়ান ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে নির্বাচন বিধি চালু থাকায় সরকারি হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে না পারার কারণে সেখানে যেতে পারেননি বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, নন্দীগ্রামের সমস্ত ভোটারকে তিনি প্রণাম জানাচ্ছেন।</p>&#13;
<p>নন্দীগ্রামে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রায় ৭০ হাজার ৩০০ মহিলা উপভোক্তার সমর্থনের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, তাঁরা পরিবার-সহ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। তাঁর দাবি, সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছনোর কারণেই বিজেপির প্রতি সমর্থন বেড়েছে।</p>&#13;
<p>শুভেন্দু সরকারের প্রথম ভোট হল দুই কেন্দ্রে। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, 'উপনির্বাচনে কোনও গুলি, বোমা, মৃত্যু বা বুথে পুনর্নির্বাচনের ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, অতীতের নির্বাচনগুলির তুলনায় এবার ভয়ের পরিবেশ ছাড়াই মানুষ ভোট দিয়েছেন।'&nbsp;</p>&#13;
<p>আগামী কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০২৮ সালের পঞ্চায়েত এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির সাফল্য নিয়ে আশাপ্রকাশ করেন শুভেন্দু। ২০২৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি লোকসভা আসনই নরেন্দ্র মোদীকে উপহার দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, ১৭ রাউন্ড গণনা শেষে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট এক লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৭। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৭৪ ভোট। হাসিরানির জয়ের ব্যবধান এক লক্ষ ২২ হাজার ৭৫৩ ভোট। সিপিআই প্রার্থী শান্তিগোপাল গিরি পেয়েছেন মাত্র পাঁচ হাজার ৭৭৯টি ভোট। ISF-এর সবে মিরাজ খান পেয়েছেন ১৬০৭ ভোট। ঋতব্রত তৃণমূলের প্রার্থী অর্থাৎ গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের এহতেশামুল হক পেয়েছেন ৮৫৩ ভোট। নোটা পেয়েছে &nbsp;৬৪৩ ভোট।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[CM Suvendu Adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[Nandigram BY Election]]></category>
            <category><![CDATA[Hasirani Rath]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/09/1af6d61b-3aea-449c-ac2b-6c8051c6e6a4.webp" length="130744" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/09/1af6d61b-3aea-449c-ac2b-6c8051c6e6a4.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/09/1af6d61b-3aea-449c-ac2b-6c8051c6e6a4.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন উদ্যোগ টেকনো ইন্ডিয়ার]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/campus-and-career/techno-india-s-new-initiative-in-the-education-sector-by-enhancing-the-skills-of-teachers-516395</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/campus-and-career/techno-india-s-new-initiative-in-the-education-sector-by-enhancing-the-skills-of-teachers-516395</guid>
            <pubDate>Thu, 08 Oct 2026 14:11:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট অফ ইংল্যান্ডের সহযোগিতায় টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য আয়োজন করা হল বিশেষ ইংরেজি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>মিল্টন সেন, হুগলি: </strong>শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিল সত্যম রায়চৌধুরী ফাউন্ডেশন। ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট অফ ইংল্যান্ডের সহযোগিতায় টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য আয়োজন করা হল বিশেষ ইংরেজি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। নিউটাউনের সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে গত সোমবার থেকে টানা দু&rsquo;দিন ধরে চলে প্রশিক্ষণের প্রথম পর্যায়। এরপর বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ শুরু হয় চুঁচুড়ায় টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুল।</p>&#13;
<p>এই দুই প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ পাবলিক স্কুলের চুঁচুড়া, কোলাঘাট, কৃষ্ণনগর, দুর্গাপুর, বোলপুর, নবদ্বীপ-সহ বিভিন্ন শাখার শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গ্রুপের অন্তর্গত সমস্ত স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরই এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। ইংরেজি শিক্ষাদানের পদ্ধতিকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করে তোলাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।</p>&#13;
<p>প্রশিক্ষণে তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হয় হাতেকলমে শিক্ষার উপর। একই সঙ্গে অনলাইনেও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করার পর অংশগ্রহণকারী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ইউনিভার্সিটি অফ দ্য ওয়েস্ট অফ ইংল্যান্ডের শংসাপত্র।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/08/98337c07-21c9-4632-a8aa-1192588225e9.webp"></p>&#13;
<p>ওয়েস্ট অফ ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ও প্রথম মেয়র টিম বোলসের সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ স্টিভেন বেকার, রিনা বসাক এবং র&zwj;্যাচেল ক্রিস-সহ বিশিষ্টরা।&nbsp;</p>&#13;
<p>সত্যম রায়চৌধুরী ফাউন্ডেশনের তরফে অধ্যাপক অশোক দত্ত জানান, &ldquo;সারা বছর ধরেই এই ফাউন্ডেশন মূলত পড়ুয়াদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন জনসেবামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। স্বাস্থ্য ও শিক্ষার পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নেও কাজ করে ফাউন্ডেশন। পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার (এডিএইচডি) শনাক্তকরণের উদ্যোগও নেওয়া হয়। পাশাপাশি, এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে পড়ুয়া ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন করার উপরেও জোর দেওয়া হয়।&rdquo;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[techno india group]]></category>
            <category><![CDATA[Satyam Roy Chowdhury Foundation]]></category>
            <category><![CDATA[tig]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/08/2f072449-d197-40c6-b4e0-d2ca1401d5df.webp" length="62794" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/08/2f072449-d197-40c6-b4e0-d2ca1401d5df.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/08/2f072449-d197-40c6-b4e0-d2ca1401d5df.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হাতছাড়া হচ্ছে আপনার মুখ?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/social-media-photo-trend-is-just-a-colorful-entertainment-or-a-modern-tale-of-handing-over-our-identities-to-artificial-intelligence-516254</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/social-media-photo-trend-is-just-a-colorful-entertainment-or-a-modern-tale-of-handing-over-our-identities-to-artificial-intelligence-516254</guid>
            <pubDate>Wed, 07 Oct 2026 13:47:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আমাদের মুখ একবার ওয়েবে চলে গেলে ফেরানো দুষ্কর। পাসওয়ার্ড বদলানো গেলেও বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকে। ভারতের বিপুল জনসংখ্যা এক বিশাল মানব তথ্যসম্পদ। ]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>কৌশিক ভৌমিক</strong></p>&#13;
<p>গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ফেসবুক আর ইনস্টাগ্রামে নস্টালজিয়ার ঝড়। সেপিয়া রঙের আশির দশকের পোশাকে, চুলের ছাঁটে আর রিল ক্যামেরার রেট্রো টেক্সচারের ঝাপসা ছবিতে ছয়লাপ। যেন হারানো অতীতের এক টুকরো ফিরে এসেছে। এই স্মৃতিকাতরতা কি নিছকই রঙিন বিনোদন, নাকি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)-এর কাছে আমাদের পরিচয় সঁপে দেওয়ার আধুনিক গল্প?</p>&#13;
<p>এই গল্প শুরু হয়েছিল গত দশকের মাঝামাঝি। ২০১৫-তে মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট &lsquo;হাও ওল্ড ডট নেট&rsquo; ছবি আপলোড করলে বয়স বলে দিত। কয়েক ঘণ্টায় ব্যবহারকারী দাঁড়ায় ৩৫ হাজারে। মানুষ খুঁজেছিল মজা, সংস্থা পেয়েছিল তথ্য। ওটা ছিল মাইক্রোসফটের &lsquo;প্রজেক্ট অক্সফোর্ড&rsquo; মুখ-বিশ্লেষণ প্রযুক্তির গণপরীক্ষা। যদিও সংস্থা দাবি করেছিল ছবি সংরক্ষণ করেনি, ওয়েবসাইট ব্যবহারের পরিসংখ্যান রেখেছিল মাত্র, সফটওয়্যারের জগতে তথ্য জমা করাটা দস্তুর।</p>&#13;
<p>ফেস রেকগনিশন ও অ্যানালাইসিসের মতো এআই মডেলগুলি মানুষের মুখাবয়বের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে সংখ্যার সারি বানায়। একে বলে &lsquo;এম্বেডিং&rsquo;। এটাই আমাদের মুখের গাণিতিক পরিচয়। প্রতিটি ছবির সংখ্যার মান আলাদা হলেও একই মানুষের একাধিক ছবির মধ্যে পরিসংখ্যানগত মিল থাকে। মানুষের মুখের বৈশিষ্ট্য তার &lsquo;বায়োমেট্রিক ডেটা&rsquo;-র অংশ, যা দিয়ে ব্যক্তিটিকে চেনা যায়। সেই মুখের ছবিতে থাকে &lsquo;মেটাডেটা&rsquo;ও। কোন ডিভাইসে, কখন, কোথায় ছবি তোলা হয়েছে এবং কোন আইপি অ্যাড্রেস ও অ্যাকাউন্ট থেকে আপলোড হয়েছে। এই সব তথ্য ছবি থেকে বার করার প্রক্রিয়া কেবলে &lsquo;ফরওয়ার্ড মডেলিং&rsquo;। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান বিট ডিফেন্ডারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখের ছবির সঙ্গে ছবির পটভূমি ও মেটাডেটাতেও নানা ব্যক্তিগত তথ্য লুকিয়ে থাকে। ফলে ছবি শুধু মুখের তথ্য নয়, একজনের গোটা সামাজিক মানচিত্র।</p>&#13;
<p>২০১৯-এ রুশ ফেস অ্যাপ আনে বার্ধক্যের ফিল্টার। পঞ্চাশ বছর পর আমাদের কেমন দেখতে লাগবে। এই পদ্ধতির নাম &lsquo;ইনভার্স মডেলিং&rsquo;। ফরওয়ার্ড মডেলিংয়ের উল্টো। তথ্য থেকে ছবি বানায়।একই বছরে আসে &lsquo;টেন ইয়ার চ্যালেঞ্জ&rsquo;ও। দশ বছর আগে-পরের ছবির তুলনা। লক্ষ লক্ষ মানুষ &lsquo;২০০৯ বনাম ২০১৯&rsquo;-এর ছবি আপলোড করেন। ফায়দা তোলে প্রযুক্তি সংস্থাগুলি। বয়সের সঙ্গে মুখ বদলানোর প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এমন স্বয়ং-চিহ্নিত তথ্যভান্ডার প্রচণ্ড মূল্যবান। এই ছবিগুলিই মডেলগুলিকে নিখুঁত করে। এতে সংস্থাগুলির আলাদা করে ছবি জোগাড়ের বিপুল খরচও বাঁচে।</p>&#13;
<p>এক একটি ফটো ট্রেন্ডে আমাদের মুখের ব্যক্তিগত তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সার্ভারে জমা পড়ে। মাইক্রোসফট তথ্য সংরক্ষণের কথা অস্বীকার করলেও, রুশ ফেস অ্যাপের শর্তাবলীতে ব্যবহারকারীর তথ্যের ওপর সংস্থার অধিকারের উল্লেখ ছিল। মার্কিন সেনেটর চাক শুমারের আর্জিতে এফবিআই তদন্ত করে জানায়, ফেস অ্যাপ কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স ঝুঁকি তৈরি করতে সক্ষম।</p>&#13;
<p>২০২৫-এ জনপ্রিয় হয় জিবলি ট্রেন্ড, তারপর অ্যাকশন ফিগার, ভিনটেজ শাড়ি, সেলিব্রিটি পোলারয়েড আর এখন আশির ট্রেন্ড। এক ট্রেন্ডের হিড়িক কমতেই হাজির হয় পরেরটা। আর প্রতিবারই আমরা এআই মডেলগুলির কাছে আমাদের ছবির এক নতুন সংস্করণ তুলে দিই যেগুলি,তুরস্কের ফরেনসিকতথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আলি মুরাতকিরিকের সতর্কীকরণ মোতাবেক, আপলোড হতেই চলে যায় এক ডিজিটাল পরিষেবার হাতে। ট্রেন্ডের বাইরেও আমরা প্রতিনিয়ত সমাজমাধ্যম ভরিয়ে তুলি নিজেদের নানা ব্যক্তিগত ছবিতে।</p>&#13;
<p>এই ছবিগুলি যদি হয় দক্ষিণ এশীয় জনসম্প্রদায়ের, বিশেষত ভারতীয় মুখের, তাহলে তো বিদেশি প্রযুক্তি সংস্থাগুলির ফায়দা তুঙ্গে। দক্ষিণ এশীয় মুখাবয়বের তথ্য কম থাকায় মডেলগুলি এই ধরনের মুখে স্বল্প প্রশিক্ষিত। তাই ভারতীয় মুখের চাহিদা বিপুল। সহজলভ্যও। কারণ জনসংখ্যা, মুখের বৈচিত্র্য এবং স্মার্টফোন-সমাজমাধ্যমের ব্যবহার, তিনটিই এখানে বিরাট। অ্যাপ ফিগার্সের হিসাবেই প্রমাণ মেলে। ছবি নির্মাণে দক্ষ জেমিনি অ্যাপ ২০২৫-এর জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে ভারতে ডাউনলোড হয় ১ কোটি ৫২ লক্ষ বার। আমেরিকায় ৯৮ লক্ষ। ভারত তাই শুধু ব্যবহারকারী নয়, বিশ্বের এআই-এর ভবিষ্যৎ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ কারিগরও।&nbsp;</p>&#13;
<p>এখানেই ভারতের সামনে প্রথম বড় ঝুঁকি। অর্থনৈতিক অসাম্য। মুখ আমাদের। ফায়দা তুলছে বিদেশি সংস্থারা। ভারতীয়রা বিনামূল্যে নিজেদের ছবি, পোশাক, বাড়ি, পরিবার, বন্ধু ও ভ্রমণ প্রভৃতির ছবি দিচ্ছেন। তা দিয়ে সংস্থাগুলি উন্নত মডেল বানাচ্ছে। আবার সেই প্রযুক্তিই ভারতীয়দের কাছে বাণিজ্যিক পরিষেবা হিসেবে বিক্রি করছে। এটা &lsquo;ডেটা ইকনমি&rsquo; বা তথ্য অর্থনীতির গভীর অসমতা। এর সুযোগে মাথা চাড়া দিচ্ছে &lsquo;ডেটা কলোনিয়ালিজম&rsquo; বা তথ্য ঔপনিবেশিকতা, যেখানে মানুষের জীবন থেকে সংগৃহীত তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক লাভ চলে যায় অন্যের হাতে।যেমন ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের কাঁচামাল বিদেশে নিয়েগিয়ে পণ্য বানিয়ে এনে বিক্রি করা হতো ভারতীয়দের কাছেই। এতে নড়বড়ে হচ্ছে তথ্য অধিকারের ভারসাম্য।</p>&#13;
<p>দ্বিতীয় ঝুঁকিটা রাজনৈতিক। ২০১৮-য় ফাঁস হওয়া কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা (সিএ) কাণ্ডে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করে ভোটারদের আচরণ বোঝারও প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছিল। সিএ-এর মূল সংস্থা স্ট্র্যাটেজিক কমিউনিকেশন ল্যাবরেটরিস-এর ভারতীয় সহযোগী ওভলেনো বিজনেস ইন্টেলিজেন্স (ওবিআই)-এর কাজের নথিতে জাত, বুথ, পারিবারিক তথ্য, কাস্টটার্গেটিং ও ভোটারদের আচরণ বিশ্লেষণের উল্লেখ থাকায় বিতর্ক তৈরি হয়। সেই ওবিআই-এরই ক্লায়েন্ট তালিকায় কংগ্রেস, বিজেপি ও জনতা দল (ইউ)-এর নাম থাকার অভিযোগও ওঠে। এর সঙ্গে মুখের তথ্য যুক্ত হলে ভোটারদের আরও নির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করে লক্ষ্যভিত্তিক প্রচার সম্ভব হতে পারে। অতএব ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও ব্যক্তিগত ও মুখের তথ্যের রাজনৈতিক ব্যবহার নতুন উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। প্রচার যত তথ্য নির্ভর হবে, নির্বাচনের ফলাফলও তত অনুকূলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।</p>&#13;
<p>জাতীয় নিরাপত্তায় মুখের তথ্যের গুরুত্ব বুঝিয়েছে এআই সংস্থা, ক্লিয়ারভিউ। অভিযোগ, ওয়েব থেকে লক্ষ লক্ষ ছবি জড়ো করে মুখের ডেটাবেস বানিয়ে মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে বেচেছে। সমাজমাধ্যম ও নজরদারির দূরত্ব এখন সামান্যই। এআইআর প্রতিরক্ষার সম্পর্কও নিবিড়। ২০২৫ সালে ওপেনএআই, গুগল, অ্যানথ্রোপিক ও এক্সএআই মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের সঙ্গে ২০ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে।</p>&#13;
<p>এখানেই তৃতীয় ঝুঁকি, ভূরাজনৈতিক। মার্কিন &lsquo;ক্লাউডঅ্যাক্ট&rsquo; অনুযায়ী, মার্কিন সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকা তথ্য বিদেশে সংরক্ষিত হলেও আইনি প্রক্রিয়ায় তা চেয়ে নিতে পারে মার্কিন প্রশাসন। সেই নিরিখে, বিপুল ভারতীয়ের মুখের বায়োমেট্রিক তথ্য ও সামাজিক মানচিত্রও চলে যেতে পারে বিদেশি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। প্রশ্ন হল, ভারতীয়দের ছবির উপর ভারতের কোনও আইনি বা কূটনৈতিক নিয়ন্ত্রণ আছে কি? ভারতীয় তথ্যের অধিকার রক্ষা হবে কীভাবে?</p>&#13;
<p>২০২০-তে নিরাপত্তার কারণে তথ্য সংগ্রহ ও প্রোফাইলিংয়ের আশঙ্কায় ভারত সরকার একাধিক চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে। ভারতীয় সেনাকেও ৮৯টি অ্যাপ মুছতে বলা হয়েছিল। একই প্রশ্ন মার্কিন বা অন্য বিদেশি অ্যাপের ক্ষেত্রেও ওঠা জরুরি। দেশ বদলালেও তথ্যের ঝুঁকি বদলায় না। চীনা অ্যাপ আটকে অন্য দেশের এআই পরিষেবাকে ছাড় দেওয়া আসলে &lsquo;ডেটা নন-অ্যালাইনমেন্ট&rsquo;। ভারতের বিদেশনীতির মতো তথ্যনীতিতেও, নিরাপত্তার বিষয়ে, দেশ নির্বিশেষে প্রয়োজন নিরপেক্ষ মানদণ্ড।</p>&#13;
<p>চতুর্থ, যে ঝুঁকিটি আঘাত হানছে সাধারণ মানুষের সামাজিক পরিচিতি, সম্মান ও আর্থিক নিরাপত্তায়, তা হল &lsquo;ডিপফেক&rsquo;। যে ইনভার্স মডেলিংয়ে ফেস অ্যাপ আমাদের বুড়ো দেখায়, সেই প্রযুক্তিতেই তৈরি হয় ভুয়ো ভিডিও ও ছবি, যেখানে একজনের মুখ বসে অন্যের শরীরে। জন্ম নেয় &lsquo;সিন্থেটিক আইডেন্টিটি&rsquo; বা কৃত্রিম পরিচয়। মডেলের হাতে যত স্পষ্ট ও বহু কৌণিক ছবি যাবে, প্রতারণা তত নিখুঁত হবে।</p>&#13;
<p>ভারতে সাইবার জালিয়াতি উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। ডিপফেক, ফেস-সোয়াপ ও ভয়েস ক্লোনের সাহায্যে জালিয়াতরা ফেসিয়াল অথেন্টিকেশন এবং লাইভনেস ডিটেকশন ফাঁকি দিয়ে প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন করছে। যৌন হয়রানির উদ্যেশ্যে কারও মুখ বসিয়ে আপত্তিকর ছবি-ভিডিও বানিয়ে, ফাঁস না করার শর্তে মোটা অর্থের সেক্সটর্শন চালাচ্ছে। &lsquo;ডিজিটাল অ্যারেস্ট&rsquo;-এর বহু ঘটনায় পুলিশ বা সিবিআই আধিকারিকের মুখ ও কণ্ঠ নকল করে টাকা দাবি করছে। সমাজমাধ্যম থেকে আত্মীয় ও বন্ধুর ছবি-ভিডিও নিয়ে পরিচয় নকল করে, জরুরি বিপদের অজুহাতে পরিবারের কাছে টাকা চাইছে। সেলিব্রিটিদের মুখ ও কণ্ঠ নকল করে ভুয়ো পণ্য-পরিষেবার এন্ডর্সমেন্ট বা প্রচার ভিডিও বানিয়েও সাধারণ মানুষকে আর্থিক প্রতারণার ফাঁদে ফেলছে।</p>&#13;
<p>২০২৫ সালে ভারতীয়রা সাইবার প্রতারণায় প্রায় ২২,৪৯৫ কোটি টাকা হারিয়েছেন। সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ম্যাকাফির &lsquo;২০২৬ স্টেট অব দ্য স্ক্যামিভার্স রিপোর্ট&rsquo; বলছে, ভারতীয়রা দিনে গড়ে চারটি ডিপফেকের খপ্পরে পড়েছেন, আর ৫১ শতাংশ মানুষ স্ক্যামে গড়ে প্রায় ৯৪ হাজার টাকা খুইয়েছেন। পিআই ল্যাবসের ২০২৬-এর রিপোর্ট বলছে, নারীদের বিরুদ্ধে ডিপফেক অপব্যবহার প্রায় ৯০০ শতাংশ বেড়েছে। আই৪সি সতর্ক করেছে, এই প্রযুক্তি মুখের পরিচয়কে অস্ত্র বানিয়ে আর্থিক ক্ষতি ও মানসিক যন্ত্রণা বাড়াচ্ছে।</p>&#13;
<p>আমাদের মুখ একবার ওয়েবে চলে গেলে ফেরানো দুষ্কর। পাসওয়ার্ড বদলানো গেলেও বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকে। ভারতের বিপুল জনসংখ্যা এক বিশাল মানব তথ্যসম্পদ। ফলে, আমাদের মুখ শুধুই ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে জাতীয় &lsquo;তথ্য সার্বভৌমত্বের&rsquo; প্রশ্নও। নাগরিকদের মুখের তথ্য রক্ষা না হলে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মানব তথ্যের উৎস হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকি প্রবল। আইনি দিক থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত দরকার। ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট, ২০২৩-এর মূল বিধান ২০২৭-এ কার্যকর হবে। ইউরোপের মতো বায়োমেট্রিক তথ্যকে আলাদা &lsquo;সেনসিটিভ পার্সোনাল ডেটা&rsquo; শ্রেণিতে এনে মুখের তথ্যের কঠোর সুরক্ষা জরুরি। কারণ মুখের ছবি পরিচয় যাচাই, নজরদারি ও প্রতারণা, সবকিছুর সঙ্গেই জড়িত। এমনকি ভারত সরকারও ডিজিযাত্রা ও পরীক্ষাকেন্দ্রে মুখভিত্তিক যাচাই ব্যবহার করছে, যদিও ২০১৭-তে সুপ্রিম কোর্ট গোপনীয়তাকে মৌলিক অধিকার ঘোষণা করেছিল। রাষ্ট্র, বেসরকারি ও বিদেশি সংস্থা, তিন পক্ষই মানুষের মুখ হাতিয়ে নিতে উদ্যত, যা বিপজ্জনক।</p>&#13;
<p>তাই বিষয়টি &lsquo;আমাকে কেমন দেখতে লাগছে&rsquo;-তে শেষ নয়। নেপথ্যে চলছে আমাদের মুখ ঘিরে বিশ্বব্যাপী এক মুনাফালোভী প্রতারণামূলক শিল্প। মজা করে দেওয়া ছবি প্রথমে পরিচয়, তারপর তথ্য, এরপর পণ্য, শেষে নজরদারি, প্রতারণা ও রাজনৈতিক প্রোফাইলিংয়ের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। পরের বার কোনও এআই ট্রেন্ড যদি বলে, &lsquo;একটা ছবি দিন, মজা দেখুন&rsquo;, থামুন, শর্তাবলী পড়ুন। নিজের মুখ রাখুন নিজের জিম্মায়, সুরক্ষিত।</p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>(লেখক- এইচএসবিসি ব্যাঙ্কের তথ্য সুরক্ষা বিভাগের সিনিয়র অ্যানালিস্ট)</strong></em></span></p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ai]]></category>
            <category><![CDATA[Social Trend]]></category>
            <category><![CDATA[Face Data]]></category>
            <category><![CDATA[Artificial Intelligence]]></category>
            <category><![CDATA[Metadata]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/07/526733c3-361c-4c63-b60d-56bc8f5dcf7c.webp" length="138898" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/07/526733c3-361c-4c63-b60d-56bc8f5dcf7c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/07/526733c3-361c-4c63-b60d-56bc8f5dcf7c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ভোট আর ভাতা: গণতন্ত্রের নতুন লেনদেন যেখানে ভোটার ক্রমে খদ্দের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/freebies-culture-in-democracy-gradually-turning-voters-into-customers-516158</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/freebies-culture-in-democracy-gradually-turning-voters-into-customers-516158</guid>
            <pubDate>Tue, 06 Oct 2026 16:37:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[জনকল্যাণ আর প্রতিশ্রুতির সীমারেখাটা একবার ঝাপসা হতে শুরু করলে, সেটা আর কিছুতেই স্পষ্ট হয় না। কামরাজের পর, ষাটের দশকের ভর্তুকির চাল থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে রঙিন টিভি, কুকার, মিক্সার-গ্রাইন্ডার, ল্যাপটপ, সাইকেল, স্মার্টফোন; দিন যত এগিয়েছে, নির্বাচনের পর নির্বাচন তালিকাটা শুধু লম্বা হয়েছে।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>দীপঙ্কর বসু</strong></p>&#13;
<p>ভোটে দামামা বেজে ওঠার অনেকগুলি আকার-ইঙ্গিত আছে। যেমন, দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার আগে থেকেই বাতাসে শরতের আভাসের মতো দলীয় কর্মীদের তৎপরতা, নেতাদের টিকিট পাওয়ার ব্যাকুলতা, আরও বড় নেতার দাওয়ায় হত্যে দেওয়া, দেওয়াল দখলের রেষারেষি ইত্যাদি। তবে, ভোটের ঠিক আগে যখন নেতা বা প্রার্থী দলীয় ইস্তেহারের পাতা উল্টে ঠিক সেইখানে হাত রাখেন যেখানে চকচক করে বেশ কিছু সংখ্যা, তখনই বোঝা যায় যে এইবার খেলা সত্যিই জমে উঠেছে।</p>&#13;
<p>গত ৯ সেপ্টেম্বর ডালাসের আমেরিকান এয়ারলাইনস সেন্টারে রিপাবলিকান পার্টির সম্মেলনে ঘণ্টা দেড়েকের ভাষণে যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন যে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষেই যদি রিপাবলিকানরা জেতে, তাহলে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান নাগরিক পাঁচ হাজার ডলার করে &lsquo;ডিভিডেন্ড&rsquo; পাবেন, তখন একজন সাধারণ ভারতীয় ভোটার হিসেবে ব্যাপারটা যেন খুব চেনা চেনা ঠেকল।<br>&nbsp;<br>মনে হল, ট্রাম্পের ঘোষণার জায়গাটা ডালাস না হয়ে কলকাতা বা দিল্লি অথবা ভোপাল হলে তো কোনও ভুল হবে না। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী গণতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট আর ভারতের যে কোনও রাজ্যের নির্বাচনী মঞ্চের সুরটা যেন প্রায় একই জায়গা থেকে ধার করা, শর্তটাও একদম এক। টাকা পেতে গেলে আগে ভোটটা ঠিক জায়গায় যেন পড়ে।&nbsp;</p>&#13;
<p>তবে ট্রাম্পের এই &lsquo;ডিভিডেন্ড&rsquo; রাজনীতি নতুন কোনও বিষয় নয়। এই নিয়ে তিনবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই তথাকথিত &lsquo;ডিভিডেন্ড&rsquo;-এর উত্থাপন করেছেন। প্রথমবার ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মায়ামির ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভের এক সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, ইলন মাস্কের &lsquo;ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি&rsquo; বা &lsquo;ডজ&rsquo; যদি সরকারি খরচ থেকে দু&rsquo;লক্ষ কোটি ডলার বাঁচাতে পারে, তার ২০ শতাংশ সরাসরি নাগরিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। হিসেবটা ছিল মাথাপিছু প্রায় পাঁচ হাজার ডলার। কিন্তু &lsquo;ডজ&rsquo; শেষ পর্যন্ত সেই দু&rsquo;লক্ষ কোটির ধারে কাছেও পৌঁছতে পারেনি, আর একটি ডলারও কারও অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি।</p>&#13;
<p>দ্বিতীয়বার, গত বছর নভেম্বরে ট্রাম্প শুল্ক থেকে পাওয়া রাজস্বের একটা অংশ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আমেরিকানদের ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এবারে হিসেবটা ছিল মাথাপিছু দু&rsquo;হাজার ডলার। কিন্তু, এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের উপর ভর করে চাপানো সেই ব্যাপক হারের শুল্কই বেআইনি। ফলে যে টাকা দেওয়ার কথা ট্রাম্প বলেছিলেন, তা এখন আদতে ফিরছে যেসব ব্যবসায়ী আমদানির শুল্ক গুনেছিলেন, তাঁদের কাছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই দুই প্রতিশ্রুতির মাঝখানে একটা ব্যতিক্রম অবশ্য আছে। ২০২৫-এর ডিসেম্বরে প্রায় সাড়ে ১৪ লক্ষ সক্রিয় মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্যকে &lsquo;ওয়ারিয়র (যোদ্ধা) ডিভিডেন্ড&rsquo; বাবদ ১,৭৭৬ ডলার করে দেওয়া হয় এবং সেই ডলার এসেছিল সরাসরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বাজেট থেকে। অর্থাৎ একটা বিষয় পরিষ্কার, প্রতিশ্রুতি রাখতে গেলে বাজেটে টাকা লাগে।<br>&nbsp;<br>ট্রাম্পের তৃতীয় দফার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গেলে, মানে প্রত্যেক আমেরিকান নাগরিককে পাঁচ হাজার ডলার দিতে গেলে, খরচ দাঁড়াবে অন্তত এক লক্ষ কোটি ডলার! এর জন্য শুধু প্রেসিডেন্টের মুখের কথা নয়, লাগবে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন। ট্রাম্পের নিজের দল রিপাবলিকান পার্টির রক্ষণশীল সাংসদ থেকে শুরু করে বিরোধী ডেমোক্র্যাট, সবাই একযোগে প্রশ্ন তুলেছেন, এত বড় অঙ্কের তহবিল তৈরি হবে কোথা থেকে? এবং, প্রায় সকলেরই অভিমত, এইবারের ঘোষণাও আগের দু&rsquo;বারের ট্রাম্প প্রতিশ্রুতির মতোই বাস্তবের মাটিতে পা রাখবে না।</p>&#13;
<p>আমাদের দেশে অবশ্য এই ভাতা ব্যাপারটা বেশ পুরনো, আর সেই সঙ্গে অনেকাংশে প্রাতিষ্ঠানিকও। পঞ্চাশের দশকে কে কামরাজ যখন তামিলনাড়ুর স্কুলে মিড-ডে মিল আর বিনামূল্যে স্কুল ইউনিফর্ম চালু করেছিলেন, তখন উদ্দেশ্য ছিল নিখাদ শিশুকল্যাণ এবং স্কুলছুট আটকানো। কিন্তু, জনকল্যাণ আর প্রতিশ্রুতির সীমারেখাটা একবার ঝাপসা হতে শুরু করলে, সেটা আর কিছুতেই স্পষ্ট হয় না। কামরাজের পর, ষাটের দশকের ভর্তুকির চাল থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে রঙিন টিভি, কুকার, মিক্সার-গ্রাইন্ডার, ল্যাপটপ, সাইকেল, স্মার্টফোন; দিন যত এগিয়েছে, নির্বাচনের পর নির্বাচন তালিকাটা শুধু লম্বা হয়েছে।<br>&nbsp;<br>২০১৫ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টির ৫০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ মাশুল ও পরিবারপিছু মাসে ২০ হাজার লিটার জলের প্রতিশ্রুতি তামিলনাড়ুর মডেলকে দক্ষিণ ভারতের সীমানা পেরিয়ে একেবারে জাতীয় রাজনীতির মূল স্রোতে এনে ফেলল। এর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আধার, মোবাইল আর জনধন স্কিমের ত্রিফলা মিলে ভারতে এমন একটা সংস্কৃতির জন্ম দিল, যেখানে সরাসরি ব্যাঙ্কে টাকা ঢোকার মেসেজ মোবাইল ফোনে আসা মাত্র তৈরি হয় এক ধরণের কৃতজ্ঞতার বলয়।</p>&#13;
<p>পরিস্থিতি এমন হল যে ২০২২-এ বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই &lsquo;রেভড়ি সংস্কৃতি&rsquo;র বিরুদ্ধে সরব হলেন। কিন্তু, ভাতা-সংস্কৃতি একবার চালু হলে, তারপর তা অভ্যাসে পরিণত হলে, আর তার ফল ভোটবাক্সে মিলতে শুরু করলে, কোনও সতর্কবাণীই কানে পৌঁছয় না। বিজেপিশাসিত একাধিক রাজ্যে ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) বা সরকারি প্রকল্পের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়া ধাপে ধাপে বেড়েছে, তা সে মধ্যপ্রদেশে &lsquo;লাডলি বহেনা যোজনা&rsquo;ই হোক কিংবা মহারাষ্ট্রে &lsquo;লড়কি বহিন যোজনা&rsquo;, অথবা অসমে চালু হওয়া &lsquo;অরুণোদয় স্কিম&rsquo;।&nbsp;</p>&#13;
<p>শুধু বিজেপিশাসিত রাজ্যই নয়, পিছিয়ে নেই কংগ্রেস বা অন্যান্য আঞ্চলিক দলশাসিত রাজ্য। ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চা ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল রাজ্যের মহিলাদের জন্যে ডিবিটি&rsquo;র ব্যবস্থা হবে। ভোটে জিতে ঝাড়খণ্ডে হেমন্ত সোরেন এনেছেন &lsquo;মুখ্যমন্ত্রী মাইয়া সম্মান যোজনা&rsquo;। কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে কর্নাটকে এনেছে &lsquo;গৃহলক্ষ্মী&rsquo;, &lsquo;গৃহজ্যোতি&rsquo; বা &lsquo;অন্নভাগ্য&rsquo;র মতো একাধিক ডিবিটি স্কিম।</p>&#13;
<p>পশ্চিমবঙ্গে এই ভাতার ব্যাপারটা একেবারে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। কোভিডের প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ভোটের বাদ্যি বেজে উঠেছিল বাংলায়। ২০২১-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ফলস্বরূপ জন্ম নেওয়া &lsquo;লক্ষ্মীর ভাণ্ডার&rsquo; যে মমতাকে তারপরে একাধিক উপনির্বাচন এবং ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে যথেষ্ট সুবিধে দিয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূলের অন্যতম তুরুপের তাস ছিল &lsquo;লক্ষ্মীর ভাণ্ডার&rsquo; এবং তার সঙ্গে মহিলা উপভোক্তাদের ভোট। শুধু, এইবার বিজেপির &lsquo;অন্নপূর্ণা যোজনা&rsquo;র প্রতিশ্রুতি মানুষের মনে বেশি ধরল। নিট ফল, একাধিক প্রতিশ্রুতির ডালি সাজিয়ে এবং মমতা জমানার অবক্ষয়ে ভর করে বাংলার মসনদে, বিজেপি।</p>&#13;
<p>ভোটের অঙ্ক যে নীতিকথার চেয়ে নগদকে বেশি বিশ্বাস করে, তার ভুরিভুরি প্রমাণ যেমন রয়েছে, তেমনই ষোড়শ অর্থ কমিশনের একটা হিসেব বলে, দেশের রাজ্যগুলি মিলিয়ে এই ডিবিটি বা ভাতা-খাতে বছরে খরচ হচ্ছে প্রায় দু&rsquo;লক্ষ কোটি টাকা! রাজ্যে রাজ্যে দল বদলে গেলেও অঙ্কটা বদলায় না। এই ডিবিটি নিয়ে নির্বাচনের ময়দানে যুযুধান রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে চাপানউতোরও কিছু কম হয় না। ক্ষমতায় আসার আগে যে প্রকল্পকে &lsquo;বোঝা&rsquo; বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়, কুর্সিতে বসার পরে সেই একই প্রকল্প হয়ে ওঠে &lsquo;অপরিহার্য্য&rsquo;। বঙ্গে লক্ষ্মী গেলেও অন্নপূর্ণা এসেছে। গর্ভগৃহে শুধু দেবতা বদলেছে, মন্দিরটা রয়েই গিয়েছে। তবে, যে রাজ্য এমনিতেই ঋণের ভারে নুইয়ে পড়েছে, সেখানে কোষাগারের উপর এই বাড়তি বোঝা কতটা অর্থনৈতিক দিক থেকে যুক্তিসঙ্গত, সে প্রশ্ন থেকেই যায়।</p>&#13;
<p>যেখানে আমেরিকার মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে প্রায় ৩৪ গুণ বেশি, সেখানে ট্রাম্পের পাঁচ হাজার ডলার দেওয়া নিয়ে এত হইচই করার কারণ কী? ভারত ও মার্কিন মুলুককে এক রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক কাঠামোয় ফেলাটা বোকামির নামান্তর। দুই দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা, পরিকাঠামো, করনীতি, অর্থনৈতিক বাস্তবতা সম্পূর্ণ আলাদা। তবু অদ্ভুত ভাবে একটা মিল চোখে পড়ে, আর সেটা হল ওই রাজনৈতিক লাভের পরিবর্তে ভাতা।&nbsp;</p>&#13;
<p>কিন্তু, এই পুরো বিষয়ের আড়ালে যে নির্মম বাস্তবটা লুকিয়ে আছে তা হল রাষ্ট্র ধীরে ধীরে নাগরিককে শুধুই ভাতা বা সুবিধের গ্রাহক হিসেবে দেখতে শুরু করে এবং নাগরিকও ক্রমে ক্রমে রাষ্ট্রকে শুধুমাত্র ভাতা দেওয়ার যন্ত্র হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। গণতন্ত্রকে ঠেলে সরিয়ে জায়গা করে নেয় লেনদেন!</p>&#13;
<p>একটা নির্বাচিত সরকার যদি একই সঙ্গে নাগরিকের হাতে আর্থিক সাহায্য পৌঁছে দেয় এবং সেই সঙ্গে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শিল্প, কর্মসংস্থান, কৃষি ও পরিকাঠামোয় বিনিয়োগ করে, তাহলে ভাতা বা নগদ সহায়তা একটি সামাজিক সুরক্ষার অংশ হতে পারে। কিন্তু, সরকারের কাছে যদি ভাতা দেওয়াটাই নিজের সাফল্যের অন্যতম বড় মাপকাঠি মনে করে, তাহলে রাষ্ট্র কি আর কল্যাণমূলক থাকে? কারণ, রাষ্ট্রের দায়িত্ব তো শুধু নাগরিককে আজকের দিনটা পার করে দেওয়া নয়, আগামীদিনের জন্যে তাকে প্রস্তুত করা।&nbsp;</p>&#13;
<p>তাই, ডালাসে পাঁচ হাজার ডলারের প্রতিশ্রুতি আর বাংলায় মাসিক তিন হাজার টাকার সহায়তা, ব্যাপারটা একই। প্রশ্নটা তাই ভাতা দরকার কি না, তা নয়। আসল প্রশ্নটা হল, ভাতা বিলির পরেও সরকার দীর্ঘমেয়াদি কিছু গড়ে তুলতে পারে কি না। উত্তরটা অবশ্য এখনও অধরা, তা সে দিল্লি হোক কি ওয়াশিংটন কিংবা কলকাতা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[usa]]></category>
            <category><![CDATA[Freebies Culture]]></category>
            <category><![CDATA[India]]></category>
            <category><![CDATA[democracy]]></category>
            <category><![CDATA[Donald Trump]]></category>
            <category><![CDATA[narendra modi]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/06/77e8692a-f213-491b-9233-ca7e60369b4a.webp" length="205516" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/06/77e8692a-f213-491b-9233-ca7e60369b4a.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/06/77e8692a-f213-491b-9233-ca7e60369b4a.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পুজোর আগে কর্মবন্ধুদের ভাতা বাড়াল সরকার, চলতি অর্থবর্ষে এক লক্ষ চাকরির ঘোষণা শুভেন্দুর! কোথায় কত নিয়োগ হবে?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/chief-minister-announces-salary-hike-for-karmabandhus-and-over-14-000-new-jobs-in-west-bengal-516058</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/chief-minister-announces-salary-hike-for-karmabandhus-and-over-14-000-new-jobs-in-west-bengal-516058</guid>
            <pubDate>Mon, 05 Oct 2026 16:45:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[পুজোর আগে রাজ্যে কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে একাধিক বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।]]></description>
            <dc:creator>আর্যা ঘটক</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> পুজোর আগে রাজ্যে কর্মসংস্থান ও বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে একাধিক বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মবন্ধুদের মাসিক ভাতা ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করার কথা ঘোষণা করেন তিনি। অক্টোবর মাস থেকেই এই বর্ধিত ভাতা কার্যকর হবে।</p>&#13;
<p>পাশাপাশি হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করা তফসিলি জাতি ও উপজাতি পড়ুয়াদের খাদ্যশস্যের বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। ১,৮০০ টাকার পরিবর্তে এবার থেকে মাসে ৩,৩০০ টাকা বরাদ্দ করা হবে। এই সিদ্ধান্তের আর্থিক সুবিধা নভেম্বর থেকে পাওয়া যাবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>পাশাপাশি ভগিনী নিবেদিতা প্রকল্পেও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের কথা ঘোষণা করেন তিনি। উচ্চশিক্ষায় ভর্তি হওয়া অবিবাহিত ছাত্রীরা এই প্রকল্পে তিন বছরে মোট ৫০ হাজার টাকা পাবেন। প্রথম বছরে ১৭ হাজার, দ্বিতীয় বছরে ১৭ হাজার এবং তৃতীয় বছরে ১৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। চলতি শিক্ষাবর্ষের প্রথম কিস্তি আগামী জানুয়ারিতে দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=niKbkoeEkKI</p>&#13;
<p>কর্মসংস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন দপ্তরে নতুন করে ১৪,৪৫৪টি পদে নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, বিচার, শিক্ষা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বন, দমকল, কারা, নারী ও শিশুকল্যাণ এবং পুলিশ-সহ একাধিক দপ্তরে এই নিয়োগ হবে। পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে। ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>&#13;
<p>এর পাশাপাশি চলতি অর্থবর্ষে মোট এক লক্ষ নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলেও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। পুলিশে প্রায় ১২ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়েছে। আগামী ১১ অক্টোবর প্রথম দফায় যাঁদের মেডিক্যাল ও ভেরিফিকেশন শেষ হবে, তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[WB Police Recruitment]]></category>
            <category><![CDATA[​Job Recruitment 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Karmabandhu]]></category>
            <category><![CDATA[Bhagini Nivedita Scheme]]></category>
            <category><![CDATA[Allowance Hike]]></category>
            <category><![CDATA[Puja Gift]]></category>
            <category><![CDATA[WB Govt Jobs]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal news]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/b0d1feb4-d099-44ae-a992-49d496448563.webp" length="43046" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/b0d1feb4-d099-44ae-a992-49d496448563.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/b0d1feb4-d099-44ae-a992-49d496448563.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফর্ম ৬-এর পরিবর্তনে অনুমোদন দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট, কমিশনের দাবির পাল্টা বার্তা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/supreme-court-on-sir-controversy-modified-form-6-was-not-approved-by-supreme-court-said-cji-surya-kant-516060</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/supreme-court-on-sir-controversy-modified-form-6-was-not-approved-by-supreme-court-said-cji-surya-kant-516060</guid>
            <pubDate>Mon, 05 Oct 2026 16:44:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফর্ম ৬-এর পরিবর্তনে সুপ্রিম কোর্ট কোনও অনুমোদন দেয়নি। একই সঙ্গে আদালত জানতে চেয়েছে, শেষ পর্যন্ত কে এই ফর্মে পরিবর্তনের জন্য অনুমোদন দিয়েছিল।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ভোটার তালিকায় নতুন নাম তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ফর্ম ৬-এর পরিবর্তিত সংস্করণ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। গত ২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন একটি বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছিল, ফর্ম ৬ আবেদনের সঙ্গে ভোটারদের এসআইআর সংক্রান্ত যে ঘোষণাপত্র দিতে হয়েছে, তা বহাল রেখেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ফর্ম ৬-এর পরিবর্তনে সুপ্রিম কোর্ট কোনও অনুমোদন দেয়নি। একই সঙ্গে আদালত জানতে চেয়েছে, শেষ পর্যন্ত কে এই ফর্মে পরিবর্তনের জন্য অনুমোদন দিয়েছিল।</p>&#13;
<p>প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চে সোমবার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। সেখানে প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালতের সামনে রেকর্ড এলে তারা খতিয়ে দেখতে চান ফর্ম ৬-এ পরিবর্তনটি কে করেছেন। আদালতের এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে, কারণ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-কে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ফর্ম ৬। এসআইআরের সময় এই ফর্মের সঙ্গে একটি অতিরিক্ত তথ্য যোগ করা হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হচ্ছে, তিনি নিজে অথবা তাঁর বাবা-মা আগের কোনও এসআইআরের সময় ভোটার তালিকায় ছিলেন কি না। আগে ব্যবহৃত ফর্ম ৬-এ এই ধরনের তথ্য চাওয়া হত না।&nbsp;</p>&#13;
<p>গত ২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন দাবি করেছিল, ফর্ম ৬-কে সংশোধন করা হয়নি। এসআইআরের সময় নতুন ভোটারদের জন্য শুধু একটি অতিরিক্ত ঘোষণা যুক্ত করা হয়েছিল। কমিশন আরও জানিয়েছে, এসআইআর শেষ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী পুরনো ফর্মই ব্যবহার করা হবে। &nbsp;এই অতিরিক্ত ঘোষণা নিয়েই আপত্তি উঠেছে। অভিযোগ, ১৯৬০ সালের রেজিস্ট্রেশন অফ ইলেক্টর্স নীতিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন না করে ফর্মে এমন নতুন শর্ত যোগ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য সুরবীর সিংহ সান্ধু ও বিবেক যোশীও এই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিষয়টি আরও জটিল হয় যখন নির্বাচন কমিশন দাবি করে, এসআইআরের সময় ফর্ম ৬-এর সঙ্গে যুক্ত এই অতিরিক্ত ঘোষণাকে সুপ্রিম কোর্টের একটি আগের রায় বহাল রেখেছিল। কিন্তু সোমবারের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি কান্তের মন্তব্য সেই দাবির ভিত্তি নিয়েই নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আদালত স্পষ্ট করেছে, ফর্ম ৬-এর কোনও পরিবর্তনে তার অনুমোদন করেনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>পটনার বাসিন্দা রাকেশ কুমার সিংহ এবং আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠীর করা মামলায় এই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মামলাগুলির সুরাহা না-হওয়া পর্যন্ত জ্ঞানেশকে সাসপেন্ডের আর্জিতেও একটি জনস্বার্থ মামলা রুজু হয়। এই বিষয়ে আদালত কোনও কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি। আদালতের পর্যবেক্ষণ, শুধুমাত্র সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে জ্ঞানেশ কুমার মামলায় কোনও আদেশ জারি সম্ভব নয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার কি এককভাবে এমন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন যা সাংবিধানিকভাবে বহু সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনের জন্য নির্ধারিত? এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আদালতের নির্বাচন কমিশনের মতামত বা জবাব প্রয়োজন। শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী-র পর্যবেক্ষণ, সর্বসম্মতভাবে এসআইআরের সিদ্ধান্ত না হলে, সেটা বাতিল হতে পারে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[cji surya kant]]></category>
            <category><![CDATA[supreme court of india]]></category>
            <category><![CDATA[sir]]></category>
            <category><![CDATA[Hyanesh Kumar]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/ea4b2881-f6bd-482d-9546-9baac4ded5b1.webp" length="160358" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/ea4b2881-f6bd-482d-9546-9baac4ded5b1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/ea4b2881-f6bd-482d-9546-9baac4ded5b1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['ভোটে লড়তে দেওয়া হোক', মিলন প্রধানের জামিন বাতিলের আর্জি মামলায় জানাল সুপ্রিম কোর্ট, যেতে পারবেন ভোটকেন্দ্রেও]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/let-him-contest-supreme-court-on-plea-against-interim-bail-of-nandigram-by-poll-candidate-milan-pradhan-516050</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/let-him-contest-supreme-court-on-plea-against-interim-bail-of-nandigram-by-poll-candidate-milan-pradhan-516050</guid>
            <pubDate>Mon, 05 Oct 2026 15:31:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ মিলনের অন্তবর্তী জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতে গিয়েছে রাজ্য। তবে সোমে সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করেনি। এই মামলায় দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, 'ওঁকে ভোটে লড়তে দিন।'  ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী। মমতা তৃণমূল এই ভোটে হাত শিবিরকে সমর্থন ঘোষণা করার পরেই, গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মিলন। যদিও তিনি জেলে থাকার সময়েই নন্দীগ্রামে প্রচার শুরু করে কংগ্রেস। তবে কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে ভোটের আগে তিন সপ্তাহের জন্য অন্তবর্তী জামিন দিয়েছিল। জানানো হয়েছিল, ভোটের পরেই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। তবে মিলনের অন্তবর্তী জামিনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের শীর্ষ আদালতে গিয়েছে রাজ্য। তবে সোমে সুপ্রিম কোর্ট হাই কোর্টের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করেনি। এই মামলায় দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, 'ওঁকে ভোটে লড়তে দিন।'</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, 'স্বার্থের সংঘাত'-এর উল্লেখ করে, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান। ফলে, বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহন-এর বেঞ্চ শুনানির দিন ৭ অক্টোবর পর্যন্ত পিছিয়ে দেয়। ৭ তারিখে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। অর্থাৎ তার আগেই, মিটে যাবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন।&nbsp;</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, রবিবারেই নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। রবিবার সন্ধে ৬টায় প্রচার শেষ হওয়ার আগে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার ও কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান অভিযোগ করেন, রেয়াপাড়ায় কাউন্টিং সেন্টার করা হয়েছে, যা অনৈতিক ও বেআইনি। তাঁদের অভিযোগ, এলাকাটি বিজেপি অধ্যুষিত হওয়ায় সেখানে কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়েও সমস্যা তৈরি হতে পারে।</p>&#13;
<div>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে ভোটার হিসেবে ভোট দিতে পারেন, তাতে আপত্তি নেই বলে জানান শুভঙ্কর। তবে তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যদি প্রশাসন ও বিপুল সংখ্যক সরকারি মেশিনারি নিয়ে এলাকায় ঘোরেন, তাহলে সাধারণ ভোটাররা ভীত হতে পারেন। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর আবেদন, ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী যেন নন্দীগ্রামে গণতান্ত্রিকভাবে বেআইনিভাবে ঘোরাফেরা না করেন বা কাউন্টিং সেন্টারের আশপাশে না থাকেন। পাশাপাশি এসআইআর-এর মাধ্যমে রেজিনগরে ১২ হাজার এবং নন্দীগ্রামে প্রায় ৬ হাজার ভোট বাদ দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=jNGYSN4KXPc</p>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Nandigram By Poll]]></category>
            <category><![CDATA[calcutta high court]]></category>
            <category><![CDATA[Milan Pradhan]]></category>
            <category><![CDATA[Supreme court]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/e711e307-9ac6-46c1-bd41-07797dcd878e.webp" length="46260" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/e711e307-9ac6-46c1-bd41-07797dcd878e.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/05/e711e307-9ac6-46c1-bd41-07797dcd878e.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[প্রতিমা যাবে প্যান্ডেলে, শহরে পুজো শুরুর আগেই কড়া নিয়ম, না জেনে এদিক-ওদিক রাস্তায় ঢুকে পড়লেই বেজায় বিপদ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/kolkata/durga-puja-2026-here-traffic-rules-for-connection-with-the-lifting-of-idols-for-durga-puja-all-you-need-to-know-before-october-8-515966</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/kolkata/durga-puja-2026-here-traffic-rules-for-connection-with-the-lifting-of-idols-for-durga-puja-all-you-need-to-know-before-october-8-515966</guid>
            <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 16:17:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ পুজোর সময় শহরের একাধিক রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ হয়েই থাকে। তবে পুজোর আগেও, এমনকী মহালয়ার আগেও বেশকিছু জায়গায় কড়াকড়ি। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> পুজোর আগে আর হাতে গোনা দিন। প্রতিমা প্রস্তুতি প্রায় শেষের মুখে। শেষের মুখে প্যান্ডেল তৈরির কাজ ও। পুজোর সময় শহরের একাধিক রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ হয়েই থাকে। তবে পুজোর আগেও, এমনকী মহালয়ার আগেও বেশকিছু জায়গায় কড়াকড়ি। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে তা ইতিমধ্যেই।&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>জানানো হয়েছে, মহালয়ার দু'দিন আগে থেকে বেশকিছু রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ হবে যান চলাচল। ৮ তারিখ থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত, অর্থাৎ প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত এই নিয়ম বলবৎ থাকবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রতিমা নিয়ে আসার জন্য যাওয়া সমস্ত ধরনের যানবাহনকে যতীন্দ্রমোহন অ্যাভিনিউ, রাজা নবকৃষ্ণ স্ট্রিট এবং অরবিন্দ সরণি হয়ে রবীন্দ্র সরণিতে ঢুকতে হবে। এরপর মদনমোহন তলা, বাগবাজার স্ট্রিট এবং স্ট্র্যান্ড ব্যাঙ্ক রোড হয়ে গন্তব্যের দিকে বেরিয়ে যাবে গাড়িগুলি।</p>&#13;
<p>প্রতিমা আনতে যাচ্ছে না, এমন পণ্যবাহী গাড়িগুলিকে রবীন্দ্র সরণির পরিবর্তে স্ট্র্যান্ড রোড, নিমতলা ঘাট স্ট্রিট, বি কে পাল অ্যাভিনিউ, যতীন্দ্রমোহন অ্যাভিনিউ এবং গিরিশ অ্যাভিনিউ দিয়ে যাতায়াত করতে হবে। এই রুটে আপ ও ডাউন&mdash;দু'দিকের যান চলাচলই হবে।</p>&#13;
<p><br>যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে শোভাবাজার স্ট্রিট থেকে ডি সি ব্যানার্জি রোড পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড ব্যাঙ্ক রোডে কোনও গাড়ি পার্ক করা যাবে না। প্রতিমাবাহী গাড়িগুলির নির্বিঘ্ন চলাচল এবং দ্রুত যানবাহন ছাড়ার ব্যবস্থা করতেই এই সিদ্ধান্ত।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, প্রতিমা বহনকারী গাড়িগুলিকে শোভাবাজার স্ট্রিট থেকে বাগবাজার স্ট্রিট পর্যন্ত রবীন্দ্র সরণির পশ্চিম দিকে পার্ক করার অনুমতি দেওয়া হবে কিন্তু কালিঘাট ব্রিজ ও জেরুট ব্রিজে বিধিনিষেধ থাকবে এই গাড়িগুলির ক্ষেত্রে। পাশাপাশি, হাজরা রোড ও কালিঘাট রোডের সংযোগস্থল থেকে দক্ষিণ দিক থেকে উত্তরমুখী হয়ে কালিঘাট রোডে প্রতিমা নিয়ে যাচ্ছে নাএমন কোনও যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময় ও তারিখে প্রতিমা উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত সমস্ত ধরনের যানবাহন শহরের অন্যান্য অংশে চলাচল করতে পারবে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[kumartuli]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Idol]]></category>
            <category><![CDATA[traffic rule]]></category>
            <category><![CDATA[puja]]></category>
            <category><![CDATA[Durga Puja 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/6a505578-38b8-4368-ab8e-2a4ed102d8c0.webp" length="127434" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/6a505578-38b8-4368-ab8e-2a4ed102d8c0.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/6a505578-38b8-4368-ab8e-2a4ed102d8c0.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পারলাম না আমি কিছুতেই]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-story-on-ai-story-writing-competition-515937</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-story-on-ai-story-writing-competition-515937</guid>
            <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ছায়া ঘনাইছে বনে বনে আন্দাজ করতে পেরে মনের মধ্যে আতঙ্ক ঘনিয়েছিল বেশ। চোখ বুজে ফেলেছিলাম। কতক্ষণ নয়ন মুদে ছিলাম ঠিক মনে পড়ছে না। ইউটিউবে পছন্দের রবীন্দ্রসঙ্গীত। কতক্ষণ, বলতে পারি না। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>অম্লানকুসুম চক্রবর্তী</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ছায়া ঘনাইছে বনে বনে আন্দাজ করতে পেরে মনের মধ্যে আতঙ্ক ঘনিয়েছিল বেশ। চোখ বুজে ফেলেছিলাম। কতক্ষণ নয়ন মুদে ছিলাম ঠিক মনে পড়ছে না। ইউটিউবে পছন্দের রবীন্দ্রসঙ্গীত। কতক্ষণ, বলতে পারি না। কয়েক ঘণ্টা হতে পারে। কয়েক দিন কিংবা কয়েক মাসও। হিসেব করে বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তবে চোখ খুলে দেখি, প্লাবনজলে ভাসছি। শুধু ভাসছি বললে ভুল বলা হবে। খাবি খাচ্ছি বলা চলে। এই হাঁসফাঁস করার সময়ই কানের পাশে কে যেন ফিসফিস করে বলে গেল, &ldquo;যতটুকু বেঁচে থাকার, যতটুকু কলম চালানোর আছে, চালিয়ে নাও ভায়া। তলিয়ে যেতে বেশি দেরি নেই আর।&rdquo; কী কাণ্ড! ওর গলাটা দেখি আমারই মতো।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>গৌরচন্দ্রিকা আর বেশি বড় করব না। আজকের বাজারে মানুষের ধৈর্য্য রাখার ক্ষমতা কয়েক সেকেন্ডের বেশি নয়। একেবারে শুরু থেকেই মূল কন্টেন্টে ঢুকে না যেতে পারলে আম-আদমির মন পাওয়া যায় না। এই লেখার ডানদিকে, বাঁদিকে, উপরে, নীচে অজস্র কন্টেন্ট। পাশের পাতায় আরও। পাতা একবার উল্টে ফেলতে পারলে আরও। আর আপনি যদি এই লেখা মোবাইলে পড়েন, কিংবা কোনও অনলাইন ম্যাগে, আমাকে বিলীন করে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন, আপনার আঙুলের কয়েক ন্যানোসেকেন্ডের এক মৃদু স্পর্শ। বেশি দীর্ঘ করে লাভ নেই। সরাসরি প্রসঙ্গে আসি। না হলে আপনি হয়তো আবার এআইকে বলে দেবেন&mdash;সামারাইজ দিস।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এখন রাত সাড়ে বারোটা পেরিয়েছে। সকালে উঠেই ফের ছুটতে হবে অফিসে। রাতের ঘুম নষ্ট করে ল্যাপটপের কী বোর্ডে যে খুটখাট করছি, তার বিন্দুমাত্রও দাম নেই নাকি? কী বললেন? &ldquo;একটুও নেই?&rdquo; আচ্ছা আচ্ছা, প্রসঙ্গে যাই তা হলে। মানুষের লেখার দিন তো শেষ হয়ে এল প্রায়। ভারী কথা এক লাইনে বলে দিলাম।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>জনপ্রিয় একটি ম্যাগাজিন থেকে ছোটগল্প লেখার আমন্ত্রণ ছিল, জানেন? হাতে বেশি সময় নেই। এদিকে মগজে কারফিউ। প্লট না পেয়ে মনের দুঃখে আঙুলকে বৈঠা করে চালাচ্ছিলাম সামাজিক মাধ্যমে। চারদিকে অজস্র নকল, ফেক নিউজের মধ্যে আসল খবর খুঁজে বের করাটা এক রকমের রহস্য সমাধানের মতো আনন্দ দেয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মধ্যে মানুষ খুঁজে বেড়াতে বড় ভালবাসি আমি। স্ক্রল করতে করতে হঠাৎ চোখ আটকে গেল একটি পোস্টে। পোস্টটির জনক ব্রেইনল্যাব। বাংলাদেশ। জানতে পারলাম, এটি বাংলাদেশের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত একটি গবেষণা সংস্থা। পোস্টের শিরোনাম&mdash;এআই দিয়ে বাংলা গল্প লেখার প্রতিযোগিতা। রাতে মা কালীর দিকে চাইনি, কিন্তু ব্রেনে ঝিলমিল লেগে গেল। পোস্টের কিছু নির্বাচিত অংশ তুলে ধরা যেতে পারে। &lsquo;এআইয়ের বিকাশ এমন স্তরে পৌঁছেছে যে, মৌলিক আইডিয়া তৈরিতে বা গল্পের ভাষা দ্রুত পরিবর্তনে এআই সহযোগী ভূমিকা রাখতে পারে।&rsquo; জানা গেল, সৃজনশীলতার মতো &lsquo;স্পর্শকাতর&rsquo; বিষয় নিয়ে &lsquo;হিউম্যান-এআই ইন্টারঅ্যাকশন&rsquo; কেমন হয়, তার জন্যই আয়োজন করা হয়েছে এআই দিয়ে বাংলা গল্প লেখার প্রতিযোগিতা, অনধিক ১৫০০ শব্দে। পোস্ট বলছে, &lsquo;এআইকে কো-অথর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া যাবে।&rsquo; পোস্টের নীচে সৌন্দর্য্যায়নের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে একটি সাইকেল রিক্সার ছবি। বাহনে কপোত কপোতী। মেয়েটির হাতে ফুলের বোকে। বুঝতে বেগ পেতে হয় না&mdash;ওই ইলাস্ট্রেশনটিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে নির্মিত।</p>&#13;
<p>ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে, জুলজুল করে চেয়ে দেখি, পোস্টের তলায় উথলে উঠেছে কমেন্টবক্স। বহু মানুষ &lsquo;গেল, গেল&rsquo; বলে ছিছাক্কার করছেন। অন্যদিকে, এই বদলে যাওয়া সৃজনশীলতার যুগকে আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে। তাঁদের গলায়, &lsquo;আয় সুদিন, আয়।&rsquo;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বাংলাদেশের কিছু স্থানীয় সংবাদপত্রের অনলাইন এডিশন থেকে জানতে পারলাম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে হিমু কেন্দ্রিক গল্প লেখার জন্যেও আহ্বান জানানো হয়েছিল ওই সংস্থারই আগের একটি ঘোষণায়। প্রতিযোগিতার দুটি শাখা ছিল। একটি হিমু কেন্দ্রিক, অর্থাৎ, এআই যুগের হিমু। অন্যটি উন্মুক্ত বিষয়ের গল্প। প্রয়াত সাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের পরিবারের অসন্তোষের মুখে পড়ে হিমু সম্পর্কিত ঘোষণাটি সরিয়ে নেয় ওই সংস্থা। এর পরে আসে পরিবর্তিত নোটিফিকেশন&mdash;এআই দিয়ে বাংলা গল্প লেখার প্রতিযোগিতা।</p>&#13;
<p>পোস্টটি শেয়ার হয়েছে প্রচুর। এর তলায় কমেন্ট-পাল্টা কমেন্ট-উত্তর-প্রত্যুত্তর-কথা কাটাকাটি-মুখের উপর জবাব পড়তে পড়তে কীভাবে ঘণ্টাদুয়েক সময় আরও উড়ে গিয়েছিল তা জানা নেই। তবে বুঝতে পেরেছিলাম, জন্ম হচ্ছে এক অন্তহীন তর্কের। এই তর্ক-বিতর্কের কোনও মীমাংসা নেই আজকের দিনে। একজন প্রশ্ন করেছেন, &lsquo;ক্যালকুলেটর এসেছে বলে কি আমরা অঙ্ক করা ছেড়ে দিয়েছি পুরোপুরিভাবে?&rsquo; দাবি জানিয়েছেন, এখনই আকাশ পাতাল ভাবতে না শুরু করে এআইকে সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে ভাবতে শুরু করা উচিত আমাদের। অন্য একজন লিখছেন, &lsquo;এআই যদি বাক্যগঠন ঠিক করে দেয়, কয়েকটি উন্নত বিকল্প শব্দের সন্ধান দেয়, তা হলে দোষ কোথায়?&rsquo; অন্য একজনের পাল্টা জবাব, &lsquo;আহা চটছেন কেন! কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি নিজের থেকে কিছু করার ক্ষমতা রাখে?&rsquo; শেষ প্রশ্নটির মতো কিছু প্রশ্ন পেট্রোলভর্তি ট্যাঙ্কারের উদ্দেশে দেশলাইকাঠি ছুঁড়ে দেওয়ার সমার্থক। রে রে করে উঠে লোকেরা ফুঁসছেন&mdash;নিজের থেকে আর কি করার বাকি রেখেছে এইসব এআই টুল? বিরুদ্ধ স্বর আঙুল তুলে বলছে, ক্রমাগত পিছিয়ে যেতে যেতে আমরা সঠিক সময়ে থামতে শিখব কবে?&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এআই ব্যবহার করে গল্প লেখার প্রতিযোগিতা বাংলা ভাষায় আগে কখনও হয়েছে বলে আমার জানা নেই। সম্ভবত হয়নি। বিষয়টির কথা জানতে পেরে আমার এক প্রযুক্তিবিদ বন্ধু বলল, &ldquo;ভাই রে! এটা যে গল্প লেখার প্রতিযোগিতা তা তোকে বলল কে? এই কম্পিটিশন হতে চলেছে শুধু প্রম্পটবাজির। কোনও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে গিয়ে একটা দেড় হাজার শব্দের গল্প লিখে দাও বললেই তো লেখকের কাজ শেষ হয়ে যাচ্ছে না। না না। লেখক বলাটা ঠিক হল না মোটেই। বলা উচিত ছিল, ইউজার।&rdquo; কয়েক সেকেন্ডের বিরতি নিয়ে ও ফের বলল, &ldquo;দিনের শেষে এটা হচ্ছে এআইয়ের আউটপুটকে ঘষামাজা করার প্রতিযোগিতা। ভুললে চলবে না&mdash;প্রতিটা নতুন প্রম্পট, প্রতিটা নতুন ইনপুট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্ল্যাটফর্মকে আরও বেশি করে উন্নত হতে শেখায়।&rdquo;</p>&#13;
<p>চারপাশ থেকে তথ্য আহরণ করে, ঘোলা ও কর্দমাক্ত জলে বেশ খানিকটা সাঁতরানোর পরে যা বুঝলাম তা হল, এমন প্রতিযোগিতার আয়োজনের ফলে আমরা লেখক হব যত, তার চেয়ে অনেক বেশি লেখকসত্ত্বার বিকাশ ঘটবে এআই প্ল্যাটফর্মের বাইনারি মগজে। মনের মধ্যে প্রশ্ন জাগে, এই ধরণের উদ্যোগের একমাত্র স্বার্থ আমাদের ক্রমশ ফুরোতে শুরু করা বুদ্ধি শুষে, আরও শুষে মেশিনকে আরও বেশি করে &lsquo;মানুষ&rsquo; বানানোর নিভৃত বাসনা নয় তো? দু-তিন জন প্রখ্যাত সাহিত্যিকের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলাম এই বিষয়ে। একজন কিছুটা শুনেই বললেন, &ldquo;আর বেশি কথা বাড়িও না। প্রচন্ড ঘামতে শুরু করেছি আমি।&rdquo; অন্যরা সমস্বরে বললেন, &ldquo;বয়কট করো এই উদ্যোগ। এমন পোস্ট ক্রমাগত রিপোর্ট করতে থাকো সামাজিক মাধ্যমের উপরমহলে। কেউ অশ্লীল ছবি পোস্ট করলে তোমরা যা করে থাকো সাধারণত, তাই করো। অনেকে একসঙ্গে ঠেলা দিলে হোমরাচোমরাগুলো নড়েচড়ে বসবে। বুঝলে ভাই? সৃজনশীলতার বিনাশকাল আসতে আর বেশি দেরি নেই।&rdquo; আটাত্তর পার করা এক ঔপন্যাসিক গর্জে উঠে বললেন, &ldquo;ওদের চাবুক মারো দ্রুত।&rdquo; শুধু এইটুকু বলে থামলেন। প্রায় দশ পনেরো সেকেন্ডের নিস্তব্ধতা। ফোনের ওপ্রান্ত থেকে শুধু দীর্ঘশ্বাসের শব্দ। বললেন, &ldquo;এই বুড়ো হাড়ে আর জোর পাই না জানো। না কি পাল্টে যাওয়া প্রযুক্তির কাছে আমরা বুড়ো হয়ে গেলাম বড্ড তাড়াতাড়ি? এমন কান্ডকারখানা কারা করে জানো? কল্পবিজ্ঞান গল্পের ভিলেনরা।&rdquo;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আপাতত থমকে আছি আমি। লেখাটা শেষ করি। দু ঘন নষ্ট হল। অন্তত সাড়ে সাতশ রিল দেখে ফেলতে পারতাম এই সময়ে। মাত্র দশ সেকেন্ডে এই লেখার কাজটা সেরে ফেলতে পারত এআই। মালটা নামিয়ে দিত। শুধু দরকার ছিল কয়েকটা বুদ্ধিমান প্রম্পট।</p>&#13;
<p>শুনতে পাচ্ছ নিরুপমা? পারলাম না আমি কিছুতেই।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/6cdbaf21-0e22-4d59-b081-8ac4c382cbb5.webp" length="144890" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/6cdbaf21-0e22-4d59-b081-8ac4c382cbb5.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/6cdbaf21-0e22-4d59-b081-8ac4c382cbb5.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হেমন্ত আসছে, শরতের আগেই ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-poems-on-durga-puja-days-515936</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-poems-on-durga-puja-days-515936</guid>
            <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ঠান্ডা পড়ছে ধীরে ধীরে &#13;
ঘুম ভাঙছে আরও আগে &#13;
শিউলির বোঁটাগুলোয় কমলা রং ধরছে&#13;
দোকানে আসছে নতুন কাপড় &#13;
মেঘগুলো ভাঙছে &#13;
গড়ছে প্যান্ডেলগুলো]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>অশনি ভাদুড়ী&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ঠান্ডা পড়ছে ধীরে ধীরে&nbsp;</p>&#13;
<p>ঘুম ভাঙছে আরও আগে&nbsp;</p>&#13;
<p>শিউলির বোঁটাগুলোয় কমলা রং ধরছে</p>&#13;
<p>দোকানে আসছে নতুন কাপড়&nbsp;</p>&#13;
<p>মেঘগুলো ভাঙছে&nbsp;</p>&#13;
<p>গড়ছে প্যান্ডেলগুলো&nbsp;</p>&#13;
<p>পুরোনো সম্পর্কেরা চলে যাচ্ছে একে একে&nbsp;</p>&#13;
<p>কেউ কোনও প্রান্তে, কেউ কোনও দেশে,&nbsp;</p>&#13;
<p>কেউ কোনও নক্ষত্রমণ্ডলে&nbsp;</p>&#13;
<p>আমরা কয়েকজন পড়ে আছি&nbsp;</p>&#13;
<p>চেলোর একটানা সুরের মতো&nbsp;</p>&#13;
<p>চা খাচ্ছি মাঝে মাঝে&nbsp;</p>&#13;
<p>হেমন্ত আসছে, শরতের আগেই--</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>শরৎ. হেমন্ত আর আমাদের পুজোর মরশুম</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আমার পুজো শুরু হতো&nbsp;</p>&#13;
<p>বাঁশ পড়ার শব্দে&nbsp;</p>&#13;
<p>একটার পর একটা বাঁশ পড়ছে প্যান্ডেলে&nbsp;</p>&#13;
<p>শহুরে আমরা, খুব একটা কাশফুল দেখিনি&nbsp;</p>&#13;
<p>'আগাছা' সাফ করে বাড়ি বানিয়েছি কিনা&nbsp;</p>&#13;
<p>ঢাকীরা আজ অন্য পেশায়, বাকিরা আজ ঢাকী</p>&#13;
<p>তাই ঢাকের শব্দ, কানে অন্যরকম লাগে&nbsp;</p>&#13;
<p>ডাকের সাজও, চোখে&hellip;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সেরকম আর আছে কি</p>&#13;
<p>পুজো?</p>&#13;
<p>হয়তো কোনও গ্রামে&hellip;&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রবাসে, একাকী, ঘুম ভাঙে হঠাৎ&nbsp;</p>&#13;
<p>বাঁশ পড়ছে কি কোথাও, কোনও প্যান্ডেলে?</p>&#13;
<p>পুজো শুরু না হয়েও&nbsp;</p>&#13;
<p>পুজো শুরু হয় আমার&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&hellip;&hellip;&hellip;&hellip;.</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বসন্ত চলে যায়</p>&#13;
<p>শরৎ কিন্তু আসে</p>&#13;
<p>শারদীয়ার শেষেও কি শরৎ যায়?</p>&#13;
<p>না, শুরু হয় প্রতীক্ষা</p>&#13;
<p>পরের বছরের&nbsp;</p>&#13;
<p>'আবার হবে'র</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>যে শাড়িটা পরা হয়নি&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>ভাঙা হয়নি যে পাঞ্জাবিটা&nbsp;</p>&#13;
<p>ওই পাড়াটা যে বাকি থেকে গেল&nbsp;</p>&#13;
<p>পরেরবার কি এই থিম কোথাও থাকবে&nbsp;</p>&#13;
<p>কলেজের গ্রুপ মিট হল</p>&#13;
<p>কিন্তু স্কুলেরটা?</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>শরৎ যায় না কেন?</p>&#13;
<p>হেমন্ত আসে না</p>&#13;
<p>শুধু প্রতিবার বসন্ত চলে যায়</p>&#13;
<p>&hellip;&hellip;&hellip;&hellip;..</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ভাগ্যিস তোরা ছিলি&nbsp;</p>&#13;
<p>নইলে গল্পগুলো হতো কোথায়,&nbsp;</p>&#13;
<p>এ ওর তার, সে তার ওকে নিয়ে কচালি&nbsp;</p>&#13;
<p>পড়তিসই বা কে এইসব উল্টোপাল্টা লেখা&nbsp;</p>&#13;
<p>আছিস তাই&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>খাচ্ছি সবাই মিলে....বাসি ভোগ</p>&#13;
<p>ধরছিস তোরা, বানানো কথাগুলো&nbsp;</p>&#13;
<p>ধ্যাৎ, ধুৎ করে ওড়াচ্ছিস চিন্তার ছায়া&nbsp;</p>&#13;
<p>গালি দিচ্ছিস মনে মনে&nbsp;</p>&#13;
<p>আবার দুগ্গা দুগ্গাও....যাবার সময়&nbsp;</p>&#13;
<p>যাই হোক, এই শারদীয়া আড্ডায়&nbsp;</p>&#13;
<p>আছিস তো তোরা&nbsp;</p>&#13;
<p>ভাগ্গিস</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&hellip;&hellip;&hellip;&hellip;..</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে আবার ভাল হয়ে উঠি&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে ভোরবেলায় চা বানাই&nbsp;</p>&#13;
<p>গান শুনি, ছড়া লিখি&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে মজার দুঃখগুলো মনে পড়ে&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে, সময়টা পিছিয়ে যায়&nbsp;</p>&#13;
<p>দিনগুলি এগিয়ে আসে&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ের আড্ডাগুলো জমে ওঠে&nbsp;</p>&#13;
<p>বন্ধুরা যোগাযোগ করে অনেকে&nbsp;</p>&#13;
<p>খরচা করি ইচ্ছেমতো&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে, কিছুদিনের জন্য আমরা মানুষ হয়ে যাই&nbsp;</p>&#13;
<p>প্যান্ডেলের কোণায় দাঁড়ানোর জায়গা খুঁজি&nbsp;</p>&#13;
<p>সস্তা এগরোলের কুমড়োর সসে দাঁত রাঙাই</p>&#13;
<p>বুড়ির চুল আর ঝালমুড়ির তেল হাতে মাখাই&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে, বাবারা ছেলেদের হাত ধরে&nbsp;</p>&#13;
<p>মেয়েরা মায়েদের&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে, ঝগড়া করি, তাও সঙ্গে বেরোই&nbsp;</p>&#13;
<p>সন্ধিপুজোর ভোগে নজর দিই&nbsp;</p>&#13;
<p>আড়চোখে আরও অনেককে&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>সেই সময়ে ফিরে যেতে চাই, যেখানে ফেরার আর জায়গা নেই&nbsp;</p>&#13;
<p>অল্প সময় প্রবীণদের জন্য রাখি&nbsp;</p>&#13;
<p>অনেকটা সময় ছোটদের আবদারে&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টা করি&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে স্টলগুলোতে উপচে পড়ি&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময় প্রতিমার চোখে জল আসে&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে মণ্ডপের আলো জমে থাকা অন্ধকার ঢেকে দেয়&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে ছেলেবেলায় ফিরে যাই&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ে, আমরা, অনেকেই আবার ভাল হয়ে যাই</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Poems]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/03afe774-bf9c-40fd-a545-48cd002904f7.webp" length="140228" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/03afe774-bf9c-40fd-a545-48cd002904f7.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/03afe774-bf9c-40fd-a545-48cd002904f7.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কলকেতার হাড়গিলে বেত্তান্ত]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-kolkata-greater-adjutant-515935</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-kolkata-greater-adjutant-515935</guid>
            <pubDate>Sun, 04 Oct 2026 12:25:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সে বেশ কিছুকাল আগে কলকেতায় একটা বায়োস্কোপ এসেছিল -- জুরাসিক পার্ক। (আমাদের মেটিয়া কলেজ হোস্টেলের জুনিয়ার পাচক শ্রীমান অধিকন্তু পান্ডা বলত- জোড়াসাঁকো পার্ক - তিনবার দেখেছিল!)।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সে বেশ কিছুকাল আগে কলকেতায় একটা বায়োস্কোপ এসেছিল -- জুরাসিক পার্ক। (আমাদের মেটিয়া কলেজ হোস্টেলের জুনিয়ার পাচক শ্রীমান অধিকন্তু পান্ডা বলত- জোড়াসাঁকো পার্ক - তিনবার দেখেছিল!)।</p>&#13;
<p>দলবেঁধে ডাইনোসরগোষ্ঠী পায়চারী করত সেথায়.. তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিমের মতন টেরোড্যাক্টিলের ডিম পাওয়া যেত ইতিউতি। সে এক জব্বর উদ্যান!</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আচ্ছা, আপনি হাড়গিলে দেখেছেন? দেখে থাকলে, শেষ কবে? আমি তো সেই আলিপুর চিড়াইয়াখানায় যখন চিড়িয়া-টিড়িয়া থাকত, সেই যুগে দেখেছিলাম। ব্যস। এখন তারা Endangered Species। লিস্টির একেবারে মাথার দিকে লাল কালিতে তাদের নাম লেখেন সাহেবরা।</p>&#13;
<p>"হাড়গিলে" এখনও বেঁচে আছে। প্রায় হারিয়ে যাওয়া মাসি-পিসির ছদ্মরাগের বকুনিতে।&zwnj;</p>&#13;
<p>"না খেয়ে-দেয়ে, রোদে ঘুরে ঘুরে একেবারে হাড়গিলের মত চেহারা বানিয়েছিস!"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অথচ এই হাড়গিলেরা একদিন কলকেতাকে প্রায় "জোড়াসাঁকো পার্কে" পরিণত করেছিল। শুধু কলকেতা নয়, ঢাকা, রেংগুন, গৌহাটি, প্রায় সব ক'টি বড় শহরই!&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>তালঢ্যাঙ্গা চেহারা...বগের ঠ্যাং-এর পা, পিঠের ইয়া বঢ়কা পালকগুলিরই যত দ্যাখনশোভা, তারপর সেই যে শাঁপলার ডাঁটার মতো গলা চলছে তো চলছেই...মাঝে গলকম্বল..শেষ হল গিয়ে কাগের বাসার মতো একমাথা উস্কোখুস্কো মুন্ডুতে আর দেড়ফুটিয়া লোহার পাতের মতো চঞ্চুর খাইখাই চাঞ্চল্যে! অনেকটা সুকুমার রায়ের "হেঁশোরাম হুশিয়ারের ডায়রির" "ল্যাগব্যাগার্নিসের" মতো।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই হল হাড়গিলে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>কিন্তু স্বভাবটা ছিল গায়ের গন্ধের মতোই বদখদ। গৃ্হস্থ বাড়ি, বাজার, হোটেল, কবরখানা এমনকী ভাগাড়ের চারপাশে "মিলিটারি অফিসারের" কায়দায় হেঁটে বেড়ানো আর সুযোগ পেলেই যে কোনও খাবার মুখে তুলে... ঘুড়ির তোল্লাই দেবার কায়দায়... এক লাফ!&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>খাদ্যের কোনও বাছবিচার ছিল না বাছার। খেত...একেবারে চেটেপুটে... রাস্তা সাফ করে! সাহেবরা তো বলত Scavenger --ঝাড়ুদার!</p>&#13;
<p>শকুনের খাদ্যাভ্যাসও একই রকমের। কিন্তু তারা হাড়গোড়, চামড়া ইত্যাদি ফেলে যায়। আর হাড়গিলে যেন পাখিদের মধ্যে হায়না! কিচ্ছুতেই অরুচি নেই।</p>&#13;
<p>শক্তপোক্ত হাড়গুলি যেন তাদের মেইন কোর্স -- চোখ বুজে কী আরামে যে চর্ব্য-চোষ্যতে রূপান্তরিত করে -- ক্যালিবার আছে মশাই!</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৮২৫ থেকে ১৯২৫, কলকেতা শাসন করত তারা। কাক তখন কাকস্যপরিবেদনার আইটেম! কত লেখা, কত ছবি, ফটো, কার্টুন, কিসসা-কাহানি, কুসংস্কার ... লেখাজোখা নেই তার।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিলিতি Harper's Magazine এ ১৮৩০ সালে প্রকাশিত হয় --কলকেতার রাস্তা পরিস্কারের ছবি। যে সে রাস্তা নয়, এক্কেবারে বড়লাটের প্রাসাদের সামনে! ভিস্তিওয়ালারা মশকের জলে ধুইয়ে দিচ্ছে রাজপথ আর সামনে "মিলিটারি" পদক্ষেপে চলেছে Greater Adjutant (Leptoptilos dubius)... সাদা বাঙ্গলায় -- হাড়গিলে।</p>&#13;
<p>&nbsp;আরও পুরোনো ছবিতে দেখা যায় তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রকাশ -- রাজভবনের মাথায় চড়ে একেবারে সিংহের চোখে চোখ!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;এতোটাই বাড়বাড়ন্ত ছিল তাদের যে কলকেতা কর্পোরেশন ১৮৯৬ সালে তাদের Emblem করে ফেলেছিল এই রামপাখিদের বহুদিন পর্যন্ত। আর কেউ যদি ভুলেও মেরে ফেলেছে ওই কর্ন্দপকান্তি রাজসিক পাখিটিকে -- হাজতবাস ও পঞ্চাশ টংকা জরিমানা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এখন যেখানে কাঁটাপুকুর পুলিস মর্গ, একসময় সেখানে ছিল বিরাট ভাগাড়... পাশে গঙ্গার খাল --- স্বনামধন্য ছিল সে বিজনস্থান "হাড়গিলের ঘাট" নামে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp; উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী ১৮৮০-তে লিখলেন&nbsp;</p>&#13;
<p>"দার্জিলিংয়ের পথে"। সেই রাস্তায় তিনি ছোট রেলগাড়ি চড়ে পাহাড়ের গা বেয়ে উঠেছিলেন। পথের বাঁকে দাঁড়িয়ে থাকা ঝুপসি পাইন গাছগুলিকে দেখে তার প্রথমেই মনে হয়েছিল... সবকিছু ছেড়ে হাড়গিলে-গুষ্ঠির কথা।</p>&#13;
<p>( আর জানেন, দু-তিন মাইল দূর থেকে দার্জিলিংয়ের রঙিন বাড়িগুলি দেখে মনে পড়েছিল মেঠাইওয়ালার দোকানের রংচং য়ে বরফির কথা! বোঝো!)</p>&#13;
<p>হাড়গিলে যে সাপ দিয়ে ব্রেকফাস্ট করে... সম্রাট বাবর এটি বিলক্ষণ জানতেন। তাই বোধহয় বাজারে চালিয়েছিলেন এক মোগলাই "কাহাওয়াত" -- হাড়গিলের মাথায়, ঘিলুর ঠিক ওপরে থাকে একটি নীলাভ পাথর -- যেটি ছোঁয়ালে যে কোনও সাপের বিষ অমৃত হয়ে যায়।</p>&#13;
<p>এক্কেরে বাদশাহি ঢপ যারে কয় মশায়।</p>&#13;
<p>আরও ছিল... বামুন বেঘোরে মরলে নাকি হাড়গিলে হয়। অতেব... ভূতের ছেরাদ্দ লাগাও!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp;</p>&#13;
<p>সাহেবের বাড়িতে নেমত্তন্ন খেতে এসেছে এক হাড়গিলে। আদব কায়দা কিছুই জানে না। এসেই হামলে পড়েছে খাবার টেবিলে। একটা আস্ত "টার্কি" মুখে পুরে দিয়েছে বেশরম! সাহেব লাঠি নিয়ে তাড়া করেছে উপায়ন্তর না দেখে... মেম ভয় পেয়ে পর্দানশীন হয়েছে।</p>&#13;
<p>বুঝতে অসুবিধে হয় না, এই রূপকটি সাহেবঘেঁসা ইংরেজি জানা বাঙালিদের উদ্দেশ্যেই করা।</p>&#13;
<p>এই Racial Nonsensical Overture ইয়ং বেঙ্গল সেদিন সোনা মুখ করে মেনে নেয়নি। গড়পারের মনডে ক্লাবের (Monday Club) আড্ডায় এক সুকুমার মতি যুবকের কলম ঝলসে উঠেছিল এক বিকেলে!</p>&#13;
<p>ঝরে পড়েছিল সেই আগুন আরও ননসেন্স হয়ে:</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;"বলব কি ভাই হুগলি গেলুম</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp;বলছি তোমায় চুপি চুপি</p>&#13;
<p>দেখতে পেলাম তিনটে শুয়োর</p>&#13;
<p>&nbsp;মাথায় তাদের নেইকো টুপি।"</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;তেনারা একেবারে যে নেই তা নয়।</p>&#13;
<p>স্বাধীন সরকার বাহাদুর এই কিছুদিন আগেই তো ডাকটিকিট ছাপালেন নানা রং মাখিয়ে।&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>ওপরে "হাড়গিলা" না লিখলে অবশ্য মনে হতো "বার্ড অব প্যারাডাইস!"</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>মনের ভেতর একটা প্রশ্ন খলবল করতেই পারে : হাড়গিলের কি সবটাই অধমোচিত... শুধুই চোখের জল আর দুখের শ্বাস? ভাল কিছুই কি নেই?&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>পালক সরালে কিন্তু কিছু ভালর উল্লেখ পাওয়া যায় সেকালের লেখাগুলির মধ্যে -- আজ সেগুলিকে যতোই উৎখিচন বলে মনে হোক না কেন!</p>&#13;
<p>&nbsp; আপনি যদি হাড়গিলে দম্পতির মৈথুন প্রত্যক্ষ করে ফেলেন বা শীৎকার ধ্বনি শোনেন -- আপনার গোলায় লক্ষ্মী প্যাঁচানি বসে গান ধরবেই -- গ্যারান্টি!&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>( ওহ হো, বলতে ভুলে গেছি -- রামায়ণের সেই "ক্রৌঞ্চমিথুনস্য" মনে পড়ে? Ornithologist রা যাবতীয় ছানবিন করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে "ক্রৌঞ্চ" -কোঁঁচবক নয় - আসলে তে হাড়গিলে!)</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>হাড়গিলের শুখা মাংস যদি ছোট ছোট পিস করে পানপরাগের মতো মুখে রাখতে পারেন (আপনি নন, অন্য কেউ), তাহলে তার কুষ্ঠ পালিয়ে মছলিপট্টনমেও পার পাবে না! তার পালকের (Plumage) দাম ছিল এক সময়ে। অতি উমদা পালকের কলম হত তা দিয়ে। বিলেতে তার বাজার ছিল Coonmercoly Pen নামে।</p>&#13;
<p>(ঢাকার কাছে কুমারখোলি গ্রামের হাড়গিলেদের পাখা ছিল ডাকসাইটে)। হয়ত সেরকম কলমেই জব চার্ণক সাহেব কলকেতার পাট্টায় সইসাবুদ করেছিলেন -- কে বলতে পারে?&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;তাহলে কী দাঁড়াল?&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>হাড়গিলে বলে অতো হতছেদ্দা করবেন না।</p>&#13;
<p>আর ভুলবেন না, এই রামপাখিটি না থাকলে হয়তো বাল্মীকির প্রতিভা কিংবা সুকুমার রায়ের সেই বাঙালি- জাত্যাভিমানে জারিত অমোঘ লিমেরিক --- কিছুই পেতাম না আজ।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই হলো হাড়গিলের সাতকাহন।</p>&#13;
<p>এরপরও যদি "আধো জাগরিত তন্দ্রার ঘোরে" দু একটা হাড্ড-গিলা না দেখেন --- সাবেক কলকেতার প্রেস্টিজই থাকবে না মশাই!</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[kolkata]]></category>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Greater adjutant]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/ba29045b-29b7-409b-9299-e32ef3a07dbe.webp" length="226516" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/ba29045b-29b7-409b-9299-e32ef3a07dbe.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/04/ba29045b-29b7-409b-9299-e32ef3a07dbe.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আকাশে বিমান ওড়ানোর স্বপ্ন? পাইলট হতে কত টাকা খরচ, কী যোগ্যতা লাগে জানুন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/how-to-become-a-commercial-pilot-in-india-eligibility-training-cost-salary-and-responsibilities-515867</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/how-to-become-a-commercial-pilot-in-india-eligibility-training-cost-salary-and-responsibilities-515867</guid>
            <pubDate>Sat, 03 Oct 2026 16:45:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ছোটবেলা থেকেই অনেকের স্বপ্ন থাকে আকাশে বিমান ওড়ানোর। পাইলট হওয়া শুধু আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কঠোর পরিশ্রম, দীর্ঘ প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা এবং বিপুল খরচ। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ছোটবেলা থেকেই অনেকের স্বপ্ন থাকে আকাশে বিমান ওড়ানোর। পাইলট হওয়া শুধু আকাশ ছোঁয়ার ইচ্ছা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে কঠোর পরিশ্রম, দীর্ঘ প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা এবং বিপুল খরচ। কমার্শিয়াল পাইলট হতে গেলে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা পূরণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ এবং একাধিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। তাই এই পেশায় আসার আগে যোগ্যতা, প্রশিক্ষণের খরচ, দায়িত্ব এবং বেতন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা জরুরি।</p>&#13;
<p><br><strong>কমার্শিয়াল পাইলট হতে কী যোগ্যতা প্রয়োজন?</strong><br>ভারতে কমার্শিয়াল পাইলট হতে হলে প্রথমে দ্বাদশ শ্রেণি পাশ করতে হয়। একাদশ-দ্বাদশে ফিজিক্স এবং অঙ্ক থাকা প্রয়োজন। এরপর DGCA অনুমোদিত উড়ান প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হয়। নির্ধারিত প্রশিক্ষণ এবং পরীক্ষাগুলি সফলভাবে সম্পন্ন করার পর কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যায়।</p>&#13;
<p><br><strong>কীভাবে হয় পাইলট প্রশিক্ষণ?</strong><br>কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স পাওয়া সহজ নয়। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট সংখ্যক ঘণ্টা বিমান ওড়ানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয়। CPL-এর জন্য সাধারণত ২০০ ঘণ্টা ফ্লাইং ট্রেনিংয়ের প্রয়োজন হয়। এর পাশাপাশি বিভিন্ন তাত্ত্বিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হতে হয়। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ এবং যথেষ্ট পরিশ্রমের।</p>&#13;
<p><br><strong>পাইলট হতে কত টাকা খরচ হয়?</strong><br>পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য কয়েক দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ফ্লাইং আওয়ার, বিমানের ধরন এবং টাইপ রেটিংয়ের মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপর মোট খরচ নির্ভর করে। সাধারণভাবে এই খরচ প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। তবে প্রতিষ্ঠানভেদে খরচের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকতে পারে।</p>&#13;
<p><br><strong>পাইলটের কী কী দায়িত্ব থাকে?</strong><br>বিমান ওড়ানোর পাশাপাশি পাইলটের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। উড়ানের আগে আবহাওয়া, রুট, এয়ার ট্রাফিক এবং প্রয়োজনে বিকল্প বিমানবন্দরের বিষয়টি পরিকল্পনা করতে হয়। বিমানের জ্বালানি, ব্রেক, নেভিগেশন সিস্টেম, আলো-সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত বিষয়ও পরীক্ষা করতে হয়।<br>উড়ানের সময় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা জরুরি। খারাপ আবহাওয়া, প্রযুক্তিগত সমস্যা বা কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।</p>&#13;
<p><br><strong>কমার্শিয়াল পাইলটের বেতন কত?</strong><br>বেতন অভিজ্ঞতা, বিমান সংস্থা, বিমানের ধরন এবং রুটের উপর নির্ভর করে। একজন নতুন পাইলট মাসে প্রায় ১.৫ থেকে ৩ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন। ২&ndash;৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তা প্রায় ৪&ndash;৬ লক্ষ টাকা হতে পারে। পাঁচ বছরের বেশি অভিজ্ঞ ক্যাপ্টেনদের মাসিক আয় ৮&ndash;১২ লক্ষ টাকা বা তারও বেশি হতে পারে। আন্তর্জাতিক রুটে এই আয় আরও বাড়তে পারে।</p>&#13;
<p><br>এর পাশাপাশি পাইলটরা হাউজিং অ্যালাওয়েন্স, ভ্রমণ সুবিধা, স্বাস্থ্যবিমা এবং বিভিন্ন ধরনের ভাতাও পেয়ে থাকেন। তবে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা সংস্থা এবং অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=jNGYSN4KXPc</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Pilot Career]]></category>
            <category><![CDATA[Pilot Salary]]></category>
            <category><![CDATA[Commercial Pilot]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/03/f6b98462-3bb9-4479-8f2b-7a077db23fa1.webp" length="72402" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/03/f6b98462-3bb9-4479-8f2b-7a077db23fa1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/03/f6b98462-3bb9-4479-8f2b-7a077db23fa1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ডিজিটাল বিপ্লব, এআই ও জলসঙ্কট: সমস্যা সমাধানে চাই উন্নত কৌশল ও সুস্থায়ী পরিকাঠামো  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/ai-and-water-crisis-advanced-strategies-and-sustainable-infrastructure-is-the-solution-515715</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/ai-and-water-crisis-advanced-strategies-and-sustainable-infrastructure-is-the-solution-515715</guid>
            <pubDate>Fri, 02 Oct 2026 13:58:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এআই-এর বিদ্যুৎ খরচ নিয়ে আমরা অনেকেই চিন্তিত, কিন্তু এর জন্য কতটা জল খরচ হয়, তা নিয়ে ভাবেন খুব কম মানুষ। ]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌমেধিক ভারতী</strong></p>&#13;
<p>&ldquo;We never know the worth of water till the well is dry.&rdquo;<br>- Thomas Fuller, Gnomologia (1732)</p>&#13;
<p>গত কয়েক বছরে &lsquo;জেনারেটিভ এআই&rsquo; (Generative AI) বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন চ্যাটজিপিটি (ChatGPT), জেমিনি (Gemini) কিংবা ক্লড (Claude)-এর মতো টুল ব্যবহার করছেন। লেখালেখি, ছবি আঁকা বা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার কাজে এগুলি সাহায্য করে ঠিকই, কিন্তু এই মডেলগুলি নির্ভর করে ডেটা সেন্টারের ভেতরে থাকা শক্তিশালী চিপের উপর। এই চিপগুলিকে বিপুল পরিমাণ জটিল হিসাবনিকাশ বা &lsquo;কম্পিউটেশন&rsquo; করতে হয়, ফলে সেগুলি প্রচণ্ড গরম হয়ে ওঠে। এআই-এর বিদ্যুৎ খরচ নিয়ে আমরা অনেকেই চিন্তিত, কিন্তু এর জন্য কতটা জল খরচ হয়- তা নিয়ে ভাবেন খুব কম মানুষ। ভারতের মতো দেশে এই দিকটি নিয়ে আমাদের যতটা উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত, বাস্তবে আমরা এখনও ততটা উদ্বিগ্ন নই।</p>&#13;
<p dir="ltr">গরম চিপ বা প্রসেসরগুলিকে ঠান্ডা রাখা দরকার।&nbsp; তার একটি সাশ্রয়ী উপায় অনেকটাই আমাদের শরীরের ঘাম ঝরানোর প্রক্রিয়ার মতো। কুলিং টাওয়ারের ভিতর দিয়ে উষ্ণ জল প্রবাহিত হয়। জল বাষ্প হয়ে যাওয়ার সময় সঙ্গে তাপও বেরিয়ে যায় অনেকটা। একবার বাষ্প হয়ে গেলে সেই জল আর সিস্টেমে ফিরে আসে না। পুনর্ব্যবহারের জন্যও জমা থাকে না। কুলিংয়ের চক্র চলতে থাকলে অবশিষ্ট জলে লবণ ও অন্যান্য দ্রবীভূত উপাদানের ঘনত্ব ক্রমশ বাড়তে থাকে। একসময় সেই জল বের করে দিতে হয়, যাকে &lsquo;ব্লো-ডাউন&rsquo; বলা হয়। তার জায়গায় নতুন করে জল ভরতে হয়। এই কারণেই ডেটা সেন্টারগুলি যেকোনও জল ব্যবহার করতে পারে না। কাদা, লবণ ও খনিজ উপাদান পাইপ আটকে দিতে পারে এবং যন্ত্রপাতিরও ক্ষতি করতে পারে। তাই এই ব্যবস্থায় যে জল প্রবেশ করানো হয়, তা পরিষ্কার হওয়া দরকার। যদিও তা পানীয় জলই হতে হবে, &nbsp;এমন নয়। শোধিত পয়ঃনিষ্কাশনের জল বা পুনর্ব্যবহৃত বর্জ্য জলও এই কাজে ব্যবহার করা যায়। আবার বেরিয়ে আসা জলে প্রায়ই &lsquo;অ্যান্টি-স্কেলিং&rsquo; রাসায়নিক ও বায়োসাইড, অর্থাৎ জীবাণুনাশক মিশে থাকে। ফলে যথাযথ শোধন ছাড়া সেই জল নদী বা মাটিতে নিষ্কাশন করা যায় না।</p>&#13;
<p dir="ltr">এই সমস্ত কারণেই বিষয়টি আর কেবল কারিগরি খুঁটিনাটির গণ্ডিতে আটকে নেই। এটি এখন জনসচেতনতার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যা বেশ উদ্বেগজনকও বটে। মাঝারি আকারের একটি ডেটা সেন্টার দিনে ৩০ থেকে ৪০ লক্ষ (৩-৪ মিলিয়ন) লিটার জল ব্যবহার করতে পারে, যা একটি ছোট শহরের জলের&nbsp; মোট চাহিদার সমান। চলতি বছরে ডব্লিউআরআই (WRI) ইন্ডিয়ার মে মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অর্ধেকেরও বেশি ডেটা সেন্টার এমন অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে আগে থেকেই জলের তীব্র সঙ্কট রয়েছে। সেগুলি হল- মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা ও উত্তরপ্রদেশ। ২০২৪ সালে ভয়াবহ জলসঙ্কটের &nbsp;মুখে পড়া বেঙ্গালুরুতে এখন এমন সব ডেটা সেন্টার রয়েছে, যেগুলি ওয়েল ল্যাবস (WELL Labs)-এর হিসাবে দিনে প্রায় ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) লিটার জল ব্যবহার করে। এই জল মূলত সেই একই ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে তোলা হয়, যার ওপর শহরের বহু বাসিন্দা নির্ভরশীল।</p>&#13;
<p dir="ltr">তবে নিরপেক্ষ অবস্থানের খাতিরে বলা দরকার, সবাই বিষয়টি একইভাবে সামলাচ্ছে, এমন নয়। চেন্নাইয়ে এসটি টেলিমিডিয়া (ST Telemedia)-র কেন্দ্রগুলি &lsquo;জিরো-ডিসচার্জ&rsquo; বা বর্জ্য-নির্গমনহীন ব্যবস্থায় পরিচালিত হয়। সেখানে নতুন জলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে শোধিত বর্জ্য জল পুনর্ব্যবহার করা হয়। মাইক্রোসফটের হায়দরাবাদের ডেটা সেন্টার আরও এক ধাপ এগিয়ে যান্ত্রিক শীতলীকরণ (mechanical cooling) পদ্ধতি ব্যবহার করে।&nbsp; যাতে কুলিংয়ের জন্য কার্যত কোনও জল খরচ হয় না। এই ভিন্ন উদাহরণগুলি থেকেই প্রমাণিত হয়, সমস্যাটি অনেকটাই পরিকল্পনার। &nbsp;</p>&#13;
<p dir="ltr">এতক্ষণ আমরা যে পরিসংখ্যানের কথা বললাম, তা মূলত পুরো ডেটা সেন্টারের প্রেক্ষাপটে সমস্যাটির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে। কিন্তু একটিমাত্র &lsquo;প্রম্পট&rsquo;, অর্থাৎ এআই (AI) চ্যাটবটে আমরা যে প্রশ্নটি টাইপ করি, তার ক্ষেত্রে এই হিসাবটা কেমন? এর সুনির্দিষ্ট উত্তর পাওয়া বেশ কঠিন। ২০২৫ সালে গুগল হিসাব দিয়েছিল যে, তাদের জেমিনি (Gemini) অ্যাপে পাঠানো একটি সাধারণ টেক্সট প্রম্পটের জন্য প্রায় ০.২৬ মিলিলিটার, অর্থাৎ মোটামুটি পাঁচ ফোঁটা জল খরচ হয়। একইভাবে, ওপেনএআই (OpenAI)-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান জানিয়েছেন যে, চ্যাটজিপিটি (ChatGPT)-তে করা একটি সাধারণ প্রশ্নের জন্য প্রায় ০.৩২ মিলিলিটার জল খরচ হয়। তবে বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া হিসাব এর চেয়ে অনেক বেশি। যেমন, জিপিটি-৩ (GPT-3) নিয়ে গবেষণাকারীরা হিসাব করে দেখেছেন যে, ৫০০ মিলিলিটার জলের একটি বোতল মাঝারি দৈর্ঘ্যের প্রায় ১০ থেকে ৫০টি উত্তরের সমান হতে পারে। অর্থাৎ, প্রতি উত্তরের জন্য প্রায় ১০ থেকে ৫০ মিলিলিটার জল খরচ হতে পারে, যা নির্ভর করে মডেলটি কখন এবং কোথায় চালানো হচ্ছে তার উপর।</p>&#13;
<p dir="ltr">এই পরিসংখ্যানগুলিকে সরাসরি একে অপরের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। কারণ, এগুলির ক্ষেত্রে বিভিন্ন মডেল, হার্ডওয়্যার, অবস্থান, কুলিং ব্যবস্থা এবং জল ব্যবহারের হিসাব করার পৃথক পদ্ধতি রয়েছে। তাছাড়া, একটি নির্দিষ্ট প্রশ্নের ক্ষেত্রে জল ব্যবহারের &lsquo;ফুটপ্রিন্ট&rsquo; মাপার কোনও সর্বজনস্বীকৃত পদ্ধতিও এখনও এই শিল্পে গড়ে ওঠেনি। তবে এই অনিশ্চয়তাটিই গুরুত্বপূর্ণ। একটি দক্ষ ব্যবস্থায় হয়তো একটি প্রম্পটের জন্য মাত্র কয়েক ফোঁটা জল লাগে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে প্রতিনিয়ত তৈরি হওয়া কোটি কোটি প্রম্পট সেই সামান্য কয়েক ফোঁটাকেই শেষ পর্যন্ত পরিকাঠামোগত স্তরে একটি বড় প্রশ্নে পরিণত করে।</p>&#13;
<p dir="ltr">&nbsp;প্রকৃতপক্ষে জলনির্ভর শীতলীকরণ প্রায়ই বায়ুনির্ভর শীতলীকরণের চেয়ে বেশি শক্তি সাশ্রয়ী। তাই একে সরাসরি নিষিদ্ধ করলে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়তে পারে। যা বিদ্যুৎসঙ্কটে জর্জরিত একটি দেশের পক্ষে বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত হবে না। তার চেয়ে যুক্তিপূর্ণ সমাধানের পথ- জায়গা বুঝে প্রযুক্তি বেছে নেওয়া। বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের মতো জলসঙ্কটপূর্ণ শহরে নতুন ডেটা সেন্টারগুলিকে &lsquo;ক্লোজড-লুপ লিকুইড কুলিং&rsquo;-এর দিকে শুধু উৎসাহ দিলেই চলবে না, নীতিগতভাবেই সেই পথে এগিয়ে দিতে হবে। এই ব্যবস্থায় শীতলীকরণে ব্যবহৃত তরল বাষ্প হয়ে উবে যায় না। বরং একটি বদ্ধ ব্যবস্থার ভেতরেই বারবার ঘুরতে থাকে।</p>&#13;
<p dir="ltr">যেখানে জল দিয়ে শীতলীকরণ অপরিহার্য, সেখানে বিশুদ্ধ ভূগর্ভস্থ জলের বদলে শোধিত পয়ঃবর্জ্য ও পুনর্ব্যবহৃত শিল্পজলের ব্যবহারই হওয়া বাধ্যতামূলক কড়া উচিত। ব্যতিক্রম নয়। শুধু সদিচ্ছার উপর ভরসা করে তা সম্ভব নয়। দরকার সুস্পষ্ট নিয়মকানুন। এ জন্য&nbsp; জল ব্যবহারের হিসাব প্রকাশ্যে জানানো বাধ্যতামূলক করতে হবে। &nbsp;জলসঙ্কটে থাকা কোনও শহরের কাছে নতুন ডেটা সেন্টার অনুমোদনের আগে জল-ঝুঁকি মূল্যায়ন করা জরুরি। বর্তমানে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের নানা ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির নিয়মিত ব্যবহার।&nbsp; কিন্তু সেজন্য কখনওই ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহার করা যাবে না, যার অভাবে বেঙ্গালুরু ও চেন্নাইয়ের কৃষক ও পরিবারগুলি ইতিমধ্যেই ভুগছে। আমাদের এমন একটি এআই পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা স্থানীয় জলসম্পদ ও পরিবেশের সীমাবদ্ধতাকে সম্মান করেই পরিচালিত হয়।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ai]]></category>
            <category><![CDATA[Soumedhik Banerjee Bharati]]></category>
            <category><![CDATA[Artificial Intelligence]]></category>
            <category><![CDATA[digital revolution]]></category>
            <category><![CDATA[water crisis]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/02/80468a81-952a-4d76-80f2-aedd707fa2b6.webp" length="190404" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/02/80468a81-952a-4d76-80f2-aedd707fa2b6.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/10/02/80468a81-952a-4d76-80f2-aedd707fa2b6.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ছাতিম ফুলের গন্ধ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-short-story-on-durga-puja-sentiments-515106</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-short-story-on-durga-puja-sentiments-515106</guid>
            <pubDate>Sun, 27 Sep 2026 00:53:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আমাদের এই মফস্বলের একঘেয়ে জীবনে উৎসবের মরশুম যেন ফুরফুরে এক ফালি আনন্দ নিয়ে হাজির হয়। তা যে কেবলই বিরাট কোনও আতিশয্যের ব্যাপার তা নয়।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>শমিত ঘোষ&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আমাদের এই মফস্বলের একঘেয়ে জীবনে উৎসবের মরশুম যেন ফুরফুরে এক ফালি আনন্দ নিয়ে হাজির হয়। তা যে কেবলই বিরাট কোনও আতিশয্যের ব্যাপার তা নয়। বরং তার ভিতরে মিশে থাকে এক অদ্ভুত আনন্দ, অনেক ছোট ছোট ঘটনা, অনেকখানি আত্মীয়তা। পাড়ার যে জ্যাঠামশাই গোছের লোকটার সঙ্গে সারা বছর ধরে একটা সম্ভ্রম জনিত কারণেই দূরত্ব থেকেছে, সেই লোকটাই অষ্টমীর ভোগের খিচুড়ি পরিবেশন করতে গিয়ে এমন আপন হয়ে যায়, যে অনায়াসে তাঁর থেকে আরও দুটো বেগুনির আবদার করা যায়। আর এখানেই আমাদের মফস্বলের পাড়ার পুজোগুলোর বিশেষত্ব।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই মফস্বলগুলো এখনও তেমন স্মার্ট হতে পারেনি। কলকাতা বা বড় শহরের থিমের লড়াই দেখে দেখে কোনও কোনও পুজো কমিটি চেষ্টা করে পিরামিড, আইফেল টাওয়ার, নিদেনপক্ষে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের আদলে প্যান্ডেল বানিয়ে তাক লাগিয়ে দেওয়ার। সেইসব প্যান্ডেলে ভিড়ও উপচে পড়ে। কিন্তু, আমাদের এই জেলা শহর বা মফস্বলের এক একেকটি জনপদে এমন বিরাট বাজেটের পুজো হাতেগোনা। এখানে এখনও পাড়ায় পাড়ায় একচালার সাবেকি প্রতিমা, সন্ধ্যায় পাড়ার প্যান্ডেলে আড্ডা, মাইকে ভেসে আসা আশি-নব্বইয়ের দশকের কিশোর-লতা-আশা-পঞ্চম থেকে বাপি লাহিড়ী, কুমার শানুর সুপারহিট গান যেন আনন্দের প্যান্ডোরা বাক্স নিয়ে হাজির হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই যে গত কয়েকবছর ধরেই মা দুর্গা আসার সময়ে &lsquo;বৃষ্টি অসুর&rsquo;কে সঙ্গে নিয়ে আসছে, বাঙালি এখন এর সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। কম বয়সে আকাশে পেঁজা তুলোর মতো মেঘ দেখে মালুম হতো পুজো আসছে, এখন আকাশের মুখভার দেখলে বুঝে যাই ঘরের মেয়ের আসার সময় হল। মাগ্যিগণ্ডার বাজারে বাঙালি মধ্যবিত্তের মুখের সঙ্গে এক্কেবারে মানিয়ে যায় আকাশের মুখের চেহারা। দুটোই ভার। তবুও উমা বাড়ি ফিরলে কি আর বাড়ির লোকের মুখভার থাকতে পারে? হাজারও দুঃখ-কষ্ট, না পাওয়া, হেরে যাওয়ার গ্লানিকে ভুলিয়ে দেয় জগজ্জননীর আগমনবার্তা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দুর্গাপুজো আর প্রেম আসে হাত ধরাধরি করে। সেই সব প্রেম দশমীর রাতের অন্ধকার মণ্ডপের মন খারাপের মতো একদিন হারিয়েও যায়। কিন্তু পুজোর ওই চারদিন প্রেমিকার হাত ধরে ঘোরার মধ্যে যে এক অদ্ভুত জিতে যাওয়ার অনুভূতি ছিল, তার পাশে বাকি সব কিছুকেই বড় নগন্য মনে হয়। উচ্চমাধ্যমিকে ফিজিক্স আর অঙ্কে লেটার মার্কস, জয়েন্টে ভাল র&zwj;্যাঙ্কের চেয়েও পুজোর ক&rsquo;টা দিন প্রেমিকার সঙ্গে ঘোরাটা ওই একাদশে পড়া আমাদের মতো কারও কারও কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হল। মফস্বলের বাংলা মিডিয়ামের ছেলেদের মধ্যে এসব নিয়ে এক অদ্ভুত আদেখলামির প্রতিযোগিতা ছিল। ছিল বলা ভুল। এখনও আছে। তবে এখন &lsquo;টিন্ডার&rsquo;, &lsquo;ব্যাম্বল&rsquo; ইত্যাদি ডেটিং অ্যাপ এসে ব্যাপারটাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখনকার জেন জি, জেন আলফা&rsquo;রা তো জানেই না, কি বিপুল পরিশ্রম করে আমাদের টিউশন ব্যাচের পছন্দের মেয়েটির ফোন নম্বর জোগাড় করতে হত। যদি ফোন নম্বর পাওয়াও যেত, সেই সবেধন নীলমণি একটিমাত্র ল্যান্ডফোনে ফোন করে, দু&rsquo;মিনিট মনের কথা বলাটা ছিল কঠিনতম একটা কাজ! তাই, আমরা যারা ওই নব্বইয়ের দশকে জন্মেছি এই শতাব্দীর প্রথম দশকে বড় হয়েছি, আমাদের কাছে পুজোর আগে একটি প্রেমিকা জোগাড়ের লড়াইটা ওই বয়সে বিশ্বযুদ্ধের চেয়ে কম কিছু ছিল না।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>তখন আমরা সদ্য মাধ্যমিকের গণ্ডি টপকে ইলেভেনে উঠেছি। ইলেভেনে উঠলে কীভাবে জানি সবারই একটা অদৃশ্য ডানা গজায়। তার মধ্যে মাধ্যমিকের পরে সায়েন্স নিয়ে ভর্তি হলে নিজেকে কেমন জানি একটা কেউকেটা ভাবার প্রবণতা তৈরি হয়ে যায়। আর সবার মতো বিশু&rsquo;রও ডানা গজিয়েছিল। একটু যেন বেশিই গজিয়েছিল। আমাদের ব্যাচমেট বিশু। ভাল নাম বিশ্বজিৎ বসু। বিশু সেবার মহালয়ার আগে ব্যাচের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে তনুশ্রী&rsquo;কে প্রপোজ করে ফেলল!</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশু, যে তখনও ভাল করে একটা &lsquo;ডেরিভেটিভ&rsquo; সলভ করতে পারে না! ফিজিক্সের ল্যাবে গিয়ে ল্যাব অ্যাটেনডেন্টের কাছে চূড়ান্ত ধ্যাতানি খায়, অর্গানিক আর ইন-অর্গানিক কেমিস্ট্রির পার্থক্য বোঝে না, সেই বিশু তনুশ্রীর মতো একটা ডানা কাটা সুন্দরী মেয়েকে নিয়ে ঘুরবে পুজোর সময়! এই ধাক্কাটা আমাদের কাছে বেশ ভালরকম লেগেছিল। এ এমন এক সময় যখন টিভি খুললেই &lsquo;সঙ্গীত বাংলা&rsquo;য় জিৎ-কোয়েল, দেব-শুভশ্রীরা &ldquo;ইটস অনলি প্যায়ার, হুয়া হ্যায় প্যাহেলি প্যাহেলি বার&hellip;&rdquo; শোনাচ্ছেন। হিন্দিতে তখন রনবীর-দীপিকা আর রনভীর-অনুস্কারা দ্যুতি ছড়াচ্ছেন। অনুস্কা শর্মা তখনও বিরাট কোহলির বাহুডোরে ধরা দেননি! সেই রকম এক অক্টোবরের সন্ধ্যায়, যখন পুজোর ঢাক আর পুজো প্যান্ডেল থেকে ভেসে আসা বিসমিল্লাহের সানাই যুগলবন্দী রচনা করছে গঙ্গাপাড়ের মফস্বলে, ঠিক তখনই বিশু আর তনুশ্রী একে অপরের হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ, ঠোঁটে ঠোঁট ও আরও কী কী যেন রাখলো।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আমাদের বন্ধুদের মধ্যে গৌরবকে বলতাম খাসখবর। হেন কোনও খবর নেই, যা গৌরবের কাছে থাকত না। ওর থেকেই জানা গেল অষ্টমীর দিন গঙ্গার ধারের পার্কে বিশু আর তনুশ্রীকে দেখা গেছে। ওই পার্কটা তখনও আমাদের কাছে একটা নিষিদ্ধ জায়গা। আমরা জানি, ওখানে বড়রা যায়। ওখানে এমন অনেক কিছু হয়, যা আমাদের কাছে তখনও স্বপ্নের মতো। যে সব দৃশ্য অধুনা লুপ্ত পাড়ার &lsquo;সিডি লাইব্রেরি&rsquo; থেকে আনা ডিভিডিতে অথবা শনিবার রাত বারোটার পরে কেবল টিভিতে দেখা যেত, আমরা বাড়ির বড়দের নজর এড়িয়ে লুকিয়ে চুড়িয়ে সেই সব দৃশ্য দেখে কল্পনা করেই কাজ চালাতাম, বিশু সেই সব করে ফেলেছে ওই গঙ্গা ধারের পার্কে গিয়ে!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশুকে মনে মনে হিংসা করলাম। যদিও নবমীর দিন সন্ধ্যায় অতি আনন্দে বিশু আমাদের &lsquo; ট্রিট&rsquo; দিল! এই &lsquo;ট্রিট&rsquo; শব্দটা আমাদের অভিধানে তখন সদ্য সদ্য ঢুকেছে। নবমীর সন্ধ্যায় মফস্বলের রেস্টুরেন্টে লম্বা লাইন পড়ে। তখনও, এখনও। সেবার দেড় ঘণ্টা লাইন দেওয়ার পরে আমাদের প্লেটে এসেছিল মটন বিরিয়ানি আর চিকেন চাপ! বিল মিটিয়ে ফেরার সময় গৌরবের তেষ্টা পেল। এই তেষ্টা যে সে তেষ্টা নয়। এ এমন এক তেষ্টা যা প্রতিটা বাঙালির প্রথমবার পায় এমনই কোনও এক দুর্গাপুজোয়। প্রতিটা পাড়ায়, প্রতিটা গ্রুপে একটা দাদাগোছের লোক থাকে, যে প্রথমবার একটা গ্লাস ধরিয়ে দিয়ে বলবে, &ldquo;আরে এক পেগ খা! কিচ্ছু হবে না!&rdquo; আমাদের ছিল বাবাইদা। আমাদের থেকে তিন বছরের সিনিয়র বাবাইদা তখন যাদবপুরের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সেকেন্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট! পাড়ার মধ্যে যাকে বলে, &lsquo;জুয়েল ছেলে&rsquo;। বাড়িতে বাবা, মা প্রায়ই পড়া নিয়ে খোঁটা দিতে গিয়ে বলতেন, &ldquo;বাবাইকে দেখে শেখ! কী সুন্দর মেকানিক্যাল নিয়ে পড়ছে! ওঁর মতো তো একটু হতে পারিস!&rdquo;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এহেন বাবাই দা যখন প্যান্ডেলের পিছনের অন্ধকার গলিটায় নিয়ে গিয়ে নিজে হাতে প্লাস্টিকের গ্লাসটা এগিয়ে দেয়, তখন কি আর না করা যায়? মহালয়ার রাতের পিকনিক কিংবা নবমীর সন্ধ্যায় এভাবেই যে কত বাঙালি ছেলেদের প্ল্যাস্টিকের গ্লাসের হাতেখড়ি দেন বাবাইদা&rsquo;রা তার ইয়ত্তা নেই। শুধু যুগে যুগে, কালে কালে, শহর ভেদে- বাবাইদা&rsquo;দের নামগুলো বদলে যায়! চোখে ঝিমঝিম লাগে। হ্যালোজেন আলোয় হ্যাল লাগে বেশি। সেই আসরেই গৌরব বলেছিল, আসল খবরটা! তনুশ্রীর এক্স বয়ফ্রেন্ড &lsquo;ম্যাসলওয়ালা হুলো&rsquo; দীপু নাকি বিশু&rsquo;কে খুঁজছে! দীপু&rsquo;কে আমরা বিলক্ষণ চিনি। আমাদের চেয়ে বেশ কয়েক বছরের বড়। লোকাল কাউন্সিলরের পোষা গুন্ডা! সেই দীপুই তনুশ্রীর প্রেমিক! বিশু এটা জানত না? পেটে দু&rsquo;পাত্তর পড়লে মানুষ যে কেমন দার্শনিক হয়ে যায়, সেটা প্রথমবার গৌরবকে দেখে বুঝেছিলাম।&nbsp;</p>&#13;
<p>চোখটা আধো বোজা অবস্থায়, জড়ানো গলায় বিরাট বিজ্ঞের মতো করে গৌরব বলেছিল, তনুশ্রী আর দীপুদা&rsquo;র মধ্যে তো কোনও দিন ব্রেকআপই হয়নি। একটা সাময়িক ঝামেলা চলছিল। এরমধ্যেই বিশুর সঙ্গে তনুশ্রীর পরিচয় হয় তারক স্যারের ব্যাচে। ফোন নম্বর আদান প্রদান হয়। তনুশ্রীর তখন দীপু&rsquo;র সঙ্গে হেব্বি বাওয়াল চলছে। আর এই সুযোগেই বিশু আরও তনুশ্রীর কাছে দীপুদা&rsquo;র নামে উল্টোপাল্টা বলে তনুশ্রীকে ফুঁসলিয়ে নিয়েছে! কাল সন্ধ্যেবেলা বিশুর সঙ্গে পার্ক থেকে ফেরার পর থেকেই তনুশ্রীর নাকি খুব মনখারাপ করছিল। গভীর রাত্রে পাড়ার প্যান্ডেলের পিছনে দীপুদা&rsquo;র কাছে গিয়ে খুব কান্নাকাটি করেছে। আজ বিশু আমাদের টাইম দিল কেন বলতো?&nbsp;</p>&#13;
<p>আমি বোকার মতো জিজ্ঞেস করেছিলাম, কেন?&nbsp;</p>&#13;
<p>গৌরবই বাকিটা বলেছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>আজ সকালে দীপুদা মারুতি ওমনিতে করে তনুশ্রীকে কলকাতায় ঠাকুর দেখাতে নিয়ে গেছে। বিশুর ফোনটাও ধরছে না। বিশুর কপালে বহুত দুঃখ আছে ভাই!&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশুর খাওয়ানো মটন তখনও আমার পাকস্থলিতে। এতটা নিমক হারাম আমি হতে পারব না। যতই বিশু নতুন প্রেমিকা পেয়ে গোটা পুজোয় আমাদের পাত্তা না দিক, আমার কেন জানি না বিশুর জন্য বড্ড খারাপ লাগছিল। কোথায় দীপু দা&rsquo;র &lsquo;মারুতি ওমনি&rsquo; আর কোথায় বিশুর লাল হারকিউলিস সাইকেল! বারবার মনে হচ্ছিল, ছেলেটা যেন &lsquo;কুছ কুছ হোতা হ্যায়&rsquo;-এর সলমন খানের মতো। শাহরুখ আর কাজল আমে দুধে মিশে গেল! সলমন আঁটি হয়ে গড়াগড়ি খেল! বিশুর মধ্যে আমি তখন স্পষ্ট সলমন খান&rsquo;কে দেখতে পারছি। আসলে আমি দেখছি না। আমাকে দেখাচ্ছে বাবাইদা&rsquo;র খাওয়ানো সস্তার হুইস্কি। যা জীবনে প্রথমবারের মতো আমার গলা দিয়ে নেমেছে। হাই ড্রেনের ধারে বমি করে নবমী উদযাপন করে যখন বাড়ি ফিরছি, বাবাইদা কাঁধে হাত দিয়ে বলে ছিল, &ldquo;এইবার সাবালক হলি!&rdquo;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশু মার খেয়েছিল পরেরদিন। বেধরক মার! দশমীর দিন দীপুদা ওঁর সমস্ত জ্বালা মিটিয়ে নিয়েছিল। ক্লাবের সব ছেলেরা মিলে পিটিয়েছিল বিশুকে। তনুশ্রী নাকি দোতলার ব্যালকনি থেকে দেখেছিল সবটাই। কিন্তু বাঁধা দেয়নি একবারও। চোখে মুখে কালশিটে পড়া বিশুর সঙ্গে আমাদের দেখা হয়েছিল একাদশীর দিন। পাড়ার প্যান্ডেলের কাপড় খোলা শুরু হয়ে গেছে ততক্ষণে। ঢাকীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দুটো জামাকাপড়, বিজয়ার মিষ্টি -নিমকি ভরে নিচ্ছে বোঁচকায়। আমাদের মনে যখন পুজোর শেষের দুঃখ, আরও একটা বছরের প্রতীক্ষা, কাঁসর বাজানো বাচ্চা ছেলেটার চোখেমুখে তখন আনন্দের ঝিলিক। বাবা-কাকাদের সাথে শহরে আসতে বাধ্য হওয়া বালক আবার ফিরে যাবে ওঁর নিজের আলপথ ঘেরা মেঠো রাস্তায়। দেখা হবে মায়ের সাথে, বন্ধুদের সঙ্গে। ঘরের ফেরার গান বাজছে ওর মনে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সে বছর পুজোর পর থেকেই বিশুটা চুপ করে গিয়েছিল অনেক। পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে উঠল রাতারাতি। উচ্চমাধ্যমিকের পরে সেই যে শহর ছাড়ল, এখন ও টেক্সাসে থাকা এনআরআই! দীপু-তনুশ্রী-গৌরব-বাবাইদা&rsquo;রা সবাই কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। পুজো এলে কীভাবে কে জানে হাজারটা স্মৃতি এসে জড়ো হয় আজও এই স্মৃতির শহরে। শরতের এই হঠাৎ ছোট হয়ে আসা দিন, স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসে। আমাদের মফস্বল, আমাদের পাড়া, সদ্য গড়ে ওঠা ফ্ল্যাট বাড়ি আরও নতুন নতুন স্মৃতির মনুমেন্ট তৈরি করবে পুজোর ক&rsquo;টা দিন। তারপর আবারও তারা হারিয়ে যাবে। যেমন হারিয়ে যাওয়াই নিয়ম। কেবল পাড়ার এক কোনায় দাঁড়িয়ে থাকা বৃদ্ধ ছাতিম গাছের ফুলের গন্ধ প্রতি অক্টোবরে জানান দেবে, পুজো আসছে&hellip;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Short Story]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/ae6ed220-dd1a-4abd-8692-54f7f383b7c9.webp" length="137192" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/ae6ed220-dd1a-4abd-8692-54f7f383b7c9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/ae6ed220-dd1a-4abd-8692-54f7f383b7c9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বাংলা গদ্যের প্রথম স্থপতি: বিস্মৃত সাধক রামরাম বসু]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-ramram-basu-515105</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-ramram-basu-515105</guid>
            <pubDate>Sun, 27 Sep 2026 00:50:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[১৭৫৭ সাল। পলাশীর প্রান্তরে রক্তক্ষয়ী প্রচ্ছায়ায় সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্য অস্তমিত হল। গোটা দেশজুড়ে তখন এক ঘোর অনিশ্চয়তা, এক নতুন পরাশক্তি ও অচেনা শাসকগোষ্ঠীর উদ্ধত পদধ্বনি।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>তৃপ্তেন্দ্রনাথ বসু&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৭৫৭ সাল। পলাশীর প্রান্তরে রক্তক্ষয়ী প্রচ্ছায়ায় সিরাজউদ্দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্য অস্তমিত হল। গোটা দেশজুড়ে তখন এক ঘোর অনিশ্চয়তা, এক নতুন পরাশক্তি ও অচেনা শাসকগোষ্ঠীর উদ্ধত পদধ্বনি। ক্ষমতার চাকা রাতারাতি ঘুরে গেল, আর সেই সাথে পাল্টে যেতে লাগল তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, রাজনীতি, প্রশাসনিক কাজ এবং ভাষা ও সংস্কৃতির বহমান পথচলা। ঠিক সেই অমাবস্যার পটভূমিতে, ইতিহাসের এক চরম ও জটিল সন্ধিক্ষণে জন্ম নিলেন এক দূরদর্শী পুরুষ&mdash;রামরাম বসু।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>তরুণ রামরাম খুব অল্প বয়সেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন যে, বদলে যাওয়া এই নতুন বাস্তবতায় নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে বিদ্যা ও ভাষার চেয়ে বড় কোনও শক্তি নেই। তিনি পরম নিষ্ঠা ও অসামান্য মেধার সঙ্গে আয়ত্ত করলেন সংস্কৃত ভাষার গাম্ভীর্য ও ব্যাকরণ। একই সঙ্গে তিনি তৎকালীন রাজকীয় ও প্রশাসনিক ভাষা আরবি এবং ফারসির সূক্ষ্মতা গভীরভাবে রপ্ত করলেন। তবে তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণশীল বুদ্ধি তাঁকে স্পষ্ট জানান দিয়েছিল যে, নতুন ইংরেজ শাসকদের অধীনে কাজ করতে হলে এবং সমাজে নিজের স্থান সুদৃঢ় করতে হলে ইংরেজি ভাষাতেও দখল থাকা চাই। তাই নিজের অদম্য তাগিদেই প্রয়োজনমতো ইংরেজি বলতে ও লিখতে শিখে নিলেন তিনি। এমনকী তৎকালীন ইউরোপীয় বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক প্রভাবে ফরাসি ভাষাতেও তিনি লাভ করলেন চমৎকার পারদর্শিতা। ভাষা ও বিদ্যার এই অসামান্য বৈচিত্র্যই রামরাম বসুর জীবনের মোড় চিরতরে ঘুরিয়ে দিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৭৮৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা উইলিয়াম চেম্বার্সের বিশেষ সুপারিশে তিনি ডক্টর জন থমাসের 'বাংলা মুন্সি' বা শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। ডক্টর থমাস তাঁর কাছ থেকেই বাংলা ভাষা ও বাঙালি সমাজের চালচিত্র শিখতে শুরু করেন। কয়েক বছর পর, ১৭৯১ সালে ডক্টর থমাস ইংল্যান্ডে ফিরে যান। কিন্তু ১৭৯৩ সালে তিনি যখন পুনরায় বাংলায় ফিরে এলেন, তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক দূরদর্শী খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক&mdash;উইলিয়াম কেরি। থমাসের আন্তরিক সুপারিশে রামরাম বসু এইবার উইলিয়াম কেরির প্রধান শিক্ষক ও ভাষা-সহযোগী হিসেবে নিযুক্ত হলেন। একজন নিষ্ঠাবান সাহেবকে বাংলা ভাষার গলিঘুঁজি শেখাতে গিয়ে এই প্রাচ্য ও প্রতীচ্য পণ্ডিতের মধ্যে গড়ে উঠল জ্ঞানচর্চার এক অপূর্ব ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৮০০ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের যাত্রা শুরু হয় এবং ১৮০১ সালে কলকাতায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে বিখ্যাত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ। উদ্দেশ্য ছিল ইংল্যান্ড থেকে আসা তরুণ বিলেতি অফিসারদের ভারতের দেশীয় ভাষা, আইন ও সংস্কৃতিতে দক্ষ করে তোলা। কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান পদে বসানো হলো উইলিয়াম কেরিকে। কেরি সাহেব কালবিলম্ব না করে রামরাম বসুকে সেখানে সহকারী পণ্ডিত ও মুন্সি হিসেবে নিয়োগ দিলেন। কিন্তু ক্লাস শুরু করতে গিয়ে তাঁরা এক অভূতপূর্ব সমস্যার মুখোমুখি হলেন&mdash;ইংরেজ অফিসারদের পড়ানোর মতো বাংলায় কোনও ভাল পাঠ্যবই বা মৌলিক গদ্যগ্রন্থই নেই! সেই যুগে বাংলা ভাষা ছিল মূলত কাব্যভিত্তিক; মনের ভাব ও গাম্ভীর্য প্রকাশের জন্য গদ্যের কোনও নির্দিষ্ট বা সুসংগঠিত কাঠামো তখনও রূপ নেয়নি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই অভাব পূরণ করতেই রামরাম বসু নিজের হাতে কলম তুলে নিলেন। হৃদয়ের সবটুকু আবেগ, ঐতিহাসিক উপাদান এবং বহুভাষিক মেধা ঢেলে দিয়ে তিনি রচনা করলেন 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত'। ১৮০১ সালের জুলাই মাসে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে কাঠের অক্ষরে মুদ্রিত হয়ে বের হল সেই ঐতিহাসিক গ্রন্থ। এটিই ছিল কোনও বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা মৌলিক গদ্যগ্রন্থ, এবং একই সঙ্গে ছাপাখানায় মুদ্রিত প্রথম বাংলা বই।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>রামরাম বসুর এই গদ্যশৈলী ছিল তৎকালীন সমাজের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। সেকালে শিক্ষিত ও প্রশাসনিক মহলে ফারসি ভাষার প্রচণ্ড প্রভাব ছিল। ফলে তাঁর গদ্যে তৎসম সংস্কৃত শব্দের পাশাপাশি ফারসি শব্দ ও ফারসি ধাঁচের বাক্যগঠন ফুটে উঠেছিল। সাধারণ্যে প্রচলিত বাংলা গদ্য যে কেমন ছিল, তার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যায় তাঁর এই লেখায়। প্রতাপাদিত্যের জন্ম, নামকরণ ও তাঁর কোষ্ঠী বিচার নিয়ে রামরাম বসু লিখেছিলেন:</p>&#13;
<p>"কিয়দ্দিনানন্তর পুত্ৰ জন্ম হইল। বিক্রমাদিত্য নানা দেশীয় জ্যোতির্বিদ পণ্ডিত আনাইয়া পুত্রের কোষ্ঠী করাইলেন। পণ্ডিতেরা কোষ্ঠী বিচার করিয়া কহিলেন, রাজপুত্রের গ্রহ সংস্থান অত্যন্ত উত্তম, একাদশ স্থানে বৃহস্পতি ও দ্বিতীয় স্থানে শুক্র, ইহাতে বালক মহাপ্রতাপশালী হইবেন এবং মহাপরাক্রম প্রকাশ পাইবেক, কিন্তু পিতার সহিত কোনোমতে মিলিবেক না।"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই রচনার মাধ্যমে বাংলা ভাষা কেবল কাব্যের অলংকার ছেড়ে প্রথম গদ্যের শক্ত কাঠামোর ওপর এসে দাঁড়াল। কেবল ইতিহাস বা কাহিনির মধ্যেই রামরাম বসু নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক ও সামাজিক কাজের সুবিধার্থে ১৮০২ সালে তিনি প্রকাশ করেন 'লিপিমালা'। এটি ছিল দৈনন্দিন জীবনের চিঠিপত্র, আবেদন ও দলিল-দস্তাবেজ লেখার এক আদর্শ ও বাস্তবমুখী সংকলন, যা ব্যবহারিক বাংলা গদ্যের এক নতুন যুগের সূচনা করে। এছাড়া খ্রিস্টধর্ম সম্পর্কিত কিছু গদ্য-পদ্য পুস্তিকাও তিনি রচনা করেছিলেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৮১৩ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও সাহিত্যচর্চায় যুক্ত থেকে বাংলা ভাষার সেবা করে গেছেন। আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরবর্তীতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাম যতটা উজ্জ্বল ও চর্চিত হয়েছে, সূচনা পর্বের এই পথিকৃৎ রামরাম বসু সময়ের স্রোতে ততটাই ঢাকা পড়ে গেছেন। কিন্তু ইতিহাসের সত্য এই যে, বাংলা সাহিত্যের যে সুবিশাল আধুনিক গদ্য-প্রাসাদ আজ দাঁড়িয়ে আছে, গভীর অন্ধকারের মধ্যে তার প্রথম মৌলিক ইটের ভিতটি গেঁথে দিয়ে গিয়েছিলেন এই নীরব ও দূরদর্শী রামরাম বসু।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Ramram Basu]]></category>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/ab7c98f6-d220-4e16-a1ad-ebcb505ad996.webp" length="186630" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/ab7c98f6-d220-4e16-a1ad-ebcb505ad996.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/ab7c98f6-d220-4e16-a1ad-ebcb505ad996.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অন্নদাশঙ্করের 'ক্রান্তদর্শী' ও গান্ধীবাদ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-annada-shankar-ray-and-gandhism-515104</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sunday-online/sunday-special-feature-story-on-annada-shankar-ray-and-gandhism-515104</guid>
            <pubDate>Sun, 27 Sep 2026 00:48:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অংশ নয়, সমগ্র; খণ্ড নয়, অখণ্ডের রূপ অন্নদাশঙ্কর তাঁর বিশ্লেষণনিষ্ঠ কথনক্রিয়ায় ধরতে চেয়েছিলেন জীবনের অন্তিম মহা-উপন্যাসে— চার খণ্ডে খণ্ডিত 'ক্রান্তদর্শী'-তে। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>সৌমাল্য মুখোপাধ্যায়</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অংশ নয়, সমগ্র; খণ্ড নয়, অখণ্ডের রূপ অন্নদাশঙ্কর তাঁর বিশ্লেষণনিষ্ঠ কথনক্রিয়ায় ধরতে চেয়েছিলেন জীবনের অন্তিম মহা-উপন্যাসে&mdash; চার খণ্ডে খণ্ডিত 'ক্রান্তদর্শী'-তে। ৪০ বছর ধরে এই উপন্যাসের সম্ভাব্য পরিণাম অন্নদাশঙ্করকে প্ররোচিত করে আখ্যানটি লিখে ফেলতে। বারবার তাঁর মনে হয়েছে, একটি কাজ বাকি থেকে যাচ্ছে, লিখে ফেলতে হবে সেই লেখা&mdash; যা আধুনিক ভারতের সবচেয়ে ক্রূর ও সহিংস ট্রাজেডিটিকে এক অনিবার্য প্রতিমায় মূর্ত করবে। কী সেই ট্রাজেডি? দেশভাগ। যা এই ভূখণ্ডের ওপর নেমে এসেছিল অকাল প্রায়ান্ধকার গোধূলির মতো। অন্নদাশঙ্কর নিজেই স্বীকার করেছেন&mdash; যদি কেউ এমন অভিযোগ তোলে, এই উপন্যাস আদতে এক 'নভেল অফ আইডিয়াস', লেখক আপত্তি করবেন না। সমগ্র উপন্যাস জুড়ে এই লেখায় স্থান পেয়েছে শুধু মননসিদ্ধ আলোচনা; সংলাপে-সংলাপে আকীর্ণ এ আখ্যান। ব্যক্তির অন্তর্জীবনই এ-লেখায় বিবেচ্য। বহুবিধ চরিত্রের ভিন্নগামী চিন্তাপ্রবাহকে চিনে নিতে আখ্যানকার সচেষ্ট। সেইসব চরিত্র এক-এক স্বতন্ত্র চিন্তাবিশ্বের প্রতিনিধি। গ্রন্থিল ও কীটদষ্ট যুগসংকটে বিবিধ চিন্তার সংঘাতের মধ্যে দিয়ে এক নির্ধারিত ও অমোঘ ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হয় উপন্যাসটি।&nbsp;</p>&#13;
<p>রবীন্দ্রনাথের 'গোরা'-এর সম্ভবত এই একটিই সার্থক উত্তরাধিকার পেয়েছিল বাংলা ভাষা। এই প্রবণতা যদিও অন্নদাশঙ্করের প্রথম জীবনের উপন্যাসমালা&mdash; ছয় খণ্ডের 'সত্যাসত্য'-এ লক্ষিত হয়েছিল আগেই। সত্যাসত্য উপন্যাসের দুই নায়ক: বাদল ও সুধী। বাদল ও সুধীর মানসিক সংঘাত তো কেবল দুই ব্যক্তির মধ্যে নয়&mdash; দুই বীক্ষার মধ্যে। দুই চেতনার মধ্যে। একদিকে অসংযত উচ্ছ্বাসপ্রবণ প্রতিভা, অন্যদিকে স্থিতপ্রজ্ঞ চিন্তা&mdash; এক অনন্ত সংঘর্ষের খতিয়ান সূচিত হয়েছিল। ঠিক তেমনি, ক্রান্তদর্শীতেও দেখতে পাওয়া যায় দুই পুরুষকে: মানস ও সৌম্য। সৌম্য'র মধ্যে স্পষ্ট দৃষ্ট হয় প্রাচ্যের প্রাচীন নৈতিক ঔদার্যে আস্থাশীল স্থিতধী সুধীর ছায়া&mdash; যে-সুধী ছিল সত্যাসত্যের অন্যতম নায়ক। অন্নদাশঙ্করের বিবেকী প্রতিভার দুই পৃথক অভিমুখ রয়েছে। একদিকে রসসৃষ্টির অন্তঃপ্রেরণা। অন্যদিকে স্বকালের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা। সংবেদী অন্বেষণের মধ্যে দিয়েই এই উপন্যাস খুঁজতে চায় সাম্প্রদায়িকতার মূল। এটিই লেখকের দায়। তাঁর স্বকালের প্রতি। তাঁর স্বজাতির প্রতি। এই দায়&mdash; তথা ক্রুশ&mdash; অন্নদাশঙ্কর স্বয়ং তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে। গান্ধী-হত্যার অনিবার্যতা এবং সে-হত্যার প্রতীকী বীভৎসা লেখকের অস্তিত্বের মূলে সৃষ্টি করে অচিন্ত্য এক অভিঘাত। এবং ঘটনার সে প্রবাহ, যা স্বাধীনতা ও দেশ-বিভাজনকে স্পর্শ করে তার চূড়ান্ত পরিণাম খুঁজে পেয়েছে গান্ধীর মৃত্যুতে, সেই প্রবাহের স্মৃতি বাধ্য করে অন্নদাশঙ্করকে লিখে ফেলতে এমন এক মহাকাব্যিক আখ্যান।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;শুধু ক্রান্তদর্শীই বা কেন, গান্ধী-হত্যার প্রেক্ষিতে অন্নদাশঙ্কর লিখেছিলেন বহু প্রবন্ধও। মহাকাব্যের বিস্তার লেখককে প্ররোচিত করেছে আজীবন। সত্যাসত্যও মহাকাব্যের আকল্পেই নিজেকে গড়ে নিতে চেয়েছিল। সে-উপন্যাসের মডেল ছিল টমাস মানের 'দ্য ম্যাজিক মাউন্টেন' এবং রোম্যাঁ রঁল্যা'র 'জঁ ক্রিস্তফ'। যদিও সত্যাসত্যের মতোই, ক্রান্তদর্শীকেও কোনও নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমায়িত করা যায় না। ক্রান্তদর্শীর চতুর্থ খণ্ডের ভূমিকায় লেখক স্পষ্ট বলেছিলেন, এই উপন্যাস ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়। রাজনীতিনির্ভর হলেও, রাজনৈতিক উপন্যাসও বলা চলে না একে। এই উপন্যাস&mdash; লেখকের ভাষায়&mdash; এক 'বিশ্লেষণধর্মী মানবিক স্টেটমেন্ট'। উক্তিটির মধ্যেই নিহিত রয়েছে এ-আখ্যানের প্রাণ। প্রগাঢ় অন্বেষণ ও বিশ্লেষণের মধ্যে দিয়েই ক্রান্তদর্শী পৌঁছতে চায় এক নির্ধারিত লক্ষ্যে&mdash; যে-লক্ষ্যে কালসঙ্কটের আড়ালে জ্বলছে ধিকধিক যে সত্যের গোপন বহ্নি, সেই সত্য উন্মোচিত হবে। মানবিক এই সংকল্পই জন্ম দিয়েছিল উপন্যাসটির। অন্নদাশঙ্কর কখনওই দেশভাগের মর্মন্তুদ সত্যটিকে অন্তর থেকে মেনে নিতে পারেননি। ওই বিভাজনরেখা তাঁর সত্তাকে রক্তাক্ত করেছে আজীবন। বাঙালি জাতি শেষাবধি তাঁর কাছে এক ও অবিভাজ্য। দেশভাগ ও লোকবিনিময় তাঁকে যে যন্ত্রণা দিয়েছিল, সেই যন্ত্রণা প্রকৃতপ্রস্তাবে দুর্লভ। এবং সেই যন্ত্রণাই তাঁর বিবেকী চরিত্রের সবচেয়ে অর্থবাহী পরিচায়ক। যেন তাঁরই বুকের ওপর দিয়ে টানা হয়েছে সীমানার রণরক্তময় রেখাটি। এক লেখায় লিখছেন&mdash; "শান্তি। আমার প্রাণ চায় শান্তি। আমার চোখের সামনে আমার দেশ ছারখার হয়ে যাচ্ছে, আমার জাতি আত্মহত্যা করছে, দেখছি আর দেখে কিং-কর্তব্য-বিমূঢ় হচ্ছি। তা বলে চাপানো শান্তি চাইনে। বেয়োনেটের শান্তি, কবরের শান্তি যথেষ্ট হয়েছে। তেমন শান্তির উপর ঘেন্না ধরে গেছে। তার চেয়ে যুদ্ধ ভাল। আমি চাই সমন্বয়ের শান্তি, সামঞ্জস্যের শান্তি, আন্তরিক শান্তি, স্বতঃস্ফূর্ত শান্তি।"</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; গান্ধীই ক্রান্তদর্শী উপন্যাসের গাইডিং ফোর্স। ঠিকই। গান্ধীই নায়ক এ আখ্যানের। ক্বচিৎ তাঁর দর্শন মেলে, কয়েক মুহূর্তের জন্যে&mdash; তা-সত্ত্বেও অলক্ষ্যে থেকেও তিনিই নায়ক। নিয়ামক। এবং নিয়ন্ত্রকও। গান্ধীবাদের অবিমিশ্র দার্শনিক নৈতিক ও আধ্যাত্মিক রূপ অন্নদাশঙ্করের অন্বিষ্ট। সে-রূপের সন্ধানও তিনি পেয়েছিলেন। মহাত্মা-বর্ণিত অহিংসা যে কেবল নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নয়, দুর্বলের অস্ত্র নয়&mdash; তা অন্নদাশঙ্কর বুঝেছিলেন। এবং বোঝাতে চেয়েছিলেন তাঁর স্বজাতিকে। শান্তির জন্যে নিঃসঙ্গ মহাত্মার একক সংগ্রামের এক জীবন্ত দলিল ক্রান্তদর্শী।</p>&#13;
<p>&nbsp;উপন্যাসের পাঠক ক্রমে প্রবেশ করেন গান্ধীবাদের অন্দরে। পাঠক বুঝতে পারেন, গান্ধীর জন্যে অহিংসা কেবল এক উপায় নয়, উদ্দেশ্যও&mdash; both the means and the end। অথচ তাঁর সতীর্থদের কাছে অহিংসা তো কেবল একটি উপায়ই মাত্র। সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী সংগ্রামে শুধু এক উপযোগী অস্ত্র। সে-কারণে যে মহাত্মাকে দেখতে পাই আমরা এ-আখ্যানে, তাঁর অক্লান্ত সংগ্রাম কেবল বিদেশি শক্তির বিরুদ্ধে নয়&mdash; সমরবাদের বিরুদ্ধেও। শুধু সংগ্রাম নয়, যেন এক উদযোগ, এক পরীক্ষা। বলা চলে experiment। সমরবাদের প্রয়োজনীয়তা ও উপযোগিতার বিরুদ্ধেই যেন মহাত্মার অঙ্গীকার। সত্যাগ্রহ তাঁর কাছে যুদ্ধের এক নৈতিক বিকল্প। এমন এক বিকল্প, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অনমনীয় সংগ্রাম যেখানে রক্তক্ষয়ী নয়। শান্তিরক্ষা ও শান্তিপ্রতিষ্ঠার জন্যেও সামরিক আয়োজনের পক্ষপাতী নন গান্ধী। সমরযন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই শান্তিপ্রতিষ্ঠা করতে তিনি সমর্থ হয়েছিলেন নোয়াখালী, কলকাতা, বিহার ও দিল্লিতে&mdash; সেই পর্বও বিশদে উঠে এসেছে ক্রান্তদর্শীতে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এখন পরীক্ষা বা experiment-এর প্রসঙ্গে আরও কিছু বলা দরকার। অন্নদাশঙ্করের নির্দ্বিধ ও নির্দ্বন্দ্ব বিশ্বাস অহিংসায়। তাঁর ঘোষণা যেন আমরা স্মরণে রাখি&mdash; "সমস্ত প্রতিকূল প্রমাণ সত্ত্বেও আমি বিশ্বাস করি যে জনগণ অহিংস"। এই বিশ্বাসের এক আধ্যাত্মিক বনিয়াদ ছিল। বিধাতা এক-একটি দেশ সৃষ্টি করেছেন এক-একটি পরীক্ষার জন্যে&mdash; এই তত্ত্বে ছিল তাঁর অবিচল আস্থা। ব্রিটেনে সেই পরীক্ষার নাম গণতন্ত্র। রাশিয়ায় সমাজতন্ত্র। এবং ভারতবর্ষে সেই পরীক্ষার নাম অহিংসা। যুগে-যুগে এই পরীক্ষা সংঘটিত হয়েছে। মহাত্মা সেই প্রবাহেরই অংশ। আগে সেই পরীক্ষা ছিল ব্যষ্টিগত, মহাত্মার হাত ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তা হয়ে উঠেছে সমষ্টিগত। গান্ধী তাঁর সমস্ত সত্তা দিয়ে দেশটিকে চিনেছিলেন; দেশের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক ঐতিহ্য, ত্যাগধর্ম, বুঝেছিলেন গভীরভাবে&mdash; তাই সেই কঠিন পরীক্ষায় নেমেছিলেন একা। ভারতবর্ষ যে শেষপর্যন্ত নীতিধর্মের দেশ&mdash; এমনকি 'ধর্ম' শব্দটিও যে ইঙ্গিত করে নীতিরই দিকে, এই সরল সত্যটিই ছিল গান্ধীবাদের প্রধান ভিত্তি। নীতির জায়গা যদি সমরযন্ত্র অধিকার করে, তাহলে অহিংসা প্রতিষ্ঠা পেতে পারে না। বিধাতার সেই পরম ও নিভৃত ইচ্ছা&mdash; পরীক্ষার অভিপ্রায়&mdash; সার্থক হতে পারে না। গান্ধীবাদ যে এক মধ্যপন্থা&mdash; এ-কথা কখনওই মানতে চাননি অন্নদাশঙ্কর। ধনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মধ্যে এক মধ্যবর্তী ধারা গান্ধীবাদ&mdash; এমন প্রচারে অভ্যস্ত অনেকেই। কিন্তু অন্নদাশঙ্করের বিশ্বাস ছিল, অহিংস হলেও গান্ধীবাদ আদতে এক চরমপন্থাই। ধনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র থেকে পৃথক এক ধারা। অর্থনৈতিক ও নৈতিক সর্বোদয় গান্ধীর প্রার্থিত। এবং এই জাগরণ ঘটবে গ্রামকে কেন্দ্রে রেখেই। যে জাগরণের প্রাণ বাঁধা চরকার সুতোয়। শহরাঞ্চলে কল-কারখানায় যে মূলধন খাটে, সেই বিনিয়োগ ধনতন্ত্রের ধর্ম মেনেই হয়ে থাকে। অন্যদিকে চরকা স্বপ্ন দেখে সার্বিক অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের। ধনতন্ত্রকে আঘাত করে সে-ও, সমাজতন্ত্রের রাস্তা অনুসরণ না করেই। ব্যক্তিগত পুঁজির মালিকানার নিষিদ্ধকরণের নীতিতে গান্ধীবাদী অর্থনীতি বিশ্বাসী নয়। কিন্তু শহরাঞ্চলে পুঁজির বেলাগাম কেন্দ্রীকরণ ও মুনাফার উত্তরোত্তর বৃদ্ধির বিরুদ্ধে গান্ধীবাদ এক স্বতন্ত্র অবস্থানে অবিচল থাকে। তিনের দশকের শেষ থেকে গান্ধীর মৃত্যু অবধি প্রসারিত ক্রান্তদর্শীর কাহিনিক্রম&mdash; অথচ কাহিনি বলতে তেমন কিছুই নেই; যা আছে তা এমন সব বিবিধ আলোচনা, আইডিয়ার সংঘাত। রাজনীতি ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে ঘিরে দীর্ঘ সব আলোচনার বিশ্লেষণধর্মী বলয় সযত্নে বুনন করে রাখা হয়েছে উপন্যাসটির শরীরে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Feature Story]]></category>
            <category><![CDATA[Sunday Special]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/2a53865c-5348-4337-b499-eb64f6626774.webp" length="140378" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/2a53865c-5348-4337-b499-eb64f6626774.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/27/2a53865c-5348-4337-b499-eb64f6626774.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগে ফের একসঙ্গে রোহিত-কোহলি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/rohit-sharma-and-virat-kohli-reunite-ahead-of-odi-series-against-west-indies-514944</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/rohit-sharma-and-virat-kohli-reunite-ahead-of-odi-series-against-west-indies-514944</guid>
            <pubDate>Fri, 25 Sep 2026 17:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের আগে ভারতীয় দলের অনুশীলনে ফের একসঙ্গে দেখা গেল রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে। বৃহস্পতিবার তিরুঅনন্তপুরমের গ্রিনফিল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেন দুই মহাতারকা। রবিবার তিরুঅনন্তপুরমে শুরু হবে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের একদিনের সিরিজ।]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজের আগে ভারতীয় দলের অনুশীলনে ফের একসঙ্গে দেখা গেল রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিকে। বৃহস্পতিবার তিরুঅনন্তপুরমের গ্রিনফিল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেন দুই মহাতারকা। রবিবার তিরুঅনন্তপুরমে শুরু হবে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের একদিনের সিরিজ। তার আগে প্রথম অনুশীলনেই ব্যাট হাতে প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন রোহিত এবং কোহলি। ইংল্যান্ড সফরের পর কেটে গিয়েছে বেশ কিছুটা সময়। প্রায় দুই মাসেরও বেশি সময় পর ফের ভারতীয় দলের অনুশীলনে একসঙ্গে দেখা গেল রো-কো জুটিকে।&nbsp;</p>&#13;
<p>জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লর্ডসে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে শেষবার একসঙ্গে খেলেছিলেন রোহিত-কোহলি। আবার বাইশ গজে এই জুটিকে দেখার অপেক্ষায় ভক্তরা। বৃহস্পতিবারের অনুশীলনে যথেষ্ট ছন্দে ছিলেন কোহলি। নেটে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। কুলদীপ যাদবের বলে মিড উইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকানোর পাশাপাশি, নমন ধীরের বলেও সোজা ব্যাটে ছয় মারেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। বৃষ্টির জন্য কিছুটা দেরিতে অনুশীলনে নামেন রোহিত শর্মা। নেটে নিজের স্ট্রোকপ্লে নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি, প্রসিধ কৃষ্ণকে শর্ট বল করার অনুরোধ জানান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস আক্রমণের কথা মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন রোহিত।</p>&#13;
<p>২৭ সেপ্টেম্বর তিরুঅনন্তপুরমে প্রথম একদিনের ম্যাচ। তারপর ৩০ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটিতে দ্বিতীয় ম্যাচ। সিরিজের তৃতীয়, তথা শেষ একদিনের ম্যাচ ৩ অক্টোবর নিউ চণ্ডীগড়ে। শুভমন গিলের নেতৃত্বে ভারতীয় দলে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির প্রত্যাবর্তন ২০২৭ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, রোহিতকে নিয়ে চর্চার মাঝেই তাঁর ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলার সমর্থনে প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক চেতন শর্মা। তাঁকে 'ক্রিকেটের কোহিনুর' আখ্যা দেন।</p>&#13;
<p>চেতন শর্মা বলেন, 'আমি বুঝতে পারছি লোকে হাজার কথা বলছে। আমিও ক্রিকেটার ছিলাম। আমি ওদের ভালবাসি এবং শ্রদ্ধা করি। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি ভারতীয় ক্রিকেটের কোহিনুর। বয়স সংখ্যা মাত্র। ওরা যদি খেলার মধ্যে থাকে, তাহলে কেন নয়? আমি নিজে নির্বাচক ছিলাম। রোহিত কয়েকদিন আগেই শতরান করেছে। বিরাট প্রতিনিয়ত করে। তাহলে সমস্যা কোথায়? আমরা এমন প্লেয়ার চাই, যারা আমাদের ম্যাচ জেতাতে পারবে। ওরা দু'জনেই সেটা করতে পারে।' যে যাই বলুক না কেন, রো-কো জুটির ভাগ্য ঝুলে থাকবে নির্বাচক এবং গৌতম গম্ভীরের ওপর।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[2027 odi world cup]]></category>
            <category><![CDATA[rohit sharma]]></category>
            <category><![CDATA[virat kohli]]></category>
            <category><![CDATA[bcci]]></category>
            <category><![CDATA[Team India]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/25/448b3de9-aa86-4ff2-8aa4-05d6e3efa424.webp" length="22856" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/25/448b3de9-aa86-4ff2-8aa4-05d6e3efa424.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/25/448b3de9-aa86-4ff2-8aa4-05d6e3efa424.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মেঘের শিলঙে কেরানি জীবন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-six-514455</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-six-514455</guid>
            <pubDate>Mon, 21 Sep 2026 18:53:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ এক মেইতেই জুনিয়র বন্ধুও হয়েছিল, রাওলিনসন ওইনাম। সে অবশ্য সরাসরি দুষত সরকার পক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে। বলেছিল, ’স্যার, চাইলেই মিটিয়ে ফেলা যেত। কিন্তু মেটাবে না। ক্রাইসিস আসলে পলিটিক্সের ডিজেল!’ ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>ষষ্ঠ পর্ব</strong></span><br><span style="color: #ba372a;"><strong>ফিরে আসার সময় আসছে এগিয়ে</strong></span></p>&#13;
<p><strong><span style="color: #236fa1;">দেবাংশু রায়চৌধুরী&nbsp;</span></strong></p>&#13;
<p>ফিরে আসার সময় আসতে আসতে এগিয়ে আসছে &rsquo;২৫ এর শেষেই বুঝতে পারছিলাম। এই গোটা সময়কালের মাঝামাঝি সময়টাতে খানিক অধৈর্য হয়ে উঠেছিলাম বাড়ি ফেরার জন্য। একা একা থাকতে কাহাঁতক ভাল লাগে! অথচ ভাবুন, একা থাকার ইচ্ছে মনের মধ্যে পুষেই এসেছিলাম এই অজানা অচেনা দেশে। মানব-মস্তিষ্ক বড় জটিল যন্ত্র। কোনদিকে কোন সময় যে তার চাকা ঘুরতে শুরু করে, তার হদিশ পাওয়া কঠিন। অথচ শেষের দিকে এসে পুরো শহরটার প্রতি, সেখানকার অল্প-চেনা, অল্প-জানা মানুষগুলোর জন্য টান অনুভব করছিলাম।&nbsp;<br>মাতৃসমা প্রতিবেশী ছিল রোজ আন্টি, যার সাকিন শিলং, কিন্তু বিয়ে করে ২৮টা বছর কালীঘাটে কাটিয়ে গেছেন, তার সঙ্গে কতই না খোশ-গল্প করেছি। আন্টির আমায় পেয়ে একটা মজা হয়েছিল। আন্টি ঝরঝরে বাংলা বলতে পারত। বাংলায় যত ইচ্ছে পাড়ার লোকের যা যা নিন্দেমন্দ করার করে নিত আমার সঙ্গে। বাকিরা কেউ তো বুঝবে না! আর আমিও মজা পেতাম, এই সুযোগে পাড়ার বাকি লোকগুলোকে চিনে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যেত। তবে এসবের বাইরেও আন্টির প্রতি আমার ঋণ কোনোদিন শেষ হবার নয়। কোলকাতা থেকে ফেরার পথে বাড়ি (শিলং-এর বাড়ি) ঢোকার সময়, আন্টি পাশের বাড়ির ছাদ থেকে বলে দিত, &lsquo;আজ রাতে আর রান্না করবে না। নতুন একটা চিকেন প্রিপারেশন ট্রাই করেছি। একটু পরে ফোন করছি, রুটি-চিকেন নিয়ে যাবে&rsquo;। এক নিমেষে মন খারাপের ওপর আদরের মলম লেগে যেত। দুনিয়া জুড়ে সব মায়েরাই আসলে মা-ই। ফিরে এসেও আন্টির সঙ্গে যোগাযোগ একটুও ছিন্ন হয়নি। সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক ফোনালাপে ও-পাড়ার নিন্দেমন্দ শুনে দারুণ মজা পাই।<br>এক বন্ধু হয়েছিল ওখানে, মণীশ। এককথায় বললে, শিলং ও তৎসংলগ্ন এলাকায় যা যা বদকর্ম করেছি তারই সঙ্গে করেছি। সেও আমার কিছুকাল পর শিলং ছেড়ে ব্যাঙ্গালোর পাড়ি জমিয়েছে। সে আর আমি আজকাল ফোনে শিলং-এর স্মৃতিচারণ করি।&nbsp;<br>অফিসে তৈরি হয়েছিল কিছু উত্তর-পূর্বের কলিগ। আমার আগে যারা সেখানে কাজ করে এসেছিল তাদের কাছে শুনেছিলাম, &lsquo;একদম মিশতে চায় না। একটাও কথা বলে না। কেমন যেন!&rsquo; আমার সঙ্গে তাদের দিনযাপনের গল্প হত। একজন ছিল কুকি সম্প্রদায়ের, নাম লামখোসিয়েম। তার বাড়িঘরে, তার দেশে তখন আগুন লেগেছে। মেইতেই আর কুকিদের মধ্যে চলছে যুদ্ধ। যুদ্ধ পাহাড় দখলের, সম্পদ দখলের। সে সপরিবারে তার ঘর তার দেশ ছেড়ে চলে এসেছে শিলঙে বেশ কয়েক বছর হল। তখন তার বাড়িতে মেলা লোক। অনেক ভাই, প্রতিবেশী তার গ্রাম থেকে পালিয়ে এসেছে প্রাণের ভয়ে। তার কাছে রয়েছে। সে নির্লিপ্ত মুখে তাদের মুখে শোনা যুদ্ধের গল্প আমায় করেছিল, যা গল্প মিডিয়া শোনাবে না। ক্ষোভের সঙ্গে বলত, &lsquo;মেইনল্যাণ্ডের মানুষদের কাছে আমাদের জীবনের কোনও দাম নেই।&rsquo; মাথা নীচু হয়ে যেত, লজ্জায়। মেইনল্যাণ্ড-দেশ কিভাবে মেইন আর ট্রিভিয়াল বা আন-ইম্পরট্যান্টে ভাগ হয়ে যায়! সে ভাগ মানচিত্রে থাকে না। সেই ভাগ হয় হৃৎপিণ্ডের মাঝ বরাবর বোধহয়!&nbsp;<br>এক মেইতেই জুনিয়র বন্ধুও হয়েছিল, রাওলিনসন ওইনাম। সে অবশ্য সরাসরি দুষত সরকার পক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে। বলেছিল, &rsquo;স্যার, চাইলেই মিটিয়ে ফেলা যেত। কিন্তু মেটাবে না। ক্রাইসিস আসলে পলিটিক্সের ডিজেল!&rsquo; খুব মিল পাচ্ছেন না? অবশ্য এই কুকি বন্ধু আর মেইতেই বন্ধু একে অপরের সঙ্গে কথা বলত না। দেশের বাড়ির যুদ্ধের আঁচ অফিসে এসে লেগেছিল। কিছুদিন তারা দু'জনই আমার সেকশনে কাজ করেছিল একত্রে। ভাগ্যের পরিহাসে এক মেইনল্যাণ্ডের বাঙালকে, আর এক ঘটি-বাঙালের (যদিও একদমই মজার ছলের বিরোধ নয় ঘটি-বাঙালের মতো) মাঝে কম্যুনিকেশনের মাধ্যম হয়ে কাজ করতে হয়েছিল।<br>আরও ছিল কত চেনা মুদি দোকান, চেনা সবজি দোকান, চেনা সেলুন, চেনা মাংসের দোকান। কেমন মানুষগুলো চিনে গিয়েছিল। বাইক নিয়ে দাঁড়ালেই জানত কী নিতে এসেছি। আসার আগে সবাইকে অতি অবশ্য বিদায় জানিয়ে এসেছিলাম।<br>আচ্ছা, গাছপালা, পাথর, ঘাসগুলো কী মনে রেখেছিল? ভালহালায় যে পাথরে হেলান দিয়ে দিগন্তে তাকিয়ে থাকতাম তার মনে থাকবে আমায়? নোহকালিকাই এর ট্যুরিস্ট স্পটটায় গুচ্ছ লোকজনের মুখের সামনে দিয়ে সোজা চলে গিয়ে, একটা গোটা বিস্তার ঘাসের জমি পেরিয়ে খাদের ধারে একটা গাছে হেলান দিয়ে বসে আদিগন্ত জোড়া পাহাড় আর সবুজের মেলা দেখা যেত, ওরা কি চিনত আমায়? ওদের কাছেও শেষ একবার গেছিলাম। একবার হাত রেখে এসেছিলাম গাছ পাহাড় পাথরের গায়ে।<br>তবে এই কথা তাদের দিইয়ে আসিনি যে, আবার আসব। কথা দিয়ে কথা না রাখতে পারলে কেউ নিশ্চয়ই কোথাও কাঁদে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=lr6mK7_4DSo</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[travel]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog about Meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[shillong]]></category>
            <category><![CDATA[nature]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/21/0d1456e4-e662-4771-8fd8-12049fe8230f.webp" length="131736" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/21/0d1456e4-e662-4771-8fd8-12049fe8230f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/21/0d1456e4-e662-4771-8fd8-12049fe8230f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মেঘের শিলঙে কেরানি জীবন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-five-514336</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-five-514336</guid>
            <pubDate>Sun, 20 Sep 2026 22:26:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এই জলপ্রপাতের গল্প আরও হৃদয়বিদারক। রাংজিরতেহ গ্রামের মেয়ে লিকাই স্বামীহারা হয়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে জীবনযাপন করত। গ্রামের লোক লিকাইকে পরামর্শ দেয় দ্বিতীয়বার বিবাহ করার। তাতে হয়তবা শিশুকন্যার আর নিজের কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে ভেবে লিকাই শেষে রাজিও হয়।]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>পঞ্চম পর্ব</strong></span></p>&#13;
<p><span style="color: #ba372a;"><strong>নোহকালিকাই-এর অপূর্ব রূপ আর তার করুণ প্রেক্ষাপট</strong></span></p>&#13;
<p><span style="color: #ba372a;"><strong><span style="color: #236fa1;">দেবাংশু রায়চৌধুরী</span>&nbsp;</strong></span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">বাইকে করে বেশ খানিক ঘুরেছি মেঘালয়ের এদিক ওদিক। প্রায় আড়াই বছর থাকার সুবাদে অনেক জায়গায় গিয়েছি যেখানে তথাকথিত ট্যুরিস্টরা যায় না, বা বিখ্যাত &lsquo;স্পট&rsquo;গুলো ঘোরার পর আর সময় করে উঠতে পারে না। আবার বেশ কিছু সেরকম ফেমাস স্পটে ইচ্ছে করেই যাইনি। কেমন যেন ইচ্ছে হয়নি যেতে। একা-একা বা দু&rsquo;একজন কলিগ কাম বন্ধুর সঙ্গে শীতের বা বর্ষার শনি-রবিবারগুলোয় বেরিয়ে পড়তাম। এদিক ওদিক গিয়ে বসে থাকতাম। কত ফলস ঘুরেছি এদিক-ওদিক! নোহ-কা-লি-কাই ফলস, পেডেম ফলস, মাওসাওয়া ফলস, প্রুট ফলস, ফিফি ফলস, লিংকশিয়ার, ওয়ে-শ্যাডং, ডাইন্থলেন আরও কত ঘুরেছিলাম সবক&rsquo;টার নামও মনে নেই। বেশিরভাগ জায়গাতেই প্রাচীন মিথ বা রূপকথা জড়িয়ে আছে ঝর্ণার সঙ্গে। থলেন নামের সাপকে মারা হয়েছিল ডাইন্থলেন ফলসে, সেখানের মাটি দেখলে সত্যিই মনে হবে যেন এক বিশালাকায় সাপ প্রোথিত হয়ে আছে মাটিতে।</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">&nbsp;নোহকালিকাই ফলস, ভারতবর্ষের সর্বোচ্চ উলম্ব জলপ্রপাত। প্রায় ১১০০ ফুট ওপর থেকে প্রবল বেগে নীচে পড়ছে। এই জলপ্রপাতের গল্প আরও হৃদয়বিদারক। রাংজিরতেহ গ্রামের মেয়ে লিকাই স্বামীহারা হয়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে জীবনযাপন করত। গ্রামের লোক লিকাইকে পরামর্শ দেয় দ্বিতীয়বার বিবাহ করার। তাতে হয়তবা শিশুকন্যার আর নিজের কষ্ট কিছুটা লাঘব হবে ভেবে লিকাই শেষে রাজিও হয়। কিন্তু সেই স্বামী তার জীবনে বয়ে আনে চরম বিভীষিকা। দ্বিতীয় স্বামী ঈর্ষাবশত লিকার প্রথম-পক্ষের কন্যাকে একদিন হত্যা করে তার মাংস রান্না করে। গ্রাম থেকে কাজ করে ফিরে ক্ষুধার্ত লিকাই অজান্তেই সেই মাংস খেয়ে ফেলে।পরে ময়লা ফেলার ঝুড়িতে নিজের শিশুর কাটা আঙুল দেখে সত্য অনুধাবন করে শোকে উন্মাদ হয়ে সে এই জলপ্রপাত থেকেই ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। নোহকালিকাই-এর অপূর্ব রূপ আর তার করুণ প্রেক্ষাপট একই সঙ্গে কেমন যেন বিচিত্র এক সমাপতন বলে মনে হয়।</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">ফলসের সৌন্দর্যে থেমে গেলে চলবে না! মেঘালয় আরও কত ম্যাজিক নিজের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছে! আদিগন্ত জুড়ে ঘাসের চারণভূমি। মাইলের পর মাইল দূর থেকে দেখা যায়। শীতকালে সেই ঘাস হয়ে যায় হালকা বাদামী, বর্ষায় ঘন সবুজ। সে সবুজ চোখে ধাঁধাঁ ধরিয়ে দেবে। মনে হবে যেন, পুরো ক্যানভ্যাসটায় সবুজ আভা চাপিয়ে দিয়েছে কেউ ফটোশপ দিয়ে। সেই সবুজের দিকে তাকিয়ে বসে থাকা যায় ঘন্টার পর ঘন্টা।&nbsp;</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">আর রয়েছে বিভিন্ন আকারের গুহা। সেসব গুহার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক অম্ল জল বায়ুমন্ডলের কার্বণ ডাই অক্সাইডের সংস্পর্শে এসে ধীরে ধীরে কার্বনেটেড পাথরকে ক্ষয়িয়ে দেয় এবং গুহার গভীরতা বাড়াতে থাকে। এই প্রক্রিয়া ধীর কালক্ষয়ী। প্রকৃতির কোনও তাড়া নেই। লক্ষ-লক্ষ বছর ধরে বহু যত্নে বহু তিতিক্ষায় এই ভাস্কর্য গড়ে উঠেছে। ভিতরে গড়ে উঠেছে স্ট্যালাকলাইট (যে প্রবর্ধকগুলি গুহার ছাদ থেকে নিচের দিকে ঝোলে) এবং স্ট্যালাগমাইট (যে প্রবর্ধকগুলি গুহার মেঝেতে আটকে থাকে)। আর আছে প্রচুর ধরণের জীবাশ্ম যা আসলে প্রমাণ করে সাড়ে পাঁচ ছয় কোটি বছর আগে এই মেঘালয়, এই পার্বত্যভূমি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তিন চার হাজার ফুটে থাকা এই জায়গা আসলে অগভীর সামুদ্রিক পরিবেশের অংশ ছিল। অভাবনীয়! অদৃশ্য ভগবানকে খোঁজার কী দরকার বুঝে পাইনে, চারিদিকে প্রকৃতি যে ম্যাজিক দেখিয়ে চলেছে তা কোন অংশে কম বলতে পারেন কী?</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">শিলঙের শীত। খুবই কঠিন চ্যাপ্টার এই পার্টটা। আপনি ট্যুরিস্ট হিসেবে গেলে এই শীত আপনাকে মোহময়ী, কুয়াশাঘেরা, মিঠে রোদের দুপুরে ওম পুইয়ে রাতের ঠাডায় কম্বলের তলায় বসে জম্পেশ এককাপ কফি বা চা নিয়ে গল্পের বই পড়ার রসদের বিপুল যোগান যে দেবে, তা নিয়ে আমারও কোনও দ্বিমত নেই। সমস্যাটা অন্য জায়গায়। সমস্যা হচ্ছে, আমি ট্যুরিস্ট নই। আমি থাকছি। ফলে আমায় সকালে উঠতে হচ্ছে। উঠে ওই কঠিন ঠান্ডায় বাইকটিকে বার করে কোল্ড স্টার্টের ঝামেলা পেরিয়ে সেটা নিয়ে হি-হি করে কাঁপতে-কাঁপতে ব্যাডমিন্টনে যেতে হচ্ছে। ফিরে এসে একই সঙ্গে খেল পরবর্তী ঘাম এবং প্রাকৃতিক ঠান্ডার সঙ্গে লড়তে লড়তে স্নান করতে হচ্ছে। রাতে এসে রান্না করতে করতে বারবার হাত ধোওয়ার যন্ত্রণা পেতে হচ্ছে। এবং এই রুটিন ৫ রাত ৭ দিনের নয়। দীর্ঘ ৪-৫ মাসের কঠোর কঠিন জীবন। হাত পা ভেজাচ্ছি, হিটারের সামনে গরম করছি। আবার কিছুক্ষণ পর যে কে সেই! আর সে কী ঠান্ডা বাপস!&nbsp;</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">তবে ঘোরার জন্য বর্ষাকালই বেস্ট, এ ব্যাপারে আমি অন্তত হলফ করে বলতে পারি। যে রূপ-রঙ-গন্ধ নিয়ে মেঘালয় হাজির হয় তার কোনও তুলনা নেই। সবুজের বিভিন্নতা, ফুলের সমারোহ, গর্জন করে পড়তে থাকা জলপ্রপাত, সোঁদা গন্ধে ভরে থাকা রহস্যময় গুহা-এর জুড়ি মেলা ভার। একটা বর্ষাতি, একটা ছাতা নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। যে জিনিস দেখবেন তা স্মৃতির হার্ড ড্রাইভে পারমানেন্টলি স্টোর হয়ে যাবে-গ্যারান্টি দি</span><span style="color: #000000;">লাম।</span></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[travel]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog about Meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[shillong]]></category>
            <category><![CDATA[nature]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/20/62e372d6-c8db-430c-84fe-44f293a8de9e.webp" length="206884" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/20/62e372d6-c8db-430c-84fe-44f293a8de9e.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/20/62e372d6-c8db-430c-84fe-44f293a8de9e.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মেঘের শিলঙে কেরানি জীবন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-four-514232</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-four-514232</guid>
            <pubDate>Sat, 19 Sep 2026 19:16:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বর্ষা নামলেই মনে হয়, পাহাড়ের গায়ে কেউ যেন নতুন করে সবুজ রং করে দিয়েছে। পাইন গাছের ফাঁকে ফাঁকে ফার্ন, ছোট ছোট ঝোপ, বুনো ঘাস আর অজস্র নাম-না-জানা গাছ মাথা তুলে নিজের হাজিরা খাতায় নাম লেখানোর জন্য উঠে পড়ে লাগত। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>চতুর্থ পর্ব</strong></span></p>&#13;
<p><span style="color: #ba372a;"><strong>বর্ষার সময়ে আবার মাটির কাছাকাছি জগৎটা যেন আলাদা হয়ে যায়</strong></span></p>&#13;
<p><span style="color: #236fa1;"><strong>দেবাংশু রায়চৌধুরী</strong></span></p>&#13;
<p>প্রকৃতিকে পূজা করার পদ্ধতিও এখানে বেশ ইন্টারেস্টিং। মাওফলাঙের পবিত্র বনে পূজার সময় প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী একবারেই নিয়ে প্রবেশ করতে হয়; পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত বের হওয়া যায় না। প্রবেশ পথে পাথরের তৈরি একটি চিহ্নিত স্থান রয়েছে, যেখানে সামগ্রী যাচাই করা হয়। প্রথাগত ভাবে গ্রামের মানুষ নিজেরাই লালন-পালন করা একটি ত্রুটিহীন ষাঁড় বলি দিতেন। বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে মুরগি বলি দেওয়া হয়। ষাঁড়টিকে প্রথমে ঝরনায় স্নান করিয়ে সম্মান জানানো হতো এবং বনের একটি বৃহৎ মনোলিথের কাছে বলি দেওয়া হতো। বিশ্বাস করা হয়, বনদেবতা রিকব্যু-বাসা সন্তুষ্ট হলে চিতাবাঘ রূপে আবির্ভূত হয়ে আশীর্বাদ দেন; অসন্তুষ্ট হলে সাপ রূপে অমঙ্গলের সংকেত দেন। এইসব কথাই ওখানে জঙ্গলের গাইড গল্প করে শোনায়। তবে, খুব খুব কড়া ভাবে একটি নিয়ম পালিত হয়। জঙ্গলের মধ্য থেকে এক টুকরো ডাল, বা একটি পাতাও তুলে আনা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। তাতে দেবতা রূষ্ঠ হবেন, এমত বিশ্বাস।</p>&#13;
<p>শিলংয়ের গাছপালার একটা ব্যাপার আমার বেশ ভাল লাগত&mdash;এখানে সবুজ কখনও একরকম থাকে না। বর্ষা নামলেই মনে হয়, পাহাড়ের গায়ে কেউ যেন নতুন করে সবুজ রং করে দিয়েছে। পাইন গাছের ফাঁকে ফাঁকে ফার্ন, ছোট ছোট ঝোপ, বুনো ঘাস আর অজস্র নাম-না-জানা গাছ মাথা তুলে নিজের হাজিরা খাতায় নাম লেখানোর জন্য উঠে পড়ে লাগত। ভেজা পাথর, গাছের গুঁড়ি আর পুরনো দেওয়ালের গায়ে মোটা হয়ে জমে থাকে মস; কোথাও এত ঘন যে মনে হয় পাথরটাও যেন জীবন্ত। পাথরে হাত দিলে হাতে দোলের রঙের মতো সবুজ আর খয়েরি রং লেগে যেত। একটু ভাল করে তাকালে গাছের গায়ে গাছ&mdash;অর্কিড আর এপিফাইটিক ফার্নও দেখা যায়। মেঘালয়ে অর্কিডের বৈচিত্র্য এতটাই যে ৩২০-রও বেশি প্রজাতির কথা এখনও পর্যন্ত লিপিবদ্ধ করা গেছে। শিলংয়ের অর্কিড সংরক্ষণ কেন্দ্রে গিয়েছিলাম একবার। এই তার কত রকম নমুনা দেখা যায়&mdash;Dendrobium, Coelogyne, Cymbidium, Vanda, Rhynchostylis আরও কত কী! নামগুলো স্রেফ মুখস্ত আছে বলে লিখে দিলুম। গিয়ে হাঁ করে শুধু তাকিয়েই ছিলাম রঙের মেলার দিকে।</p>&#13;
<p>বর্ষার সময়ে আবার মাটির কাছাকাছি জগৎটা যেন আলাদা হয়ে যায়। &lsquo;টাচ-মি-নট&rsquo;-এর ছোট ছোট ফুল, নানা ধরনের ফার্ন, আদা-জাতীয় গাছ, আর ভেজা পাতার ফাঁকে নানা রকম রঙের মাশরুম&mdash;সব মিলিয়ে সবাই যেন বেশ চুপচাপ অথচ ব্যস্ত। শরৎ এলে বৃষ্টি একটু কমে, আকাশ পরিষ্কার হয়, আর পাইনবনের নিচে শুকনো পাতার গন্ধ পাওয়া যায়। শীতকালে অনেক গাছ একটু রুক্ষ, একটু ফ্যাকাশে হয়ে যায়, কিন্তু পাইনের সবুজ তখনও একই রকম থাকে। তারপর বসন্তে হঠাৎ রডোডেন্ড্রনের লাল ফুল ফুটতে শুরু করে। ম্যাগনোলিয়ার ফুল, বুনো বেরি, অর্কিড&mdash;সব মিলিয়ে মনে হয়, এতদিন ধরে বৃষ্টিতে চুপ করে থাকা পাহাড়টা এবার একটু সাজগোজ করে বাইরে বেরিয়েছে। যাদের পোলেন বা ফুলের রেণুতে এলার্জি আছে খুব সাবধান! গোটা মার্চ-এপ্রিল পাইন তার রেণু হাওয়ায় ভাসিয়ে দেয়। পাইন বনের মেঝে রেণুতে রেণুতে হলুদ হয়ে যায়। যেন কেউ হলুদ গালিচা পেতে দিয়েছে!&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সবুজের সবচেয়ে আশ্চর্য ব্যাপার বোধহয় মস আর ফার্ন। এগুলো আলাদা করে খুঁজতে হয় না&mdash;চোখ একটু অভ্যস্ত হলেই চারপাশে দেখতে পাওয়া যায়। পুরনো গাছের গায়ে, ভেজা পাথরের গায়ে, ঝরনার ধারে, অন্ধকার জঙ্গলের মাটিতে&mdash;সব জায়গাতেই তাদের উপস্থিতি। তখন বুঝতে পারি, শিলংয়ের সৌন্দর্য আসলে শুধু পাহাড়, মেঘ আর বৃষ্টির নয়; তার অনেকটা লুকিয়ে আছে এই ছোট ছোট সবুজ জিনিসগুলোর মধ্যে, তারা নিশ্চুপ নির্বাক। কিন্তু সেই সৌন্দর্য অপার্থিব। সেই সৌন্দর্য আপনার পর্যবেক্ষণ দাবি করে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এইসব বর্ষার উইকেন্ডে মাঝে মাঝে ঘুরতে যেতাম লাইটলুম ক্যানিয়নের কাছে। বাড়ির থেকে মাত্র বিশ-বাইশ কিলোমিটারের দূরত্বে এরকম এক নৈসর্গিক জায়গা থাকাটা জীবনে কোটি টাকার লটারি পাওয়ার থেকে কম কিছু নয়। লাইটলুম যদিও আজকাল খুবই বিখ্যাত। প্রচুর ট্যুরিস্টের সমাগম হয়। খাড়া পাহাড়ের ধারে দাঁড়িয়ে প্রায় চার-পাঁচশো ফুট নিচের নদী, তারপাশে একটা ছোট্ট গ্রাম, আর চারপাশের ঘন সবুজ বনানী দেখা যায়। অনবদ্য জায়গা। আমরা যদিও ওই মেইন স্পটে যেতাম না। আমাদের ছিল একপাশে এক নিজস্ব জায়গা। মেইন স্পট থেকে মিনিট ১৫ বাইকে এগিয়ে এসে বড় রাস্তার পাশে বাইক পার্ক করে হাঁটতে হত মিনিট বিশেক। আমার এক বন্ধু সেই জায়গার নাম দিয়েছিল &lsquo;ভালহালা&rsquo;। &lsquo;ভালহালা&rsquo; নর্স গড ওডিনের আস্তানা, যেখানে ভাইকিং যোদ্ধারা মৃত্যুর পর যেত পৃথিবীর অন্তের প্রতীক্ষায়, তাঁদের শেষ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে। আমাদের আস্তানা ছিল জনমানবহীন। মাইলের পর মাইল ঘাসের উঁচু-নীচু উপত্যকা। মাঝখান থেকে ছোট্ট নালা চলে গেছে। বর্ষায় জল বয়ে যায় সেখান থেকে, শীতে খাত শুকনো। ছোট নালা, লাফিয়ে এপার ওপার করা যায়। সেই নালার পাশে করতাম পিকনিক। মাংস পুড়িয়ে, সঙ্গে সালাড, চাটনি। বৃষ্টি শুরু হলেই আবার চিত্তির! একখানা ত্রিপল ছিল। সেটাকে বাঁশের খুঁটিতে বেঁধে, কোনোরকমে চাঁদোয়া টাঙানো হত। তার নিচে বসে ঝুমঝুম বর্ষায় গান শোনা আর খাওয়া দাওয়া। মাঝে মাঝে আরও মিনিট দশেক হেঁটে গিয়ে একদম খাদের ধারে গিয়ে বসতাম। হুহু করে হাওয়া দিত। নিচের দিকে তাকালে মাথা ঘুরে যাবে। খাড়া পাহাড় নেমে গেছে শ&rsquo;পাঁচেক ফুট। নিচে ঘন জঙ্গল। তার মাখে রুপালি বিছের মত নদী চলে গেছে । শুয়ে পড়তাম, ওপরে কড়াইয়ের মত উল্টানো আকাশ। দূরে সূর্য অস্তগামী। আকাশে লাল-কমলা রঙের অ্যক্রিলিক কেউ যেন উলটে দিয়েছে। যাচ্ছেতাই রঙ ছড়িয়ে আছে দিকচক্রবালে। ফিরে আসতে ইচ্ছে করত না। মানুষের পা পড়েনি যেখানে কোনওদিন। আমরাই কলম্বাস! অথচ ফিরে আসতে হত। সন্ধ্যে হলেই মেঘ ঢুকতে শুরু করত উপত্যকায়। নিচের খাদ থেকে মেঘ পাহাড়ে ধাক্কা খেয়ে উপরে উঠে উপত্যকা ঢেকে দিত ধীরে ধীরে ধীরে। সেই মেঘে পাশের মানুষটাকে আর দেখা যাবে না। দু-একদিন এইরকম সমস্যায় যে পড়িনি, তা নয়! তখন মনের আন্দাজে হাঁটতাম। পৌঁছেও যেতাম বটে! মনের মধ্যে জায়গাটার ম্যাপ যেন প্রথিত হয়ে গিয়েছিল। তবে চেষ্টা করতাম অন্ধকার পুরোপুরি নামার আগেই বড় রাস্তায় ফিরে আসার।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[travel]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog about Meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[shillong]]></category>
            <category><![CDATA[nature]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/19/bbc0a3cf-8cee-471a-8245-ef719c0dc4c9.webp" length="87782" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/19/bbc0a3cf-8cee-471a-8245-ef719c0dc4c9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/19/bbc0a3cf-8cee-471a-8245-ef719c0dc4c9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মেঘের শিলঙে কেরানি জীবন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-three-514113</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-three-514113</guid>
            <pubDate>Fri, 18 Sep 2026 19:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[কতদিন হয়েছে, মাঝরাতে আধেক ঘুমে উঠে একবার ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছি। চরাচর নিস্তব্ধ, সব নিঝুম। বৃষ্টি হয়ে চলেছে নিরন্তর। দূরের পাহাড়ের মাথায় মেঘ জমে রয়েছে। আকাশও ঘন মেঘে ঢাকা।]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>তৃতীয় পর্ব</strong></span><br><span style="color: #ba372a;"><strong>বৃষ্টির ক্যাকোফনি হোয়াইট নয়েজের কাজ করতে থাকে</strong></span></p>&#13;
<p><br><span style="color: #236fa1;"><strong>দেবাংশু রায়চৌধুরী&nbsp;</strong></span></p>&#13;
<p>শিলং-এর বৃষ্টি নিয়ে মহাকাব্য লেখা যায়। ঝুপঝুপ করে নামতে থাকা রাত্রে, হালকা ডিনার করে শুতে যাওয়ার সময় কানের কাছে বৃষ্টির ক্যাকোফনি হোয়াইট নয়েজের কাজ করতে থাকে। কতদিন হয়েছে, মাঝরাতে আধেক ঘুমে উঠে একবার ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছি। চরাচর নিস্তব্ধ, সব নিঝুম। বৃষ্টি হয়ে চলেছে নিরন্তর। দূরের পাহাড়ের মাথায় মেঘ জমে রয়েছে। আকাশও ঘন মেঘে ঢাকা। মেঘে ঢেকে আছে চারিদিক। দূরের বাড়িগুলো দেখা যায় না। নীচে রাস্তায়, ছোট্ট বিড়াল জল বাঁচিয়ে দৌড়ে চলে গেল পাশের বাড়ির বারান্দায়। হাতে জ্বলতে থাকা সিগারেটের ধোঁয়া কখন যে ভাসতে থাকা মেঘের সঙ্গে মিশে প্রাচীন অবয়বের জন্ম দেয় চোখের সামনে তার হুঁশ যদি বা থাকত!</p>&#13;
<p>সকালে ঘুম থেক উঠলাম। ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হচ্ছে। ভোর সাড়ে ৫টায় ওঠার অভ্যেস। অফিস ক্যম্পাসে ইন্ডোর ব্যাডমিন্টন কোর্ট রয়েছে। খেলতে যাব। সকালের গরম কফি হাতে একবার আবার ব্যালকনি রোম্যান্স! মেঘ নীচে নেমে এসেছে। একটু দূরেই রাস্তাটা প্রায় ১০০ ফুট উঠে গেছে। সেখানকার বাড়ির দোতলার ওপরটা আর দেখা যাচ্ছে না। মনে হত যেন, পৃথিবীটা ওইটুকুই। তার ওপর আর কিছু নেই। নীচের খাল দিয়ে খরস্রোতা নদীর বেগে জল বয়ে যাচ্ছে। রেইনকোট পরে বেরলাম বাইক নিয়ে। রাস্তাঘাটে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই গুটিকয়েক লোক রেইনকোট চাপিয়ে মর্নিংওয়াক করছে। আমার অফিসটা দু&rsquo;তিনটে পাহাড় পেরিয়ে অন্য একটা পাহাড়ের মাথায়। সেখানে পৌঁছাতে ঘন মেঘের চাদর পেরিয়ে যেতে হবে। ফগ লাইট জ্বালিয়ে ধীরে ধীরে বাইক নিয়ে পাহাড় চড়তে লাগলাম। হেলমেটের মধ্যে দিয়ে ছিটে-ছিটে জল চোখ-মুখ ভেজাচ্ছে। নরম ঠান্ডা আর ভেজা মন, খারাপ লাগছে না। খেলেধুলে ঘন্টা দেড়েক পর বেরচ্ছি যখন, ম্যাজিক! ঝকঝকে রোদ। আকাশে শরতের মেঘ। কে বলবে আগের রাত থেকে কী জিনিস চলছিল! নতুন মানুষ ভাববে, যাক বাবা! বাঁচা গেল! আজ দিনটা হয়তো ছাতা-বর্ষাতির হাত থেকে মুক্তি।</p>&#13;
<p>উঁহু, সে গুড়ে বালি! ঘণ্টাখানেক পরেই আবার ঝমঝমিয়ে নামলেন তিনি। অফিসের চারপাশে ঘন পাইনের বন। গাছ থেকে টুপটাপ জল পড়ে চলে দিনভর। আর বিকেলে গোটা অফিস মেঘের চাদরে ঢেকে যায়। পাশের লোককে দেখা যায় না। সন্ধ্যে নামলে চারপাশের আলোগুলো বোকেহ হয়ে যায়। স্বপ্ন-স্বপ্ন লাগে। মনে হয় না এ জায়গায় আমি আছি। এখানে আদৌ কেউ থাকে। চারপাশ থেকে ঘিরে ধরা মেঘ মানুষকে কত তাড়াতাড়ি একা করে দিতে পারে তার ধারণা দেওয়া মুশকিল। শব্দ কমে যায়, লোক-চলাচল কমে যায়। সবাই ঘুমিয়ে পড়ছে। শহর নিমজ্জিত মেঘের কম্বলে। অবগুন্ঠন আজ হয়ত আর উঠবে না। দুনিয়া জানতে পারবে না আজ রাতে শিলং কী করছে।</p>&#13;
<p>তবে রোম্যান্টিকতার আড়ালে বড় গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে এই বৃষ্টির। এই বৃষ্টি গিয়ে উমিউ নদীকে করে তোলে ভরভরন্ত। সেই জলে বাঁধ দিয়ে জমানো এবং পরিশুদ্ধ করা হয় মাওফলাঙে Greater Shillong Water Supply Scheme-এ। এই জলই শিলঙের প্রাণ। বৃষ্টির জলে নিচে উমিয়াম লেক ভর্তি হয়, সেই জলকেই পাম্পের সাহায্যে বারবার টারবাইনের মধ্যে ফেলে তৈরি হয় জলবিদ্যুৎ। ওপরে মাওফলাঙে পানীয় ও নিত্যব্যবহার্য জল জমা হয়। প্রকৃতি শিলং-কে আক্ষরিক অর্থেই বাঁচিয়ে রেখেছে। তা শিলংবাসী জানে। তাই বৃষ্টি হলে ওরা মুখ গোমড়া করে ঘুরে বেড়ায় না। বর্ষাতি বা ছাতা নাও, বেরিয়ে পড়ো। নিত্যকার ব্যাপার। আমারও কেমন যেন গা সওয়া হয়ে গিয়েছিল এই বৃষ্টি। ছিপছিপে বৃষ্টি গায়েই মাখতাম না। ঘরের মধ্যের সোঁদা গন্ধটা কখনও স্ত্রী বা বন্ধুরা ঘুরতে এলে টের পেত। বলত আমারও গায়ে সোঁদা গন্ধ হয়ে গিয়েছে।</p>&#13;
<p>কী জানি, হয়তো থাকতে থাকতে &nbsp;মেঘলা প্রকৃতি আমায় আপন করে নিচ্ছিল নিজের মতন করে, ধীরে ধীরে, আড়ালে আবডালে। প্রকৃতিকে খাসিরা বড় ভালবাসে, শ্রদ্ধা করা। তারা তো আসলে ছিল প্রকৃতিরই পূজারী। তার নিদর্শন মেঘালয়ের ১৫০-এর ওপর পবিত্র জঙ্গলে (Sacred Forests) ছড়িয়ে রয়েছে। মাওফলাঙের পবিত্র জঙ্গল এর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত। বনদেবতা রিকব্যু-বাসা-র আশীর্বাদে লিংডোহ গোষ্ঠীর রাণী হলেন Khmah Nongsai (এর সঠিক বাংলা উচ্চারণ লেখা সম্ভব নয়)। তিনি মাওফলাং ওলাইট সোহমায় দুটি করে গাছের চারা রোপণ করেন।একবছর পর মাওফলাঙের &nbsp; চারাগুলি বেঁচে থাকায় তিনি সেখানেই থেকে যান এবং আরও গাছ লাগিয়ে বনটিকে পবিত্র অরণ্যে পরিণত করার নির্দেশ দেন। পরে রিকব্যু-বাসা তাঁর পুত্রকে গোষ্ঠীর রাজা করার নির্দেশ দেন। আজও মাওফলাঙের এই পবিত্র বনে নির্দিষ্ট স্থানে ঐতিহ্যবাহী রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠান হয়। বিশ্বাস করা হয়, রিকব্যু-বাসা সন্তুষ্ট হলে অনুষ্ঠানের দিন প্রকৃতি রৌদ্রোজ্জ্বল থাকে, আর অসন্তুষ্ট হলে প্রবল বৃষ্টি হয়।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=lr6mK7_4DSo</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[travel]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog about Meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[shillong]]></category>
            <category><![CDATA[nature]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/18/f2096bfc-9cc3-4846-adbb-40c649b47f8b.webp" length="64812" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/18/f2096bfc-9cc3-4846-adbb-40c649b47f8b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/18/f2096bfc-9cc3-4846-adbb-40c649b47f8b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মেঘের শিলঙে কেরানি জীবন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-two-513939</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/a-travel-blog-about-meghalaya-part-two-513939</guid>
            <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 15:35:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ রবিবার একটা মাত্র ছুটির দিন, সেইদিন দোকান-পাট বন্ধ থাকলে তো প্রাথমিক ভাবে অসুবিধা বোধ হওয়ারই কথা। পরে অবশ্য সেই মতোই সাপ্তাহিক রুটিন সাজিয়ে নেওয়া হয়। সমাজ এখানে মাতৃতান্ত্রিক। তবে যতটা ম্যাট্রিয়ার্কাল তার চেয়ে বেশি ম্যাট্রিলিনিয়াল। পার্থক্যটা একটু বুঝিয়ে বলার আছে এইখানে। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>(দ্বিতীয় পর্ব)</strong></span></p>&#13;
<p><span style="color: #ba372a;"><strong>এমন যদি হত, আমি পাখির মতো, উড়ে উড়ে&hellip;</strong></span><br><strong><span style="color: #236fa1;">&nbsp;</span></strong><br><strong><span style="color: #236fa1;">দেবাংশু রায়চৌধুরী&nbsp;</span></strong></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">না উড়ে উড়ে তো বেড়ানো যায় না! তবে পাহাড়ে থাকলে একটা মজা হয়। আমার বাড়ি থেকে অনেক দূরের বাড়ি ওই পাহাড়ের মাথায় যেটা আছে, সেটা দেখা যায়। আবার ওই ভ্যালিতে, নীচে, যে লোকটা হেঁটে চলে যাচ্ছে, তাকেও দেখা যায়। সমতলের মতো জানালার পাশে জানালা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে না বাড়িগুলো। ধাপে ধাপে উঠে যাওয়া বাড়ি, পাশ দিয়ে সর্পিল রাস্তা, সারিবদ্ধ ভাবে যাওয়া গাড়ি, কোথাও কোনও লেন-ব্রেকিং নেই, গাড়ির অযথা হর্ন নেই। তাড়াহীন, গোলোযোগহীন, সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা। প্রতি রোববার দোকানপাট, গাড়িঘোড়া বন্ধ; ওইদিন ওঁদের &lsquo;মাস-ডে&rsquo;। সবাই মিলে সেজেগুজে, মহিলারা বিদেশি গাউন আর পেন্সিল হিল, পুরুষেরা কোট-প্যান্ট, কালো বুরুশ করা চকচকে শু পরে চার্চে যাচ্ছেন প্রার্থনা করতে। তারপর সবাই যে যার বাড়িতে, নিজের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো। প্রথম প্রথম খুব অসুবিধা হত, আজব লাগত। রবিবার একটা মাত্র ছুটির দিন, সেইদিন দোকান-পাট বন্ধ থাকলে তো প্রাথমিক ভাবে অসুবিধা বোধ হওয়ারই কথা। পরে অবশ্য সেই মতোই সাপ্তাহিক রুটিন সাজিয়ে নেওয়া হয়।</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">সমাজ এখানে মাতৃতান্ত্রিক। তবে যতটা ম্যাট্রিয়ার্কাল তার চেয়ে বেশি ম্যাট্রিলিনিয়াল। পার্থক্যটা একটু বুঝিয়ে বলার আছে এইখানে। ম্যাট্রিয়ার্কাল বলতে সেই সমাজের সামাজিক এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভার আবশ্যিক ভাবে মায়েদের দ্বারা (বা আরও ভালভাবে বললে মেয়েদের দ্বারা) পরিচালিত হবে। ম্যাট্রিলিনিয়াল অর্থের ব্যপ্তি খানিকটা পারিবারিক গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ। পারিবারিক নাম (অর্থাৎ উপাধি) অথবা পারিবারিক সম্পত্তির হাতবদল প্রজন্মের থেকে প্রজন্মে শুধুমাত্র মেয়েদের মধ্যেই হয়। অর্থাৎ মা-এর নামে বাড়ি-সহ যাবতীয় সম্পত্তির মালিকানা থাকে। মায়ের মৃত্যুর পর সেই মালিকানার হস্তান্তর হয়ে দায়িত্ব বর্তায় মেয়েদের ওপর। ছেলেদের হাতে সেই মালিকানার বিন্দুমাত্র থাকে না। ছেলেদের বিয়ের পর মেয়ের বাপের বাড়িতে স্থায়ীভাবে বাস করতে হয়। এবার যদি দুই বা ততোধিক মেয়ে থাকে সেক্ষেত্রে? সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু জটিল। সর্বকনিষ্ঠা কন্যাকে বলা হয় &lsquo;খাড্ডু&rsquo;। পৈতৃক বাড়ি (এক্ষেত্রে যদিও নামটা মাতৃক বাড়ি হওয়া উচিৎ) এবং পারিবারিক জমিজমার মালকিন হয় ওঠেন তিনি, এবং মা-বাবা-কে বুড়ো বয়সে দেখাশোনার দায়িত্ব বর্তায় তার ওপর। অপর দিকে কনিষ্ঠা কন্যা বাদে বাকি মেয়েদের (যাদেরকে বলা হয় &lsquo;হিন্মেন&rsquo;) জিম্মায় থাকে বাবা-মায়ের নিজের জীবদ্দশায় স্ব-অর্জিত সম্পত্তি যদি কিছু থাকে, না হলে সত্যি বলতে ফক্কা! এই নিয়ম আজকের নয়। এই নিয়ম আদিম। আজও তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই নিয়মের পালন করে চলেছে। তবে সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এই নিয়মের ব্যাত্যয় হয়। আমাদের এখানে যেমন কাউন্সিলর হয়, প্রত্যেক ওয়ার্ডে তেমন ওখানে থাকে &lsquo;দরবার স্নং&rsquo;, যাঁরা স্থানীয় নাগরিক ও সামাজিক সমস্যাগুলি সমাধান করার কাজ করে থাকেন। এই সংস্থার প্রধানকে বলে &lsquo;রাংবাহ স্নং&rsquo;। অনেকগুলো দরবার মিলে তৈরী হয় &lsquo;হিমা&rsquo;, যার প্রধান কে বলে &lsquo;সিয়েম&rsquo;। &lsquo;খাসি হিলস অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল&rsquo; (KHADC) এদের সবার মাথার ওপর থাকে। এই সমস্ত প্রধানরা বাধ্যতামূলক পুরুষ হয় বলেই জানি। এই সব গল্প শুনেছিলাম আমাদের দরবারের (দরবার রিঞ্জাহ, আমার বসতি এলাকা) &lsquo;রাংবাহ স্নং&rsquo;-এর কাছ থেকে। বুড়ো মানুষ। বড় ভাল লোক ছিলেন। গপ্পে লোক ছিলেন। আমার ওঁদের সমাজের প্রতি এই কৌতূহল ও উৎসাহ ওঁকে আনন্দ দিত। এই কাঠামোর সঙ্গে সমান্তরালে শিলং শহরে মিউনিসিপ্যালিটিও আছে বটে, তবে দরবার ও &nbsp;KHADC-এর ব্যপ্তি মেঘালয় জুড়ে। এবং ছোটখাট নিত্যকার সামাজিক কাজ থেকে ছুটকো ঝগড়া বিবাদে মানুষ দরবারেই হত্যে দেয়।<br>পরে বুঝতে পারতাম শিলঙে লোকজন শান্ত কেন। ওয়েদার মশাই, ওয়েদার! &nbsp;এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করে ১৫ থেকে ২৪-এর আশেপাশে। না হয় ঘাম, না লাগে গরম! বৃষ্টি নিত্যকার ব্যাপার, গা সওয়া হয়ে যায়। মাঝে মাঝে টানা ৩ দিন বৃষ্টি হতেও দেখেছি। তবে পাহাড় তো, জল জমে না কোথাও। আর গারো-খাসি-জয়ন্তিয়া পাহাড় আসলে ছোটনাগপুর মালভূমিরই (আরও বিশদে বললে ভারতের উপদ্বীপীয় মালভূমি) অংশ। মাঝে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র এসে বিশাল অঞ্চল জুড়ে পলি জমিয়ে দুই জায়গাকে আলাদা করে দিয়েছে। ফলে প্রাচীন পাথুরে জমি। ধস নামার সম্ভাবনা ভীষণ কম। সেই ভয়ও কম।</span></p>&#13;
<p><span style="color: #000000;">https://www.youtube.com/watch?v=lr6mK7_4DSo</span></p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[travel]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog]]></category>
            <category><![CDATA[Travel Blog about Meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[meghalaya]]></category>
            <category><![CDATA[shillong]]></category>
            <category><![CDATA[nature]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/17/6977c4fc-061f-4af5-8caf-733cb8501737.webp" length="28146" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/17/6977c4fc-061f-4af5-8caf-733cb8501737.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/17/6977c4fc-061f-4af5-8caf-733cb8501737.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[২৫ বছরের প্রশাসন, ৭৬-এ মোদি: সাফল্য, বিতর্ক ও বদলে যাওয়া ভারত]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/post-edit/25-years-in-power-narendra-modi-turns-76-his-success-controversy-and-changed-india-513896</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/post-edit/25-years-in-power-narendra-modi-turns-76-his-success-controversy-and-changed-india-513896</guid>
            <pubDate>Thu, 17 Sep 2026 12:10:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের নাম নয়। গণতন্ত্রে নির্বাচন আসলে মানুষের রায়, রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরীক্ষা এবং সময়ের সঙ্গে একজন নেতার গ্রহণযোগ্যতারও মাপকাঠি।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>দেবজিৎ সরকার, বিজেপি মুখপাত্র</strong></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&ldquo;Politicians look for the next terms, but Modi ji look ahead for the next generations. Modi ji is not an ordinary politician; he is a pioneer.&rdquo;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদলের নাম নয়। গণতন্ত্রে নির্বাচন আসলে মানুষের রায়, রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরীক্ষা এবং সময়ের সঙ্গে একজন নেতার গ্রহণযোগ্যতারও মাপকাঠি। ভারতীয় রাজনীতির দীর্ঘ ইতিহাসে বহু নেতা ক্ষমতায় এসেছেন, আবার ক্ষমতার বাইরে গিয়েছেন। কেউ হারিয়ে গিয়েছেন সময়ের স্রোতে, কেউ আবার ফিরে এসেছেন আরও শক্তিশালী হয়ে। নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক যাত্রা সেই অর্থে ভারতীয় রাজনীতির এক ব্যতিক্রমী অধ্যায়।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৭ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন। ১৯৫০ সালের এই দিনে গুজরাটের মেহসানা জেলার ভদনগরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। স্বাধীনতার পর জন্ম নেওয়া ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তিনি। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে সংগঠক, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরপর তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী&mdash;এই দীর্ঘ পথচলায় মোদির রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে যেমন সাফল্য জড়িয়ে আছে, তেমনই রয়েছে তীব্র বিতর্ক ও রাজনৈতিক সংঘাত।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ভদনগরের ছোট্ট ঘর থেকে দিল্লির ৭, লোক কল্যাণ মার্গ- মোদির জীবনের এই যাত্রা নিছক ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, এটি ভারতীয় রাজনীতির পরিবর্তনেরও একটি ছবি। শৈশবে পরিবারের চায়ের দোকানে সাহায্য করা সেই কিশোর পরবর্তীকালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৭০-এর দশকে প্রচারক হিসেবে কাজ শুরু করেন। জরুরি অবস্থার সময় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনেও তাঁর ভূমিকা ছিল। ১৯৮৭ সালে বিজেপির গুজরাট সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ার পর ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতির সংগঠক হিসেবে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>জরুরি অবস্থার সময় তাঁর রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে ভূমিকা আরও দৃশ্যমান হয়। এরপর বিজেপির সংগঠনে তাঁর উত্থান। ১৯৯০-এর দশকে দলের সাংগঠনিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০১ সালের অক্টোবরে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হন। প্রায় ১৩ বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর ২০১৪ সালে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৯৯৫ সালের গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যের পিছনে মোদির সাংগঠনিক ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীকালে জাতীয় স্তরে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলে ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন তিনি। ২০০১ থেকে ২০১৪&mdash;প্রায় ১৩ বছর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর ২০১৪ সালে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে তাঁর আবির্ভাব।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই পথ অবশ্য বিতর্কহীন ছিল না। ২০০২ সালের গুজরাট দাঙ্গা মোদির রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় বিতর্কগুলির একটি হয়ে রয়েছে। তাঁর সরকারের ভূমিকা নিয়ে দেশ-বিদেশে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মামলা চালানোর মতো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং পরবর্তীকালে তাঁর কাজকে প্রশংসাই করা হয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময় গুজরাটে শিল্প, বিনিয়োগ, পরিকাঠামো ও প্রশাসনিক সংস্কারের উপর জোর দেওয়া হয়েছিল, যা সমর্থকেরা গুজরাট মডেল-এর সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন। ফলে মোদির রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে আলোচনা করতে গেলে এই দুই বিপরীত বয়ান পাশাপাশি রাখা জরুরি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০১৪ সালে বিজেপির নেতৃত্বে কেন্দ্রে সরকার গঠনের পর মোদির রাজনৈতিক পরিসর গুজরাটের সীমানা ছাড়িয়ে সারা দেশে বিস্তৃত হয়। ২৬ মে ২০১৪ রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। ২০২৪ সালে বিজেপি ২৪০টি আসন পেলেও এনডিএ জোটের সমর্থনে ৯ জুন নরেন্দ্র মোদি তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>মোদির প্রধানমন্ত্রীত্বের সময় ভারতের রাজনীতিতে একাধিক বড় পরিবর্তন এসেছে। জনধন যোজনা, স্বচ্ছ ভারত, উজ্জ্বলা, ডিজিটাল পেমেন্ট ও ইউপিআই-এর বিস্তার, জিএসটি, আয়ুষ্মান ভারত, মেক ইন ইন্ডিয়া, আত্মনির্ভর ভারত&mdash;একাধিক কর্মসূচি তাঁর সরকারের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে। একই সময়ে নোটবন্দি, কৃষক আন্দোলন, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়েও তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক হয়েছে। অর্থাৎ মোদির যুগকে শুধু সাফল্যের তালিকা কিংবা শুধু সমালোচনার তালিকা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০২৪-এর রায়ও সেই জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতাকেই সামনে এনেছে। বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালেও এনডিএ-র নেতৃত্বে সরকার গঠন করে মোদি তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হন। অর্থাৎ তাঁর নেতৃত্বে বিজেপির রাজনৈতিক প্রভাব বজায় থাকলেও সংসদীয় সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এর মধ্যেই ২০২৬ সালে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে আরও একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক যুক্ত হয়েছে। ১০ জুন ২০২৬-এ তিনি টানা নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ৪,৩৯৯ দিন পূর্ণ করেন, জওহরলাল নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ড অতিক্রম করেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আর একটি বিষয় বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৫ সালে সরকারপ্রধান হিসেবে ২৫তম বছরে প্রবেশ করেছিলেন মোদি। ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া থেকে শুরু করে এই দীর্ঘ সময় তিনি একটানা কোনও না কোনও নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই ২৫ বছরের পথচলায় মোদির রাজনৈতিক দর্শনের একটি মূল কথা বারবার সামনে এসেছে 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ'। তাঁর সরকারের দাবি, দরিদ্র মানুষের জন্য সরাসরি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া, পরিকাঠামো নির্মাণ, ডিজিটাল পরিষেবা এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পের বিস্তার এই সময়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সৌরশক্তির প্রসারে তাঁর উদ্যোগ দেশের শক্তি ব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তনের পথ খুলে দিয়েছে। &lsquo;প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর&rsquo; প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ির ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়েছে, ফলে বিদ্যুতের খরচ কমানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বনির্ভর করারও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। কৃষিক্ষেত্রেও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। আত্মনির্ভর ভারত গড়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আবার বিরোধীদের প্রশ্নও কম নয়। অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, কৃষি, সামাজিক মেরুকরণ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে তাঁদের একাধিক আপত্তি রয়েছে।</p>&#13;
<p>তবু একটি সত্য অস্বীকার করার উপায় নেই, নরেন্দ্র মোদি ভারতীয় রাজনীতির গতিপথ বদলে দেওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক চরিত্র। তাঁর রাজনীতি নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে, তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক উপস্থিতি ও প্রভাব নিয়ে কোনও সংশয় নেই।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>একটি ছোট শহরের সাধারণ পরিবারের সন্তান থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারপর টানা তিনটি মেয়াদ এবং নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘতম ধারাবাহিকতার রেকর্ড এই মুহূর্তে এই গ্রহের জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ভারতের যশোশ্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক জীবন তাই আজ শুধু ব্যক্তির গল্প নয়, সমকালীন ভারতীয় রাজনীতিরও এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[PM Narendra Modi Success]]></category>
            <category><![CDATA[Narendra Modi Birthday]]></category>
            <category><![CDATA[Narendra Modi Birthday Celebration]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/17/9a4bd90c-34c0-4a2a-81ed-846ac45d15b1.webp" length="38264" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/17/9a4bd90c-34c0-4a2a-81ed-846ac45d15b1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/17/9a4bd90c-34c0-4a2a-81ed-846ac45d15b1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[‘ওদের হারানোর কিছু ছিল না, পাওয়ার ছিল সবকিছু’, আকাশদের লড়াইয়ে মুগ্ধ ইস্টবেঙ্গল কোচ অর্চিষ্মান ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/special-news/they-had-nothing-to-lose-but-everything-to-gain-says-east-bengal-coach-archishman-biswas-512593</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/special-news/they-had-nothing-to-lose-but-everything-to-gain-says-east-bengal-coach-archishman-biswas-512593</guid>
            <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 21:12:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ডার্বি জেতা হয়নি। ম্যাচ শেষ হয়েছে ড্রয়ে। কিন্তু মোহনবাগানের একাধিক সিনিয়র ও আইএসএল-অভিজ্ঞ ফুটবলারের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের তরুণ দল যে লড়াই দেখিয়েছে, তাতেই গর্বিত লাল-হলুদ  কোচ অচির্ষ্মান বিশ্বাস। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ডার্বি জেতা হয়নি। ম্যাচ শেষ হয়েছে ড্রয়ে। কিন্তু মোহনবাগানের একাধিক সিনিয়র ও আইএসএল-অভিজ্ঞ ফুটবলারের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের তরুণ দল যে লড়াই দেখিয়েছে, তাতেই গর্বিত লাল-হলুদ &nbsp;কোচ অচির্ষ্মান বিশ্বাস। তাঁর চোখে, এই ম্যাচে ফলের থেকেও বড় হয়ে উঠেছে তরুণ ফুটবলারদের মানসিকতা, সাহস এবং নিজেদের প্রমাণ করার তাগিদ।</p>&#13;
<p>ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লাল-হলুদ কোচের প্রথম কথাতেই ফুটে উঠল সেই গর্ব। তিনি বললেন, &ldquo;যত ড্র-ই হোক, ছেলেরা যেভাবে ফাইট করেছে, এক কথায় অসাধারণ। ওদের স্ট্রেংথ, ওদের এবিলিটি অনুযায়ী আমাদের ছেলেরা যা ফাইট করেছে, হ্যাটস অফ টু দেম।&rdquo;</p>&#13;
<p>মোহনবাগান যেখানে বেশ কয়েকজন প্রথম দলের ফুটবলারকে খেলিয়েছিল, সেখানে ইস্টবেঙ্গলের তরুণদের নিয়েই দল গড়েছিলেন তিনি। কঠিন ম্যাচের আগে ফুটবলারদের মোটিভেট করা তাই তাঁর কাছে মোটেই কঠিন ছিল না। বরং এই ম্যাচটাকেই তিনি দেখেছিলেন তরুণদের নিজেদের প্রমাণ করার সবচেয়ে বড় মঞ্চ হিসেবে।</p>&#13;
<p>কোচের কথায়, &ldquo;সবাই ফুটবল এখন খেলছে কীসের জন্য? আইএসএলে যাওয়ার জন্য। আর এটাই প্রমাণ করার জায়গা যে আমিও আইএসএল খেলতে পারি। আমি ওদের বারবার বলেছি, তোরা এই দিন আর পাবি না। নাথিং টু লুজ, এভরিথিং টু গেইন।&rdquo;</p>&#13;
<p>শুধু তাই নয়, এই ডার্বিতে সিনিয়র দল থেকে ফুটবলার এনে তরুণদের জায়গা কেড়ে নেওয়ার পক্ষেও ছিলেন না তিনি। তাঁর মতে, পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে লড়াই করে সুপার সিক্সে পৌঁছনো এই ফুটবলারদেরই এমন ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল।</p>&#13;
<p>&ldquo;আমি সবসময় চাইছিলাম এরাই খেলুক। ওপর থেকে কেউ আসুক, সেটা চাইনি। এরা যেভাবে ফাইট করে সুপার সিক্সে এসেছে, যেভাবে পুরো টুর্নামেন্ট খেলেছে, তাদের যদি এই ডার্বিটা খেলতে না হতো, সেটা ফুটবলের পক্ষেও খারাপ হতো, ওদের পক্ষেও অন্যায় হতো,&rdquo; বলেন কোচ। ক্লাব ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তকেও তাই তিনি প্রশংসা করেছেন।</p>&#13;
<p>ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণে মনোতোষ চাকলাদার ও অঙ্কনের জুটি এবং চাকুর মিডফিল্ডে ভূমিকা নিয়েও সন্তুষ্ট কোচ। তাঁর মতে, এই তিন ফুটবলারের যে কোনও দু&rsquo;জনকে নিয়েই দল তৈরি করা যায়।</p>&#13;
<p>চাকুর ক্ষেত্রে নতুন একটি বিকল্পও খুঁজে পেয়েছেন তিনি। কোচের মতে, সিডিএম হিসেবে চাকুর খেলার ক্ষমতা দলকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছে। বিশেষ করে প্রতিপক্ষের লং বল আটকানোর ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এতে অঙ্কন ও মনোতোষের ওপর থেকেও চাপ কমেছে।</p>&#13;
<p>প্রথমার্ধে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের খেলার ধরন বদলে যায়। ড্রেসিংরুমে দীর্ঘ কোনও বক্তৃতা নয়, মাত্র কয়েক মিনিটের কৌশলগত আলোচনা থেকেই বদল আসে বলে জানিয়েছেন কোচ।</p>&#13;
<p>&ldquo;কোনও মন্ত্র ছিল না। প্রথমার্ধে কয়েকটা জায়গায় আমরা ভুল করছিলাম। হাফটাইমে তিন-চার মিনিট কথা বলে সেই ভুলগুলো রেকটিফাই করেছি। দ্বিতীয়ার্ধে ওরা সেটা খুব ভালোভাবে ইমপ্লিমেন্ট করেছে। সত্যিই ব্রিলিয়ান্ট খেলেছে,&rdquo; বলেন অর্চিষ্মান।&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রথমার্ধে মূল সমস্যা ছিল স্পেস ও চ্যানেল বন্ধ করতে না পারা। দ্বিতীয়ার্ধে সেই জায়গাতেই জোর দেন তিনি। কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলারকে ম্যান-মার্কিং করানোর বদলে জায়গা বন্ধ করে প্রতিপক্ষকে আটকানোর পরিকল্পনাই কাজে দিয়েছে।</p>&#13;
<p>ড্রয়ে সন্তুষ্ট হলেও জয়ের সুযোগ যে ছিল, তা স্বীকার করেছেন কোচ। একটি হেড বারে লেগেছিল, আর বিজয়ের সামনে এসেছিল ওপেন-নেটের সুযোগ। তাই ম্যাচটি ইস্টবেঙ্গল জিততেই পারত বলে মনে করেন তিনি।</p>&#13;
<p>তবে &lsquo;নৈতিক জয়&rsquo; কথাটিকে গ্রহণ করতে রাজি নন কোচ। তাঁর সোজাসাপ্টা বক্তব্য, &ldquo;জয় হলে ভালো হতো, হয়নি।&rdquo;</p>&#13;
<p>তবে ম্যাচের আনন্দের মধ্যেও বড় দুশ্চিন্তা মনোতোষ মাঝির চোট। কোচ জানিয়েছেন, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে এবং চোটটি গুরুতর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি হাড়ে চোটের সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছে, যদিও ম্যাচের পরপরই সম্পূর্ণ রিপোর্ট তাঁর হাতে আসেনি।</p>&#13;
<p>কোচের কথায় সবচেয়ে বেশি জায়গা পেলেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরাই। তরুণ দলকে নিয়ে ডার্বিতে নামার আগে সমর্থকদের কাছ থেকে যে অসংখ্য উৎসাহের বার্তা পেয়েছেন, তা তাঁকে স্পর্শ করেছে।</p>&#13;
<p>&ldquo;সাপোর্টারদের প্রণাম। এত মেসেজ এসেছে&mdash;&lsquo;দাদা, তুমি এগিয়ে যাও, বাচ্চাদের নিয়ে এগিয়ে যাও, আমরা সবাই তোমার পিছনে আছি।&rsquo; এত মেসেজ এসেছে। সত্যি ওনাদের প্রণাম। হ্যাটস অফ টু দেম!&rdquo;</p>&#13;
<p>ডার্বি জেতা হয়নি ঠিকই। কিন্তু একঝাঁক তরুণ ফুটবলার যে নিজেদের প্রমাণ করার মঞ্চে ভয় না পেয়ে লড়াই করতে পারে, সেই বিশ্বাসটা আরও শক্ত হয়েছে। কোচের কাছে হয়তো সেটাই এই ডার্বির সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[east bengal coach]]></category>
            <category><![CDATA[Archishman Biswas]]></category>
            <category><![CDATA[east bengal vs mohun bagan]]></category>
            <category><![CDATA[cfl]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/07/43b75b94-92c1-4d36-a0b8-8d75840cedc3.webp" length="34204" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/07/43b75b94-92c1-4d36-a0b8-8d75840cedc3.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/07/43b75b94-92c1-4d36-a0b8-8d75840cedc3.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অভাবের সংসার, কোচিংয়ের সামর্থ্যও নেই! পাহাড়ের চূড়ায় উঠে পড়াশোনা, প্রতিকূলতাকে জয় করে নিট-এ সফল দুই বোন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/odisha-sisters-climbed-hilltops-to-study-succeed-neet-2026-together-without-coaching-512519</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/odisha-sisters-climbed-hilltops-to-study-succeed-neet-2026-together-without-coaching-512519</guid>
            <pubDate>Mon, 07 Sep 2026 15:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>স্বপ্ন ছিল ডাক্তার হওয়ার। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণের পথে ছিল একের পর এক বাধা। বাড়িতে ঠিকমতো মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই, ইন্টারনেট পরিষেবা দুর্বল, নেই নামী কোচিং সেন্টারে পড়ার সামর্থ্যও। কিন্তু কোনও বাধাই হার মানাতে পারেনি ওড়িশার প্রত্যন্ত গ্রামের দুই বোনকে। পাহাড়ের চূড়ায় উঠে অনলাইন পড়াশোনা করে শেষ পর্যন্ত NEET 2026-এ সফল হয়েছেন তাঁরা।<br>ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের এই দুই বোনের নাম যজ্ঞসেনী এবং দিব্যসেনী খাতুয়া। চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন দু&rsquo;জনেই। কিন্তু তাঁদের বাড়ির আশপাশে মোবাইল নেটওয়ার্ক ঠিকমতো পাওয়া যেত না। বাবা চাষী, মা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী৷ &nbsp;ফলে অনলাইন ক্লাস করা বা পড়াশোনার প্রয়োজনীয় শিক্ষামূলক সামগ্রী ডাউনলোড করা ছিল রীতিমতো কঠিন। তখনই সমস্যার সমাধান খুঁজে নেন দুই বোন।<br>বাড়িতে বসে নেটওয়ার্কের জন্য অপেক্ষা না করে তাঁরা উঠে যেতেন কাছের পাহাড়ের চূড়ায়। সেখানেই তুলনামূলক ভালো মোবাইল সিগন্যাল পাওয়া যেত। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনলাইন ক্লাস করতেন, পড়াশোনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতেন এবং নিজেদের প্রস্তুতি চালিয়ে যেতেন। পাহাড়ের চূড়াই হয়ে উঠত তাঁদের &lsquo;ক্লাসরুম&rsquo;।</p>&#13;
<p>অর্থনৈতিক সমস্যাও ছিল তাঁদের পথের বড় বাধা। পরিবারের পক্ষে দামি কোচিংয়ের খরচ বহন করা সম্ভব ছিল না। ফলে নিজেদের পড়াশোনার উপরই ভরসা রাখতে হয় দুই বোনকে। অনলাইন রিসোর্স, নিজেদের পরিশ্রম এবং একে অপরকে সাহায্য করেই তৈরি করেছেন NEET-এর প্রস্তুতি। বাবা-মাও সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেই তাঁদের পাশে থেকেছেন এবং মেয়েদের স্বপ্নপূরণের জন্য উৎসাহ জুগিয়েছেন।<br>ফলও এসেছে সেই কঠোর পরিশ্রমের। দুই বোনই NEET 2026 পরীক্ষায় সফল হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন তৃতীয়বারের চেষ্টায় সাফল্য পেয়েছেন, অন্যজন প্রথমবারেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। ফলে একই পরিবারের দুই মেয়ের একসঙ্গে এই সাফল্য নিঃসন্দেহে তাঁদের পরিবারের জন্য বিশেষ গর্বের মুহূর্ত।<br>এই গল্প শুধু একটি পরীক্ষায় পাশ করার গল্প নয়। এটি প্রমাণ করে, সাফল্যের জন্য সবসময় বড় শহরের নামী প্রতিষ্ঠান, দামি কোচিং বা আধুনিক সুযোগ-সুবিধাই শেষ কথা নয়। ইচ্ছাশক্তি, অধ্যবসায় এবং লক্ষ্য স্থির রাখার ক্ষমতাও মানুষকে অনেক দূর এগিয়ে দিতে পারে।<br>যেখানে অনেক পড়ুয়া পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপের কাছে হাল ছেড়ে দেন, সেখানে এই দুই বোন নেটওয়ার্ক পাওয়ার জন্য পাহাড়ে উঠেও পড়াশোনা থামাননি। তাঁদের এই লড়াই তাই NEET-এর ফলাফলের গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও বড় এক বার্তা দেয়&mdash;সুযোগ কম হতে পারে, কিন্তু স্বপ্ন দেখার অধিকার সবারই আছে। আর সেই স্বপ্নের জন্য লড়াই করার ইচ্ছেটাই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথ তৈরি করে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[viral]]></category>
            <category><![CDATA[success]]></category>
            <category><![CDATA[neet]]></category>
            <category><![CDATA[trending now]]></category>
            <category><![CDATA[education]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/07/c8ef9962-52b1-4754-9892-0c8b63fbd9d3.webp" length="91520" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/07/c8ef9962-52b1-4754-9892-0c8b63fbd9d3.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/07/c8ef9962-52b1-4754-9892-0c8b63fbd9d3.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['প্রতিভা আছে, কিন্তু সুযোগের অভাব', তরুণ প্রজন্মকে সুযোগ দিতে অভিনব উদ্যোগ শচীনের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/sachin-tendulkar-honours-his-first-teacher-father-ramesh-tendulkar-with-special-initiative-for-young-doctors-512416</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/sachin-tendulkar-honours-his-first-teacher-father-ramesh-tendulkar-with-special-initiative-for-young-doctors-512416</guid>
            <pubDate>Sun, 06 Sep 2026 16:50:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[শচীন জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের পথচলা কোনও ক্রিকেট মাঠ বা কোচকে দিয়ে শুরু হয়নি, শুরু হয়েছিল বাড়ি থেকে। ছোটবেলায় ক্রিকেটের প্রতি তাঁর ভালবাসা সবার আগে বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর বাবা।]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>ক্রিকেট মাঠে তাঁর অসামান্য সাফল্যের নেপথ্যে ছিলেন একাধিক কোচ ও মেন্টর। কিন্তু শচীন তেন্ডুলকরের কাছে প্রথম শিক্ষক ছিলেন তাঁর বাবা রমেশ তেন্ডুলকর। শিক্ষক দিবসে প্রয়াত বাবাকে স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিলেন ক্রিকেট কিংবদন্তি। একই সঙ্গে বাবার নামে তরুণ চিকিৎসকদের জন্য বিশেষ ফেলোশিপের ঘোষণাও করলেন তিনি।</p>&#13;
<p>শচীন জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের পথচলা কোনও ক্রিকেট মাঠ বা কোচকে দিয়ে শুরু হয়নি, শুরু হয়েছিল বাড়ি থেকে। ছোটবেলায় ক্রিকেটের প্রতি তাঁর ভালবাসা সবার আগে বুঝতে পেরেছিলেন তাঁর বাবা। ভবিষ্যতে শচীন কী করবেন, তা কখনও ছেলের উপর চাপিয়ে দেননি রমেশ তেন্ডুলকর। বরং নিজের পছন্দের পথে এগিয়ে যাওয়ার স্বাধীনতা ও আত্মবিশ্বাস দিয়েছিলেন ছেলেকে।<br>রমেশ তেন্ডুলকর ছিলেন লেখক, কবি এবং অধ্যাপক। তবে শচীনের কাছে তিনি শুধু বাবা ছিলেন না, ছিলেন তাঁর মেন্টর ও পথপ্রদর্শকও। ছোটবেলায় বাবার দেওয়া একটি শিক্ষা এখনও তাঁর জীবনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে, ব্যর্থ হওয়া মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু অসততা নয়; সাফল্যের জন্য কখনও শর্টকাট নেওয়া উচিত নয়।</p>&#13;
<p>শচীনের কথায়, একজন প্রকৃত শিক্ষক বা মেন্টরের অন্যতম বড় গুণ, যে সম্ভাবনা একজন মানুষ নিজে এখনও দেখতে পাচ্ছেন না, সেটি আগেই তাকে চিনিয়ে দেওয়া৷ তাঁর বাবা ঠিক সেটাই করেছিলেন। ক্রিকেটের প্রতি ছেলের ভালবাসার মধ্যে তিনি ভবিষ্যতের সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিলেন এবং সেই সম্ভাবনাকে নিজের মতো করে বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন।</p>&#13;
<p>তাই শিক্ষক দিবসেই রমেশ তেন্ডুলকরের স্মৃতিতে প্রফেসর রমেশ তেন্ডুলকর মেমোরিয়াল ফেলোশিপ চালু করার কথা ঘোষণা করেছেন শচীন। তাঁর ফাউন্ডেশন এবং দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যসেবা সহযোগী Inga Health Foundation-এর যৌথ উদ্যোগে এই ফেলোশিপ দেওয়া হবে।<br>প্রতি বছর একজন এমডি চিকিৎসককে এক বছরের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। এই প্রশিক্ষণ হবে শ্রীনগরে। ফেলোশিপের আওতায় আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পাশাপাশি কোর্স শেষ করার পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে শচীন তেন্ডুলকর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শংসাপত্রও দেওয়া হবে।<br>শচীনের মতে, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র একটি ফেলোশিপ নয়। এর মাধ্যমে তিনি তাঁর বাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বাসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান&mdash;শিক্ষা সুযোগ তৈরি করে, আর সেই সুযোগ তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা অন্যের সেবায় কাজে লাগে।</p>&#13;
<p>শচীন আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য প্রতিভাবান শিশু ও তরুণ রয়েছে। কিন্তু প্রতিভা থাকলেই সাফল্য নিশ্চিত হয় না। প্রয়োজন সঠিক মেন্টর, প্রশিক্ষণ, শিক্ষার পরিবেশ এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ। তাঁর ও স্ত্রী অঞ্জলির উদ্যোগে গড়ে ওঠা ফাউন্ডেশনের লক্ষ্যও সেই সুযোগ আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া&mdash;খেলাধুলা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে।<br>বাবার কাছ থেকে পাওয়া শিক্ষা ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পথ তৈরি করলেন ক্রিকেটতারকা৷ একজন শিক্ষকের প্রভাব একজন ছাত্রকে দিয়ে শুরু হলেও তা যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ছড়িয়ে যেতে পারে, রমেশ তেন্ডুলকরের স্মৃতিতে সচিনের এই উদ্যোগ যেন তারই উদাহরণ।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[teachers day]]></category>
            <category><![CDATA[Fellowship]]></category>
            <category><![CDATA[sachin tendulkar]]></category>
            <category><![CDATA[doctor]]></category>
            <category><![CDATA[Ramesh Tendulkar]]></category>
            <category><![CDATA[Sachin Tendulkar Fellowship]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/06/18b61c35-4595-4e1f-a77b-cd0c9cd64c58.webp" length="19688" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/06/18b61c35-4595-4e1f-a77b-cd0c9cd64c58.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/06/18b61c35-4595-4e1f-a77b-cd0c9cd64c58.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[চাকরির বড় সুযোগ! ১০০ টি নতুন শাখায় ২,৫০০ কর্মী নিয়োগ করবে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক, যোগ্য কারা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/indian-bank-expansion-100-new-branches-2500-jobs-and-1-5-lakh-crore-gold-loan-target-511791</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/indian-bank-expansion-100-new-branches-2500-jobs-and-1-5-lakh-crore-gold-loan-target-511791</guid>
            <pubDate>Tue, 01 Sep 2026 16:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দেশজুড়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> দেশজুড়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক। চলতি অর্থবর্ষে আরও ১০০টি নতুন শাখা খোলার পাশাপাশি ২,৫০০ কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে ব্যাঙ্কটি। বিশেষ করে দেশের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যাঙ্কের সিইও বিনোদ কুমার।</p>&#13;
<p><br>একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, গত বছরও ব্যাঙ্কটি ১০০টি নতুন শাখা খুলেছিল। চলতি বছরও একই সংখ্যক শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। গত ১৫ আগস্ট ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একসঙ্গে ১৫টি নতুন শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।</p>&#13;
<p><br>২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে মোট ৬,০০৩টি শাখা রয়েছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর, কলম্বো এবং জাফনায়ও শাখা রয়েছে। ২০২০ সালে পুরনো এলাহাবাদ ব্যাঙ্কের সঙ্গে সংযুক্তির পর ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের ব্যবসার পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে পূর্ব ভারত এবং উত্তরপ্রদেশে ব্যাঙ্কটির উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হয়েছে। এবার লক্ষ্য দেশের মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চলে শাখা নেটওয়ার্ক বাড়ানো।</p>&#13;
<p><br><strong>২,৫০০ নতুন কর্মী নিয়োগ</strong><br>ব্যবসার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মী সংখ্যাও বাড়াতে চাইছে ব্যাঙ্কটি। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের মোট ৪১,৮৭৫ জন কর্মী ছিলেন। চলতি অর্থবর্ষে আরও ২,৫০০ জনকে নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে স্পেশালিস্ট অফিসার-সহ বিভিন্ন পদে নিয়োগ হবে। একইসঙ্গে অবসর নেওয়া কর্মীদের জায়গাও পূরণ করা হবে।</p>&#13;
<p><br><strong>গোল্ড লোনে বড় টার্গেট</strong><br>এদিকে গোল্ড লোন ব্যবসা নিয়েও আশাবাদী ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক। চলতি অর্থবর্ষে ব্যাঙ্কটির গোল্ড লোন বুক ১.৫ লক্ষ কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন সিইও। তাঁর মতে, গোল্ড লোন ব্যাঙ্কের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ ঋণ এবং এর একটি বড় অংশ আয় তৈরি বা ছোট ব্যবসার বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়। গত বছর সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে এই ব্যবসায় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল। তবে চলতি বছরে সেই বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করছে ব্যাঙ্ক।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=OjGRPmICNOE</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Indian Bank Recruitment]]></category>
            <category><![CDATA[Indian Bank News]]></category>
            <category><![CDATA[Banking Jobs]]></category>
            <category><![CDATA[Bank Jobs 2026]]></category>
            <category><![CDATA[indian bank]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/01/e8852c18-4e4d-47be-86af-30087fdc8b2c.webp" length="36346" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/01/e8852c18-4e4d-47be-86af-30087fdc8b2c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/09/01/e8852c18-4e4d-47be-86af-30087fdc8b2c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[প্রশ্নের প্যাঁচে বুদ্ধির লড়াই, এসআইটিতে ‘নলেজ নকআউট’-এর মঞ্চে চ্যাম্পিয়ন কোচবিহারের দেবাদিত্য ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/more-than-four-thousands-students-participated-in-knowledge-knockout-season-three-organize-by-siliguri-institute-of-technology-511478</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/more-than-four-thousands-students-participated-in-knowledge-knockout-season-three-organize-by-siliguri-institute-of-technology-511478</guid>
            <pubDate>Sat, 29 Aug 2026 22:07:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[কঠিন প্রশ্ন, দ্রুত উত্তর দেওয়ার চাপ আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>ভাস্কর চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি</strong>: কঠিন প্রশ্ন, দ্রুত উত্তর দেওয়ার চাপ আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কে এগিয়ে থাকবে, তা নিয়ে টানটান উত্তেজনা। এমনই আবহে শনিবার শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এসআইটি)-তে অনুষ্ঠিত হল &lsquo;নলেজ নকআউট সিজন ৩ - মেগা ইন্টারস্কুল কুইজ কম্পিটিশন&rsquo;-এর গ্র্যান্ড ফিনালে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>শেষ হাসি হাসল কোচবিহারের বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ। চ্যাম্পিয়ন হলেন ওই স্কুলের পড়ুয়া দেবাদিত্য সরকার। বলাবাহুল্য, এই অনুষ্ঠানের আয়োজক এসআইটি। পাওয়ার্ড বাই হিসেবে ছিল মুখার্জি হসপিটাল, শিলিগুড়ি এবং ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক, শিলিগুড়ি শাখা। হেলথকেয়ার পার্টনার ছিল হিমালয়ান নার্সিং কলেজ অ্যান্ড স্কুল, শিলিগুড়ি এবং টেকনিক্যাল পার্টনার এমটিআরটি গ্রুপ, ডালখোলা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, পশ্চিমবঙ্গের (ম্যাকাউট) পরীক্ষা নিয়ামক ড. শুভাশিস দত্ত। প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার্স-আপ হয়েছেন সোনারপুর বি কে হাই স্কুলের হর্ষিত রায়। দ্বিতীয় রানার্স-আপের স্থান দখল করেছেন জলপাইগুড়ির জার্মেলস অ্যাকাডেমির রুদ্র ভাওয়াল। বিজয়ীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ট্রফি, শংসাপত্র এবং যথাক্রমে ৪০ হাজার, ৩০ হাজার ও ২০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অনুষ্ঠানের যুগ্ম আহ্বায়ক পারমিতা চৌধুরী ও রত্নাঙ্কুর মজুমদার জানান, এ বার &lsquo;নলেজ নকআউট&rsquo;-এর তৃতীয় পর্ব। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি কিশানগঞ্জ-সহ সংলগ্ন এলাকার পড়ুয়াদের নিয়ে এই কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের দাবি, গোটা প্রতিযোগিতায় ২৫টিরও বেশি শহরের ৬০টির বেশি স্কুল থেকে ৪ হাজারের বেশি পড়ুয়া অংশ নেয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিযোগিতার পর এ দিন চূড়ান্ত পর্বে মুখোমুখি হয় সেরা প্রতিযোগীরা।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ফাইনাল পর্ব পরিচালনা করেন তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের পরিচিত কুইজমাস্টার এবং &lsquo;কুইজ ক্যাটালিস্ট&rsquo;-এর প্রতিষ্ঠাতা সূর্য নারায়ণন। তাঁর প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় প্রশ্নোত্তরের পাশাপাশি হাসি-মজাও চলেছে সমান তালে। কঠিন প্রশ্নের সামনে প্রতিযোগীদের দ্রুত চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৃশ্যও নজর কেড়েছে। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল &lsquo;অডিয়েন্স রাউন্ড&rsquo;। প্রতিযোগীদের পাশাপাশি দর্শকদেরও প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। সঠিক উত্তরদাতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় আকর্ষণীয় পুরস্কার। ফলে ফাইনালের উত্তেজনায় দর্শকরাও সরাসরি সামিল হওয়ার সুযোগ পান।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আয়োজকদের মতে, শুধুমাত্র প্রতিযোগিতা নয়, পড়ুয়াদের মধ্যে সাধারণ জ্ঞান, কৌতূহল, যুক্তিবোধ এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া পড়ুয়া, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের কাছ থেকেও ভাল সাড়া মিলেছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ভাস্কর রায়, এসআইটির ভাইস প্রিন্সিপাল ড. অরুন্ধতী চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের স্কুল পড়ুয়াদের এক মঞ্চে এনে এই ধরনের প্রতিযোগিতা আগামী দিনেও চালিয়ে যাওয়ার বার্তাই উঠে এসেছে অনুষ্ঠানে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ভাস্কর রায় জানিয়েছেন, "নলেজ নকআউট গত তিন বছর ধরে আমরা আয়োজন করছি। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের পড়ুয়াদের নিয়েই এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। মূলত কুইজের পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনাই ছিল লক্ষ্য।"&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এসআইটির ভাইস প্রিন্সিপাল ড. অরুন্ধতী চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "প্রথম যখন শুরু করেছিলাম এই প্রতিযোগিতা, তখন ৫০০ পড়ুয়া অংশগ্রহণ করেছিল। এবার চার হাজারের বেশি পড়ুয়া অংশগ্রহণ করছে। উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও পড়ুয়ারা এসেছে এবার।"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এসআইটির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর রত্নাঙ্কুর মজুমদার ও পারমিতা চৌধুরী জানিয়েছেন, "৫০টির বেশি স্কুল থেকে পড়ুয়ারা অংশগ্রহণ করেছে এই প্রতিযোগিতায়। শুধুমাত্র শিলিগুড়ি নয়, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার থেকেও পড়ুয়ারা এসেছে। বহু ছাত্রীও অংশগ্রহণ করেছে। এবছর থেকে শিলিগুড়ির বাইরে থেকে যারা অংশগ্রহণ করেছে, তাদের যাতায়াতের খরচ হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।"&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Knowledge Knockout Season Three]]></category>
            <category><![CDATA[techno india group]]></category>
            <category><![CDATA[siliguri institute of technology]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/29/9bfcdba9-7328-4921-9908-196a763d96e1.webp" length="97786" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/29/9bfcdba9-7328-4921-9908-196a763d96e1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/29/9bfcdba9-7328-4921-9908-196a763d96e1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আমেরিকার মোটা মাইনের চাকরিতে রিজাইন, দেশে ফিরে এক বুদ্ধিতেই বাজিমাত! এমন কাজ শুরু করলেন শশী, বছরে কামাচ্ছেন ৬০০ কোটি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/inspirational-news-resigning-from-a-high-paying-job-in-the-us-and-returning-home-shashi-hit-the-jackpot-with-a-single-brilliant-idea-now-earning-rs-600-crore-annually-511238</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/inspirational-news-resigning-from-a-high-paying-job-in-the-us-and-returning-home-shashi-hit-the-jackpot-with-a-single-brilliant-idea-now-earning-rs-600-crore-annually-511238</guid>
            <pubDate>Thu, 27 Aug 2026 17:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[প্রথমে এই কাজে চরম ব্যর্থ হন শশী কুমার। প্রায় ১০বার দেউলিয়া অবস্থা হয় তাঁর। কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি তিনি। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>সাহস, উদ্যম ও দূরদৃষ্টি থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছন সম্ভব। এই সত্য ফের প্রমাণিত। সম্প্রতি বিকাশ নামে এক ইঞ্জিনিয়ার শশী কুমার নামের এক উদ্যোক্তার গল্প শেয়ার করেছেন। শশী আমেরিকায় উইপ্রো-তে কর্মরত ছিলেন। মোটা বেতনের চাকরি করতেন। কিন্তু আচমকা ওই চাকরি ছেড়ে দেন তিনি, ফিরে আসেন দেশে। মনোনিবেশ করেন কৃষিকাজে। প্রথমে এই কাজে চরম ব্যর্থ হন শশী কুমার। প্রায় ১০বার দেউলিয়া অবস্থা হয় তাঁর। কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি শশী। শেষমেষ কঠোর পরিশ্রমে মেলে সাফল্য। বর্তমানে শসী তাঁর কৃষি-উদ্যোগকে ৬০০ কোটি টাকার এক সমৃদ্ধ ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।</p>&#13;
<p>শুধু পেশাগত জীন নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও শশীকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। বিকাশ জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাকরি ছেড়ে আসার পর শশীর বাবা প্রায় আট বছর তাঁর সঙ্গে কথা বলেননি। কারণ তিনি চাননি যে শশীও তাঁর মতোই কৃষিকাজ করুক।</p>&#13;
<p>শশী কুমারের সাফল্যের গল্প সেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিকাশ লেখেন, "পরিচিত হোন শশী কুমারের সঙ্গে, যিনি ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.টেক পাশ করেছেন। স্নাতক হওয়ার পর তিনি ১২ বছর উইপ্রোতে কাজ করেন। এরপর 'অক্ষয়কল্প' সংস্তা তৈরি করেন। এর মাধ্যমেই কৃষকদের সহায়তা করার লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাকরি ছেড়ে দেন। যা আজ বছরে ৬০০ কোটি টাকার ব্যবসা করছে।"&nbsp;</p>&#13;
<p>বিকাশের দাবি, "প্রথম ৯ বছরে তাঁরা ৬ বার দেউলিয়া হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন শশী। তবে, তাঁর স্ত্রীর জমানো ৩০ লাখ টাকার সহায়তায় সংস্থাটি সেই কঠিন সময়গুলো পার করেছিল।"</p>&#13;
<p>"বর্তমানে 'অক্ষয়কল্প'-এর সঙ্গে ২,৮০০ জন কৃষক যুক্ত আছেন। প্রতিটি কৃষককে মাসে ১.২৮ লাখ টাকা দেওয়া হয় এবং বার্ষিক অর্থ প্রদানের পরিমাণ ৪৮০ কোটি টাকা। আজ সংস্তাটি প্রতি মাসে ৬০ কোটি টাকা মুনাফা করছে।"&nbsp;</p>&#13;
<p>বিকাশের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এতে ৬০ হাজারেরও বেশি ভিউ এবং শত শত লাইক পড়েছে। বহু ব্যবহারকারী পোস্টে মন্তব্য করে শশীর দৃঢ় সংকল্পের প্রশংসা করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, "ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন স্যার। তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশেও এটা বাস্তবায়নের চেষ্টা করুন।" অন্য একজন লিখেছেন, "আমি ওদের ছাঁচ খেয়ে দেখেছি। স্বাদ অসাধারণ এবং বাজারে পাওয়া অন্য যেকোনও ব্র্যান্ডের চেয়ে এটি সেরা। শুধু দামটা একটু বেশি, তবে তা পুষিয়ে যায়।" &nbsp;তৃতীয় ব্যবহারকারী লেখেন, "দারুণ এক যাত্রা, ভাই।"</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Farmer Shashi Kumar]]></category>
            <category><![CDATA[Shashi Kumar]]></category>
            <category><![CDATA[Inspirational News]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/27/6d6e919a-8b98-4164-be66-d3cb2ce9f917.webp" length="101794" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/27/6d6e919a-8b98-4164-be66-d3cb2ce9f917.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/27/6d6e919a-8b98-4164-be66-d3cb2ce9f917.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হাসপাতালে রোগী ভর্তির প্রথম তিন দিন ‘প্রাইভেট প্র্যাক্টিস’ বন্ধ! কড়া নির্দেশ রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/no-private-practice-for-first-72-hours-after-patient-admission-bengal-health-department-s-new-order-510889</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/no-private-practice-for-first-72-hours-after-patient-admission-bengal-health-department-s-new-order-510889</guid>
            <pubDate>Mon, 24 Aug 2026 22:36:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সরকারি হাসপাতালের রোগীদের পরিষেবা উন্নত করতে চিকিৎসকদের ডিউটি নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। ]]></description>
            <dc:creator>আর্যা ঘটক</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>গোপাল সাহা: </strong>সরকারি হাসপাতালের রোগীদের পরিষেবা উন্নত করতে চিকিৎসকদের ডিউটি নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর।&nbsp;</p>&#13;
<p>নতুন নিয়ম অনুযায়ী, হাসপাতালে রোগী ভর্তির দিন থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা কোনও ফ্যাকাল্টি সদস্য বা চিকিৎসক ব্যক্তিগত চিকিৎসা বা &lsquo;প্রাইভেট প্র্যাক্টিস&rsquo; করতে পারবেন না।</p>&#13;
<p>২০০৬ সালের 'ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিক্যাল এডুকেশন সার্ভিস' নিয়মের একটি ধারা উল্লেখ করে এই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে-</p>&#13;
<p>হাসপাতালে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম তিন দিন (৭২ ঘণ্টা) চিকিৎসকদের আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি।</p>&#13;
<p>রোগী ভর্তির দিন এবং তার পরের দু&rsquo;দিন চিকিৎসকরা কোনওভাবেই ব্যক্তিগতভাবে রোগী দেখতে পারবেন না।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=niKbkoeEkKI</p>&#13;
<p>এর আগে কোনও চিকিৎসককে প্রাইভেট প্র্যাক্টিসের অনুমতি দেওয়া হয়ে থাকলেও, নতুন নির্দেশের পর সেই ছাড়পত্র আর কার্যকর থাকবে না।</p>&#13;
<p>স্বাস্থ্য দপ্তর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জনস্বার্থে ও রোগী পরিষেবা সুনিশ্চিত করতেই অবিলম্বে রাজ্যজুড়ে এই নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Health Department New Order]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal Health Department]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal]]></category>
            <category><![CDATA[Patients Admission]]></category>
            <category><![CDATA[No private practice]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/24/5ece72c8-36aa-402e-bd0a-1f7a40c8cce7.webp" length="169026" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/24/5ece72c8-36aa-402e-bd0a-1f7a40c8cce7.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/24/5ece72c8-36aa-402e-bd0a-1f7a40c8cce7.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দশম শ্রেণী পাশেই আবেদনের সুযোগ, জানুন বিস্তারিত]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/income-tax-group-c-recruitment-10th-pass-candidates-can-apply-for-canteen-attendant-roles-till-august-31-509196</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/income-tax-group-c-recruitment-10th-pass-candidates-can-apply-for-canteen-attendant-roles-till-august-31-509196</guid>
            <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 16:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[গ্রুপ ‘সি’ ক্যাটাগরির এই নিয়োগে সর্বমোট ৭টি শূন্যপদ রয়েছে। স্বীকৃত যেকোনও বোর্ড থেকে দশম শ্রেণী বা মাধ্যমিক পাশ করা প্রার্থীরা এই পদগুলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> মধ্যপ্রদেশ ও ছত্তিশগড় অঞ্চলে ক্যাফেটেরিয়া/ক্যানটিন অ্যাটেনডেন্ট পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আয়কর বিভাগ। গ্রুপ &lsquo;সি&rsquo; ক্যাটাগরির এই নিয়োগে সর্বমোট ৭টি শূন্যপদ রয়েছে। স্বীকৃত যেকোনও বোর্ড থেকে দশম শ্রেণী বা মাধ্যমিক পাশ করা প্রার্থীরা এই পদগুলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে ১১ আগস্ট ২০২৬ থেকে এবং আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬।</p>&#13;
<p><br>এই নিয়োগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের কোনও প্রকার ফি দিতে হবে না।</p>&#13;
<p><br><strong>যোগ্যতা ও বয়সের সময়সীমা</strong><br>আবেদনকারীকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ অনুযায়ী প্রার্থীদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক। তবে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংরক্ষিত শ্রেণীর প্রার্থীরা বয়সে ছাড় পাবেন:<br><strong>ওবিসি: ৩ বছরের ছাড়।</strong><br><strong>এসসি/এসটি: ৫ বছরের ছাড়।</strong><br><strong>অন্যান্য: প্রতিবন্ধী, প্রাক্তন সেনাকর্মী এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরাও নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বয়সে বিশেষ ছাড় পাবেন।</strong><br><strong>নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের প্রাথমিক অবস্থায় ২ বছরের প্রোবেশন পিরিয়ডে রাখা হবে।</strong></p>&#13;
<p><br><strong>নির্বাচন প্রক্রিয়া</strong><br>প্রার্থীদের শর্টলিস্টিং, লিখিত পরীক্ষা, স্কিল টেস্ট এবং নথি যাচাইকরণের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে।<br>শর্টলিস্টিং: মাধ্যমিকের নম্বরের ওপর ভিত্তি করে মোট ২৮০ জন প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হবে।</p>&#13;
<p><br><strong>২লিখিত পরীক্ষা: </strong>ভোপালে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৪০টি এমসিকিউ প্রশ্নের জন্য সময় থাকবে ৩০ মিনিট। বিষয়বস্তু: ইংরেজি, হিন্দি, খাদ্য ও পুষ্টি, গণিত এবং পরিচ্ছন্নতা। প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।</p>&#13;
<p><br><strong>স্কিল টেস্ট: </strong>লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ৬০ নম্বরের একটি ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে, যেখানে খাবার তৈরি, পরিবেশন এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দক্ষতা যাচাই করা হবে।</p>&#13;
<p><br><strong>বেতন ও সুযোগ-সুবিধা</strong><br>সপ্তম বেতন কমিশনের অধীনে পে লেভেল-১ অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীরা ১৮,০০০ টাকা থেকে ৫৬,৯০০ টাকা স্কেলে বেতন পাবেন। মূল বেতনের পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা, বাড়ি ভাড়া ভাতা এবং পরিবহন ভাতাসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় সরকারি সুবিধা প্রাপ্য হবে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=niKbkoeEkKI</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Income Tax Recruitment]]></category>
            <category><![CDATA[Canteen Attendant]]></category>
            <category><![CDATA[Govt Jobs 2026]]></category>
            <category><![CDATA[10th Pass Jobs]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/11/0f60917a-940c-472a-91ec-974ea6488db6.webp" length="101100" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/11/0f60917a-940c-472a-91ec-974ea6488db6.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/11/0f60917a-940c-472a-91ec-974ea6488db6.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[চুষে, চিবিয়ে শেষ করুন ভাইরাস! বিজ্ঞানীদের অভিনব আবিষ্কারে হইচই নেটপাড়ায় ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/scientists-have-created-a-new-chewing-gum-from-plants-that-will-kill-virus-509045</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/scientists-have-created-a-new-chewing-gum-from-plants-that-will-kill-virus-509045</guid>
            <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 15:51:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এবার আর টিকা, ওষুধের ঝঞ্ঝাট নয়। চুষে, চিবিয়েই মারুন ভাইরাস। ভাবছেন সেটা কীভাবে সম্ভব? চুইং গাম চিবলেই শেষ হবে একাধিক রোগের জীবাণু। সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের তরফে এমনই একটি বিরল জিনিস আবিষ্কার করা হয়েছে। ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>এবার আর টিকা, ওষুধের ঝঞ্ঝাট নয়। চুষে, চিবিয়েই মারা যাবে ভাইরাস। ভাবছেন সেটা কীভাবে সম্ভব? অবাস্তব লাগলেও, এখন চুইং গাম চিবলেই শেষ হবে একাধিক রোগের জীবাণু। সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের তরফে এমনই একটি বিরল জিনিস আবিষ্কার করা হয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিজ্ঞানীরা পরীক্ষামূলক ভাবে একটি চুইং গাম তৈরি করেছেন। ল্যাবল্যাব বিন গাছের রস নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে। বিজ্ঞানীদের তরফে জানানো হয়েছে এই গাছের রসে এক ধরনের প্রোটিন রয়েছে যা একাধিক ভাইরাস শেষ করতে সক্ষম।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিজ্ঞানীদের তরফে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, এই ল্যাবল্যাব বিন গাছের রস একাধিক ক্ষতিকর ভাইরাসের পরিমাণ করাতে সক্ষম। এই তালিকায় আছে করোনা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ইত্যাদির মতো ভাইরাস। এই রস থুতুর মাধ্যমে শরীরে মিশলে সেটা ভাইরাসের পরিমাণ কমাবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>বর্তমানে গবেষণা করে দেখা হচ্ছে, ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং করোনা ভাইরাসের মতো এই গাছের রস হার্পিস ভাইরাসকেও মারতে সক্ষম কিনা। চুইং গাম চিবিয়ে, তার রস থুতুর সঙ্গে মিশে জীবাণু কমাচ্ছে কিনা সেটাই দেখার।</p>&#13;
<p>এই বিষয়ে জানিয়ে রাখা ভাল, গোটা বিষয়টা এখনও পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে, প্রমাণিত হয়নি এই এটি খেলে করোনা হবেই না বা হলেও কমে যাবে। একই জিনিস প্রযোজ্য ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং হার্পিসের ক্ষেত্রে। হিউম্যান ট্রায়াল চালানো হবে, কেমন সাড়া পাওয়া যায় তার উপর সবটা নির্ভর করবে। কিন্তু সত্যিই যদি দেখা যায়, চুইং গাম চিবিয়ে করোনা, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস ভাইরাস শেষ করা যাচ্ছে, তাহলে সেটা যে একটা দুর্দান্ত আবিষ্কার হবে বলার অপেক্ষা রাখে না।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/BIbZQopaFL8?si=qf96dzeNzUR75P1C</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[herpes]]></category>
            <category><![CDATA[coronavirus]]></category>
            <category><![CDATA[virus]]></category>
            <category><![CDATA[Influenza]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/10/e85e0f05-64ed-4efd-b80f-fb118d2698b2.webp" length="28554" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/10/e85e0f05-64ed-4efd-b80f-fb118d2698b2.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/10/e85e0f05-64ed-4efd-b80f-fb118d2698b2.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ইলেকট্রিক ভেহিকল: পরিবহণে সবুজ বিপ্লব, উত্তরবঙ্গের তরুণদের সামনে নতুন দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের দিগন্ত]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/campus-and-career/electric-vehicles-green-revolution-in-transportation-new-skills-and-employment-horizons-for-the-youth-of-north-bengal-508731</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/campus-and-career/electric-vehicles-green-revolution-in-transportation-new-skills-and-employment-horizons-for-the-youth-of-north-bengal-508731</guid>
            <pubDate>Fri, 07 Aug 2026 18:48:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিশ্বের উন্নত দেশগুলির পাশাপাশি ভারতে ও ইলেকট্রিক ভেহিকল আর ভবিষ্যতের কল্পনা নয়; এটি ধীরে ধীরে বর্তমানের বাস্তবতা হয়ে উঠছে। দুই-চাকা থেকে চার-চাকা, বাস থেকে বাণিজ্যিক যান— সব ক্ষেত্রেই বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়ছে।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>এক সময় গাড়ি মানেই ছিল পেট্রল বা ডিজেলের ইঞ্জিন, ধোঁয়া, শব্দ এবং ক্রমবর্ধমান জ্বালানি-ব্যয়ের উদ্বেগ। শহর থেকে গ্রাম, ব্যক্তিগত পরিবহণ থেকে শিল্প ও বাণিজ্য&mdash; সমস্ত ক্ষেত্রেই জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর যানবাহন ছিল পরিবহণ ব্যবস্থার মূল ভরকেন্দ্র। কিন্তু বিশ্ব জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি-নিরাপত্তা এবং টেকসই উন্নয়নের প্রশ্ন যত গুরুত্ব পেয়েছে, ততই দ্রুত বদলাতে শুরু করেছে এই চিত্র। সেই পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দুতে আজ যে প্রযুক্তি, তার নাম ইলেকট্রিক ভেহিকল (Electric Vehicle বা EV)।</p>&#13;
<p>বিশ্বের উন্নত দেশগুলির পাশাপাশি ভারতে ও ইলেকট্রিক ভেহিকল আর ভবিষ্যতের কল্পনা নয়; এটি ধীরে ধীরে বর্তমানের বাস্তবতা হয়ে উঠছে। দুই-চাকা থেকে চার-চাকা, বাস থেকে বাণিজ্যিক যান&mdash; সব ক্ষেত্রেই বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়ছে। শুধু গাড়ি তৈরির প্রযুক্তি নয়, তার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ব্যাটারি প্রযুক্তি, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স, চার্জিং অবকাঠামো, স্মার্ট ডায়াগনস্টিকস, সফটওয়্যার, সেফটি সিস্টেম এবং নতুন ধরনের দক্ষ মানবসম্পদ। ফলে EV আজ কেবল একটি যানবাহন-প্রযুক্তি নয়; এটি শিল্প, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও পরিবেশ&mdash; এই চার ক্ষেত্রের মিলিত রূপান্তরের নাম।</p>&#13;
<p><strong>কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ইলেকট্রিক ভেহিকল?</strong></p>&#13;
<p>প্রচলিত পেট্রল বা ডিজেলচালিত গাড়ি মূলত Internal Combustion Engine (ICE)-এর উপর নির্ভরশীল। এই ব্যবস্থায় জ্বালানি পুড়ে শক্তি উৎপন্ন হয়, এবং সেই শক্তি গাড়িকে চালায়। কিন্তু এই পদ্ধতিতে জ্বালানি খরচ বেশি, রক্ষণাবেক্ষণ তুলনামূলক জটিল, এবং পরিবেশে কার্বন নির্গমনও উল্লেখযোগ্য।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/c88da357-25a5-4f25-99d7-3b1472bcf91c.webp"></p>&#13;
<p>অন্যদিকে, ইলেকট্রিক ভেহিকল ব্যাটারিতে সঞ্চিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করে মোটর চালায়। ফলে ইঞ্জিন-ভিত্তিক গাড়ির তুলনায় এর যান্ত্রিক অংশ কম, শব্দ কম, টর্ক ডেলিভারি দ্রুত এবং টেলপাইপ নির্গমন শূন্য। শহুরে দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি-আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিবহণকে আরও টেকসই করে তুলতে EV-কে তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দশকে পরিবহণ শিল্পে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলির একটি হবে বিদ্যুতায়ন (Electrification)। আর এই পরিবর্তন শুধু গাড়ি কেনাবেচার বাজারেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বদলে দেবে অটোমোবাইল মেরামত, সার্ভিসিং, যন্ত্রাংশ উৎপাদন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি শিক্ষারচরিত্রও।</p>&#13;
<p><strong>ইভি কীভাবে আলাদা?</strong></p>&#13;
<p>একটি ইলেকট্রিক ভেহিকলের মূল উপাদানগুলির মধ্যে রয়েছে&mdash;<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ট্র্যাকশন ব্যাটারি প্যাক<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ইলেকট্রিক মোটর<br>⦁ &nbsp; &nbsp;মোটর কন্ট্রোলার<br>⦁ &nbsp; &nbsp;অনবোর্ড চার্জার<br>⦁ &nbsp; &nbsp;পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স ও কনভার্টার<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (BMS)<br>⦁ &nbsp; &nbsp;রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম<br>⦁ &nbsp; &nbsp;থার্মাল ম্যানেজমেন্ট ও সেফটি সিস্টেম</p>&#13;
<p>অর্থাৎ EV কেবল একটি &lsquo;ব্যাটারিচালিত গাড়ি&rsquo; নয়; এটি ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্যাল, সফটওয়্যার এবং ডায়াগনস্টিকস&mdash; এই একাধিক প্রযুক্তির সমন্বিত ফল। ফলে এই ক্ষেত্রের কাজের সুযোগও বহুমাত্রিক।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/149be711-92e6-402b-bf98-b41fa626c357.webp"></p>&#13;
<p><strong>পরিবেশ ও অর্থনীতির প্রেক্ষিতে EV-এর গুরুত্ব</strong></p>&#13;
<p>ভারতের মতো দেশে EV-এর গুরুত্ব আরও বেশি, কারণ দেশের শহরগুলিতে বায়ুদূষণ একটি বড় সমস্যা। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানির কারণে অর্থনীতির উপরও চাপ থাকে। এই প্রেক্ষাপটে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়লে একদিকে যেমন নগরদূষণ কমানো সম্ভব, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি-নির্ভরতা কমানোর পথও সুগম হতে পারে।</p>&#13;
<p>অবশ্য EV-কে পুরোপুরি পরিবেশবান্ধব করতে হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস, ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার, চার্জিং অবকাঠামো এবং গ্রিড-সক্ষমতা&mdash; এই সব দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তবু পরিবহণ ব্যবস্থাকে কম-নিঃসরণমুখী করার ক্ষেত্রে EV যে একটি বড় পদক্ষেপ, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞমহলে মতভেদ কম।</p>&#13;
<p><strong>বিশ্বজুড়ে বদলে যাচ্ছে অটোমোবাইল শিল্প</strong></p>&#13;
<p>আজ বিশ্বের প্রায় সব বড় গাড়ি নির্মাতা সংস্থা বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে। কারণ বাজার এখন শুধু &lsquo;একটি গাড়ি&rsquo; চায় না; চায় স্মার্ট, জ্বালানি-সাশ্রয়ী, সফটওয়্যার-নিয়ন্ত্রিত, কম-দূষণকারী এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী পরিবহণ সমাধান।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/86e52296-f133-4f97-920e-3b994da6fbec.webp"></p>&#13;
<p>এই পরিবর্তনের ফলে অটোমোবাইল শিল্পের কাজের ধরনও বদলাচ্ছে। আগে যেখানে মূল গুরুত্ব ছিল ইঞ্জিন, গিয়ারবক্স, ফুয়েল সিস্টেম ও মেকানিক্যাল সার্ভিসিং-এ, এখন সেখানে সমান গুরুত্ব পাচ্ছে&mdash;<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ব্যাটারি ডায়াগনস্টিকস<br>⦁ &nbsp; &nbsp;উচ্চ-ভোল্টেজ সেফটি<br>⦁ &nbsp; &nbsp;মোটর ও কন্ট্রোল সিস্টেম<br>⦁ &nbsp; &nbsp;চার্জিং স্ট্যান্ডার্ড<br>⦁ &nbsp; &nbsp;পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ভেহিকল সফটওয়্যার ও ডেটা মনিটরিং<br>⦁ &nbsp; &nbsp;স্মার্ট মবিলিটি ও কানেক্টেড ভেহিকল প্রযুক্তি</p>&#13;
<p>অর্থাৎ, ভবিষ্যতের গ্যারাজ, সার্ভিস সেন্টার ও উৎপাদন ইউনিটে শুধু ঐতিহ্যগত মোটর মেকানিকের দক্ষতা যথেষ্ট হবে না; দরকার হবে EV-নির্ভর নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ।</p>&#13;
<p><strong>টয়োটা ও ইভি: পরিবর্তনের একটি বড় প্রেক্ষিত</strong></p>&#13;
<p>বিশ্বের অন্যতম প্রধান অটোমোবাইল নির্মাতা Toyota দীর্ঘদিন ধরেই বিকল্প জ্বালানি, হাইব্রিড প্রযুক্তি, শক্তি-দক্ষ যানবাহন এবং ভবিষ্যতের টেকসই পরিবহণ নিয়ে কাজ করে আসছে। প্রচলিত গাড়ি নির্মাণে দক্ষতার পাশাপাশি টয়োটা বিশ্বব্যাপী Hybrid Electric Vehicle (HEV), ব্যাটারি-ভিত্তিক প্রযুক্তি, উন্নত উৎপাদন ব্যবস্থা এবং প্রশিক্ষণ ভিত্তিক শিল্প-সহযোগিতার উপরও জোর দিয়েছে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/c6ec5403-8ae3-4fa8-ad59-ae2017bfaa0d.webp"></p>&#13;
<p>ভারতের অটোমোবাইল শিল্পেও Toyota Kirloskar Motor-এর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। শুধু গাড়ি উৎপাদন বা বিপণন নয়, প্রযুক্তি-শিক্ষা, শিল্প-প্রস্তুত দক্ষতা, সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক অটোমোবাইল জ্ঞানের প্রসার&mdash; এই ক্ষেত্রগুলিতেও শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতার গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষত যখন অটোমোবাইল শিল্প ICE থেকে EV, Hybrid এবং স্মার্ট মবিলিটির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির সঙ্গে শিল্প সংস্থার সংযোগ নতুন তাৎপর্য পাচ্ছে।</p>&#13;
<p><strong>হাইব্রিড, ইভি এবং বাস্তব রূপান্তরের সেতুবন্ধন</strong></p>&#13;
<p>ভারতের বাস্তবতা কিছুটা ভিন্ন। একদিকে EV দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে, অন্যদিকে চার্জিং অবকাঠামো, ব্যাটারি খরচ, বিদ্যুৎ-সরবরাহের বৈচিত্র্য এবং ব্যবহারকারীর অভ্যাস&mdash;এই সব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রেক্ষাপটে হাইব্রিড প্রযুক্তি অনেক ক্ষেত্রেই একটি কার্যকর মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের সঙ্গে বৈদ্যুতিক মোটর ও ব্যাটারি-সহায়ক ব্যবস্থা যুক্ত হয়ে জ্বালানি সাশ্রয় ও নির্গমন হ্রাসে সহায়তা করে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/bddb7340-c98a-453f-8205-a49b0244cf57.webp"></p>&#13;
<p>টয়োটার মতো সংস্থাগুলি এই পরিবর্তনকে শুধুমাত্র &lsquo;একটি নতুন মডেল বাজারে আনা&rsquo;-র মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তি-রূপান্তরের অংশ হিসেবে দেখেছে। ফলে EV ও Hybrid&mdash; দুই ক্ষেত্রেই প্রশিক্ষিত মানবসম্পদের প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ বাড়ছে।</p>&#13;
<p><strong>কোথায় কোথায় তৈরি হচ্ছে কাজের সুযোগ?</strong></p>&#13;
<p>ইলেকট্রিক ভেহিকল শিল্পের প্রসার মানে শুধু গাড়ি বিক্রি বৃদ্ধি নয়; এর সঙ্গে তৈরি হচ্ছে একটি নতুন ইকোসিস্টেম। সেখানে কাজের সুযোগ রয়েছে&mdash;<br>⦁ &nbsp; &nbsp;EV Service Technician<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Battery Maintenance &amp; Diagnostic Engineer<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Charging Infrastructure Technician<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Power Electronics Engineer<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Motor Control &amp; Drive Systems Specialist<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Automotive CAD / Design Engineer<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Vehicle Testing &amp; Validation Engineer<br>⦁ &nbsp; &nbsp;BMS and Embedded Systems Engineer<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Automotive Software &amp; Diagnostics Professional<br>⦁ &nbsp; &nbsp;EV Assembly and Manufacturing Technician<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Energy Storage &amp; Battery Recycling Specialist<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Automotive Training Instructor / Skill Trainer</p>&#13;
<p>অর্থাৎ EV এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্যাল, অটোমোবাইল, কম্পিউটারসায়েন্স, ইনস্ট্রুমেন্টেশন&mdash; বিভিন্ন শাখার শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন পথ তৈরি হচ্ছে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/eddd3f0c-58da-4909-baee-f01565669bf7.webp"></p>&#13;
<p><strong>শিক্ষা-প্রশিক্ষণে কেন EV এখন অপরিহার্য?</strong></p>&#13;
<p>শুধু বই পড়ে EV শেখা সম্ভব নয়। এই প্রযুক্তি বোঝার জন্য দরকার হ্যান্ডস-অন প্রশিক্ষণ&mdash; ব্যাটারি প্যাকের গঠন, মোটর ও ড্রাইভ সিস্টেম, সেফটি প্রোটোকল, ডায়াগনস্টিক টুল, কন্ট্রোল সিস্টেম, সেন্সর, চার্জিং প্রযুক্তি, এবং বাস্তব যানবাহনের উপাদান নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা।</p>&#13;
<p><strong>এই কারণেই এখন অটোমোবাইল ও পলিটেকনিক শিক্ষায় ধীরে ধীরে যুক্ত হচ্ছে&mdash;</strong><br>⦁ &nbsp; &nbsp;EV ও Hybrid Vehicle fundamentals<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Battery pack architecture<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Motor drive systems<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Vehicle diagnosis and fault analysis<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Charging technology<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Automotive electrical and electronics integration<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Safety in high-voltage systems<br>⦁ &nbsp; &nbsp;Industry-oriented service and maintenance practices</p>&#13;
<p>যে শিক্ষার্থী এখন থেকেই এই দক্ষতা অর্জন করবে, ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে তার অবস্থান অনেক বেশি শক্তিশালী হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>উত্তরবঙ্গের শিক্ষার্থীদের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?</strong></p>&#13;
<p>দীর্ঘদিন ধরে উত্তরবঙ্গের বহু প্রযুক্তি-শিক্ষার্থী উন্নত অটোমোবাইল বা উৎপাদন প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের জন্য কলকাতা, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই বা পুনের মতো শহরের দিকে তাকিয়ে থেকেছেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। যদি উত্তরবঙ্গের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে শিল্প-সংযুক্ত EV প্রশিক্ষণ, আধুনিক অটোমোবাইল ল্যাব, ব্যাটারি ও মোটর-ভিত্তিক ডেমোনস্ট্রেশন সেট আপ, এবং বাস্তব সার্ভিসিং-ভিত্তিক মডিউল গড়ে ওঠে, তাহলে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য এক নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।</p>&#13;
<p>এই প্রেক্ষাপটে শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (SIT)-এর মতো প্রতিষ্ঠানে যদি Toyota-সংযুক্ত অটোমোবাইলও EV প্রশিক্ষণ অবকাঠামো, আধুনিক ল্যাব, স্মার্ট ক্লাসরুম, ডেমো ভেহিকল সিস্টেম, ডায়াগনস্টিক প্রশিক্ষণ এবং শিল্পমুখী পাঠক্রম গড়ে ওঠে, তবে তা উত্তরবঙ্গের প্রযুক্তি-শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরির জন্য প্রস্তুত হবে না; বরং তারা ভবিষ্যতের শিল্প-প্রযুক্তির ভাষা বুঝে মাঠে নামার সুযোগ পাবে।</p>&#13;
<p><strong>উত্তরবঙ্গের অর্থনীতি ও EV: কোথায় কোথায় সম্ভাবনা?</strong></p>&#13;
<p>ইলেকট্রিক ভেহিকলকে শুধু শহুরে ব্যক্তিগত গাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখলে ভুল হবে। উত্তরবঙ্গের বাস্তবতার সঙ্গে এই প্রযুক্তির একাধিক যোগসূত্র রয়েছে।</p>&#13;
<p><strong>১) পর্যটন ও পাহাড়ি পরিবহণ</strong></p>&#13;
<p>দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স, মিরিক বা সিকিম-সংলগ্ন অঞ্চলে পর্যটন-ভিত্তিক পরিবহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে ছোট আকারের বৈদ্যুতিক যান, শাটল পরিষেবা, শহুরে পর্যটন-পরিবহণ বা নির্দিষ্ট করিডরে কম-দূষণকারী যানবাহনের ব্যবহার বাড়তে পারে।</p>&#13;
<p><strong>২) শহরভিত্তিক বাণিজ্যিক চলাচল</strong></p>&#13;
<p>শিলিগুড়ির মতো দ্রুত বর্ধনশীল শহরেই- রিকশা, ছোট বাণিজ্যিক ডেলিভারি ভ্যান, নগর-পরিবহণ এবং শেষ-মাইল সংযোগে EV-এর ব্যবহার ইতিমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এর সঙ্গে বাড়ছে সার্ভিসিং, মেরামত ও যন্ত্রাংশ-সহায়তার প্রয়োজন।</p>&#13;
<p><strong>৩) দক্ষতা-ভিত্তিক স্থানীয় কর্মসংস্থান</strong></p>&#13;
<p>যেখানে EV বাড়বে, সেখানে চার্জিং, সার্ভিসিং, ব্যাটারি পরীক্ষা, ফল্ট ডায়াগনসিস, বৈদ্যুতিক সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণ&mdash; এই সব ক্ষেত্রেও স্থানীয় প্রযুক্তিবিদের চাহিদা বাড়বে। ফলে উত্তরবঙ্গের পলিটেকনিক, ডিপ্লোমা ও বি.টেক. শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বাস্তব কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>৪) MSME ও স্থানীয় গ্যারাজ সংস্কৃতির আধুনিকীকরণ</strong></p>&#13;
<p>আজকের স্থানীয় গ্যারাজ বা সার্ভিস সেন্টার যদি ধীরে ধীরে EV-সক্ষমপ্রশিক্ষণ পায়, তবে আগামী দিনের অটোমোবাইল পরিষেবার বাজারে তারা অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ EV শুধুমাত্র বড় শিল্পের বিষয় নয়; এটি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও স্থানীয় সার্ভিস-ইকোনমিরও ভবিষ্যৎ।</p>&#13;
<p><strong>কারা এই বিষয়ে পড়াশোনা বা প্রশিক্ষণ নিতে পারে?</strong></p>&#13;
<p><strong>EV ও আধুনিক অটোমোবাইল প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ শুধু অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য নয়। এই ক্ষেত্রে উপকৃত হতে পারেন&mdash;</strong></p>&#13;
<p>⦁ &nbsp; &nbsp;ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থী<br>⦁ &nbsp; &nbsp;অটোমোবাইল, মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্সও ECE-এরশিক্ষার্থী<br>⦁ &nbsp; &nbsp;আইটিআই ও পলিটেকনিকের প্রযুক্তি শিক্ষার্থী<br>⦁ &nbsp; &nbsp;সার্ভিস সেক্টরে কর্মরত টেকনিশিয়ান<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ওয়ার্কশপ ও গ্যারাজ-ভিত্তিক কর্মী<br>⦁ &nbsp; &nbsp;বি.টেক. ও এম.টেক. শিক্ষার্থী<br>⦁ &nbsp; &nbsp;শিল্প ক্ষেত্রে কর্মরত প্রকৌশলী<br>⦁ &nbsp; &nbsp;নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তা, যারা EV সার্ভিস, চার্জিং বা ডায়াগনস্টিকস-ভিত্তিক উদ্যোগ শুরু করতে চান</p>&#13;
<p><strong>ভবিষ্যতের শিল্পে যে দক্ষতা অপরিহার্য হয়ে উঠবে</strong></p>&#13;
<p><strong>আগামী দিনের অটোমোবাইল শিল্পে &lsquo;মেকানিক&rsquo; শব্দটির অর্থ বদলে যাবে। সেখানে একজন দক্ষকর্মীর জানতে হবে&mdash;</strong></p>&#13;
<p>⦁ &nbsp; &nbsp;হাই-ভোল্টেজ সেফটি<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ব্যাটারি স্বাস্থ্য বিশ্লেষণ<br>⦁ &nbsp; &nbsp;ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার<br>⦁ &nbsp; &nbsp;মোটর কন্ট্রোল সিস্টেমের বেসিক<br>⦁ &nbsp; &nbsp;চার্জিং ইন্টারফেস ও ত্রুটি নির্ণয়<br>⦁ &nbsp; &nbsp;অটোমোটিভ ইলেকট্রনিক্স<br>⦁ &nbsp; &nbsp;সেন্সর, কন্ট্রোল ইউনিট ও ডেটা-ভিত্তিক রক্ষণাবেক্ষণ</p>&#13;
<p>এই পরিবর্তনই প্রমাণ করে যে EV কেবল একটি নতুন গাড়ি নয়; এটি নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি-শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্প-প্রস্তুতির ক্ষেত্র।</p>&#13;
<p><strong>শেষ কথা</strong></p>&#13;
<p>বিশ্বের অটোমোবাইল শিল্প এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে পরিবেশ, প্রযুক্তি, অর্থনীতি এবং কর্মসংস্থান&mdash; এই চারটি স্রোত এসে মিলেছে ইলেকট্রিক ভেহিকলের ভিতরে। তাই EV-কে শুধু &lsquo;একটি নতুন গাড়ির প্রযুক্তি&rsquo; হিসেবে দেখলে তার গুরুত্ব বোঝা যাবে না। এটি আসলে পরিবহণের ভবিষ্যৎ, শিল্পের রূপান্তর, এবং নতুন দক্ষতার ভাষা।</p>&#13;
<p>উত্তরবঙ্গের তরুণ-তরুণীদের জন্য এই পরিবর্তন একটি বড় সুযোগ। যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প সংস্থা এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলি সময়োপযোগী উদ্যোগ নেয়, তবে আগামী দিনে উত্তরবঙ্গ শুধু দক্ষ মানবসম্পদই তৈরি করবে না, বরং পূর্ব ভারতের আধুনিক অটোমোবাইলও EV-ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের একটি উল্লেখযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও উঠে আসতে পারে।</p>&#13;
<p>আর সেই পথচলায় শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা, আধুনিক ল্যাবরেটরি, বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং Toyota-এর মতো শিল্প-অভিজ্ঞতার সঙ্গে সংযোগ&mdash;সব মিলিয়ে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে। পরিবহণের সবুজ বিপ্লবের সেই অধ্যায়ে উত্তরবঙ্গও যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই স্পষ্ট।</p>&#13;
<p><strong>লেখক</strong></p>&#13;
<p>ড. অরূপ দাস (এইচওডি, ইই, শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি)</p>&#13;
<p>অনিন্দ্য বসু (প্রিন্সিপাল,শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ডিপ্লোমা কলেজ)</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[electric vehicles]]></category>
            <category><![CDATA[sit]]></category>
            <category><![CDATA[ev]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/dd4ac363-2768-4830-b819-573c6dfba5bc.webp" length="856410" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/dd4ac363-2768-4830-b819-573c6dfba5bc.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/08/07/dd4ac363-2768-4830-b819-573c6dfba5bc.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ডিগ্রির পাশাপাশি দক্ষতা! জাতীয় শিক্ষানীতির মোড়কে BCA বর্তমান সময়ের দাবি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/campus-and-career/bca-article-in-contrast-to-nep-2020-507631</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/campus-and-career/bca-article-in-contrast-to-nep-2020-507631</guid>
            <pubDate>Wed, 29 Jul 2026 16:57:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আজকের কর্মসংস্থানের বাজারে শুধু ডিগ্রি নয়, প্রয়োজন দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>একটা সময় ছিল, যখন উচ্চশিক্ষার মূল উদ্দেশ্য ছিল একটি ডিগ্রি অর্জন। সেই ডিগ্রি হাতে নিয়েই চাকরির বাজারে প্রবেশ করতেন অধিকাংশ তরুণ-তরুণী। কিন্তু প্রযুক্তি নির্ভর একবিংশ শতাব্দীর বাস্তবতা সেই ধারণাকে আমূল বদলে দিয়েছে। আজকের কর্মসংস্থানের বাজারে শুধু ডিগ্রি নয়, প্রয়োজন দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে দ্রুত নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার সামর্থ্য।</p>&#13;
<p>এই পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রেক্ষাপটেই প্রণীত হয়েছে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ (National Education Policy &ndash; NEP)। স্বাধীনতার পর ভারতের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় এটিকে সবচেয়ে বড় সংস্কারগুলির একটি বলে মনে করা হয়। এই নীতির মূল দর্শন হল&mdash; শিক্ষাকে মুখস্থ নির্ভরতা থেকে বের করে এনে দক্ষতা, গবেষণা, সৃজনশীলতা, উদ্ভাবন এবং কর্মমুখী শিক্ষার উপর জোর দেওয়া। আর সেই ভাবনার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে চার বছরের স্নাতক পাঠক্রমে, বিশেষ করে ব্যাচেলর অফ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন (BCA) কোর্সে।</p>&#13;
<p>আজকের পৃথিবীতে প্রযুক্তি আর আলাদা কোনও বিষয় নয়, বরং সমাজ, অর্থনীতি, প্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রযুক্তি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence), ডেটা সায়েন্স (Data Science), সাইবার সিকিউরিটি (Cyber Security), ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing), ব্লকচেইন (Blockchain)কিংবা ইন্টারনেট অব থিংস (Internet of Things &ndash; IoT) &mdash; এসব আর ভবিষ্যতের বিষয় নয়, এগুলি বর্তমান বিশ্বের চালিকাশক্তি। ফলে প্রযুক্তি-দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদাও বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>&#13;
<p>এই চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই চার বছরের BCA পাঠক্রমকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শেখে না, বরং বাস্তব জীবনের সমস্যা বিশ্লেষণ, প্রযুক্তি নির্ভর সমাধান তৈরি, গবেষণা, দলগতকাজ, যোগাযোগ দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতাও গড়ে তুলতে পারে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/29/578a5a06-735d-4901-be23-a23ccd4dfe5a.webp"></p>&#13;
<p>নতুন পাঠক্রমে &nbsp;Artificial Intelligence, Machine Learning, Data Science, Cyber Security, Cloud Computing, Full Stack Development, Mobile Application Development, UI/UX Design, Python, Java এবং Web Technologies-এর মতো সময়োপযোগী ও আধুনিক বিষয়গুলির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে শিল্প-সংযুক্ত ইন্টার্নশিপ, লাইভ প্রজেক্ট, গবেষণার সুযোগ, সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং উদ্যোক্তা হওয়ার প্রস্তুতি। এরফলে পড়াশোনা শুধু শ্রেণিকক্ষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; শিক্ষার্থীরা বাস্তব কাজের পরিবেশ ও শিল্পজগতের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের কর্মজীবনের জন্য নিজেদের আরও ভালভাবে প্রস্তুত করে তুলতে পারে।</p>&#13;
<p>জাতীয় শিক্ষানীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী উদ্যোগ হল Multiple Entry and Exit ব্যবস্থা এবং Academic Bank of Credits (ABC)। এরফলে কোনও শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত, পারিবারিক বা আর্থিক সমস্যার কারণে মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলেও তাঁর এতদিনের অর্জিত শিক্ষা ও ক্রেডিট নষ্ট হয়ে যায় না। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তিনি সেই অর্জিত ক্রেডিট কাজে লাগিয়ে আবার পড়াশোনা শুরু করতে এবং উচ্চশিক্ষা সম্পূর্ণ করতে পারেন। এই ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের নিজেদের পরিস্থিতি অনুযায়ী শিক্ষাজীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে এবং ভারতীয় উচ্চশিক্ষাকে আরও নমনীয়, মানবিক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করে তুলেছে।</p>&#13;
<p>আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞান, কলা বা বাণিজ্য&mdash; যে বিভাগ থেকেই পড়াশোনা করা হোক না কেন, BCA পড়ার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ, উচ্চমাধ্যমিকে বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয় না থাকলেও ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ও কম্পিউটার শিক্ষার জগতে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা সম্ভব। BCA-এর পর MCA করে একজন শিক্ষার্থী সফটওয়্যার, আইটি, ডেটা, সাইবার সিকিউরিটি-সহ বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক ক্ষেত্রে উজ্জ্বল কেরিয়ার গড়ে তুলতে পারেন। বর্তমান চাকরির বাজারে BCA ও MCA ডিগ্রিরও যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে এবং দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে একজন BCA/MCA শিক্ষার্থীও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভাল কেরিয়ারের সুযোগ পেতে পারেন। B.Tech -এর মতোই সমান গুরুত্ব বহন করে।</p>&#13;
<p>শুধু চাকরি নয়, আত্মকর্মসংস্থান এবং স্টার্টআপ সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও এই কোর্স বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে একটি নতুন সফটওয়্যার, মোবাইল অ্যাপ বা ডিজিটাল পরিষেবা তৈরি করে বিশ্ববাজারে পৌঁছে যাওয়া আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় সহজ। তাই একজন BCA শিক্ষার্থী চাকরি প্রার্থী হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের একজন প্রযুক্তি-উদ্যোক্তাও হয়ে উঠতে পারেন। এটি জাতীয় শিক্ষানীতির অন্যতম লক্ষ্য &mdash; &lsquo;Job Seeker নয়, Job Creator তৈরি করা।&rsquo;</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/29/efae8e7d-0f2e-4a6f-a790-7a5c8366ef20.webp"></p>&#13;
<p>চার বছরের BCA-র আরও একটি বড় সুবিধা হল গবেষণামুখী শিক্ষা। যারা ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা বা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে চান, তাঁদের জন্য এই অতিরিক্ত বছরটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গবেষণা প্রকল্প, উদ্ভাবনী কাজ এবং একাডেমিক প্রস্তুতি শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও সক্ষম করে তোলে। ভারত আজ 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া', 'স্টার্টআপ ইন্ডিয়া', 'স্কিল ইন্ডিয়া' এবং 'বিকশিত ভারত ২০৪৭'-এর মতো বড় স্বপ্নকে সামনে রেখে দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে আমাদের প্রয়োজন এমন এক তরুণ প্রজন্ম, যারা প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত, দক্ষ, সৃজনশীল এবং নতুন কিছু করার মানসিকতা রাখে। এই জায়গা থেকেই চার বছরের BCA কোর্সটি হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর মাধ্যম। তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, কোনA কোর্স নিজে সাফল্য এনে দেয় না, সাফল্য আসে শিক্ষার্থীর আগ্রহ, নিয়মিত অনুশীলন, দক্ষতা অর্জনের মানসিকতা এবং আজীবন শেখার ইচ্ছা থেকে। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ সেই সুযোগের দরজা খুলে দিয়েছে। এখন সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদেরই।</p>&#13;
<p>শেষ পর্যন্ত বলা যায়, BCA কেবল একটি স্নাতক ডিগ্রি নয়, এটি এমন এক শিক্ষা যাত্রা, যা একজন তরুণকে প্রযুক্তিবিদ, গবেষক, উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং সর্বোপরি একজন দক্ষ বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। আগামী দিনের কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি এবং জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির যুগে এই কোর্স নিঃসন্দেহে একটি সুদূরপ্রসারী বিনিয়োগ।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>BCA নিয়ে চটপট কিছু প্রশ্নোত্তর -&nbsp;</strong></p>&#13;
<p><br><strong>প্রশ্ন: BCA পড়লে কী চাকরি পাওয়া যায়?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর: </strong>Software Developer, Programmer, Web Developer, Database Administrator, System/Network Administrator এবং IT Support Specialist হিসেবে কাজের সুযোগ রয়েছে। চাইলে Tech Startup-ও শুরু করা যায়।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: BCA কি ভালো Career Option?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর: </strong>হ্যাঁ। IT ক্ষেত্রে দক্ষ Programmer, Developer ও IT Professional-এর চাহিদা রয়েছে। তবে শুধু ডিগ্রি নয়, Practical Skills-ও জরুরি।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: BCA-এরপর কীভাবে &nbsp;Career ভালো করা যায়?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর: </strong>Coding Practice, Projects, Internships এবং AI, Data Science, Cloud Computing-এর মতো নতুন Technology শেখার মাধ্যমে।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: BCA-এর পর Higher Studies করা যায়?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর:</strong> অবশ্যই। MCA, MBA in IT অথবা বিভিন্ন Professional Certification করা যায়।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: BCA &nbsp;আর B.Tech CSE-এর মধ্যে পার্থক্য কী?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর:</strong> BCA মূলত Applications, Programming ও Software-এর উপর গুরুত্ব দেয়। B.Tech CSE-তে &nbsp;Engineering ও &nbsp;Advanced Technical Concepts বেশি গুরুত্ব পায়।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: Mathematics ছাড়া BCA করা যায়?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর:</strong> অনেক প্রতিষ্ঠানে যায়। উদাহরণ &ndash; শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি যা মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির অন্তর্গত।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: BCA-এর জন্য কলেজ বাছাইয়ে কী দেখব?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর:</strong> Faculty, Infrastructure, Labs, Placement, Internship, Accreditation এবং Fees &mdash; সবকিছু বিবেচনা করুন। শুধু Ranking দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন না।</p>&#13;
<p><strong>প্রশ্ন: BCA করে সফল হতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কী?</strong></p>&#13;
<p><strong>উত্তর: </strong>ডিগ্রির পাশাপাশি দক্ষতা। নিয়মিত শেখা, Coding, Project ও Practical Experience-ই Career Growth-এর মূল চাবিকাঠি।</p>&#13;
<p><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>রত্নাঙ্কুর মজুমদার</strong></em></span><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক,</strong></em></span><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বিভাগ</strong></em></span><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি</strong></em></span></p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>এবং</strong></em></span></p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>ভাস্কর চক্রবর্তী</strong></em></span><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>সহকারী অধ্যাপক,&nbsp;</strong></em></span><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বিভাগ</strong></em></span><br><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি</strong></em></span></p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[BCA]]></category>
            <category><![CDATA[nep 2020]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/29/f7943ede-ab37-4665-9ea0-ced5856b3925.webp" length="50278" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/29/f7943ede-ab37-4665-9ea0-ced5856b3925.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/29/f7943ede-ab37-4665-9ea0-ced5856b3925.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে শাবানা আজমি! জানেন কেন হয় এই রোগ? রইল উপসর্গ থেকে নিরাময়ের উপায়]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/swine-flu-shabana-azmi-affected-with-this-disease-know-it-s-symptoms-to-prevention-and-why-it-happens-507187</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/swine-flu-shabana-azmi-affected-with-this-disease-know-it-s-symptoms-to-prevention-and-why-it-happens-507187</guid>
            <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 14:51:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত শাবানা আজমি। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। কিন্তু এই রোগ আসলে কী? কেন হয়? কীই বা এর উপসর্গ? জেনে নিন বিস্তারিত। &#13;
]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত শাবানা আজমি। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। কিন্তু এই রোগ আসলে কী? কেন হয়? কীই বা এর উপসর্গ? জেনে নিন বিস্তারিত।&nbsp;</p>&#13;
<p>সোয়াইন ফ্লু রোগটিকে এইচ ১ এন ১ -ও বলা হয়ে থাকে। এটি এক ধরনের সংক্রমণ যা ঘটায় ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু ভাইরাস। কিন্তু কেন সোয়াইন ফ্লু? এটি এমন ভাইরাস দ্বারা ছড়ায় যা শুয়োরদেরও সংক্রমন ঘটায়। এই রোগ হলে শুয়োরদের ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়। একই ভাবে সোয়াইন ফ্লু হলে মানুষেরও একই উপসর্গ দেখা দেয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>সোয়াইন ফ্লু কেন আর কীভাবে হয়? এটি ভীষণ রকম সংক্রমিত রোগ, যা একজনের থেকে আর একজনের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে যায়। যখনই সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত কোনও ব্যক্তি হাঁচি দেন বা কাশেন তখন জীবাণু মিশ্রিত ফোঁটা বাতাসে মিশে যায়। আর সেই বাতাসে শ্বাস নিলেই তা অপরজনের দেহে ঢুকে পড়ে। এছাড়াও ধরুন কোনও সংক্রমিত ব্যক্তি হাঁচি দিয়েছেন, তার কয়েক ফোঁটা কোনও টেবিলে লেগে, আপনি অজান্তেই সেখানে হাত রাখলেন, তারপর ঠিক করে হাত না ধুয়ে খেলেই সেটা শরীরে প্রবেশ করে। এমনকী ওই হাত নাক বা মুখ, এমনকী চোখে দিলেও তার থেকে আপনি সংক্রমিত হতে পারেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>সোয়াইন ফ্লু হলে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসবে। কাঁপুনি না দিলেও জ্বর আসবে। কাশি, গলা ব্যথা পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া সারা গা, হাত পায়ে ব্যাথা, মাথা যন্ত্রণা, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট, র&zwj;্যাশ বেরোনোর মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p>ফ্লু টেস্টের মাধ্যমে ধরা পড়ে সোয়াইন ফ্লু হয়েছে কিনা। তবে এই রোগ নির্ণয় হতে এবং তার রিপোর্ট পেতে বেশ কিছুদিন সময় লাগে। কিন্তু যদি উপসর্গ দেখেন তবে আইসোলেশনে থাকাই ভাল। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে জল পান করা, হালকা খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুম নেওয়া প্রয়োজন। ভিড় এড়িয়ে চলাই মঙ্গল এই সময়। এছাড়া চিকিৎসক যা ওষুধ দেবে সেগুলো তো অবশ্যই খেতে হবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এদিন শাবান আজমি তাঁর অসুস্থতা প্রসঙ্গে কী জানান? বর্ষীয়ান অভিনেত্রী জানিয়েছেন, একটি ছাত্র সংগঠনের ডাকা প্রতিবাদ সভায় তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তিনি সেখানে উপস্থিত থেকে ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাঁকে বাড়ির বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন। সংক্রমণ যাতে অন্য কারও মধ্যে না ছড়ায়, সেই কারণেই তাঁকে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শাবানা লেখেন, তিনি সত্যিই খুব হতাশ যে অনুষ্ঠানে যেতে পারলেন না। অভিনেত্রী জানান, শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তাঁর সমর্থন সবসময় ছাত্রদের সঙ্গে থাকবে। পাশাপাশি তিনি সকলের কাছে নিজের দ্রুত সুস্থতার জন্য শুভেচ্ছাও চেয়েছেন।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/qmovTL9GSJo?si=GxMM_7tA8n8zLCma</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[CJP Protests]]></category>
            <category><![CDATA[shabana azmi]]></category>
            <category><![CDATA[swine flu]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/25/27cde68f-5cc4-405f-9023-978b7dc1fcb8.webp" length="61668" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/25/27cde68f-5cc4-405f-9023-978b7dc1fcb8.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/25/27cde68f-5cc4-405f-9023-978b7dc1fcb8.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধে যুগান্তকারী টিকা! সফল প্রাথমিক ট্রায়াল, কবে থেকে মিলবে বাজারে?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/health/groundbreaking-vaccine-could-change-the-fight-against-pancreatic-cancer-507066</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/health/groundbreaking-vaccine-could-change-the-fight-against-pancreatic-cancer-507066</guid>
            <pubDate>Fri, 24 Jul 2026 14:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী ক্যান্সার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগটি অনেক দেরিতে ধরা পড়ে, যখন ক্যান্সার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে যায়।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার বিশ্বের অন্যতম প্রাণঘাতী ক্যান্সার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগটি অনেক দেরিতে ধরা পড়ে, যখন ক্যান্সার শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে যায়। ফলে চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে এবং রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও কমে যায়। তবে এবার এই মারণ রোগের বিরুদ্ধে আশার আলো দেখিয়েছেন গবেষকরা।</p>&#13;
<p><br>&nbsp;তাঁরা এমন একটি পরীক্ষামূলক টিকা তৈরি করেছেন, যা অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার হওয়ার আগেই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ক্যানসার কোষ চিনে ধ্বংস করার জন্য প্রস্তুত করে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনটি শরীরে দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া ২০ জনের মধ্যে ১৮ জনের শরীরে শক্তিশালী ইমিউন প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে, যা দুই বছর পর্যন্ত সক্রিয় ছিল।</p>&#13;
<p><br><strong>কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই টিকা?&nbsp;</strong><br>এই ক্যান্সার সাধারণত হঠাৎ করে তৈরি হয় না। বছরের পর বছর ধরে অগ্ন্যাশয়ে ছোট ছোট প্রি-ক্যানসারাস পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই ক্যান্সারের প্রায় সব ক্ষেত্রেই একটি জিন মিউটেশন থাকে।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>বিজ্ঞানীদের মতে, এই জিনের পরিবর্তনই ক্যান্সার তৈরির অন্যতম প্রথম ধাপ। এই কারণেই গবেষকরা এই মিউটেশনকে লক্ষ্য করে টিকা তৈরি করেছেন। ভ্যাকসিনটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আগেভাগেই এই অস্বাভাবিক কোষ শনাক্ত করতে শেখায়, যাতে ভবিষ্যতে ক্যান্সার তৈরি হওয়ার আগেই সেই কোষ ধ্বংস করা সম্ভব হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>কীভাবে কাজ করে?&nbsp;</strong><br>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষক ড. এলিজাবেথ এম. জ্যাফি এবং তাঁর দল এই ভ্যাকসিন তৈরি করেছেন। এতে জিনের সবচেয়ে সাধারণ ছয় ধরনের মিউটেশনের কৃত্রিম প্রোটিন অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রায়ালে অংশ নেওয়া প্রত্যেককে ১৩ সপ্তাহের মধ্যে চারটি ডোজ দেওয়া হয়। এরপর রক্ত পরীক্ষা করে দেখা হয় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। ফলাফল ছিল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। শুধু তাই নয়, এই টি-সেলগুলির একটি অংশ দুই বছর পরেও শরীরে সক্রিয় অবস্থায় ছিল, যা ভবিষ্যতে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা দিতে পারে।</p>&#13;
<p><br><strong>পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কতটা?&nbsp;</strong><br>গবেষণায় দেখা গিয়েছে, টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছিল খুবই সামান্য। ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা, ক্লান্তি, ঠান্ডা লাগা বা হালকা ফ্লু-জাতীয় উপসর্গ দেখা গেলেও সেগুলি অল্প সময়ের মধ্যেই সেরে যায়। কোনও গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>আরও আশাব্যঞ্জক ফল গবেষকদের নজরে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যাঁদের অগ্ন্যাশয়ে আগে থেকেই ছোট সিস্ট ছিল, তাঁদের মধ্যে অনেকের সিস্ট ছোট হয়ে যায় বা সম্পূর্ণ অদৃশ্য হয়ে যায়। ফলো-আপ স্ক্যানে দেখা যায়, পাঁচজনের সিস্ট পুরোপুরি মিলিয়ে গেছে এবং তিনজনের ক্ষেত্রে আংশিকভাবে ছোট হয়েছে। গবেষণাকালীন সময়ে অংশগ্রহণকারীদের কারও অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার ধরা পড়েনি বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় এমন কোনও নতুন ক্ষতও তৈরি হয়নি।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>গবেষকরা ইতিমধ্যেই পরবর্তী পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করেছেন। এবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সিস্ট অপসারণ করতে চলেছেন এমন ব্যক্তিদের ওপর এই টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রতিরোধমূলক টিকা অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের সমস্যায় থাকা লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য নতুন আশার দিশা দেখাবে এবং ক্যান্সারের প্রতিরোধে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=aVwdO2dl2yc&amp;t=28s</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Groundbreaking Vaccine]]></category>
            <category><![CDATA[New Vaccine]]></category>
            <category><![CDATA[pancreatic cancer]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/24/55024a43-5098-43ba-b81e-07a7263e8f1d.webp" length="58384" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/24/55024a43-5098-43ba-b81e-07a7263e8f1d.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/24/55024a43-5098-43ba-b81e-07a7263e8f1d.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA["যা ঘটেছে ভুলে যাও!"—স্পেন ম্যাচের আগে মেসির বার্তা ঘিরে উত্তাল ফুটবল বিশ্ব, নেপথ্যে কোন রহস্য?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/conspiracy-theory-behind-argenitinas-poor-performance-in-the-world-cup-final-506957</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/conspiracy-theory-behind-argenitinas-poor-performance-in-the-world-cup-final-506957</guid>
            <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 15:35:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচে আর্জেন্টিনার খামখেয়ালি পারফরম্যান্স ঘিরে ফুটবল বিশ্বে এখন চরম শোরগোল। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>মেটলাইফ স্টেডিয়ামে স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল ম্যাচে আর্জেন্টিনার খামখেয়ালি পারফরম্যান্স ঘিরে ফুটবল বিশ্বে এখন চরম শোরগোল। নির্ধারিত সময় পার করে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় অর্ধে পৌঁছানোর পর প্রথম শট নিতে পারে ২০২২-এর বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা, যা লিওনেল স্কালোনির দলের ক্ষেত্রে একেবারেই অভাবনীয়। ডিফেন্সে লড়াই দেখা গেলেও পুরো ম্যাচে তারা ছিল প্রায় নিষ্প্রভ, আর এর নেপথ্যে ম্যাচের ঠিক আগেই ঘটা কোনও &nbsp;রহস্যময় ঘটনার ইঙ্গিত পাচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা।</p>&#13;
<p>ম্যাচ শুরুর ঠিক আগের একটি টানেল ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ড্রেসিংরুম থেকে বেরোনোর সময় লিওনেল মেসিকে সতীর্থদের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, "চল ছেলেরা, যা ঘটেছে সব ভুলে যাও, যেন কিছুই হয়নি।" মেসির এই শান্ত কিন্তু ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তার পেছনে ফুটে উঠেছে সতীর্থদের চরম মানসিক অশান্তি। ভিডিওতে দেখা গেছে, লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও এনজো ফার্নান্দেস মারাত্মক মানসিক চাপে বিহ্বল হয়ে রয়েছেন। পরবর্তীতে ম্যাচে মার্তিনেস প্রথমার্ধেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন এবং এনজো শেষ মুহূর্তে লাল কার্ড দেখে মাঠের বাইরে চলে যান।</p>&#13;
<p>সোশ্যাল মিডিয়ায় অগণিত অনুসারী থাকা কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে দাবি করা হচ্ছিল, খেলা শুরুর ঠিক আগে আচমকা অ্যান্টি-ডোপিং পরীক্ষা করার কারণেই খেলোয়াড়েরা বিভ্রান্ত ও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। তবে এই তত্ত্ব সামনে আসতেই কমিউনিটি নোটের মাধ্যমে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ফিফার ডোপিং পরীক্ষা সবসময় খেলা শেষের পরেই হয়ে থাকে, ম্যাচের ঠিক আগে নয়।</p>&#13;
<p>হাফটাইমের সময় টানেলে খেলোয়াড়দের নিজেদের চাঙ্গা করার মরিয়া চেষ্টা ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সেখানে ক্যাপ্টেন মেসিকে বলতে শোনা যায়, "চল ছেলেরা, আত্মবিশ্বাস রাখো। আমাদের তো সেটা সবসময়ই ছিল, আজ থাকবে না কেন?" পাশাপাশি গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেসও চিৎকার করে সতীর্থদের পিছিয়ে না এসে সাহসের সঙ্গে সামনে এগোনোর বার্তা দেন।</p>&#13;
<p>মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ম্যাচ শেষের অপ্রীতিকর ঘটনাও আর্জেন্টাইন শিবিরের মানসিক অস্থিরতা বাড়িয়ে তোলে। ম্যাচ শেষে গাবি ও এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে লিওনাক্রো পারেদেসের হাতাহাতি বাঁধলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যেখানে কোচিং স্টাফদেরও জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।</p>&#13;
<p>তবে সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে নীল-সাদা ভক্তদের মন ছুঁয়েছে অধিনায়ক লিওনেল মেসির আবেগঘন প্রতিক্রিয়া। সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় মেসি জানান যে, হারের এই ক্ষত শুকোতে অনেকটাই সময় লাগবে। তবুও হার মেনে নিয়ে দুইবার পরপর ফাইনালে ওঠার যৌথ সাফল্যকে মনে রাখার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে জয়ী দল স্পেনকে অভিনন্দন জানিয়ে ও দেশবাসীর অকৃত্রিম সমর্থনের জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান এই ফুটবল কিংবদন্তি।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[messi]]></category>
            <category><![CDATA[Argentina vs Spain]]></category>
            <category><![CDATA[world 2026 final]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/23/01cfb17a-ab70-47cb-9b5b-47b3d6cf8c7f.webp" length="50774" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/23/01cfb17a-ab70-47cb-9b5b-47b3d6cf8c7f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/23/01cfb17a-ab70-47cb-9b5b-47b3d6cf8c7f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পড়াশোনার সঙ্গে কর্মজীবনের প্রস্তুতি, এনএসইসি ক্যাম্পাস থেকে রিক্রুট করবে টিসিএস]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/campus-and-career/tcs-to-run-on-campus-drive-at-netaji-subhash-engineering-college-506392</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/campus-and-career/tcs-to-run-on-campus-drive-at-netaji-subhash-engineering-college-506392</guid>
            <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 16:31:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আজকের দ্রুত পরিবর্তন শীল প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রে শুধু পাঠ্য বইয়ের জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বাস্তবমুখী শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সঠিক  প্রশিক্ষণ এবং শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>আজকের দ্রুত পরিবর্তন শীল প্রযুক্তি ও কর্মক্ষেত্রে শুধু পাঠ্য বইয়ের জ্ঞানই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বাস্তবমুখী শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা, সঠিক &nbsp;প্রশিক্ষণ এবং শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ। এই চারটি বিষয়কে শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম ভিত্তি করে এগিয়ে চলেছে নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (NSEC)।</p>&#13;
<p>আগামী ২৩ জুলাই ২০২৬, এনএসইসি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দেশের অন্যতম অগ্রণী তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (TCS)-এর অন-ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট ড্রাইভ। ২০২৭-এর পাস-আউট ব্যাচের যোগ্য এনএসইসি পড়ুয়ারা এই বিশেষ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।</p>&#13;
<p>এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের কাছে শুধুমাত্র একটি নিয়োগ পরীক্ষা নয়; বরং দেশের প্রথম সারির কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সামনে নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও পেশাগত প্রস্তুতি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। একই সঙ্গে এটি এনএসইসি-র শিল্পমুখী শিক্ষা ও সুসংগঠিত ট্রেনিং অ্যান্ড প্লেসমেন্ট ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য প্রতিফলন।</p>&#13;
<p><strong>ক্যাম্পাস থেকেই কর্পোরেট জগতের প্রস্তুতি</strong></p>&#13;
<p>এনএসইসি-তে শিক্ষার্থীদের প্রথম বর্ষ থেকেই অ্যাকাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করা হয়। নিয়মিত অ্যাপ্টিটিউড ও কোডিং প্রশিক্ষণ, কমিউনিকেশন ও সফট স্কিল ডেভেলপমেন্ট, গ্রুপ ডিসকাশন, মক ইন্টারভিউ এবং ইন্ডাস্ট্রি-ভিত্তিক কর্মশালার মাধ্যমে পড়ুয়াদের আত্মবিশ্বাস ও পেশাগত দক্ষতা গড়ে তোলা হয়।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/21/146412df-135e-434f-ad44-662c0f00b3b5.webp"></p>&#13;
<p>অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত দিক নির্দেশনা এবং ট্রেনিং অ্যান্ড প্লেসমেন্ট সেলের ধারাবাহিক সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস নিয়োগের প্রতিটি ধাপের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। টিসিএস-এর মতো প্রতিষ্ঠানের অন-ক্যাম্পাস নিয়োগ উদ্যোগ সেই প্রস্তুতিকে বাস্তব সুযোগে রূপান্তরিত করার পথ তৈরি করে।</p>&#13;
<p><strong>২৮ বছরের শিক্ষাগত ঐতিহ্য</strong></p>&#13;
<p>১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এনএসইসি, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। দীর্ঘ ২৮ বছরের শিক্ষাগত ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং কর্মসংস্থানমুখী প্রশিক্ষণের সুন্দর সমন্বয় ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।&nbsp;</p>&#13;
<p>AICTE অনুমোদিত, MAKAUT-এর অধীনস্থ এবং NAAC ও NBA স্বীকৃত। এনএসইসি-তে রয়েছে উন্নতপরীক্ষাগার, আধুনিক পরিকাঠামো, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, গবেষণার পরিবেশ এবং বিভিন্ন কারিগরি ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ। &nbsp;AICTE IDEA LAB শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ভাবনাকে প্রোটোটাইপ, গবেষণা ও উদ্ভাবনী প্রকল্পে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/21/90160dcc-55a8-4de6-b40c-433d61d05071.webp"></p>&#13;
<p><strong>উচ্চশিক্ষার বিস্তৃত সুযোগ</strong></p>&#13;
<p>এনএসইসি-তে B.Tech-এর বিভিন্ন শাখা, B.Tech Lateral Entry, M.Tech, BCA, MCA, BBA (H), BBA in Digital Marketing, BBA in Hospital Management, পাঁচ বছরের Integrated MBA এবং বিভিন্ন Diploma Engineering প্রোগ্রামে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।</p>&#13;
<p>এখানে শিক্ষার লক্ষ্য কেবল একটি ডিগ্রি প্রদান নয়&mdash; প্রত্যেক পড়ুয়াকে জ্ঞান, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও পেশাগত মানসিকতায় সমৃদ্ধ করে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে তোলা।</p>&#13;
<p><strong>২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে</strong></p>&#13;
<p><em><strong>নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (NSEC)</strong></em></p>&#13;
<p><em><strong>প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ</strong></em></p>&#13;
<p><em><strong>ফোন:৯৮৩১৮১৭৩০৭</strong></em></p>&#13;
<p><em><strong>ওয়েবসাইট: www.nsec.ac.in</strong></em></p>&#13;
<p><em><strong>ঠিকানা: টেকনো সিটি, গড়িয়া, কলকাতা&ndash;৭০০১৫২</strong></em></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[NSEC]]></category>
            <category><![CDATA[Netaji Subhash Engineering College]]></category>
            <category><![CDATA[techno india group]]></category>
            <category><![CDATA[tig]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/21/516941bb-c798-40a7-88ea-dddbf86ff116.webp" length="121826" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/21/516941bb-c798-40a7-88ea-dddbf86ff116.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/21/516941bb-c798-40a7-88ea-dddbf86ff116.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এত স্পর্ধা রোমেরোর! ট্রাম্পের সঙ্গে মেলালেন না হাত, এড়িয়ে গেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-argentine-star-cristian-romero-snubs-donald-trump-506194</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-argentine-star-cristian-romero-snubs-donald-trump-506194</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 11:19:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনায় আলোচনায় উঠে এসেছেন আর্জেন্টিনা দলের ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান  রোমেরো। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ফাইনালের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনায় আলোচনায় উঠে এসেছেন আর্জেন্টিনা দলের ডিফেন্ডার ক্রিশ্চিয়ান &nbsp;রোমেরো। পদক গ্রহণের সময় মঞ্চে উঠে তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে হাত মেলাননি। তবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন দলের অন্য ফুটবলাররা ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।</p>&#13;
<p>ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় &nbsp;ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, &nbsp;রোমেরো প্রথমে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে হাত মেলান। কিন্তু তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাম্পকে এড়িয়ে যান। লিসান্দ্রো মার্টিনেজও ট্রাম্পের সঙ্গে করমর্দন করেননি।&nbsp;</p>&#13;
<p>পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ট্রাম্প শুধু খেলোয়াড়দের পদকই তুলে দেননি, অনেকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং কয়েকজনের সঙ্গে কথাও বলেন। পরে ইনফান্তিনোকে সঙ্গে নিয়ে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে ট্রফি তুলে দেন।</p>&#13;
<blockquote class="twitter-tweet" data-media-max-width="560">&#13;
<p dir="ltr" lang="es">En la entrega de las medallas, Cuti Romero y Licha Mart&iacute;nez le negaron el saludo al genocida Donald Trump.<br><br>Los dos centrales de la selecci&oacute;n nacional, adem&aacute;s de dejarlo todo en la cancha, se negaron a saludar al presidente de los Estados Unidos, Donald Trump. <a href="https://t.co/qhHKyAPvke">pic.twitter.com/qhHKyAPvke</a></p>&#13;
&mdash; Agitaci&oacute;n (@Agitacion_) <a href="https://x.com/Agitacion_/status/2078986133208277478?ref_src=twsrc%5Etfw">July 19, 2026</a></blockquote>&#13;
<p>&#13;
<script></script>&#13;
</p>&#13;
<p>ট্রফি হস্তান্তরের পর চ্যাম্পিয়ন দলের উদ্&zwnj;যাপন শুরু হলেও ট্রাম্প মঞ্চের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ফলে চ্যাম্পিয়ন দলের ট্রফি ধরার ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবিতেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রেমবন্দি হন।</p>&#13;
<p>রোমেরোর ট্রাম্পকে এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা শুরু হয়। তবে এ বিষয়ে রোমেরো কোনও মন্তব্য করেননি।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Cristian Romero]]></category>
            <category><![CDATA[Donald Trump]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/eda108ff-0d52-446e-a5ee-c13534718bf9.webp" length="76816" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/eda108ff-0d52-446e-a5ee-c13534718bf9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/eda108ff-0d52-446e-a5ee-c13534718bf9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[প্রিয় মেসির জন্য় জীবন দিতে পারেন, তাঁর জন্যই প্রিয় লিওর চোখে আজ জল, ক্ষমা চেয়ে নিলেন সবার কাছে ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-enzo-fernandez-says-sorry-to-argentine-fans-after-heartbreaking-red-card-506179</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-enzo-fernandez-says-sorry-to-argentine-fans-after-heartbreaking-red-card-506179</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 06:34:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ একদিন এক কিশোরের হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলেন। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>একদিন এক কিশোরের হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলেন, কারণ তাঁর কাছে লিওনেল মেসি শুধু একজন ফুটবলার ছিলেন না, ছিলেন স্বপ্নের আরেক নাম, অনুপ্রেরণার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।</p>&#13;
<p>২০১৬ সালের সেই রাত। কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পর যখন লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার জার্সি তুলে রাখার ঘোষণা করলেন, তখন শুধু একটি দলের নয়, ভেঙে গিয়েছিল কোটি মানুষের হৃদয়। আর্জেন্টিনার প্রতিটি মানুষ হতবাক হয়ে ভাবছিলেন, হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত? কেনই বা তাঁদের প্রিয় অধিনায়ক বিদায় নিতে চাইছেন?&nbsp;</p>&#13;
<p>সেই কোটি সমর্থকের ভিড়ে ছিলেন এক ছোট্ট কিশোর। তাঁর নাম এনজো ফার্নান্দেজ। মেসির প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল নিখাদ, বিশ্বাস ছিল অটুট। তাই কলম তুলে নিয়েছিলেন তিনি। ছোট্ট হৃদয়ের সমস্ত আবেগ দিয়ে লিখেছিলেন তাঁর প্রিয় নায়ককে, &ldquo;লিও, ফিরে এসো তুমি।&rdquo;</p>&#13;
<p>সময় বদলেছে। সেই কিশোর আজ বড় হয়েছেন, পৌঁছে গিয়েছেন বিশ্বফুটবলের মঞ্চে। লিোনেল স্কালোনির অন্যতম অস্ত্রও বটে। যে মেসিকে একদিন ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছিলেন, আজ সেই এনজোই হয়ে উঠলেন তাঁর দলের বিপর্যয়ের কারণ।&nbsp;</p>&#13;
<p>ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে তাঁর দুর্দান্ত গোলে আর্জেন্টিনা সমতায় ফিরেছিল। কিন্তু স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনালে গল্পটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।&nbsp;</p>&#13;
<p>নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হতে আর অল্প কিছুক্ষণ বাকি, ঠিক তখনই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হল এনজো ফার্নান্দেজকে। লাল কার্ডের শাস্তিতে আর্জেন্টিনা নেমে গেল দশ জনে।</p>&#13;
<p>এরপর শুরু হল এগারোর বিরুদ্ধে দশ জনের অসম লড়াই। অতিরিক্ত সময়জুড়ে স্পেনের টিকিটাকা যেন নদীর স্রোতের মতো আছড়ে পড়তে লাগল আর্জেন্টিনার রক্ষণে। একের পর এক আক্রমণ সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল নীল-সাদা শিবির। গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ অসাধারণ কিছু সেভ করে দলকে বারবার বাঁচালেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্যকে আর আটকানো গেল না।</p>&#13;
<p>ফেরান তোরেসের গোলেই স্পেনের হাতে উঠল চ্যাম্পিয়নের ট্রফি। আর মাঠ ছাড়ার পর নিজের ভুল বুঝতে পেরে নীল-সাদা সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন এনজো ফার্নান্দেজ।&nbsp;</p>&#13;
<p>যে ছেলে একদিন মেসিকে বলেছিল, &ldquo;লিও, ফিরে এসো, আজ সেই ছেলেই অজান্তে মেসির হৃদয় ভেঙে দিলেন। মেসি কাঁদলেন। ফুটবল যে কতটা নির্মম, আবার কতটা আবেগের, এনজো ফার্নান্দেজের এই গল্প যেন তারই এক জীবন্ত উদাহরণ।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Enzo Fernandez]]></category>
            <category><![CDATA[world cup final]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/18445627-6b8a-4cbf-a7ee-f0ff8e8c313d.webp" length="43860" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/18445627-6b8a-4cbf-a7ee-f0ff8e8c313d.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/18445627-6b8a-4cbf-a7ee-f0ff8e8c313d.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ইয়ামালদের দায়বদ্ধতাকে কুর্নিশ, স্পেনের রয়্যাল পরিবারের আবেগপ্রবণ বার্তা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/world-cup-2026-spanish-royal-family-celebrates-spain-s-world-cup-triumph-506177</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/world-cup-2026-spanish-royal-family-celebrates-spain-s-world-cup-triumph-506177</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 06:01:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া মাত্র রডরিগো, তোরেসদের অভিনন্দন জানায় স্পেনের রয়্যাল পরিবার। বিশ্বকাপে ফুটবলারদের প্রচেষ্টা, আত্মত্যাগ এবং দায়বদ্ধতার কুর্নিশ জানায়। ]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া মাত্র রডরিগো, তোরেসদের অভিনন্দন জানায় স্পেনের রয়্যাল পরিবার। বিশ্বকাপে ফুটবলারদের প্রচেষ্টা, আত্মত্যাগ এবং দায়বদ্ধতার কুর্নিশ জানায়। স্প্যানিশ রয়্যাল পরিবারের নিজস্ব এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে যাবতীয় চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে ট্রফি নিয়ে দেশে ফেরার জন্য প্রশংসা করা হয় ইয়ামালদের। এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, 'তোমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। আমাদের পরিশ্রমের ফসল এই স্টার। আত্মত্যাগ এবং দায়বদ্ধতার প্রতীক। গ্রেট দলগুলোর মতোই তোমরা প্রত্যেক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করেছ। স্পেনের নাম একনম্বরে নিয়ে গিয়েছ।'&nbsp;</p>&#13;
<p>প্লেয়ার, কোচিং স্টাফ এবং সাপোর্টারদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তাঁরা দাবি করেন, এই জয় আগামী বছরগুলোতে মনে থাকবে। পোস্টে লেখা হয়, 'প্লেয়ার, কোচিং স্টাফ এবং ফ্যানদের অভিনন্দন। আজ আমরা খেতাব জয় সেলিব্রেট করছি। কাল আমরা একজন কিংবদন্তিকে মনে রাখব।' অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে করা ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ তে হারায় স্পেন। ১০৬ মিনিটে জয়সূচক গোল করেন পরিবর্ত ফুটবলারের তোরেস। আট ম্যাচে মাত্র এক গোল হজম করে স্পেন। রক্ষণ অটুট রেখে অনবদ্য ফুটবল। লুইস ডে লা ফুয়েন্তের কোচিংয়ে ২০২৪ সালে ইউরো জয়ের দুই বছরের মধ্যে বিশ্বকাপ। আগাগোড়াই আধিপত্য ছিল স্পেনের। গোলের নিচে এমিলিয়ানো মার্টিনেজ না থাকলে, অনেক আগেই জয় নিশ্চিত করে ফেলত স্প্যাবিয়ার্ডরা। গোটা ম্যাচে ১২টি সেভ আর্জেন্টিনার গোলকিপারের। কিন্তু শেষপর্যন্ত দুর্গ অক্ষত রাখতে পারেনি।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[lamine yamal]]></category>
            <category><![CDATA[Spain Champion]]></category>
            <category><![CDATA[Spain vs Argentina]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/5211aa7b-a152-4ab5-ae86-c3fc7153311b.webp" length="190516" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/5211aa7b-a152-4ab5-ae86-c3fc7153311b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/5211aa7b-a152-4ab5-ae86-c3fc7153311b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সৌদির বিরুদ্ধে হারের ম্যাচে বাঁশি ছিল তাঁর মুখেই, সেই রেফারি ভিনিসিচই ফাইনালে সাক্ষী থাকলেন মেসিদের স্বপ্নভঙ্গের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/slavko-vincic-who-witness-saudi-arabia-win-has-now-witnessed-messi-dream-come-to-an-end-506176</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/slavko-vincic-who-witness-saudi-arabia-win-has-now-witnessed-messi-dream-come-to-an-end-506176</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 05:49:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[স্পেন, ফেরান তোরেস আর স্লাভকো ভিনিসিচ। আর্জেন্টিনা এবং মেসির কাছে দুঃস্বপ্ন বলতে আপাতত এই তিনটে নাম।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>স্পেন, ফেরান তোরেস আর স্লাভকো ভিনিসিচ। আর্জেন্টিনা এবং মেসির কাছে দুঃস্বপ্ন বলতে আপাতত এই তিনটে নাম।</p>&#13;
<p>বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ধোপে টিকতে পারল না আর্জেন্টিনা। ফেরান তোসের জাল ছিঁড়ে দেওয়া শটে কাঁদালেন মেসিকে। আর একজন? এই স্লাভকো ভিনিসিচ মেসিদের কাছে পয়া নন সেটা বলাই যায়।</p>&#13;
<p>কিন্তু কেন? ২০২২ সালে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। আকস্মিক হারে নক আউটে ওঠা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু তারপর মেক্সিকোকে হারিয়ে দুর্দান্ত কামব্যাক এবং পরবর্তীতে চ্যাম্পিয়ন।</p>&#13;
<p>সেই সৌদির বিরুদ্ধেই বিশ্বকাপে শেষ ম্যাচ হেরেছিলেন মেসিরা। ১৫ ম্যাচ পর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল। মার্কিন মুলুকে উল্টোদিকে স্পেন আর রেফারি সেই ভিনিসিচ।</p>&#13;
<p>ফলাফল, মেসি অঝোরে কাঁদছেন। সৌদির বিরুদ্ধে হেরে গোটা আর্জেন্টিনা ড্রেসিংরুম কার্যত কোমায় চলে গিয়েছিল। গোটা বিশ্বকাপে যা হল না, এদিন এনজো লাল কার্ড খেলেন।</p>&#13;
<p>বারবার আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডাররা ফাউল করে বসলেন। গোটা টুর্নামেন্টে ফিজিক্যাল ফুটবল খেললেও এতবার রেফারির কোপে পড়েনি আর্জেন্টিনা।</p>&#13;
<p>উল্টে, মেসি সুইজারল্যান্ড ম্যাচে রেফারিকে বলেছিলেন, &lsquo;আমাকে সম্মান করো।&rsquo; এদিন কোনও অনুরোধ, আর্তি কাজে এল না। ভিনিসিচ যে আর্জেন্টিনার কাছে খুব একটা পয়া নন তা প্রমাণ হয়ে গেল আরও একবার।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Slavko Vincic]]></category>
            <category><![CDATA[lionel messi]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/d4b67f77-65ba-44a4-a289-a72ad8e5b70f.webp" length="53590" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/d4b67f77-65ba-44a4-a289-a72ad8e5b70f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/d4b67f77-65ba-44a4-a289-a72ad8e5b70f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফুটবল মাঠ না যুদ্ধক্ষেত্র! ফাইনাল হেরে স্পেনের তারকার গলা টিপে ধরলেন পারেদেস, এ কী আচরণ আর্জেন্টিনার]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-fight-breaks-out-between-spain-and-argentina-players-after-the-fifa-world-cup-2026-final-506175</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-fight-breaks-out-between-spain-and-argentina-players-after-the-fifa-world-cup-2026-final-506175</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 05:20:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[যেই না বিশ্বকাপের ফাইনালে ১-০ গোলে হেরে গেল আর্জেন্টিনা, অমনি ম্যাচ শেষের বাঁশির পর স্পেনের ফুটবলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লেন আর্জেন্টিনার একাধিক খেলোয়াড়। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>যেই না বিশ্বকাপের ফাইনালে ১-০ গোলে হেরে গেল আর্জেন্টিনা, অমনি ম্যাচ শেষের বাঁশির পর স্পেনের ফুটবলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লেন আর্জেন্টিনার একাধিক খেলোয়াড়। মাঠ জুড়ে তৈরি হয় উত্তপ্ত পরিস্থিতি, যা বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে স্পোর্টসম্যানশিপ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>খেলা চলাকালীন দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। পরিবর্ত হিসেবে নেমে পারেদেস স্পেনের ফুটবলারদের বেশি উত্তক্ত করছিলেন। হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। লাল কার্ডও দেখতে পারতেন তিনি ফাইনালে। খেলার শেষে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।&nbsp;</p>&#13;
<p>আর্জেন্টিনার তারকা লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্পেনের এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন। গাভি ছুটে এসে সতীর্থের পাশে দাঁড়ালে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে থিয়াগো আলমাদা-সহ দুই দলের আরও কয়েকজন খেলোয়াড় তর্কবিতর্ক ও ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি মাঠে নেমে নিজের দলের খেলোয়াড়দের সরিয়ে নিয়ে যান।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের যন্ত্রণা নিঃসন্দেহে তীব্র। তবে সেই হতাশার বহিঃপ্রকাশ যদি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাতাহাতিতে গিয়ে পৌঁছায়, তাহলে তা খেলাধুলার চেতনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেই প্রশ্ন উঠছেই।&nbsp;</p>&#13;
<p>অনেকের মতে, ফাইনাল হারের ক্ষোভ যেন স্পেনের এই নবীন প্রজন্মের ফুটবলারদের ওপরই উগরে দিলেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা।</p>&#13;
<p>এর আগেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে &nbsp;সেমিফাইনালের শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিলেন। &nbsp;সেই ম্যাচে ভ্যালেন্তিন বারকো ও জুড বেলিংহ্যামের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। বারকোর মাথায় সজোরে মেরে বসেছিলেন বেলিংহ্যাম।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[FIFA World Cup 2026 Final]]></category>
            <category><![CDATA[spain]]></category>
            <category><![CDATA[argentina]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/6c8c0864-d66c-46c0-b82f-7b9b0de41ef5.webp" length="51636" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/6c8c0864-d66c-46c0-b82f-7b9b0de41ef5.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/6c8c0864-d66c-46c0-b82f-7b9b0de41ef5.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রাজত্ব হারালেন, মুকুটও গেল, আপনার কান্না বলে দেয়, মেসি, আপনিও মানুষ ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-lionel-messi-broke-down-in-tears-after-losing-the-world-cup-against-spain-506172</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-lionel-messi-broke-down-in-tears-after-losing-the-world-cup-against-spain-506172</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 04:56:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[কান্নারও বোধহয় আলাদা আলাদা রং থাকে। কোনও কান্না স্বপ্নপূরণের, কোনও কান্না আবার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার।  ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>কান্নারও বোধহয় আলাদা আলাদা রং থাকে। কোনও কান্না স্বপ্নপূরণের, কোনও কান্না আবার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার। &nbsp;<br>মিশরের বিরুদ্ধে পেনাল্টি নষ্ট করে মেসি ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো নিজের দলের কাঁধে বাড়িয়ে দিয়েছেন চাপের পাহাড়। সেই অপরাধবোধ থেকে বেরিয়ে আসার পরে যখন মিশরকে হারিয়ে নীল-সাদা জার্সিধারীরা পরের পর্বে পৌঁছেছিল, তখন তাঁর চোখের জল ছিল আনন্দের, বেঁচে থাকার, লড়াই জিতে ফেরার। সেই কান্নায় ছিল মুক্তির আলো।</p>&#13;
<p>কিন্তু মেটলাইফের ফাইনালটা ছিল অন্যরকম। গল্পটা বদলে গেল। এবার বাঁধ ভাঙল এক রাজাধিরাজের অসহায়তায়। ফাইনালের শেষ বাঁশি বেজে যাওয়ার পর মেসির চোখের জল ছিল অনেককিছু হারানোর কান্না।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই মেটলাইফ যেন মেসির আবেগের এক অদ্ভুত ঠিকানা হয়ে উঠেছে। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার সেই পরাজয়ের পরও এই মাঠে কেঁদেছিলেন তিনি। সময় বদলেছে, প্রতিপক্ষ বদলেছে, কিন্তু মেসির চোখের জলের গল্প যেন একই থেকে গিয়েছে।</p>&#13;
<p>দিয়েগো মারাদোনার ছায়াকে অতিক্রম করে নিজের ছায়া দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে পারত। সেই সুযোগও ছিল। ইতিহাস কখনও কখনও কাউকে সম্পূর্ণ হতে দেয় না। মেসিও টানা দু'বার বিশ্বজয়ের খেতাব জিততে পারলেন না।&nbsp;</p>&#13;
<p>ফাইনালের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনাকে ছন্দহীন দেখাল। যে দল নক আউটে অসম্ভবকে সম্ভব করে বারবার ফিরে এসেছিল, যে দলকে দেখে মনে হয়েছিল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা মৃত্যুর মুখ থেকেও জয় ছিনিয়ে আনতে পারে, সেই দলই এদিন অচেনা হয়ে গেল।&nbsp;</p>&#13;
<p>আর মেসি? যিনি একসময় স্পেনের মাঠে ফুটবলের নতুন ভাষা লিখেছিলেন, সেই বুলফাইটিংয়ের দেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মেসি দেখলেন নিজের স্বপ্নের দুর্গ ভেঙে পড়তে।</p>&#13;
<p>ম্যাচের বেশিরভাগ সময় তিনি ছিলেন নীরব দর্শক। &nbsp;অতিরিক্ত সময়ে যখন ফেরান তোরেসের গোলে পিছিয়ে আর্জেন্টিনা, তখন কয়েক মুহূর্তের জন্য জেগে উঠেছিলেন সেই পুরনো মেসি। চোখে জ্বলে উঠেছিল শেষ লড়াইয়ের আগুন। কিন্তু ততক্ষণে গল্পের শেষ পাতা লেখা হয়ে গিয়েছে।</p>&#13;
<p>সব রূপকথার শেষ অধ্যায় সুখের হয় না। কখনও কখনও তূণে সমস্ত অস্ত্র থাকলেও &nbsp;নায়ক পরাজিত হন। ফেরান তোরেসের &nbsp;গোল কেবল ফাইনালের ফল বদলায়নি, তা ভেঙে দিয়েছে কোটি মানুষের বিশ্বাস। মানুষ মনে করত, মেসি থাকলে শেষ মুহূর্তে অলৌকিক কিছু ঘটবেই। সে তো আর দেখা গেল না।&nbsp;</p>&#13;
<p>মেসির কান্না পরাজয়ের চেয়েও হয়তো বড় কিছু। মেসি কাঁদলেন। আর সেই কান্নায় কেঁদে উঠল পৃথিবী। কখনও কখনও রাজাদেরও মাথা নত করতে হয়। আজ সেরকমই এক দিন ছিল। &nbsp;</p>&#13;
<p>রাজত্ব হাতছাড়া হল, মুকুট উঠল অন্যের মাথায়। মেটলাইফ আবারও মেসিকে কাঁদতে দেখল। আমরা বুঝলাম মেসিও রক্তমাংসেরই মানুষ।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Argentina vs Spain]]></category>
            <category><![CDATA[lionel messi]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/ca4b9248-a5cc-4f53-a071-d15652fa50ed.webp" length="41988" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/ca4b9248-a5cc-4f53-a071-d15652fa50ed.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/ca4b9248-a5cc-4f53-a071-d15652fa50ed.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ট্রফি তুলে দিয়েও স্পেনকে সেলিব্রেশনে বাধা, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিটা কী? ভাইরাল ভিডিওতে হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে নেটপাড়া]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-donald-trump-refuses-to-leave-podium-as-spain-lifts-world-cup-506173</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-donald-trump-refuses-to-leave-podium-as-spain-lifts-world-cup-506173</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 04:44:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন ট্রাম্প। সেই সময়ই স্টেডিয়ামের গ্যালারির একাংশ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে দুয়ো দেন দর্শকরা।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন।</p>&#13;
<p>এদিন ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন ট্রাম্প। সেই সময়ই স্টেডিয়ামের গ্যালারির একাংশ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে দুয়ো দেন দর্শকরা।</p>&#13;
<p>অবশ্য, বিতর্কের এখানেই শেষ নয়। এর আগেই ইনফান্তিনো ঘোষণা করেছিলেন, বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেবেন ট্রাম্প। সেই ঘোষণা অনুযায়ী স্পেন অধিনায়ক রড্রির হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।</p>&#13;
<p>এরপর ট্রাম্প ও ইনফান্তিনো দুই দলের ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফদের হাতে পদকও তুলে দেন। তবে স্প্যানিশ অধিনায়কের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়ার পর ট্রাম্প যা করে বসলেন তাতেই হেসে লুটোপুটি খাচ্ছে নেটপাড়া।</p>&#13;
<p>https://x.com/WhiteHouse/status/2078976201188606160</p>&#13;
<p>রড্রি সতীর্থদের নিয়ে বিশ্বকাপ জেতার সেলিব্রেশন করতে চেয়েও করতে পারছিলেন না। কারণ, ট্রাম্প কিছুক্ষণ তাঁদের মাঝেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা তাঁকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেন।</p>&#13;
<p>এরপর তিনি সেখান থেকে সরে দাঁড়ালে স্পেনের ফুটবলাররা বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে উদযাপন করেন। ঘটনার ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনা প্রথম নয়।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/aVwdO2dl2yc?si=thHTUQeiJplGHXtQ</p>&#13;
<p>চলতি বছরের শুরুতে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালেও ট্রফি প্রদানের পর চেলসি ফুটবলারদের সঙ্গে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ছিলেন ট্রাম্প। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রোটোকল মেনে ট্রফি উত্তোলনের আগে তাঁকে সরে যেতে হয়, যাতে স্পেনের ফুটবলাররা নিজেদের মতো করে ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করতে পারেন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Spain vs Argentina Highlights]]></category>
            <category><![CDATA[Donald Trump]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/6905b7ca-54e4-48e5-9d80-e44dec4a23f6.webp" length="163708" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/6905b7ca-54e4-48e5-9d80-e44dec4a23f6.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/6905b7ca-54e4-48e5-9d80-e44dec4a23f6.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[যুবভারতীতে খেলে গিয়েছেন, মেসিদের কাঁদিয়ে ফেরান তোরেস বললেন, ‘ভাগ্যে লেখাই ছিল’]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-hero-ferran-torres-says-it-was-written-in-destiny-after-sinking-messi-s-argentina-506171</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-hero-ferran-torres-says-it-was-written-in-destiny-after-sinking-messi-s-argentina-506171</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 04:07:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ফেরান তোরেস খেলে গিয়েছেন ভারতে, খেলে গিয়েছেন সল্টলেক স্টেডিয়ামে। ২০১৭ সালের অনুর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতে এসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন ফেরান তোরেস।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করে স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জেতালেন ফেরান তোরেস।</p>&#13;
<p>স্পেনের ১-০ গোলের জয়ে ম্যাচে দাঁড়াতেই পারল না আর্জেন্টিনা। গোটা ম্যাচে বোতলবন্দি হয়ে রইলেন মেসি। আর ফাইনালের জয়ের নায়ক? সেই ফেরান তোরেস খেলে গিয়েছেন ভারতে, খেলে গিয়েছেন সল্টলেক স্টেডিয়ামে।</p>&#13;
<p>২০১৭ সালের অনুর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে ভারতে এসে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছিলেন ফেরান তোরেস। একার চেষ্টায় ফাইনালে তুলেছিলেন স্পেনকে। সেই ফেরান আজ স্পেনের হিরো।</p>&#13;
<p>১২৫ মিনিট ধরে স্পেনকে ধরতেই পারল না আর্জেন্টিনা। ফেরান তোরেসের গোলেই দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হল লা রোহা। ম্যাচ শেষে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দিলেন বার্সেলোনা তারকা।</p>&#13;
<p>ফেরান বলেন, &lsquo;শেষ পর্যন্ত এই গোলটা শুধু আমার নয়, স্পেনের ৪৭ মিলিয়ন মানুষের। ভাগ্যে লেখা ছিল, এই বিশ্বকাপ আমাদেরই জেতার কথা।&rsquo; ফাইনালে আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়া নিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;সব ফাইনালই কঠিন। আর প্রতিপক্ষে যখন লিওনেল মেসির মতো ফুটবলার থাকেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা স্নায়ুর চাপ থাকে। কিন্তু আমরা নিজেদের খেলাতেই বিশ্বাস রেখেছিলাম এবং আবারও তা প্রমাণ করেছি।&rsquo;</p>&#13;
<p>পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে সমালোচনার মুখে পড়তে হলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের নায়ক হওয়ায় স্বস্তির কথা জানিয়েছেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। তাঁর কথায়, &lsquo;এই বিশ্বকাপে আমাকে অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ভাগ্যে যা লেখা থাকে, তাই হয়। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, তিনি আমাকে সবসময় এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছেন। আমি বিশ্বাস করি, ঈশ্বর সেই মানুষকেই প্রাপ্য জিনিস দেন, যে তার যোগ্য।&rsquo;</p>&#13;
<p>ম্যাচের শেষদিকে আর্জেন্টিনার রক্ষণাত্মক কৌশল প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন তোরেস। তিনি বলেন, &lsquo;লাল কার্ডের পর আর্জেন্টিনা সেই ধরনের ফুটবলই খেলেছে। তবে আমি ধৈর্য হারাইনি, নিজের মনঃসংযোগ ধরে রেখেছিলাম। শেষ পর্যন্ত সেটাই আমাদের সাফল্য এনে দিয়েছে।&rsquo;</p>&#13;
<p>https://youtu.be/aVwdO2dl2yc?si=thHTUQeiJplGHXtQ</p>&#13;
<p>অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের সেই একমাত্র গোলেই ইতিহাস গড়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল স্পেন। মেসি যখন চোখের জলে মাঠ ছাড়লেন তখন ইয়ামালের মাথায় উঠল বিশ্বসেরার মুকুট।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Ferran Torres]]></category>
            <category><![CDATA[lionel messi]]></category>
            <category><![CDATA[Spain vs Argentina]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/8ee4011a-32a1-4a4e-9b96-cc23b6dc3907.webp" length="71770" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/8ee4011a-32a1-4a4e-9b96-cc23b6dc3907.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/8ee4011a-32a1-4a4e-9b96-cc23b6dc3907.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মেসির কাছে মেটলাইফ ব্যর্থতার বিষণ্ণ স্মৃতি হয়ে থেকে গেল, স্পেন লিখল বিশ্বজয়ের নতুন মহাকাব্য]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-spain-beat-argentina-and-became-world-champions-506169</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/fifa-world-cup/world-cup-2026-spain-beat-argentina-and-became-world-champions-506169</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 03:30:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[২০২২-এর সেই রূপকথার পুনরাবৃত্তি আর হল না নিউ ইয়র্কে। উলটে মেটলাইফ আর্জেন্টিনার কাছে অভিশপ্ত হয়ে রইল। মেসির কাছেও মেটলাইফ স্টেডিয়াম বিষণ্ণ স্মৃতি হয়েই থেকে গেল। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong><span style="color: #ba372a;">স্পেন </span>-১ <span style="color: #236fa1;">আর্জেন্টিনা</span>-০</strong><br><strong>(তোরেস)</strong></p>&#13;
<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: &nbsp;</strong>২০২২-এর সেই রূপকথার পুনরাবৃত্তি আর হল না নিউ ইয়র্কে। উলটে মেটলাইফ আর্জেন্টিনার কাছে অভিশপ্ত হয়ে রইল। মেসির কাছেও মেটলাইফ স্টেডিয়াম বিষণ্ণ স্মৃতি হয়েই থেকে গেল।&nbsp;</p>&#13;
<p>১২০ মিনিটের লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনাকে ০-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হল স্পেন। টানা দু'বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর হওয়া হল না লিওনেল মেসির।</p>&#13;
<p>এক্সট্রা টাইমে ফেরান তোরেস গোল করে মেসির স্বপ্ন ভেঙে দিলেন। সেই গোল আর শোধ করতে পারল না আর্জেন্টিনা। অথচ মেসি এবং তাঁর আর্জেন্টিনা এই বিশ্বকাপের নক আউটে অবিশ্বাস্য সব প্রত্যাবর্তনের কাহিনি লিখেছে। কিন্তু ফাইনালে আর সেই রূপকথা লেখা হল না।</p>&#13;
<p>দে লা ফুয়েন্তের এই স্পেন আর্জেন্টিনার উপরে গোটা ম্যাচ জুড়ে প্রাধান্য বজায় রেখে চ্যাম্পিয়ন হল। মেসি নিষ্প্রভ। কোথায় হারিয়ে গেল তাঁর সেই পাস, ড্রিবলিং। স্প্যানিশ আর্মাডাদের বিরুদ্ধে একমাত্র উজ্জ্বল দেখাল আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে। একাধিকবার তিনি বিপদের হাত থেকে দলকে বাঁচালেন। কিন্তু শেষরক্ষা আর হল না।</p>&#13;
<p>মেটলাইফ দশ জনের আর্জেন্টিনার কাছে ধরা দিল ওয়াটারলু হয়ে। দশ বছর আগেও তো এই স্টেডিয়াম থেকে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন মেসি। পেনাল্টি মিস করেছিলেন। সবুজ ঘাসের উপর বসে থাকা এক বিধ্বস্ত মানুষ লিওনেল মেসি। যে মানুষটিকে পৃথিবী দেবতা বানিয়েছিল, সেই মানুষটিকেই সেদিন দাঁড় করানো হয়েছিল কাঠগড়ায়। ফুটবল বড় নিষ্ঠুর খেলা। এক মুহূর্তেই কেউ নায়ক আবার কেউ খলনায়ক। সেই রাতেই তিনি বলে দিয়েছিলেন, ফুটবল তোমায় দিলাম আজকে ছুটি।&nbsp;</p>&#13;
<p>১০ বছর পরে সেই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মেসি হাসতে পারতেন। কিন্তু তা আর হল কোথায়! ২০১০ সালের পরে স্পেন আবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের শেষে বিষণ্ণ মেসি সবুজ ঘাসে একাকী বসে। আর্জেন্টিনার বাকি প্লেয়ারদের চোখে শূন্যতা। লিওনেল স্কালোনিও হতাশা গোপন করতে পারছেন না। তাঁর রণতরী ডুবে গেল স্প্যানিশ আর্মাডাদের দাপটে।</p>&#13;
<p>১৯৯০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর মারাদোনার চোখের জল আজও ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মানবিক ছবিগুলোর একটি। টানা&nbsp; দু'বার বিশ্বজয় করতে পারেননি মারাদোনা। মেসিও পারলেন না।&nbsp;</p>&#13;
<div class="xdj266r x14z9mp xat24cr x1lziwak x1vvkbs x126k92a">&#13;
<div dir="auto">জুলাই মাস মেসির কাছে হর্ষ-বিষাদের এক আয়না হয়ে থাকল। জুলাইয়ে কখনও তিনি ব্যর্থ। আবার কখনও সফল। এই জুলাইয়ে জার্মানির কাছে হেরে বিশ্বকাপ খুইয়েছিলেন ব্রাজিলে। আবার ২০২৪ সালের জুলাইয়ে জিতেছিলেন কোপা আমেরিকা। আর দু'বছর বাদের জুলাইয়ে হারতে হল বিশ্বকাপ ফাইনালে।</div>&#13;
<div dir="auto">&nbsp;</div>&#13;
<div dir="auto">একদিকে স্পেনের টিকিটাকা ফুটবল। অন্যদিকে মেসি। স্বপ্নের ফাইনাল বলতে যা বোঝায় তাই ছিল। সবাই ধরেই নিয়েছিল আক্রমণের ঢেউয়ে ভেসে যাবে দুই প্রান্ত। কিন্তু&nbsp;নব্বই মিনিট ধরে ঝুলে রইল এক অদৃশ্য তালা। গোলের খোঁজে ছুটে চলল দুই দল, কিন্তু গোলের পাসওয়ার্ড খুঁজে পেল না কোনও দলই।</div>&#13;
<div dir="auto">&nbsp;</div>&#13;
<div dir="auto">স্পেনের আক্রমণের ঢেউ বারবার আছড়ে পড়ল আর্জেন্টিনার দুর্গে। প্রতিবারই প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। তাঁর গ্লাভসে আটকে গেল স্পেনের বহু স্বপ্ন। নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষলগ্নে ইয়ামালের বাঁক খাওয়ানো ফ্রি কিক শরীর ছুড়ে বাঁচালেন এমি মার্টিনেজ। বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে বেশি বল বাঁচানোর রেকর্ডও গড়ে ফেলেছিলেন এমি।</div>&#13;
<div dir="auto">&nbsp;</div>&#13;
<div dir="auto">সবাই যখন ধরে নিয়েছে এক্সট্রা টাইমে হয়তো ম্যাচের নিষ্পত্তি হবে না। ফাইনাল গড়াবে টাইব্রেকারে আর সেখানে এমি মার্টিনেজ কাতারের মতো দলকে চ্যাম্পিয়ন করবেন, ঠিক তখনই ফেরান তোরেস গোল করে গেলেন। খেলার বয়স তখন ১০৬ মিনিট। তার আগে অবশ্য কোনও এক অজানা কারণে নিকোর গোল বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। আরও একবার অফসাইডের অজুহাতে স্পেনের গোল বাতিল হয়।&nbsp;</div>&#13;
<div dir="auto">&#13;
<p class="isSelectedEnd">আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্কালোনির গুরু লুইস দে লা ফুয়েন্তে। এদিন গুরুর কাছে হার মানলেন শিষ্য। শুরু থেকেই স্পেন খেলল পরিচিত ছন্দে। পাস, গতি আর নিয়ন্ত্রিত ফুটবল। লামিন ইয়ামাল, ওয়ারজাবালদের আক্রমণে বারবার কেঁপে উঠল আর্জেন্টিনার রক্ষণ। অন্যদিকে মেসিকে ঘিরে থাকা নীল-সাদা স্বপ্ন যেন খুঁজে পেল না তার স্বাভাবিক সুর। দেখা গেল না স্বাভাবিক রং। স্প্যানিশ কৌশলের জালে বন্দি হয়ে রইলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।</p>&#13;
<p class="isSelectedEnd">স্কালোনি কৌশল বদলালেন। খেলোয়াড় পরিবর্তন করলেন। কিন্তু স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনাকে সেই গুটিয়ে থাকতেই দেখা গিয়েছে। বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণের ধার, সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। তার উপরে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড&nbsp; দেখে&nbsp; বসলেন। দশ জনে নেমে যায় নীল-সাদা জার্সিধারীরা। এক্সট্রা&nbsp; টাইমে এগারোর বিরুদ্ধে দশের অসম লড়াই হল। হেরে গেল আর্জেন্টিনা। যে দলটি এতদিন অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প লিখেছিল, সেই দলই মেটলাইফে থমকে গেল। ফুটবল কখনও কখনও এমনই।&nbsp;</p>&#13;
<p class="isSelectedEnd">২০২২-এর কাতার থেকে ২০২৬-এর নিউ ইয়র্ক, এই যাত্রাপথে মেসি পেয়েছেন গৌরব, পেয়েছেন ভালবাসা, কিন্তু পেলেন না সেই বিরল কীর্তি।&nbsp;</p>&#13;
<p class="isSelectedEnd">স্পেন এই শিরোপার একেবারে যোগ্য দাবিদার। ফাইনালের ১২০ মিনিটের লড়াই দিয়ে তাদের বিচার করলে ভুল হবে। পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই তারা দেখিয়েছে ধারাবাহিকতা, আত্মবিশ্বাস এবং আধিপত্যের এক অনন্য মিশেল। বল দখল, আক্রমণের বৈচিত্র্য, কৌশলের নিখুঁত প্রয়োগ, প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্পেন বাকিদের থেকে অনেক এগিয়েছিল।</p>&#13;
<p>ফাইনালেও সেই পরিচিত ছন্দেরই প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। চাপের মুহূর্তে মাথা ঠান্ডা রাখা, সুযোগ তৈরি করা এবং শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নেওয়ার মানসিকতা দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন স্পেন। নতুন প্রজন্মের এই স্পেন শুধু বিশ্বজয় করল না, নিজেদের ফুটবল দর্শন ও দক্ষতার এক উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখে গেল বিশ্বমঞ্চে।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[spain]]></category>
            <category><![CDATA[argentina]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/e7039e92-3dde-4406-b4b4-70de1cd65e52.webp" length="146444" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/e7039e92-3dde-4406-b4b4-70de1cd65e52.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/20/e7039e92-3dde-4406-b4b4-70de1cd65e52.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রোগ সারানো না গেলে প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়ার অনুমোদন! 'সহায়তাপ্রাপ্ত মৃত্যু' বিল কী? কারা আবেদন করতে পারবেন? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/france-approves-assisted-dying-bill-right-to-death-with-dignity-505818</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/france-approves-assisted-dying-bill-right-to-death-with-dignity-505818</guid>
            <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 16:24:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিশ্বের প্রায় ৩০ কোটি মানুষের এমন দেশে বসবাস, যেখানে নির্দিষ্ট শর্তে ইউথেনেশিয়া (Euthanasia) বা মেডিক্যালি অ্যাসিস্টেড সুইসাইড (Medically Assisted Suicide) বৈধ।]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>ফ্রান্সের জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি বুধবার 'সহায়তাপ্রাপ্ত মৃত্যু' বিলে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে, যার মাধ্যমে নিরাময়-অযোগ্য (ইনকিউরেবল) রোগে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের নির্দিষ্ট শর্তে প্রাণঘাতী ওষুধ গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। দীর্ঘ কয়েক বছরের বিতর্কের পর এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।&nbsp;তবে ২৯১-২৪১ ভোটে বিলটি পাস হলেও এটি এখনও আইনে পরিণত হয়নি। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তিন বছরেরও বেশি আগে এই আইন আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশ্বের প্রায় ৩০ কোটি মানুষের এমন দেশে বসবাস, যেখানে নির্দিষ্ট শর্তে ইউথেনেশিয়া (Euthanasia) বা মেডিক্যালি অ্যাসিস্টেড সুইসাইড (Medically Assisted Suicide) বৈধ। ফ্রান্সে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থ রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এ বিষয়ে বিতর্কও তীব্র হয়েছে।<br><br><br>বিলটি মূলত মেডিক্যালি অ্যাসিস্টেড সুইসাইড-এর অনুমতি দেয়। অর্থাৎ রোগী নিজেই চিকিৎসকের দেওয়া প্রাণঘাতী ওষুধ গ্রহণ করবেন। তবে শারীরিকভাবে তা সম্ভব না হলে চিকিৎসক বা নার্স সহায়তা করতে পারবেন।</p>&#13;
<p><strong>কী কী শর্ত আছে? </strong></p>&#13;
<p>★আবেদনকারীকে অন্তত ১৮ বছর বয়সী হতে হবে।<br>★তিনি ফরাসি নাগরিক বা বৈধ বাসিন্দা হতে হবে।<br>★চিকিৎসককে বিশেষজ্ঞদের একটি দলের সঙ্গে পরামর্শ করে নিশ্চিত করতে হবে যে রোগীর গুরুতর, নিরাময়-অযোগ্য ও প্রাণঘাতী রোগ রয়েছে।<br>★রোগীকে রোগের অগ্রসর বা শেষ পর্যায়ে থাকতে হবে।<br>★এমন অসহনীয় যন্ত্রণায় ভুগতে হবে, যা উপশম করা সম্ভব নয়।<br>★মৃত্যুর আবেদনটি রোগীর নিজস্ব স্বাধীন ইচ্ছায় হতে হবে।<br>★শুধু মানসিক যন্ত্রণা এই আইনের আওতায় পড়বে না।অ্যালঝাইমার্সের মতো নিউরোডিজেনারেটিভ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধা পাবেন না।<br>আবেদন প্রক্রিয়া</p>&#13;
<p>রোগীকেই আবেদন করতে হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দল ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন পর্যালোচনা করবে। এরপর কমপক্ষে দুই দিনের চিন্তাভাবনার সময় শেষে রোগী সিদ্ধান্ত পুনরায় নিশ্চিত করবেন। অনুমোদন মিললে রোগী নিজের পছন্দমতো সময় ও স্থানে, বাড়ি বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রিয়জনদের উপস্থিতিতে ওষুধ গ্রহণ করতে পারবেন।<br>ওষুধ গ্রহণের দিন চিকিৎসক বা নার্স নিশ্চিত করবেন যে রোগী এখনও একই সিদ্ধান্তে অটল আছেন। এই পুরো প্রক্রিয়ার খরচ বহন করবে ফ্রান্সের জাতীয় স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থা।</p>&#13;
<p><br>অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য রাইট টু ডাই উইথ ডিগনিটি-র সভাপতি জোনাথন ডেনিস বলেন, এই আইন মানুষকে অসহনীয় যন্ত্রণার অবসান ঘটানোর স্বাধীনতা দেবে। তাঁর মতে, "নতুন কোনো অধিকার সৃষ্টি মানেই কাউকে তা ব্যবহার করতে বাধ্য করা নয়। বরং এটি নিশ্চিত করে যে চিকিৎসা-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে রোগীর ইচ্ছাই সর্বাধিক গুরুত্ব পাবে।"</p>&#13;
<p>অন্যদিকে বিরোধীদের আশঙ্কা, এই আইন বয়স্ক, অসুস্থ বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ওপর পরোক্ষ চাপ তৈরি করতে পারে। ফ্রান্সের উচ্চকক্ষ সেনেট, বিলটি প্রত্যাখ্যান করেছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>তবে ফরাসি আইন অনুযায়ী দুই কক্ষের মতভেদ হলে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। বিলটি সংবিধান পর্যালোচনার জন্য কনস্টিটিউশনাল কাউন্সিলে পাঠানোর সিদ্ধানত নেওয়া হয়েছে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>যুক্তরাজ্যেও সহায়তাপ্রাপ্ত মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক চলছে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে এ সংক্রান্ত একটি বিল ১১ সেপ্টেম্বর আবার সংসদে তোলা হবে। সেখানে প্রস্তাব রয়েছে, যাদের আর ছয় মাসের কম আয়ু রয়েছে, তারা দুই চিকিৎসক ও একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলের অনুমোদন নিয়ে সহায়তাপ্রাপ্ত মৃত্যুর আবেদন করতে পারবেন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[france]]></category>
            <category><![CDATA[medical assisted suicide]]></category>
            <category><![CDATA[health]]></category>
            <category><![CDATA[death]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/9121b188-b64f-4364-8496-5f10916b8ce1.webp" length="28628" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/9121b188-b64f-4364-8496-5f10916b8ce1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/9121b188-b64f-4364-8496-5f10916b8ce1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তিস্তার রুদ্ররূপের মাঝেও ৮৫ বছর অটল, করোনেশন সেতু আজও ইঞ্জিনিয়ারিং বিস্ময়ের নিদর্শন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/even-after-85-years-the-coronation-bridge-is-still-an-engineering-marvel-505813</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/even-after-85-years-the-coronation-bridge-is-still-an-engineering-marvel-505813</guid>
            <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 15:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিশ্বখ্যাত সেবক কালীমন্দিরের পাশেই অবস্থিত এই সেতু উত্তরবঙ্গের সমতলভূমি থেকে কালিম্পং, সিকিম ও ডুয়ার্স অঞ্চলে প্রবেশের প্রধান দ্বার। ]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন সেবকের করোনেশন সেতু অতিক্রম করে, কিন্তু খুব কম মানুষই তাঁদের চাকার নীচে লুকিয়ে থাকা অসাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কীর্তিটির কথা ভাবেন। অথচ তিস্তা নদীর ওপর স্থাপিত এই মনোরম আর্চ সেতু কেবল একটি যোগাযোগের পরিকাঠামো নয়; এটি ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের এক অনন্য নিদর্শন। ১৯৪১ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার ৮৫ বছর পরও এই সেতু প্রমাণ করে যে প্রযুক্তির বাহুল্য নয়, বরং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দক্ষ প্রকৌশলই এমন অবকাঠামো নির্মাণ করতে পারে, যা সময়ের কঠিন পরীক্ষায়ও অটল থাকে।</p>&#13;
<p>বিশ্বখ্যাত সেবক কালীমন্দিরের পাশেই অবস্থিত এই সেতু উত্তরবঙ্গের সমতলভূমি থেকে কালিম্পং, সিকিম ও ডুয়ার্স অঞ্চলে প্রবেশের প্রধান দ্বার। পূর্ব হিমালয়ের সবুজ পাহাড় এবং দ্রুতগামী তিস্তা নদীর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা এই সেতু যেমন ইঞ্জিনিয়ারদের বিস্মিত করে, তেমনি ইতিহাসবিদ ও পর্যটকদেরও সমানভাবে আকৃষ্ট করে। স্থানীয় মানুষের কাছে &lsquo;বাঘ পুল&rsquo; নামে পরিচিত এই সেতু আজ উত্তরবঙ্গের এক স্থায়ী প্রতীক।</p>&#13;
<p>১৯৩০-এর দশকে তিস্তা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ ছিল এক অত্যন্ত দুরূহ কাজ। প্রবল স্রোত, গভীর গিরিখাত এবং অনিয়ন্ত্রিত বন্যার জন্য নদীর তলদেশে প্রচলিত পদ্ধতিতে পিলার নির্মাণ কার্যত অসম্ভব ছিল। এই পরিস্থিতিতে ইঞ্জিনিয়াররা গ্রহণ করেন এক সাহসী ও যুগান্তকারী সমাধান&mdash; নদীর দুই তীরের শক্ত শিলাস্তরে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত একটি একক-স্প্যানের ওপেন-স্প্যান্ড্রেল রিইনফোর্সড কংক্রিট আর্চ। এর ফলে নদীর মধ্যে কোনও মধ্যবর্তী স্তম্ভ নির্মাণের প্রয়োজন হয়নি। বন্যার জল ও ভাসমান ধ্বংসাবশেষ বাধাহীনভাবে সেতুর নীচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পেরেছে এবং পুরো কাঠামোর ভার নিরাপদে স্থানান্তরিত হয়েছে দুই তীরের শক্ত শিলাস্তরে।</p>&#13;
<p>সেতুটির প্রধান আর্চের বিস্তার প্রায় ৮১.৭ মিটার, যা নির্মাণকালের প্রেক্ষাপটে ভারতের অন্যতম বৃহৎ রিইনফোর্সড কংক্রিট আর্চ হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে ছিলেন ব্রিটিশ প্রকৌশলী জন চেম্বার্স। নকশার উন্নয়ন ও প্রকৌশলগত পরিমার্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বাঙালি ইঞ্জিনিয়ারির এ. সি. দত্ত, এস. কে. ঘোষ এবং কে. পি. রায়। জে. সি. গ্যামন সংস্থার নির্মাণে প্রায় ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সম্পন্ন এই প্রকল্প এমন এক সময়ে বাস্তবায়িত হয়েছিল, যখন কম্পিউটার, উন্নত স্ট্রাকচারাল অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার কিংবা আধুনিক নির্মাণযন্ত্রের কোনও অস্তিত্বই ছিল না। তবুও এটি সেই যুগের অসাধারণ প্রকৌশল দক্ষতার এক উজ্জ্বল সাক্ষ্য।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/616225ff-6e26-423b-b7da-3850afdb9482.webp"></p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>আর্চ সেতুতে লোড স্থানান্তর এবং বলের প্রবাহ।&nbsp;</strong></em></span></p>&#13;
<p>এই সেতুর অসামান্য স্থায়িত্বের নেপথ্যে রয়েছে একটি সহজ, অথচ শক্তিশালী প্রকৌশল-দর্শন। প্রচলিত বিম সেতুতে ভার বহনের প্রধান উপায় হল কাঠামোর বাঁকন (বেন্ডিং) প্রতিরোধ করা। কিন্তু করোনেশন সেতুতে অধিকাংশ ভার আর্চের সংকোচন (কম্প্রেশন) শক্তির মাধ্যমে দুই প্রান্তে স্থানান্তরিত হয়। যানবাহনের ওজন আর্চের মাধ্যমে দুই প্রান্তের বিশাল শিলা-ভিত্তিক অ্যাবাটমেন্টে স্থানান্তরিত হয়, ফলে কংক্রিট তার সর্বোচ্চ সক্ষমতা অনুযায়ী কাজ করতে পারে। পাশাপাশি ওপেন-স্প্যান্ড্রেল নকশা সেতুর নিজস্ব ওজন কমিয়ে কাঠামোটিকে আরও কার্যকর, অর্থনৈতিক এবং দীর্ঘস্থায়ী করেছে।</p>&#13;
<p>গত আট দশকেরও বেশি সময়ে এই সেতু অসংখ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে। প্রবল বন্যা, ২০১১ সালের সিকিম ভূমিকম্প এবং ২০২৩ সালের বিধ্বংসী তিস্তা হিমবাহ হ্রদ ভেঙে সৃষ্ট বন্যা (Glacial Lake Outburst Flood বা GLOF)&mdash; সবকিছুই সফলভাবে সামলে নিয়েছে এই ঐতিহাসিক স্থাপনা। যদিও বয়ঃজনিত অবক্ষয়ের কারণে সময়ে সময়ে এর কাঠামোগত পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ভারী যান চলাচলে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তবুও আজও এটি তার অপরিহার্য ভূমিকা দক্ষতার সঙ্গে পালন করে চলেছে।<br>&nbsp;<br>ভবিষ্যতের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য করোনেশন সেতু এক জীবন্ত শিক্ষাগার। এটি শেখায় যে সেতুর ভিত্তি পরিকল্পনার আগে ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গভীরভাবে বোঝা কতটা জরুরি; নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহকে বাধা না দিয়ে তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নকশা তৈরি করাই অধিক কার্যকর; এমন কাঠামোগত রূপ নির্বাচন করতে হবে, যা দক্ষতার সঙ্গে ভার স্থানান্তর করতে সক্ষম; এবং সর্বোপরি, অবকাঠামোকে প্রকৃতির সঙ্গে সংঘাতে নয়, বরং সহাবস্থানে নির্মাণ করতে হবে। আধুনিক সেতু তৈরির ক্ষেত্রেও এই মৌলিক নীতিগুলি আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।</p>&#13;
<p>ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপ সামাল দিতে করোনেশন সেতুর সমান্তরালে নতুন একটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে চলেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে এই ঐতিহাসিক সেতুকে কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা হিসেবে নয়, বরং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক জীবন্ত পাঠশালা হিসেবে সংরক্ষণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মহান স্থাপত্যের মূল্যায়ন কোনও সেতুর উচ্চতা বা প্রযুক্তিগত জটিলতায় নয়; বরং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিরাপদ, টেকসই ও নির্ভরযোগ্যভাবে মানুষের সেবা করার সক্ষমতায় নিহিত।</p>&#13;
<p>করোনেশন সেতুর দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের জন্য একটি সমন্বিত পুনর্বাসন, শক্তিবৃদ্ধি এবং স্মার্ট পর্যবেক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা যেতে পারে। পূর্ণাঙ্গ কাঠামোগত মূল্যায়নের ভিত্তিতে ক্ষয়প্রাপ্ত কংক্রিট ও মরচে ধরা রডের মেরামত, নির্বাচিত স্থানে কার্বন ফাইবার রিইনফোর্সড পলিমার (CFRP) কম্পোজিটের মাধ্যমে শক্তিবৃদ্ধি, উন্নত জলরোধী ও নিকাশিব্যবস্থা, ক্ষয়রোধী সুরক্ষা এবং ভূমিকম্প-সহনশীলতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা সেতুর কার্যক্ষম আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সক্ষম। একই সঙ্গে স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং (SHM) প্রযুক্তি প্রয়োগ করে সেতুটিকে একটি &lsquo;স্মার্ট ব্রিজ&rsquo; হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে। স্ট্রেন, কম্পন, স্থানচ্যুতি, তাপমাত্রা এবং ফাটলের বিস্তার পরিমাপকারী সেন্সর থেকে প্রাপ্ত তথ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিশ্লেষণ, ড্রোন-পরিদর্শন এবং ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বিত হলে সম্ভাব্য কাঠামোগত দুর্বলতা আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এর ফলে রক্ষণাবেক্ষণ হবে আরও বৈজ্ঞানিক, ব্যয়-সাশ্রয়ী ও নিরাপদ। এমন উদ্যোগ করোনেশন সেতুকে শুধু দীর্ঘস্থায়ী করবে না, বরং ভারতের ঐতিহাসিক সেতুগুলির আধুনিক সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবেও প্রতিষ্ঠা করতে পারে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/d9f0cbe8-05d6-438c-9dad-68152eed1bd8.webp"></p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>আধুনিক স্মার্ট ব্রিজ প্রযুক্তির একটি ধারণাগত উপস্থাপনা। এটি কোনো প্রকৃত প্রকৌশল নকশা নয়; বরং সেতুর নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ এবং রক্ষণাবেক্ষণে AI, IOT ও বিভিন্ন সেন্সর প্রযুক্তির সম্ভাব্য প্রয়োগের একটি রেফারেন্স চিত্র।&nbsp;</strong></em></span></p>&#13;
<p>প্রতিটি প্রজন্মের ইঞ্জিনিয়াররা পূর্বসূরিদের অভিজ্ঞতা ও সাফল্যকে ভিত্তি করেই ভবিষ্যতের পরিকাঠামো নির্মাণ করেন। এখন সেই যাত্রাপথে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সেন্সর নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল টুইন, উন্নত নির্মাণসামগ্রী, রোবোটিক্স এবং স্মার্ট সম্পদ ব্যবস্থাপনার মতো প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে পরিকাঠামোর পরিকল্পনা, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রচলিত ধারণা। তবে প্রযুক্তি কখনও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মৌলিক নীতির বিকল্প নয়; বরং সেই ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করে। তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত, উন্নত নিরাপত্তা এবং দীর্ঘস্থায়ী পরিকাঠামো নির্মাণে এই প্রযুক্তির ভূমিকা ক্রমশ বাড়ছে। আগামী দিনের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং তাই এমন এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতার সঙ্গে বৈজ্ঞানিক চিন্তা, ডিজিটাল উদ্ভাবন এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতার সমন্বয় ঘটিয়ে গড়ে উঠবে আরও বুদ্ধিদীপ্ত, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই পরিকাঠামো।&nbsp;</p>&#13;
<p>করোনেশন সেতু শুধু একটি ঐতিহাসিক সেতু নয়; এটি এমন এক প্রকৌশল-দর্শনের প্রতীক, যা প্রমাণ করে&mdash; সঠিক পরিকল্পনা, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা থাকলে একটি অবকাঠামো যুগের পর যুগ মানুষের আস্থা বহন করতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>লেখক- শ্রী প্রীতম সিংহ (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি)</strong></em></span></p>&#13;
<p><span style="color: #7e8c8d;"><em><strong>ড. প্রিয়দর্শিনী সাহা চৌধুরী (অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, ডিপার্টমেন্ট অব সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, শিলিগুড়ি ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি)</strong></em></span></p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[siliguri institute of technology]]></category>
            <category><![CDATA[sit]]></category>
            <category><![CDATA[tig]]></category>
            <category><![CDATA[Civil Engineering]]></category>
            <category><![CDATA[Coronation Bridge]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/77bd4924-53e8-4690-aae9-0f348505e281.webp" length="100454" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/77bd4924-53e8-4690-aae9-0f348505e281.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/17/77bd4924-53e8-4690-aae9-0f348505e281.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['ওঁ বিপদে পড়বেন...' মমতার কোন বিপদের কথা ইঙ্গিত করলেন শমীক! দিদির 'বাঘ' অভিষেকের ঠাঁই কি এবার 'জঙ্গলে'?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bjp-samik-bhattacharya-statement-on-mamata-banerjee-and-abhishek-banerjee-here-what-he-says-505690</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bjp-samik-bhattacharya-statement-on-mamata-banerjee-and-abhishek-banerjee-here-what-he-says-505690</guid>
            <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 14:11:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[যখন বর্ষীয়ান নেতারা একের পর এক তোপ দাগছেন অভিষেকের বিরুদ্ধে, তাঁর একসময়ের সঙ্গী, যুব নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, ঠিক তখনই মমতার অভিষেককে 'বাঘ' সম্বোধন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা।]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:&nbsp;</strong>একদিকে যখন প্রায় সকল বর্ষীয়ান নেতারা মমতার হাত ছাড়ছেন অভিষেক ইস্যুতে। মমতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছিলেন স্নেহে অন্ধ হয়ে যাওয়ার। নজর ছিল, দীর্ঘদিনের সঙ্গীদের কথা শুনে, মমতা কি বদলাবেন ভাবনা? মমতা ব্যানার্জি বুধবার লাইভে এসে বেশকিছু বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। সঙ্গেই তিনি অভিষেক ব্যানার্জিকে নিয়েও মন্তব্য করেন, তাতে রীতিমতো শোরগোল।&nbsp;</p>&#13;
<p>কী বলেন মমতা ব্যানার্জি? লাইভে এসে মমতা ব্যানার্জি অভিষেক ব্যানার্জিকে বাঘের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, &nbsp;'অভিষেক অনেক খারাপ আপনাদের কাছে। বাহানা হয়ে গিয়েছে। অভিষেকের স্ত্রী যদি দেড় বছরের সন্তানকে নিয়ে সিবিআই অফিসে যেতে পারে, তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল, মনে নেই। ২৫-৩০টা কেস দেওয়া হয়েছে। সে তো সহ্য করছে। একটি সেটিং করে নিলে, স্বস্তি পেত। অভিষেক আপনাদের বাহানা। আপনাদের চোখে সে কোনও অন্যায় করে থাকলে তা ক্ষমা হয়ে গিয়েছে, কারণ সে আজ লড়ে যাচ্ছে বাঘের মতো। এরাই লড়বে, এরা আগামী ৫০ বছর রাজনীতি করবে।'</p>&#13;
<p>যখন বর্ষীয়ান নেতারা একের পর এক তোপ দাগছেন অভিষেকের বিরুদ্ধে, তাঁর একসময়ের সঙ্গী, যুব নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, ঠিক তখনই মমতার অভিষেককে 'বাঘ' সম্বোধন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা।</p>&#13;
<p>বৃহস্পতিবার এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও। তিনি বলেন, 'ওটা না বললে ওঁ বিপদে পড়বেন। বাঘের মতো লড়াই করে, বলছেন মানে, বাঘকে জঙ্গলে পাঠাতে চাইছেন। একটা বার্তা দিচ্ছেন।' &nbsp;</p>&#13;
<p><br>অন্যদিকে শমীক এদিন মন্তব্য করেন অনুব্রত-মদন প্রসঙ্গেও। শিবির বদল করেছেন দু'জনেই। মমতার ছাত ছেড়ে এখন ঋতব্রত শিবিরে। কালীঘাট তৃণমূলের অভিযোগ, নিজেদের বাঁচাতেই তাঁরা এই শিবির বদল করছেন। শমীক বলছেন, 'এই ধরনের অণু-পরমাণুকে মানুষ চেনেন, এঁরা জনবিচ্ছিন্ন। মানুষ এঁদের বিরুদ্ধে। মানুষ ভোট দিয়েছেন পোশাকের ভিতরের মানুষকে বদলানোর জন্য। চর্চা চলছে গ্রেপ্তার হওয়ার থেকে বাঁচার জন্য কেউ কেউ কোনও শিবিরে যোগ দিচ্ছেন। আমাদের তৃণমূল ভাঙার কোনও ইচ্ছা নেই। আগেই বলেছিলাম তৃণমূল সরকার নয় দলটাই চলে যাবে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নিয়ম মেনে।'&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>https://youtu.be/lsEIjp_TdMY?si=s3PPbRim8S9RM0Bg</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[samik bhattacharya]]></category>
            <category><![CDATA[abhishek banerjee]]></category>
            <category><![CDATA[Mamata Banerjee]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/16/d3dd84d1-bece-4073-b7ee-d9a9b2eb26a1.webp" length="50464" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/16/d3dd84d1-bece-4073-b7ee-d9a9b2eb26a1.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/16/d3dd84d1-bece-4073-b7ee-d9a9b2eb26a1.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[লক্ষ্য শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন, ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ-এ মউ সাক্ষর টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/techno-india-group-signed-a-mou-with-tripura-government-in-destination-tripura-business-conclave-504956</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/techno-india-group-signed-a-mou-with-tripura-government-in-destination-tripura-business-conclave-504956</guid>
            <pubDate>Sat, 11 Jul 2026 14:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ বাণিজ্য থেকে, সামাজিক, অর্থনৈতিক, একাধিক বিষয়ে, রাজ্যের উন্নয়নের জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা‌ঃ মানিক সাহা। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আগরতলা: </strong>বাণিজ্য থেকে, সামাজিক, অর্থনৈতিক, একাধিক বিষয়ে, রাজ্যের উন্নয়নের জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা&zwnj;ঃ মানিক সাহা। মাত্র ছ'বছরে সে রাজ্যের জিএসডিপি (গ্রস স্টেট ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট) দ্বিগুণ হয়েছে সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ত্রিপুরা দেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল রাজ্যগুলির মধ্যে একটি। অন্যদিকে, ত্রিপুরার শিক্ষাব্যবস্থার &nbsp;অগ্রগতিতে, সম্প্রসারণে এবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাতে হাতে মিলিয়ে এগিয়ে চলার জন্য, মউ সাক্ষর করল টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, এর আগেই ত্রিপুরায় পৌঁছে গিয়েছে টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ। সেখানে রাজ্যের প্রথম বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ তৈরি করে টেনকো ইন্ডিয়া গ্রুপই। দীর্ঘ কয়েক দশকের পথ চলার কথা উঠে এসেছে টেকনো &nbsp;ইন্ডিয়া গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সত্যম রায়চৌধুরীর কথাতেও। তবে, এবার লক্ষ্য আরও বড়। সমগ্র রাজ্য জুড়েই, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপশি, স্কুল স্তরেও কাজ করতে চলেছে টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ। নজর অ্যাগ্রিকালচার, আইটি বিভাগেও। সত্যম রায়চৌধুরী বলেন, 'গত &nbsp;কয়েকবছর ধরে ত্রিপুরার অগ্রগতির সাক্ষী। ত্রিপুরা উত্তর পূর্বের উন্নয়নের অন্যতম কান্ডারী। যেভাবে এই রাজ্যের শিক্ষা সংস্কৃতির অগ্রগতি ঘটছে, আমরা, টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ, সেই অগ্রগতির ধারায় উল্লেখ্যযোগ্যভাবে অংশগ্রহণ করছি এবং করব।'&nbsp;</p>&#13;
<p>টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, 'আমার মনে হয়, এতে আগামী দিনে ত্রিপুরার উন্নয়নে, নতুন দিশা দেখা দেবে।' ত্রিপুরার কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন, 'টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ আমাদের রাজ্যে আগেই এসেছে। তাদের কলেজ আছে, ইউনিভার্সিটি আছে।' এখন বিভিন্ন জেলার কৃষকদের ট্রেনিং দেওয়া &nbsp;নিয়ে আরও বড় পরিকল্পনা টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের, মন্ত্রীর কথায় উঠে আসে তা। অন্যদিকে ত্রিপুরার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী কিশোর বর্মণ বলেন, 'ডিজিটাল এডুকেশন, এআই বেস, স্কিল সেক্টর, টেকনোলজি সেক্টর, নানা খাতে, জাতীয় শিক্ষা নীতিকে সামনে রেখে, রাজ্য জুড়ে নিজেদের কাজ আরও বর্ধিত করবে।' 'ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬'- এ টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের ডেপুটি ডিরেক্টর কৌশিক সরকার, চারটি মউ সাক্ষর করেন।&nbsp;</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/11/b7f7404c-02b1-49df-be4b-ae5ee6847a5c.webp"></p>&#13;
<p>'ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬'-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা&zwnj;ঃ মানিক সাহা বলেন, 'কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার জাতীয় সড়ক, রেলওয়ে, বিমানবন্দর, নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ, জলপথ এবং একটি বিস্তৃত ব্যাঙ্কিং নেটওয়ার্কের মতো পাবলিক অবকাঠামোতে বিশাল বিনিয়োগ করেছে। আমাদের কাছে প্রাকৃতিক গ্যাস, রাবার বাগান, জিআই-ট্যাগযুক্ত কুইন আনারস, প্রিমিয়াম আগরউড, বিভিন্ন ধরণের বাঁশ জাতীয় দ্রব্য এবং সমৃদ্ধ উদ্যান ক্ষেত্র রয়েছে।' &nbsp;এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং কেন্দ্রীয় ডোনার মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।</p>&#13;
<p>ডা&zwnj;ঃ মানিক সাহা আরও বলেন, 'ত্রিপুরা তৃতীয় সম্পূর্ণ সাক্ষর রাজ্য যেখানে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ এবং দক্ষ জনশক্তি রয়েছে। এখন, শক্তিশালী পরিকাঠামো এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সুবিধা নেওয়ার লক্ষ্যে বেসরকারী বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত সময়। সেই কারণে আমরা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের ৪৫টি দপ্তর এবং সংস্থার অংশগ্রহণে এই বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন একটি বৃহৎ পরিসরে আয়োজন করেছি। এই বিজনেস কনক্লেভে ৫০০'র অধিক ব্যবসায়ী নেতা, প্রোমোটার, শিল্পপতি এবং উদ্যোক্তা এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছেন। প্রাকৃতিক সম্পদ, সর্ব-আবহাওয়া সংযোগ এবং ব্যবসা-বান্ধব নীতি ত্রিপুরাকে একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে। আমরা ভূমি, নগর পরিকল্পনা, শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পর্যটন এবং অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপক নীতি সংস্কার করেছি।'</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/11/5a527ed2-d821-43ee-aa78-4bf1cd365404.webp"></p>&#13;
<p>আলোচনায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে,'রিফর্ম এক্সপ্রেস' বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানে অনুপ্রাণিত হয়ে ডিরেগুলেশন এবং কমপ্লায়েন্স রিডাকশন প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ত্রিপুরা সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। আমরা ভূমি-ব্যবহার পরিবর্তনের পদ্ধতিগুলিকে সরলিকৃত করেছি, শিল্প ও ব্যবসার অনুমতি সমূহ সুবিন্যস্ত করেছি, একক উইন্ডো পোর্টাল SWAAGAT তৈরি করেছি এবং ঝুঁকি-ভিত্তিক পরিদর্শন চালু করেছি। সামাজিক, শিক্ষাগত এবং বাণিজ্যিক প্রকল্পগুলির জন্য খুব মাঝারি হারে সরকারি জমি লিজে দেওয়া হয়। আমরা এমন কয়েকটি রাজ্যের মধ্যে একটি যারা সমস্ত শিল্প ও ব্যবসা-সম্পর্কিত অনুমোদন ইস্যু করে।'</p>&#13;
<p>ত্রিপুরায় গত এক বছরে প্রায় ৩০,০০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে, সেই তথ্যও তুলে ধরেন মানিক সাহা। প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন, 'আমাদের ১,৫৮,০০০ হেক্টর প্রাকৃতিক রাবার বাগান রয়েছে, যা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম। শান্তিরবাজারে একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রের ব্যবস্থা সহ একটি নতুন রাবার পার্ক স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মানসম্পন্ন রাবার উৎপাদন, সেন্ট্রিফিউজড ল্যাটেক্স পণ্য, ফোম, সার্জিক্যাল, শিল্প এবং গৃহস্থালি সামগ্রীর কাঠ ও গ্লাভস সহ কাঠের তৈরি নানা জিনিসপত্র তৈরি করা যেতে পারে। রাবার ভিত্তিক শিল্প, প্লাইউড তৈরি সহ রাবার ভিত্তিক নানা নতুন বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। একইভাবে, আমরা ৪৫,০০০ হেক্টর জমিতে শিল্প বাঁশ চাষ সম্প্রসারিত করছি এবং উনকোটিতে একটি সমন্বিত বাঁশ ভ্যালু চেইন পার্ক স্থাপন করছি। ২.২৭ কোটি আগর গাছ সহ ত্রিপুরায় ভারতের শীর্ষস্থানীয় এবং সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য আগর বাস্তুতন্ত্র রয়েছে।'</p>&#13;
<p>আগর ভিত্তিক বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী উৎপাদনে বড়সড় বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে ত্রিপুরায়, 'ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভ ২০২৬'-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে সে প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন মানিক সাহা । বলেন, 'কৃষি এবং উদ্যান ক্ষেত্রে সম্ভাব্য বিনিয়োগের খাতের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড চেইন অবকাঠামো, টিস্যু কালচার সুবিধা, আনারস এবং কাঁঠাল প্রক্রিয়াকরণ, ফাইবার নিষ্কাশন, ডিহাইড্রেটেড ফল প্রক্রিয়াকরণ, এবং চালের তুষ এবং তুষ তেল ইউনিট. ফিশ ফিড উৎপাদন কেন্দ্র, ক্লাস্টার ভিত্তিক মাছ চাষ ও শুকনো মাছ প্রক্রিয়াকরণ, মাছের বাজার এবং ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড এবং অ্যাকোয়া ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠা। আমরা একটি এনার্জি ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছি যা টেকসই, প্রযুক্তি-চালিত এবং বিনিয়োগ-বান্ধব।' ত্রিপুরার কৌশলগত অবস্থান, বাংলাদেশের সঙ্গে এই রাজ্যের ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত, এটিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার করে তুলছে। তিনি এদিন বলেন,'আগরতলা-আখাউড়া আন্তর্জাতিক রেল সংযোগ, মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরকে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসাবে গড়ে তোলা, চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে সাব্রুমকে সংযুক্তকারী মৈত্রী সেতু এবং বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের সোনামুড়া-দাউদকান্দি অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন রুট একটি নির্বিঘ্ন মাল্টিমডাল পরিবহন ও লজিস্টিক ইকোসিস্টেমের জন্য বাস্তব সুযোগ।ত্রিপুরায় লজিস্টিক পার্ক, গুদামজাতকরণ, কোল্ড-চেইন পরিকাঠামো, মাল্টিমোডাল কার্গো হাব, বৈদ্যুতিক গতিশীলতা, বাণিজ্যিক পাইলট প্রশিক্ষণ এবং বিমান রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশল, হেলিপোর্ট এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা এবং ডম্বুর লেকে সী-প্লেন অপারেশনে প্রচুর সুযোগ রয়েছে।'&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;ত্রিপুরা সরকার রাজ্যকে স্বাস্থ্যসেবা, ওষুধ, জৈবপ্রযুক্তি এবং চিকিৎসা উদ্ভাবনের জন্য একটি নেতৃস্থানীয় কেন্দ্রে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই প্রসঙ্গও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'ত্রিপুরা আইটি ও ডেটা ইকোসিস্টেম জোন (টিআইডিইজেড), ইনোভেশন অ্যান্ড ইনকিউবেশন পার্ক এবং একটি অত্যাধুনিক আইটি পার্কের মতো বড় পরিকাঠামো সমন্বিত প্রকল্প গড়ে তুলছে। আমি আনন্দিত যে ডেস্টিনেশন ত্রিপুরা বিজনেস কনক্লেভে ৭০০'র অধিক প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন এবং ২৫০টিরও অধিক MOU(মউ) স্বাক্ষরিত হচ্ছে, যার বিনিয়োগের লক্ষ্য প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। 'টিম ত্রিপুরা'-এর সক্রিয় সমর্থনের সঙ্গে, আমরা অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী যে এই সমঝোতা স্মারকগুলির অধিকাংশই অদূর ভবিষ্যতে সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।'</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[manik saha]]></category>
            <category><![CDATA[Tripura]]></category>
            <category><![CDATA[techno india group]]></category>
            <category><![CDATA[tig]]></category>
            <category><![CDATA[Destination Tripura Business Conclave]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/11/15763507-aa85-4aca-ab93-48acc0b9a274.webp" length="31514" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/11/15763507-aa85-4aca-ab93-48acc0b9a274.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/11/15763507-aa85-4aca-ab93-48acc0b9a274.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দেশের সাতটি বড় শহরে আবাসন বিক্রির হার কমল ছয় শতাংশ, মধ্যবিত্তের পকেটে টানই কি এর নেপথ্যে?  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/housing-sales-fall-in-major-cities-in-india-indias-major-cities-see-fall-in-housing-sales-to-six-percent-is-there-no-homes-left-for-middle-class-504499</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/housing-sales-fall-in-major-cities-in-india-indias-major-cities-see-fall-in-housing-sales-to-six-percent-is-there-no-homes-left-for-middle-class-504499</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Jul 2026 13:45:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr"><strong class="PlaygroundEditorTheme__textBold">আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>বিগত কয়েক বছর ধরে লাগামহীন ভাবে বেড়েছিল বহুতল আবাসন বিক্রির দাম। বিগত কয়েক বছর ধরে যেখানে বাড়ি বিক্রির দাম ক্রমাগত বাড়ছিল। সেখানে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বিশেষজ্ঞদের কপালে। দেশের মোট সাতটি শহরে গত তিন মাসে বাড়ি বিক্রি গত বছরের তুলনায় বেশ কিছুটা কমেছে। এমনটাই খবর সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে দেশের দিল্লি-এনসিআর, মুম্বই, কলকাতা ও বেঙ্গালুরু-সহ মূল সাতটি বড় শহরে বাড়ি বিক্রি গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ৬ শতাংশ কমেছে। তবে আবাসন নির্মাতারা এ বিষয়ে আশাবাদী। গত তিন মাসেই তাঁরা বাজারে প্রায় ১.০৬ লক্ষ নতুন বাড়ি বাজারে বিক্রি করেছেন। যা গত বছরের তুলনায় সাত শতাংশ বেশি। ক্রেডাই -সহ আবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা একে 'মন্দার বাজার' বলতে রাজি নন। ক্রেডাই-এর <span class="PlaygroundEditorTheme__textBold">প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট জি রাম রেড্ডি বলেন,</span> "ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, চড়া দাম এবং কর্মসংস্থানের ট্রেন্ডের কারণে ক্রেতারা এখন কিছুটা ধীর চলো নীতি নিচ্ছেন। তবে দ্রুত নগরায়ণ ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কারণে দীর্ঘমেয়াদী চাহিদা এখনও অক্ষুণ্ণ রয়েছে।"</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">তবে তিনি মনে করেন, "বর্তমান নির্মাণ খরচের কথা মাথায় রেখে 'অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং' বা সাধ্যের মধ্যে বাড়ির সংজ্ঞাটি সরকারের পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন।"</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">জানা গিয়েছে, নির্মাতারা এখন সাধারণ বা মাঝারি বাজেটের বাড়ির চেয়ে লাক্সারি এবং আল্ট্রা-লাক্সারি প্রজেক্টের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। বিলাসবহুল বাড়ির বিক্রিতে সামান্য বৃদ্ধিও শতাংশের হিসেবে অনেক বড় দেখায়। যার ফলে আসল চিত্রটি আড়ালে চলে যায়। অথচ ভারতের অধিকাংশ শহর এখনও সাধ্যের মধ্যে থাকা বাড়ির ওপর নির্ভরশীল।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">মূলত, বড় শহরগুলোতে সম্পত্তির দাম যে হারে বেড়েছে, সাধারণ মানুষের পারিবারিক আয় সেই হারে বাড়েনি। আবাসন নির্মাতারা এখন বেশি মুনাফার আশায় মধ্যবিত্তের নাগালের ফ্ল্যাট ছেড়ে বিলাসবহুল বা লাক্সারি প্রজেক্টের দিকে বেশি ঝুঁকছেন। চড়া হোম লোনের সুদের হার, নির্মাণ সামগ্রীর বর্ধিত খরচ এবং রেজিস্ট্রেশন ফি-র কারণে বর্তমানে মাসে ১ লক্ষ টাকা উপার্জনকারী পরিবারও বড় শহরগুলোতে নিজের একটা ফ্ল্যাট কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। বাধ্য হয়ে অনেকেই বাড়ি কেনার সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দিচ্ছেন কিংবা শহর থেকে দূরে ছোট ফ্ল্যাট খুঁজছেন।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph" dir="ltr">&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Housing Sales in India]]></category>
            <category><![CDATA[middle class]]></category>
            <category><![CDATA[Housing Sales Fall in Major Cities in India]]></category>
            <category><![CDATA[Housing Sales Seven Cities]]></category>
            <category><![CDATA[Housing Sales Fall]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/08/50c9d59d-2172-4cd9-96b2-b8531c623165.webp" length="73262" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/08/50c9d59d-2172-4cd9-96b2-b8531c623165.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/08/50c9d59d-2172-4cd9-96b2-b8531c623165.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সন্তানের ইঞ্জিনিয়ারিং ভবিষ্যৎ ও অভিভাবকের দোলাচল: সঠিক সিদ্ধান্তের খোঁজে ২৮ বছরের আস্থার নাম ‘এনএসইসি’]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/campus-and-career/guiding-parents-through-the-engineering-crossroads-28-years-of-trust-and-excellence-at-nsec-504418</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/campus-and-career/guiding-parents-through-the-engineering-crossroads-28-years-of-trust-and-excellence-at-nsec-504418</guid>
            <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 19:03:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সন্তানের জীবনের এই ১৮-১৯ বছর বয়সটা আসলে শুধু তার নিজের নয়, একজন অভিভাবকের জন্যও এক চরম অগ্নিপরীক্ষার সময়।]]></description>
            <dc:creator>রাহুল মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েব ডেস্ক:</strong> উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর থেকেই ঘরের চেনা চওড়া টেবিলটায় এখন শুধুই স্তূপীকৃত খবরের কাগজ, আর ল্যাপটপের স্ক্রিনে খোলা একের পর এক কাউন্সেলিংয়ের ওয়েবসাইট। ড্রয়িংরুমের চায়ের কাপে ধোঁয়া ওঠার আগেই শুরু হয়ে যায় সেই চেনা আলোচনা &mdash; "কোন স্ট্রিম নিলে ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত?" "কোন কলেজে পড়াশোনার পরিবেশ সবচেয়ে ভাল ?" কিংবা "চার বছর পর ক্যাম্পাসিংয়ে ভাল চাকরি পাওয়া যাবে তো ?"&nbsp;</p>&#13;
<p>সন্তানের জীবনের এই ১৮-১৯ বছর বয়সটা আসলে শুধু তার নিজের নয়, একজন অভিভাবকের জন্যও এক চরম অগ্নিপরীক্ষার সময়। বি-টেক (B.Tech) বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি করানো মানে তো শুধু একটি নামী&nbsp; প্রতিষ্ঠানের গেট দিয়ে সন্তানকে ভেতরে পাঠানো নয়, এটি তার আগামী চার বছরের স্বপ্ন, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস আর একটা গোটা কর্মজীবনের ভিত গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত। আর ঠিক এইখানেই বিজ্ঞাপনের ঝকমকে ভিড় ঠেলে সততা ও আস্থার এক অনন্য নাম হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা NSEC।</p>&#13;
<p>বিগত ২৮ বছর ধরে বাংলা তথা দেশের শিক্ষা মানচিত্রে নিজেদের এক গৌরবময় শিক্ষাগত ঐতিহ্য বজায় রেখেছে &lsquo;এনএসইসি&rsquo;। টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ-এর এই প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি আজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, হাজার হাজার সফল ইঞ্জিনিয়ার তৈরির এক আধুনিক কারখানা। এআইসি AICTE অনুমোদিত, MAKAUT-এর অধিভুক্ত এবং NAAC ও NBA স্বীকৃত এই কলেজটির প্রতি অভিভাবকদের এই অবিচল ভরসার কারণ কিন্তু রাতারাতি তৈরি হয়নি, এর পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে বজায় রাখা শিক্ষার গুণগত মান।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/07/3ee6fac7-0eba-48ae-9cdb-506ddbe53688.webp" width="460" height="259"></p>&#13;
<p>এখানে ছাত্রছাত্রীদের শুধু সিলেবাসের বাঁধাধরা গতানুগতিক পড়াশোনা করানো হয় না। বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্পোরেট জগতের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তাদের তৈরি করা হয় এক-একজন &lsquo;ইন্ডাস্ট্রি রেডি প্রফেশনাল&rsquo; হিসেবে।</p>&#13;
<p>এনএসইসি&rsquo;-র শিক্ষার মূল মন্ত্রটাই হল থিয়োরির পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন। কলেজ চত্বরে পা রাখলেই বোঝা যায়, এখানকার পরিবেশ কতটা ভবিষ্যৎমুখী। ছাত্রছাত্রীদের প্রথম দিন থেকেই তৈরি করার জন্য এখানে রয়েছে;</p>&#13;
<p>প্রি-প্লেসমেন্ট ট্রেনিং: ইন্টারভিউয়ের টেবিল ফেস করার ভয় দূর করতে বিশেষ ট্রেনিং।</p>&#13;
<p>ইন্টার্নশিপ প্রিপারেশন: পড়াশোনার মাঝেই বিভিন্ন নামী সংস্থায় হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ।</p>&#13;
<p>স্টার্ট আপ সাপোর্ট: যারা চাকরি করার চেয়ে নতুন কিছু তৈরি করতে চায়, সেই তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ইনোভেশন হাব।</p>&#13;
<p>শিল্পের জগতের দিকপালদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: শিল্পের জগতের দিকপালদের সঙ্গে সরাসরি মেলবন্ধন এবং সঠিক কেরিয়ার বেছে নেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।<br>আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যে কোনও অভিভাবকের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা থাকে&mdash; "পড়াশোনা শেষে চাকরিটা মিলবে তো?" &lsquo;এনএসইসি&rsquo; এই প্রশ্নের উত্তর দেয় তাদের সাফল্যের খতিয়ান দিয়ে। কলেজের সর্বোচ্চ প্যাকেজ ছুঁয়েছে ৬২ লাখ প্রতি বছর এবং গড় প্যাকেজ ৬.৫ লক্ষ প্রতি বছর। উইপ্রো, কেপিজেমিনি-এর মতো গ্লোবাল জায়ান্টরা প্রতি বছর এই ক্যাম্পাসের দরজায় কড়া নাড়ে মেধার সন্ধানে। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে, এখানকার পড়ুয়ারা বিশ্বমঞ্চে লড়াই করার জন্য কতটা উপযুক্ত।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>৪০টিরও বেশি স্কলারশিপ গাইডেন্স</strong><br>অর্থ যেন কখনও মেধার বিকাশে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তার জন্য এনএসইসি সদা তৎপর। অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে ছাত্রছাত্রীরা সরকারি বা বেসরকারি স্কলারশিপের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এই কলেজে রয়েছে &lsquo;Expert Support&rsquo; টিম, যারা ৪০টিরও বেশি স্কলারশিপের আবেদন (Application) থেকে শুরু করে সমস্ত নথিপত্র তৈরিতে (Documentation) ছাত্রছাত্রীদের প্রতিটি ধাপে গাইড করে।<br>শেষ পাতা: আজকের সঠিক সিদ্ধান্তই হোক আগামীর সুরক্ষাকবচ<br>নদীর গতিপথ যেমন তার উৎসের ওপর নির্ভর করে, তেমনই সন্তানের আগামীর রূপরেখা ঠিক করে দেয় আজকের এই একটি সঠিক সিদ্ধান্ত। NSEC-র ২৮ বছরের বিশ্বাস, ঐতিহ্য আর সাফল্যের যে মশাল আজ জ্বলজ্বল করছে, তার আলোয় আলোকিত হতে পারে আপনার সন্তানের স্বপ্নও।<br>তাই আর দেরি কেন? সন্তানের সুরক্ষিত এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে B.Tech অ্যাডমিশনের জন্য আজই যোগাযোগ করুন নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।</p>&#13;
<p>বিস্তারিত জানতে সরাসরি ফোন করুনঃ 98318 17307<br>অ্যাডমিশন ও অন্যান্য তথ্যের জন্য ভিজিট করুন অফিশিয়াল ওয়েবসাইটঃ www.nsec.ac.in</p>&#13;
<p><br>( এই প্রতিবেদনটি &lsquo;নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ&rsquo;&mdash;এর সঙ্গে AAJKAAL.IN ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।)</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Netaji Subhash Engineering College]]></category>
            <category><![CDATA[B.Tech admission West Bengal]]></category>
            <category><![CDATA[NSEC Kolkata]]></category>
            <category><![CDATA[Techno India Group colleges]]></category>
            <category><![CDATA[Best engineering colleges in Kolkata]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/07/46e85d33-e4e1-49f9-9755-1c750da3fab6.webp" length="190462" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/07/46e85d33-e4e1-49f9-9755-1c750da3fab6.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/07/46e85d33-e4e1-49f9-9755-1c750da3fab6.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বৈভবকে নিয়ে চর্চা তুঙ্গে, দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচের আগে ভারতীয় কোচের ইঙ্গিত চমকে দেবে]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/india-coach-drops-blunt-verdict-amid-criticism-over-vaibhav-sooryavanshi-debut-503888</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/india-coach-drops-blunt-verdict-amid-criticism-over-vaibhav-sooryavanshi-debut-503888</guid>
            <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 20:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভারতীয় দলে অভিষেকের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে বৈভবকে। অন্তত মর্নি মরকেলের কথায় তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেল। টিম ইন্ডিয়ার বোলিং কোচ জানিয়ে দিলেন, সহজে সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার জুটি ভাঙবে না ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক। ]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ক্রমাগত দরজায় কড়া নাড়ছেন বৈভব সূর্যবংশী। কিন্তু সেই শব্দ গৌতম গম্ভীর, শ্রেয়স আইয়ারদের কানে পৌঁছচ্ছে না। ১৫ বছরের প্রতিভাবান ক্রিকেটারকে সুযোগ দেওয়া নিয়ে সওয়াল করছেন ক্রিকেট পণ্ডিতরা। কিন্তু তাঁদের মতামতকেও অগ্রাহ্য করছে টিম ইন্ডিয়ার ম্যানেজমেন্ট। শনিবারই সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে। ভারতীয় দলে অভিষেকের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে বৈভবকে। অন্তত মর্নি মরকেলের কথায় তেমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেল। টিম ইন্ডিয়ার বোলিং কোচ জানিয়ে দিলেন, সহজে সঞ্জু স্যামসন এবং অভিষেক শর্মার জুটি ভাঙবে না ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক।&nbsp;</p>&#13;
<p>শেষ তিন ইনিংসের মধ্যে একটিতে অর্ধশতরান, একটিতে ৪৯ রান করেন অভিষেক। কিন্তু সঞ্জুর রান ৫, ০, ১। তাসত্ত্বেও তাঁর ওপরই আস্থা রাখা হবে। দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচের আগের দিন হাবেভাবে তেমনই বুঝিয়ে দিলেন ভারতের বোলিং কোচ। মরকেল বলেন, 'আমাদের ভুললে চলবে না টি-২০ ক্রিকেটের একনম্বর ব্যাটার অভিষেক শর্মা আমাদের দলে আছে। সবাই জানি সঞ্জু বিশ্বকাপের সেরা প্লেয়ার। আইপিএলে ভাল খেলেছে। একজন কোচিং স্টাফ হিসেবে আমার মনে হয়, প্লেয়ারদের ওপর আস্থা রাখা উচিত এবং ওদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। জানি একজন তরুণ ক্রিকেটার দরজায় কড়া নাড়ছে। তবে শুধু প্রথম দু'জন প্লেয়ারের জন্য নয়, বাকিদের ওপরও আমাদের আস্থা রাখতে হবে। এটা ওদের ভরসা যোগাবে।'&nbsp;</p>&#13;
<p>মরকেল স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ব্যাটিং পজিশন বদলানোর কোনও পরিকল্পনা নেই টিম ম্যানেজমেন্টের। এই প্রসঙ্গে মরকেল বলেন, 'সবটাই পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে। সেটাই চাবিকাঠি। তবে আমরাও বেশি ভাবতে চাই না। বাকি প্লেয়ারদের অন্য পজিশনে খেলাতে চাই না। তাই বিষয়টা এত সহজ হবে না। যারা বিশ্বকাপ জিতিয়েছে, যারা কঠিন পরিস্থিতিতে ভাল খেলেছে, তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে। তারপর ভাবতে হবে এই পরিস্থিতিতে আমাদের টপ অর্ডারকে কতটা ভাল করা যায়।'&nbsp;</p>&#13;
<p>বৈভবের অভিষেক নিয়ে কোনও টাইমলাইন দেননি টিম ইন্ডিয়ার বোলিং কোচ। তবে দাবি করেন, ১৫ বছরের ক্রিকেটার ভারতীয় ড্রেসিংরুমের পরিবেশ এবং নেটে রুটিন প্র্যাকটিসের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন। মরকেল বলেন, 'ও খুব ভালভাবে মানিয়ে নিয়েছে। যদি ছেলেদের ইনস্টাগ্রামে ফলো করা হয়, দেখা যাবে ওর সঙ্গে অনেক ফটো পোস্ট করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে একজন ১৫ বছরের বালক হিসেবে ভারতীয় দলের নেটে সময় কাটানো ভয়ের হতে পারে। কিন্তু যে কটা নেট সেশন হয়েছে, তাতে ও নজর কেড়েছে। ওকে দেখার অপেক্ষায় আমরাও। আমি নিশ্চিত, যখন সুযোগ পাবে, তৈরি থাকবে। ও অনায়াসেই ভারতীয় দলের ড্রেসিংরুমের সঙ্গে মিশে গিয়েছে।' প্রিন্স যাদবকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন পেসার। তিন ম্যাচে ছয় উইকেট তুলে নিয়েছেন। লখনউ সুপার জায়ান্টসে থাকাকালীন প্রিন্সের বোলিং দেখেন। তরণ পেসারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ টিম ইন্ডিয়ার বোলিং কোচ।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[sanju samson]]></category>
            <category><![CDATA[Vaibhav Sooryavanshi]]></category>
            <category><![CDATA[bcci]]></category>
            <category><![CDATA[india vs england]]></category>
            <category><![CDATA[Gautam Gambhir]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/03/42116a99-6433-402d-a72b-ae5e69c5e0c7.webp" length="60240" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/03/42116a99-6433-402d-a72b-ae5e69c5e0c7.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/07/03/42116a99-6433-402d-a72b-ae5e69c5e0c7.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[শ্রবণশক্তি কমছে? বধিরতার ঝুঁকি এড়াতে কোন লক্ষণ দেখলেই সতর্ক হবেন, জেনে নিন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/health/hearing-loss-early-warning-signs-before-deafness-500861</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/health/hearing-loss-early-warning-signs-before-deafness-500861</guid>
            <pubDate>Tue, 16 Jun 2026 19:18:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ চিকিৎসকদের মতে, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার আগে কান কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দিতে শুরু করে। ]]></description>
            <dc:creator>সোমা মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইন্দ্রিয় হল কান। কিন্তু অনেক সময় ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমতে শুরু করলেও আমরা তা বুঝতে পারি না। বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন বধিরতা হঠাৎ করে আসে। বাস্তবে কিন্তু তা নয়।</p>&#13;
<p>চিকিৎসকদের মতে, শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার আগে কান কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দিতে শুরু করে। এই লক্ষণগুলোকে সময়মতো চিনতে পারলে দ্রুত চিকিৎসা নিয়ে বড় সমস্যা এড়ানো সম্ভব।</p>&#13;
<p>সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ হল কানে অদ্ভুত শব্দ শোনা। অনেকেই অভিযোগ করেন, কানের ভিতর সবসময় ভোঁ ভোঁ, শোঁ শোঁ, বাঁশির মতো বা ঘণ্টাধ্বনির মতো শব্দ হচ্ছে। আশপাশে কোনও শব্দ না থাকলেও এই আওয়াজ শোনা গেলে তা টিনিটাস নামে পরিচিত একটি সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার প্রথম সতর্কবার্তা।</p>&#13;
<p>এছাড়া অন্যের কথা বারবার জিজ্ঞাসা করতে হওয়া বা ঠিকমতো শুনতে না পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। বিশেষ করে বাজার, অফিস বা ভিড়ভাট্টার জায়গায় কারও কথা বুঝতে সমস্যা হলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অনেক সময় মনে হয় সবাই খুব আস্তে কথা বলছে, কিন্তু আসলে কানের শুনতে পাওয়ার ক্ষমতাই কমতে থাকে।</p>&#13;
<p>টিভি, মোবাইল বা রেডিওর ভলিউম আগের চেয়ে বেশি রাখতে ইচ্ছা করাও একটি সতর্ক সংকেত। যদি পরিবারের অন্য সদস্যরা বলেন যে শব্দ খুব জোরে চলছে, তাহলে শ্রবণশক্তি পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হতে পারে।</p>&#13;
<p>কিছু মানুষের কানে সবসময় ভারী ভাব বা চাপ অনুভূত হয়। আবার অনেকের মনে হয় কান যেন বন্ধ হয়ে আছে। এই ধরনের সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে কানের ভিতরের অংশে কোনও জটিলতা তৈরি হচ্ছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখা জরুরি।</p>&#13;
<p>শুধু তাই নয়, ফোনে কথা বলার সময় বারবার শব্দ পরিষ্কার না শোনা, শিশু বা মহিলাদের তুলনামূলক উঁচু স্বরের কথা বুঝতে অসুবিধা হওয়া কিংবা কথার শব্দ শুনলে অর্থ বুঝতে সমস্যা হওয়াও শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে।</p>&#13;
<p>চিকিৎসকদের মতে, বয়স বৃদ্ধি, দীর্ঘ সময় হেডফোনে জোরে গান শোনা, উচ্চ শব্দের পরিবেশে কাজ করা, কানের সংক্রমণ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে।</p>&#13;
<p>বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কানে এমন কোনও অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে অবহেলা করবেন না। দ্রুত নাক-কান-গলা (ইএনটি) বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্যা ধরা পড়লে অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসার মাধ্যমে শ্রবণশক্তির আরও অবনতি রোধ করা সম্ভব। তাই কানের ছোটখাটো সমস্যাকেও গুরুত্ব দিন এবং নিয়মিত কানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Hearing Problems]]></category>
            <category><![CDATA[ear health]]></category>
            <category><![CDATA[Deafness]]></category>
            <category><![CDATA[Hearing loss]]></category>
            <category><![CDATA[Tinnitus]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/16/2ca5b6c0-4fba-483e-8d4d-69d9099d8e34.webp" length="38914" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/16/2ca5b6c0-4fba-483e-8d4d-69d9099d8e34.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/16/2ca5b6c0-4fba-483e-8d4d-69d9099d8e34.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এক ছাতার তলায় ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষায় পশ্চিমবঙ্গে নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে মালদহের ‘প্রি-কাউন্সেলিং এবং এডুকেশন ফেয়ার’]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/apai-wb-pre-counselling-education-fair-2026-draws-strong-response-in-malda-500442</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/apai-wb-pre-counselling-education-fair-2026-draws-strong-response-in-malda-500442</guid>
            <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 19:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ উচ্চশিক্ষার সঠিক দিশা দেখাতে মালদার সাহাপুরের বৃন্দাবন গার্ডেনে আয়োজিত হয়ে গেল ‘APAI-WB প্রি-কাউন্সেলিং ও এডুকেশন ফেয়ার ২০২৬’। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> উচ্চশিক্ষার সঠিক দিশা দেখাতে মালদার সাহাপুরের বৃন্দাবন গার্ডেনে আয়োজিত হয়ে গেল &lsquo;APAI-WB প্রি-কাউন্সেলিং ও এডুকেশন ফেয়ার ২০২৬&rsquo;। অ্যাসোসিয়েশন অফ প্রফেশনাল অ্যাকাডেমিক ইনস্টিটিউশনস, ওয়েস্ট বেঙ্গল (APAI-WB)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই মেলায় এক ছাতার তলায় হাজির হয়েছিল টেকনো ইন্ডিয়া, জেআইএস, আইইএম, এমসিকেভি, অ্যাডামাস এবং দুর্গাপুরের বিসি রায় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মতো রাজ্যের স্বনামধন্য ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মালদা ও তার আশেপাশের জেলা থেকে আসা বহু পড়ুয়া ও অভিভাবক এই মেলায় এসে ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি, ম্যানেজমেন্ট ও কম্পিউটারের মতো আধুনিক নানা কোর্সের ভবিষ্যৎ ও ভর্তির খোঁজখবর নেন।</p>&#13;
<p>মেলাটির উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু, ইংরেজবাজারের বিধায়ক গোপালচন্দ্র সাহা, অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সর্দার তরণজিৎ সিং এবং মালদার জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/7d26e6c8-9d0e-4383-9dda-28afc1a696fd.webp" width="468" height="263"></p>&#13;
<p>সেখানে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক বার্তা দেন জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর। তিনি বলেন, &ldquo;ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকা দরকার, তাদের অনর্গল কথা বলা শিখতে হবে। তোমাদের মধ্যে থেকেই কেউ আগামীদিনের জেলাশাসক বা ডিএম হতে পারো। সবসময় প্রশ্ন করবে, আমাদের কাছে দাবি জানাবে। তোমরাই বেঙ্গল এবং ভারতের ভবিষ্যৎ। মনে কোনও সন্দেহ বা খটকা থাকলে পাঁচবার জিজ্ঞেস করো, ভয় পাবে না।&rdquo;</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/6b36b2b2-a8bf-4614-973a-60e74f359379.webp" width="475" height="267"></p>&#13;
<p>অন্য দিকে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, প্রতি বছরই যেন এই ধরণের মেলার আয়োজন করা হয়, যাতে জেলার ছাত্রছাত্রীরা ঘরের কাছেই উচ্চশিক্ষার ও ক্যারিয়ার গড়ার এমন চমৎকার সুযোগ পায়। অন্যদিকে সর্দার তরণজিৎ সিং জানান, জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে পড়ুয়ারা যাতে এক ছাতার তলাতেই সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সেটাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[APAI]]></category>
            <category><![CDATA[The Association of Professional Academic Institutions]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/e6ecb254-a83e-4552-aa72-0ebc92f8d8f2.webp" length="76062" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/e6ecb254-a83e-4552-aa72-0ebc92f8d8f2.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/e6ecb254-a83e-4552-aa72-0ebc92f8d8f2.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিশ্বকাপের অভিযান শুরুর আগেই ধাক্কা, মরক্কো ম্যাচে বিশ্বতারকাকে ছাড়াই নামতে হবে ব্রাজিলকে]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/world-cup-2026-brazil-receive-neymar-blow-ahead-of-world-cup-opener-against-morocco-500372</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/world-cup-2026-brazil-receive-neymar-blow-ahead-of-world-cup-opener-against-morocco-500372</guid>
            <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 14:13:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[রাত পোহালেই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ব্রাজিলের। প্রতিপক্ষ মরক্কো। পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ীদের শুরুতেই কঠিন পরীক্ষা। কিন্তু তার আগেই ধাক্কা ব্রাজিল শিবিরে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না নেইমারকে।]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>রাত পোহালেই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু ব্রাজিলের। প্রতিপক্ষ মরক্কো। পাঁচবারের বিশ্বকাপ জয়ীদের শুরুতেই কঠিন পরীক্ষা। কিন্তু তার আগেই ধাক্কা ব্রাজিল শিবিরে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাওয়া যাবে না নেইমারকে। বিশ্বকাপের সেরা তারকাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। ক্লাস ফুটবলারের পাশাপাশি সমর্থন টানেন। কিন্তু সেলেকাওদের ওপেনিং ম্যাচের আগেই ভক্তদের জন্য খারাপ খবর শোনান কার্লো আনসেলত্তি। কাফ মাসেল চোট আছে নেইমারের। শুধু মরক্কো ম্যাচই নয়, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাঁকে নাও পাওয়া যেতে পারে। নিউ জার্সিতে ব্রাজিলের ম্যাচের আগের দিন আনসেলত্তি জানান, 'নেইমার উন্নতি করছে। তবে এখনও মাঠে ফেরার জন্য তৈরি নয়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিট হওয়ার চেষ্টা করছে। আশা করছি পরের সপ্তাহে দলের সঙ্গে পুরোদমে ট্রেনিংয়ে যোগ দিতে পারবে।'</p>&#13;
<p>গ্রুপ এফে ১৯ জুন হাইতি এবং ২৪ জুন স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি ব্রাজিল। এই দুটো ম্যাচেও নেইমার অনিশ্চিত। শুক্রবার ট্রেনিংয়ে ছিলেন না তারকা ফুটবলার। দলে ডাক পাওয়ার পর থেকে এখনও খেলতে দেখা যায়নি তাঁকে। রিহ্যাবে থাকায় পানামা এবং মিশরের বিরুদ্ধে ওয়ার্ম আপ ম্যাচেও খেলেননি। ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, নেইমারকে কেন বিশ্বকাপের দলে রাখা হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দেন ব্রাজিল কোচ। আনসেলত্তি বলেন, 'দলে তরুণ প্লেয়ারদের জন্য নেইমার ভাল উদাহরণ হতে পারে।' ব্রাজিলের কোচ মনে করেন, শুধুমাত্র মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও দলকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন তারকা ফুটবলার।&nbsp;</p>&#13;
<p>এবার হেক্সা অভিযানে নামবে ব্রাজিল। তাতে নেইমারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা আনসেলত্তির। নেইমারকে নিয়ে আশাবাদী ভিনিসিয়াস জুনিয়র। দ্রুত তাঁকে বল পায়ে দেখতে চান। ভিনি বলেন, 'ও আমাকে অনুপ্রাণিত করে। আশা করছি দ্রুত ফিট হয়ে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাঠে নামবে।' অন্যদিকে মরক্কো শিবিরের দাবি, নেইমারের অনুপস্থিতি তাঁদের প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলবে না। কোচ মহম্মদ ওহাবি জানান, দু'রকম পরিস্থিতির জন্যই তাঁর দল তৈরি। তিনি বলেন, 'আমরা নেইমারকে ধরে, এবং ওকে ছাড়া প্রস্তুতি নিয়েছি। তাই আমাদের জন্য কিছু বদলাবে না।' এদিকে নেইমার না খেলায় হতাশ আশরাফ হাকিমি। বিশ্বের অন্যতম সেরা প্লেয়ারের বিরুদ্ধে খেলতে চেয়েছিলেন মরক্কোর অধিনায়ক। হাকিমি বলেন, 'আমি সেরা প্লেয়ারদের বিরুদ্ধে খেলতে চাই। নেইমার তার মধ্যে অন্যতম।' ব্রাজিলের কোচ আশা করছেন, নক আউট পর্বে পাওয়া যাবে নেইমারকে।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[world cup 2026]]></category>
            <category><![CDATA[brazil]]></category>
            <category><![CDATA[#neymar]]></category>
            <category><![CDATA[Brazil vs Morocco]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/79ce52d7-273d-47d9-af57-eac252c8d660.webp" length="82296" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/79ce52d7-273d-47d9-af57-eac252c8d660.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/06/13/79ce52d7-273d-47d9-af57-eac252c8d660.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[নেইমারকে নিয়েই বিশ্বকাপ পরিকল্পনা, চোট জল্পনা উড়িয়ে দিলেন অ্যানচেলোত্তি ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/special-news/carlo-ancelotti-dismisses-injury-concerns-as-brazils-world-cup-plans-remain-centered-on-neymar-498436</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/special-news/carlo-ancelotti-dismisses-injury-concerns-as-brazils-world-cup-plans-remain-centered-on-neymar-498436</guid>
            <pubDate>Sun, 31 May 2026 09:15:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[চোট কাটিয়ে পুরোপুরি সুস্থ হতে সময় লাগতে পারে, এমন আশঙ্কার মধ্যেও ব্রাজিল তারকা নেইমারের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আশাবাদী ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো অ্যানচেলোত্তি। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> চোট কাটিয়ে পুরোপুরি সুস্থ হতে সময় লাগতে পারে, এমন আশঙ্কার মধ্যেও ব্রাজিল তারকা নেইমারের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আশাবাদী ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো অ্যানচেলোত্তি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার সময়ে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নেইমারের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই এবং তাঁর জায়গায় অন্য কাউকে দলে নেওয়ারও পরিকল্পনা নেই।</p>&#13;
<p>বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ২৭ মে থেকে রিও ডি জেনিরোতে অনুশীলন করছে ব্রাজিল দল। এখনও সতীর্থদের সঙ্গে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। পানামার বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি ও নেইমারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন অ্যানচেলোত্তি।</p>&#13;
<p>ব্রাজিল কোচ জানান, ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করার আগে তাঁর ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছেন তাঁরা। অ্যানচেলোত্তি বলেন, ''আমরা বিশ্বাস করি, নেইমার দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে। মানসিকভাবেও বেশ হাসিখুশি রয়েছে।''</p>&#13;
<p>এর আগে ব্রাজিল দলের মেডিক্যাল স্টাফ প্রধান রডরিগো লাসমার জানিয়েছিলেন, নেইমারকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপে মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচে তাঁর খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।</p>&#13;
<p>তবে অ্যানচেলোত্তি এত দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন না। তাঁর মতে, নেইমার প্রথম ম্যাচের আগেই ফিট হয়ে উঠতে পারেন। আর তা সম্ভব না হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী কোচ। তিনি বলেন, ''সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত নেইমার আমাদের সঙ্গেই থাকবে। আমরা মনে করি, নেইমার প্রথম ম্যাচের আগেই প্রস্তুত হয়ে যেতে পারে। যদি তা না-ও পারে, তাহলে দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকবে। নিশ্চিতভাবে বলছি, নেইমারের জায়গায় কোনও বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়া হবে না।''</p>&#13;
<p>বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে অ্যানচেলোত্তি জানিয়েছিলেন, একশো শতাংশ ফিট না হলে, কাউকে দলে নেওয়া হবে না। তবে নেইমার পুরোপুরি সুস্থ না হয়েও দলে জায়গা পাওয়ায় ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে প্রশ্ন উঠেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>এ বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ''আমি শারীরিকভাবে একশো শতাংশ ফিট থাকার বিষয়টি বলেছিলাম। হয়তো বিষয়টি ঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারিনি। আমি বলতে চেয়েছিলাম, এমন খেলোয়াড়কেও নেওয়া হতে পারে, যে বিশ্বকাপ চলাকালীন পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে মিলিতাও, রডরিগো এবং উইলিয়ান তখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবে না।''</p>&#13;
<p>এবারের বিশ্বকাপে &lsquo;সি&rsquo; গ্রুপে রয়েছে ব্রাজিল। তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি এবং স্কটল্যান্ড।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[carlo ancelotti]]></category>
            <category><![CDATA[#neymar]]></category>
            <category><![CDATA[world cup]]></category>
            <category><![CDATA[Brazil National Football Team]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/31/abcea3d7-b19a-436b-b691-249c53f84f20.webp" length="58968" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/31/abcea3d7-b19a-436b-b691-249c53f84f20.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/31/abcea3d7-b19a-436b-b691-249c53f84f20.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কোথায় জাহাঙ্গীর! ফলতায় দেখা নেই 'পুষ্পা'র, এজেন্টও নেই তৃণমূলের, 'ডায়মন্ড মডেল' ভেঙে ফুটবে এবার পদ্মই? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/falta-assembly-repoll-updates-jahangir-khan-out-of-race-peaceful-repolling-underway-on-falta-497121</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/falta-assembly-repoll-updates-jahangir-khan-out-of-race-peaceful-repolling-underway-on-falta-497121</guid>
            <pubDate>Thu, 21 May 2026 11:14:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ 'পুষ্পা জমানার অবসান?' পুনর্নির্বাচনে বদলে যাওয়া ফলতা, শান্তির আবহে ভোটের উৎসব। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: 'পুষ্পা জমানার অবসান?' পুনর্নির্বাচনে বদলে যাওয়া ফলতা, শান্তির আবহে ভোটের উৎসব।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>একসময় রাজনৈতিক উত্তাপ, সংঘর্ষ, অভিযোগ আর আতঙ্কের জন্য বারবার শিরোনামে উঠে আসত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র। যে ফলতাকে দীর্ঘদিন তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে মনে করা হতো, সেই ফলতার মাটিতেই এবার যেন বদলের হাওয়া।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২৯ তারিখের বিতর্কিত নির্বাচনের পর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আজ বৃহস্পতিবার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি বুথে শুরু হয়েছে পুনর্নির্বাচন। সকাল থেকেই বুথে বুথে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন, তবে এবারের ছবি কিছুটা আলাদা। অন্তত স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বহু বছর পর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন তাঁরা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলতে শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে ফলতা রাজনীতিতে প্রভাবশালী মুখ হিসেবে পরিচিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জাহাঙ্গীর খান। স্থানীয় রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব এতটাই ছিল যে অনেকেই তাঁকে ফলতার &ldquo;বেতাজ বাদশা&rdquo; বলেই উল্লেখ করতেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ফলতায় তৃণমূলের অন্যতম বড় ভরসা ছিলেন জাহাঙ্গীর খান। তবে পুনর্নির্বাচনের ঠিক দু&rsquo;দিন আগে তাঁর প্রার্থী পদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে নতুন করে জল্পনা শুরু হয় রাজনৈতিক মহলে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, গত ২৯ তারিখে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালীন একাধিক বুথে অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, বহু জায়গায় ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। ইভিএম-এ কারচুপি, ভোটারদের ভয় দেখানো এবং বুথ দখলের মতো অভিযোগও ওঠে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অস্বীকার করা হয়েছিল। পরে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হলে কমিশন অভিযোগ খতিয়ে দেখে ফলতার ২৮৫টি বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দেয়।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুনর্নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই ফলতার বিভিন্ন প্রান্তে ছিল উৎসবের আবহ। বুথ খোলার আগেই বহু ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন। প্রবীণ নাগরিক থেকে যুবক-যুবতী, সকলের মধ্যেই ছিল ভোট দেওয়ার আগ্রহ। বহু ভোটারের দাবি, গত এক দশকের মধ্যে এমন শান্তিপূর্ণ ভোট তাঁরা খুব কমই দেখেছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস মাঝির অভিযোগ, আগের নির্বাচনে তাঁকে ভোট দিতেই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, &ldquo;গত ২৯ তারিখে আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ভয় দেখানো হয়েছিল, প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ছিলাম। চার তারিখের পর পরিস্থিতি বদলেছে। এলাকায় শান্তি ফিরেছে। আজ আনন্দের সঙ্গে ভোট দিচ্ছি।&rdquo; যদিও তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>একই সুর শোনা গেল সাধারণ ভোটার অভিষেক প্রামাণিকের গলাতেও। তিনি বলেন, &ldquo;আগে ভোট মানেই আতঙ্ক ছিল। বুথে যাওয়া নিয়েও ভয় কাজ করত। এবার পরিবেশ একেবারে অন্যরকম। আমরা উৎসবের মেজাজে ভোট দিচ্ছি। ফলতার উন্নয়ন চাই। বন্ধ কোম্পানিগুলো ফের চালু হোক, যুবকদের কর্মসংস্থান হোক।&rdquo;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অংশু মাঝি নামে এক মহিলা ভোটারও আগের ভোট নিয়ে একাধিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে ভোটারদের উপর নজরদারি করা হতো এবং ভয় দেখানোর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এদিকে, পুনর্নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন বুথ ঘুরে দেখতে দেখা যায় বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা, বুথের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। বিজেপির দাবি, এবার মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন এবং ফলতায় &ldquo;শান্তির পরিবেশ&rdquo; ফিরে এসেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, বেশ কয়েকটি বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টদের তেমন সক্রিয় দেখা যায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের একাংশের। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জাহাঙ্গীর খানের সরে দাঁড়ানো এবং পুনর্নির্বাচনের আবহ ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রশাসনের পক্ষ থেকে এদিন কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিটি বুথে মোতায়েন ছিল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয় নজরদারি। নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল&mdash; কোনওভাবেই যাতে অশান্তি না ছড়ায় এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সব মিলিয়ে, ফলতার পুনর্নির্বাচন শুধুমাত্র একটি ভোট নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রভাব, অভিযোগ-প্রত্যাঘাত এবং পরিবর্তনের দাবির মধ্যে মানুষের মনোভাবেরও এক বড় পরীক্ষা। বহু মানুষের দাবি&mdash; &ldquo;অশান্ত ফলতা&rdquo; এখন &ldquo;শান্ত ফলতা&rdquo;র পথে হাঁটছে। তবে এই বদলের আসল প্রতিফলন মিলবে ফল ঘোষণার।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Jahangir Khan]]></category>
            <category><![CDATA[Falta Assembly Repoll]]></category>
            <category><![CDATA[Falta Assembly Repoll Updates]]></category>
            <category><![CDATA[TMC]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/21/e4dc25f2-4696-4e47-8fb9-89408deb56ff.webp" length="137106" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/21/e4dc25f2-4696-4e47-8fb9-89408deb56ff.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/21/e4dc25f2-4696-4e47-8fb9-89408deb56ff.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[স্বাস্থ্যগত জরুরি সময়ে আর্থিক প্রভাব সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রয়োজন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/health/understanding-the-financial-impact-of-health-emergencies-497034</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/health/understanding-the-financial-impact-of-health-emergencies-497034</guid>
            <pubDate>Wed, 20 May 2026 15:10:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা কীভাবে শুধু একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্যকেই নয়, বরং একটি পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করে এবং কেন এই যোগসূত্রটি সম্পর্কে সচেতনতা আজকের দিনে আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> বেশিরভাগ পরিবারই এর পূর্বাভাস পায় না। এক সপ্তাহ আগেও সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছিল&mdash; কাজ, পড়াশোনা, বাজার করা, দৈনন্দিন রুটিন। তারপর কিছু একটা ঘটল এবং সংসারটা হঠাৎ করেই একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে ব্যস্ত হয়ে ওঠে- কাউকে সুস্থ করে তোলা। বিল, খরচ, আর্থিক চাপ&mdash; সেগুলো আসে পরে। কিন্তু সেগুলি আসে ঠিকই।</p>&#13;
<p>এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে যে, স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা কীভাবে শুধু একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্যকেই নয়, বরং একটি পরিবারের আর্থিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করে এবং কেন এই যোগসূত্রটি সম্পর্কে সচেতনতা আজকের দিনে আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</p>&#13;
<p><strong>যখন স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা আর্থিক জরুরি অবস্থায় পরিণত হয়</strong></p>&#13;
<p>এমন একটি মুহূর্ত অনেক পরিবারেরই আসে যা খুব পরিচিত&mdash; ফোন হঠাৎ বেজে ওঠে, কাউকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই জীবনের বাকি সবকিছু থমকে যায়। সেই প্রথম কয়েক ঘণ্টায় কেউ টাকার কথা ভাবেন না। তখন শুধু এটাই মনে হয় যে, মানুষটি যেন সুস্থ হয়ে ওঠে।</p>&#13;
<p>কিন্তু কয়েক দিন পর, যখন প্রাথমিক ধাক্কাটা কাটতে শুরু করে, তখন অন্য এক ধরনের দুশ্চিন্তা নীরবে তার জায়গা নেয়। বিল আসতে শুরু করে। আর হঠাৎ করেই, একটি স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা আর্থিক সঙ্কটেও পরিণত হয়।</p>&#13;
<p>সারা দেশে প্রতি বছর অগুণতি পরিবার এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যায়। হঠাৎ অসুস্থতা, অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা, এমন কোনও রোগ ধরা পড়া, যা কেউ কল্পনাও করেনি&mdash; এই ঘটনাগুলি শুধু অসুস্থ ব্যক্তিকেই প্রভাবিত করে না। এগুলি পুরো পরিবারকে এমনভাবে প্রভাবিত করে, যা থেকে সেরে উঠতে প্রায়শই মাস বা বছর লেগে যায়।</p>&#13;
<p><strong>স্বাস্থ্য পরিষেবায় ব্যয় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে</strong></p>&#13;
<p>ভারতে চিকিৎসার খরচ বছরের পর বছর ধরে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, এবং বেশিরভাগ পরিবারই কোনও বেসরকারি হাসপাতালে পা রাখার মুহূর্তেই তা টের পায়। টাইফয়েড বা কোনও গুরুতর সংক্রমণের মতো সাধারণ রোগের জন্য তিন দিন হাসপাতালে থাকতেই ২০, ৩০ বা কখনও কখনও ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে এবং এটা পরীক্ষা ও ওষুধের খরচ যোগ করার আগের হিসেব।</p>&#13;
<p>চূড়ান্ত বিলে কতগুলি আলাদা আলাদা বিষয় দেখা যায়, তা দেখে বেশিরভাগ মানুষই অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন:</p>&#13;
<p>● <strong>হাসপাতালের বেডের খরচ:</strong> রুমের ভাড়া তো কেবল শুরু। দৈনিক নার্সিং ফি, প্রয়োজনে আইসিইউ-এর খরচ এবং অ্যাটেনডেন্টের খরচ, এমনকি অল্প সময়ের জন্য হাসপাতালে থাকলেও, দ্রুত বাড়তে থাকে।</p>&#13;
<p>● <strong>রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা:</strong> রক্তপরীক্ষা, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই&mdash; এগুলির বিল আলাদাভাবে করা হয় এবং এগুলি মোট খরচের সঙ্গে একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অতিরিক্ত টাকা যোগ করতে পারে, যা প্রায়শই পরিবারের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়।</p>&#13;
<p>● <strong>ওষুধ এবং ব্যবহার্য সামগ্রী:</strong> হাসপাতালে থাকাকালীন প্রতিটি আইভি ব্যাগ, অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম, নির্ধারিত ওষুধ, সবকিছুর বিল আলাদাভাবে করা হয়।</p>&#13;
<p>● <strong>বিশেষজ্ঞ এবং চিকিৎসা পদ্ধতির ফি: </strong>হাসপাতালে ভর্তির সময় যদি কোনও বিশেষজ্ঞকে ডাকা হয়, তবে ডাক্তারের ফি ছাড়াও তাঁর পরামর্শের জন্য সম্পূর্ণ আলাদা একটি চার্জ দিতে হয়।</p>&#13;
<p><strong>চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা দ্রুত পরিবারের সঞ্চয় নিঃশেষ করে দিতে পারে</strong></p>&#13;
<p>যখন কোনও স্বাস্থ্য সঙ্কট দেখা দেয়, তখন বেশিরভাগ পরিবারই তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে। তারা তাদের সঞ্চয় থেকে টাকা তোলে। অন্য কোনও কিছুর জন্য রাখা ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে ফেলে। তারা ভাইবোন বা কোনও ঘনিষ্ঠ বন্ধুর কাছ থেকে ধার নেয়, এই নীরবে প্রতিজ্ঞা করে যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তা ফেরত দেবে।</p>&#13;
<p>সেই মুহূর্তের তাড়াহুড়োতে, এই সিদ্ধান্তগুলিকেই একমাত্র উপায় বলে মনে হয়। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী বাস্তব মেনে নেওয়া আরও কঠিন।</p>&#13;
<p>সন্তানের পড়াশোনার জন্য বা মেয়ের বিয়ের জন্য, কিংবা যে কোনও জরুরি অবস্থার জন্য জমিয়ে রাখা টাকা অন্য খাতে চলে যায়। যে লক্ষ্যটি হাতের নাগালে বলে মনে হচ্ছিল, তা হঠাৎ আরও দূরে সরে যায়। পরিবারটিকে শুধু স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের সঙ্গেই নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে জমানো সঞ্চয় পুনর্গঠনের চেষ্টাও করতে হয়।</p>&#13;
<p>প্রকৃতপক্ষে, চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা হল পরিবারগুলির আকস্মিক ও তীব্র আর্থিক চাপের সম্মুখীন হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। ঠিক এই কারণেই আরও বেশি মানুষ <a href="https://www.godigit.com/health-insurance" target="_blank" rel="noopener"><strong>health insurance</strong></a> কে একটি ঐচ্ছিক অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে না দেখে, বরং মৌলিক আর্থিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ভাবতে শুরু করেছে।</p>&#13;
<p><strong>স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে প্রায়শই আয় কমে যায়</strong></p>&#13;
<p>অসুস্থতার আর্থিক প্রভাব শুধু হাসপাতালের বিলেই সীমাবদ্ধ থাকে না। অনেক কর্মজীবী ​​মানুষের জন্য, বিশেষ করে যারা স্ব-নিযুক্ত বা অসংগঠিত খাতে কাজ করেন, কাজ থেকে দূরে থাকার অর্থই হল সরাসরি আয় কমে যাওয়া।</p>&#13;
<p>একজন ব্যক্তি যিনি ছোট দোকান চালান, অটো-রিকশা চালান বা দৈনিক মজুরিতে কাজ করেন, তিনি ডাক্তারের পরামর্শ সত্ত্বেও সবসময় দুই সপ্তাহ বিশ্রাম নেওয়া সম্ভব হয় না। তবুও, যথাযথ আরোগ্য লাভ না করে কাজ চালিয়ে গেলে প্রায়শই অসুস্থতা আরও দীর্ঘায়িত হয়। শেষ পর্যন্ত আরও বেশি সময় নষ্ট হয়।</p>&#13;
<p>এমনকি বেতনভুক্ত কর্মচারীরাও চাপের সম্মুখীন হন। সবেতন ছুটি শেষ হয়ে যায়। আরোগ্য লাভের সময় উৎপাদনশীলতা কমে যায়। কিছু মানুষ পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই কাজে ফিরে যান কারণ বাড়িতে আর্থিক চাপ অনেক বেশি থাকে।</p>&#13;
<p>যখন পরিবারের একজন সদস্য অসুস্থ থাকেন, তখন প্রায়শই অন্যজন পরিচর্যাকারীর ভূমিকা পালন করেন, যার ফলে তাদের নিজেদের কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্য কথায়, আয়ের এই ক্ষতি একই সঙ্গে একাধিক দিক থেকে আসতে পারে।</p>&#13;
<p><strong>চিকিৎসার পরে প্রকাশ পায় লুকানো খরচ</strong></p>&#13;
<p>বেশিরভাগ পরিবারই হাসপাতালে থাকার সময়টা পার করার দিকেই বেশি মনোযোগ দেয়। কিন্তু এর পরের সব কিছুর জন্য তারা প্রায়শই প্রস্তুত থাকে না।</p>&#13;
<p>● <strong>ফলো-আপ অ্যাপয়েন্টমেন্ট:</strong> যদি অস্ত্রোপচার বা গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে, কয়েক মাস বা সপ্তাহ ধরে একাধিক বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।</p>&#13;
<p>● <strong>ওষুধপত্র:</strong> অনেক অসুস্থতার ক্ষেত্রেই হাসপাতাল থেকে ছাড় পাওয়ার পরেও দীর্ঘ সময়ের জন্য ওষুধের প্রয়োজন হয়। এটি একটি পুনরাবৃত্ত মাসিক খরচ হিসাবে যুক্ত হয়।</p>&#13;
<p>● <strong>ফিজিওথেরাপি এবং রিহ্যাবিলিটেশন: </strong>অস্ত্রোপচার বা স্ট্রোকের পর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা খুব কমই সম্ভব হয়। নিয়মিত থেরাপি সেশন, যা কখনও কখনও কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে চলে, তার নিজস্ব খরচ রয়েছে যা হাসপাতালের বিলে অন্তর্ভুক্ত থাকে না।</p>&#13;
<p>● <strong>বাড়িতে নার্সিং বা পরিচর্যা: </strong>বয়স্ক রোগীদের জন্য যারা বাড়িতে স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা নিতে চান, তাদের জন্য এই পেশাদার পরিচর্যাও খরচের সঙ্গে যুক্ত হয়।</p>&#13;
<p>● <strong>যাতায়াত এবং বাসস্থান:</strong> ছোট শহরে বসবাসকারী পরিবারগুলিকে চিকিৎসার জন্য বড় শহরে যেতে হয়। তাদের জন্য, যাতায়াত, খাবার এবং থাকার খরচ যোগ হয়ে একটি বড় অঙ্কে পরিণত হয়।</p>&#13;
<p>এই খরচগুলি প্রাথমিক হাসপাতালের বিলের চেয়ে নিশব্দে খরচ হয়, কিন্তু এগুলিও অনেক বেশি সময় ধরে চলতে থাকে।</p>&#13;
<p><strong>স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা কীভাবে পুরো পরিবারকে প্রভাবিত করে</strong></p>&#13;
<p>একজনের অসুস্থতা তার চারপাশের সকলের দৈনন্দিন জীবনকে পাল্টে দেয়। যদি মা অসুস্থ হন, সন্তানেরা তার প্রভাব অনুভব করে। যদি বাবা অস্ত্রোপচার থেকে সেরে ওঠেন, সংসারের বাজেটেও তার প্রভাব পড়ে। পরিবারের গুরুতর স্বাস্থ্য সঙ্কটের এমন কোনও রূপ নেই যা কেবল একজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।</p>&#13;
<p>পরিকল্পনা স্থগিত হয়ে যায়। পারিবারিক ছুটি বাতিল হয়ে যায়। বাড়ির যে মেরামতের কাজ অনেকদিন ধরে বাকি ছিল, তা আরও পিছিয়ে যায়। সন্তানদের শখ পূরণ স্থগিত রাখা হয়। বাজেট কাটছাঁট করা হয়, স্বাস্থ্যখাতের খরচ অন্য সবকিছুর চেয়ে অগ্রাধিকার পায়।</p>&#13;
<p>এর একটি অদৃশ্য খরচও রয়েছে&mdash; মানসিক চাপ। স্বাস্থ্য সঙ্কটের সময় পরিবারের প্রতিটি মানুষ প্রায়শই প্রচণ্ড মানসিক ও শারীরিক চাপ বহন করেন এবং অসুস্থতা কেটে যাওয়ার পরেও সেই চাপ সবসময় দ্রুত কমে না।</p>&#13;
<p><strong>কেন অনেক পরিবার চিকিৎসা খরচের জন্য অপ্রস্তুত থাকে</strong></p>&#13;
<p>এটা ভাবা সহজ যে, কেন আরও বেশি পরিবার চিকিৎসার খরচের জন্য আগে থেকে পরিকল্পনা করে না। কিন্তু এর কারণগুলিও বোধগম্য।</p>&#13;
<p>স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা স্বভাবতই অপ্রত্যাশিত। কেউই গুরুতর অসুস্থ হওয়ার আশা করে না এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমানের প্রয়োজনের দিকে মনোযোগ দেওয়াই মানুষের স্বভাব। বেশিরভাগ পরিবারের বাজেট মাসিক খরচের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়&mdash; যেমন বাড়ি ভাড়া, বাজার খরচ, স্কুলের বেতন, অন্যান্য পরিষেবা। বাজেটে অপ্রত্যাশিত কোনও চিকিৎসা সঙ্কটের জন্য খুব কমই জায়গা থাকে।</p>&#13;
<p>স্বাস্থ্য খরচের জন্য পরিকল্পনা করাটাও নতুন কোনও পছন্দের জিনিস বা সপরিবারে বেড়াতে যাওয়ার মতো দৃশ্যমান কিছুর জন্য সঞ্চয় করার চেয়ে কম বাস্তবসম্মত মনে হয়। আর যে পরিবারগুলির আয় এমনিতেই সীমিত, তাদের জন্য কোনও কিছু জমিয়ে রাখা অসম্ভব বলে মনে হতে পারে।</p>&#13;
<p>এর কোনওটিই পরিকল্পনার ব্যর্থতা নির্দেশ করে না। এটি বহু পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে।</p>&#13;
<p><strong>স্বাস্থ্য পরিকল্পনা পারিবারিক আর্থিক সুরক্ষার একটি অংশ হয়ে উঠছে</strong></p>&#13;
<p>তবে, একটি পরিবর্তন ঘটছে। আরও বেশি সংখ্যক পরিবার, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, স্বাস্থ্য প্রস্তুতিকে আর্থিক সুরক্ষার বৃহত্তর চিত্রের একটি অংশ হিসেবে দেখতে শুরু করেছে।</p>&#13;
<p>পরিবারগুলি যেমন সন্তানের শিক্ষার জন্য পরিকল্পনা করে বা একটি ছোট জরুরি তহবিল গড়ার চেষ্টা করে, তেমনি তারা ভাবতে শুরু করেছে যে কোনও স্বাস্থ্য সঙ্কট দেখা দিলে কী হবে। প্রশ্নটি এখন আর শুধু &ldquo;আমরা কি চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারব?&rdquo; নয়, বরং &ldquo;কীভাবে নিশ্চিত করব যে একটি অসুস্থতা আমাদের এতদিনের সমস্ত পরিশ্রমকে নষ্ট করে দেবে না?&rdquo;</p>&#13;
<p>এটি মানসিকতার একটি বাস্তবসম্মত পরিবর্তন এবং এটি বোধগম্যও বটে। আরও বেশি পরিবার <a href="https://www.godigit.com/health-insurance/health-insurance-plans-for-family" target="_blank" rel="noopener"><strong>health insurance for family</strong></a> মতো বিকল্পগুলি খতিয়ে দেখছে, এই কারণে নয় যে তারা সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির আশঙ্কা করছে, বরং এই কারণে যে তারা দেখেছে অপ্রস্তুত পরিবারগুলির কী পরিণতি হয়, এবং তারা সেই পরিস্থিতিতে পড়তে চায় না।</p>&#13;
<p><strong>সচেতনতা আর্থিক ধাক্কা কমাতে পারে</strong></p>&#13;
<p>স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা শুধু স্বাস্থ্যকেই নয়, আর্থিক স্থিতিশীলতাকেও প্রভাবিত করে। ক্রমশ বেড়ে চলা চিকিৎসা খরচ, আয় হ্রাস এবং ব্যয় পরিবারের উপর আকস্মিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই আর্থিক ঝুঁকিগুলি সম্পর্কে সচেতনতা পরিবারগুলিকে আরও ভালভাবে প্রস্তুতি নিতে এবং আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[DIGIT]]></category>
            <category><![CDATA[health insurance]]></category>
            <category><![CDATA[health emergency]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/20/e8a4d7f9-6140-4dc8-8f6e-84df0c22893c.webp" length="41776" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/20/e8a4d7f9-6140-4dc8-8f6e-84df0c22893c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/20/e8a4d7f9-6140-4dc8-8f6e-84df0c22893c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষার্থীদের জন্য সুখবর! কমল পুনর্মূল্যায়নের এবং নম্বর যাচাইয়ের ফি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/cbse-reduces-class-12th-result-2026-revaluation-fee-amid-osm-debate-496943</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/cbse-reduces-class-12th-result-2026-revaluation-fee-amid-osm-debate-496943</guid>
            <pubDate>Tue, 19 May 2026 19:09:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ এ বার পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য আরও কিছুটা বড়সড় স্বস্তির খবর দিল বোর্ড। পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়ন, নম্বর যাচাই এবং উত্তরপত্রের স্ক্যান কপি পাওয়ার খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই কমানোর কথা ঘোষণা করেছে বোর্ড। ]]></description>
            <dc:creator>সুচেতনা মুখার্জী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph"><strong>আজকাল ওয়েবডেস্কঃ&nbsp;</strong> সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষার মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রশ্নচিহ্নের মুখে। সম্প্রতি সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন -এর দ্বাদশের ফল ঘোষণার পরেই শুরু হয়েছে জোর তরজা। 'ওএসএম' পদ্ধতিতে পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নে ত্রুটি এবং গরমিল নিয়ে তীব্র ক্ষোভ দানা বেঁধেছে তীব্র অসন্তোষের জেরে বোর্ড খাতা পুনর্মূল্যায়ন বা রিভিউ এবং সংশোধনের সুযোগ দিয়েছে। এ বার পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য আরও কিছুটা বড়সড় স্বস্তির খবর দিল বোর্ড। পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়ন, নম্বর যাচাই এবং উত্তরপত্রের স্ক্যান কপি পাওয়ার খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই কমানোর কথা ঘোষণা করেছে বোর্ড। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, স্ক্রুটিনি বা পুনর্মূল্যায়নের পর যদি কোনও পরীক্ষার্থীদের নম্বর বাড়ে, তবে তাঁর জমা দেওয়া ফি সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">সম্প্রতি দ্বাদশ শ্রেণীর ফলাফল ঘোষণার পর বোর্ডের অন স্ক্রিন মার্কিং বা ওএসএম মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এই আবহে একটি সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় সিদ্ধান্তের কথা জানান স্কুল শিক্ষা সচিব সঞ্জয় কুমার। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগে এই সবকটি প্রক্রিয়ার জন্যই পরীক্ষার্থীদের বেশ অনেকটা টাকা খরচ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। নতুন নিয়মে সেই খরচ অনেকটাই কমিয়ে আনা হয়েছে।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি বিষয়ের উত্তরপত্রের স্ক্যান্ড কপি দেখার জন্য ৭০০ টাকা খরচ করতে হত। যা কমিয়ে করা হয়েছে ১০০ টাকা। প্রতি প্রশ্ন পুনর্মূল্যায়নের জন্য নির্ধারিত ১০০ টাকা কমিয়ে ২৫ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি, নম্বর যাচাইয়ের জন্য ৫০০ টাকা নির্ধারিত ফি কমিয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। একইসঙ্গে, স্ক্রুটিনি বা পুনর্মূল্যায়নের পর যদি কোনও পরীক্ষার্থীদের নম্বর বাড়ে, তবে তাঁর জমা দেওয়া ফি সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে বোর্ড।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">কেন্দ্রের শিক্ষা সচিব সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, পুনর্মূল্যায়নের পর যেসব ছাত্রছাত্রীর নম্বর বৃদ্ধি পাবে, বোর্ড তাদের পর্যালোচনার জন্য নেওয়া পুরো ফি ফেরত দিয়ে দেবে। বোর্ডের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই রিফান্ড বা টাকা ফেরতের নিয়মটি ২০১৯ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। কিন্তু পরে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে দীর্ঘ সাত বছর পর ২০২৬ সালে এসে আবারও এই নিয়ম ফিরিয়ে আনা হল। বোর্ড কর্তৃপক্ষের আশা, এই সিদ্ধান্তের ফলে পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট পড়ুয়ারা অত্যন্ত কম খরচে এবং নির্ভয়ে খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করতে পারবেন।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">উল্লেখ্য, এ বছর সিবিএসই-র দ্বাদশের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে ডিজিটাল খাতা মূল্যায়ন বা &lsquo;অন-স্ক্রিন মার্কিং&rsquo; (ওএসএম) ব্যবস্থার মাধ্যমে। এ বার ওএসএম ব্যবস্থার পক্ষে সওয়াল করলেও নিজেদের ভুল কার্যত মেনে নিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষাসচিব সঞ্জয় কুমার। আগামী ১৯ মে থেকে ২২ মে-র মধ্যে পরীক্ষার্থীরা তাঁদের মূল্যায়িত উত্তরপত্রের স্ক্যান কপির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এরপর তাঁরা খাতা যাচাই বা পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ পাবেন।</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>&#13;
<p class="PlaygroundEditorTheme__paragraph">&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[cbse 12th result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[CBSE OSM Controversy 2026]]></category>
            <category><![CDATA[CBSE revaluation fee 2026]]></category>
            <category><![CDATA[cbse class 12 result 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/19/6afef8ae-2cfc-4a66-acd2-a659e5d7e739.webp" length="64382" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/19/6afef8ae-2cfc-4a66-acd2-a659e5d7e739.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/19/6afef8ae-2cfc-4a66-acd2-a659e5d7e739.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এআই কোর্স করলেই কি চাকরি মিলবে? বাস্তব চিত্রটা কী? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/is-ai-course-helping-students-to-get-jobs-or-its-just-a-craze-496380</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/is-ai-course-helping-students-to-get-jobs-or-its-just-a-craze-496380</guid>
            <pubDate>Sat, 16 May 2026 20:26:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ যেমন একসময় কম্পিউটার বা এক্সেল জানা জরুরি ছিল, তেমনই আগামী দিনে এআই টুল ব্যবহার জানা কর্মক্ষেত্রে মৌলিক যোগ্যতা হয়ে উঠতে পারে। ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>ভারতে এখন নতুন ট্রেন্ড&mdash; এআই শেখা। চাকরির বাজারে টিকে থাকতে, কেরিয়ারে এগিয়ে যেতে কিংবা ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী ঝুঁকছেন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই কোর্সের দিকে। কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে চাকরিজীবী, এমনকি স্কুল পড়ুয়ারাও এখন এআই শেখার দৌড়ে সামিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, ভারতে এআই কোর্সে ভর্তি হওয়ার হার গত কয়েক বছরে বিপুল বেড়েছে। অনলাইনে বর্তমানে ভারতের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ কোটি ৪২ লক্ষেরও বেশি। শুধু তাই নয়, প্রতি মিনিটে প্রায় তিনজন ভারতীয় জেনারেটিভ এআই কোর্সে ভর্তি হচ্ছেন। ২০২৩ সালে যেখানে প্রতি চার মিনিটে একজন ভর্তি হতেন, সেখানে এখন এই সংখ্যা কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, এখন এআই আর &lsquo;অতিরিক্ত দক্ষতা&rsquo; নয়, বরং চাকরির জন্য প্রায় বাধ্যতামূলক দক্ষতায় পরিণত হচ্ছে। যেমন একসময় কম্পিউটার বা এক্সেল জানা জরুরি ছিল, তেমনই আগামী দিনে এআই টুল ব্যবহার জানা কর্মক্ষেত্রে মৌলিক যোগ্যতা হয়ে উঠতে পারে। ফলে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি কমার্স, ম্যানেজমেন্ট বা মানববিদ্যার পড়ুয়ারাও এআই শেখার প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এআই শিক্ষার উপর জোর দিতে শুরু করেছে। কোথাও সরকারি কর্মীদের জন্য এআই স্কিলিং কোর্স চালু হয়েছে, আবার কোথাও কলেজের পাঠ্যক্রমে বাধ্যতামূলকভাবে এআই অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। এমনকি মিডিয়া, অ্যানিমেশন ও গেমিং সেক্টরের জন্য ১৫ হাজার এআই স্কলারশিপও ঘোষণা করেছে কেন্দ্র সরকার।&nbsp;</p>&#13;
<p>তবে প্রশ্ন উঠছে&mdash; এত এআই কোর্স কি সত্যিই চাকরি দিচ্ছে? বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শুধু সার্টিফিকেট নয়, বাস্তব দক্ষতা অর্জনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এআই অনেক কাজ সহজ করলেও মানুষের সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণ ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতার বিকল্প হতে পারবে না।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ai]]></category>
            <category><![CDATA[Artificial Intelligence]]></category>
            <category><![CDATA[ai jobs]]></category>
            <category><![CDATA[AI course]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/16/77b2e3b9-2b07-4707-9911-b1816fb09a31.webp" length="33686" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/16/77b2e3b9-2b07-4707-9911-b1816fb09a31.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/16/77b2e3b9-2b07-4707-9911-b1816fb09a31.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সিবিএসসিতে জয়জয়কার চুঁচুড়া টেকনো ইন্ডিয়া পাবলিক স্কুলের, পড়ুয়াদের দেওয়া হল সংবর্ধনা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/west-bengal/cbse-result-students-of-chinsurah-techno-india-public-school-performed-excelently-496048</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/west-bengal/cbse-result-students-of-chinsurah-techno-india-public-school-performed-excelently-496048</guid>
            <pubDate>Thu, 14 May 2026 15:38:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ সিবিএসসি-র দ্বাদশ শ্রেণীর ফল প্রকাশিত হয়েছে বুধবার। বিশেষভাবে নজর কেড়েছে হুগলির চুঁচুডার টেকনো ইন্ডিয়া পাবলিক স্কুল। ]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>মিল্টন সেন, হুগলি: </strong>সিবিএসসি-র দ্বাদশ শ্রেণীর ফল প্রকাশিত হয়েছে বুধবার। বিশেষভাবে নজর কেড়েছে হুগলির চুঁচুডার টেকনো ইন্ডিয়া পাবলিক স্কুল। এবছর স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির তিন বিভাগের ২১৮ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন সফলভাবে। সর্বোচ্চ প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.২ শতাংশ। ৯০ থেকে ৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন ৩১ জন। স্কুলের ১৪ জন পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর ৯৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে। খুশি অভিভাবকরা। স্কুলে এসে তারা অভিনন্দন জানিয়েছেন শিক্ষক এবং স্কুল কর্তৃপক্ষকে। বৃহস্পতিবার ঘটা করে স্কুলের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হয় পড়ুয়াদের। সফল পরীক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে উদ্বুদ্ধ হল স্কুলের অসংখ্য পড়ুয়া।</p>&#13;
<p>এবছর দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল অনুযায়ী স্কুলের ১০০ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১৪ জন। যারা ৯৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে নম্বর পেয়ে স্কুলে প্রথম দশে রয়েছেন। ৯৮.২০ শতাংশ নম্বর পেয়ে শীর্ষে রয়েছেন অভীক গুছাইত। মোট ৫০০ নম্বরের মধ্যে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯১। এদিন স্কুলে এসে অধ্যক্ষ দেবায়ন দত্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অভীকের মা।&nbsp;</p>&#13;
<p>স্কুলে প্রথম দশে থাকা বাকি ১৩ জন হলেন, জয়দেব দাস, প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৮। সূর্যায়ু সান্যাল, প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৬। রুচিরা মুখার্জি পেয়েছেন ৪৮৩। অসিন মণ্ডেলর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮১। সুদর্শন আহির পেয়েছেন ৪৭৮। সমবৃতা মিত্র মজুমদার পেয়েছেন ৪৭৮, স্বর্ণশ্রী ভাড় পেয়েছেন ৪৭৭, প্রাপ্তি ঘোষ ৪৭৭, অঙ্কনা ভাড়ের প্রাপ্ত নম্বর ৪৭৪। উড়না রাউত পেয়েছেন ৪৭৪। রূদ্র দাস পেয়েছেন ৪৭৩ এবং রোহন দত্তের প্রাপ্ত নম্বর ৪৭২।&nbsp;</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/14/31cc5717-4ed7-4862-a023-c052a906c986.webp"></p>&#13;
<p>বৃহস্পতিবার স্কুল অডিটরিয়ামে সেরা ১৪ জন ছাত্র ছাত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। কৃতিদের হাতে পুষ্পস্তবক, মিষ্টি এবং উপহার তুলে দেন অধ্যক্ষ এবং শিক্ষক শিক্ষিকারা। ছাত্রছাত্রীদের অসাধারন ফলাফলে খুশি স্কুল কর্তৃপক্ষ।</p>&#13;
<p>এই প্রসঙ্গে স্কুলের অধ্যক্ষ বলেছেন, &ldquo;এই সফলতার নেপথ্যে অবদান রয়েছে স্কুলের শিক্ষক-অশিক্ষক থেকে শুরু করে স্কুলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সকলের। প্রথমত দশম শ্রেণির পর থেকেই স্কুলের তরফে পড়ুয়াদের বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়ে থাকে। মেধা অনুযায়ী পড়ুয়াদের বিজ্ঞান কলা এবং বাণিজ্য বিভাগে বিভক্ত করে পঠনপাঠন চলে। সঙ্গে থাকে পড়ুয়াদের নিরলস অধ্যয়ন এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের অক্লান্ত পরিশ্রম। অধ্যাপনার দায়িত্ত্ব যাঁরা থাকেন তাঁরা প্রত্যেক মুহূর্তে প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে নিখুঁত ভাবে তৈরি করার দায়িত্ত্ব পালন করে থাকেন। এই সাফল্য প্রত্যাশিত, কারণ এটা ছাত্র শিক্ষকের মিলিত চেষ্টার সুফল।&rdquo;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[techno india public school]]></category>
            <category><![CDATA[cbse result]]></category>
            <category><![CDATA[cbse]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/14/57a8a56f-dc7a-400a-8563-33a455579c9a.webp" length="82820" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/14/57a8a56f-dc7a-400a-8563-33a455579c9a.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/14/57a8a56f-dc7a-400a-8563-33a455579c9a.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[প্রতি মাসে নয়, ৩ মাস অন্তর হবে পিরিয়ডস! ঋতুচক্রে বদল আনার নেপথ্যে কোন গবেষণা বৈজ্ঞানিকদের? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/biologists-trying-to-make-menstruation-occur-in-every-3-months-here-is-why-495749</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/biologists-trying-to-make-menstruation-occur-in-every-3-months-here-is-why-495749</guid>
            <pubDate>Tue, 12 May 2026 17:33:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[প্রতি মাসে ৪ থেকে ৭ দিন চলা ঋতুস্রাবের কারণে দৈনন্দিন কাজে অনেক সময়ই অসুবিধায় পড়েন মহিলারা। বিরক্তও হন কেউ কেউ। এবার সেই সমস্যা থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া যায় কিনা মহিলাদের সেই চেষ্টা করছেন বৈজ্ঞানিকরা! ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>প্রতি মাসে ৪ থেকে ৭ দিন চলা ঋতুস্রাবের কারণে দৈনন্দিন কাজে অনেক সময়ই অসুবিধায় পড়েন মহিলারা। বিরক্তও হন কেউ কেউ। এবার সেই সমস্যা থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া যায় কিনা মহিলাদের সেই চেষ্টা করছেন বৈজ্ঞানিকরা!&nbsp;</p>&#13;
<p>চিনের বায়োলজিস্ট হংমেই ওয়াং বর্তমানে গবেষণা করছেন মহিলাদের স্বাস্থ্য, মূলত ঋতুস্রাব নিয়ে। তিনি চেষ্টা করছেন, যাতে প্রতি মাসের বদলে তিন মাস অন্তর অন্তর পিরিয়ডস হয় সেটার। এতে নাকি আখেরে মহিলাদের লাভ হবে। কীভাবে?&nbsp;</p>&#13;
<p>প্রতি মাসের বদলে তিন মাস অন্তর অন্তর পিরিয়ডস হলে জরায়ুর বয়স বাড়ার গতি কমবে। একই সঙ্গে আরও মহিলারা বেশি সময় ফার্টাইল থাকবেন। অর্থাৎ, সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>কেন তিনি হঠাৎ এমন ভাবনা ভাবছেন বা চেষ্টা করছেন? তাঁর এই থিওরির ভিত্তি হল এই আইডিয়া যেখানে বলা হয় বারবার ওভিউলেশন হলে জরায়ুর বয়স দ্রুত গতি বাড়ে। গবেষকরা তাই এখন অনুমান করছেন, কয়েকটি সাইকেল যদি বন্ধ করা যায়, বা পিছিয়ে দেওয়া হয় তাহলে বেশিদিন ফার্টিলিটি ধরে রাখা যাবে। যদিও এখনও গোটা বিষয়টাই গবেষণার পর্যায় রয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিতও বটে।&nbsp;</p>&#13;
<p>চিনের এই বায়োলজিস্টের গবেষণার কথা প্রকাশ্যে আসতেই অনেকেই তাঁর উদ্দেশ্যে বলেছেন পিরিয়ডস পিছানো বা বন্ধ করার বদলে পিসিওএস, এন্ডোমেট্রিওসিস বা এই ধরনের রোগের সঙ্গে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, কী করে মহিলাদের এই রোগের হাত থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া যায় সেটা যেন চেষ্টা করেন। অনেকে আবার জানিয়েছেন, যদি এটা বাস্তবে হয়, তবে সত্যিই সুবিধা হবে। মহিলাদের উপকার হবে।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/Dwb0wlq_Ty8?si=UXtlI6VnbUmJdzxL</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[menstruation]]></category>
            <category><![CDATA[Periods]]></category>
            <category><![CDATA[Woman Health]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/12/293c1f6c-177d-4566-88ea-27045c040073.webp" length="27656" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/12/293c1f6c-177d-4566-88ea-27045c040073.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/12/293c1f6c-177d-4566-88ea-27045c040073.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[চরম সুখে প্রায় মৃত্যু দর্শন! হস্তমৈথুন করতে গিয়ে কোন কাণ্ড ঘটালেন প্রৌঢ়? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/51-year-old-japanese-man-nearly-collapsed-from-masterbation-495738</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/51-year-old-japanese-man-nearly-collapsed-from-masterbation-495738</guid>
            <pubDate>Tue, 12 May 2026 16:49:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[হস্তমৈথুন করতে গিয়ে বিপদ! চরম সুখের মুহূর্ত পৌঁছানোর আগেই প্রায় মৃত্যুকে ছুঁয়ে এসেছিলেন এই প্রৌঢ়। ঠিক কী ঘটেছিল? ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>হস্তমৈথুন করতে গিয়ে বিপদ! চরম সুখের মুহূর্ত পৌঁছানোর আগেই প্রায় মৃত্যুকে ছুঁয়ে এসেছিলেন এই প্রৌঢ়। ঠিক কী ঘটেছিল?&nbsp;</p>&#13;
<p>সালটা ২০২১। সেই বছরেই এমন একটি মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছিল যা দেখে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল গোটা বিশ্ব। কী ছিল সেই রিপোর্টে? জাপানের এক ৫১ বছর বয়সী ব্যক্তি প্রায় মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েছিলেন হস্তমৈথুনের করতে গিয়ে! আত্মসুখ পেতে গিয়ে ব্রেন হ্যামারেজ হয় তাঁর। ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে।</p>&#13;
<p>সেই সময়ই জানা গিয়েছিল এই ব্যক্তি দিনে একাধিকবার হস্তমৈথুন করতেন। তাঁর কোনও ভাস্কুলার সমস্যা ছিল না। তবে, একদিন এই হস্তমৈথুন করতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি। তাঁর জীবনে নেমে আসে চরম বিপদ।</p>&#13;
<p>এই ব্যক্তির মেডিকেল রিপোর্টে জানানো হয়, সেদিন তিনি যখন হস্তমৈথুন করছিলেন সেই সময় হঠাৎ করেই অসম্ভব মাথা যন্ত্রণা করে ওঠে তাঁর। বিশেষ করে বাঁদিকের কপালে। প্রায় এক মিনিট এই অসম্ভব যন্ত্রণা থাকে তাঁর। তারপর শুরু হয় বমি। সব গুলিয়ে যেতে থাকে, সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা হয়। এই লক্ষণগুলো দেখেই তিনি তড়িঘড়ি হাসপাতালে যান।&nbsp;</p>&#13;
<p>পরবর্তীতে সেখানে তাঁর সিটি স্ক্যান করানো হলে দেখা যায় তাঁর ব্রেন হ্যামারেজ হয়েছে, মাথায় রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তাঁর মস্তিষ্কের বাঁদিকে এই অ্যাকিউট হ্যামারেজ ঘটেছে। হস্তমৈথুনের জেরে তাঁর রক্তচাপ এত বেড়ে গিয়েছিল যে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনার কারণেই তিনি প্রায় মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েন। যদিও সেই বিপদ কাটিয়ে পরবর্তীতে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু আত্মসুখ পেতে গিয়ে এমন বিপত্তির ঘটনা বিরল!</p>&#13;
<p>https://youtu.be/FXhM-OMqMZE?si=UNVYNPSwkZdehwhA</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[masterbation]]></category>
            <category><![CDATA[Sexuality]]></category>
            <category><![CDATA[Sexual Health]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/15/af40e8cf-9571-44c6-acfd-c8b14784548f.webp" length="28650" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/15/af40e8cf-9571-44c6-acfd-c8b14784548f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/15/af40e8cf-9571-44c6-acfd-c8b14784548f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তামিলনাড়ুর মসনদে অভিনেতা বিজয়! শুভেচ্ছাবার্তা মোদির]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/india/pm-modi-speaks-to-vijay-congratulates-him-on-taking-oath-as-tn-cm-495416</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/india/pm-modi-speaks-to-vijay-congratulates-him-on-taking-oath-as-tn-cm-495416</guid>
            <pubDate>Sun, 10 May 2026 22:19:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[চার দিনের টানটান রাজনৈতিক উত্তেজনার অবসান। অবশেষে তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে সব ধোঁয়াশা কাটল। রবিবার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন টিভিকে প্রধান সি জোসেফ বিজয়।]]></description>
            <dc:creator>আর্যা ঘটক</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>চার দিনের টানটান রাজনৈতিক উত্তেজনার অবসান। অবশেষে তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন নিয়ে সব ধোঁয়াশা কাটল। রবিবার চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন টিভিকে প্রধান সি জোসেফ বিজয়। দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্যে এক নতুন রাজনীতির সূচনা হল তাঁর হাত ধরে।</p>&#13;
<p>১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম রাজ্যের মসনদে এমন একজন বসলেন, যিনি ডিএমকে বা এআইডিএমকে তামিলনাড়ু -এই দুই প্রধান দ্রাবিড় শিবিরের সদস্য নন। এ দিন বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রীর বাবা এস এ চন্দ্রশেখর ও মা শোভা চন্দ্রশেখর। রুপোলি পর্দার জগত থেকে এসেছিলেন তৃষা কৃষ্ণন-সহ বহু তারকা।</p>&#13;
<p>প্রধানমন্ত্রী মোদি শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন বিজয়কে। ফোনেই বার্তা দেন। তিনি জানিয়েছেন, "যেভাবে কেন্দ্র এতদিন তামিলনাড়ুর সঙ্গে কাজ করেছে ভবিষ্যতেও সেই সম্পর্ক অটুট থাকবে।"</p>&#13;
<p>২৩৪ আসনের বিধানসভায় গরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য প্রয়োজন ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন। বিজয়ের সঙ্গে রয়েছেন ১২০ জন। শনিবারই &lsquo;ভিসিকে&rsquo; এবং &lsquo;আইইউএমএল&rsquo; নিঃশর্ত সমর্থন জানানোয় কেল্লাফতে করেন বিজয়। তার আগেই কংগ্রেস এবং বামেরা (সিপিআই ও সিপিএম) তাঁকে সমর্থনের কথা জানিয়ে দিয়েছিল। তবে এই দলগুলি মন্ত্রিসভায় যোগ না দিয়ে বাইরে থেকেই সরকারকে সমর্থন দিচ্ছে।</p>&#13;
<p>শনিবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকারের হাতে সমর্থনপত্র তুলে দেন বিজয়। সংখ্যাতত্ত্ব খতিয়ে দেখে রাজ্যপাল তাঁকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। রাজভবন থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৩ মে-র মধ্যে বিজয়কে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=fgziEGf9a0A</p>&#13;
<p>গত চার দিন ধরে সরকার গঠন নিয়ে বিস্তর টানাপোড়েন চলেছে। রাজ্যপাল প্রথমে সংখ্যার বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। তবে ডিএমকে-র সঙ্গ ছেড়ে কংগ্রেস বিজয়ের হাত ধরতেই পুরো হিসাব বদলে যায়।&nbsp;</p>&#13;
<p>শেষে ছোট দলগুলোর সমর্থন নিয়ে ম্যাজিক ফিগার পেরিয়ে যান ৫১ বছর বয়সি এই তারকা-নেতা। আজ শপথ নেওয়ার পর এবার তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী ১৩ মে-র মধ্যে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে বিজয়কে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dmk]]></category>
            <category><![CDATA[vijay]]></category>
            <category><![CDATA[tvk]]></category>
            <category><![CDATA[Tamilnadu New CM]]></category>
            <category><![CDATA[narendra modi]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/73b41adc-03b8-48ad-982e-afafaa0e7f30.webp" length="89350" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/73b41adc-03b8-48ad-982e-afafaa0e7f30.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/73b41adc-03b8-48ad-982e-afafaa0e7f30.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ভোট পরবর্তী হিংসা চলছেই, ফের নির্মমভাবে খুন তৃণমূল কর্মী ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/west-bengal-post-poll-violence-tmc-alleges-six-workers-killed-till-may-10-495329</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/west-bengal-post-poll-violence-tmc-alleges-six-workers-killed-till-may-10-495329</guid>
            <pubDate>Sun, 10 May 2026 11:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[চলতি সপ্তাহান্তে এবার ফের আরও এক তৃণমূল কর্মী খুন হলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত বাংলায়। দিন কয়েক আগেই মধ্যমগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে মারা যান। চলতি সপ্তাহান্তে এবার ফের আরও এক তৃণমূল কর্মী খুন হলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এবার ঘটনাস্থল হুগলির গোঘাট। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম, সহদেব বাগ। ৪০ বছর বয়সি ওই তৃণমূল কর্মী গোঘাট এক নম্বর ব্লকের নাকুন্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য।&nbsp;</p>&#13;
<p>তৃণমূল সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ভোট পরবর্তী হিংসায় ছ'জন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। মৃতেরা হলেন, এন্টালির তাপস নস্কর, নানুরের আবির শেখ, বেলেঘাটার বিশ্বজিৎ পট্টনায়েক, পূর্বস্থলি দক্ষিণের পিঙ্কু দেবনাথ, কুলপির মিঠুন সামন্ত।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>রাজ্যে বিজেপি সরকারের গঠন এবং শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথের দিনই বেআইনি অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বহরমপুর পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এক তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং ম্যাগাজিন। এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর জন্য মজুত করা হত বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র। সেই অভিযোগে বহরমপুর থানার পুলিশ ওই তৃণমূল নেতার স্ত্রী টুকু সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পুলিশ জানিয়েছে, বহরমপুরের ওই তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে মোট তিনটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ৯০ রাউন্ড ৭.৬৫ এমএম পিস্তলের গুলি, ৫০ রাউন্ড নাইন এমএম পিস্তলের গুলি এবং চারটি ম্যাগাজিন উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ওই বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলির মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। টুকু সরকারের দশ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে শনিবার তাঁকে বহরমপুর আদালতে পেশ করছে পুলিশ।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করে বিধানসভা ভোটে ঐতিহাসিক জয় বিজেপির। সোমবার ভোটের ফল প্রকাশের পরই বাধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে দলীয় কর্মীদের মধ্যে। ভোটের ফলাফল সামনে আসার পর থেকেই জায়গায় জায়গায় হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের পার্টি অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। তাতে বিজেপি কর্মীদের নামও জড়িয়েছে। এরপরই হিংসায় আমল না দিয়ে হিংসামুক্ত বাংলা গড়ে তোলা ডাক দিয়েছে বিজেপি। খোদ নরেন্দ্র মোদি এই আহ্বান জানিয়েছেন। সতর্ক করে দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নজরে রাখছে পদ্ম শিবিরের রাজ্য নেতৃত্ব। তবে, এই হিংসায় বিজেপি নেতা, কর্মীরা জড়িত বলে মানতে রাজি নয় গেরুয়া নেতৃত্ব। উল্টে তাঁদের দাবি, তৃণমূলের লোকেরাই সহানুভূতি আদায়ে এই ধরণের হামলা, মারধর চালাচ্ছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[west bengal crime]]></category>
            <category><![CDATA[TMC Workers]]></category>
            <category><![CDATA[Post poll violence]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/7209ed97-1164-42f3-b290-cdbed8b4c9dc.webp" length="34106" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/7209ed97-1164-42f3-b290-cdbed8b4c9dc.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/7209ed97-1164-42f3-b290-cdbed8b4c9dc.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['ঘরের ছেলে' ফিরল ঘরে, মধ্যরাতেই শান্তিকুঞ্জে উৎসবের আমেজ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে ঘিরে তুমুল উচ্ছ্বাস সমর্থকদের ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/west-bengal-cm-suvendu-adhikari-reached-shantikunja-home-midnight-celebration-by-workers-495325</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/west-bengal-cm-suvendu-adhikari-reached-shantikunja-home-midnight-celebration-by-workers-495325</guid>
            <pubDate>Sun, 10 May 2026 11:08:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করার পরেই কলকাতা ছেড়ে সোজা বাড়িতে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: বাংলায় বিজেপি সরকার।মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করার পরেই কলকাতা ছেড়ে সোজা বাড়িতে পৌঁছলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে মধ্যরাতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন দলের কর্মী, সমর্থকরা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গতকাল রাত দু&rsquo;টো নাগাদ কাঁথির শান্তিকুঞ্জের বাড়িতে পৌঁছন। গতকাল সন্ধ্যা থেকেই বাড়ির সামনে সমর্থক ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে পৌঁছতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত কর্মী, সমর্থকরা। ফুলের মালা ও পুষ্পস্তবক দিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান অনেকে। গভীর রাতেও শান্তিকুঞ্জ এলাকায় উৎসবের আবহ চোখে পড়ার মতো ছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক বিরাট পরিবর্তনের কারিগর শুভেন্দু অধিকারী। তাই বিজেপি নেতৃত্ব, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বেছে নিয়েছেন কাঁথির অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলে শুভেন্দুকেই।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অবিভক্ত মেদিনীপুরে কাঁথির এক রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করা শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবন প্রায় সাড়ে তিন দশকের। রাজনৈতিক জীবনে নিজেকে ধাপে ধাপে মেলে ধরে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন শুভেন্দু। মেদিনীপুরের প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা শিশির কুমার অধিকারীর ছেলে হিসেবে তৃণমূল স্তরের রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালে কাঁথি পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৯৯৯ সাল থেকে তৃণমূলের হয়ে টানা কাজ করতে থাকেন শুভেন্দু। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা শিশির অধিকারীও। ১৯৯৯ সালে কাঁথি কেন্দ্র থেকে লোকসভা ভোটে জেতেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী নীতিশ সেনগুপ্ত। সেই জয়ে বড় অবদান ছিল অধিকারী পরিবারের। এরপর ২০০১ সালে মুগবেড়িয়া বিধানসভা কেন্দ্রে শুভেন্দুকে প্রার্থী করেন তৃণমূল নেত্রী। কিন্তু তৎকালীন বামেদের মৎস্যমন্ত্রী কিরণময় নন্দের কাছে হেরে যান শুভেন্দু। পরবর্তীতে ২০০৪ সালে লোকসভা ভোটে তমলুক কেন্দ্র থেকে লড়াই করেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এবারও সিপিআইএম-এর লক্ষ্মণ শেঠের কাছে ফের একবার পরাজিত হন তিনি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এরপর ২০০৬ সালে দক্ষিণ কাঁথি থেকে প্রথমবার বিধানসভায় পদার্পণ। এরপর ২০০৭। নন্দীগ্রাম ভূমি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যে ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান শুভেন্দু অধিকারী। ২০০৭ সালে ২৫ নভেম্বর নন্দীগ্রামে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। সেই সময় রুখে দাঁড়িয়েছিল কাঁথির অধিকারী পরিবার।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০০৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটে শুভেন্দুর নেতৃত্বে ম্যাজিক হয়। প্রবল পরাক্রমশালী বামেদের হারিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ দখল করে তৃণমূল কংগ্রেস। ওই বছরই শুভেন্দু অধিকারীকে যুব তৃণমূলের সভাপতি করেন মমতা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এরপর ২০০৯, লোকসভা ভোটে তমলুক থেকে লক্ষ্মণ শেঠকে হারিয়ে প্রথমবারের জন্য সাংসদ হন শুভেন্দু অধিকারী। সে বছর কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান পদেও শিশির অধিকারীর স্থলাভিষিক্ত হন শুভেন্দু।&nbsp;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০১১ সাল। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাটে পালাবদল ঘটে। মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে ৩৪ বছরের ক্ষমতাসীন বামেদের হারিয়ে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। মেদিনীপুরে প্রতাপ বাড়ে অধিকারীদের। ২০১৪ সালের লোকসভায় প্রত্যাশা মতোই পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি তমলুক কেন্দ্র থেকে জেতেন শুভেন্দু অধিকারী।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>কিন্তু, ওই বছরই যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে শুভেন্দুকে সরিয়ে বসানো হয় সৌমিত্র খাঁ-কে। পাশাপাশি অভিষেক ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৈরি হয় তৃণমূল &lsquo;যুবা&rsquo;। যা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন শুভেন্দু বলে শোনা যায়।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০১৬ সালের বিধানসভা ভোট। নন্দীগ্রাম থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন শুভেন্দু অধিকারী। মমতা ব্যানার্জির মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয় অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলের। মেলে পরিবহণ ও সেচ দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিত্ব।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০১৯-এর লোকসভা ভোট। সেবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের ফল ভাল হয়নি। উত্থান ঘটে বিজেপির। ফলে মমতা ব্যানার্জি, দলের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে শুভেন্দুকে সরিয়ে দেন। চিড় ধরে তৃণমূলের সঙ্গে শুভেন্দুর সম্পর্কে। এরপর ২০২০-র অগস্টে তৃণমূলের রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের দায়িত্ব থেকে সরানো হয় তাঁকে। তুলে দেওয়া হয় জেলা পর্যবেক্ষকের পদও। উল্লেখ্য, সেই সময় একাধিক জেলার পর্যবেক্ষক পদে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলে পদগুলি হারান তিনি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দলের সঙ্গে ফাটল চওড়া হলে মন্ত্রিসভা, বিধায়ক পদ ও তৃণমূলের সব দায়িত্ব ছেড়ে দেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এরপর ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পদ্ম প্রতীকে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ী হন শুভেন্দু অধিকারী। হারান তৃণমূল প্রার্তী মমতা ব্যানার্জিকে। তবে বিজেপির ফল আশাতীত হয়নি। ফলে বিরোধী দলনেতা হন তিনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এরপর মমতা সরকার ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন শুভেন্দু। রাজ্যজুড়ে চষে বেরিয়েছেন। ফল মিলল হাতে নাতে। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর, দুই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতেছেন কাঁথির এই ছেলে। ভবানীপুরে মমতাকে হারিয়ে 'জায়ান্ট কিলার' শুভেন্দু অধিকারী।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[WB CM Suvendu Adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[midnapore]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal BJP Government]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/ce0ff6a3-09fe-41e8-901c-220150ad2b97.webp" length="41858" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/ce0ff6a3-09fe-41e8-901c-220150ad2b97.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/ce0ff6a3-09fe-41e8-901c-220150ad2b97.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['আপনার পাশে কেউ নেই, দলের কর্মীরাও নেই', শপথ নিয়েই মমতাকে বিঁধলেন দিলীপ ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/bengal-bjp-government-minister-dilip-ghosh-slams-mamata-banerjee-he-says-noone-besides-ex-cm-495321</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/bengal-bjp-government-minister-dilip-ghosh-slams-mamata-banerjee-he-says-noone-besides-ex-cm-495321</guid>
            <pubDate>Sun, 10 May 2026 10:46:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বাংলার বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কুর্সি পেতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করেছেন তিনি। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>বাংলার বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কুর্সি পেতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ। ব্রিগেডে শপথগ্রহণ করেছেন তিনি। যদিও তিনি কোন দপ্তর পেতে চলেছেন, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতেই, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন তিনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>গতকালই শপথ নিয়েছেন খড়গপুর সদরের বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। এবার কী কী কাজ করবেন? তিনি জানালেন, "চার্জ যতক্ষণ না আসছে, কাজ শুরু করতে পারব না। শুধু ঢোকা হয়েছে। এখন দপ্তর ভাগ হবে৷ আরও অনেক মন্ত্রী শপথ নেবেন৷ সময় লাগবে দু-চারদিন।"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দায়িত্বে আসার পর প্রথম কাজ কী হবে? তিনি জানালেন, "প্রথম, দ্বিতীয় বলে কিছু নেই। সব কাজই করতে হবে এক সঙ্গে। বিরোধী দলগুলিকে সম্মান দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি? তাদের ঘরবাড়ি ভেঙেছেন। আজ ঠেলায় পড়ছেন, তাই গাছে উঠতে হচ্ছে। শুনুন মমতা ব্যানার্জি, এই স্যান্ডউইচ রাজনীতি, আর এটা চলবে না। চুপ করে বসুন না। দেখুন কী হচ্ছে? কেউ আপনার পাশে নেই, আপনার পার্টির লোকেরাও নেই। পার্টির লোকেরা ঘরছাড়া। তাঁদের খোঁজ খবর নিন। বিরোধী দলনেতা হলেন শোভনদেব৷ মমতা ব্যানার্জিকে ছাড়তে হল। উপায় নেই সব ছাড়তে হয়েছে মমতাকে। খবরে থাকতে চান উনি।"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আরএসএস-এর প্রচারক। সেখান থেকে রাজনীতির ময়দানে মেদিনীপুরের ছেলে দিলীপ ঘোষ। ক্রমেই হয়ে উঠেছেন পদ্ম শিবিরের দাপুটে নেতা। সামলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দায়িত্ব। খড়গপুরের বিধায়ক, পরে মেদিনীপুর থেকে জিতে সাংসদ। এবার ফের খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দিলীপ ঘোষ প্রমাণ করেছেন যে, বঙ্গ রাজনীতিতে তাঁর প্রাসঙ্গিকতা কেবল অটুট নয়, অপরিহার্য। শুভেন্দু মন্ত্রিসভারও অন্যতম মুখ দিলীপ বাবু।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে যোগ দেন এবং দীর্ঘদিন প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন। দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর তিনি সঙ্ঘের আদর্শে নিজেকে জারিত করেছেন। প্রচারক হিসেবে ভারতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করেছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০১৬ সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০২১ সালে বিজেপি কাঙ্খিত ফলাফল না করতে পারলেও বাংলার বুকে প্রথমবার ৭৭ আসন দখন করে বিরোদী দলের তকমা পায়। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুর সদর আসন থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৫৭ শতাংশ ভোট পেয়ে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছেন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dilip ghosh]]></category>
            <category><![CDATA[Mamata Banerjee]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal BJP Government]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/6b6b5f02-3e0c-4334-8100-659a4fa909aa.webp" length="46032" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/6b6b5f02-3e0c-4334-8100-659a4fa909aa.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/6b6b5f02-3e0c-4334-8100-659a4fa909aa.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তামিলনাড়ুর কুর্সিতে বিজয়, চেন্নাইয়ের স্টেডিয়ামে শপথ নিলেন, অনুষ্ঠানে হাজির রাহুল গান্ধী, তৃষা ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/tamil-nadu-cm-vijay-takes-oath-rahul-gandhi-actor-trisha-arrives-at-chennai-venue-495316</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/tamil-nadu-cm-vijay-takes-oath-rahul-gandhi-actor-trisha-arrives-at-chennai-venue-495316</guid>
            <pubDate>Sun, 10 May 2026 10:26:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[রবিবার সকালেই তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় শপথগ্রহণ করলেন। সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান।]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হল আজ। দিন কয়েক আগেই বাংলার মতোই তামিলনাড়ুতেও পালাবদলের সাক্ষী থাকেছে দেশ। জনপ্রিয় অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে প্রবেশ করা বিজয়ের নেতৃত্বে টিভিকে বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪টির মধ্যে ১০৮টি আসন জিতে চমকপ্রদ ফল করেছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা শুধু সময়ের অপেক্ষা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার অনুষ্ঠানে জমকালো সাজে হাজির বিজয়। পরনে কাল ট্রাউজ়ার, শাদা শার্ট, কালো ব্লেজ়ার। চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও আরও একাধিক মন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>রবিবার সকালেই তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় শপথগ্রহণ করলেন। সকাল ১০টায় শুরু হয়েছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। চেন্নাইয়ে মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়েছেন অভিনেত্রী তৃষা ও কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিজয়ের পাশাপাশি তামিলনাড়ুর মন্ত্রিসভার আরও ৯ জন মন্ত্রী শপথগ্রহণ করবেন। এই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোট্টাইয়ান, নির্মল কুমার, আধব অর্জুন, টিভিকে জেনারেল সেক্রেটারি আনন্দ, রাজ মোহন, ড. টিকে প্রভু, অরুন রাজ, কীর্তনা, পি ভেঙ্কটারামন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>২০২৬-এর এই বিধানসভা নির্বাচন ছিল আক্ষরিক অর্থেই এক থ্রিলার। নির্বাচনে বিজয়ের দল ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এলেও, সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮-এর ম্যাজিক ফিগার থেকে কিছুটা দূরে ছিল। গত পাঁচ দিন ধরে চলে দফায় দফায় বৈঠক ও রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পরেও জট কাটছিল না।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>অবশেষে ভিসিকে, আইইউএমএল, কংগ্রেস এবং বাম দলগুলোর নিঃশর্ত সমর্থনে বিজয়ের জোট ১২০-এর গণ্ডি স্পর্শ করে। এর পরেই শনিবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকারের কাছে সরকার গড়ার দাবি জানান বিজয়। রাজ্যপাল তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>স্বাধীনতার পর থেকে তামিলনাড়ুর রাজনীতি মূলত কংগ্রেস, ডিএমকে বা এআইএডিএমকে-র হাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। প্রথমবারের মতো এই দুই বড় দ্রাবিড় শক্তিকে সরিয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষ ক্ষমতায় এল। বিজয়ের এই উত্থানকে অনেকেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এমজিআর বা এনটি রামা রাওয়ের রাজনৈতিক অভিষেকের সঙ্গে তুলনা করছেন। বিজয়ের দল উত্তর তামিলনাড়ু ও চেন্নাইয়ের ১৬টির মধ্যে ১৪টি আসনেই দাপট দেখিয়েছে। এমনকী কোলাথুর কেন্দ্রে পরাজিত হয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিন।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[thalapathy vijay]]></category>
            <category><![CDATA[tvk]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu CM Vijay]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/0266e883-764f-401b-823e-962ade6f185f.webp" length="37206" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/0266e883-764f-401b-823e-962ade6f185f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/10/0266e883-764f-401b-823e-962ade6f185f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফ্যাশন ডিজাইনার থেকে রাজনীতির ময়দান, অদম্য লড়াই, বহু চড়াই উতরাই শেষে আজ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/agnimitra-paul-takes-oath-as-minister-of-west-bengal-495188</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/agnimitra-paul-takes-oath-as-minister-of-west-bengal-495188</guid>
            <pubDate>Sat, 09 May 2026 12:09:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রী হলেন অগ্নিমিত্রা পাল। শনিবার ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তিনি শপথ নিলেন।]]></description>
            <dc:creator>রজত বোস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:&zwnj;</strong> বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রী হলেন অগ্নিমিত্রা পাল। শনিবার ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তিনি শপথ নিলেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে শুভেন্দু অধিকারী ও তারপর মন্ত্রী পদে দিলীপ ঘোষের পর শপথ নেন অগ্নিমিত্রা।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>অগ্নিমিত্রার লড়াইটা কিন্তু সহজ ছিল না। কেরিয়ারের শুরুতে ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার। জন্ম ১৯৭৪ সালের ২৫ নভেম্বর। রাজনীতিতে আসেন ২০১৯ সালের মার্চ মাসে। যোগ দেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। মাত্র সাত বছরেই তিনি হয়ে গেলেন বিজেপি সরকারের মন্ত্রী।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>আসানসোলের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা অগ্নিমিত্রার বাবা ছিলেন প্রখ্যাত শিশু বিশেষজ্ঞ। পরিবারের ইচ্ছা ছিল তিনি ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হবেন। এমনকি তিনি ডেন্টিস্ট পড়ার সুযোগও পেয়েছিলেন, কিন্তু গাইনোকোলজিস্ট হওয়ার লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় আসানসোল থেকে বোটানিতে স্নাতক সম্পন্ন করেন।</p>&#13;
<p>&nbsp;পরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্ট পড়ার সময় ভর্তি হন বিড়লা ইনস্টিটিউট অফ লিবারাল আর্টস অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সে। সেখান থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ে ডিপ্লোমা করার পর নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলার অন্যতম সম্ভাবনাময় ডিজাইনার।</p>&#13;
<p>ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে অগ্নিমিত্রা সবসময়ই বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাঁথা শিল্প ও কারুকার্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন। ২০০৭ সালের ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে তিনি তার কাজ প্রদর্শন করেন। শ্রীদেবী, হেমা মালিনী, মিঠুন চক্রবর্তীর মতো বলিউড তারকাদের পোশাক ডিজাইন করেছেন তিনি। ১৯৯৭ সাল থেকে ইঙ্গা নামে নিজের ফ্যাশন ব্র্যান্ড পরিচালনা করছেন অগ্নিমিত্রা। ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই প্রতিষ্ঠান পরে কলকাতার পরিচিত ব্র্যান্ডে পরিণত হয়।</p>&#13;
<p><br>আর ২০১৯ সালে আসেন রাজনীতিতে। ২০২০ সালেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি মহিলা মোর্চার সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সভাপতি হিসেবে তিনি রাজ্যের ২৩টি জেলা জুড়ে মহিলাদের জন্য &lsquo;&zwnj;উমা&rsquo;&zwnj; নামে আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছিলেন। এরপর ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর, তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক নিযুক্ত হন।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>ভোটে প্রথম লড়া ২০২১ সালে। সেবার বিধানসভা নির্বাচনে আসানসোল দক্ষিণ থেকে তিনি হারিয়েছিলেন তৃণমূলের সায়নী ঘোষকে। এরপর ২০২২ সালে লোকসভা উপনির্বাচনে আসনসোল কেন্দ্র থেকে তিনি লড়াই করলেও হেরে যান। এরপর ২০২৪ সালে ফের লোকসভা ভোটে দাঁড়ান। কিন্তু মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে তিনি হেরে গিয়েছিলেন। কিন্তু রাজনীতির লড়াই থেকে তিনি সরে যাননি। ফলস্বরূপ ২০২৬ সালের জানু্য়ারিতে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সহ সভাপতি নিযুক্ত হন। এরপর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তিনি ফের জেতেন। জয় আসে ৪০ হাজারেরও বেশি ভোটে। আর এবার হয়ে গেলেন মন্ত্রী।&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[minister]]></category>
            <category><![CDATA[agnimitra paul]]></category>
            <category><![CDATA[west bengal]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/d28f5ac8-89b1-4f8a-9933-a5cc07eabddf.webp" length="31716" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/d28f5ac8-89b1-4f8a-9933-a5cc07eabddf.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/d28f5ac8-89b1-4f8a-9933-a5cc07eabddf.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ব্রিগেডমুখী বিজেপির কর্মী–সমর্থকরা, শপথের দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শুভেন্দুর, কী লিখলেন তিনি?‌ ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/suvendu-adhikari-takes-oath-as-chief-minister-of-west-bengal-on-9th-may-495175</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/suvendu-adhikari-takes-oath-as-chief-minister-of-west-bengal-on-9th-may-495175</guid>
            <pubDate>Sat, 09 May 2026 09:05:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[শনিবার শপথ নেবে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। সেজে উঠেছে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। দলে দলে কর্মী–সমর্থকরা আসতে শুরু করেছেন ব্রিগেডে।]]></description>
            <dc:creator>রজত বোস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:&zwnj; </strong>শনিবার শপথ নেবে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার। সেজে উঠেছে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। দলে দলে কর্মী&ndash;সমর্থকরা আসতে শুরু করেছেন ব্রিগেডে। জেলা থেকেও আসছেন নেতা ও কর্মীরা।</p>&#13;
<p><br>কালীঘাট মন্দিরের আদলে ব্রিগেডে শপথগ্রহণের মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। মঞ্চে মা কালী, মা দুর্গার ছবি রয়েছে। রয়েছে গঙ্গাসাগরের সাধুদের ছবিও। ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে আলাদা করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানানো হচ্ছে ব্রিগেডে। বাজছে রবীন্দ্রসঙ্গীত।</p>&#13;
<p><br>এদিকে, নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও রয়েছেন। অন্যদিকে, সকাল থেকেই ধীর ধীরে ব্রিগেডমুখী হয়েছেন মানুষ। বিজেপি কর্মী&ndash;সমর্থকরা দূরদূরান্ত থেকে কলকাতায় আসছেন প্রথম বিজেপি সরকারের শপথের সাক্ষী থাকবেন বলে। শনিবার সকাল থেকেই হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশনে বিজেপি কর্মী&ndash;সমর্থকদের ভিড় দেখা গেছে। দলে দলে ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছেন তাঁরা। কারও হাতে পদ্মফুল, কারও হাতে বিজেপির পতাকা। দূরের জেলা থেকেও অনেকে কলকাতায় এসেছেন শপথগ্রহণের সাক্ষী থাকতে।</p>&#13;
<p><br>এদিকে, সকাল ১১টায় শপথগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই চলে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে রেসকোর্সে আসার কথা তাঁর। সেখান থেকে ব্রিগেডে পৌঁছোবেন। কলকাতায় রয়েছেন অমিত শাহ। জানা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী সহ ভাইরা উপস্থিত থাকবেন শপথ অনুষ্ঠানে।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>এদিকে, শনিবার সকালে রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। লিখেছেন, &lsquo;নোবেলজয়ী বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁর উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। কবিগুরুর অমর সৃষ্টি, দর্শন এবং দেশপ্রেম আমাদের জীবনের পাথেয়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির আকাশে তিনি চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন। তাঁর মহান বাণী &lsquo;চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির&rsquo; আগামী দিনে মানবসভ্যতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাক।&rsquo;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Oath ceremony]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[bjp government]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/1d2a7032-ecbc-4206-93de-531f7947603f.webp" length="52610" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/1d2a7032-ecbc-4206-93de-531f7947603f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/1d2a7032-ecbc-4206-93de-531f7947603f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[‘‌দল চায় আমি ও শুভেন্দু একসঙ্গে কাজ করি’‌, শপথের দিন অকপট দিলীপ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/dilip-ghosh-interview-before-oath-taking-ceremony-495172</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/dilip-ghosh-interview-before-oath-taking-ceremony-495172</guid>
            <pubDate>Sat, 09 May 2026 08:30:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াক করা তাঁর অভ্যাস। অন্যথা হয়নি শনিবারও। এদিনই আবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তার আগে আজকাল ডিজিটালের মুখোমুখি হলেন দিলীপ ঘোষ।]]></description>
            <dc:creator>রজত বোস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াক করা তাঁর অভ্যাস। অন্যথা হয়নি শনিবারও। এদিনই আবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। তার আগে আজকাল ডিজিটালের মুখোমুখি হলেন দিলীপ ঘোষ।</p>&#13;
<p><strong>দিলীপ&ndash;শুভেন্দু মধুর সমীকরণ</strong><br>আপনাদের ধারণা কারুর জন্য কারুর গুরুত্ব বাড়ে বা কমে। দল ঠিক করে কাকে কখন গুরুত্ব দেবে। আরেকটা কথা। আমার মন্ত্রিত্ব বা দপ্তর এখনও ফাইনাল হয়নি। যা হচ্ছে সব সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাই দেখে মানুষ বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে। তাদের তাড়া করে বের করতে হচ্ছে। দল শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক করেছে। সেই অনুয়ায়ী শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শপথ নেবেন। তার সঙ্গে শুক্রবার রাজভবনে কিছু ক্যাবিনেট মন্ত্রীর নাম জমা পড়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>শুক্রবারের স্পেশাল ছবি। আপনি এবং মুখ্যমন্ত্রী একই গাড়িতে</strong></p>&#13;
<p>পার্টি চায় আমরা একসঙ্গে কাজ করি। এত পরিশ্রম করে জয় পেয়েছি। মানুষ নিরাশ হবেন না এটুকু আশা করি। ভাল কাজ হবে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>পঞ্চায়েত দপ্তর তার গুরুত্ব হারিয়েছিল</strong></p>&#13;
<p><br>সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মতো প্রথিতযশা এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এই দপ্তরে একসময় ছিলেন। উনি কতটা কাজ করতে পেরেছেন আমি জানিনা। ওনার যোগ্যতা অপরিসীম। মেয়র হিসেবে উনি অবিস্মরণীয়। কিন্তু ওই দলে একটাই পোস্ট। বাকি সব ল্যাম্প পোস্ট ছিল। কাউকে কাজ করতে দেওয়া হত না। সমস্ত সিস্টেম শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাই বাংলার আজ এই দুরবস্থা। বিজেপি উন্নয়নের একটা মডেল সারা দেশে তৈরি করেছে। তাতে ব্যক্তি নয়। দল বড়। দায়িত্ব বড়।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>দুর্নীতি এবং অপরাধ দমন নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর</strong></p>&#13;
<p><br>মানুষ এটাই চেয়েছিল। তাদের ইচ্ছা আমাদের কাজে প্রতিফলিত হবে। খুব দ্রুত ব্যবস্থা হবে। আপনারাও দেখতে পাবেন।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে বিজেপির শপথ নিতে কেটে গেল ৭৫ বছর</strong><br>এটার জন্য ৭৫ বছর অপেক্ষা করেছি। তার স্বপ্ন অবশেষে সফল হয়েছে। ৩২১ দলীয় কর্মীর প্রাণ গেছে। মানুষ আশীর্বাদ করেছেন। বহু মানুষ যারা তৃণমূলকে আটকাতে বিজেপিকে সমর্থন দিয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>চন্দ্রনাথ কাণ্ডে এখনও কেউ গ্রেপ্তার নয়</strong></p>&#13;
<p><br>বাংলার রাজনীতিতে এরকম হাজার হাজার খুন হয়েছে। আমরা সবাইকে বিচার দেওয়ার চেষ্টা করব।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[West Bengal BJP]]></category>
            <category><![CDATA[dilip ghosh]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/dfd20ddc-0428-43c8-9add-90e6885fa0ff.webp" length="53050" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/dfd20ddc-0428-43c8-9add-90e6885fa0ff.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/09/dfd20ddc-0428-43c8-9add-90e6885fa0ff.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['শুভেন্দু দা আপনাকে আপনার ঘরে এসে হারিয়েছেন', প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কটাক্ষ অমিত শাহের ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/suvendu-adhikari-defeated-you-right-in-your-own-backyard-amit-shah-taunts-mamata-banerjee-495131</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/suvendu-adhikari-defeated-you-right-in-your-own-backyard-amit-shah-taunts-mamata-banerjee-495131</guid>
            <pubDate>Fri, 08 May 2026 19:33:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নিজের দুর্গেই যে ধরাশায়ী মমতা তা ফের তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বিজেপির 'চাণক্য'। ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুভেন্দু অধিকারীকে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করার সময় তিনি বলেন, ভবানীপুরে নিজের "ঘরের মাঠে"ই পরাজিত হয়েছেন &nbsp;মমতা ব্যানার্জি।</p>&#13;
<p>বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অমিত শাহ এই মন্তব্য করেন, "শুভেন্দু দা আপনার নিজের ঘরে এসে আপনাকে পরাজিত করেছেন।" নিজের দুর্গেই যে ধরাশায়ী মমতা তা ফের তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন বিজেপির 'চাণক্য'।&nbsp;</p>&#13;
<p>শুক্রবারের বৈঠকেই ৫৫ বছর বয়সী শুভেন্দু অধিকারীকে দলের পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে মনোনীত করা হয়। বাংলায় প্রথম বিজেপি &nbsp;মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেও তুলে ধরা হয় শুভেন্দু অধিকারীকে।</p>&#13;
<p>বিজেপির পক্ষে আসা এই বিপুল জনরায়কে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির এক 'মোড় পরিবর্তনকারী মুহূর্ত' হিসেবে বর্ণনা করে শাহ। তিনি বলেন, "দিদি নিজের ঘরের মাঠেই পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছেন।"</p>&#13;
<p>বিজেপির এই বিজয়কে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তুলে ধরে শাহ বলেন, "দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে বাংলা গণতন্ত্রের অবক্ষয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির শিকার হয়েছে। আজ বাংলা এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, "প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এখন সেই প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণ করার দায়িত্ব দলের কাঁধেই ন্যস্ত।"</p>&#13;
<p>এই জয়ের বিশাল ব্যাপ্তি তুলে ধরে অমিত শাহ উল্লেখ করেন যে, ৩০টি জেলার মধ্যে ২০টিতেই বিজেপি এক নম্বর দল হিসেবে উঠে এসেছে। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর, আসানসোল, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ার মতো অঞ্চলগুলোতেও দল বিপুল বিজয় অর্জন করেছে। তিনি বলেন, "এমন একটিও জেলা নেই যেখানে আমাদের কোনও বিধায়ক নেই।"</p>&#13;
<p>বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক ভোটারের উপস্থিতি এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের বিষয়টিরও তিনি প্রশংসা করেন। শাহ বলেন, "ভোটদানের হার ৯৩ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। দু'টি পর্বের ভোটগ্রহণই কোনও প্রাণহানি ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।" তিনি নির্বাচন কমিশন, নিরাপত্তা বাহিনী এবং রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের অভিনন্দন জানান- যাদের প্রচেষ্টায় তাঁর ভাষায় একটি "আদর্শ নির্বাচন" অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>&#13;
<p>বিরোধী শিবিরের দিকে তোপ দেগে অমিত শাহ মেরুকরণের অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, "এটি মেরুকরণের বিষয় নয়। এটি জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়।" তিনি আরও জানান যে, বিজেপি সারা দেশজুড়ে "প্রতিটি বুথে বুথে" গিয়ে যেকোনও ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কংগ্রেস নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেছেন যে, নির্বাচনে বারবার পরাজয়ের ঘটনাটি এখন "গভীর আত্মবিশ্লেষণের" দাবি রাখে। তিনি বলেন, "রাজনীতির আঙিনায় যারা আত্মবিশ্লেষণ করতে অস্বীকার করেন, তারা কখনওই প্রকৃত বিজয় অর্জন করতে পারেন না।"</p>&#13;
<p>কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত হওয়ায় অভিনন্দনও জানান। এই নির্বাচনী রায়কে তিনি একটি "ঐতিহাসিক জনরায়" হিসেবে অভিহিত করেন এবং তাঁর নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন। শাহ বলেন, "আমি তাঁকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানাই। আমি আশা করি, এই ঐতিহাসিক জনরায় বাংলার মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণের মাধ্যম হয়ে উঠবে।"</p>&#13;
<p>অধিকারী-র সঙ্গে নিজের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, "আমি শুভেন্দু অধিকারীকে দীর্ঘকাল ধরে চিনি। তিনি একজন লড়াকু মানুষ। আমি তাঁর রাজনৈতিক উত্থান এবং তৃণমূল স্তরের মানুষের সঙ্গে তাঁর গভীর সংযোগ- উভয়ই প্রত্যক্ষ করেছি।"</p>&#13;
<p>অমিত শাহ উল্লেখ করেন যে, নানাবিধ বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও কাঁথির অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলেটি তাঁর সংগ্রাম অব্যাহত রেখেছিলেন। তিনি বলেন, "প্রশাসন তাঁর পথে বহু প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল, তবুও শুভেন্দুজি অদম্য সংকল্প নিয়ে নিজের কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। তাঁর ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তিনি যে সংগ্রাম চালিয়েছিলেন, আজ তারই সুফল পাওয়া গিয়েছে।"</p>&#13;
<p>বিজেপি-র ওপর আস্থা রাখার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজ্যের জনগণকে ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গ দীর্ঘকাল ধরে এমন এক পরিস্থিতির সাক্ষী ছিল, যেখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করা অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি বলেন, "বামফ্রন্ট আমল থেকে রাজ্যে যে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, মমতা ব্যানার্জির শাসনকালে তা আরও গভীর আকার ধারণ করে। সেখানে ভোটদান করাটা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।"</p>&#13;
<p>দলের কর্মীদের 'সোনার বাংলা' (সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা)-র স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শাহ বলেন যে, "রাজ্যটি এখন এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছে, যেখানে চিত্ত ভয়শূন্য এবং শির উন্নত"- এক্ষেত্রে তিনি নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর পঙক্তিমালাকেই স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "এই বিজয় প্রধানমন্ত্রী মোদির সেই বক্তব্যেরই প্রতিফলন, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে&mdash;পূর্ব ও পশ্চিম ভারতকে অবশ্যই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে প্রগতির পথে এগিয়ে যেতে হবে।" একইসঙ্গে তিনি সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে এবং নির্বাচন-কেন্দ্রিক হিংসা নির্মূল করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করে।</p>&#13;
<p>বাংলার বিধানসভা ভোটে বিজেপি ২৯৩টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে জয়লাভ করে। তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিজেপি এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। মমতার নেতৃত্বাধীন দলটি মাত্র ৮০টি আসনে জয়ী হয়েছে। নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জিকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো পরাজিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী। এ বছর ভবানীপুর আসনে এবং এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[amit shah]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[Amit Shah taunts Mamata Banerjee]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal Next CM Suvendu Adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[TMC]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <category><![CDATA[Mamata Banerjee]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/a3b84e1e-dcf9-482b-84d6-56a2754541a0.webp" length="41610" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/a3b84e1e-dcf9-482b-84d6-56a2754541a0.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/a3b84e1e-dcf9-482b-84d6-56a2754541a0.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['রাজ্যে ভয় আউট, ভরসা ইন', বড় দায়িত্বে পেয়েই সকলকে নিয়ে চলার অঙ্গীকার শুভেন্দুর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/what-did-suvendu-adhikari-say-in-his-speech-after-the-bjp-announced-his-name-as-their-cm-candidate-for-west-bengal-495115</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/what-did-suvendu-adhikari-say-in-his-speech-after-the-bjp-announced-his-name-as-their-cm-candidate-for-west-bengal-495115</guid>
            <pubDate>Fri, 08 May 2026 18:07:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA["এত বছর ধরে যার যা স্বপ্ন, সব পূরণ করার কাজ করবে এই বিজেপি সরকার। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের নেতৃত্বে সেই উন্নয়নের কাজ করব।"]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে অমিত শাহ নাম ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারীর। সেই ঘোষণার পর প্রথম বক্তব্যেই সকলকে নিয়ে চলার ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীকে বড় আশ্বাস দিয়ে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "এত বছর ধরে যার যা স্বপ্ন, সব পূরণ করার কাজ করবে এই বিজেপি সরকার। নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের নেতৃত্বে সেই উন্নয়নের কাজ করব।"</p>&#13;
<p>তাঁর নাম পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণার করার জন্য ভাষণের প্রথমেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে "আধুনিক ভারতের চাণক্য" বলেও উল্লেখ করেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মোড়েও দলীয় কর্মীদের ভোলেননি কাঁথির অধিকারী পরিবারের মেজ ছেলে। বিজেপির সেই সব কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান, যাঁরা দিন-রাত পরিশ্রম করে দলের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে কাজ করেছেন। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা বিজেপির ৩২১ জন কর্মীকেও স্মরণ করেন শুভেন্দু অধিকারী।</p>&#13;
<p>"বাংলার প্রথম বিজেপি সরকার কম কথা বলবে, বেশি কাজ করবে" বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বপ্নপূরণে নিরলস ভাবে কাজ করবে নতুন সরকার।" তাঁর ঘোষণা, সরকারি কর্মপদ্ধতি হবে, "'আমি নয়, আমরা।"</p>&#13;
<p>বিজেপি বিধায়ক দলীয় বৈঠকের ভাষণে শুভেন্দু অধিকারী বাংলার মানুষের উদ্দেশে জোড়ল বার্তা দেন। তিনি বলেন, "ভয় আউট, ভরসা ইন।" একই সঙ্গে তিনি জানান, দলের সংকল্পপত্রে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণে কাজ করবে বিজেপি সরকার। হিংসামুক্ত বাংলা গড়ারও ডাক দিয়েছেন তিনি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[West Bengal CM Suvendu Adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[suvendu adhikari]]></category>
            <category><![CDATA[Suvendu Adhikari's Speech]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/6aafc322-cc3b-4074-8d6d-a90aab69ec02.webp" length="16750" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/6aafc322-cc3b-4074-8d6d-a90aab69ec02.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/6aafc322-cc3b-4074-8d6d-a90aab69ec02.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মওকা বুঝে ডিএমকে-এআইএডিএমকে-র কথা! তবুও কেন তামিল সরকার গড়তে সব তাস বিজয়ের হাতেই?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/even-if-the-dmk-and-aiadmk-join-hands-how-all-the-cards-for-forming-a-government-in-tamil-nadu-still-remain-in-vijays-hands-495082</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/even-if-the-dmk-and-aiadmk-join-hands-how-all-the-cards-for-forming-a-government-in-tamil-nadu-still-remain-in-vijays-hands-495082</guid>
            <pubDate>Fri, 08 May 2026 14:48:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[&#13;
যদি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল জোট বাঁধে এবং বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, তবে তা তাদের জন্য এক ধরনের 'রাজনৈতিক আত্মহনন' হিসেবেই গণ্য হবে।&#13;
]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>রাজনীতি হল দীর্ঘস্থায়িত্বের এক খেলা। তামিলনাড়ুতে, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ এবং 'তামিলগা ভেত্রি কাজাগাম' (টিভিকে)-এর প্রধান বিজয়কেই যেন বর্তমানে সব ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে দেখা যাচ্ছে। যদি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল (ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে) তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের লক্ষ্যে জোট বাঁধে এবং বিজয়কে সরকার গঠনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে, তবে তা তাদের জন্য এক ধরনের 'রাজনৈতিক আত্মহনন' হিসেবেই গণ্য হবে। এটি বিজয়ের জন্য একটি নৈতিক বিজয় হয়ে দাঁড়াবে এবং আগামী নির্বাচনের আগে তাঁকে আরও বড় মাপের এক রাজনৈতিক নায়কে পরিণত করবে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>&nbsp;কীভাবে সম্ভব?</strong></p>&#13;
<p>তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করে বিজয়ের দল টিভিকে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ১০৮টি আসন পেলেও, ২৩৪ সদস্যবিশিষ্ট বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার (ম্যাজিক ফিগার) চেয়ে টিভইকে-র আসন সংখ্যা ১০টি কম ছিল। ডিএমকে-র জোটসঙ্গী দল কংগ্রেস, টিভিকে-কে সমর্থন জানিয়েছে এবং বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবি জানাতে তিনি দু'বার রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে তাঁকে জানানো হয়েছে যে, ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করে পুনরায় ফিরে আসতে হবে।</p>&#13;
<p>ঠিক এই জায়গাতেই বিজয় একটি বড় ভুল করে ফেলেছেন। একক বৃহত্তম দলের নেতা হিসেবেই তাঁর সরকার গঠনের দাবি জানানো উচিত ছিল, কোনও জোটের নেতা হিসেবে নয়। তবে জনগণ, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ এবং নেতারা মনে করেন যে, কেবল এই একটি কারণে তাঁকে সরকার গঠনের চেষ্টা করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা কোনওভাবেই উচিত নয়।</p>&#13;
<p>এটি ছিল নির্বাচনে টিভিকে-এর প্রথম অংশগ্রহণ। অভিষেকেই এই দল ১০৮টি আসন পেয়ে রাজনৈতিক পরিসরে নিজেদের অবস্থান সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে। টিভইকে-র বিপুল ভোট পাওয়া আসেল পুরনো দলগুলোর বিরুদ্ধে জনগণের দেওয়া 'গণরায়' হিসেবেই দেখা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র সম্ভাব্য জোট গঠন নিয়ে যখন জোর গুঞ্জন চলছে, তখন বিজয় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে- যদি সত্যিই এমনটা ঘটে, তবে তাঁর দলের ১০৭ জন বিধায়ক একযোগে পদত্যাগ করবেন। এমনকি ডিএমকে প্রধান এবং তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিন যখন প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে, বিজয়কে সরকার গঠনের দাবি জানানোর সুযোগ দেওয়া উচিত, তার পরেও আড়ালে ওই দুই দল জোট গঠনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।</p>&#13;
<p><strong>তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের লক্ষ্যে কী ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে জোট বাঁধতে পারে?</strong></p>&#13;
<p>দীর্ঘ ২০ বছর পর তামিলনাড়ু আবারও একটি 'ত্রিশঙ্কু বিধানসভা'র সাক্ষী হল। যেখানে কোনও একক রাজনৈতিক দল বা জোটের হাতেই রাজ্য শাসন করার মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। তামিলনাড়ুর রাজনীতি বরাবরই দু'টি প্রধান দ্রাবিড়ীয় শক্তির (ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে) এর আবর্তেই ঘুরপাক খেয়ে এসেছে। এই দু'টি দল, প্রায় পাঁচ দশক ধরে, নিজেদের একে অপরের ঘোর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছিল।</p>&#13;
<p>তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিজয়ের &lsquo;টিভিকে&rsquo;-এর উত্থানে শঙ্কিত হয়ে, বর্তমানে এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে জোট গঠন করে রাজ্য শাসন করার পরিকল্পনা করছে।</p>&#13;
<p>ডিএমকে-র দখলে রয়েছে ৫৯টি আসন এবং এআইএডিএমকে-র রয়েছে ৪৭টি আসন। এমনকি যদি এই দু'টি দল জোটও বাঁধে, তবুও সরকার গঠনের জন্য তাদের প্রয়োজন হবে সেইসব অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলোর সমর্থন, যাদের সঙ্গে তাদের ইতিমধ্যেই জোট রয়েছে।</p>&#13;
<p>কংগ্রেস, যারা ডিএমকে-র সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়েছিল, তারা পাঁচটি আসনে জয়লাভ করে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর, কংগ্রেস ডিএমকে-র সঙ্গ ত্যাগ করে এবং সরকার গঠনের লক্ষ্যে টিভিকে-র সঙ্গে হাত মেলায়। এরপরও সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য টিভিকে-র আরও ছয়'টি আসনের প্রয়োজন ছিল। এই অবস্থায় সরকার গঠনের দাবি জানাতে বিজয় যখন রাজ্যপাল আর্লেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তখন রাজ্যপাল সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং বিজয়কে ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন প্রমাণ করার নির্দেশ দেন।</p>&#13;
<p><strong>বিজয়-নেতৃত্বাধীন টিভিকে বিধায়করা যদি গণপদত্যাগ করেন, তবে কী ঘটবে?</strong></p>&#13;
<p>তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের লক্ষ্যে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-এর মধ্যে সম্ভাব্য জোট নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হওয়ার পর, বিজয় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে টিভিকে-এর ১০৭ জন বিধায়কই একযোগে পদত্যাগ করবেন। বিজয়ের এই গণপদত্যাগের হুঁশিয়ারিকে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-এর বিরুদ্ধে তাঁর 'তুরুপের তাস' হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>যদি বিজয়ের টিভিকে বিধায়করা গণপদত্যাগ করেন, তবে তা কেবল ওই ১০৭টি আসনে অবিলম্বে উপনির্বাচন হবে না, বরং তামিলনাড়ু বিধানসভার পবিত্রতা ও মর্যাদার ওপরও এক গভীর ছায়া ফেলবে। মনে রাখা প্রয়োজন, এখানে মাত্র হাতেগোনা কয়েকজন বিধায়কের বিষয় নয়,বরং বিধানসভার মোট সদস্যসংখ্যার প্রায় অর্ধেকই এর সঙ্গে জড়িত।</p>&#13;
<p>যদি নবগঠিত সরকারের স্পিকার কর্তৃক এই বিধায়কদের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়, তবে বিধানসভার ১০৭টি আসন শূন্য হয়ে পড়বে। 'জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১' অনুযায়ী, কোনও আসন শূন্য হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া বাধ্যতামূলক। যেহেতু তামিলনাড়ু সবেমাত্র একটি নতুন বিধানসভা নির্বাচন সম্পন্ন করেছে, তাই এই ১০৭টি আসনেই উপনির্বাচন আয়োজন করা সাংবিধানিকভাবে অপরিহার্য হয়ে দাঁড়াবে।</p>&#13;
<p>ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে হয়তো আগামী পাঁচ বছর ধরে তামিলনাড়ু শাসন করতে পারে। কিন্তু দ্রাবিড়ীয় দলগুলোর এই পদক্ষেপকে বিজয় এবং টিভিকে-এর পক্ষ থেকে জনগণের দেওয়া রায়ের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবেই তুলে ধরা হবে।</p>&#13;
<p>গণপদত্যাগের এই হুমকির মাধ্যমে বিজয় সম্ভবত জনগণের আবেগকে নিজের পক্ষে একজোট করার চেষ্টা করছেন। যদি টিভিকে বিধায়করা শেষমেশ সত্যিই পদত্যাগ করেন, তবে বিজয়ের লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও সমর্থক যে কী তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুলবেন, তা সহজেই অনুমেয়।</p>&#13;
<p>বিজয়ের ভক্তকূল বিশাল এবং তাঁকে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সর্বশ্রেষ্ঠ সুপারস্টার হিসেবে গণ্য করা হয়। বিজয়ের এই বিশাল ভক্তগোষ্ঠী এখন একটি শক্তিশালী ভোটব্যাঙ্কে রূপান্তরিত হয়েছে এবং তারা চায় যে বিজয়ই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হোন। যদি ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে জোট গঠন করে বিজয়ের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করে, তবে তা বিজয়ের সঙ্গে সাধারণ মানুষের আবেগের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে তুলবে, আর এর ফলে তামিলনাড়ুর রাজনীতির সামগ্রিক গতিপথই আমূল বদলে যেতে পারে।</p>&#13;
<p>লক্ষ লক্ষ তামিলবাসীর মনে জমে থাকা সেই ক্ষোভকে উপেক্ষা করার বা সেই ঝুঁকি নেওয়ার দুঃসাহস এই দুটি দ্রাবিড়ীয় দলের নেই। কারণ, এমনটা ঘটলে তারা জনগণের চোখে 'খলনায়ক' হিসেবে প্রতিভাত হবে এবং টিভইকে-এর হাতে পরবর্তী নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় 'অস্ত্র' বা হাতিয়ার তুলে দেবে।</p>&#13;
<p>বিজয় কীভাবে একটি জোট গঠনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন? বিজয়ের দল &lsquo;টিভিকে&rsquo; বর্তমানে ডিএমকে জোটের অন্তর্ভুক্ত আঞ্চলিক দলগুলোর সাথে সক্রিয় আলোচনায় লিপ্ত রয়েছে। এই দলগুলোর মধ্যে রয়েছে &lsquo;বিদুতলাই চিরুথাইগাল কাচ্চি&rsquo; (ভিসিকে) এবং &lsquo;ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ&rsquo; (আইইউএমএল), এই দু'টি দলের দখলে সম্মিলিতভাবে ছয়টি আসন রয়েছে। যেহেতু কংগ্রেস ইতিমধ্যেই বিজয়ের জোটে শামিল হয়েছে, তাই এই দু'টি দলও যদি টিভিকে-তে যোগ দেয়, তবে বিজয় সহজেই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের দাবি জানাতে পারবেন।</p>&#13;
<p>তবে আইইউএমএল এবং ভিসিকে, এই দুটি দলই টিভিকের আহ্বানে তাদের সঙ্গে যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে তাদের অবস্থান বা অভিপ্রায় এখনও স্পষ্টভাবে জানায়নি। বৃহস্পতিবার আইইউএমএল-এর জাতীয় সভাপতি কে.এম. কাদের মহিউদ্দিন বলেন, "আইইউএমএল এখনও ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গেই দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ডিএমকে সভাপতি এম.কে. স্ট্যালিন যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুন না কেন, আমাদের দল তার পাশে থাকবে এবং তা মেনে নেবে।"</p>&#13;
<p>ভিসিকে-র প্রধান থোল থিরুমাবালাভানও স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেননি যে তাঁর দল শেষ পর্যন্ত কোন পক্ষের সঙ্গে জোট বাঁধবে, তবে তিনি জানিয়েছেন যে, শুক্রবার এ বিষয়ে দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p>&#13;
<p>তামিলনাড়ুর রাজনীতি যখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বিজয় হয়তো সরকার গঠনের চেয়েও বড় কিছু ইতিমধ্যেই অর্জন করে ফেলেছেন। তিনি রাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে নিজেকে এক অপরিহার্য শক্তিতে পরিণত করেছেন। টিভিকে-র আকস্মিক উত্থানে ভীত হয়ে যদি শেষ পর্যন্ত ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে জোটই সরকার গঠন করে ফেলে, তবে তারা প্রকারান্তরে বিজয়কেই আরও বড় মাপের এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করবে। আপাতত বিজয়ের হাতে হয়তো সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিধায়ক নেই, কিন্তু রাজনীতির দাবার ছকে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সব 'তাস' বা কৌশলই এখন তাঁর দখলে রয়েছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dmk]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Politics]]></category>
            <category><![CDATA[vijay]]></category>
            <category><![CDATA[tvk]]></category>
            <category><![CDATA[DMK AIADMK Join Hands]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/b5c96761-f93f-459c-a933-48da4725433c.webp" length="55104" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/b5c96761-f93f-459c-a933-48da4725433c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/b5c96761-f93f-459c-a933-48da4725433c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[রাজ্যপালের 'না': তামিলভূমে সরকার গড়তে হোয়াটসঅ্যাপের সাহায্য নিলেন থালাপতি বিজয়!]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/thalapathy-vijay-used-whatsapp-to-help-form-the-government-in-tamil-nadu-495070</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/thalapathy-vijay-used-whatsapp-to-help-form-the-government-in-tamil-nadu-495070</guid>
            <pubDate>Fri, 08 May 2026 13:57:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই দক্ষিণী রাজনীতির অলিন্দে টানটান উত্তেজনা। রাজ্য রাজনীতিতে এখন একটাই প্রশ্ন— থালাপতি  বিজয় কি পারবেন রাজভবনের চৌকাঠ পেরিয়ে ফোর্ট সেন্ট জর্জে বসতে?]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই দক্ষিণী রাজনীতির অলিন্দে টানটান উত্তেজনা। রাজ্য রাজনীতিতে এখন একটাই প্রশ্ন&mdash; থালাপতি &nbsp;বিজয় কি পারবেন রাজভবনের চৌকাঠ পেরিয়ে ফোর্ট সেন্ট জর্জে বসতে? কিন্তু সরকার গড়ার সেই ম্যাজিক ফিগারের সন্ধানে বিজয় যে &lsquo;ডিজিটাল&rsquo; পথ বেছে নিয়েছেন, তা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে চেন্নাইয়ের রাজনৈতিক মহলে।</p>&#13;
<p>২৩ এপ্রিলের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এসেছে বিজয়ের দল &lsquo;তামিলাগা ভেট্টি কাড়াগাম&rsquo; (TVK)। কিন্তু সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ১১৮টি আসন থেকে কিছুটা দূরে থমকে গেছে বিজয়ের রথ। বর্তমানে তাঁর হাতে আছে ১০৮ জন বিধায়ক, আর কংগ্রেসের ৫ জনের সমর্থন মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ১১৩। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন আরও অন্তত ৫ জন বিধায়ক। আর এই পাঁচ বিধায়কের সমর্থন জোগাড় করতে প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে বিজয় ও তাঁর দল সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) মেসেজ পাঠিয়েছেন সিপিআই, সিপিএম এবং ভিসিকে (VCK)-র মতো পোড়খাওয়া দলগুলোকে।</p>&#13;
<p>বামপন্থী এবং ভিসিকে নেতাদের একাংশ এই ঘটনায় রীতিমতো বিস্মিত। তাঁদের মতে, সরকার গড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য কোনও &nbsp;প্রতিনিধি দল পাঠানো বা সরাসরি দেখা করার বদলে স্রেফ একটি মেসেজ পাঠিয়ে দেওয়াটা অনেকটা &lsquo;জেন-জে&rsquo; (Gen-Z) ঘরানার রাজনীতি। এক বাম নেতা কিছুটা রসিকতা করেই বললেন, "হয়তো এটাই আজকের দিনের আধুনিক জোট রাজনীতি!" তবে এই ডিজিটাল আমন্ত্রণে অনেকের মধ্যে অস্বস্তিও কাজ করছে। তাঁদের প্রশ্ন, ফোর্ট সেন্ট জর্জের মতো গুরত্বপূর্ণ শাসনভার কি এত ক্যাজুয়ালভাবে আলোচনা করে নেওয়া সম্ভব?</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আর্লেকরের সঙ্গে টানা দু&rsquo;দিন বৈঠক করেছেন বিজয়। তিনি দাবি করেছেন, যেহেতু টিভিকে (TVK) একক বৃহত্তম দল, তাই তাঁকে আগে সরকার গড়ার জন্য শপথ নিতে দেওয়া হোক এবং বিধানসভার ফ্লোরে তিনি সংখ্যা গরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। কিন্তু রাজ্যপাল নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিজয়ের হাতে ১১৮ জন বিধায়কের যে সমর্থন আছে, তার লিখিত প্রমাণ বা প্রামাণ্য নথি আগে রাজভবনে জমা দিতে হবে। রাজ্যপালের এই কঠোর অবস্থানের পর বিজয়ের নীলঙ্করাইয়ের বাসভবনে দফায় দফায় বৈঠক চলছে। আইনি পথে হাঁটা হবে নাকি নতুন কোনও &nbsp;সমীকরণ তৈরি হবে, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।</p>&#13;
<p>বিজয়ের এই তৎপরতার মধ্যেই সাবধানী পা ফেলছে দুই দ্রাবিড়ীয় দল ডিএমকে (DMK) এবং এআইএডিএমকে (AIADMK)। এম কে স্ট্যালিন তাঁর দলের বিধায়কদের ১০ মে পর্যন্ত চেন্নাই না ছাড়ার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে, এআইএডিএমকে প্রধান ইডাপ্পাদি কে পালানিস্বামী তাঁর ৪৭ জন বিধায়ককে পুদুচেরির একটি বিলাসবহুল রিসোর্টে পাঠিয়ে দিয়েছেন, যাতে কোনওভাবেই ঘোড়া কেনাবেচার সুযোগ না থাকে।</p>&#13;
<p>এখন দেখার বিষয়, হোয়াটসঅ্যাপের এই নতুন ধারার রাজনীতি শেষ পর্যন্ত বিজয়কে তামিলনাড়ুর মসনদে বসাতে পারে কি না। বাম দলগুলো এবং ভিসিকে এখনও তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি। থলপতি বিজয়ের &lsquo;স্ক্রিন প্লে&rsquo; কি বাস্তবে সফল হবে নাকি রাজভবনের আইনি গেরোয় আটকে যাবে তাঁর স্বপ্ন, তার উত্তর মিলবে আগামী কয়েক দিনেই।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dmk]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Elections 2026]]></category>
            <category><![CDATA[tvk]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/30c8ac0e-f920-4ce6-818e-61d3bd1dfd37.webp" length="33626" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/30c8ac0e-f920-4ce6-818e-61d3bd1dfd37.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/08/30c8ac0e-f920-4ce6-818e-61d3bd1dfd37.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ধীরগতির ইনিংস নিয়ে প্রশ্নের মুখে লোকেশ রাহুল, কড়া মন্তব্য মঞ্জরেকরের]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/ipl-2026-sanjay-manjrekar-slams-kl-rahul-after-dc-loss-to-csk-494921</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/ipl-2026-sanjay-manjrekar-slams-kl-rahul-after-dc-loss-to-csk-494921</guid>
            <pubDate>Thu, 07 May 2026 16:36:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[রাহুলের ধীরগতির ব্যাটিং দিল্লির রান তোলার গতি কমিয়ে দেয়, বলেন সঞ্জয় মঞ্জরেকর। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবেডেস্ক:</strong> চলতি আইপিএলে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ধারাবাহিকতা ও ব্যাটিংয়ের গতি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ওপেনার লোকেশ রাহুল।&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশেষ করে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে তাঁর ধীরগতির ইনিংস নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বিশ্লেষক সঞ্জয় মঞ্জরেকর।&nbsp;</p>&#13;
<p>চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচে দিল্লির ইনিংসের শুরুটা ছিল বেশ ধীর। পাওয়ার প্লেতে স্বাভাবিক ছন্দে দেখা যায়নি রাহুলকে। তিনি ১৩ বলে মাত্র ১২ রান করে আউট হন। তাঁর এই ইনিংসের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া ও ক্রিকেট বিশ্লেষকদের আলোচনায় উঠে আসে তাঁর ব্যাটিংয়ের ধরন।</p>&#13;
<p>দিল্লির শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ থাকা সত্ত্বেও দলটি নির্ধারিত ওভারে সংগ্রহ করে ১৫৬ রান। জবাবে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সহজ জয় তুলে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন সঞ্জু স্যামসন, যিনি ৮৭ রানে অপরাজিত থেকে যান।&nbsp;</p>&#13;
<p>ম্যাচ শেষে বিশ্লেষণে মঞ্জরেকর বলেন, রাহুলের ধীরগতির ব্যাটিং দিল্লির রান তোলার গতি কমিয়ে দেয় এবং সেটিই ম্যাচে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। তাঁর মতে, আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ওপেনারদের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হতে হয়। সেখানে পাওয়ার প্লেতে ১২ বলে ১২ রান কোনওভাবেই আদর্শ ইনিংস নয়।</p>&#13;
<p>তিনি আরও বলেন, কখনও রাহুল শুরু থেকেই ইতিবাচক ক্রিকেট খেলে, আবার কখনও অতিরিক্ত দায়িত্বশীল হতে গিয়ে দলের উপর চাপ তৈরি করেন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ধারাবাহিকভাবে রান তোলার গতি ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>&#13;
<p>তবে সমালোচনার মাঝেও চলতি আসরে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত রাহুল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে রান তাড়ায় গুরুত্বপূর্ণ ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।&nbsp;</p>&#13;
<p>এছাড়া পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে অপরাজিত ১৫২ রানের ইনিংস খেলে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোরের রেকর্ডও গড়েন এই ডানহাতি ব্যাটার।<br>এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচে ৪৪৫ রান করেছেন রাহুল। তাঁর ব্যাটিং গড় ৪৯.৪৪ এবং স্ট্রাইক রেট ১৮০-এর বেশি। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল থাকলেও দলের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ধারাবাহিক ও দ্রুতগতির ব্যাটিং দেখতে চান বিশ্লেষকরা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[sanjay manjrekar]]></category>
            <category><![CDATA[ipl 2026]]></category>
            <category><![CDATA[kl rahul]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/07/5fbc5506-efdb-4ca2-bb9a-ae8b5fdc079b.webp" length="24248" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/07/5fbc5506-efdb-4ca2-bb9a-ae8b5fdc079b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/07/5fbc5506-efdb-4ca2-bb9a-ae8b5fdc079b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[‘‌আমি ভোটে হারিনি, পদত্যাগ কেন করব?’‌‌ সাংবাদিক বৈঠকে বললেন মমতা ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/mamata-banerjee-press-conference-after-worse-defeat-494611</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/mamata-banerjee-press-conference-after-worse-defeat-494611</guid>
            <pubDate>Tue, 05 May 2026 16:19:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[কালীঘাটে একসঙ্গে মমতা ও অভিষেক। রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম ও ডেরেক ও’‌ব্রায়েন। &#13;
বিধানসভা ভোটে হারের পর মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি।]]></description>
            <dc:creator>রজত বোস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:&zwnj;</strong> &lsquo;&zwnj;আমি ভোটে হারিনি। পদত্যাগ করব না।&rsquo;&zwnj; কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে জোর গলায় একথা বললেন মমতা।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>বিধানসভা ভোটে হারের পর মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি। কালীঘাটে। ছিলেন অভিষেক ব্যানার্জি, ফিরহাদ হাকিম, ডেরেক ও&lsquo;&zwnj;ব্রায়েন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ ব্যানার্জিরা।</p>&#13;
<p><br>ভবানীপুরে এবার হেরে গিয়েছেন ঘরের মেয়ে। জিতেছেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তারপর থেকেই জল্পনা এবার কী পদক্ষেপ নেবেন মমতা।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>তিনি লোকসভা ভোটে লড়বেন?&zwnj; নাকি বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধিতা আরও বাড়াবেন। সেদিকেই ছিল নজর। সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই মমতা জানান, &lsquo;&zwnj;একশো আসন জোর করে লুঠ করা হয়েছে। এসআইআর করে ভোটারদের নাম কাটা হয়েছে। এরকম কোনও ভোটে দেখিনি। আমি ভোটে হারিনি। কেন পদত্যাগ করব। আমরা হারিনি, তাই রাজভবন কেন যাব?&zwnj;&rsquo;&zwnj;</p>&#13;
<p><br>মমতার অভিযোগ, &lsquo;সব পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। ভোটের আগে আধিকারিকদের বদল করা হয়েছে। ভোটের দিন দুয়েক আগেই আমাদের একাধিক কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&rsquo;&zwnj;<br>ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও জানিয়ে দেন মমতা। বলেন, &lsquo;&zwnj;ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করাই হবে লক্ষ্য। এখন আমি মুক্ত পাখি। মানুষের সেবায় কাজ করব। রাস্তায় ছিলাম। রাস্তায় থাকব।&rsquo;&zwnj; মমতা আরও অভিযোগ করেন, &lsquo;&zwnj;উত্তর থেকে দক্ষিণে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকাতেই ছিল না। ছিল বিজেপি গুন্ডাদের দাপট। তৃণমূল কর্মীদের উপর ক্রমাগত অত্যাচার করা হয়েছে।&rsquo;&zwnj;&nbsp;</p>&#13;
<p><br>হারের জন্য নির্বাচন কমিশনকেও দায়ী করেছেন মমতা। মমতা জানান, &lsquo;&zwnj;বিরোধী ঐক্য শক্তিশালী করতে বুধবার অখিলেশ আসছে। একে একে সবাই আসবে। সোনিয়াজি, রাহুলের সঙ্গে কথা হয়েছে।&rsquo;&zwnj; মমতার আরও প্রশ্ন, &lsquo;&zwnj;এটা সিআরপিএফ না বিজেপির গুন্ডা বাহিনী। আমরা সিপিএমের কোনও পার্টি অফিস দখল করিনি। তিনদিন করে বিজেপির কেন্দ্রীয় বাহিনী হামলা চালাচ্ছে। এবারের ভোটের সন্ত্রাস সমস্তকিছুকে ছাপিয়ে গেছে।&rsquo;&zwnj;</p>&#13;
<p><br>মমতার আরও অভিযোগ জানান, &lsquo;&zwnj;কাউন্টিং থেকে আমাকে মারতে মারতে বের করা হয়েছে। যেভাবে আমার উপর অত্যাচার হয়েছে, একজন মহিলা হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে আমি ধারণা করতে পারি। প্রথমে আমার গাড়ি থামানো হয়, পরে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়।&rsquo;&zwnj; শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, &lsquo;&zwnj;পেটে লাথি, পিঠে ধাক্কা মারা হয়েছে। হিস্ট্রি উইল রিপিট। উই উইল বাউন্স ব্যাক।&rsquo;&zwnj;&nbsp;</p>&#13;
<p><br>মমতা ইঙ্গিতপূর্ণভাবে জানান, &lsquo;&zwnj;আমরা অ্যাকশন নেব, সেটা এখনই জানাচ্ছি না। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি তৈরি হবে।, যে কমিটিতে পাঁচ জন সাংসদ ছাড়াও আরও পাঁচ জন থাকবেন।&rsquo;&zwnj; &nbsp;<br>পাশাপাশি মা&ndash;মাটি মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মমতা। সঙ্গে জুড়েছেন, &lsquo;&zwnj;চেয়ারকে কেয়ার করি না। চাই লেস ইম্পর্ট্যান্ট মানুষ হিসেবে থাকতে। আমাদের লড়াই বিজেপির সঙ্গে নয় ছিল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে দল।&rsquo;&zwnj;&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[press conference]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal election]]></category>
            <category><![CDATA[Mamata Banerjee]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/75634659-4f6e-4253-b6a8-2fb2b1334e04.webp" length="30054" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/75634659-4f6e-4253-b6a8-2fb2b1334e04.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/75634659-4f6e-4253-b6a8-2fb2b1334e04.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কোন পথে তামিলনাড়ুতে সরকার গঠন? বিজয়ের ভাবনায় কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে আলোচনা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/which-path-to-forming-a-government-in-tamil-nadu-tvk-supremo-vijay-considers-talks-with-congress-and-the-left-494599</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/which-path-to-forming-a-government-in-tamil-nadu-tvk-supremo-vijay-considers-talks-with-congress-and-the-left-494599</guid>
            <pubDate>Tue, 05 May 2026 14:51:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার (অর্ধেক আসনের) সীমা হলো ১১৮টি।&#13;
]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের দল 'তামিলগা ভেত্রি কাজাগাম' (টিভিকে) তামিলনাড়ুতে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে চমকে দিয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। সূত্র মারফত 'ইন্ডিয়া টুডে টিভি' জানতে পেরেছে যে, একটি জোট সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আসনসংখ্যা নিশ্চিত করতে বিজয় এখন কংগ্রেস, বামপন্থী দল এবং ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার কথা ভাবছেন। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার (অর্ধেক আসনের) সীমা হলো ১১৮টি।</p>&#13;
<p>বিজয় বিরোধী জোটের সঙ্গে হাত মেলানোর পরিকল্পনা করছেন। কংগ্রেসের পাশাপাশি তিনি 'ভিদুতলাই চিরুথাইগাল কাজাগাম' (ভিসিকে), 'ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)' (সিপিআইএম), 'ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি' (সিপিআই) এবং 'ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ' (ইউএমআইএল)-এর সঙ্গেও আলোচনা করতে পারেন। সূত্রগুলো জানিয়েছে, শীঘ্রই এই দলগুলোর কাছে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য যে, কংগ্রেস, ভিসিকে, সিপিআই, সিপিআইএম এবং আইইউএমএল&mdash;এই দলগুলো এমকে স্টালিন নেতৃত্বাধীন 'সেকুলার প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স' (এসপিএ)-এর অংশ। গত ২৩ এপ্রিল নির্বাচনে রাজ্যের মোট ২৩৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে কংগ্রেস ৫টি আসনে জয়লাভ করে; অন্যদিকে আইইউএমএল, সিপিআই, সিপিআইএম এবং ভিসিকে - প্রতিটি দল দু'টি করে আসনে জয়ী হয়। যদি কংগ্রেস এবং তার মিত্রদলগুলো টিভইকে-র সঙ্গে জোট বাঁধার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে বিজয় নেতৃত্বাধীন এই দলটি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার সীমা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গেই পেরতেপারবে।</p>&#13;
<p>টিভিকে, এমকে স্টালিন নেতৃত্বাধীন ডিএমকে-কে ক্ষমতাচ্যুত করেছে; ডিএমকে মাত্র ৫৯টি আসনে জয়লাভ করে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।</p>&#13;
<p><strong>টিভিকে-র সঙ্গে জোট বাঁধার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেস:</strong></p>&#13;
<p>টিভিকে এবং কংগ্রেসের সমন্বয়ে একটি সম্ভাব্য জোট সরকার গঠনের জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই, কংগ্রেস সাংসদ শশীকান্ত সেন্থিল 'ইন্ডিয়া টুডে টিভি'-কে জানিয়েছেন যে, তামিলনাড়ুর স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে, তাঁর দল অত্যন্ত সুচিন্তিত ও সম্মিলিতভাবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।</p>&#13;
<p>সেন্থিল বলেন, "অনেকগুলো বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন, তবে তামিলনাড়ুর জনগণ যে সুস্পষ্ট রায় দিয়েছে, তা আমাদের অবশ্যই সর্বান্তঃকরণে মেনে নিতে হবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া জুড়ে কংগ্রেস তার আদর্শগত অবস্থান ও ধারাবাহিকতা অটুট রেখেছে, তাই ভবিষ্যতে যে কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হোক না কেন, তা অবশ্যই দলের ধর্মনিরপেক্ষ মূল্যবোধ ও অঙ্গীকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।</p>&#13;
<p>টিভইকে-কে সমর্থন জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের অভ্যন্তরে কোনও মতপার্থক্য বা ভিন্নমত রয়েছে কি না - এমন প্রশ্নের জবাবে সেন্থিল স্বীকার করেন যে, দলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের মতামত বা দৃষ্টিভঙ্গির সহাবস্থান থাকাটা কংগ্রেসের সংস্কৃতিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তিনি বলেন, &ldquo;আমাদের মনের কথা প্রকাশ করার মতো যথেষ্ট সুযোগ ও স্বাধীনতা রয়েছে। তবে আমরা সুবিধাবাদী নই। আমরা আমাদের আদর্শ এবং জনগণের কাছে করা প্রতিশ্রুতিগুলোর প্রতি অবিচল থাকি।&rdquo;&nbsp;</p>&#13;
<p>টিভিকে-র সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সেন্থিল বলেন যে, বিষয়টি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সংসদীয় কমিটির এখতিয়ারভুক্ত। তিনি মন্তব্য করেন, &ldquo;কংগ্রেস যে সিদ্ধান্তই গ্রহণ করুক না কেন, তা তামিলনাড়ুর স্বার্থেই নেওয়া হবে।&rdquo; তিনি আরও বলেন যে, "কংগ্রেস ডিএমকে-র সঙ্গেই জোটবদ্ধ রয়েছে এবং তাদের মধ্যে কোনও ফাটলের কথা অস্বীকার করেন; পাশাপাশি তিনি ইঙ্গিত দেন যে, অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসতে হলে তা কেবল দলের নেতৃত্বের অভ্যন্তরীণ আলোচনার পরেই আসবে।</p>&#13;
<p><strong>টিভিকে-র চমক: ডিএমকে-কে হতবাক করে দিল</strong></p>&#13;
<p>এক ঐতিহাসিক অঘটন ঘটিয়ে, টিভইকে, ডিএমকে-কে এক চরম পরাজয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এমনকি দলের প্রধান এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিনও তাঁর কোলাথুর আসনে পরাজিত হয়েছেন। এআইএডিএমকে ৪৭টি আসনে জয়লাভ করে তৃতীয় স্থানে ছিটকে পড়েছে। টিভিকে-এর এই বিজয় গত তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবার প্রমাণ করল যে, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘকাল ধরে গেড়ে বসা দুই প্রধান দ্রাবিড় দলের (ডিএমকে ও এআইএডিএমকে) একচ্ছত্র আধিপত্য এবার চূড়ান্তভাবে ভেঙে পড়েছে।</p>&#13;
<p>এআইএডিএম-এর জোট সঙ্গীদের মধ্যে - পত্তালি মক্কল কাচ্চি (পিএমকে) চারটি আসনে জয়লাভ করেছে; অন্যদিকে বিজেপি এবং আম্মা মক্কল মুন্নেত্র কাজাগাম (এএমএমকে) প্রত্যেকে একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড় কাজাগাম (ডিএমডিকে)-ও একটি আসনে জয়লাভ করেছে।</p>&#13;
<p>বিজয় নিজে পেরাম্বুর এবং তিরুচিরাপল্লি পূর্ব, উভয় নির্বাচনী এলাকা থেকেই জয়লাভ করেছেন; আর টিভইকে তাদের প্রথম নির্বাচনেই প্রায় ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়ে এক অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে।</p>&#13;
<p>উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজয় ঘোষণা করেছিলেন যে, তামিলনাড়ু নির্বাচনে টিভিকে এককভাবেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং ডিএমকে, এআইএডিএমকে কিংবা বিজেপির সঙ্গে কোনও জোট গঠনের সম্ভাবনা তিনি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছিলেন। প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিপরীতে নিজের দলকে একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে তুলে ধরে, তিনি ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-কে আদর্শগত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং দুর্নীতিমুক্ত শাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারকে তুলে ধরেছিলেন।</p>&#13;
<p>যদি টিভইকে সরকার গঠনে সফল হয়, তবে তা তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এক অসাধারণ মাইলফলক হবে। কারণ, এই প্রথমবার তামিলনাড়ুতে এমন কোনও রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, যা মাত্র দুই বছর আগে (২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে) তৈরি হয়েছিল।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Coalition Govt]]></category>
            <category><![CDATA[TVK Congress Left Parties]]></category>
            <category><![CDATA[vijay]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Govt Formation]]></category>
            <category><![CDATA[tvk]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Election Results 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/63c6efc8-934d-4930-b650-23c91596dec9.webp" length="41270" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/63c6efc8-934d-4930-b650-23c91596dec9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/63c6efc8-934d-4930-b650-23c91596dec9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[একটা ভোটই নির্ধারণ করে দিল ফলাফল! টানটান লড়াইয়ে বিধায়ক হলেন তামিলনাড়ুর এই প্রার্থী]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/tamilnadu-election-result-2026-tvk-one-vote-win-stuns-dmk-in-tiruppattur-494580</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/tamilnadu-election-result-2026-tvk-one-vote-win-stuns-dmk-in-tiruppattur-494580</guid>
            <pubDate>Tue, 05 May 2026 12:38:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিরুপ্পত্তুর কেন্দ্রে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন ডিএমকে নেতা ও তামিলনাড়ুর বিদায়ী সমবায় মন্ত্রী কে আর পেরিয়াকারুপ্পন।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে তিরুপ্পত্তুর কেন্দ্রে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন ডিএমকে নেতা ও তামিলনাড়ুর বিদায়ী সমবায় মন্ত্রী কে আর পেরিয়াকারুপ্পন।</p>&#13;
<p>নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, টিভিকে-এর প্রার্থী শ্রীনিবাসা সেতুপতি আর পেয়েছেন ৮৩,৩৭৫ ভোট। যা পেরিয়াকারুপ্পনের প্রাপ্ত ৮৩,৩৭৪ ভোটের থেকে মাত্র একটা বেশি।</p>&#13;
<p>মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে এই ফলাফল সাম্প্রতিক নির্বাচনী ইতিহাসে অন্যতম টানটান লড়াই হিসেবে ধরা হচ্ছে। মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।</p>&#13;
<p>বিদায়ী মন্ত্রীর এই পরাজয় তামিল রাজনীতিতে টিভিকে-র ক্রমবর্ধমান প্রভাবকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। অভিনেতা বিজয়ের নেতৃত্বে দলটি প্রথমবার নির্বাচনে লড়েই ১০৮টি আসন জিতে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এনেছে।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী কে সি থিরুমারণ ২৯,০৫৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। নিজের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগমের সরকার গঠন নিয়ে এবার তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইলেন থালাপতি বিজয়।</p>&#13;
<p>প্রথমবার নির্বাচনে লড়েই চমকপ্রদ ফল করে ১০৮টি আসন জিতেছে তাঁর দল। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে ১০টি আসনে পিছিয়ে থাকার কারণে সরকার গঠন নিয়ে জোরদার তৎপরতা শুরু হয়েছে।</p>&#13;
<p>জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে ১০টায় বিজয় তাঁর দল টিভিকের কার্যালয়ে নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তামিলনাড়ুতে ইতিমধ্যেই ২৩৪টি আসনের সবকটির গণনা শেষ হয়েছে।</p>&#13;
<p>সেখানে টিভিকে ১০৮টি আসন পেয়েছে। এম কে স্ট্যালিন নেতৃত্বাধীন ডিএমকে ৫৯টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা এআইএডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/Np6J0x2cqBE?si=Rr1sBRjk1XodO8cq</p>&#13;
<p>অন্যান্য ছোট দলগুলির মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন এবং পাট্টালি মাক্কাল কাছি (পিএমকে) জিতেছে ৪টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও টিভিকে-র এই ফল তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড়সড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বিজয় এখন কেন্দ্রে রয়েছেন। সূত্রের খবর, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন জোগাড় করতে ইতিমধ্যেই &lsquo;প্ল্যান বি&rsquo; সক্রিয় করেছে টিভিকে।</p>&#13;
<p>মিত্র দলগুলির সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠকে বসেছেন টিভিকে কর্তারা। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস ও পিএমকে টিভিকে-নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন করতে রাজি, তবে শর্ত হিসেবে তারা দুটি করে মন্ত্রিত্ব চাইছে।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, বাম দলগুলি এখনও নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এছাড়া বিদুথালাই চিরুথাইগল কাছি (ভিসিকে) এবং দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড় কাজাগম (ডিএমডিকে)-এর মতো আঞ্চলিক দলগুলিও চূড়ান্ত পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার দিকে নজর রেখেছে।</p>&#13;
<p>তামিলনাড়ুতে ভোটের ফল ঘোষণার পর জোট গঠনের আলোচনা তুঙ্গে ওঠায় এখন নজর রয়েছে, বিজয় আদৌ সরকার গঠন প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা জোগাড় করে তামিলনাড়ুর পরবর্তী সরকার গঠন করতে পারেন কি না।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Tamilnadu Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Tamilnadu Election News]]></category>
            <category><![CDATA[Thalapathi Vijay News]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/1aba0bc7-df5c-4fe0-a6d3-7c76f11f7305.webp" length="99580" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/1aba0bc7-df5c-4fe0-a6d3-7c76f11f7305.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/1aba0bc7-df5c-4fe0-a6d3-7c76f11f7305.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[জোট বেঁধে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতে বিজয়, কারা হতে পারেন সঙ্গী?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/tamilnadu-election-result-2026-thalapathi-vijay-of-tvk-seeks-governor-s-appointment-for-govt-formation-494567</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/tamilnadu-election-result-2026-thalapathi-vijay-of-tvk-seeks-governor-s-appointment-for-govt-formation-494567</guid>
            <pubDate>Tue, 05 May 2026 11:32:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[নিজের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগমের সরকার গঠন নিয়ে এবার তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইলেন থালাপতি বিজয়।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>নিজের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগমের সরকার গঠন নিয়ে এবার তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইলেন থালাপতি বিজয়।</p>&#13;
<p>প্রথমবার নির্বাচনে লড়েই চমকপ্রদ ফল করে ১০৮টি আসন জিতেছে তাঁর দল। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে ১০টি আসনে পিছিয়ে থাকার কারণে সরকার গঠন নিয়ে জোরদার তৎপরতা শুরু হয়েছে।</p>&#13;
<p>জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে ১০টায় বিজয় তাঁর দল টিভিকের কার্যালয়ে নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তামিলনাড়ুতে ইতিমধ্যেই ২৩৪টি আসনের সবকটির গণনা শেষ হয়েছে।</p>&#13;
<p>সেখানে টিভিকে ১০৮টি আসন পেয়েছে। এম কে স্ট্যালিন নেতৃত্বাধীন ডিএমকে ৫৯টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তৃতীয় স্থানে থাকা এআইএডিএমকে পেয়েছে ৪৭টি আসন।</p>&#13;
<p>অন্যান্য ছোট দলগুলির মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছে ৫টি আসন এবং পাট্টালি মাক্কাল কাছি (পিএমকে) জিতেছে ৪টি আসন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও টিভিকে-র এই ফল তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড়সড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>সরকার গঠনের ক্ষেত্রে বিজয় এখন কেন্দ্রে রয়েছেন। সূত্রের খবর, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন জোগাড় করতে ইতিমধ্যেই &lsquo;প্ল্যান বি&rsquo; সক্রিয় করেছে টিভিকে।</p>&#13;
<p>মিত্র দলগুলির সঙ্গে ইতিমধ্যেই বৈঠকে বসেছেন টিভিকে কর্তারা। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস ও পিএমকে টিভিকে-নেতৃত্বাধীন সরকারকে সমর্থন করতে রাজি, তবে শর্ত হিসেবে তারা দুটি করে মন্ত্রিত্ব চাইছে।</p>&#13;
<p>অন্যদিকে, বাম দলগুলি এখনও নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালালেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এছাড়া বিদুথালাই চিরুথাইগল কাছি (ভিসিকে) এবং দেশিয়া মুরপোক্কু দ্রাবিড় কাজাগম (ডিএমডিকে)-এর মতো আঞ্চলিক দলগুলিও চূড়ান্ত পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার দিকে নজর রেখেছে।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/Np6J0x2cqBE?si=Rr1sBRjk1XodO8cq</p>&#13;
<p>তামিলনাড়ুতে ভোটের ফল ঘোষণার পর জোট গঠনের আলোচনা তুঙ্গে ওঠায় এখন নজর রয়েছে, বিজয় আদৌ সরকার গঠন প্রয়োজনীয় আসন সংখ্যা জোগাড় করে তামিলনাড়ুর পরবর্তী সরকার গঠন করতে পারেন কি না।</p>&#13;
<div>&#13;
<p>প্রাথমিক ফলাফলের প্রবণতায় বিজয়ের দল 'টিভিকে' -কে ৯৮ আসনে এগিয়ে ছিল। ফলে চেন্নাইয়ের ক্ষমতার অলিন্দে আবারও জোট গঠনের গুঞ্জন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।</p>&#13;
<p>গত কয়েক মাস ধরে দুই পক্ষের একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ এবং ভেস্তে যাওয়া আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, এআইএডিএমকে ও বিজয়ের মধ্যে জোট হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল।</p>&#13;
</div>&#13;
<div>&#13;
<p>২০২৬ সালের তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনের আগে এআইএডিএমকে ও বিজয়ের মধ্যে জোট গঠনের পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে নির্বাচনী ময়দানে টিভিকে-এর অভিষেক যে বিপুল সাড়া জাগিয়েছে, তা নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণের প্রশ্নটিকে এখনও জোরালোভাবেই জিইয়ে রেখেছে।&nbsp;</p>&#13;
<div>&#13;
<p>নেপথ্যে অবশ্য অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো সক্রিয় ছিল। সেই সময়ের আলোচনা পর্যবেক্ষণকারী রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালের শেষের দিকে এআইএডিএমকে বিজয়ের দল 'তামিলগা ভেত্রি কাজাগাম' -এর সঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য জোট গঠনের বিষয়ে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা শুরু করেছিল।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Tamilnadu Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Tamilnadu Election News]]></category>
            <category><![CDATA[Thalapathi Vijay News]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/b4ced855-50e1-4a89-b588-885801052413.webp" length="51044" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/b4ced855-50e1-4a89-b588-885801052413.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/05/b4ced855-50e1-4a89-b588-885801052413.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অসম-পুদুচেরিতে বিজেপির বিরাট জয়, উচ্ছ্বসিত মোদি, উপহার হিসাবে কীসের ঘোষণা?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/bjp-secures-massive-victory-in-assam-and-puducherry-elated-modi-announces-a-special-gift-what-is-it-494470</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/bjp-secures-massive-victory-in-assam-and-puducherry-elated-modi-announces-a-special-gift-what-is-it-494470</guid>
            <pubDate>Mon, 04 May 2026 18:41:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দুই রাজ্যে প্রত্যাবর্তন গেরুয়া বাহিনীর। বাংলায় এই প্রথম ক্ষমতার স্বাদ পেতে চলেছে বিজেপি। &#13;
]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> অসম, পুদুচেরিতে বিরাট জয় পেয়েছে বিজেপি। প্রত্যাবর্তন ঘটেছে গেরুয়া বাহিনীর। উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী মোদি। অভিনন্দন জানিয়েছেন এই দুই রাজ্যের ভোটারদের। পাশাপাশি, প্রতিশ্রুতি রক্ষার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও কেরল ও তামিলনাড়ুর ভোটারদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি।</p>&#13;
<p><strong>অসমের জয় সম্পর্কে মোদি:</strong></p>&#13;
<p>'এক্স' হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, 'আসাম আবারও বিজেপি-এনডিএ-কে আশীর্বাদ করেছে! আসাম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-এনডিএ-এর এই বিজয় আমাদের জোটের উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টার প্রতি জনগণের অটল সমর্থনেরই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই বিপুল জনরায়ের জন্য আমি আসামের আমার সকল ভাই ও বোনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি তাঁদের এ আশ্বাসও দিচ্ছি যে, রাজ্যের সামগ্রিক রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব।'</p>&#13;
<p>অসমের বিজেপি নেতা, কর্মীদের পরিশ্রমকে কুর্নিশ জানিয়েছেন মোদি। লিখেছেন, 'আসামের জনগণের মাঝে দিন-রাত এক করে অক্লান্ত পরিশ্রম করার জন্য আমি বিজেপি-এনডিএ-এর সকল কার্যকর্তাকে সাধুবাদ জানাই। গত এক দশকে আমাদের দল এবং জোট যেভাবে বিকশিত হয়েছে, তা সত্যিই অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাঁদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলেই আমাদের ইতিবাচক কর্মসূচি ও এজেন্ডাগুলো সাধারণ মানুষের হৃদয়ে গভীর দাগ কাটতে সক্ষম হয়েছে।'</p>&#13;
<p>https://x.com/narendramodi/status/2051287485813260748</p>&#13;
<p><strong>পদুচেরি প্রসঙ্গে মোদি:</strong></p>&#13;
<p>'পুদুচেরির আমাদের এনডিএ কার্যকর্তারা তৃণণূলস্তরে যে অসাধারণ প্রচেষ্টা চালিয়েছেন, তা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। তাঁরা প্রতিনিয়ত মানুষের মাঝে অবস্থান করেছেন এবং আমাদের রূপকল্প ও কাজের খতিয়ান মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। আর এ কারণেই মানুষ আবারও আমাদের আশীর্বাদ করেছেন।'</p>&#13;
<p>https://x.com/narendramodi/status/2051290262832554178</p>&#13;
<p><strong>তামিলনাড়ু প্রসঙ্গে মোদি:</strong></p>&#13;
<p>দক্ষিণী এই রাজ্যে এনডিএ ধরাশায়ী। তবুও মোদি লিখেছেন, 'তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর জন্য তামিলনাড়ুর ভোটারদের জানাই কৃতজ্ঞতা। জনগণের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এবং তাঁদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আমরা সর্বদা অগ্রভাগে থাকব।&nbsp;টিভিকে-কে তাদের চমৎকার ফলাফলের জন্য জানাই অভিনন্দন। তামিলনাড়ুর অগ্রগতি এবং সেখানকার জনগণের কল্যাণ সাধনে কেন্দ্রীয় সরকার কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখবে না।'</p>&#13;
<p><strong>কেরল প্রসঙ্গে মোদি:</strong></p>&#13;
<p>কেরলে পালাবদল ঘটেছে। ক্ষমতায় ফিরেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট। তবুও প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি, 'বিকশিত কেরল-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করে যাব।' মোদি লিখেছেন, 'কেরলে যারা বিজেপি-এনডিএ-কে ভোট দিয়েছেন, তাঁদের সকলকে আমি ধন্যবাদ জানাই। কেরলের অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি আমরা ক্রমাগত তুলে ধরব এবং একটি &lsquo;বিকশিত কেরল&rsquo;-এর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করে যাব। কেরল বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের জন্য আমি ইউডিএফ-কে অভিনন্দন জানাই। কেরলের জনগণের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা পূরণে কেন্দ্র সরকার সর্বদা সহায়তা প্রদান করে যাবে।'</p>&#13;
<p>https://x.com/narendramodi/status/2051290088454418533</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Puducherry Assembly Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Modi On BJP Win]]></category>
            <category><![CDATA[Kerala Assembly Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Assam Assembly Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[BJP Win Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Tamil Nadu Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/e7250eff-89ca-4254-b740-e54efbd85d61.webp" length="59076" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/e7250eff-89ca-4254-b740-e54efbd85d61.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/e7250eff-89ca-4254-b740-e54efbd85d61.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কেরলে ইউডিএফ-এর বিশাল জয়: মালয়ালি জনগণের ‘প্রতিভা ও সম্ভাবনা’র ভূয়সী প্রশংসা রাহুল গান্ধীর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/rahul-gandhi-praises-keralam-people-for-electing-udf-494468</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/rahul-gandhi-praises-keralam-people-for-electing-udf-494468</guid>
            <pubDate>Mon, 04 May 2026 18:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ কেরল বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর বড় জয়ের পর সোমবার মালায়ালি জনগণকে অভিনন্দন জানালেন লোকসভার সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:&nbsp;</strong> কেরল বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF)-এর বড় জয়ের পর সোমবার মালায়ালি জনগণকে অভিনন্দন জানালেন লোকসভার সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কেরলের &nbsp;মানুষের এই রায়কে 'নির্ণায়ক' বলে অভিহিত করে রাহুল বলেন, এই রাজ্যের মানুষের মধ্যে অসীম প্রতিভা এবং সম্ভাবনা রয়েছে। নবগঠিত ইউডিএফ সরকার সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কেরলকে &nbsp; এক নতুন দিশা দেখাবে বলে তিনি আশাবাদী।</p>&#13;
<p>এদিন ভোটের ফলাফল স্পষ্ট হতেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে কেরলবাসীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান রাহুল। তিনি লেখেন, "কেরলের &nbsp;ভাই ও বোনদের ধন্যবাদ আমাদের ওপর আস্থা রাখার জন্য। জয়ী সকল ইউডিএফ নেতা এবং কর্মীদের জানাই অভিনন্দন, কারণ তাঁদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই সাফল্য এসেছে।" তিনি আরও যোগ করেন যে, কেরলের &nbsp;মানুষের জন্য ইউডিএফ-এর একটি স্বচ্ছ ভিশন রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তিনি তাঁর 'কেরল পরিবারের' সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যে যাবেন।</p>&#13;
<blockquote class="twitter-tweet">&#13;
<p dir="ltr" lang="en">Thank you to my brothers and sisters in Keralam for a truly decisive mandate.<br><br>Congratulations to every UDF leader and worker for a hard-fought, well-run campaign.<br><br>As I said before, Keralam has the talent, Keralam has the potential and now Keralam has a UDF government with a&hellip;</p>&#13;
&mdash; Rahul Gandhi (@RahulGandhi) <a href="https://twitter.com/RahulGandhi/status/2051269598767648995?ref_src=twsrc%5Etfw">May 4, 2026</a></blockquote>&#13;
<p>&#13;
<script></script>&#13;
</p>&#13;
<p>ভারতের নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেরলে ইউডিএফ প্রায় ৮৭টি আসনে জয়ী বা এগিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান শরিক কংগ্রেস একাই ৬৩টি আসনে আধিপত্য বজায় রেখেছে। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (IUML) পেয়েছে ২২টি আসন। এছাড়া কেরল কংগ্রেস (জ্যাকব) এবং আরএমপিআই একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। এই বিপুল জয়ের ফলে রাজ্যে বামেদের সরিয়ে ক্ষমতায় ফিরছে ইউডিএফ।</p>&#13;
<p>কেরলের &nbsp;এই জয়ে কংগ্রেস শিবির উৎসবে মাতলেও, পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং পুদুচেরির মতো অন্যান্য রাজ্যে দলের আশানুরূপ ফল না হওয়ায় কিছুটা বিষণ্ণতার সুরও শোনা গিয়েছে দলের অন্দরে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা তথা সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ এক্স-এ একটি পোস্টে জানান, কেরলের &nbsp;মানুষ যেভাবে তাঁদের আশীর্বাদ করেছেন তার জন্য দল কৃতজ্ঞ। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, অন্য রাজ্যগুলির ফলাফল প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।</p>&#13;
<p>জয়রাম রমেশের কথায়, কেরল ছাড়া বাকি রাজ্যগুলির নির্বাচনী ফলাফল হতাশাজনক হলেও কংগ্রেস ভেঙে পড়ার পাত্র নয়। তিনি দাবি করেন, কংগ্রেস একটি মতাদর্শগত লড়াই লড়ছে। একনায়কতন্ত্র এবং মিথ্যার বিরুদ্ধে গণতন্ত্র ও সত্যের এই পথ দীর্ঘ এবং কঠিন হতে পারে, কিন্তু তাঁরা হাল ছাড়বেন না। খুব শীঘ্রই কেন অন্য রাজ্যগুলিতে দলের ভরাডুবি হল, তা পর্যালোচনার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেরলের জমি ফিরে পেলেও অসমে বিজেপিকে রুখতে না পারা কিংবা পশ্চিমবঙ্গ ও পুদুচেরিতে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে না পারা আগামী দিনে কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[political controversy]]></category>
            <category><![CDATA[Kerala Politics]]></category>
            <category><![CDATA[LDF Government]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/b6d25a14-629d-4346-ac6e-0746dda4b233.webp" length="53660" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/b6d25a14-629d-4346-ac6e-0746dda4b233.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/b6d25a14-629d-4346-ac6e-0746dda4b233.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[পাঁচ দশকে প্রথমবার, বামপন্থার শেষ প্রদীপটিও নিভে গেল ভারতের মাটি থেকে ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/no-leftist-govt-in-india-for-the-first-time-in-five-decade-494443</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/assam-kerala-puducherry-tamil-nadu-elections/no-leftist-govt-in-india-for-the-first-time-in-five-decade-494443</guid>
            <pubDate>Mon, 04 May 2026 16:23:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভারতবর্ষের বামপন্থার ইতিহাসে আজ যেন এক বিষণ্ণ সূর্যাস্তের দিন। গত পাঁচ দশকের প্রথা ভেঙে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সংকটের সামনে দাঁড়িয়ে বামপন্থী শিবির।]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ভারতবর্ষের বামপন্থার ইতিহাসে আজ যেন এক বিষণ্ণ সূর্যাস্তের দিন। গত পাঁচ দশকের প্রথা ভেঙে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সংকটের সামনে দাঁড়িয়ে বামপন্থী শিবির। দীর্ঘ ৫০ বছর পর এই প্রথম ভারতের মানচিত্রে এমন কোনও &nbsp;রাজ্য থাকল না যেখানে একজন কমিউনিস্ট মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। কেরলে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ সরকারের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে কার্যত ধসে পড়ল বামেদের শেষ দুর্গটিও।&nbsp;</p>&#13;
<p>বাংলার মাটিতে ১৯৭৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম জমানা আজও এক রেকর্ড। ত্রিপুরার পাহাড়েও ১৯৯৩ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত টানা ২৫ বছর দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করেছে লাল ঝাণ্ডা। অন্যদিকে কেরলে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদলের প্রথা ভেঙে ২০২১ সালে ইতিহাস গড়েছিলেন বিজয়ন। কিন্তু মমতা ব্যানার্জির তৃণমূলের হাতে বাংলায় ২০১১-তে এবং বিজেপির ঝড়ে ২০১৮ ও ২০২৩-এ ত্রিপুরায় পরাজয়ের পর কেরলই ছিল শেষ আশা। আজ সেই কেরলের পতনে এক দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল।</p>&#13;
<p>এই পরাজয় কেবল একটি রাজ্যের ক্ষমতা হারানো নয়, বরং জাতীয় রাজনীতিতে বামেদের প্রাসঙ্গিকতা এবং হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতার ওপর এক বড় আঘাত। একসময় বামপন্থীরা তাঁদের নির্বাচনী শক্তির তুলনায় জাতীয় প্রেক্ষাপটে অনেক বেশি প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করতেন। সিপিএম, সিপিআই, আরএসপি বা ফরওয়ার্ড ব্লকের মতো দলগুলো দিল্লি দরবারে নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশ দিত। বিশেষ করে ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ৫৯টি আসন জিতে ইউপিএ-১ সরকারের ভাগ্যবিধাতা হয়ে উঠেছিল তারা। তৎকালীন মনমোহন সিং সরকারের পরমাণু চুক্তি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে বামেদের কড়া নজরদারি ও আপত্তি সেই সময়কার রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।</p>&#13;
<p>কিন্তু ২০০৯ সালের পর থেকেই এই গ্রাফ ক্রমশ নিম্নমুখী। ২০০৪ সালে যে সিপিএমের একারই ৪৩ জন সাংসদ ছিল, ২০০৯-এ বামেদের আসন সংখ্যা নেমে আসে ২৪-এ। ২০১৪ সালে তা ১০ এবং ২০১৯-এ এসে ৫-এ ঠেকে। বর্তমান লোকসভায় সিপিএম ও সিপিআই মিলিয়ে আসন সংখ্যা সাকুল্যে ছয়। এর বাইরে বিহার থেকে সিপিআই(এমএল) লিবারেশনের দুজন প্রতিনিধি রয়েছেন। উদ্বেগের বিষয় হল, এই বর্তমান সাংসদদের মধ্যেও চারজন জিতেছেন তামিলনাড়ুতে ডিএমকে-র হাত ধরে এবং একজন রাজস্থানে কংগ্রেসের সমর্থনে। পশ্চিমবঙ্গ, কেরল বা ত্রিপুরার মতো একসময়ের শক্তিশালী ঘাঁটিগুলো থেকে আজ বামেদের সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব কার্যত শূন্যের কোঠায়।&nbsp;</p>&#13;
<p>একসময় যে বামপন্থীরা জাতীয় রাজনীতির দিশারি ছিলেন, আজ ক্ষমতার অলিন্দ থেকে তাঁদের এই প্রস্থান কেবল ভারতের নির্বাচনী মানচিত্রকেই বদলে দিল না, বরং সংসদীয় বামপন্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়ে গেল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে যে 'কমরেড'রা ক্ষমতার অংশীদার হিসেবে লড়াই দেখেছেন, তাঁদের কাছে আজ এক লপ্তে সব দুর্গ হারিয়ে ফেলার এই ছবিটা মেনে নেওয়া সত্যিই যন্ত্রণার।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[congress]]></category>
            <category><![CDATA[cpi(m)]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/6c102324-79c0-45d7-ad65-f0ee66656d19.webp" length="27086" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/6c102324-79c0-45d7-ad65-f0ee66656d19.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/6c102324-79c0-45d7-ad65-f0ee66656d19.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৪৫ শতাংশ, ভোট প্রাপ্তির নিরিখে চমকে দিল গেরুয়া শিবির ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/bengal-election-result-2026-till-12-noon-bjp-gets-more-than-45-percent-vote-494353</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/bengal-election-result-2026-till-12-noon-bjp-gets-more-than-45-percent-vote-494353</guid>
            <pubDate>Mon, 04 May 2026 12:23:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বাংলায় গেরুয়া ঝড়! দুপুর পর্যন্ত ভোটগণনার যা ট্রেন্ড, তাতে স্পষ্ট প্রত্যাবর্তন নয়, পরিবর্তনের পক্ষেই বাংলার মানুষ। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: বাংলায় গেরুয়া ঝড়! দুপুর পর্যন্ত ভোটগণনার যা ট্রেন্ড, তাতে স্পষ্ট প্রত্যাবর্তন নয়, পরিবর্তনের পক্ষেই বাংলার মানুষ। দুপুর ১২টা পর্যন্ত গেরুয়া শিবিরের ঝুলিতে ৪৫ শতাংশের বেশি ভোট।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত তৃণমূলের ভোট প্রাপ্তি ৪১.৬২ শতাংশ এবং বিজেপির ৪৫.০৩ শতাংশ।&nbsp;</p>&#13;
<p>যদিও ইভিএমে গণনা এখনও কয়েক রাউন্ড বাকি রয়েছে। এ পর্যন্ত হাইভোল্টেজ ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জি এগিয়ে আছেন প্রায় ১৭ হাজার ভোটে। এই কেন্দ্রে পিছিয়ে আছেন শুভেন্দু অধিকারী।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আজ ভোটগণনার প্রথম লগ্নেই নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মুখে হাসি ছিল। ভবানীপুরে পিছিয়ে থাকলেও, নন্দীগ্রামে এগিয়ে রয়েছেন তিনি। এরপরই মুখে চওড়া হাসি নিয়ে শুভেন্দু বললেন, "মেরা পুরানা আখড়া"।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>শুভেন্দু আরও বললেন, "এটা তো সবে শুরু। আরও কয়েক ঘণ্টা যাওয়ার পর ট্রেন্ড বোঝা যাবে। আপাতত মাথা ঠান্ডা রাখুন। উত্তেজনা ছড়াবেন না।"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এরপরই ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন, "ভবানীপুরে আজ জোর টক্কর হবে, তবে জিতব আমি। প্রথম কয়েক রাউন্ড একটু এগিয়ে পিছিয়ে থাকবে। মুসলিম ইভিএমগুলোতে মমতা ব্যানার্জি জিতবেন।"&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে এগিয়ে থাকার পর শুভেন্দু আরও জানিয়েছেন, "যেভাবে মুসলিমদের ভোট তৃণমূলে যায়, সেটা এবার আর হয়নি। বিজেপিও মুসলিমদের সামান্য ভোট এবার পেয়েছে। নন্দীগ্রামের মুসলিম বুথগুলিতে এত ভাল পারফরমেন্স আমি আশা করিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলি তাঁর পক্ষেই রয়েছে। এখন আর তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। বেলা ১১টার পর আবার বলব।"</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[BJP Voters]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal Election Result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/eac06b6f-9c12-4dfe-ae09-364ecdde657b.webp" length="118274" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/eac06b6f-9c12-4dfe-ae09-364ecdde657b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/04/eac06b6f-9c12-4dfe-ae09-364ecdde657b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফল প্রকাশের পর ফলতার সব বুথেই পুনর্নির্বাচন! নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কমিশনের, জানিয়ে দিল দিনক্ষণ ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/bengal-elections-2026-election-commission-of-india-announces-repoll-in-falta-on-may-21-494181</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/bengal-elections-2026-election-commission-of-india-announces-repoll-in-falta-on-may-21-494181</guid>
            <pubDate>Sat, 02 May 2026 22:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন থেকে শনিবার পর্যন্ত, দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ফলত। এবার ফলতার সব বুথেই পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। ]]></description>
            <dc:creator>পল্লবী ঘোষ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক</strong>: দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন থেকে শনিবার পর্যন্ত, দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ফলতা। এবার ফলতার সব বুথেই পুনর্নির্বাচনের ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>আজ, শনিবার রাতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, আগামী ২১ মে অর্থাৎ ফলপ্রকাশের তিন সপ্তাহ পর গোটা ফলতা বিধানসভায় ফের ভোটগ্রহণ হবে। আগামী ৪ মে রাজ্যের ২৯৩ আসনের ভোটগণনা ও ফলপ্রকাশ হবে। স্থগিত থাকবে শুধুমাত্র ফলতার ফলাফল।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২১ মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ২৮৫টি বুথেই ফের ভোটগ্রহণ হবে। এই কেন্দ্রের ভোটের গণনা হবে ২৪ মে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ভোটের ফলাফল ঘোষণার দু'দিন আগে অগ্নিগর্ভ ফলতা। ভোট দিতে না পারার অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিজেপি সমর্থকদের। ফলতার হাসিমনগরে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তিন তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। ধৃতেরা হলেন, আতিবুর শেখ, হাবিব মোল্লা, হাবিব শেখ। পুলিশ জানিয়েছে, পঞ্চায়েত প্রধান ইসরাফিল চাকদার ও তাঁর সঙ্গী সুজাউদ্দিন শেখের বিরুদ্ধেও মামলা রুজু করা হয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে এদিন। ভোটের পর থেকেই রাজনৈতিক সংঘাত, হামলা এবং পুনর্নির্বাচনের দাবিকে কেন্দ্র করে কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে এই বিধানসভার হাসিমনগর এলাকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিজেপি সমর্থকদের অভিযোগ, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার &lsquo;অপরাধে&rsquo; তাঁরা হামলার মুখে পড়ছেন। শুধু মারধর নয়, খুনের হুমকি থেকে শুরু করে বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো ভয়ঙ্কর অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই শনিবার হাসিমনগরে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিক্ষোভকারীদের দাবি, ভোটের দিন থেকেই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। ভোটারদের বুথে যেতে বাধা, ভয় দেখানো, এমনকি জোর করে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার চাপ তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সেই সন্ত্রাস আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>তাঁদের দাবি, যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অনেক ক্ষেত্রে মারধরও করা হচ্ছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই হাসিমনগর এলাকায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। বিজেপি সমর্থকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করেন। &lsquo;দোষীদের গ্রেপ্তার করতে হবে&rsquo;, &lsquo;নিরাপত্তা দিতে হবে&rsquo;&mdash;এই দাবিতে সরব হন তাঁরা। বিশেষ করে স্থানীয় এক পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তাঁর গ্রেপ্তারের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী। সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে এলাকায় টহল দিতে দেখা যায় জওয়ানদের। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হলেও, সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এখনও কাটেনি। অনেকেই বাড়ি থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র এমনিতেই এবারের নির্বাচনে শুরু থেকেই খবরের শিরোনামে। ভোটের আগে থেকেই এই কেন্দ্রে বারবার উত্তেজনার ঘটনা সামনে এসেছে। ভোটারদের প্রভাবিত করা, ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হলেও বিতর্ক থামেনি। বরং পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে আরও তীব্র হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, ফলতার অন্তত ২৩টি বুথে পুনর্নির্বাচন করা হোক। তাঁদের অভিযোগ, ওই বুথগুলিতে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে প্রভাবিত হয়েছে এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>সব মিলিয়ে, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ। ভোট পরবর্তী হিংসা, সন্ত্রাসের অভিযোগ এবং পুনর্নির্বাচনের জল্পনা&mdash;সবকিছু মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[eci]]></category>
            <category><![CDATA[Falta Repoll]]></category>
            <category><![CDATA[WB Assembly Polls]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/02/999c24f1-13b1-406a-a523-3419d73aec79.webp" length="123826" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/02/999c24f1-13b1-406a-a523-3419d73aec79.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/02/999c24f1-13b1-406a-a523-3419d73aec79.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[জোড়াফুল বরফি নাকি পদ্ম সন্দেশ! গণনার আগে কোন প্রতীকের মিষ্টি কেনার হিড়িক? জানলে চমকে যাবেন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/which-election-symbol-sweets-rush-to-buy-before-counting-day-493621</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/news/which-election-symbol-sweets-rush-to-buy-before-counting-day-493621</guid>
            <pubDate>Sat, 02 May 2026 11:24:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সীতাভোগ মিহিদানা ছাড়িয়ে এবার গণনার আগে জোরকদমে পদ্ম এবং ঘাসফুলের লড়াই চলছে। ৪ তারিখে ভোটের ফল ঘোষণা ঘিরে রাজ্যজুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>সীতাভোগ মিহিদানা ছাড়িয়ে এবার গণনার আগে জোরকদমে পদ্ম এবং ঘাসফুলের লড়াই চলছে। ৪ তারিখে ভোটের ফল ঘোষণা ঘিরে রাজ্যজুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা।</p>&#13;
<p>রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর হিসেব-নিকেশ, অন্যদিকে ভোটগ্রহণ শেষ হতেই রাতভর আরসি-তে ইভিএম জমা করেছেন ভোটকর্মীরা। আর ভোটের এই আবহেই জমে উঠেছে বাজার।</p>&#13;
<p>বিশেষ করে মিষ্টির দোকানগুলোতে দেখা গিয়েছে চাঞ্চল্য। বর্ধমানের এক মিষ্টির দোকানে চোখে পড়ছে অভিনব প্রস্তুতি। ট্রে-এর পর ট্রে সাজানো হয়েছে বিশেষ ধরনের মিষ্টি।</p>&#13;
<p>একদিকে রয়েছে ঘাসফুলের আদলে তৈরি বরফি। অন্যদিকে রয়েছে পদ্মফুলের নকশায় তৈরি সাদা মিষ্টি। প্রতিটি মিষ্টির দাম রাখা হয়েছে ১০ টাকা। রঙ, নকশা ও প্রতীকে স্পষ্ট রাজনৈতিক ইঙ্গিত মিলছে।</p>&#13;
<p>দোকানে মিষ্টি প্রস্তুতকারক সৌমেন দাস জানান, &lsquo;রাজ্যে পালাবদল নাকি প্রত্যাবর্তন তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে। আমরা ব্যবসায়ী, তাই দু&rsquo;ধরনের মিষ্টিই তৈরি করছি।&rsquo;</p>&#13;
<p>https://youtu.be/w-MQbT_vVDw?si=_GuuGJiWypKTBwxD</p>&#13;
<p>তাঁর কথায়, &lsquo;ভোটের সময় এই ধরনের থিমের মিষ্টির চাহিদা বরাবরই বাড়ে। অনেক ক্রেতাই নিজেদের পছন্দের প্রতীক অনুযায়ী মিষ্টি কিনছেন।&rsquo; দোকানে আসা ক্রেতাদের মধ্যেও কৌতূহল তুঙ্গে।</p>&#13;
<p>কেউ মজা করে বলছেন, আগে থেকেই জয়ের স্বাদ নিয়ে নিচ্ছি। আবার কেউ দুই প্রতীকের মিষ্টিই কিনছেন। ভোটের ফল যাই হোক, উৎসবের আমেজ যেন বজায় থাকে।</p>&#13;
<p>ভোটের আগে এই ব্যতিক্রমী বিপণন যেমন ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়তি সুযোগ তৈরি করছে, তেমনই সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি করছে এক ধরনের হালকা মেজাজের রাজনৈতিক উন্মাদনা। হাতে এখনও চারদিন সময়। ফলাফল যা-ই হোক, আপাতত মিষ্টির ট্রে-তেই জমে উঠেছে ঘাসফুল বনাম পদ্মের লড়াই।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bengalnews]]></category>
            <category><![CDATA[electionnews]]></category>
            <category><![CDATA[localnews]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/02/19d68ecd-4745-4586-ba68-1d2de71faf38.webp" length="43726" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/02/19d68ecd-4745-4586-ba68-1d2de71faf38.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/05/02/19d68ecd-4745-4586-ba68-1d2de71faf38.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ICSE ও ISC ফল প্রকাশ: জানুন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/cisce-has-declared-the-icse-class-10-and-isc-class-12-results-for-2026-472699</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/cisce-has-declared-the-icse-class-10-and-isc-class-12-results-for-2026-472699</guid>
            <pubDate>Thu, 30 Apr 2026 12:08:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[প্রকাশিত হল চলতি বছরের ICSE ক্লাস ১০ এবং ISC ক্লাস ১২ পরীক্ষার ফলাফল। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>প্রকাশিত হল চলতি বছরের ICSE ক্লাস ১০ এবং ISC ক্লাস ১২ পরীক্ষার ফলাফল। এই বছর যারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, তারা এখনই অনলাইনে নিজেদের রেজাল্ট এবং মার্কশিট ডাউনলোড করতে পারবে। ফলাফল দেখতে পাওয়া যাবে CISCE-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং রেজাল্ট পোর্টালে। এছাড়াও DigiLocker অ্যাপ ও ওয়েবসাইটেও মার্কশিট&nbsp; রয়েছে।</p>&#13;
<p><br>উল্লেখযোগ্যভাবে, ICSE ক্লাস ১০ বোর্ড পরীক্ষা ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয় ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। অন্যদিকে ISC ক্লাস ১২ বোর্ড পরীক্ষা চলে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। এই বছর প্রায় ২.৬ লক্ষ ছাত্রছাত্রী ICSE পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে, এবং প্রায় ১.৫ লক্ষ পরীক্ষার্থী ISC পরীক্ষায় বসেছে।</p>&#13;
<p><br><strong>কোথায় দেখবেন ফলাফল?</strong><br><strong>ছাত্রছাত্রীরা নিচের প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে সহজেই ফলাফল দেখতে পারবে&mdash;</strong><br><strong>CISCE-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট&nbsp;</strong><br><strong>রেজাল্ট পোর্টাল&nbsp;</strong><br><strong>DigiLocker অ্যাপ ও ওয়েবসাইট&nbsp;</strong></p>&#13;
<p><br><strong>কীভাবে চেক করবেন ICSE ও ISC রেজাল্ট ২০২৬?</strong><br>প্রথমে results.cisce.org ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর হোমপেজে ICSE ক্লাস ১০ অথবা ISC ক্লাস ১২ রেজাল্ট লিঙ্কে ক্লিক করতে হবে। তারপর নিজের UID, Index Number এবং স্ক্রিনে দেখানো ক্যাপচা কোড দিতে হবে। সব তথ্য সাবমিট করার পর স্ক্রিনে রেজাল্ট দেখা যাবে। ভবিষ্যতের জন্য তা ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে রাখা উচিত।</p>&#13;
<p><br><strong>পাস শতাংশ নিয়ে বাড়ছে আগ্রহ</strong><br>বোর্ড শীঘ্রই বিস্তারিত পরিসংখ্যান প্রকাশ করবে, যেখানে সামগ্রিক পাস শতাংশ, ছেলে-মেয়েদের পারফরম্যান্স, অঞ্চলভিত্তিক ফল এবং টপার তালিকা প্রকাশ করা হবে। গত বছর ICSE-তে পাসের হার ছিল ৯৯.৩৫% এবং ISC-তে ছিল ৯৯.৩৪%&mdash;যা অত্যন্ত উচ্চ মানের। ফলে এবছর সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যাওয়া যায় কি না, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে।</p>&#13;
<p><br><strong>টপার তালিকা ও মেরিট লিস্ট</strong><br>CISCE খুব শীঘ্রই ২০২৬ সালের টপারদের নাম, মেরিট লিস্ট এবং জেলা ভিত্তিক সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করতে পারে। এই তথ্য জানার জন্য ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নজর রাখতে বলা হয়েছে।</p>&#13;
<p><br><strong>পুনর্মূল্যায়ন ও উন্নয়ন পরীক্ষা</strong><br>বোর্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগের মতো কম্পার্টমেন্ট পরীক্ষা আর থাকছে না। তবে যেসব ছাত্রছাত্রী নিজেদের নম্বর নিয়ে সন্তুষ্ট নয়, তারা রি-ইভ্যালুয়েশন বা রিচেকিংয়ের জন্য আবেদন করতে পারবে। পাশাপাশি একই শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষায় বসার সুযোগ থাকবে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=oEQe057LkWM&amp;t=123s<br>ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ছাত্রছাত্রীদের জন্য শুরু হল নতুন অধ্যায়ের পথচলা। উচ্চশিক্ষা বা ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের পরিকল্পনার আগে নিজের মার্কশিট ভালোভাবে যাচাই করা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে CISCE।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[cbse 12th result 2026]]></category>
            <category><![CDATA[icse result 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/30/6ea7eff2-60ad-4f3e-b906-aaff8218efa7.webp" length="73406" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/30/6ea7eff2-60ad-4f3e-b906-aaff8218efa7.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/30/6ea7eff2-60ad-4f3e-b906-aaff8218efa7.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[গোপন রিপোর্টে কোন কোন আসন পেতে চলেছে সিপিএম? সৌজন্যের রাজনীতিতেই বা ফুল মার্কস পেলেন কে কে?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-elections-2026-internal-report-of-cpim-468743</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-elections-2026-internal-report-of-cpim-468743</guid>
            <pubDate>Mon, 27 Apr 2026 15:31:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ প্রথম দফার ভোট মিটতেই এখন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের অন্দরে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম বা পূর্ব মেদিনীপুর— প্রথম দফার ১৫২টি আসনে বামেদের ঝুলি শেষ পর্যন্ত কতটা ভরবে, তা নিয়ে রাজ্য সিপিএমের অন্দরে যেমন প্রত্যাশা আছে, তেমনই রয়েছে চোরা সংশয়। ]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>প্রথম দফার ভোট মিটতেই এখন আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের অন্দরে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম বা পূর্ব মেদিনীপুর&mdash; প্রথম দফার ১৫২টি আসনে বামেদের ঝুলি শেষ পর্যন্ত কতটা ভরবে, তা নিয়ে রাজ্য সিপিএমের অন্দরে যেমন প্রত্যাশা আছে, তেমনই রয়েছে চোরা সংশয়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনগুলোর মধ্যে তৃণমূল ৯২টি এবং বিজেপি ৫৯টি দখল করেছিল, যেখানে বাম-কংগ্রেস জোটের প্রাপ্তি ছিল কার্যত শূন্য। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। গত লোকসভা ভোটের নিরিখে কংগ্রেস ১১টি বিধানসভায় এগিয়ে থাকলেও এবার তারা বামেদের সঙ্গে নেই। ফলে একলা চলার নীতিতে বামেরা ঠিক কতটা জমি ফিরে পাবে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। আলিমুদ্দিনের নির্দেশে নিচুতলার শাখা সংগঠনগুলো থেকে বুথভিত্তিক রিপোর্ট সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত আসা প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, 'শূন্যের গেরো' নিশ্চিতভাবে কাটছেই&mdash; এমন দাবি করার সময় বোধহয় এখনও আসেনি। তবে ভোট শতাংশের বিচারে এবার বামেরা 'ডবল ডিজিট' ছোঁবে বলে আশাবাদী নিচুতলার কর্মীরা। বিশেষ করে গ্রামবাংলার কিছু আসন এবং আইএসএফ-এর সমর্থনে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় ভালো ফলের আশায় বুক বাঁধছেন নেতৃত্ব।</p>&#13;
<p>এবারের নির্বাচনে বামেদের প্রচারে এক আমূল পরিবর্তন চোখে পড়েছে, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিনের চেনা সেই শহুরে &lsquo;বিশুদ্ধ&rsquo; বামপন্থী প্রচারের খোলস ছেড়ে এবার জেলা স্তরে পার্টি অনেক বেশি বাস্তববাদী। এতদিন কমিউনিস্টদের প্রচারের ধরণ অনেকটা কলকাতা-কেন্দ্রিক হলেও, এবার মুর্শিদাবাদ, মালদহ বা উত্তর দিনাজপুরের কর্মীরা নিজস্ব বুদ্ধিতে এমন সব প্রচারের আঙ্গিক তৈরি করেছেন যা খোদ কলকাতার নেতাদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। গতানুগতিক গণসঙ্গীতের বদলে &lsquo;পপুলার কালচার&rsquo; এবং &lsquo;জেন জি&rsquo; বা নতুন প্রজন্মের ভাষাকে হাতিয়ার করে জনতাকে আকৃষ্ট করার এই চেষ্টা সাংগঠনিক অভিজ্ঞতারই ফল। আলিমুদ্দিনের কর্তারা মনে করছেন, কলকাতা সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও প্রচারের এই আধুনিকীকরণ ভোটারদের মনে নতুন করে জায়গা করে নিতে সাহায্য করবে। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট, যেখানে হুগলি, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও যাদবপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলো রয়েছে। দুই দফা মিলিয়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি আসনকে পাখির চোখ করে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়েছে দল।</p>&#13;
<p>ভোটের লড়াইয়ে জয়-পরাজয় তো থাকবেই, কিন্তু এই নির্বাচনী আবহে এক অন্যরকম সৌজন্যের নজির গড়েছেন পানিহাটির সিপিএম প্রার্থী &nbsp;কলতান দাশগুপ্ত। আজকের বাংলার রাজনীতিতে যেখানে ব্যক্তিগত আক্রমণ, কাদা ছোড়াছুড়ি আর গলা ফাটিয়ে চিৎকারের সংস্কৃতিই দস্তুর, সেখানে কলতান এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম। প্রতিপক্ষের কাছ থেকে যথেষ্ট উস্কানি থাকা সত্ত্বেও তাঁর কথায় বা আচরণে কখনও অসংযম দেখা যায়নি। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অনুরাগীদের তুষ্ট করতেও তিনি কখনও নিচু মানের শব্দ ব্যবহার করেননি। বিরামহীন কুৎসা আর অপসংস্কৃতির ভিড়ে তাঁর এই ধৈর্য এবং মার্জিত রুচি রাজনৈতিক বোদ্ধাদেরও অবাক করেছে। ফল যা-ই হোক না কেন, কলতানের এই &lsquo;ভদ্রতা&rsquo; যে বাংলার হারানো রাজনৈতিক শিষ্টাচারকে আরও একবার মনে করিয়ে দিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এখন দেখার, গ্রামবাংলার নজর আর এই নতুন ধাঁচের প্রচারের ফসল বামেদের ভোটবাক্সে কতখানি অক্সিজেন জোগাতে পারে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[West Bengal Election 2026]]></category>
            <category><![CDATA[TMC]]></category>
            <category><![CDATA[cpi(m)]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/27/994b9f9a-6a2b-4ca1-b058-a70f739cf80b.webp" length="41408" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/27/994b9f9a-6a2b-4ca1-b058-a70f739cf80b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/27/994b9f9a-6a2b-4ca1-b058-a70f739cf80b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[অঙ্ক, হিসেব, অনুমান! প্রথম দফার পরে যোগ-বিয়োগে স্পষ্ট এসআইআর-ই ভোটদানের হার বৃদ্ধির কারণ  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-election-2026-sir-impact-drives-record-voter-turnout-what-explains-surge-456568</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-election-2026-sir-impact-drives-record-voter-turnout-what-explains-surge-456568</guid>
            <pubDate>Fri, 24 Apr 2026 18:25:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভোট দানের নিরিখে, প্রথমেই বলা যাক, এই ভোট দানের হার, এবার এক ধাক্কায় কয়েক শতাংশ বেশি হওয়ার ছিলই। কারণ রাজ্যে ভোটার তালিকা সংকুচিত হয়েছে অনেকটা। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>রিয়া পাত্র</strong></span></p>&#13;
<p>হিসেব। হিসেব। হিসেব। ভোটের মাস খানেক আগে থেকে, এই হিসেব চলছে। দলীয় কার্যালয়ে। চায়ের ঠেকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়। মাঠের আলে। হিসেব মেলাতে কেউ অঙ্ক কষলেন। কেউ অঙ্ক কষে ভোটারের ঘরের দু'পদ রেঁধে দিলেন, দেওয়ালে খানিক রঙ করে দিলেন। তবে বৃহস্পতিবারের ভোট সেই হিসেব কিছুটা বদলে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ৯২ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে ১৬ জেলায়, নির্বাচন কমিশনের হিসেব তেমনটাই। তারপর আর কতটা ভোট পড়ল, তা যদিও এখনও স্পষ্ট নয়। কেন স্পষ্ট নয়, সেই প্রশ্ন এখনও সরিয়ে রেখে, আলোচনা করা যেতে পারে ভোট দানের হার নিয়ে।</p>&#13;
<p>বঙ্গে এখনও পর্যন্ত যা হিসেব, তাতে ৯২ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে গিয়েছে। এই ভোট দানের হার নজিরবিহীন। কেবল রাজ্যের নিরিখে নয়, দেশের নিরিখেও। প্রশ্ন ঘুরছে, কেন এই বিপুল ভোট দান। এর অর্থ কি এই হার প্রতিষ্ঠানবিরোধিতার হাওয়া? অনেকেই রাজনীতির সেই হিসেব মেলাতে চাইছেন সহজ হিসেবে।&nbsp;</p>&#13;
<p>যদিও ২০২১-এর ভোটের হারের নিরিখেও, তা প্রতিষ্ঠানবিরোধী বলে ধরে নেওয়া যেতেই পারত, যদিও তাতে ক্লিন স্যুইপ হয়েছে তৃণমূলের। ফার্স্ট ফেজ মিটতেই দেখা যাচ্ছে, দফা এক, দাবি অনেক। অমিত শাহ বলছেন ১৫২ আসনের মধ্যে ১১০ প্লাস পাবে বিজেপি। ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়া তারপর জাস্ট তুড়ি মারার বিষয়। মোদি বলছেন, তৃণমূল নাকি অনেক জেলায় খাতাই খুলতে পারবে না। অন্যদিকে তৃণমূল বলছে, তারাও ১১০ এর বেশি আসন পাবে। ভোট বড় বালাই। বিজেপি নেতারা একবার বলেন মাছ বন্ধের কথা, একবার কোঁচা করা ধুতি পরে মাছ নিয়ে হেঁটে যান, খেয়েও দেখান। কেউ বলেন কাঁটা ছাড়িয়ে খাইয়েও দিতে পারবেন। ওদিকে এবার পৃথক পৃথক লড়াই করে বাম কংগ্রেস বলছে, শূন্যের গেরো কাটিয়ে, এবার তারাও খাতা খুলে, কয়েক পাতা উল্টেও ফেলবে, অর্থাৎ এক, দুই নয়, এই বিপুল ভোটের মধ্যে তাদের অংশও অনেকটাই।</p>&#13;
<p>ভোট দানের নিরিখে, প্রথমেই বলা যাক, এই ভোট দানের হার, এবার এক ধাক্কায় কয়েক শতাংশ বেশি হওয়ার ছিলই। কারণ রাজ্যে ভোটার তালিকা সংকুচিত হয়েছে অনেকটা। অর্থাৎ উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, আগে ১০০ ভোটার ছিলেন, ভোট দিতেন ৭০ জন। এবার এসআইএর-এর পরে সেই মোট ভোটারের সংখ্যাটাই দাঁড়াল ৮০, আর ভোট দিলেন ৬৫। অর্থাৎ ভোটদানের হার বাড়ল একধাক্কায়। কিন্তু যে হারে ভোট বেড়েছে, তার পিছনে বেশকিছু কারণ থেকেই যায়। অনেকেই বলছেন এই ভোট প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ার ভোট। কিন্তু এই তত্বের বাইরেও থাকছে আরও একাধিক কারণ।</p>&#13;
<p>সেই কারণ নিয়ে আলোচনা করতে গেলে, আগে বলতে হবে, মুর্শিদাবাদের কথা। ২২ বিধানসভার মুর্শিদাবাদের ২১-এর বিধানসভা ভোটে ভোট পড়েছিল ৮৭.৩৮ শতাংশ। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদে সর্বাধিক ৯৬.৯৫ শতাংশ ভোট পড়ল। রঘুনাথগঞ্জের কথা ধরা যাক। ২০১১ সালে ওই আসনে ভোট পড়েছিল, ৭৬.৩৭ শতাংশ, ২০২৬-এ পড়ল ৯৬.৯০ শতাংশ। হিসেবে ২০ শতাংশের বেশি। ২০১১ থেকে ২৬, সামশেরগঞ্জে ভোট পড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ বেশি। এখান থেকেই ঢোকা যাক এসআইআর &nbsp;ইস্যুতে। এই সামশেরগঞ্জ থেকে এবার এসআইআর-এ বাদ গিয়েছে ৭৪,৭৭৭ জনের নাম। তার মধ্যে &nbsp;৭০ হাজার মুসলিম ভোটার। অন্যদিকে, রঘুনাথগঞ্জ থেকে এবার এসআইআর-এ বাদ গিয়েছে &nbsp;৪৬,১০০ জনের নাম। এর মধ্যে ৪৩ হাজার মুসলিম ভোটার। জঙ্গিপুর, লালগোলা, এই বিধানসভাগুলিতেও এসআইআর-এ নাম বাদ যাওয়া এবং তালিকায় থাকা মুসলিম ভোটারের অনুপাত সামশেরগঞ্জ, রঘুনাথগঞ্জের মতোই। এই ভোটে, এই অনুপাত এবং তার বহিঃপ্রকাশ যে অন্যতম হাওয়া, তা এতদিনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বাংলার রাজনীতিতে। তবে এই মুর্শিদাবাদের ভোটের হারকে ভোটদানের অতি উৎসাহ ভাবলে বিশ্লেষণে ভুল হবে &nbsp;। সেই প্রসঙ্গেও যাওয়া যাক এসআইআর ইস্যুতে ঢোকার আগে। এই সামশেরগঞ্জে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল এবারের চেয়ে ৩০ হাজার বেশি, কিন্তু শতাংশের বিচারে এবারের ভোটদানের হার ১৬ শতাংশ বেশি, কারণ মোট ভোটারের সংখ্যা কমে গিয়েছে এক ধাক্কায়। সামশেরগঞ্জে ২০২১ সালে মোট ভোটার ছিলেন ২৩৫৫৭৬। ভোট দিয়েছিলেন ১৮৮৬২৭জন। ২০২৬ সালে ওই কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় &nbsp;১৬১৪৩৫ -তে। ভোট দিয়েছেন ১৫৫০৪২জন। হিসেব বলছে, ভোট কম পড়ল &nbsp;৩৩৫৮৫ । রঘুনাথগঞ্জে ২০২১ সালে মোট ভোটার ছিলেন ২৪৯৫৫৯, ভোট দিয়েছিলেন, ১৯০৫৯১। ২০২৬-এ ওই বিধানসভায় নাম বাদ যাওয়ার পর, মোট ভোটার হয়, ২০০৪৫২। ভোট দিলেন ১৯৪০৫৮। অর্থাৎ হিসেবের নিরিখে ভোটদানে ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও ভোটার বেড়েছে মাত্র ৩৪৬৭ জন।&nbsp;</p>&#13;
<p>ভোটের কয়েকমাস আগে থেকে, রাজ্যে শুরু হল এসআইআর। এই এসআইআর নিয়মে বাদ পড়ল লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম। মুর্শিদাবাদে বাদ পড়ল হাজার হাজার সংখ্যালঘু মানুষের নাম। এমনিতেই রাজ্যের শাসক দলের ভোট ব্যাঙ্কে সংখ্যালঘু ভোট বড় ফ্যাক্টর। ১৫ বছরের সরকার, স্থিতাবস্থার মধ্যে সংখ্যালঘু ভোট জোড়া ফুল শিবির ছেড়ে কিছুটা যেতে &nbsp;পারে বলে মনে হলেও, এই এসআইআর সেই হাওয়া ঘুরিয়ে দিয়েছে। মুর্শিদাবাদে, যে হারে নাম বাদ গিয়েছে, বাদ পড়া সেইসব মানুষদের পরিবারের লোকেরা ক্ষোভে, আক্রোশে, ভয়ে বাড়ি বেরিয়ে লাইন দিয়েছেন ভোট দিতে। তাঁদের মূলত চালিত করেছে 'ভয়'। যাঁদের নাম কাটা গেল, গেল। তাঁদের বাইরে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের নাম যদি কাটা যায় ভোট না দিলে, সেই ভয় তাঁদের টেনে নিয়ে গেল ভোটের লাইনে। এই হাওয়ার মাঝে মুর্শিদাবাদের সংখ্যালঘুরা &nbsp;যে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপিকে ভোট দিয়ে বসলেন না, তা সহজে অনুমেয়। তবে মৌসম-অধীর ধীরে ধীরে মুর্শিদাবাদ-মালদহের 'মৌসম' কিছুটা বদলাতে পারলেন বলেও মনে হচ্ছে। যদিও সংখ্যার হিসেবে তা বড় সামান্য।</p>&#13;
<p>মুর্শিদাবাদ, দিনাজপুর, মালদহের মানুষ যদি এসআইআর-এর 'ভয়' নিয়ে লাইনে দাঁড়ালেন, অন্যান্য জেলার মানুষেরাও এসআইআর-এর কারণেই লাইনে দাঁড়ালেন, কিন্তু কারণটা ভয় নয় বরং ভিন্ন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকার মানুষেরা ভয় যেমন পেলেন, একাধিক জেলার মানুষেরা কাল লাইনে দাঁড়ালেন, এসআইআর ইস্যুতে কেন্দ্র এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় বিরক্ত হয়ে। তার মধ্যে যেমন রয়েছেন বয়স্ক ভোটার, যাঁরা বিরক্ত, তেমনই রইলেন ফার্স্ট টাইম ভোটাররাও। অনেকেই লাইনে দাঁড়ালেন ধর্মীয় বিভাজন, জয় শ্রী রাম স্লোগান, গেরুয়া তিলকের স্পষ্ট বিরোধিতা। অন্যদিকে ভোট যে একবারেই স্থিতাবস্থার বিরোধিতায় নয়। তেমনটাও বলা যায় না।&nbsp;</p>&#13;
<p>কারণ হিসেবে অবশ্যই থাকবে দুর্নীতির অভিযোগ, নেতা-মন্ত্রীদের হাজতবাস ইত্যাদি, প্রভৃতি। কিন্তু প্রথমদফার মধ্যে যদি একবার জঙ্গলমহলের দিকে তাকানো যায়, তাহলে শুধু একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। বিনপুর, ঝাড়গ্রাম, নয়াগ্রামের সঞ্চিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে কিছু কথা তাহলে বলতেই হচ্ছে। ঝাড়গ্রামে ২০২১ সালে মোট ভোটার ছিলেন ২৩৬০৩৫, ভোট দিয়েছিলেন ২০২২০৬। ২০২৬ সালে মোট ভোটার ২৩৫১৪৭। কারণ ওই জায়গাগুলিতে এসআইআর প্রভাব ফেলতে পারেনি সেভাবে। ওই ঝাড়গ্রামে এবার ভোট পড়ল ২১৭৫৮২। অর্থাৎ হিসেব বলছে সেখানে ভোট বেশি পড়ল ১৫৩৭৬। বাঁকুড়া , ঝাড়গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে, সাত গাঁ ঘুরে, মাঠের আলের মাঝখান দিয়ে কলসি কাঁখে নিয়ে হেঁটে যাওয়া মহিলার পাশে হেঁটে&nbsp; যাওয়ার, কথা বলে বোঝার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ঘুরে দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে নন্দীগ্রামের মতো শুভেন্দুর দাপটের জেলাতেও। রাজ্যের প্রত্যন্ত ওই জায়গাগুলিতে লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী পাওয়া ভোটাররা কিন্তু আস্থা রাখছেন মমতা ম্যাজিকেই। তাঁদের কাছে ওই মাস গেলে পাওয়া টাকা, শহুরে বহু রাজনীতি সচেতন মানুষ যেটিকে 'ভিক্ষে' বলে দাগিয়ে দিয়ে নিজেরা সংসদীয় রাজনীতিতে ঢুকে পড়ে বুলি আওড়ান, তাঁদের ধারণা কখনওই ভাদুই, বালিজুড়ি কিংবা সোনাচূড়ার বাজার ছাড়িয়ে গলিপথ দিয়ে নেমে যায় না। কিন্তু তাঁরা উঠে আসেন, দাঁড়ান ভোটের &nbsp;লাইনে। তাঁরা ভোট দেন, মাস গেলে যে টাকা পান, সেই টাকায় ছেলের টিউশন মাস্টারের বেতন দেবেন ভেবেই।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Bengal Election 2026]]></category>
            <category><![CDATA[West Bengal Elections SIR Revision Murshidabad Voting]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/24/89a50f57-5bca-43f5-b07e-a23115a04933.webp" length="22796" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/24/89a50f57-5bca-43f5-b07e-a23115a04933.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/24/89a50f57-5bca-43f5-b07e-a23115a04933.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এসআইআর এফেক্ট কি বিজেপির হয়ে কাজ করবে, নাকি চতুর্থ বার তৃণমূল সরকার]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-elections-2026-will-the-sir-issue-work-out-for-the-bjp-or-if-the-tmc-government-will-come-to-power-456408</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-elections-2026-will-the-sir-issue-work-out-for-the-bjp-or-if-the-tmc-government-will-come-to-power-456408</guid>
            <pubDate>Fri, 24 Apr 2026 17:35:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ প্রথম দফা নির্বাচন শেষ হয়েছে। এর পরেই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোটের শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে তাঁকে। ]]></description>
            <dc:creator>অভিজিৎ দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>প্রথম দফা নির্বাচন শেষ হয়েছে। এর পরেই সাংবাদিক বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোটের শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে তাঁকে। প্রথম দফা নির্বাচনের দিন সকালে তাঁর কালীঘাটে মন্দিরে পুজো দেওয়ার কর্মসূচি থাকলেও তা বাতিল করে নিউটাউনের হোটেল থেকে সরাসরি সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বিজেপি দপ্তরে সকাল সাড়ে ১০টায় হাজির হয়ে যান। তারপর দুপুর ২টো পর্যন্ত বিজেপি দপ্তরেই থাকেন। যে জেলাগুলিতে নির্বাচন হচ্ছিল সেই জেলাগুলির গোটা পরিস্থিতি বিষয় খুঁটিনাটি জানতে চান। প্রথম দফার নির্বাচনের ২৪ ঘন্টা পর সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চোখে-মুখে অনেকটাই আত্মবিশ্বাস দেখা গেল। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথম দফা নির্বাচন চলাকালীন তিনি কিছুটা হলেও চিন্তিত ছিলেন। কিন্তু ২৪ ঘন্টা পর তাঁর চোখেমুখে আত্মবিশ্বাস দেখা গেল এবং তিনি বললেন, &ldquo; ১৫২টি আসনে ৯২.৮৮ শতাংশ ভোট নিশ্চিতরূপে বলে দিয়েছে দিদি যাচ্ছে। আর বিজেপি আসছে। ভয় যাচ্ছে, ভরসা আসতে চলেছে।&rdquo;&nbsp;</p>&#13;
<p>দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনে নির্বাচন। দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশের প্রথম দফায় নির্বাচন হলেও দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশে নির্বাচন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যে থাকবেন। বিজেপি সূত্রে খবর, প্রয়োজনে তিনি ফের বঙ্গে আসতে পারেন। দলীয় সূত্রে খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবারের নির্বাচনে বিজেপির জয় নিয়ে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসের। কারণ তাঁরা মনে করছেন পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি, বিশেষ করে কর্মসংস্থান ও আরজি করের ঘটনাকে সামনে রেখে প্রচার করেছেন। এই ইস্যুগুলি যেমন রয়েছে, তার সঙ্গে এসআইআর ভোটবাক্সে বড় প্রভাব ফেলবে। এমনকি কখনও কখনও দেখা গিয়েছে বিজেপি বাঙালির আবেগ পেতেও মরিয়া।&nbsp;</p>&#13;
<p>যদিও এই ছবি নতুন নয় ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব বাঙালির আবেগে শান দিয়েছে। তৃণমূল বারবার অভিযোগ করেছে বিজেপি বাঙালিবিরোধী, বাঙালির সংস্কৃতিকে কালিমালিপ্ত করছে তারা। সেই প্রমাণ দিতে এবার কখনও বিজেপির প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে মাছের বাজারে, কখনও মাছ নিয়ে প্রচারে। আবার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও মাছ খেতে দেখা গিয়েছে।। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্র নেতৃত্বের মুখে বারবারই বাঙালি্র আবেগ বাঙালি সংস্কৃতি। এমনকি শেষ ১৫ দিন পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা থেকেছেন বাঙালির আবেগকে বোঝার চেষ্টা করেছেন।। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তাঁরা বলেছিলেন ২০০ পার হবে। কিন্তু সেই বার আসন সংখ্যা ২০১৬ থেকে বৃদ্ধি হলেও ৭৭ আসন গিয়ে থামতে হয়েছিল। তাঁরা আশাবাদী যে এবারও ২০২১ সালের থেকে বেশি আসন পাবে বিজেপি। এবার যেভাবে ভোটের হার বেড়েছে, তাতেই এত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে বিজেপি।&nbsp;</p>&#13;
<p>এখন প্রশ্ন হল এই এসআইআর এফেক্টের জন্য মানুষের রায় বিজেপির পক্ষে ভোট যাবে না বিজেপির বিপক্ষে যাবে? কারণ তৃণমূল বারবার অভিযোগ করেছে, এসআইআরের জন্য সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হয়েছে। বৈধ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। যদিও বিজেপি তার পাল্টা যুক্তি দেখিয়েছে। এবারের নির্বাচনে এসআইআর ইস্যু প্রথমের সামনে থাকলেও পরবর্তীতে &lsquo;দুর্নীতি&rsquo; এবং &lsquo;ভয় নয় ভরসা&rsquo; এই আশ্বাস দিয়েছে। এখন অপেক্ষা আগামী ৪ মে কী ফলাফল হয়? গণদেবতা ইতিমধ্যেই প্রথম দফার তাদের মতামত ভোট বাক্সে দিয়েছে, দ্বিতীয় দফার ভোট বাকি। এবার কি পরিবর্তন হবে? নাকি চতুর্থ বার ক্ষমতায় আসতে চলেছে তৃণমূল সরকার। ফলাফলে দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজনৈতিক মহল</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[sir]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal Elections 2026]]></category>
            <category><![CDATA[West Bengal Assembly Elections 2026]]></category>
            <category><![CDATA[TMC]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/24/d3862fe7-3242-4eb5-b0fb-63ec4648f421.webp" length="53772" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/24/d3862fe7-3242-4eb5-b0fb-63ec4648f421.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/24/d3862fe7-3242-4eb5-b0fb-63ec4648f421.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বঙ্গভূমের ভোট, দুই দল আর চার 'সাংবাদিক' প্রার্থী]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-election-2026-bengal-election-two-parties-and-four-journalist-candidates-448476</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-election-2026-bengal-election-two-parties-and-four-journalist-candidates-448476</guid>
            <pubDate>Wed, 22 Apr 2026 19:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ আইনজীবী রাজনীতিবিদ হয়, চিকিৎসক ভোটে দাঁড়ায়। এমনকি মাস্টার মশাই থেকে শুরু করে সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রী সবাই এম এল, এম পি হতে পারে। তাহলে সাংবাদিকেরা নয় কেন? ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><br><span style="color: #ba372a;"><strong>জয়ন্ত ঘোষাল</strong></span></p>&#13;
<p>&nbsp;<br>রাজীব গান্ধী ছিলেন পাইলট। হলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।<br>&nbsp;<br>প্রাক্তন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু জনসভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ও তো পাইলট,ও রাজনীতি কী করবে?<br>&nbsp;<br>ভোটের সময় রাজনীতিতে মঞ্চে দাঁড়িয়ে কত কথাই তো বলতে হয় !<br>&nbsp;<br>তাহলে তো আইনজীবী রাজনীতিবিদ হয়, চিকিৎসক ভোটে দাঁড়ায়। এমনকি মাস্টার মশাই থেকে শুরু করে সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রী সবাই এমএলএ, এমপি হতে পারে। তাহলে সাংবাদিকেরা নয় কেন?<br>&nbsp;<br>আপনি বলবেন, আইনজীবীদের ব্যাপারটা একটু আলাদা রাখুন। সে তো মতিলাল নেহরু থেকে শুরু করে চিত্তরঞ্জন দাশ, আরে বাবা! মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধীর কথাও তো ভোলা যায় না। সুতরাং আইনজীবীর তালিকা অনেক দীর্ঘ। সে তুলনায় সাংবাদিকরা রাজনীতিতে কি নবাগত? না না, তাও বোধহয় নয়। অনেক সাংবাদিককেই দেখেছি কংগ্রেস কিংবা বিজেপির মত বড় দলে আসতে। খুশবন্ত সিং থেকে কুলদীপ নায়ার !&nbsp;</p>&#13;
<p>তারপর আঞ্চলিক দলগুলিতেও সাংবাদিকদের অনুপ্রবেশ কম হয়নি।<br>&nbsp;<br>তবে বঙ্গভূমিতে বোধহয় সাংবাদিকদের ভোটে দাঁড়ানোর সংখ্যা হাতে গোনা। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটার তালিকায় যেমন সাংবাদিক আছেন, তেমন বিজেপির তালিকাতেও সাংবাদিক আছেন। কমিউনিস্টেদের তালিকায় সাংবাদিকদের অনুপ্রবেশ অবশ্য বরাবরই কম। আমরা তো সেই কোন ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি আমরা সব বুর্জোয়া সংবাদপত্রের দালাল।<br>&nbsp;<br>এবার তৃণমূল কংগ্রেসের নজরকাড়া প্রার্থী হলেন কুণাল ঘোষ। কুণাল রাজনীতিটা যত বছর ধরে করছেন, তার থেকে বেশি সময় বোধহয় সাংবাদিকতা করেছেন।&zwnj; সাংবাদিকতা করতে করতে কখন&zwnj; তিনি রাজনীতিতে এসে গেছেন সেটাই&zwnj; আমরাই ভুলে গেছিলাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহ সাহচর্যে ধীরে ধীরে তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ হয়েছেন।&zwnj; পরবর্তীকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হয়েছেন। তাঁর সহজাত সম্পর্ক স্থাপনের দক্ষতায়, নিজের উপযোগিতাকে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন !<br>&nbsp;<br>নিজের উপযোগিতাকে আসলে সবক্ষেত্রেই প্রতিষ্ঠা করতে হয়। সে কর্পোরেট জগৎ- ই হোক আর সংবাদপত্র জগৎ-ই হোক, আর তা রাজনীতির জগৎ-ই হোক।&zwnj; তা নাহলে রাজ্যসভার সদস্য হওয়া চারটি খানি কথা নয়! প্রতিদিন কাগজের মালিক সংসদ সদস্য হয়েছেন। তাঁর সঙ্গে একই সংবাদপত্রে কাজ করে সাংবাদিক রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। এও কিন্তু খুব দুর্লভ ঘটনা। একই কাগজ &lsquo;প্রতিদিন&rsquo; তার মালিক এবং সাংবাদিক&zwnj; দু'জনেই একসঙ্গে যাচ্ছেন এটা সবসময় দেখা যায় না। কেকে বিড়লা হিন্দুস্তান টাইমস পত্রিকার মালিক ছিলেন। তিনি কংগ্রেস মনোনীত রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। তাঁর কন্যা শোভনা ভারতিয়া রাজ্যসভায় এসেছেন তাঁর &nbsp;বাবার মৃত্যুর পর। তিনিও কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন।<br>&nbsp;<br>শুধু তো কুণাল নয়। কুণালের কাহিনি বলতে শুরু করলে শেষ হবে না। আবার আসব কুণালকে&zwnj; নিয়ে আলোচনায়। কিন্তু তার আগে ক্যামেরাটাকে প্যান করে নিয়ে চলে&zwnj; যাই তৃণমূল কংগ্রেসের আরেক সাংবাদিকের ক্লোজআপে। মুখের ওপর ক্লোজআপ শট। তাঁর নাম দেবদীপ পুরোহিত। বাঙালি সমাজে যে খুব একটা পরিচিত নাম তা নয়। কেননা চিরকাল কাজ করেছেন ইংরাজি সংবাদ মাধ্যমে।&zwnj; &lsquo;দ্য টেলিগ্রাফ&rsquo;, এনডিটিভি ইত্যাদি। তবে ঝরঝরে বাংলা বলেন। আদতে রাজস্থানে বসবাসকারী মাড়োয়ারি। নিরিমিষাশী। আমিষ খান না। কিন্তু বাংলায় থাকতে থাকতে ভীষণভাবে বাঙালি হয়ে উঠেছেন। এমনকি অনেক সময় ধরে তিনি বাংলাদেশেরও বিশেষজ্ঞ সাংবাদিক হয়েছেন। বাংলাদেশে তাঁর যে সংযোগ এবং সম্পর্ক সেও কিন্তু অনস্বীকার্য। সেই দেবদীপ পুরোহিত প্রার্থী হবেন সেটা আর যাইহোক কেউই ভাবতে পারে নি। কুণাল ঘোষ এবার প্রার্থী হবেন সে কথাটা আমরা অনেকেই জানতাম। কিন্তু দেবদীপ পুরোহিত যে প্রার্থী হতে পারেন সেটা বিশ্বাস করা যায়নি !প্রথমে তিনি টেলিগ্রাফ পত্রিকা থেকে ইস্তফা দিয়ে মমতা ব্যানার্জির মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে বিশেষ মিডিয়া উপদেষ্টা হয়েছেন। খড়দহ নির্বাচন কেন্দ্রে অনেক অবাঙালি ভোটার, হিন্দি ভাষী ভোটার আছে এবং খড়দহে প্রচুর জুটমিল&zwnj; আছে! ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, শিল্প এলাকা। সেখানে অনেক রকমের জটিলতা আছে।&zwnj; অনেক রকমের মালিক-শ্রমিকদ্বন্দ্ব আছে। অনেক সমাজবিরোধী কার্যকলাপের গোলমাল রয়েছে। মুকুল রায় একসময় এই এলাকায় রাজনীতি করেছেন।&zwnj; সেই খড়দহে সাংবাদিকের জীবনে প্রথম ভোটে দাঁড়ানো! সেটা কি ছোটখাটো ব্যাপার?<br>&nbsp;<br>কুণাল ঘোষ রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন। কিন্তু তিনিও বিধানসভা নির্বাচনে অবতীর্ণ হলেন এই প্রথম। বিধানসভা নির্বাচনে না দাড়ালেও তিনি যেভাবে ২৪x৭, কখনও রক্তদান শিবির, কখনও পাড়ার বইমেলা, কখনও ছোটবেলার স্কুলে যান!</p>&#13;
<p>তিন কিন্তু ধারাবাহিক ভাবে এই কাজটি করে চলেছেন। একই সঙ্গে এত কাজ, যাকে বলে মাল্টিটাস্কিং কী করে যে কুণাল করে সেটা অভাবনীয়। এখনও তিনি সাংবাদিক সত্তা ছাড়তে রাজি নন। প্রচুর লিখে চলেছেন। তিনি লেখক, অনেক কিছু বইয়ের জন্য দিয়েছেন। বেশকিছু বই বেস্ট সেলার। আসলে জেলে থাকার সময় থেকেই উপন্যাস লিখতে শুরু করেছেন।&zwnj; তাঁর প্রথম যে উপন্যাস আনন্দবাজার গোষ্ঠীর যে শারদীয়া সংখ্যায় প্রকাশিত সেটিও কিন্তু জেলে বসে লেখা।<br>&nbsp;<br>তবে শুধু তৃণমূল কংগ্রেস তো নয়। বিজেপিরও প্রার্থীদের মধ্যে এবার দু-দুটো সাংবাদিকের সন্ধান পাচ্ছি।&zwnj; দুজনেই দু'রকম। কিন্তু দু'জনের একজনের কলকাতায় শিকড় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে দিল্লিবাসী। দিল্লি থেকে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন।&zwnj; আবার অন্যদিকে অন্যজন কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন। তার আগে বর্তমান পত্রিকার সাংবাদিক ছিলেন। তিনি গতবারেরও দাঁড়িয়ে ছিলেন সিউড়ি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে। গতবার তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবারেও তিনি দাঁড়িয়েছেন সিউড়ি থেকে। একজন স্বপন দাশগুপ্ত আরেকজন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। স্বপন দাশগুপ্ত খুবই চিত্তাকর্ষক একটি চরিত্র। আমি স্বপন দাশগুপ্তকে প্রথম যখন দিল্লিতে দেখেছিলাম, তখন তিনি &lsquo;ইন্ডিয়া টুডে&rsquo;র অন্যতম কৃতি সম্পাদক। এত পড়াশোনা, এত ইতিহাসবেত্তা মন খুব কমই দেখা যায়। স্বপন আদতে অক্সফোর্ড থেকে ইতিহাস পড়ে আসা মানুষ। তিনি সেখানকার ডক্টরেট।&zwnj; আজকে স্বপন দাশগুপ্ত হয়তো সাংবাদিকতায় না এলে অক্সফোর্ডের অধ্যাপক হতেন। সেই ঐতিহাসিক স্বপন দাশগুপ্ত তিনি ইতিহাস থেকে এসে গেলেন কঠোর কঠিন রাজনীতির বাস্তবতায়।<br>&nbsp;<br>দেখছি যে, সাংবাদিকরা সবসময় কোনও না কোনও রাজনৈতিক নেতা বা নেত্রীর অনুপ্রেরণায় রাজনীতিতে আসেন। কুণাল ঘোষ এবং দেবদীপ পুরোহিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এসেছেন।&zwnj; ঠিক সেইভাবে স্বপন দাশগুপ্ত রাজনীতিতে এসেছিলেন কিন্তু লালকৃষ্ণ আডবাণীর&zwnj; অনুপ্রেরণায়। এখনও মনে আছে, যখন তিনি ইন্ডিয়া টুডেতে ছিলেন তখন তিনি ধীরে ধীরে আডবাণীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। লালকৃষ্ণ আডবাণী নিজেও একদা সাংবাদিক ছিলেন। এটা ভুলে গেলে চলবে না। উনি পাঞ্চজন্য পত্রিকাতে ফিল্ম ক্রিটিক সাংবাদিক ছিলেন। অ্যাক্রিডেটেড সাংবাদিক ছিলেন। অর্থাৎ সরকারি স্বীকৃতি ছিল !</p>&#13;
<p>সেই কারণে আডবাণী বিয়ের পর কমলা আডবাণীকে নিয়ে আর কে পুরমে যে ফ্ল্যাটে ছিলেন সেটা ছিল সাংবাদিক কোটায় !<br>&nbsp;<br>সে যাইহোক, অত ইতিহাসে আর যাব না।&zwnj;<br>&nbsp;<br>স্বপন দাশগুপ্ত আডবাণীজীর ঘনিষ্ঠ হলেন। আডবাণীজী প্রচন্ড ভালবাসতেন। তাঁর লেখা পড়তে, তাঁর সঙ্গে আলোচনা করতেন। স্বপন দাশগুপ্তর সঙ্গে চন্দন মিত্রও বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।&zwnj; আরেকজন সাংবাদিক কাঞ্চন গুপ্ত !&nbsp;</p>&#13;
<p>তাঁকে আডবাণীজী বিজেপি টুডের সাংবাদিক করে নিয়ে এসেছিলেন। তিনিও বাঙালি। কাঞ্চন গুপ্ত বাঙালি বদ্যি এবং ব্রাহ্ম !</p>&#13;
<p>স্বপন দাশগুপ্তও বদ্যি।&zwnj; আমাদের বাংলার গৌরব চিত্তরঞ্জন দাশ!&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;তিনিও বদ্যি পরিবার থেকে। স্বপন দাশগুপ্ত এবার যেখান থেকে দাঁড়িয়েছেন সেই এলাকায় ওদের একটা পুরনো বসতবাড়ি ছিল। কলকাতার মানুষ স্বপন। বিখ্যাত শিল্প প্রতিষ্ঠান একদা ক্যালকাটা কেমিক্যালসের কর্ণধারের &nbsp;পুত্র স্বপন।&zwnj; সেই স্বপন চলে এলেন বিজেপিতে। বিজেপিতে এসে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে পূর্ণ মেয়াদে থাকেন। তিনি অরুণ জেটলির ঘনিষ্ঠও ছিলেন। শুধু অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি নন। অরুণ জেটলি যখন রাজনীতিবিদ হন&zwnj;নি, যখন তিনি আইনজীবী অরুণা জেটলি তখন থেকে তাঁর পারিবারিক সখ্য। তারপর স্বপন হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গের তারকেশ্বরের নির্বাচন কেন্দ্রের প্রার্থী।&zwnj; এবারে এল কলকাতা শহরে। শহরের কেন্দ্র স্বপনের জন্য একটু ভাল, কেননা স্বপন নিজে শহুরে। অভিজাত সমাজের প্রতিনিধিত্ব করেন।&zwnj; তবে সমস্যাটা হচ্ছে, স্বপন বাঙালি কিন্তু আজকের যে বাংলা তার যে পরিবর্তিত সংস্কৃতি তার সঙ্গে স্বপন কতটা নিজে যুক্ত বা তাঁর যুক্ত হওয়া সম্ভব সেটা নিয়ে একটা প্রশ্ন চিহ্ন থাকে।<br>&nbsp;<br>কুণাল ঘোষ আর স্বপন দাশগুপ্ত এরা কিন্তু সাংস্কৃতিক দিক থেকে দু'রকমের মানুষ। সেই কারণে কলকাতার তুলনায় স্বপন দিল্লিতে অনেক বেশি সহজ।<br>&nbsp;<br>কিন্তু নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকে। কেউ জেতে, কেউ হারে। সাংবাদিক হিসেবে রাজনীতিতে এসে এতদিন ধরে টিকে থাকা এবং আজকের যে পরিবর্তিত বিজেপি তার সঙ্গে মানিয়ে থাকা &nbsp;সেটাও স্বপনের জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তার কারণ বাজপেয়ী-আডবাণীর বিজেপি আর মোদী-অমিত শাহের বিজেপি তো এক নয়? আদতে স্বপন খুব উদারবাদী মানুষ।&zwnj; তিনি তাঁর জীবনযাত্রায় কট্টর হিন্দুত্ববাদী আরএসএসসের মতো নয়। তিনি নিজে মতাদর্শগত ভাবে একটা হিন্দু জাতীয়তাবাদের সমর্থক, বিশ্লেষক হয়ে উঠেছেন। একটা বই পর্যন্ত লিখেছেন বন্দেমাতরমের জাতীয়বাদী সত্তা নিয়ে। তার বিবর্তন নিয়ে। তবে স্বপনকে নিয়ে আলোচনা ভবিষ্যতে আরও করা যেতে পারে।&zwnj;<br>&nbsp;<br>কিন্তু আপাতত আমরা ক্যামেরা নিয়ে যাই সল্টলেকে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। সেখানে একটা সাধারণ সম্পাদকের ঘরে বসে আছেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। আগে তো জগন্নাথ সবসময় শার্টপ্যান্ট পরতেন। আনন্দবাজার পত্রিকার সাংবাদিক। তার আগে বর্তমান পত্রিকায় খবর করার ব্যাপারে প্রচন্ড ক্ষুরধার তাঁর মেধা ছিল।&zwnj; এককথায় সম্পাদকেরা বলতেন, জগন্নাথ হল, ইনফরমেশন অ্যাক্টিভিস্ট।&zwnj; নবান্নে&zwnj; গিয়ে শুধু রাজনৈতিক নেতা নয়, প্রশাসকদের মধ্যেও পেনিট্রেশন ছিল অনবদ্য।&zwnj; হার্ড খবর কাকে বলে সেটা জগন্নাথ বুঝতে পারত।&zwnj; জগন্নাথের আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক বাল্যকাল থেকেই। জগন্নাথ &lsquo;স্বস্তিকা&rsquo; কাগজের সাংবাদিক হিসেবে &nbsp;কাজ করেছেন। যেমন আডবাণীজী &lsquo;পাঞ্চজন্য&rsquo;তে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন। তারফলে আরএসএসের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা অনেকদিনের। বিশেষ করে কলকাতার যে আরএসএস অর্থাৎ কেশব ভবন সেখানে তাঁর অবাধ যাতায়াত ছিল। কেশব ভবনকেই ধরে বাঙালি আরএসএস নেতাদের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার সঙ্গে সঙ্গে একই সঙ্গে তিনি কিন্তু পৌঁছে গেছেন সর্বভারতীয় হিন্দুভাষী মারাঠি আরএসএসের নেতাদের মধ্যে। আরএসএসের সখ্য দিয়ে তিনি পৌঁছে গিয়েছেন আজকের বিজেপি নেতাদের কাছাকাছি।<br>&nbsp;<br>সাংবাদিক জগন্নাথ মমতা ব্যানার্জিরও খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি প্রচুর খবর করেছেন। মুখ্যসচিব সঞ্জয় মিত্র থেকে শুরু করে আজকের মুখ্য নির্বাচনী পর্যবেক্ষক গুপ্ত এঁরাও ছিলেন জগন্নাথের খুব ঘনিষ্ঠ &zwnj; আমলরা আদর করে জগন্নাথকে ডাকত &lsquo;জগা&rsquo; বলে। সাংবাদিকদের মধ্যে জগা-ই ছিল তাঁর নিকনেম।<br>&nbsp;<br>কিন্তু আনন্দবাজার পত্রিকায় শেষ দিকের সময়টা অনেকের মতই তাঁর খুব সুখের হয়নি।&zwnj; অনেক সময় কোন একটি প্রতিষ্ঠানে দুঃখের সময় এলে তার পরবর্তী অধ্যায় অনেক সময় নুতন করে একটা আনন্দ অধ্যায় শুরু হয়। ৬-নম্বর প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিট থেকে ৬-নম্বর মুরলীধর লেনে আগমন ঠিক সেইভাবেই নিরানন্দ জগন্নাথকে আনন্দিত জগন্নাথে পরিণত করল। আনন্দবাজার ছাড়লেও বিজেপিতে তাঁর আনন্দের অভাব ঘটল&zwnj; না। এখন জগন্নাথ প্রথম সাধারণ সম্পাদক শুধু নন, তিনি দিল্লির আরএসএসের সঙ্গেও তাঁর সেতু। শুভেন্দু অধিকারী এবং শমীক ভট্টাচার্য দুজনের সঙ্গেই তাঁর সুসম্পর্ক। আরএসএসের যে সাংগঠনিক সম্পাদকের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।&zwnj; তারফলে আরএসএস এবং বিজেপির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং সমস্ত কার্যকলাপের পেছনে তিনিই কিন্তু একটা নীরবে নিভৃতে প্রধান অবয়ব। তিনি এর আগে সিউড়িতে জিততে পারেন নি। কিন্তু সেখানকার ভূমিপুত্র তাই তিনি এবার আসনও বদলান নি। সিউড়ি থেকেই তিনি এবারেও প্রার্থী হচ্ছেন।<br>&nbsp;<br>কাজেই সাংবাদিকদের রাজনীতিতে আসা এবং এমএলএ হওয়া এখন আর অভিনব কোনও ঘটনা নয়। আগামী দিনে হয়তো আরও অনেক সাংবাদিককে আমরা দেখতে পাব। যেমন অতীতে রন্তিদেব সেনগুপ্ত বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শিবপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন। এখন অবশ্য তিনি বিজেপি এবং আরএসএস দুদলকেই পরিত্যাগ করে একদা আরএসপির ঘনিষ্ঠ এবং প্রয়াত আরএসপি নেতা সুনীল সেনগুপ্তের পুত্র রন্তিদেবও কিন্তু তৃণমূলের প্রার্থী না হলেও তিনি কিন্তু সক্রিয়ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন আন্দোলনের মঞ্চে তাঁকেও দেখা যাচ্ছে। যেমন দেখা যাচ্ছে আরেক সাংবাদিক সুমন ভট্টাচার্যকে। তাঁরা অবশ্য এখনও নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশ নেননি। এরকম ভাবে অন্য দলগুলোর মধ্যে এবার সিপিএম এবং কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকাতেও সাংবাদিকরা আছেন কিনা শেষপর্যন্ত সেটা দেখার জন্য আরেকটু আমাদের ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।<br>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[candidate]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal Election 2026]]></category>
            <category><![CDATA[TMC]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/ebb81c83-8bde-431d-b0f1-0575bf22897b.webp" length="121150" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/ebb81c83-8bde-431d-b0f1-0575bf22897b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/ebb81c83-8bde-431d-b0f1-0575bf22897b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়ার জন্য খরচ ২ লাখ! শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/kindergarten-school-costs-rs-2-lakh-raising-questions-about-education-system-447965</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/kindergarten-school-costs-rs-2-lakh-raising-questions-about-education-system-447965</guid>
            <pubDate>Wed, 22 Apr 2026 16:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ কিন্ডারগার্টেন স্কুলের মাসিক ফি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷ স্কুলের ফি তে টাকার অঙ্কের পরিমাণ দেখে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, উদ্বেগ ছড়িয়েছে৷ ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>দিনের পর দিন বাড়ছে স্কুলের ফি৷ শিক্ষাক্ষেত্রে বাড়তে থাকা খরচ নিয়ে এর আগেও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে৷ সম্প্রতি &nbsp;সমাজমাধ্যমে ভাইরাল একটি পোস্ট৷ কিন্ডারগার্টেন স্কুলের মাসিক ফি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷ স্কুলের ফি তে টাকার অঙ্কের পরিমাণ দেখে শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, উদ্বেগ ছড়িয়েছে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হওয়ার জন্য এককালীন ৪৮ হাজার টাকা দিতে হবে৷ এর সঙ্গে ভর্তি হতে গেলে লাগবে ১৫০০০ টাকা যা ফেরত যোগ্য নয়৷ এর সঙ্গে কশান মানি হিসাবে আরও ৩৩ হাজার টাকা জমা দিতে হবে৷ যদিও এই ৩৩ হাজার টাকা পরবর্তীকালে ফেরত পাওয়া যাবে বলেই লেখা আছে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>এইভাবে বিভিন্ন খাতে টাকা জমা দেওয়ার পরিমাণ যোগ করে কিন্ডারগার্টেন স্কুলে পড়ানোর জন্য বার্ষিক খরচ দাঁড়িয়েছে ২ লক্ষ ২৪ হাজার &nbsp;৭১৮ টাকা৷ বলা হয়েছে লাইব্রেরি, জিম ইত্যাদি সব সুযোগ সুবিধা রয়েছে কিন্ডারগার্টেনে৷&nbsp;</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/23773b06-d74d-4aa4-92b3-0881eaf6cd42.webp"></p>&#13;
<p>যদিও খরচ এখানেই শেষ নয়, এর সঙ্গে অভিভাবকদের অতিরিক্ত খরচ করতে হবে স্কুল বাস, স্কুল ড্রেস, যাতায়াতের জন্য৷ ২ লক্ষ টাকার মধ্যে এসব খরচ ধরা নেই৷&nbsp;</p>&#13;
<p>ভাইরাল এই ছবিতে অভিভাবকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন৷ শিক্ষার শুরুতেই যদি আর্থিক চাপ এতখানি থাকে তাহলে আগামী দিনে কীভাবে সন্তানের পড়াশোনা হবে সেই নিয়েও প্রচুর মানুষ প্রশ্ন তুলেছেন। &nbsp;</p>&#13;
<p>কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, আকাশছোঁয়া খরচই কি শিক্ষাক্ষেত্রে নিউ নরম্যাল?&nbsp;</p>&#13;
<p>সরকারের পক্ষ থেকে কেন পদক্ষেপ করা হচ্ছে না সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে৷ পদক্ষেপ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>কেউ কেউ আবার বলেছেন, এটা স্কুলের সমস্যা নয়, বাবা মায়েরা সন্তানদের দামি স্কুল ছাড়া পড়াতে চায় না তাই এই অবস্থা হয়েছে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>কেউ কেউ আবার বলছেন দামি স্কুলে বিশেষ কিছুই শেখানো হয় না৷ সরকারি স্কুলেও পড়াশোনা করা যায়৷ যেখানে প্রায় বিনামূল্যে পড়াশোনা করা যায়৷</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[viral news]]></category>
            <category><![CDATA[school fee]]></category>
            <category><![CDATA[kindergarten school]]></category>
            <category><![CDATA[education]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/78c9b9c2-a153-46f0-890e-3ad37ca88bda.webp" length="45984" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/78c9b9c2-a153-46f0-890e-3ad37ca88bda.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/78c9b9c2-a153-46f0-890e-3ad37ca88bda.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশি ঘুষপেটিয়ার সঙ্গে এবার জুড়ছে বাংলা ভাষাও]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-election-2026-narendra-modi-links-bengali-language-to-infiltration-debate-in-west-bengal-poll-campaign-447978</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bengal-election-2026-narendra-modi-links-bengali-language-to-infiltration-debate-in-west-bengal-poll-campaign-447978</guid>
            <pubDate>Wed, 22 Apr 2026 16:20:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অনুপ্রবেশ, ঘুষপেটিয়া এবারের ভোটের থিম। যা কিছু বক্তিমে তার বেশিটাই গোড়া থেকে ছিল এইসব নিয়েই। অনুপ্রবেশের জন্য কীভাবে বাংলার ডেমোগ্রাফি বা জনবিন্যাস পাল্টে গিয়েছে তা নিয়ে বিজেপি নেতাদের উদ্বেগের শেষ নেই। ]]></description>
            <dc:creator>রিয়া পাত্র</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><span style="color: #ba372a;"><strong>আশিস ঘোষ&nbsp;</strong></span></p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>বিটুইন দ্য লাইনস। ইংরেজিতে একটা চালু কথা। অর্থাৎ যা বলা হল তার অধিক যা বলতে চাওয়া হল, সেই কথাগুলো। দুই লাইনের ফাঁকের সাদা জায়গাটা। এখানে এখন ভোটের পার্বণ। ঘন ঘন দিল্লি থেকে আসছেন হেভিওয়েট নেতারা। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও যত্রতত্র বক্তৃতা করে বেড়াচ্ছেন। তিনি যা বলছেন, আর পাঁচটা গরম ইস্যুতে সেসবই ঢাকা পড়ছে। সেসব কথার ফাঁকে হারিয়ে যাচ্ছে আরও কিছু কথা। ওই যে বলছিলাম বিটুইন দ্য লাইনসের কথা।</p>&#13;
<p>অনুপ্রবেশ, ঘুষপেটিয়া এবারের ভোটের থিম। যা কিছু বক্তিমে তার বেশিটাই গোড়া থেকে ছিল এইসব নিয়েই। অনুপ্রবেশের জন্য কীভাবে বাংলার ডেমোগ্রাফি বা জনবিন্যাস পাল্টে গিয়েছে তা নিয়ে বিজেপি নেতাদের উদ্বেগের শেষ নেই। খোদ প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সভায় সভায় এ নিয়ে ভাষণ দিচ্ছেন। অনুপ্রবেশকারীরা যে ওপারের মুসলিম খোলাখুলি তা না বললেও বুঝতে অসুবিধে হয় না মোটেই। এ পর্যন্ত একরকম ছিল। কিন্তু পুরুলিয়া জনসভায় মোদি জানিয়েছেন, অনুপ্রবেশের জন্য বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিতে পরিবর্তন আসছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;এটাই বিটুইন দ্য লাইনস। এটাই সংঘ পরিবারের পরবর্তী অ্যাজেন্ডা। বাংলা ভাষাকে কীভাবে উর্দু, আরবি শব্দমুক্ত করে সংস্কৃত শব্দে শুদ্ধ করে ফেলতে হবে তা নিয়ে জোরদার প্রচার। ফলে আগে যেমন খোলাখুলি মুসলমানি বাংলাকে গাল পাড়া হত, তা না করে চালু করার চেষ্টা হল বাংলাদেশি ভাষা বলে বাংলা ভাষাকে আলাদা করার।</p>&#13;
<p>মনে করে দেখুন মাস কয়েক আগের ঘটনা। দিল্লির বঙ্গভবনে চিঠি পাঠিয়ে সেখানকার পুলিশ বাংলাদেশি ভাষা জানা কারও সন্ধান করেছিল। তখন সেখানে ঢালাও 'বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী' উচ্ছেদ অভিযান চলছিল। তা নিয়ে তখন বিস্তর হই হট্টগোল হয়েছিল। একে পুলিশি অজ্ঞতা বলে উড়িয়েও দিয়েছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু ব্যাপারটা যে মোটেই অত হালকা নয় তা বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বিজেপির নেতা অমিত মালব্য। তিনি রীতিমতো ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন, বাংলাদেশে যে বাংলার ব্যবহার তা অন্যরকম। তাই বাংলাদেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দিল্লির অবাঙালি নেতারা বাংলা নিয়ে লেকচার দিলেও বঙ্গ বিজেপির কেউ তখন কিছু বলেননি।</p>&#13;
<p>জন্মাবধি যাঁরা বাংলায় কথা বলে আসছেন তাঁদের পক্ষে এমন বিচিত্র যুক্তি হজম করা বেশ কঠিন। কে না জানে প্রমিত বা শান্তিপুরী বাংলা ছাড়াও শুধু ওপার কেন, এপারেও কতরকম বাংলায় কথা বলা হয়। প্রতি ক্রোশে কীভাবে কথ্য বাংলা বদলায় কোনও ধারণা আছে তাঁদের যাঁরা এইসব তত্ত্ব খাড়া করেন?</p>&#13;
<p>সত্যি বলতে এতকিছু জানার দরকার হয় না তাঁদের। মোদ্দা কথা হল, ভাষায় হিন্দু মুসলমান ভাগ করে দাও। সংস্কৃত, তৎসম শব্দে বোঝাই সেকেলে সাধু ভাষাকে ফিরিয়ে আনো। ওটা হিন্দুদের। আর ম্লেচ্ছ শব্দে ভরা 'বাংলাদেশি' ভাষা আলাদা করে দাও মুসলমানদের জন্য। অনুপ্রবেশের ফলে বাঙালির ভাষা সংস্কৃতি বদলে যাচ্ছে বলে মোদির হা হুতাশের পিছনে মোদ্দা কথা ওটাই। এতদিনের জমি দখল হচ্ছে বলে হুঙ্কারের পাশাপাশি এবার ভাষাদখল হচ্ছে বলে নতুন ন্যারেটিভ আমদানি হবে। ওপারেও সংস্কৃতবর্জিত বাংলা নিয়ে জামাতের তৎপরতা মাঝেমধ্যে দেখা যায় বই কি। তবে আশার কথা, দুই বাংলাতেই এইসব উদ্যোগ হালে পানি পায়নি।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bengali language]]></category>
            <category><![CDATA[Bengal Election 2026]]></category>
            <category><![CDATA[BJP]]></category>
            <category><![CDATA[narendra modi]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/5b60d977-cbbc-4324-8984-061ad8abc38b.webp" length="52082" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/5b60d977-cbbc-4324-8984-061ad8abc38b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/22/5b60d977-cbbc-4324-8984-061ad8abc38b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিতর্কিত গোলে কন্যাশ্রী কাপে প্রথম ধাক্কা, হারলেও লড়াকু ফুটবলে মন জয় ইউকেএসসির]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/united-kolkata-sports-club-loses-to-east-bengal-after-a-brave-fight-in-kanyashree-cup-443106</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/united-kolkata-sports-club-loses-to-east-bengal-after-a-brave-fight-in-kanyashree-cup-443106</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 18:15:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এদিন কন্যাশ্রী কাপে প্রথম হার ইউনাইটেড কলকাতা স্পোর্টস ক্লাবের। টানা ছয় জয়ের পর প্রথম ধাক্কা। সোমবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে নিজেদের মাঠে ২-০ গোলে জিতল ইস্টবেঙ্গল। গোল করেন অষ্টম ওরাও এবং আশালতা দেবী। দুটো গোলই দ্বিতীয়ার্ধে। জয়ের ফলে গ্রুপে একনম্বরে শেষ করল লাল হলুদ। তবে ইউকেএসসির প্রশংসায় রঘু নন্দী]]></description>
            <dc:creator>সম্পূর্ণা চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>ইস্টবেঙ্গল - ২</strong> (অষ্টম ওরাও, আশালতা দেবী-পেনাল্টি)</p>&#13;
<p><strong>ইউনাইটেড কলকাতা স্পোর্টস ক্লাব - ০</strong></p>&#13;
<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> ম্যাচের শেষ বাঁশি বেজে গিয়েছে। গ্যালারি প্রায় ফাঁকা। আচমকা চোখ গেল রঘু নন্দীর দিকে। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। সাহায্য ছাড়া হাঁটা-চলা করতে পারেন না। তাও সপরিবারে মাঠে হাজির। ইউনাইটেড কলকাতা স্পোর্টস ক্লাবের সঙ্গে একটা যোগসূত্র রয়েছে ময়দানের পোড়খাওয়া কোচের। ইস্টবেঙ্গল মাঠে কলকাতা লিগের ম্যাচে ট্রেভর মর্গ্যানের লাল হলুদকে চার গোলে হারিয়েছিল এরিয়ান। হ্যাটট্রিক করেছিলেন চার্লস এগওয়ার। ক্লাবের প্রধান স্পনসর ছিল টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ। কোচ ছিলেন রঘু নন্দী। মাঝে বেশ কয়েকবছর কেটে গিয়েছে। নিজস্ব ফুটবল দল করেছে টেকনো গ্রুপ। সেই পুরাতনের টানেই মাঠে হাজির।&nbsp;</p>&#13;
<p>এদিন কন্যাশ্রী কাপে প্রথম হার ইউনাইটেড কলকাতা স্পোর্টস ক্লাবের। টানা ছয় জয়ের পর প্রথম ধাক্কা। সোমবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে নিজেদের মাঠে ২-০ গোলে জিতল ইস্টবেঙ্গল। গোল করেন অষ্টম ওরাও এবং আশালতা দেবী। দুটো গোলই দ্বিতীয়ার্ধে। জয়ের ফলে গ্রুপে একনম্বরে শেষ করল লাল হলুদ। তবে ইউকেএসসির প্রশংসায় রঘু নন্দী। আফশোস, ম্যাচটা ড্রও হতে পারত। প্রথম গোল অফসাইড থেকে। তবে জানান, নতুন দল হিসেবে নজর কেড়েছে। ভাল ফুটবল খেলেছে ইউকেএসসি। বিনা দ্বিধায় জানিয়ে দিলেন, চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে বাকিদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে ইউনাইটেড। তবে ময়দানের অভিজ্ঞ কোচ মনে করেন, একজন পজিটিভ স্ট্রাইকারের অভাব রয়েছে দলে।&nbsp;</p>&#13;
<p>হারলেও প্রশান্ত ভট্টাচার্যের দলের প্রশংসা করতে হবে। বিপক্ষ কন্যাশ্রী কাপে চ্যাম্পিয়ন। এএফসি কাপ, আইডব্লুএলে খেলা দল। প্রথম একাদশে পাঁচজন জাতীয় দলের প্লেয়ার। গোল সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। কিন্তু সেই সুযোগ দেয়নি ইউনাইটেড। বরং, একটা সময় পর্যন্ত সমান টক্কর দেয়।&nbsp;বিরতিতে ম্যাচ ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধে জোড়া গোল। গোলদাতা অষ্টম ওরাও এবং আশালতা দেবী। তারমধ্যে প্রথম গোল বিতর্কিত। অফসাইডের প্রশ্ন ওঠে। গ্যালারি থেকে খালি চোখে মনে হয়, নিশ্চিত অফসাইড। দ্বিতীয় গোল পেনাল্টি থেকে। ইউনাইটেডের ডিফেন্ডারদের একটা ভুলে। অর্থাৎ, ফিল্ড গোল করতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। এদিন হারলেও গ্রুপের দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই চ্যাম্পিয়নশিপে রাউন্ডে প্রবেশ করে ফেলেছে প্রশান্ত ভট্টাচার্যের দল।&nbsp;</p>&#13;
<p>ধারে-ভারে এগিয়ে থেকেই শুরু করেছিল লাল হলুদ। তাই শুরুতে বিপক্ষকে মেপে কিছুটা রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজি সাজান ইউনাইটেডের কোচ। সামনে একা রাখেন অ্যানি তায়াংকে। কিন্তু এদিন কিছুটা ম্লান দেখায় অরুণাচলের ফুটবলারকে। প্রথমার্ধে আক্রমণ কিছুটা ভোঁতা ছিল। বিরতির পর অনেক পজিটিভ ফুটবল। আক্রমণও বাড়ে।&nbsp;দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি নিশ্চিত গোল মিস ইউকেএসসির। লাল হলুদের গোলকিপার শিখা সোরেনকে সামনে একা পেয়েও বাইরে মারেন তনুশ্রী। তবে ওজনদার ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে অলআউট আক্রমণে যেতে পারেনি ইউকেএসসি। রক্ষণ সংগঠিত করে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আক্রমণে যাওয়া ছিল স্ট্র্যাটেজি। ৯০ মিনিট সাহসী ফুটবল নবাগতদের। এই ম্যাচের আগে পারফরম্যান্সের বিচারে এগিয়ে ছিল ইউনাইটেড। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে একই পয়েন্ট নিয়ে গোল পার্থক্যে এগিয়ে ছিল। কিন্তু গ্রুপের শেষ ম্যাচে হারের ফলে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল ইউনাইটেড।&nbsp;</p>&#13;
<p>দলের খেলায় সন্তুষ্ট হলেও, কয়েকজন ফুটবলারের পারফরম্যান্সে খুশি নন কোচ প্রশান্ত ভট্টাচার্য। মূলত তাঁদের শরীরীভাষায় অখুশি। তবে এই হারকে ওয়েক আপ কল হিসেবে নিচ্ছেন। প্রশান্ত ভট্টাচার্য বলেন, 'একটা ছন্দে ছিলাম আমরা। খেলাটা যদি মোমেন্টামের মধ্যে হত, ভাল রেজাল্ট হলেও হতে পারত। ইস্টবেঙ্গল আমাদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী দল। এএফসি, আইডব্লুএল খেলছে। দলে জাতীয় দলের ৫-৬ জন প্লেয়ার আছে। সেই অনুযায়ী ওদের আরও ভাল খেলা উচিত ছিল। আমাদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। আমরা নিজেদের দোষে গোল খেয়েছি। আমাদের একটা হার দরকার ছিল। টানা জয়ের ফলে হয়ত প্লেয়ারদের মনে হয়েছিল, আমাদের কেউ হারাতে পারে না। মাঝে দশদিনের গ্যাপে কিছুটা ছন্দপতন হয়েছে। ওরা খেলতে যাবে বলে খেলা বন্ধ রাখা হয়। বড় দলগুলোর কথা শোনা হয়। আমাদের হয় না।'</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/aaf699f3-7762-47de-8f21-019a0d16e5c9.webp"></p>&#13;
<p>টানা ছয় ম্যাচে ক্লিনশিট রাখার পর জোড়া গোল হজম। তবে এদিন ইউকেএসসির রক্ষণের প্রশংসা করতে হবে। অনবদ্য মিনি রায়, রত্না হালদাররা। এই ম্যাচটা ৭ এপ্রিল হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জাতীয় দলের খেলার জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়। দশ দিনের গ্যাপে কিছুটা ছন্দ হারায় ইউনাইটেড। তবে ম্যাচের রেজাল্ট যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিন পর দেখা গেল চেনা ময়দানের ছবি। গ্যালারিতে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে তরজা। সমর্থকদের সংখ্যায় অবশ্য ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দেয় ইউকেএসসি। আপাতত কয়েকদিনের ছুটি। নির্বাচনের পর আবার চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের প্রস্তুতি শুরু করবে পূজা, অনিতা, অ্যানিরা।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[kanyashree cup]]></category>
            <category><![CDATA[East Bengal]]></category>
            <category><![CDATA[united kolkata sports club]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/e068b2b1-6869-442d-ae56-3666f7cb8aba.webp" length="66244" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/e068b2b1-6869-442d-ae56-3666f7cb8aba.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/e068b2b1-6869-442d-ae56-3666f7cb8aba.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ব্রাত্য বসু]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-bratya-basu-443099</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-bratya-basu-443099</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 17:51:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #3d8f21;">ব্রাত্য বসু</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/679d0f5b-d507-4b1d-8237-fce21516b947.webp" alt="ব্রাত্য বসু" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp; ব্রাত্য বসু বাংলা ও ভারতের থিয়েটার, সিনেমার অভিনয়, পরিচলনা ও রচনার জগতে উল্লেখযোগ্য নাম। সেই সঙ্গে তিনি একজন থিয়েটার গবেষক, ঔপন্যাসিকও বটে। ২০২১ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তিনি প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভাতেও একই পদে ছিলেন । ২০১৬ সালের মে মাসে তাঁকে পর্যটন , বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও জৈব-প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দফতরের মন্ত্রীর দপ্তরগুলির দায়িত্ব দেওয়া হয় ।তিনি ২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকে দমদম নির্বাচনী এলাকা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ব্রাত্য বসু বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের অধীনে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি এবং মিনার্ভা নাট্যসংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্রের চেয়ারপার্সন।</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp; মযুখ বিশ্বাস।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">কীভাবে এলেন রাজনীতিতে</h2>&#13;
<p>প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালীন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় তিনি বাংলার বুদ্ধিজীবী মহলের সামনের সারিতে থেকে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তিনি বর্তমান শাসক দল তৃণমূলের সংস্পর্শে আসেন। সেই সময়ে আন্দোলনের মুখ বহু বুদ্ধিজীবীকে তৃণমূল লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করে, ব্রাত্য সেই সময়েই দমদম কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">চা, বিস্কুট।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">ফাওয়াদ ফাজিল।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">দেবব্রত বিশ্বাস।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">জেমস জয়েসের আত্মজীবনী।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">থিয়েটার...থিয়েটার...থিয়েটার</h2>&#13;
<p>নাটকের জন্য আজীবন কাজ করে চলেছেন তিনি। দীর্ঘদিন তিনি সরাসরি থিয়েটারের মঞ্চে আসেননি, কিন্তু থিয়েটার সম্পর্কিত নানা কাজে তিনি জড়িয়ে আছেন সর্বদা। তিনি ইতিমধ্যে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তাঁর নাটক লেখার কাজও সমান তালে চলছে।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">সিনেমা...সিনেমা..সিনেমা</h2>&#13;
<p>থিয়েটারের পাশাপাশি তিনি একের পর এক সিনেমা পরিচলনার কাজও করে চলেছেন, পর্দায় অভিনয়ও করে চলেছেন সমান তালে। তিনি সম্প্রতি করছেন তাঁর পরবর্তী ছবি শেকড়ের কাজ। এর আগে হুব্বা শিরোনামে তিনি একটি ছবি পরিচলনা করেছিলেন। তিনি ছবি পরিচালনার কাজ শুরু করেছিলেন ২০০৩ সালে রাস্তা নামে একটি ছবির মধ্যে দিয়ে। এ ছাড়াও সম্প্রতি সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত 'লহ গৌরাঙ্গের নাম রে' ছবিতে তিনি গিরিশ ঘোষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, পাশাপাশি, অরিন্দম শীল পরিচালিত 'কর্পূর' ছবিতেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">সাহিত্যের নানা মহলে</h2>&#13;
<p>দীর্ঘদিন ধরে সাহিত্যের আঙিনায় উল্লেখযোগ্য় পদচারণা করে চলেছেন ব্রাত্য়। তিনি যেমন নাটক লিখেছেন দীর্ঘদিন ধরে, তেমনই গবেষণামূলক লেখাও সমান তালে লিখেছেন। তিনি ইতিমধ্যে লিখেছেন তিনটি উপন্যাস, উদ্ভাসিত মান্দাস, দ্যুতক্রীড়ক ও অদামৃতকথা। এই তিনটি উপন্যাসই পাঠকদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলেছে।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row d-flex justify-content-center align-items-center gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">জঙ্গল।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">কালো।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">ওয়াইফাই।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[bratya basu]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/679d0f5b-d507-4b1d-8237-fce21516b947.webp" length="32564" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/679d0f5b-d507-4b1d-8237-fce21516b947.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/679d0f5b-d507-4b1d-8237-fce21516b947.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দিপ্সীতা ধর]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-dipsita-dhar-443092</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-dipsita-dhar-443092</guid>
            <pubDate>Mon, 20 Apr 2026 17:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #dd1313;">দিপ্সীতা ধর</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/8d5bdf27-4198-4fba-b5ec-cabaad3a2dd7.webp" alt="দিপ্সীতা ধর" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp; বাম পরিবারে জন্ম। ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তিনি। যে সময়ে জেএনইউ-এ দেশ বিরোধী আন্দোলনের তকমা দেওয়া হয় ছাত্রদের, সেই সময়ে তিনি সেখানকার পড়ুয়া। তারপর রাজ্যের সংসদীয় রাজনীতিতে যোগ দেন। একাধিকবার ভোটে লড়েছেন তিনি। এবারে তিনি দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন। সম্প্রতি শেষ করেছেন পিএইচডি, গান গাইতে ভালবাসেন, কেউ তাঁকে বর্তমান সিপিএমের পোস্টার গার্ল বলছে।</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp; চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">লিঙ্গবৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মুখ</h2>&#13;
<p>বারবার তিনি লিঙ্গবৈষম্য বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই তিনি নারী অধিকার, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলে এসেছেন। একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের সংবাদমাধ্যমে তাঁকে এই নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছে।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">মুড়ি, ছোলা, মটর, শশা, পেঁয়াজ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">শাহরুখ খান।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">আমার দাদা শোভন গাঙ্গুলি।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">অরুন্ধতী রায়।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">লাল বাড়ির ইতিহাস</h2>&#13;
<p>দিপ্সীতার পরিবারের বাম রাজনীতির একটা ইতিহাস রয়েছে। ওঁর ঠাকুরদা পদ্মনিধি ধর হাওড়ার ডোমজুড়ের বিধায়ক ছিলেন। তিনবারের জন্য তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। সেই পরিবারের সদস্য দিপ্সীতা। স্বাভাবিক ভাবে তাঁর পারিবারিক ইতিহাসেও বাম রাজনীতির ঐতিহ্য রয়েছে। আর বর্তমানে সেই ঐতিহ্যই বয়ে নিয়ে চলেছেন তিনি।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">সোশ্যালে মশাল</h2>&#13;
<p>দিপ্সীতা ধরের সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা পৃথিবীর যে কোনও অংশের রাজনীতিকদের ঈর্ষার কারণ হতে পারে। প্রচার শুরুর আগে বা পরে, তাঁর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে সাধারণ বাম সমর্থকদের সাড়া সবসময়েই বিপুল থাকে। ভোটের প্রচারেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বামেদের জনপ্রিয়তম মুখ, সে কথা বললেও বোধহয় ভুল বলা হবে না।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row d-flex justify-content-center align-items-center gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">সমুদ্র।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">লাল, কালো, গাঢ় বেগুনি।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">ওডোমস (আপাতত)।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dipsita dhar]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/8d5bdf27-4198-4fba-b5ec-cabaad3a2dd7.webp" length="41692" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/8d5bdf27-4198-4fba-b5ec-cabaad3a2dd7.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/20/8d5bdf27-4198-4fba-b5ec-cabaad3a2dd7.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ভয় বনাম ভরসা, বিজেপির এবারের আখ্যান নিয়েই তো প্রশ্ন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bjp-s-bengal-election-strategy-balancing-fear-and-hope-to-win-over-voters-442714</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/bjp-s-bengal-election-strategy-balancing-fear-and-hope-to-win-over-voters-442714</guid>
            <pubDate>Fri, 17 Apr 2026 19:11:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[এবারের ভোটে অনুপ্রবেশ থেকে সিন্ডিকেটরাজ, নারী নিরাপত্তা থেকে কর্মহীনতা, এমন আরও অনেক ইস্যু বিজ্ঞাপনে সামনে আনলেও বিজেপির মূল আখ্যানটা কিন্তু ‘ভয়।’ ভয় থেকে ভরসা।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আশিস ঘোষ&nbsp;</strong></p>&#13;
<p>এবারের ভোটে অনুপ্রবেশ থেকে সিন্ডিকেটরাজ, নারী নিরাপত্তা থেকে কর্মহীনতা, এমন আরও অনেক ইস্যু বিজ্ঞাপনে সামনে আনলেও বিজেপির মূল আখ্যানটা কিন্তু &lsquo;ভয়।&rsquo; ভয় থেকে ভরসা।</p>&#13;
<p>পদ্মে ছাপ দিলে রাজ্যবাসী ভয় থেকে মুক্তি পাবেন। যে তিনটি জিনিস থাকলে অন্তত রাজনীতিতে কিস্যু হয় না তার শেষেরটা হল ভয়। তার আগের দুটো হল লাজ আর লজ্জা। কিন্তু তা বলে ভোটারদের ভয় ছাড়া চলবে কী করে!&nbsp;</p>&#13;
<p>ভয় দেখাতে হবে এবং ভয় থেকে মুক্তির কথাও বলে যেতে হবে সমান দমে। এবারের পদ্মশিবিরের প্রচারের মূল ইস্যু ভয়। গত পনেরো বছর ধরে রাজ্যের শাসক দল যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তা দূর করবে।</p>&#13;
<p>ইস্তেহারে নানারকম হাতেগরম প্রতিশ্রুতি থাকলেও আসল কথাটা হল ওই ভয়মুক্তির আশ্বাস। মোদ্দা কথা, গত পনেরো বছর বাঙালি সর্বগ্রাসী ভীতির মধ্যে রয়েছেন। সেই দুরবস্থা থেকে বাঁচাবে পদ্ম।</p>&#13;
<p>রাতে মহিলারা নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পারবেন, সিন্ডিকেটের তোলাবাজির ভয়, ঘুষ দিয়ে চাকরি না পাওয়ার ভয়, পাড়ার দাদাদের ভয়, এসব থেকে মুক্তি দেবেন শ্রীযুক্ত নরেন্দ্র মোদি। একবার বোতাম টিপলেই মুশকিল আসান। ভয় আউট ভরসা ইন।</p>&#13;
<p>এতো গেল ভয় পাওয়া বাঙালির কথা। কিন্তু ভয় দেখানো? সেটার কী হবে? যেসব কথা গত মাসতিনেক ক্রমাগত বলে আসছেন বিজেপির নেতারা, তাতে ভয় পাওয়াই তো স্বাভাবিক।</p>&#13;
<p>বেছে বেছে ঘুষপেটিয়া অনুপ্রবেশকারীদের ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের দেওয়া হবে। এ কথা যেমন পাড়ার দু&rsquo;আনা চারআনা নেতারা গলা চড়িয়ে বলে বেরিয়েছেন তেমনই দিল্লি থেকে এসে আরও ওজনদার নেতারা হিন্দিতে একইভাবে শাসিয়ে গিয়েছেন।</p>&#13;
<p>ফলে এসআইআর শুরু হতেই ভয় গাঢ় হয়েছে। যত দিন গড়িয়েছে ততই সেই ভয় চেপে বসেছে। কেউ গলায় দড়ি দিয়েছেন, কেউ ভয়ঙ্কর চাপে অসুস্থ হয়ে অকালে জীবন হারিয়েছেন।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/ecYZ7tZWrbE?si=kKgdz2bisZGiozJm</p>&#13;
<p>অনেকেই পুরনো বাক্সপ্যাটরা নামিয়ে এনে তন্নতন্ন করে খুঁজে গিয়েছেন তাঁদের নাগরিক হওয়ার প্রমাণ। দরজায় দরজায় ঘুরেছেন। সব কাজ ছেড়ে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। আরও বেশি আতঙ্ক নিয়ে ফিরে এসেছেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই ভয়টার কী হবে? মানুষ যত হেনস্তা হয়েছেন ততটাই নির্বিকার বিরোধী নেতারা। কেউ ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ যাওয়াকে ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের সঙ্গে তুলনা করেছেন।</p>&#13;
<p>এত অসংবেদনশীল কথাবার্তা তাঁদের আরও ভীত করেছে। তাঁরা এক এক সময়ে এক একরকম ফরমানে বিভ্রান্ত হয়েছেন। প্রথমে লিস্টে নাম আছে কিনা সেই নিয়ে আতঙ্ক।</p>&#13;
<p>তারপর তলব পেয়ে নথিপত্র জোগাড় করে জমা দেওয়ার জন্য হা পিত্যেস লাইন। তারপরে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে কেবল বাংলার ভোটারদের চরম হয়রানি। কোথাও এক পরিবারের একজনের নাম আছে তো বাকি তিনজনের নাম নেই।&nbsp;কোথাও পাড়াকে পাড়া উধাও হয়েছে নিবিড় সংশোধনের নামে।</p>&#13;
<p>কাঁচি চলেছে মুসলিম, মহিলা, মতুয়াদের নামে। বাদ পড়েননি হিন্দুরাও। এই ব্যাপক নাম সংহার যে নিবিড় ভয়ের জন্ম দিল, তাকে ভয় না ভরসা কোন দিকে রাখব? পদ্মনেতারা কি বলতে পারবেন?</p>&#13;
<p><strong>লেখাটি লেখকের ব্যক্তিগত মতামত।</strong></p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[BJPNews]]></category>
            <category><![CDATA[electionnews]]></category>
            <category><![CDATA[westbengalnews]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/17/cd38a6d9-8b7a-48b5-be0d-50893f87339f.webp" length="88268" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/17/cd38a6d9-8b7a-48b5-be0d-50893f87339f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/17/cd38a6d9-8b7a-48b5-be0d-50893f87339f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-bikash-ranjan-bhattacharya-442471</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-bikash-ranjan-bhattacharya-442471</guid>
            <pubDate>Thu, 16 Apr 2026 16:18:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #dd1313;">বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/16/dea0d7cc-b0dc-4b85-a9e2-cc0aef9a3962.webp" alt="বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp; বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-এর সদস্য। পেশাগতভাবে তিনি আইনজীবী। তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির সাবেক মেয়র সুব্রত মুখার্জিকে নির্বাচনে হারিয়ে তিনি কলকাতায় জয়লাভ করেন । তিনি ৫ বছর ধরে ত্রিপুরায় অ্যাডভোকেট জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তিনি সারদা, নারদা ইত্যাদি মামলা লড়েছেন। কলকাতা পৌরসংস্থার মহানাগরিক হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি।</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp; দেবব্রত মজুমদার।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">রাজনীতিতে প্রবেশ ঠিক কী ভেবে?</h2>&#13;
<p>কলেজজীবনে প্রবেশের সময় তৎকালীন রাজনীতিতে বিশেষ একটি ঘটনা- রাজভবনে ধরমবীর একটি নির্বাচিত সরকারকে ফেলে প্রফুল্ল ঘোষকে সরিয়ে অজয় মুখার্জীকে আনেন। সসময় বিধানসভার স্পীকার বিজয় ব্যানার্জী( তখন হাজরা রোডের বাসিন্দা) অসাধারণ একটি রায় দেন। এসবের নিরিখে অনৈতিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েই, খানিকটা আবেগতাড়িত হয়েই রাজনীতিতে প্রবেশ।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">পৃথিবীর বুকে আজও বহুসংখ্যক মানুষ যেখানে খিদের সাথে লড়াই করছে রোজ, সেখানে ব্রেকফাস্টের মেনু নিয়ে আলোচনা অশ্রেয়,অশোভন। কারণ তাদের খিদে মেটানোর লড়াইটাই প্রথম সারির লড়াই ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বর্তমানে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, চন্দন দাশের লেখা "বাংলার সর্বনাশের দেড় শতক"।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">রাজনীতি ছাড়া এইমুহুর্তে ব্যক্তিগত জীবনে কী চলছে?</h2>&#13;
<p>ব্যক্তিজীবনের নীতি ও রাজনৈতিক আদর্শ পরস্পর ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। তাই রাজনৈতিক জীবনটাই ব্যক্তিজীবন। দুটো পৃথক নয়।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা</h2>&#13;
<p>লড়াইটা সরাসরি বামপন্থার সাথে দক্ষিণপন্থার। তাই সামগ্রিক ভাবে সব দক্ষিণপন্থীরা ও তাদের দলমতই মুল প্রতিদ্বন্দ্বী। এক্ষেত্রে মধ্যপন্থার কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">এটা নির্ভর করে পকেটে জমানো পুঁজির ওপর। তাই এই প্রশ্নটিও মুলগতভাবে বিলাসিতা ও পুঁজিবাদের দিকনির্দেশক। তবে হ্যাঁ,যেকোনো স্থানই তার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সম্ভারে সমৃদ্ধ। তাই সময় পেলে সম্ভবপর স্থানভ্রমণ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">নীল আকাশ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">বই।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/4138e8b8-5ce9-4d7c-8303-43b89198f225.webp" alt="কোন নীতিতে রাজনীতিতে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">কোন নীতিতে রাজনীতিতে</h3>&#13;
<p class="m-0">ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবাদী চরিত্র ও সত্যপ্রিয়তা এর মুলগত ভিত্তি। পরিণত অবস্থায় বাম মতাদর্শের বিষয়ে পড়াশুনো ও এর চর্চা একটা নির্দিষ্ট অবস্থান নির্ধারণে পাথেয় হয়।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Bikash Ranjan Bhattacharya]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/16/dea0d7cc-b0dc-4b85-a9e2-cc0aef9a3962.webp" length="52110" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/16/dea0d7cc-b0dc-4b85-a9e2-cc0aef9a3962.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/16/dea0d7cc-b0dc-4b85-a9e2-cc0aef9a3962.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সংকল্পের বিশ্বাসযোগ্যতা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/west-bengal-elections-2026-how-credible-are-bjp-s-promises-on-cash-aid-jobs-and-women-s-safety-442368</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/analysis/west-bengal-elections-2026-how-credible-are-bjp-s-promises-on-cash-aid-jobs-and-women-s-safety-442368</guid>
            <pubDate>Wed, 15 Apr 2026 21:07:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিজেপিও দীর্ঘ দিন কেন্দ্রে এবং নানা রাজ্যে ক্ষমতাসীন। তাই অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর কাজের নমুনা দেখে তারপর যাচাই করাটাই বোধহয় সংগত।]]></description>
            <dc:creator>কৌশিক রায়</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>প্রণব কান্তি বসু</strong></p>&#13;
<p>দীর্ঘ পনেরো বছর শাসন করার পর বর্তমান তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের নানা ক্ষোভ সঞ্চারিত হওয়া স্বাভাবিক। যার অনেকটাই সংগতও বটে, যেমন দুর্নীতি, অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, ইত্যাদি। তবে প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও কিন্তু দীর্ঘ দিন কেন্দ্রে এবং নানা রাজ্যে ক্ষমতাসীন। তাই অন্যান্য রাজ্য এবং কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর কাজের নমুনা দেখে তারপর যাচাই করাটাই বোধহয় সংগত হবে।</p>&#13;
<p>বিজেপির সবচেয়ে নজরকাড়া প্রতিশ্রুতি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রত্যেক মহিলাকে মাসে ৩০০০ টাকা দেওয়ার &lsquo;সংকল্প&rsquo;। এটা অবশ্যই ১৫০০ টাকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রতিস্পর্ধী প্রতিশ্রুতি। তবে এই প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা সম্বন্ধে যথেষ্ট সন্দেহের জায়গা রয়েছে।&nbsp;কারণ, বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে এমন কোন প্রকল্প চালু হয়নি। বিধবা ভাতা এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে বিশেষ বর্গের মহিলাদের কিছু অর্থ সাহায্য দেওয়া হয়। তবে বাংলায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মত মহিলাদের সর্বজনীন প্রকল্প বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যে নেই।</p>&#13;
<p>সংকল্প পত্রে বিজেপি কথা দিয়েছে প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলাকে ২১,০০০ টাকার আর্থিক সাহায্য এবং ছ&rsquo;টি পুষ্টি সরঞ্জামের কিট দেওয়ার। এই প্রতিশ্রুতি নিয়েও যথেষ্ট সংশয় থেকে যায়। বিজেপি শাসিত কোনও রাজ্যেই এমন প্রকল্প চালু নেই। কেন্দ্রের অবশ্য একটি প্রকল্প রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনা।এই প্রকল্পের অধীনে প্রথম সন্তান ধারণের জন্য তিন কিস্তিতে ৫০০০ টাকা দেওয়া হয়। তবে এটা তো রাজ্যে কে ক্ষমতায় এল তার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নয়।&nbsp;যেহেতু এটা কেন্দ্রের প্রকল্প, ফলে এটা সমস্ত রাজ্যের বাসিন্দাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আরও লক্ষ্য করার মত যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া পরিমাণের তুলনায় এই প্রকল্পে অনুদান অনেক কম।</p>&#13;
<p>যুব সম্প্রদায়কে বিশেষ প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থানের। এই প্রতিশ্রুতি কতটা বিশ্বাসযোগ্য তা অনুমান করা মুশকিল। কারণ, কোন ক্ষেত্রে কত কর্মসংস্থান হবে তাও স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।&nbsp;তবে এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে কারণ খোদ কেন্দ্রেই প্রচুর শূন্যপদ পরে আছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী শুধু রেলেই ১.২ লক্ষের বেশি শূন্যপদ পরে রয়েছে। ২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ১.৫৫ লক্ষ শূন্যপদ রয়েছে।</p>&#13;
<p>এর পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গে নারী নিরাপত্তা নিয়ে বিজেপি বহুদিন ধরেই সরব। এবার নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রকাশ করা সংকল্প পত্রে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে মহিলাদের সুরক্ষার জন্য দুর্গা স্কোয়াড নামে মহিলা পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের।&nbsp;এটা ঠিক যে আমাদের সংস্কৃতি বদলেছে, যা অভয়ার ধর্ষণ ও খুনের মত ঘৃণ্য ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এর নানা কারণ থাকতে পারে। যেমন, বিনোদন জগতের প্রভাবে দেশব্যাপী পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ক্রুর অনুকরণ বাংলার গ্রামীণ সমাজেও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এমন ভাবার কোন কারণ নেই যে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি মহিলাদের জন্য স্বর্গ রাজ্য। আর পশ্চিমবঙ্গে মহিলারা ভয়ে সিঁটিয়ে থাকেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>এটা ঘটনা, বাংলায় মহিলাদের সুরক্ষা গর্ব করার মত নয়।হারের বিচারে (এক লক্ষ মহিলার মধ্যে হেনস্থার শিকারের সংখ্যা) সরকারি এনসিআরবি-এর তথ্য অনুসারে সমস্ত রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে নবম স্থানে। এই রাজ্যের থেকে বেশী নারী নিগ্রহের হার যে আটটি রাজ্যে রয়েছে তার সাতটিই বিজেপি শাসিত।&nbsp;ধর্ষণের হিসাবে, ওই একই সরকারি সূত্র বলছে, প্রথম পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে (যাতে পশ্চিমবঙ্গ নেই) চারটিই বিজেপি শাসিত। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, বড় শহরগুলির মধ্যে সবচেয়ে কম ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কলকাতাতেই। একটা সংগত প্রশ্ন অবশ্যই থেকে যায়, সমস্ত নির্যাতন আর ধর্ষণের ঘটনা তো প্রকাশ্যে আসে না, সেটা সামাজিক লজ্জায় হোক বা ভয়ে।&nbsp;তবে এই সমস্যা তো শুধু বাংলায় নয়, গোটা দেশেই রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, যারা বর্তমানে নিজেদের শাসন করা রাজ্যে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না, তাদের মুখে পশ্চিমবঙ্গে নারী সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি খুব একটা ভরসা যোগায় না। আর দুর্গা ব্যাটালিয়ন গঠনের বিজেপির সংকল্পও একটু ভয় ধরাচ্ছে। কারণ, সঙ্ঘ পরিবারের দুর্গা বাহিনীর নানা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় জড়ানোর অভিযোগ আছে। আমাদের রাজ্যেও এদের তাণ্ডব আমরা দেখেছি।&nbsp;</p>&#13;
<p>বাকি সংকল্পগুলি অনেকটাই অকিঞ্চিৎকর। যেমন, যেখানে বিজেপির সমর্থক বেশী, সেই সমস্ত কেন্দ্রে বিশেষ সুবিধা প্রদানের আশ্বাস অথবা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতির অঙ্গ। এর মধ্যে রয়েছে অভিন্ন দিওয়ানী বিধি চালু। রয়েছে হিন্দুদের ধর্মস্থানকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় পর্যটনের পরিকল্পনা।&nbsp;উত্তরবঙ্গে এইমস, আইআইএম, আইআইটি তৈরির প্রতিশ্রুতি রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানী বিধি এবং ধর্মীয় স্থানকেন্দ্রিক পর্যটন সম্বন্ধে প্রতিশ্রুতি বিশ্বাসযোগ্য। তবে এইমস, আইআইএম, আইআইটি তৈরি হলেও সেগুলির মান কীরকম হবে তা নিয়েও সংশয়ের অবকাশ রয়েছে।&nbsp;যেমন, কল্যাণীতে এইমস তৈরি হয়েছে বটে কিন্তু তা এখনও পুরোদমে চালু করা হয়নি। চিকিৎসার পরিকাঠামোর এখনও অনেক উন্নতি দরকার। প্রচুর চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য সহায়ক পদ এখনও খালি রয়েছে।</p>&#13;
<p>অর্থাৎ, প্রতিশ্রুতি যাই হোক তার ওপর ভরসা করে ভোটদান খুব একটা যুক্তিসঙ্গত হবে বলে মনে হয় না। এবার নির্বাচনের প্রধান ইস্যু রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের পক্ষে। আর প্রধান বিরোধী দল হিন্দু রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে। প্রতিশ্রুতিপত্রে শক্তিপীঠ সার্কিট ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু সার্কিট তৈরির সংকল্প এটারই ইঙ্গিত।&nbsp;তাছাড়া এই নির্বাচনে সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৫% ভোটদাতার নাম বাদ পড়া। এসআইআরের ন্যায্যতা যাই হোক না কেন, যেটা প্রাসঙ্গিক সেটা হল বিজেপি নেতৃত্ব অবিচল ভাবে এই প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে।&nbsp;আর বাদ দেওয়ার পিছনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, তারা বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা অনুপ্রবেশকারী। গত ১১ এপ্রিল, জঙ্গিপুরের জনসভা থেকে স্বয়ং&nbsp; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করলেন যে পশ্চিমবঙ্গে &lsquo;বাঙালিদের সংখ্যালঘু হতে দেবেন না&rsquo;। অর্থাৎ, বিজেপির মত এটাই যে বাঙালি মুসলমান হতে পারে না। হিন্দুদের সংখ্যালঘু হওয়ার কৌমী সংঘাত উত্তেজক সম্ভাবনা যে কতগুলো ভুল তথ্যের ওপর গঠিত, সে বিষয়ে আলোচনা এই প্রেক্ষিতে অপ্রাসঙ্গিক বলে বাদ দিলাম। তবে একটা সতর্কবাণী আবশ্যিক, যে কোনও কৌমী শাসন ব্যক্তি স্বাধীনতা ভিত্তিক গণতন্ত্র বিরোধী।</p>&#13;
<p><strong>(প্রণব কান্তি বসু বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক৷ লেখাটি লেখকের ব্যক্তিগত মতামত।)</strong></p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[BJPNews]]></category>
            <category><![CDATA[localnews]]></category>
            <category><![CDATA[westbengalnews]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/15/fdd5f0b8-e564-46db-a3bf-2e59e3698172.webp" length="67984" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/15/fdd5f0b8-e564-46db-a3bf-2e59e3698172.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/15/fdd5f0b8-e564-46db-a3bf-2e59e3698172.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[২৫ হাজার ফ্রেসার নেবে টিসিএস, হাতে সময় কতদিন?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/tcs-makes-25000-fresher-offers-in-fy27-441827</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/tcs-makes-25000-fresher-offers-in-fy27-441827</guid>
            <pubDate>Sun, 12 Apr 2026 14:39:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে—পরিস্থিতি উন্নত হলে নিয়োগের দরজা এখনও খোলা রয়েছে।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ভারতের বৃহত্তম তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা টিসিএস চলতি আর্থিক বছরে ফ্রেশার নিয়োগে বড়সড় কাটছাঁট করেছে। তারা ২৫,০০০ জন নতুন গ্র্যাজুয়েটকে চাকরির অফার দেবে। আগের আর্থিক বছরের ৪৪,০০০ জন নিয়োগের তুলনায় অনেকটাই কম। তবে সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে&mdash;পরিস্থিতি উন্নত হলে নিয়োগের দরজা এখনও খোলা রয়েছে।</p>&#13;
<p><br>টিসিএস-এর প্রধান নির্বাহী ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে কৃথিবাসম এক সাক্ষাৎকারে জানান, &ldquo;আমরা ২৫,০০০ ফ্রেশারকে অফার দিয়েছি। আগামী মাসগুলিতে চাহিদার স্পষ্টতা বাড়লে নিয়োগও বাড়ানো হবে।&rdquo; অর্থাৎ, সংস্থার ভবিষ্যৎ নিয়োগ পরিকল্পনা পুরোপুরি নির্ভর করছে বাজারের চাহিদার উপর।<br>গত কয়েক বছর ধরে টিসিএস ধারাবাহিকভাবে বছরে ৪০,০০০-এর বেশি ফ্রেশার নিয়োগ করে এসেছে। সেই ধারার তুলনায় এবারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় আইটি শিল্পে কিছুটা সতর্কতার বার্তা মিলছে। বিশ্বে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং প্রযুক্তি খাতে মন্দা এই সিদ্ধান্তের পিছনে অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p><br>তবে ফ্রেশারদের গুরুত্ব কমেনি&mdash;একথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন কৃথিবাসম। অনেকের ধারণা, সংস্থা হয়তো অভিজ্ঞ কর্মী বা &lsquo;ল্যাটারাল হায়ারিং&rsquo;-এর দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু তিনি এই ধারণা খারিজ করে বলেন, টিসিএস-এর ডেলিভারি মডেলে ফ্রেশারদের ভূমিকা এখনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও একজন নতুন কর্মীকে প্রজেক্টে কাজ করার উপযোগী হতে প্রায় ৯ মাস প্রশিক্ষণ প্রয়োজন হয়, তবুও দীর্ঘমেয়াদে তারাই সংস্থার মূল শক্তি।</p>&#13;
<p><br>অন্যদিকে, সংস্থার কর্মী পুনর্গঠন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রায় ১২,০০০ কর্মী, বিশেষত সিনিয়র স্তরের কর্মীদের বিদায় নেওয়ার খবর সামনে আসে। এই প্রসঙ্গে কৃথিবাসম বলেন, কর্মীদের পারফরম্যান্সই সংস্থায় টিকে থাকার মূল মাপকাঠি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে এই ছাঁটাই হয়নি বলেও তিনি স্পষ্ট করেছেন। বরং কাজের ধরণ বদলে যাওয়ায় সিনিয়র স্তরের প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমেছে।</p>&#13;
<p><br>ব্যবসার দিক থেকে টিসিএস পরিস্থিতিকে &ldquo;স্থিতিশীল&rdquo; বলে বর্ণনা করেছে। যদিও এই স্থিতিশীলতার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তার ছায়া। তবুও সংস্থার মতে, নতুন প্রজেক্ট এবং ক্লায়েন্ট চাহিদা ধীরে ধীরে বাড়ছে। খরচ কমানোর প্রকল্পের পাশাপাশি বড়সড় ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন ডিলও আসছে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=ecYZ7tZWrbE<br>২০২৬ অর্থবর্ষে টিসিএস মোট ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি অর্জন করেছে, যা সংস্থার শক্তিশালী বাজার অবস্থানকে তুলে ধরে। পাশাপাশি, নতুন চুক্তি থেকে আয়ে রূপান্তরের হারও বেড়েছে। গ্রাহকেরা আগের তুলনায় বেশি কাজ টিসিএসকে দিচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে রাজস্ব বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে, টিসিএস সতর্ক কিন্তু আশাবাদী। ফ্রেশার নিয়োগ কমলেও ভবিষ্যতের সম্ভাবনা এখনও উজ্জ্বল&mdash;শুধু দরকার বাজারে চাহিদার পরিষ্কার সংকেত।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Fresher offers]]></category>
            <category><![CDATA[job news]]></category>
            <category><![CDATA[tcs]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/12/06bdafdc-5f2f-439c-a566-4cafe002121d.webp" length="56376" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/12/06bdafdc-5f2f-439c-a566-4cafe002121d.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/12/06bdafdc-5f2f-439c-a566-4cafe002121d.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মমতা ব্যানার্জী]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-mamata-banerjee-441196</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-mamata-banerjee-441196</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Apr 2026 18:04:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #3d8f21;">মমতা ব্যানার্জী</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/06/9704da51-d6b3-4d26-a7cf-62a24b791c8d.webp" alt="মমতা ব্যানার্জী" width="312" height="416"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp;আজীবন জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রপরিষদের সদস্য, নেত্রী। কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের খুব কাছাকাছি চলে আসেন কম বয়সেই। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে তিনি উঠে আসেন খবরের শিরোনামে। কংগ্রেসের সঙ্গে মতবিরোধ হওয়ায় তিনি তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেন। পশ্চিমবঙ্গে বাম সরকারের পতন তাঁর নেতৃত্বে তৈরি হওয়া আন্দোলনের জেরেই। জ্যোতি বসুর পরে তিনিই পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বেশি সময়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে রয়েছেন।</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp;শুভেন্দু অধিকারী।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">লড়াই তাঁর সবসময়ের সঙ্গী</h2>&#13;
<p>বিরোধী নেত্রী হিসাবে সারা দেশে বারবার আলোচিত হয়েছে তাঁর ভূমিকা। বিভিন্ন সময়ে বিরোধী শিবিরের নেতৃত্বও স্বীকার করেছে, তাঁর মতো জনপ্রিয়তা প্রায় কোনও নেতৃত্বেরই নেই। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও তিনি নানা মহলের মানুষকে তৃণমূলের বৃত্তে নিয়ে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে ক্রমাগত লড়াই করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে। তাঁর নেতৃত্বেই কেন্দ্রীয় স্তরে বিরোধী ঐক্য তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে লড়াই তাঁর সবসময়ের সঙ্গী।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">লেখা, গান, ছবি আঁকা, সবেতেই ব্যস্ত থাকেন তিনি</h2>&#13;
<p>ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি লিখে ফেলেছেন ১০০-এর বেশি বই। সেই তালিকায় যেমন কবিতা আছে তেমনই আছে রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন বিচিত্র অভিজ্ঞতার মিশেল। পাশাপাশি, তিনি নিয়মিত ছবি আঁকার মধ্যেও থাকেন। সম্প্রতি এসআইএর-এর বিরোধিতার মঞ্চেও তাঁকে ছবি আঁকতে দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গান রচনা করেছেন তিনি। কখনও সেই গান রাজনৈতিক, কখনও বা দুর্গাপুজো উপলক্ষে তাঁর রেকর্ড করা গান বেজেছে মণ্ডপে-মণ্ডপে।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">২৯৪ কেন্দ্রে তিনিই প্রার্থী?</h2>&#13;
<p>মমতা ব্যানার্জি এর আগে নির্বাচনী প্রচারে বলেছিলেন, ২৯৪ কেন্দ্রে তিনিই প্রার্থী। এবারে যদিও তিনি বলেননি সে কথা। কিন্তু একথা স্পষ্ট, এখনও তৃণমূলের হৃদয় মমতা ব্যানার্জিকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়। তাঁর মুখের দিকে তাকিয়েই তৃণমূলের সমর্থক থেকে ভোটাররা ছুটে আসেন। বিপুল জনপ্রিয়তা তিনি বারংবার প্রমাণ করেছেন। এবারেও তিনিই তৃণমূলের ভোট প্রচারের কেন্দ্রে।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">নির্বাচনী কৌশল ও প্রচার</h2>&#13;
<p>বেতন বাড়ল ইএসআই-য়ে কর্মরত গ্রুপ ডি চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের। তাঁদের বেতন মাসে ১২,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ১৫,০০০ টাকা করা হল। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বুধবার ২৭ নভেম্বর এই সম্পর্কিত নোটিস জারি করা হয়েছে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন-এর আহ্বায়ক প্রতাপ নায়েক বলেন, `জনদরদী ও কর্মীদরদী মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ। তিনি যে সবসময় কর্মীদের কথা ভাবেন তার প্রমাণ এই বেতন বৃদ্ধি। এর ফলে উপকৃত হবেন ইএসআইয়ে কর্মরত ৮১৮ জন গ্রুপ ডি কর্মী। বর্ধিত বেতন চলতি নভেম্বর থেকেই তাঁরা পাবেন।`</p>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Mamata Banerjee]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/522ecf5e-0d4e-41ab-81b9-50483ed2408b.webp" length="47586" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/522ecf5e-0d4e-41ab-81b9-50483ed2408b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/522ecf5e-0d4e-41ab-81b9-50483ed2408b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[দিলীপ ঘোষ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-dilip-ghosh-441195</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-dilip-ghosh-441195</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Apr 2026 18:02:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #f07f19;">দিলীপ ঘোষ</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/0d05fe10-eb97-4c4e-96a2-2175a546ebbe.webp" alt="দিলীপ ঘোষ" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp;দাপুটে বিজেপি নেতা। প্রাথমিক ভাবে বঙ্গ বিজেপির দায়িত্ব তিনি নেওয়ার পর থেকেই গেরুয়া শিবিরের উল্লেখযোগ্য উত্থান। ১৯৬৪ সালের ১ অগাস্ট তাঁর জন্ম পশ্চিম মেদিনীপুরের গোপিবল্লভপুরে। ১৯৮৪ সালে তিনি আরএসএস-এর প্রচারক হিসাবে যাত্রা শুরু করেন। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের প্রচারক হিসাবে কাজ করেছে ১৯৯৯ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত। বঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে তিনি কাজ শুরু করেন, ২০১৪ সালে। ২০১৫ সালে তিনি বঙ্গ বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হন।</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp;প্রদীপ সরকার (তৃণমূল)</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">ভোটের রাজনীতিতে দিলীপ</h2>&#13;
<p>ভোটের রাজনীতিতে নানারকম উত্থান-পতনের মধ্যে দিতে তাঁকে যেতে হয়েছে. ২০১৬ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করে তিনি জয় পেয়েছিলেন। পরাস্ত করেছিলেন খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের প্রার্থী জ্ঞানসিং সোহনপালকে। এরপর ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি লড়াই করেন মেদিনীপুর লোকসভা আসনে। সেখানে তিনি মানস ভুঁইয়াকে পরাস্ত করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি আবারও বিজেপির রাজ্য সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০২১ সালের ভোটের ময়দানে তিনি লড়াই করেননি। ২০২৪ সালে তিনি লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করলেও জয় পাননি। তাঁকে বিজেপি জাতীয় সহ-সভাপতি করে পরবর্তীতে।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">ইডলি।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">অমিতাভ বচ্চন, উত্তম কুমার।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">কিশোর কুমার, মান্না দে, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">বিতর্কের নাম দিলীপ</h2>&#13;
<p>দিলীপ ঘোষ মানেই মর্নিং ওয়াক। সাংবাদিকদের সকাল সকাল 'দিলীপ-বাণী' না শুনলে খবরের ভাঁড়ার পূর্ণ হয় না। তিনি বারংবার আলোচিত হয়েছে বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য। মমতা ব্যানার্জিকে নিয়ে করা তাঁর মন্তব্য, বা তৃণমূল সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে করা আক্রমনাত্মক কথা তাঁকে শিরোনামে এনেছে। শুধু তাই নয়, দীর্ঘদিন অবিবাহিত থাকার পর তাঁর বিয়ে নিয়েও সংবাদমাধ্যমে আলোচনা কম করেনি। সব মিলিয়ে বাংলা রাজনীতির বাজারে দিলীপ ও বিতর্ক বেস্ট ফ্রেন্ড।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">এবারের ভোটের কৌশল</h2>&#13;
<p>দিলীপ বলেছিলেন, এবারে গ্রহও কুপিত হয়েছে তৃণমূলের উপর। দিলীপের একাধিক কথায় উঠে এসেছে, তিনিও হিন্দু নির্যাতনের ইতিহাস নিয়ে ভোটের ময়দানে কথা বলবেন। সাংবাদিকদের সামনে তিনি ওয়াকফ থেকে সিএএ, সব নিয়ে তৃণমূলের অবস্থানকে আক্রমণ করেই তিনি এগোতে চাইছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এবার তিনি ফিরে গিয়েছেন তাঁর চেনা আসনে, পরিচিত বৃত্তে। তাই জেতার বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3 d-flex align-items-stretch justify-content-center">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">আন্দামান, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল, কাশ্মীর, ডুয়ার্স।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">সাদা।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">রুমাল।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[dilip ghosh]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/a2a5c8b6-8346-494b-af7c-78df413fb2a2.webp" length="49302" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/a2a5c8b6-8346-494b-af7c-78df413fb2a2.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/a2a5c8b6-8346-494b-af7c-78df413fb2a2.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ঋতব্রত ব্যানার্জি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-ritabrata-banerjee-441193</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-ritabrata-banerjee-441193</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Apr 2026 18:00:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #3d8f21;">ঋতব্রত ব্যানার্জি</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/07/9f6ae562-ca61-44f4-9171-4b5241a68392.webp" alt="ঋতব্রত ব্যানার্জি" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp; ১৯৭৯ সালের ১৫ নভেম্বর ঋতব্রতর জন্ম। সাউথ পয়েন্ট হাইস্কুলের ছাত্র থিনি। সেখান থেকে তিনি প্রবেশ করেছিলেন আশুতোষ কলেজে। সেখানে ইংরাজি সাহিত্যের ছাত্র তিনি। তারপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। তিনি কলেজে পড়াকালীন বাম ছাত্র সংগঠনের জিএস ছিলেন। তারপর পুরোদমে বাম রাজনীতি করেছেন দীর্ঘদিন। ২০১৭ সালের ২ জুন তাঁকে সিপিএম বহিস্কার করে।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">রাজনীতিতে প্রবেশ</h2>&#13;
<p>যাদবপুরের কলোনিতে বেড়ে ওঠা। ঠাকুরদা সক্রিয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সশস্ত্র ধারার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, আমার বাবাও রাজনীতি সচেতন মানুষ। রাজনৈতিক চেতনা পরিবার থেকেই।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">সারাদিনে একবার খান। সকালে দু'গ্লাস ডাবের জল, দুটো হাঁসের ডিম।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">সৌমিত্র।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">দেবব্রত বিশ্বাস।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">সবকিছুর ঊর্দ্ধে রবীন্দ্রনাথ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">প্রচার কৌশল</h2>&#13;
<p>আমি একজন পার্টিজান লোক। কেউ আমাকে পার্টিজান বললে, আমি খুব খুশি হই। ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে একজন রাজনৈতিক মানুষ। দল যখন চা-বলয়ে পাঠিয়েছিল, তখন সেখানেই থাকতাম কাজের জন্য। এরপর যখন যা দায়িত্ব দিয়েছে দল, সবটাই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। এবারেও ১০০ শতাংশ এফোর্ট দেব।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">পেশাগত জীবন</h2>&#13;
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকেই দলের সর্বক্ষনের কর্মী ছিলাম। রাজনীতি ছাড়া কোনও পেশাই আমার নেই।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">সমুদ্র।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">সাদা, কালো।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">বই ও পেন।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/4138e8b8-5ce9-4d7c-8303-43b89198f225.webp" alt="কোন নীতিতে রাজনীতিতে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">কোন নীতিতে রাজনীতিতে</h3>&#13;
<p class="m-0">রাজনীতির থেকে মানুষের জন্য ভাল কাজ করার সুযোগ হয় না।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Ritabrata Banerjee]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/5f7de971-bac0-4908-ad24-4b807e26c0a8.webp" length="42546" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/5f7de971-bac0-4908-ad24-4b807e26c0a8.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/5f7de971-bac0-4908-ad24-4b807e26c0a8.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[লাভলি মৈত্র]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-lovely-maitra-441192</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-lovely-maitra-441192</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Apr 2026 17:57:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #3d8f21;">লাভলি মৈত্র</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/07/0e03b5db-0705-45c8-b2f9-fe24c47f3984.webp" alt="লাভলি মৈত্র" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp;পেশায় অভিনেত্রী, দীর্ঘদিন তৃণমূল নেত্রীর কাছের মানুষ, অভিনয়ের পর্দা থেকে ভোটের ময়দানে সফল বিধায়ক</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp;রূপা গাঙ্গুলি</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">ব্যাক্তিগত প্রেক্ষাপট</h2>&#13;
<p>লাভলি ওরফে অরুন্ধতী মৈত্র নাইন্টিস কিড। ১৯৯০ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর জন্ম। টেলিভিশনের কাজ শুরু করেছিলেন জনপ্রিয়তার শিখরে থেকে। ২০১৩ সালে স্টার জলসার জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়াল জল নুপুর-এ তিনি অভিনয়েরন। এছাড়াও বাংলা সিরিয়াল মোহর ও গুড্ডি-তে তাঁকে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। তার আগে তিনি অভিনয় করেছেন সাত পাকে বাঁধা, সুবর্ণলতা, বিন্নি ধানের খই-এর মতো জনপ্রিয় টেলিভিশন সিরিয়ালে। এর পরেই তাঁর রাজনীতিতে আসা।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">রুটি-পরোটা।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">শাহরুখ খান।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">অরিজিৎ সিং।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">সত্যজিৎ রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, লীলা মজুমদার।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">রাজনীতিতে প্রবেশ</h2>&#13;
<p>তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জির খুব কাছাকাছি তিনি ছিলেন প্রথম থেকেই। ২০১১ সাল থেকে সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ছিলেন জীবন মুখোপাধ্যায়। তিনি ইতিহাস গবেষক ও স্কুল পাঠ্য বইয়ের লেখক। তিনি দুবারের বিধায়ক ছিলেন সোনারপুরে। এরপর ২০২১ সালে প্রথমবারের জন্য প্রার্থী হন লাভলি। এবার, অর্থাৎ ২০২৬ সালে তিনি আদৌ প্রার্থী হবেন কী না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁকেই সোনারপুর দক্ষিণে প্রার্থী করে তৃণমূল।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">সমুদ্র ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">সাদা ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">মোবাইল ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/4138e8b8-5ce9-4d7c-8303-43b89198f225.webp" alt="কোন নীতিতে রাজনীতিতে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">কোন নীতিতে রাজনীতিতে</h3>&#13;
<p class="m-0">সততা, নিষ্ঠা ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">নির্বাচনী কৌশল ও প্রচার</h2>&#13;
<p>লাভলি বলছেন, প্রতিপক্ষ যে থাকুক, লড়াই আসলে কোন ব্যক্তির সঙ্গে সেটা বড় কথা নয়, আসল কথা হল তৃণমূলের উন্নয়ন। তৃণমূলের উন্নয়নকে সামনে রেখে তিনি এবার ভোটের প্রচারে এগিয়ে যাবেন। পাশাপাশি তাঁর দাবি, সোনারপুর দক্ষিণে তাঁর জনসংযোগ ৩৬৫ দিন, ২৪ ঘণ্টার, তাই ভোট নিয়ে তাঁর বিশেষ চিন্তা নেই।</p>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Lovely Maitra]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/68c7e442-1ccd-407e-b22d-f5b9822fa3c8.webp" length="38870" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/68c7e442-1ccd-407e-b22d-f5b9822fa3c8.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/68c7e442-1ccd-407e-b22d-f5b9822fa3c8.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[তাপস রায়]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-tapas-roy-441191</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-tapas-roy-441191</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Apr 2026 17:54:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #f07f19;">তাপস রায়</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/07/58f12692-be5e-4858-8ea3-cd7db49d82de.webp" alt="তাপস রায়" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp;রাজ্য রাজনীতির দাপুটে নেতা। সত্তরের দশকে রাজনীতির আঙিনায় প্রবেশ। সোমেন মিত্রর হাত ছেড়ে এক সময়ে তৃণমূলে প্রবেশ। দীর্ঘকাল ঘাস ফুল শিবিরের রাজনীতি করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হয়েছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও। পরে তৃণমূল ছেড়ে যোগ দেন বিজেপিতে। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে ভোট লড়েছিলেন। ফের ভোটের ময়দানে ২৬-এ।</p>&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:</span></strong>&nbsp;শ্রেয়া পাণ্ডে (তৃণমূল কংগ্রেস)</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">ভোট-যুদ্ধে তাপস</h2>&#13;
<p>কংগ্রেস ঘুরে, তৃণমূলে এসে, ভোট লড়েন বিধানসভা নির্বাচনে। ২০০১ সালে বড়বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হন। পরে, ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১, তিনবার বিধায়ক হন বরানগর বিধানসভা থেকে। লড়াই করেছেন পুরসভা ভোটে। লড়েছেন ২৪-এর লোকসভা ভোটেও।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row row-cols-1 row-cols-sm-2 row-cols-md-5 g-3">&#13;
<div class="col">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">ওটস।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">উত্তম কুমার।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">লতা মঙ্গেশকর।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">ফোন।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col">&#13;
<div class="four w-100  h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/4138e8b8-5ce9-4d7c-8303-43b89198f225.webp" alt="কোন নীতিতে রাজনীতিতে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">কোন নীতিতে রাজনীতিতে</h3>&#13;
<p class="m-0">মানুষের পাশে থাকা, সেবা করা।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">রাাজনীতিতে কেন, কবে?</h2>&#13;
<p>রাজনীতিতে আসার ইচ্ছে হয় সিনিয়র দাদাদের দেখে। সেই সময় যারা নেতৃত্ব দিতেন, তাঁদের কথা শুনে যুবক তাপসের মনে হয়েছিল, মানুষের উপকার করা যাবে মানুষের সেবা করা যাবে রাজনীতিতে এলেই। সেখান থেকেই রাজনীতির ময়দানে পদার্পণ। ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতি শুরু করেছিলেন। মনোমালিন্য, একাধিবার দল বদলে, সেই রাজনীতির আঙিনায় লড়াই জারি এখনও।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">কোন কৌশলে ভোটের প্রচার?</h2>&#13;
<p>এত বছর ধরে রাজনীতিতে। তাই তাঁর কাছে কৌশল বলে সেরকম ভাবে কিছু রাখছেন না। পুরসভা থেকে বিধানসভা, লোকসভা, সব ভোটের অভিজ্ঞতাই মূলধন। দীর্ঘকালের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি টেকনোলজিতেও ভরসা রাখছেন বিজেপির তুরুপের তাস।</p>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Tapas Roy]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/93ea5e29-1585-41fa-bd18-f579a0b58143.webp" length="43712" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/93ea5e29-1585-41fa-bd18-f579a0b58143.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/93ea5e29-1585-41fa-bd18-f579a0b58143.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ফিরহাদ হাকিম]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-firhad-hakim-441189</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/celebrity-candidate/celebrity-candidate-firhad-hakim-441189</guid>
            <pubDate>Wed, 08 Apr 2026 17:51:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[]]></description>
            <dc:creator>দীপ চন্দ</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<div class="w-100 celebrity-detail__heading mb-3">&#13;
<h1 class="m-0"><strong><span style="color: #3d8f21;">ফিরহাদ হাকিম</span></strong></h1>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__top p-4 mb-3 d-flex justify-content-center align-items-stretch">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-4"><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/07/4cd65efa-4811-4627-a9e2-fc3a8110e053.webp" alt="ফিরহাদ হাকিম" width="292" height="407"></div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-8 d-flex">&#13;
<div class="w-100 p-4 rounded-4 celebrity-detail__top-bio align-self-center">&#13;
<p><strong><span style="color: var(--bs-lemonyellow);">প্রার্থী সম্পর্কে:</span></strong>&nbsp;ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্ব, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ক্রমেই তাঁকে টানে রাজনীতির দিকে। ততদিনে পাড়ায় যে কোনও কারও বিপদে দাঁড়াতে শুরু করেছেন 'ববি'। ধীরে ধীরে রাজনীতির আঙিনায়। ব্লক প্রেসিডেন্ট, স্তাহ্নীয় নেতা ববির পরিচয় মমতার সঙ্গে ১৯৯০ পরবর্তী সময়ে। মমতা ব্যানার্জি তখন যুব কংগ্রেসের দায়িত্বে। ববি এলেন স্টেট কমিটিতে। মমতার হাত ধরেই তৃণমূলে। তারপর কাউন্সিলর, বিধায়ক, মন্ত্রী, ফিরহাদ হাকিম ববি দিনে দিনে বাংলার রাজনীতির চেনা মুখ হলেন।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">পাড়ার ববি, বিধানসভার ববি</h2>&#13;
<p>বয়স তখন কত হবে, ৫-৬! বাবার সঙ্গে ব্রিগেড গ্রাউন্ডে গিয়েছিলেন ইন্দিরা-মুজিবের সভা দেখতে। দিনে দিনে ইন্দিরার নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধ আকর্ষণ করল বালক ববিকে। ধীরে ধীরে রাজনীতিকে বুঝতে চাওয়া। তখনও তিনি কেবল পাড়ার বিপদ-আপদের ববি। সেই ববি পাড়া, ব্লক দিয়ে ঢুকলেন রাজনীতিতে। ১৯৯০ সালে, সাউথ ক্যালকাটা থেকে পার্লামেন্টের প্রার্থী হন মমতা, তখন থেকেই রাজনীতিতে মমতার হাত ধরেন ফিরহাদ হাকিম। কংগ্রেস ঘুরে তৃণমূল, পাড়ার ববি কাউন্সিলর হলেন, বিধায়ক হলেন, শহরের মেয়র হলেন, হলেন মন্ত্রী।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/d9863951-b275-402e-a9de-3681381bd42c.webp" alt="প্রাতঃরাশে পাতে কী?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">প্রাতঃরাশে পাতে কী?</h3>&#13;
<p class="m-0">মুড়ি ও চা ।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f71e1e0c-a650-4eec-9c1c-a0bbe97383fe.webp" alt="নেতার প্রিয় অভিনেতা?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় অভিনেতা?</h3>&#13;
<p class="m-0">শাহরুখ খান।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/871c539d-9bfd-4bdb-9feb-89d35ed843d3.webp" alt="নেতার প্রিয় গায়ক?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতার প্রিয় গায়ক?</h3>&#13;
<p class="m-0">কিশোর কুমার।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/36fbaa0e-b365-4456-b6cd-c32a3906e2a5.webp" alt="ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?</h3>&#13;
<p class="m-0">মমতা ব্যানার্জি।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">রাজনীতির বাইরে জীবন কেমন?</h2>&#13;
<p>ফিরহাদ বলেন, রাজনীতিতে না এলে মানুষের জন্য কাজ করতে পারতেন না। তবে মানুষের জন্য কাজের বাইরেও, একই সঙ্গে নিজের ব্যবসা, কারখানা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__personalcontext my-5 p-3 pt-4 rounded-4  border-1 border shadow position-relative">&#13;
<h2 class="position-absolute top-0 start-1 translate-middle-y bg-white">কী বলে ভোট চাইবেন এবার?</h2>&#13;
<p>ফিরহাদ বলছেন, 'আমাকে বন্দর এলাকার মানুষ বিশ্বাস করে। ওঁরা বলছেন যখন ডাকি তখন পাই তাই এবারেও ববিদাকেই চাই।'</p>&#13;
</div>&#13;
<div class="w-100 celebrity-detail__dailyroutine my-5">&#13;
<div class="row gap-lg-0 gap-3">&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="one  w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture><img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/73654b7b-84a9-47f7-ad08-efda8454f65c.webp" alt="নেতা যখন ভবঘুরে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">নেতা যখন ভবঘুরে..</h3>&#13;
<p class="m-0">সময় পেলেই পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়া ও রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="two w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/e693a372-dd19-435e-8653-9a570154b7fc.webp" alt="রঙচঙে নেতা"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">রঙচঙে নেতা</h3>&#13;
<p class="m-0">গোলাপি রঙ ভীষণ প্রিয়।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="three w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f11cec25-45ea-4f7a-b204-a7e48e74e5a2.webp" alt="সবসময়ের সঙ্গী"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">সবসময়ের সঙ্গী</h3>&#13;
<p class="m-0">মোবাইল ফোন।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
<div class="col-12 col-lg-3">&#13;
<div class="four w-100 h-100 p-3 border-1 border d-flex justify-content-start flex-column gap-2 align-items-start"><picture> <img class="img-fluid" src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/4138e8b8-5ce9-4d7c-8303-43b89198f225.webp" alt="কোন নীতিতে রাজনীতিতে"> </picture>&#13;
<h3 class="m-0">কোন নীতিতে রাজনীতিতে</h3>&#13;
<p class="m-0">গান্ধীবাদ ও সুভাষবাদকেই আদর্শ নীতি মেনে চলেছি।</p>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[firhad hakim]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/b6948056-acc4-4e18-b36c-3de69451a548.webp" length="34074" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/b6948056-acc4-4e18-b36c-3de69451a548.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/08/b6948056-acc4-4e18-b36c-3de69451a548.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হাজার হাজার ভারতীয়কে ছাঁটাই করল বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/oracle-lays-off-12-000-indian-employees-439711</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/oracle-lays-off-12-000-indian-employees-439711</guid>
            <pubDate>Wed, 01 Apr 2026 16:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিশ্বজুড়ে সংস্থাটি ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০,০০০ কর্মীকে চাকরি থেকে সরিয়েছে। ছাঁটাই হওয়া দুই কর্মী সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, “ভারতে প্রায় ১২,০০০ কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। সংস্থা আগামী এক মাসের মধ্যে আরও অনেক ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে।”]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>বিদেশি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা 'ওরাকল' (Oracle) ভারতে প্রায় ১২,০০০ কর্মী ছাঁটাই করেছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের দাবি, আগামী এক মাসের মধ্যেই আরও বহু কর্মী ছাঁটাই হতে পারে।</p>&#13;
<p>বিশ্বজুড়ে সংস্থাটি ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০,০০০ কর্মীকে চাকরি থেকে সরিয়েছে।&nbsp;ছাঁটাই হওয়া দুই কর্মী সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, &ldquo;ভারতে প্রায় ১২,০০০ কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। সংস্থা আগামী এক মাসের মধ্যে আরও অনেক ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে।&rdquo;</p>&#13;
<p>যদিও সংস্থাটি এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি৷ কর্মীদের পাঠানো এক ইমেলে ওরাকল জানিয়েছে, কিছু সাংগঠনিক পরিবর্তনের কারণে তাদের অপারেশন আরও সহজ ও কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলেই কিছু পদ অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে এবং সেই কারণেই ছাঁটাই করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>সংস্থা জানিয়েছে, যাঁরা এক বছর বা তার বেশি সময় কাজ করেছেন, তাঁদের ১৫ দিনের বেতন দেওয়া হবে।&nbsp;<br>চাকরি শেষ হওয়ার তারিখ পর্যন্ত এক মাসের বেতন (বকেয়া)<br>ছুটির নগদীকরণ (leave encashment)<br>যোগ্যতার ভিত্তিতে গ্র্যাচুইটি<br>এক মাসের নোটিস পিরিয়ডের বেতন আর অতিরিক্ত দুই মাসের অর্থাৎ মোট ৩ মাসের বেতন দেওয়া হবে। তবে এই আর্থিক সহায়তা শুধুমাত্র তাঁদের জন্য প্রযোজ্য, যাঁরা স্বেচ্ছায় এবং সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সংস্থা ছাড়বেন।</p>&#13;
<p><br>ওরাকল-এর প্রাক্তন এক কর্মী সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ছাঁটাই হন, কারণ তিনি ভারতে সংস্থার ১৬ ঘণ্টার কাজের শিফটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন।<br>তিনি আরও বলেন, &ldquo;আমি আমার বন্ধু এবং মানবসম্পদ বিভাগের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাঁদের কাছ থেকে জানতে পারি, যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত অনেক ভারতীয় কর্মীকেও ছাঁটাই করা হয়েছে।&rdquo;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[ITJobsCrisis]]></category>
            <category><![CDATA[OracleLayoffs]]></category>
            <category><![CDATA[Oracle job cuts India]]></category>
            <category><![CDATA[TechLayoffs]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/01/2b616073-a315-4553-968a-a5744c340e91.webp" length="16218" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/01/2b616073-a315-4553-968a-a5744c340e91.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/04/01/2b616073-a315-4553-968a-a5744c340e91.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কবে প্রকাশ হতে পারে সিপিএমের প্রার্থী তালিকা? কোন কেন্দ্রে দাঁড়াচ্ছেন সৃজন, মীনাক্ষী, শতরূপ?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/cpi-m-to-unveil-west-bengal-candidate-list-youth-faces-and-strategic-shifts-for-2026-polls-312804</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/elections/west-bengal-assembly-election/cpi-m-to-unveil-west-bengal-candidate-list-youth-faces-and-strategic-shifts-for-2026-polls-312804</guid>
            <pubDate>Sun, 15 Mar 2026 20:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে জোরদার তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে রাজ্যে দু’দফায় ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল, এবং ৪ মে প্রকাশিত হবে ফলাফল।]]></description>
            <dc:creator>সৌরভ গোস্বামী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে জোরদার তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে রাজ্যে দু&rsquo;দফায় ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল, এবং ৪ মে প্রকাশিত হবে ফলাফল। এই পরিস্থিতিতে প্রায় সব রাজনৈতিক দলই নির্বাচনী প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।</p>&#13;
<p>এর মধ্যেই বাম শিবিরে শুরু হয়েছে প্রার্থী তালিকা নিয়ে জোর জল্পনা। দলীয় সূত্রের খবর, সিপিএম ইতিমধ্যেই অধিকাংশ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামীকালই সেই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা প্রবল। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯৯ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে যে সিপিএম আগামীকালই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করার ক্ষেত্রে মঙ্গলবারই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।</p>&#13;
<p>দলীয় সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ২০০টিরও বেশি আসনে প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বারও নির্বাচনী কৌশলে নতুন মুখকে অগ্রাধিকার দিতে চাইছে সিপিএম। জানা যাচ্ছে, ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ প্রার্থীই হতে পারেন যুব প্রজন্মের, আর বাকি ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ থাকবেন অভিজ্ঞ প্রবীণ নেতৃত্ব।</p>&#13;
<p>এই তালিকায় কয়েকটি নাম ইতিমধ্যেই প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তরপাড়া কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন সিপিএমের তরুণ নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। গত বিধানসভা নির্বাচনে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অন্যদিকে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে আবারও প্রার্থী হতে পারেন সুজন চক্রবর্তী, যদিও ওই কেন্দ্রের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় নেতা সৃজন ভট্টাচার্যের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে সৃজন চাইছেন না ভোট দাঁড়াতে, জানা যাচ্ছে সূত্র মারফত।&nbsp;</p>&#13;
<p>বালি কেন্দ্র থেকে দীপ্সিতা ধর প্রার্থী হবেন কি না তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও দল চাইলে তিনি নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুত&mdash;এমনটাই ঘনিষ্ঠ মহলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সম্পাদক পলাশ দাশ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী, এবং রাজারহাট-নিউ টাউন কেন্দ্র থেকে সপ্তর্ষি দেব। ইতিমধ্যেই এলাকায় জনসংযোগ শুরু করেছেন তিনি।</p>&#13;
<p>তবে এবারের নির্বাচনে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম প্রার্থী হচ্ছেন না বলেই জানা গেছে। দলীয় সূত্রে খবর, তাঁকে গোটা রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই কোনও নির্দিষ্ট কেন্দ্রে লড়াইয়ের বদলে তিনি রাজ্যজুড়ে প্রচারের দায়িত্বই সামলাবেন। অন্যদিকে বামেদের সম্ভাব্য জোট নিয়েও এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি। আইএসএফের সঙ্গে জোট কার্যত নিশ্চিত হলেও কংগ্রেস একাই লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২১ সালের অভিজ্ঞতার পরে কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, জোট তাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে পারেনি।</p>&#13;
<p>রাজনৈতিক পরিসংখ্যানও বামেদের সামনে কঠিন বাস্তব তুলে ধরছে। ২০০৯ সালে সিপিএমের ভোট শতাংশ ছিল ৩৩.১, যা কমে ২০১৯ সালে দাঁড়ায় ৬.৩ শতাংশে এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে আরও নেমে হয় ৫.৭ শতাংশ। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সিপিএমের কোনও বিধায়ক নেই এবং লোকসভাতেও নেই কোনও সাংসদ।</p>&#13;
<p>এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে&mdash;নতুন প্রার্থী মুখ কতটা পরিবর্তন আনতে পারবে**, নাকি বামেদের নির্বাচনী ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে **বুথ স্তরের দুর্বল সাংগঠনিক কাঠামোকে পুনর্গঠনের উপর। সব মিলিয়ে এখন রাজনৈতিক মহলের চোখ আলিমুদ্দিনের দিকে। সিপিএম কাদের নিয়ে নির্বাচনের ময়দানে নামছে, তার চূড়ান্ত উত্তর মিলতে পারে আগামীকাল বা মঙ্গলবারই, এমনটাই মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[cpim news]]></category>
            <category><![CDATA[bengal politics]]></category>
            <category><![CDATA[Election 2026]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/15/4b9bc3d9-e92c-4bf3-90ee-adf77c5362ff.webp" length="73332" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/15/4b9bc3d9-e92c-4bf3-90ee-adf77c5362ff.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/15/4b9bc3d9-e92c-4bf3-90ee-adf77c5362ff.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মিচেলের গায়ে কেন বল ছুড়ে মেরেছিলেন? অর্শদীপের ব্যাখ্যা শুনলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/t20-world-cup/t20-world-cup-my-throw-reverse-swung-says-arshdeep-singh-for-hitting-daryl-mitchell-312123</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/t20-world-cup/t20-world-cup-my-throw-reverse-swung-says-arshdeep-singh-for-hitting-daryl-mitchell-312123</guid>
            <pubDate>Tue, 10 Mar 2026 10:43:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিশ্বকাপ ফাইনালে ড্যারিল মিচেল ও অর্শদীপ সিংয়ের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছিল। একপেশে বিশ্বকাপ ফাইনালে মশলা বলতে ছিল অর্শদীপ ও ড্যারিল মিচেলের সেই ঝামেলা। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> বিশ্বকাপ ফাইনালে ড্যারিল মিচেল ও অর্শদীপ সিংয়ের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা চলছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>একপেশে বিশ্বকাপ ফাইনালে মশলা বলতে ছিল অর্শদীপ ও ড্যারিল মিচেলের সেই ঝামেলা।&nbsp;</p>&#13;
<p>এগারো-তম ওভারে &nbsp;নিউজিল্যান্ডের ইনিংস চলাকালীন অর্শদীপ বল ছুড়ে মারেন মিচেলের দিকে। অর্শদীপের ছোড়া বল আঘাত করে মিচেলের শরীরে। উইকেটে ছুড়ে মারতে গিয়ে বল লাগে মিচেলের শরীরে। তাতেই চটে যান নিউজিল্যান্ড তারকা।&nbsp;</p>&#13;
<p>পরে অর্শদীপ ও ড্যারিল মিচেলকে কথা বলতে দেখা গিয়েছে। দু'জনে সৌজন্য বিনিময় করেন। &nbsp;</p>&#13;
<p>কিন্তু মিচেলকে কেন বল ছুড়তে গেলেন অর্শদীপ? ভারতের তারকা বাঁ হাতি পেসার বলেন, ''মিচেলকে সরি বলতে গিয়েছিলাম। আমার থ্রো বেশি রিভার্স সুইং করেছিল। আমি ওকে বলছিলাম, আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ওকে বল মারিনি। আমার থ্রো অতোটা রিভার্স সুইং করবে ভাবিনি।''&nbsp;</p>&#13;
<p>অর্শদীপকে বলতে শোনা গিয়েছে, ''এই দলটা দুর্দান্ত। এই দলে প্রচুর ম্যাচ উইনার রয়েছে। শুরু থেকেই আমাদের মধ্যে বিশ্বাস ছিল যে আমরা পারব।''&nbsp;</p>&#13;
<p>বিশ্বজয়ের অনুভূতি কেমন? অর্শদীপ বলেন, ''এখন আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয় অনুভূতি কেমন। এখন ভালই লাগছে। কিন্তু আবেগটা যখন চলে যাবে তখন বুঝতে পারব।''&nbsp;</p>&#13;
<div>&#13;
<p>বিশ্বকাপ ফাইনাল হয় একপেশে। ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নিউজিল্যান্ড।&nbsp;<strong>&nbsp;</strong>সূর্যাস্তের মাঠেই সূর্যোদয় হয় শেষমেশ। যে মাঠে একদিন স্বপ্ন ভেঙেছিল, যে মাঠ একদিন ছিল বেদনার, রবি-রাতে সেই মাঠই হয়ে উঠল প্রায়শ্চিত্তের পবিত্র ভূমি। হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন যেন ফিরে এল করতালির শব্দে। বিশালাকায় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম তিন বছর আগে হৃদয় ভাঙার সাক্ষী ছিল। দেশের স্পন্দন থামিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া।&nbsp;</p>&#13;
</div>&#13;
<div>&#13;
<p>একই মাঠ, একই গ্যালারি, একই বাতাস&mdash;তবু গল্পটা এবার অন্য। আহমেদাবাদেই সূর্যোদয় হল। নিউজিল্যান্ডকে মাটি ধরিয়ে টানা দু'বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে &nbsp;নিল ভারত।&nbsp;</p>&#13;
</div>&#13;
<div>&#13;
<div>&#13;
<p>২০২৬-এ এসে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হল। একই সঙ্গে ইতিহাসকেও পরাস্ত করল ভারত। কোনও দেশ এখনও পর্যন্ত তিনবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। কোনও দলই বিশ্বকাপ ডিফেন্ড করতে পারেনি। কোনও আয়োজক দেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনটি রেকর্ড ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল সূর্যর ভারত।&nbsp;</p>&#13;
</div>&#13;
</div>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[t20 world cup]]></category>
            <category><![CDATA[Daryl Mitchell]]></category>
            <category><![CDATA[arshdeep singh]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/c7550424-9e2d-4daf-82ab-a78213480a6d.webp" length="53622" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/c7550424-9e2d-4daf-82ab-a78213480a6d.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/c7550424-9e2d-4daf-82ab-a78213480a6d.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA['জল খাওয়ানো আর ব্যাট বহন করাই তো ছিল কাজ', বিশ্বজয়ের পরে হতাশার কথা জানালেন তারকা ক্রিকেটার ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/t20-world-cup/t20-world-cup-mohammad-sirajs-viral-dig-on-his-role-in-world-cup-victory-312114</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/t20-world-cup/t20-world-cup-mohammad-sirajs-viral-dig-on-his-role-in-world-cup-victory-312114</guid>
            <pubDate>Tue, 10 Mar 2026 08:28:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[বিশ্বকাপ জেতা হয়ে গিয়েছে। তারকা ক্রিকেটার শোনালেন তাঁর হতাশার কথা। যদিও মজা করেই কথাগুলো বলেছেন। তবুও সেই কথার মধ্যেই ছিল হতাশার সুর। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> তিনি দলেই ছিলেন না। রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখবেন বলে স্থির করে ফেলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎই সূর্যকুমার যাদব তাঁকে ডেকে নেন জাতীয় দলে। বাকিটা এখন ইতিহাস। মহম্মদ সিরাজ বিশ্বকাপে কেবল একটি ম্যাচেই খেলেছিলেন। কিন্তু জশপ্রীত বুমরাহ ফিরতেই তাঁর স্থান হয়ে যায় ডাগ আউট। বাকি ম্যাচগুলো তিনি ডাগ আউটে বসেই কাটিয়ে দিলেন। বাইরে থেকেই দেখলেন ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়ে গিয়েছে।&nbsp;</p>&#13;
<p>আহমেদাবাদে ভারত বিশ্বকাপ জেতার পরে এহেন মহম্মদ সিরাজকেই বলতে শোনা গিয়েছে, ''আমার আর কুলদীপের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। মাঠের বাইরে বসে সতীর্থদের জল দেওয়া আর ব্যাট বহন করাই ছিল আমাদের কাজ।'' বিশ্বকাপ জিতে নিজের ভূমিকার কথা জানালেন মহম্মদ সিরাজ। কোথাও কি সিরাজ নিজের হতাশার কথাই বলে ফেললেন? সঞ্চালকও তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন বাইরে বসে থাকা কতটা হতাশার? হাসতে হাসতেই মজা করে সিরাজ কথাগুলো বলেছেন ঠিকই কিন্তু তার মধ্যে কোথাও যেন হতাশা লুকিয়ে ছিল।&nbsp;</p>&#13;
<p>নিজের প্রসঙ্গে সিরাজ বলেন, ''আমি তো প্রথম দলেই ছিলাম না। হঠাৎই ডাক পাই। সবটাই উপরওয়ালার পরিকল্পনা ছিল।'' আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে নেমেছিলেন সিরাজ। তার পরে আর প্রথম একাদশে তিনি খেলার সুযোগ পাননি।&nbsp;</p>&#13;
<blockquote class="twitter-tweet" data-media-max-width="560">&#13;
<p dir="ltr" lang="en">Mohammed Siraj and Kuldeep Yadav share their emotions after being crowned champions. 🏆❤️<a href="https://twitter.com/hashtag/Champions?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#Champions</a> <a href="https://twitter.com/hashtag/INDvNZ?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#INDvNZ</a> <a href="https://t.co/Omqg91W4nr">pic.twitter.com/Omqg91W4nr</a></p>&#13;
&mdash; Star Sports (@StarSportsIndia) <a href="https://twitter.com/StarSportsIndia/status/2030721016255946883?ref_src=twsrc%5Etfw">March 8, 2026</a></blockquote>&#13;
<p>সিরাজ যেমন আমেরিকার বিরুদ্ধে খেলেছিলেন, কুলদীপ আবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কেবল একটা ম্যাচ খেলেছেন। সিরাজ বলে চলেন, ''নেটে বোলিং করা। দলের ভিতরে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখাই আসল। আমি খেলি বা না খেলি দল সবার আগে। সব প্লেয়ারদেরই এমন চিন্তাভাবনা থাকা উচিত। দলের আগে কেউ নয়।''&nbsp;</p>&#13;
<p>ভারতীয় দল এবারের বিশ্বকাপে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়ে শুরুটা ভাল হয়নি টিম ইন্ডিয়ার। কিন্তু জিম্বাবোয়ে ম্যাচ থেকে ভারত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়ে ভারত পৌঁছয় সেমিফাইনালে। সেখানে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচ জিতে ফাইনালের ছাড়পত্র জোগাড় করে ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনাল হয় একতরফা। ভারত তৃতীয়বার&nbsp; টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[World Cup Victory]]></category>
            <category><![CDATA[t20 world cup]]></category>
            <category><![CDATA[mohammad siraj]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f1010995-602e-406c-a6ac-58db02194dfe.webp" length="68334" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f1010995-602e-406c-a6ac-58db02194dfe.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/10/f1010995-602e-406c-a6ac-58db02194dfe.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[এই দুই প্রাক্তন তারকাকে জয় উৎসর্গ করলেন গম্ভীর, তাঁর পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানালেন আরও দু'জনকে ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/sports/t20-world-cup/t20-world-cup-india-head-coach-gautam-gambhir-dedicates-world-cup-victory-to-two-people-312093</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/sports/t20-world-cup/t20-world-cup-india-head-coach-gautam-gambhir-dedicates-world-cup-victory-to-two-people-312093</guid>
            <pubDate>Mon, 09 Mar 2026 19:26:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভারতের হেডস্যর গৌতম গম্ভীর অনন্য এক মাইলস্টোন ছুয়েছেন। ক্রিকেটার ও কোচ হিসেবে বিশ্বজয়ী তিনি। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-জয়ী দলের সদস্য গম্ভীর। ]]></description>
            <dc:creator>কৃশানু মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>ভারতের হেডস্যর গৌতম গম্ভীর অনন্য এক মাইলস্টোন ছুয়েছেন। ক্রিকেটার ও কোচ হিসেবে বিশ্বজয়ী তিনি। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-জয়ী দলের সদস্য গম্ভীর।&nbsp;</p>&#13;
<p>২০১১ বিশ্বকাপেও গম্ভীরের ব্যাট থেকে আসে ৯৭ রান। এবার বিশ্বজয়ী কোচ তিনি। গৌতম গম্ভীর তাঁর এই জয় উৎসর্গ করলেন দু'জনকে। কে এই দু'জন? তাঁরা হলেন রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্মণ।&nbsp;</p>&#13;
<p>ভারতের হেডস্য়র বলছেন, ''রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভিএস লক্ষ্ণণকে এই বিশ্বকাপ উৎসর্গ করছি। রাহুল ভাই ভারতীয় দলকে ঠিক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন। সেন্টার অফ এক্সলেন্সে &nbsp;ভবিষ্যতের খেলোয়াড় তৈরি করছে লক্ষ্ণণ।''&nbsp;</p>&#13;
<p>আলাদা করে বিসিসিআই-এর নির্বাচকমণ্ডলীর প্রধান অজিত আগরকর ও জয় শাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁর পাশে থাকার জন্য। গম্ভীর বলেছেন, ''অজিত আগরকর সততা নিয়ে কাজ করেছে। জয় শাহ আমার পাশে ছিলেন। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যাওয়ার পরে আমাকে ফোন করেছিলেন জয় ভাই।''&nbsp;</p>&#13;
<p>ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে ভারতের রিমোট কন্ট্রোল হাতে তুলে নিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর।&nbsp;</p>&#13;
<p>কোচ হয়ে আসার পরই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিলেন তিনি। গোটা টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকার পরে ভারত নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। প্রায় এক যুগের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির খরা কাটিয়েছিল ভারতীয় দল। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে গম্ভীরের ভারত ধরাছোঁয়ার বাইরের এক কক্ষপথে পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু টেস্ট ফরম্যাট বা পঞ্চাশ ওভারের ফরম্যাটে গম্ভীরের দল নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।</p>&#13;
<p>তাঁর সময়ে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির মতো মহাতারকারা টেস্ট ফরম্যাট থেকে সরে গিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ চলাকালীন রবিচন্দ্রন অশ্বিন অবসর গ্রহণ করেন। ভারতীয় ক্রিকেটে গম্ভীর-জমানা বিতর্কিত-অধ্যায়। বিতর্ক-সমালোচনার ছাই থেকে নতুন এক ফিনিক্স জন্ম নিল। সেই ফিনিক্সের নাম গৌতম গম্ভীর। &nbsp;</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[World Cup Victory]]></category>
            <category><![CDATA[t20 world cup]]></category>
            <category><![CDATA[Gautam Gambhir]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/09/c0f5f629-f60c-4a12-b6cb-8db82fc7e2a6.webp" length="23110" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/09/c0f5f629-f60c-4a12-b6cb-8db82fc7e2a6.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/09/c0f5f629-f60c-4a12-b6cb-8db82fc7e2a6.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিছানার সামনে আয়না রাখা? বাস্তুতে হতে পারে একাধিক সমস্যা, কী করবেন?  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/title-vastu-tips-why-you-should-avoid-placing-a-mirror-directly-facing-your-bed-312010</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/title-vastu-tips-why-you-should-avoid-placing-a-mirror-directly-facing-your-bed-312010</guid>
            <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 22:09:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[শাস্ত্রমতে, আয়না ভুল জায়গায় রাখলে তা বাড়িতে নেতিবাচক শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে৷ ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>প্রায় সমস্ত বাড়িতেই এক বা একাধিক আয়না থাকে৷ আয়না ঘরের সৌন্দর্যবৃদ্ধি তো করে কিন্তু জানেন কি বাস্তু মতে সঠিক জায়গায় আয়না রাখা না হলে তা বাড়ির উপর কুপ্রভাব বিস্তার করে? &nbsp;</p>&#13;
<p>শাস্ত্রমতে, আয়না ভুল জায়গায় রাখলে তা বাড়িতে নেতিবাচক শক্তিকে বাড়িয়ে তোলে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>নেতিবাচক প্রভাব: বিছানার সামনে আয়না রাখলে বাড়িতে অশান্তি বৃদ্ধি পায়৷ সব সময় মন অশান্ত থাকে। কাজে ব্যাঘাত ঘটে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>ঘুম না হওয়া: বিছানার সামনে আয়না রাখলে রাতে ঘুম আসতে চায় না৷ মেজাজ ঠিক থাকে না৷ সব সময়ই মনের মধ্যে কিছু একটা অভাববোধ কাজ করে৷ খারাপ স্বপ্ন দেখে রাতে ঘুম ভেঙে যায়৷&nbsp;</p>&#13;
<p>সম্পর্কে জটিলতা: বিছানার সামনে আয়না রাখলে সম্পর্ক ভাল হয় না৷ বিশেষত দাম্পত্য সম্পর্কে অশান্তি লেগেই থাকে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>এমন যদি হয় যে বিছানার সামনে আয়না রেখে ফেলেছেন এবং আয়না অন্যত্র সরানোর মতো জায়গা নেই সেক্ষেত্রে কী করবেন?&nbsp;</p>&#13;
<p>মোটা কাপড় বা পর্দা দিয়ে আয়না ঢেকে রাখুন৷ যদি সারাদিন আয়না ঢেকে রাখা সম্ভব নাও হয় তাহলে অন্তত রাতে আয়না ঢেকে রাখুন।&nbsp;</p>&#13;
<p>ছোট আয়না হলে সেটাকে খুলে আলমারি বা বাক্সতে ভরে রাখতে পারেন৷&nbsp;</p>&#13;
<p>খাটের অবস্থান যদি কিছুটা সরানো যায়, যাতে সরাসরি খাট থেকে আয়না দেখা না যায় সেটা করলেও কিছুটা উপকার হতে পারে৷</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[home decor]]></category>
            <category><![CDATA[Spiritual Well-being]]></category>
            <category><![CDATA[vastu shastra]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/08/c53d9b98-1d14-429c-aee1-dce5d74ad090.webp" length="52244" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/08/c53d9b98-1d14-429c-aee1-dce5d74ad090.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/08/c53d9b98-1d14-429c-aee1-dce5d74ad090.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[শুভ কাজের ঠিক আগের দিন পোষ্যের হঠাৎ মৃত্যু! কোন সঙ্কেত দিয়ে যায়?   ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/sudden-death-of-a-pet-before-auspicious-events-spiritual-meaning-and-vastu-significance-311943</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/sudden-death-of-a-pet-before-auspicious-events-spiritual-meaning-and-vastu-significance-311943</guid>
            <pubDate>Sun, 08 Mar 2026 13:55:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[যদি শুভ কাজের ঠিক আগের দিন পোষ্য হঠাৎ করেই মারা যায়, তখন মনখারাপের সঙ্গে মনের মধ্যে ভয়ও দেখা দিতে পারে৷ এই ঘটনা কি অশুভ কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে? ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>কোনও শুভ দিন আসার আগে সেই দিনকে কেন্দ্র করে যেমন পরিকল্পনা থাকে তেমনি, শুভ কাজ করার আগেও সব যেন ভাল হয় এই কথাও মন বলতে থাকে৷ কিন্তু যদি শুভ কাজের ঠিক আগের দিন পোষ্য হঠাৎ করেই মারা যায়, তখন মনখারাপের সঙ্গে মনের মধ্যে ভয়ও দেখা দিতে পারে৷ এই ঘটনা কি অশুভ কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে?&nbsp;</p>&#13;
<p><br>হিন্দুশাস্ত্র মতে, শুভ কাজের আগে পোষ্য মারা যাওয়া অশুভ লক্ষণ নয়৷ &nbsp;বরং পোষ্যের মৃত্যুতে আপনার জীবনের কোনো বড় বিপদ কেটে গেল৷ কোনও অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত হল আপনার জীবন৷&nbsp;</p>&#13;
<p>&nbsp;এই ঘটনা নির্দেশ করে যে পোষ্যটি আপনার পরিবারের কোনো বড় বিপদ বা নেতিবাচক প্রভাব নিজের মধ্যে ধারণ করেছিল৷ এবং আসন্ন অশুভ ঘটনাকে প্রতিরোধ করল নিজের প্রাণের বিনিময়ে৷&nbsp;</p>&#13;
<p>আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ থেকেও মনে করা হয় পোষ্যের আত্মা মুক্তি পেল৷ আত্মা অবিনশ্বর৷ তাই তার রূপবদল হয় মাত্রা৷ ঠিক যেভাবে আমরা পুরনো জামা ছেড়ে নতুন জামা পরি, তেমন ভাবেই আত্মা এক দেহ ত্যাগ করে অন্য দেহে আশ্রয় নেয়৷ &nbsp;পোষ্যটি তার জাগতিক মায়াবন্ধন কাটিয়ে নতুন কোনো যাত্রায় এগিয়ে গেছে।</p>&#13;
<p>আধ্যাত্মিক মতে, পোষ্যের মৃত্যুতে মানসিক কষ্ট থাকলেও সেই কষ্টের কারণে তাকে মায়ায় জড়িয়ে রাখা ঠিক নয়৷ ঈশ্বরের নাম নিয়ে পোষ্যটিকে যথাযোগ্য সম্মানের সঙ্গে সৎকার করে তাঁর আত্মার সদ্গতির জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করাই মঙ্গল৷</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[pet care]]></category>
            <category><![CDATA[Spiritual Beliefs]]></category>
            <category><![CDATA[vastu shastra]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/08/a44db159-0fd3-410d-b959-bd5914643ca9.webp" length="15520" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/08/a44db159-0fd3-410d-b959-bd5914643ca9.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/08/a44db159-0fd3-410d-b959-bd5914643ca9.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[শাঁখ কেন তিনবার বাজানো হয়? তিনবারের বেশি বাজালে কী হয়?  ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/why-should-you-blow-the-conch-exactly-three-times-know-the-spiritual-significance-and-beliefs-311790</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/why-should-you-blow-the-conch-exactly-three-times-know-the-spiritual-significance-and-beliefs-311790</guid>
            <pubDate>Fri, 06 Mar 2026 20:19:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[মা-ঠাকুমাদের বলতে শোনা যায় তিনবারের বেশি বাজাস না৷ কিন্তু কেন বলা হয় এই কথা?  ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>হিন্দু বাড়িতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজানোর রীতি আছে৷ কিন্তু প্রতিদিন সন্ধ্যায় তিনবারই শঙ্খ বাজানো হয়৷<br>&nbsp;মা-ঠাকুমাদের বলতে শোনা যায় তিনবারের বেশি বাজাস না৷ কিন্তু কেন বলা হয় এই কথা? &nbsp;</p>&#13;
<p>সকালে পুজো করে শঙ্খ বাজানোর প্রচলন তুলনায় অনেকটা কম। তবে সকালেপ পুজোপাঠের পর শঙ্খ বাজালে শুভ ফল পাওয়া যায়। শঙ্খধ্বনির মাধ্যমে দেবতাদের আবাহন করা হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>আধ্যাত্মিক মত অনুযায়ী, &nbsp;সন্ধ্যায় শঙ্খ বাজালে বাড়িতে থাকা নেতিবাচক শক্তি দূর হয়৷ শঙ্খ শুভ শক্তিকে আহ্বান করে তাই জীবনে অর্থের এবং ভাগ্যের উন্নতিতে শঙ্খধ্বনি বিশেষ সুফল প্রদান করে।&nbsp;</p>&#13;
<p>আধ্যাত্মিক মতে, দেবদেবীদের আহ্বান জানাতে তিনবার শঙ্খ বাজানো হয়৷ তিনবারের বেশি বাজালে আসুরিক শক্তিকে আহ্বান করা হয়৷ আসুরিক শক্তির অশুভ প্রভাব বৃদ্ধি পায়৷ এর ফলে জীবনে নানা বিপাক দেখা যায়৷</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[hindu rituals]]></category>
            <category><![CDATA[Spiritual Practices]]></category>
            <category><![CDATA[Cultural Beliefs]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/06/8ae34e21-8b4d-4638-9cce-f80e2962d0fe.webp" length="31236" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/06/8ae34e21-8b4d-4638-9cce-f80e2962d0fe.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/06/8ae34e21-8b4d-4638-9cce-f80e2962d0fe.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কোথায় থেমে যাচ্ছে নারীদের কেরিয়ার? কী ভাবছে কর্পোরেট মহল]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/why-only-20-of-women-reach-senior-leadership-breaking-the-corporate-glass-ceiling-311641</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/why-only-20-of-women-reach-senior-leadership-breaking-the-corporate-glass-ceiling-311641</guid>
            <pubDate>Thu, 05 Mar 2026 16:09:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[অনেক সংস্থাই এখন নিয়োগের সময় নারী-পুরুষের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। এন্ট্রি লেভেলে কিংবা মিড-লেভেল পদে নারীদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> &nbsp;অনেক সংস্থাই এখন নিয়োগের সময় নারী-পুরুষের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে। এন্ট্রি লেভেলে কিংবা মিড-লেভেল পদে নারীদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। কিন্তু একই সংস্থায় সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট বা নেতৃত্বের পদে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে চিত্রটা বদলে যায়। বিভিন্ন কর্পোরেট সমীক্ষা বলছে, যেখানে প্রায় ৪৯% পুরুষ কর্মী দীর্ঘমেয়াদে সিনিয়র রোলে পৌঁছাতে পারেন, সেখানে নারীদের ক্ষেত্রে সেই হার মাত্র ২০%। প্রশ্ন উঠছে&mdash;কেরিয়ারের মাঝপথে কী ঘটে, যা নারীদের অগ্রগতি ধীর করে দেয়?</p>&#13;
<p><br>প্রথম কারণ হিসেবে উঠে আসে &lsquo;লিকি পাইপলাইন&rsquo; সমস্যা। অর্থাৎ, কর্মজীবনের একাধিক ধাপে নারীরা কর্মক্ষেত্র ছাড়তে বাধ্য হন বা পিছিয়ে পড়েন। বিয়ে, মাতৃত্ব, পরিবারে যত্নের দায়িত্ব&mdash;এসব এখনও মূলত নারীর কাঁধেই বর্তায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রোমোশনের সময় অনেকেই ব্রেক নেন বা নমনীয় কাজের সুযোগ খোঁজেন, যা অনেক সংস্থায় এখনও &lsquo;কমিটমেন্টের অভাব&rsquo; হিসেবে দেখা হয়।<br>দ্বিতীয়ত, অদৃশ্য পক্ষপাত বড় বাধা। নেতৃত্বের গুণাবলি নিয়ে প্রচলিত ধারণা&mdash;আত্মবিশ্বাসী, আগ্রাসী, দৃঢ় সিদ্ধান্তগ্রহণকারী&mdash;এগুলো অনেক সময় পুরুষের সঙ্গে বেশি যুক্ত করা হয়। একই আচরণ একজন নারী দেখালে তাকে &lsquo;অতিরিক্ত কড়া&rsquo; বা &lsquo;অসহযোগী&rsquo; তকমা দেওয়া হয়। এই দ্বৈত মানদণ্ড পদোন্নতির সময় প্রভাব ফেলতে পারে।</p>&#13;
<p><br>তৃতীয়ত, স্পনসরশিপ ও নেটওয়ার্কিংয়ের ঘাটতি। কর্পোরেট জগতে শুধুমাত্র দক্ষতা নয়, প্রভাবশালী মেন্টর বা সিনিয়র নেতৃত্বের সমর্থনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষরা অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্ক&mdash;গলফ ক্লাব, ডিনার মিটিং, অফ-সাইট আলোচনা&mdash;এর মাধ্যমে সিদ্ধান্তগ্রহণকারীদের কাছে পৌঁছাতে তুলনামূলকভাবে সুবিধা পান। অনেক নারী সেই নেটওয়ার্কে সমানভাবে অন্তর্ভুক্ত হন না।</p>&#13;
<p><br>চতুর্থ কারণ কর্মমূল্যায়ন পদ্ধতি। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের সম্ভাবনা দেখে প্রোমোশন দেওয়া হয়, আর নারীদের ক্ষেত্রে বর্তমান পারফরম্যান্সের প্রমাণ বেশি খোঁজা হয়। ফলে সমান দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও নারীরা এক ধাপ পিছিয়ে পড়েন।</p>&#13;
<p><br>এছাড়া কাজ ও জীবনের ভারসাম্য রক্ষার চাপও বড় বিষয়। অনেক নারী নমনীয় সময় বা হাইব্রিড কাজ চান, কিন্তু সব সংস্থা এখনও তা পুরোপুরি সমর্থন করে না। নেতৃত্বের ভূমিকা মানেই দীর্ঘ সময় অফিসে থাকা&mdash;এই ধারণাও পরিবর্তনের দাবি রাখে।</p>&#13;
<p><br>তবে পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান এখন বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিকে কৌশলগত অগ্রাধিকার দিচ্ছে। লিঙ্গভিত্তিক বেতন ও প্রোমোশন অডিট, নেতৃত্বে নারীদের জন্য আলাদা ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, মাতৃত্ব-পরবর্তী রিটার্নশিপ&mdash;এসব উদ্যোগ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=1drGY0C4mYY<br>সবশেষে, প্রশ্নটা শুধু নারীদের নয়, সংস্থারও। বৈচিত্র্যময় নেতৃত্ব ব্যবসায়িক ফলাফল উন্নত করে&mdash;এমন প্রমাণ বারবার মিলেছে। তাই ২০% থেকে ৫০%-এর পথে যাত্রা কেবল সমতার লড়াই নয়, বরং টেকসই বৃদ্ধির কৌশলও বটে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Corporate Culture]]></category>
            <category><![CDATA[Gender Equality]]></category>
            <category><![CDATA[Career growth]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/05/deea1957-86a7-4b17-9e4d-aa232931b48f.webp" length="11762" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/05/deea1957-86a7-4b17-9e4d-aa232931b48f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/05/deea1957-86a7-4b17-9e4d-aa232931b48f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[বিয়ের পর প্রথম দোল?  রঙিন দিনে ভুলেও করবেন না এই সব কাজ, মা লক্ষ্মীর কোপে হবে সর্বনাশ ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/first-holi-after-marriage-astrological-tips-for-newlyweds-to-ensure-prosperity-311304</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/first-holi-after-marriage-astrological-tips-for-newlyweds-to-ensure-prosperity-311304</guid>
            <pubDate>Mon, 02 Mar 2026 19:36:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আগামীকাল দোল৷ প্রিয় মানুষকে রঙ দিতে মন চাইছে৷ নববিবাহিতদের কাছে এই উৎসব বিশেষ আনন্দের৷ তবে জ্যোতিষমতে দোলের দিন নববিবাহিতাদের কিছু কাজ করা একেবারেই উচিৎ না৷ ]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>আগামীকাল দোল৷ প্রিয় মানুষকে রঙ দিতে মন চাইছে৷ নববিবাহিতদের কাছে এই উৎসব বিশেষ আনন্দের৷ তবে জ্যোতিষমতে দোলের দিন নববিবাহিতাদের কিছু কাজ করা একেবারেই উচিৎ না৷&nbsp;</p>&#13;
<p>দোলের আগের দিন ন্যাড়াপোড়ার সময় কালো পোশাক এড়িয়ে চলা ভাল। কালো রং নেতিবাচক প্রভাব বাড়িয়ে তোলে৷ &nbsp;লাল রঙের পোশাক পরলে ভাল৷ নব বিবাহিতদের জন্য সাদা পোশাক না পরাই ভাল হবে৷ যদি সাদা পরতে মন চায় তাহলে সাদার সঙ্গে অন্যান্য রং আছে এমন পোশাক বেছে নিতে পারেন</p>&#13;
<p>বিয়ের পর প্রথম হোলিকাদহন বা ন্যাড়াপোড়ার সময় শাশুড়ি বৌমার একত্রে থাকা জ্যোতিষমতে শুভ নয়৷ প্রচলিত বিশ্বাস এতে সংসারে অশান্তি বাড়ে৷ তাই চেষ্টা করবেন শ্বশুরবাড়িতে না থেকে অন্যত্র থাকার৷&nbsp;</p>&#13;
<p>অনেক সময় বিয়েতে পাওয়া উপহার অন্যদের দিয়ে দেওয়া হয়৷&nbsp;হয়তো রং পছন্দ হয়নি বা প্রচুর উপহারে বাড়ি ভর্তি হয়ে গিয়েছে৷ তখন বিয়েবাড়ি বা পুজোতে আত্মীয়দের বিয়েতে পাওয়া শাড়ি বা অন্যান্য জিনিস দেওয়ার রেওয়াজ আছে৷ এছাড়া নতুন বিয়ে হয়ে এলেও শ্বশুরবাড়িতে ভাই বোন স্থানীয়দের নববিবাহিতা পাওয়া উপহার থেকে কিছু দিয়ে থাকেবিয়ের পর প্রথম দোল যতদিন না কাটছে ততদিন নববিবাহিতার বিয়েতে উপহারে পাওয়া কোনও জিনিস অন্যকে না দেওয়াই ভাল।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Holika Dahan rules for brides]]></category>
            <category><![CDATA[First Holi after marriage]]></category>
            <category><![CDATA[Holi astrology tips]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/02/bacd3af2-3dc7-4aff-b266-5f1e5125619c.webp" length="42330" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/02/bacd3af2-3dc7-4aff-b266-5f1e5125619c.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/02/bacd3af2-3dc7-4aff-b266-5f1e5125619c.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সিঁড়ির নীচে জুতো থেকে বাতিল জিনিস সব জমাচ্ছেন! বাস্তুতে কী প্রভাব পড়ছে জানেন?]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/avoid-keeping-these-things-under-the-staircase-to-attract-postivity-according-to-vastu-311176</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/avoid-keeping-these-things-under-the-staircase-to-attract-postivity-according-to-vastu-311176</guid>
            <pubDate>Sun, 01 Mar 2026 21:05:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[সিঁড়ির নীচে জুতো থেকে বাতিল জিনিস সব জমাচ্ছেন! বাস্তুতে কী প্রভাব পড়ছে জানেন?]]></description>
            <dc:creator>সায়নী মুখার্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>জ্যোতিষশাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাস্তুশাস্ত্র। এই অংশে আমাদের বাড়ির সুস্থতা রক্ষার উদ্দেশ্যে নানা জিনিস মেনে চলার নিদান দেওয়া হয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, বাড়ির কোন অংশে কী রাখা হচ্ছে, না হচ্ছে তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। যে কোনও বাড়িতে সিঁড়ির অবস্থান অতি গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে সেটির নীচে কী রাখা হচ্ছে সে বিষয়েও খেয়াল রাখা উচিত। সিঁড়ির নীচে ভুল জিনিস রাখার ফলে ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে। এর ফলে বাস্তুতে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সফলতা প্রাপ্তিতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। বাস্তুমতে জেনে নিন, সিঁড়ির নীচে কোন জিনিসগুলি রাখা নিষিদ্ধ। বদলে কোন দিকের সিঁড়ির নীচে কী রাখতে পারেন।<br><br></p>&#13;
<p>সিঁড়ির নীচে কোন জিনিসগুলি রাখা উচিত নয়?</p>&#13;
<p>বহু মানুষই সিঁড়ির নীচে জুতো খুলে রাখেন। সিঁড়ির নীচের অংশটি জুতো রাখার জায়গার জন্য ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র মতে, এই কাজটি করার মোটেও উচিত নয়। এতে শনিদেবের রোষের মুখে পড়তে হয়। তাই সিঁড়ির নীচে জুতো রাখা যাবে না। এ ছাড়া আবর্জনা, ভাঙা জিনিসপত্র, পুরনো জামাকাপড়, শৌচাগারের অব্যবহৃত, বাতিল করা জিনিস সিঁড়ির নীচে রাখা অনুচিত। অন্যথায় বাস্তুর ক্ষতি হয়। ব্যক্তিগত জীবনে এর প্রভাব পড়তে দেখা যায়। সফলতা প্রাপ্তিতে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়। কোনও কাজই ঠিকমতো করে ওঠা যায় না।<br><br></p>&#13;
<p>সিঁড়ির নীচে কোন জিনিসগুলি রাখা যেতে পারে?</p>&#13;
<p>উত্তর, পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব দিক: উত্তর-পূর্ব দিককে দেবতাদের দিক মনে করা হয়। এ ছাড়া উত্তর এবং পূর্ব দিককে হালকা জিনিস রাখার জন্য শুভ মনে করা হয়। এই স্থানে গাছপালা, অ্যাকোয়ারিয়াম প্রভৃতি হালকা ওজনের জিনিস রাখা যেতে পারে। ভারী কোনও জিনিস এখানে রাখা যাবে না।<br><br>দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক: দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিকের সিঁড়ির নীচে ভারী জিনিসপত্র রাখায় কোনও বাধা নেই। এই স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার, ওয়াশিং মেশিন, জলের পাম্পের মতো ভারী জিনিস রাখা যেতে পারে। এতে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু জিনিসগুলি অবশ্যই গুছিয়ে রাখতে হবে।<br><br>পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম: এই তিন দিকের সিঁড়ির নীচের জায়গা মাঝারি ওজনের জিনিস রাখার জন্য উপযুক্ত। ছোট আকৃতির আলমারি, অন্যান্য আসবাব এই স্থানে রাখা যেতে পারে।<br><br>https://youtu.be/gOwzwDl_We8?si=23SLASeSQ6reIBfM</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[vastu tips]]></category>
            <category><![CDATA[astrology tips]]></category>
            <category><![CDATA[astrology]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/01/4d0011f6-41d0-4ee7-887e-8ffd6ab42f6b.webp" length="28328" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/01/4d0011f6-41d0-4ee7-887e-8ffd6ab42f6b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/03/01/4d0011f6-41d0-4ee7-887e-8ffd6ab42f6b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[কুম্ভে শুক্র-মঙ্গলের যুগলবন্দি, আজ ধনশক্তি রাজযোগে খুলবে সৌভাগ্যের দরজা! টাকার জোয়ারে ভাসবে এই চার রাশি]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/horoscope-today-dhanshakti-rajyog-2026-venus-and-mars-bring-huge-money-to-these-zodiac-signs-310377</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/horoscope-today-dhanshakti-rajyog-2026-venus-and-mars-bring-huge-money-to-these-zodiac-signs-310377</guid>
            <pubDate>Mon, 23 Feb 2026 10:55:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[যেমন আজ মঙ্গল ও শুক্রের ধনশক্তি রাজযোগ তৈরি হবে৷ যা যার রাশির জীবনে ইতিবাচক বদল আসতে চলেছে।]]></description>
            <dc:creator>সোমা মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে গ্রহদের রাশি-নক্ষত্র পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কখনও কখনও দুই রাশির সংযোগে ১২টি রাশির জীবনে শুভ-অশুভ প্রভাব ফেলে। যেমন আজ মঙ্গল ও শুক্রের ধনশক্তি রাজযোগ তৈরি হবে৷ যা যার রাশির জীবনে ইতিবাচক বদল আসতে চলেছে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুযায়ী, আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ৭টা ২৭ মিনিটে সাহস ও শক্তির প্রতীক গ্রহ মঙ্গল কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করছে। একই সময়ে কুম্ভে অবস্থান করছে প্রেম, বিলাসিতা ও ঐশ্বর্যের গ্রহ শুক্র। এই দুই গ্রহের যুগলবন্দিতে গঠিত হচ্ছে ধনশক্তি রাজযোগ।&nbsp;</p>&#13;
<p><br>এই বিশেষ যোগের প্রভাবে আর্থিক উন্নতি, কেরিয়ারে অগ্রগতি এবং সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। বিশেষত চার রাশির জন্য সময়টি শুভ ইঙ্গিত বহন করছে। অর্থ-যশ-খ্যাতিতে ভরবে সেইসব রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবন। তালিকায় আপনিও কি আছেন? জেনে নিন-</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=OmEaZcmIKU8</p>&#13;
<p>বৃষ: ধনশক্তি রাজযোগ বৃষ রাশির জাতকদের আর্থিক ক্ষেত্রে সাফল্য এনে দিতে পারে। আটকে থাকা অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্মজীবনে বড় দায়িত্ব বা পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে। ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন বিনিয়োগ বা বড় প্রকল্পে যুক্ত হওয়ার সময় এটি। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ মিলতে পারে।</p>&#13;
<p><br>বৃশ্চিক: বৃশ্চিক রাশির জাতকদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। নতুন সম্পত্তি কেনা বা গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এটি শুভ সময়। কেরিয়ারে উচ্চপদস্থ কারও সমর্থন পেতে পারেন। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সংযত ভাষা ব্যবহার করা জরুরি। ব্যবসায় অংশীদারিত্ব থাকলে বোঝাপড়া বাড়ানো প্রয়োজন।</p>&#13;
<p><br>মকর: মকর রাশির জাতকদের আর্থিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি হতে পারে। আয়ের নতুন উৎস তৈরি হতে পারে এবং সঞ্চয় বাড়বে। দীর্ঘ পরিশ্রমের ফল মিলবে। সমাজে প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। বড় ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পৈতৃক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ মিটতেও পারে।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>কুম্ভ: কুম্ভ রাশির জাতকদের জন্য সময়টি নতুন সূচনার বার্তা দেবে। সমাজে সম্মান বৃদ্ধি পেতে পারে। দাম্পত্য ও প্রেমের সম্পর্কে মাধুর্য বাড়বে। উল্লেখযোগ্য আর্থিক লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন চাকরি বা ব্যবসা শুরু করার জন্য সময়টি অনুকূল।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[horoscope today]]></category>
            <category><![CDATA[Dhanshakti Rajyog 2026]]></category>
            <category><![CDATA[today rashifal]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/23/cdb45ab5-cbc2-40c2-898e-9851220c946d.webp" length="44086" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/23/cdb45ab5-cbc2-40c2-898e-9851220c946d.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/23/cdb45ab5-cbc2-40c2-898e-9851220c946d.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[উল্টো পায়ে হাঁটবে বুধ, উত্তরোত্তর সমস্যা বাড়বে এই ৪ রাশির! রইল বাঁচার উপায়]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/budh-vakri-2026-these-4-zodiac-signs-will-face-trouble-310359</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/budh-vakri-2026-these-4-zodiac-signs-will-face-trouble-310359</guid>
            <pubDate>Sun, 22 Feb 2026 20:12:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[২৬ ফেব্রুয়ারি বুধ গত কুম্ভ রাশিতে বক্রি হচ্ছে। আর আগামী ২১ মার্চ পর্যন্ত সেখানেই উল্টো পায়ে হাঁটবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বুধ বুদ্ধি, তর্ক, সংবাদ, ব্যবসা, ইত্যাদির অধিপতি। আর যখন এই গ্রহ উল্টো পায়ে হাঁটা শুরু করে তখন তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বেশ কিছু রাশির উপর।]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>২৬ ফেব্রুয়ারি বুধ গত কুম্ভ রাশিতে বক্রি হচ্ছে। আর আগামী ২১ মার্চ পর্যন্ত সেখানেই উল্টো পায়ে হাঁটবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী বুধ বুদ্ধি, তর্ক, সংবাদ, ব্যবসা, ইত্যাদির অধিপতি। আর যখন এই গ্রহ উল্টো পায়ে হাঁটা শুরু করে তখন তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বেশ কিছু রাশির উপর। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে, কেরিয়ার টালমাটাল হয়, সঞ্চয় কমে, নানা ভুল ধারণা থেকে সমস্যার সূত্রপাত ঘটে। কোন কোন রাশিকে বুধ বক্রি হওয়ার মাশুল গুনতে হবে জেনে নিন।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>কর্কট:</strong> বুধ বক্রি হতেই একের পর এক চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে এই রাশিকে। কাজের জায়গা টালমাটাল হবে। তাই কাজ করার সময় মন দিয়ে সেটা করুন। আপনার ছোট থেকে ছোট ভুল কিন্তু আলোচনার কারণ হয়ে উঠতে পারে। বসের বিষ নজরে পড়তে পারেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে মন সরে যেতে পারে। একাগ্রতা কমবে। ভেবে চিন্তে কথা বলার পাশাপাশি সিদ্ধান্ত নিন একই ভাবে। হুটোপুটি করবেন না। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিন।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>কন্যা: </strong>জীবনে হঠাৎ কোনও বদল আসতে পারে। আর তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। হঠাৎ করে কারও কারও বদখত কোনও জায়গায় বদলি হতে পারে। কাজের জায়গায় একাধিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে। ফলে ধৈর্য হারালে চলবে না। কঠোর পরিশ্রম জারি রাখবেন। যাঁরা বিদেশে চাকরি বা পড়াশোনার চেষ্টা করছেন তাঁদের বিপদ বাড়বে। স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে পারে হঠাৎ করে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>মকর:</strong> কথা বুঝে শুনে বলুন। ভুল শব্দ ব্যবহারে বড় মাশুল গুনতে হতে পারে। কাজের জায়গা হোক বা ব্যক্তিগত জীবন, আপনার কথা আপনাকে বড় বিপদে ফেলতে পারে। আপনার নিকট কেউ আপনার উপর রেগে যেতে পারেন। শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সতর্ক হন। ভুল বোঝাবুঝি দূর করুন। গলা এবং কান সংক্রান্ত কোনও সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>মীন:</strong> জলের মতো টাকা খরচ হবে। অকারণ খরচ বৃদ্ধি পাবে। আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হবে। সম্পত্তিহানি ঘটতে পারে। ভাল করে খোঁজ খবর না নিয়ে বিনিয়োগ করবেন না কিছুতে। গাড়ি চালানোর সময় বা রাস্তায় বেরোলে সতর্ক থাকুন। দুর্ঘটনার যোগ রয়েছে। সন্তানের স্বাস্থ্যের অবনতি হতে পারে। সেই কারণে চিন্তা বাড়বে। পদোন্নতি হওয়ার কথা থাকলেও সেটা শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যেতে পারে।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/OmEaZcmIKU8?si=e677kPVUyuW41nd8</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Budh Vakri 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Budh Graha]]></category>
            <category><![CDATA[astrology]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/70de40da-339c-4c17-9231-9817b540c46f.webp" length="52672" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/70de40da-339c-4c17-9231-9817b540c46f.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/70de40da-339c-4c17-9231-9817b540c46f.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[মঙ্গল-রাহু জুটি বাঁধতেই বিপদ শুরু ৪ রাশির, একের পর এক চ্যালেঞ্জে জেরবার হবেন কারা? ]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/mars-transit-these-4-zodiac-signs-will-be-negatively-affected-310355</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/mars-transit-these-4-zodiac-signs-will-be-negatively-affected-310355</guid>
            <pubDate>Sun, 22 Feb 2026 19:18:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে মঙ্গল গ্রহ মকর রাশি থেকে বেরিয়ে কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করবে। আর এই রাশিতে বর্তমানে সূর্য, বুধ, শুক্র এবং রাহু আগে থেকেই বসে আছে। তবে এদের মধ্যে মঙ্গল এবং রাহুর জুটি অঙ্গারক যোগ তৈরি করবে। আর তার জেরেই ৪ রাশির জীবনে একের পর এক বিপদ আছড়ে পড়বে। ]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে মঙ্গল গ্রহ মকর রাশি থেকে বেরিয়ে কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করবে। আর এই রাশিতে বর্তমানে সূর্য, বুধ, শুক্র এবং রাহু আগে থেকেই বসে আছে। তবে এদের মধ্যে মঙ্গল এবং রাহুর জুটি অঙ্গারক যোগ তৈরি করবে। আর তার জেরেই ৪ রাশির জীবনে একের পর এক বিপদ আছড়ে পড়বে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>মিথুন:</strong> কোনও রকম বড় আর্থিক লেনদেন বা সম্পত্তির লেনদেন করবেন না। এতে লাভের বদলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি। গোটা পরিবারের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুন। হঠাৎ কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। কর্মক্ষেত্রে সচেতন থাকুন। আপনার কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী আপনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে পারে। আর তার কারণে আপনার এতদিনের প্রচেষ্টা, পরিশ্রম মাটি হবে। কোনও রকম অফিস পলিটিক্স বা গসিপ থেকে দূরে থাকাই ভাল। ভাইয়ের সঙ্গে মতভেদ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই মাথা ঠান্ডা রাখুন।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>কর্কট:</strong> কথাবার্তার দিকে নজর দিন। সহকর্মীদের মধ্যে কেউ আপনার বিরুদ্ধে কোনও ষড়যন্ত্র করতে পারেন। ফলে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে কাজের জায়গায়। সিনিয়র বা বস আপনার কোনও কাজে রুষ্ট হতে পারেন। এতে কাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকুন। লাভের বদলে মোটা অঙ্কের টাকার লোকসান হবে।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>ধনু:</strong> ব্যবসায়ীদের কাজে ব্যাঘাত ঘটবে। বিপুল লোকসান হতে পারে। ব্যক্তিগত জীবনেও একাধিক ঝড়ঝাপটার সম্মুখীন হতে পারে। কোনও বন্ধুকে চোখ বুজে বিশ্বাস করে কোনও গোপন কথা বলবেন না। হিতে বিপরীত হতে পারে। আর্থিক অবস্থা টালমাটাল হতে পারে। টাকা কাউকে ধার দেবেন না এই সময়। ঝগড়া, অশান্তি লেগেই থাকবে, তাই ভেবেচিন্তে কথা বলুন। প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা প্রস্তুতি নিলে আরও মনোযোগ দিন।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>কুম্ভ: </strong>এই রাশিতেই যেহেতু মঙ্গল এবং রাহুর জুটি তৈরি হচ্ছে তাই তার নেতিবাচক প্রভাব ভুগতে হবে এই রাশির জাতকদের। মানসিক চাপ উত্তরোত্তর বাড়বে। স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটবে। শেয়ার মার্কেটে এই সময় ভুলেও টাকা ঢালবেন না। সঙ্গীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে।&nbsp;<br>আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সতর্ক থাকা উচিত এই ৪ রাশির জাতকদের।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/OmEaZcmIKU8?si=e677kPVUyuW41nd8</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[mars transit]]></category>
            <category><![CDATA[Mangal Rahu Yuti]]></category>
            <category><![CDATA[rahu]]></category>
            <category><![CDATA[astrology]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/1cac4bd4-5105-4731-bed9-2f82ce3897ca.webp" length="97348" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/1cac4bd4-5105-4731-bed9-2f82ce3897ca.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/1cac4bd4-5105-4731-bed9-2f82ce3897ca.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[হোলাষ্টকে ভুলেও নয় এই ৪ কাজ! জীবন থেকে পিছু ছাড়বে না দুঃখ-দুর্দশা]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/holashtak-2026-dont-do-these-things-to-avoid-attracting-negativity-in-your-life-310341</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/holashtak-2026-dont-do-these-things-to-avoid-attracting-negativity-in-your-life-310341</guid>
            <pubDate>Sun, 22 Feb 2026 17:44:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[আগামী মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এই বছরের হোলাষ্টক। এই সময়কালটা হোলির ঠিক আগের ৮ টি তিথি বা দিনকে বলা হয়। এই সময় কোনও শুভ বা মাঙ্গলিক কাজ একদমই করা উচিত নয়। জেনে নিন হোলাষ্টক চলাকালীন কোন কোন কাজ করবেন না।]]></description>
            <dc:creator>শুভস্মিতা কাঞ্জি</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>আগামী মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এই বছরের হোলাষ্টক। এই সময়কালটা হোলির ঠিক আগের ৮ টি তিথি বা দিনকে বলা হয়। এই সময় কোনও শুভ বা মাঙ্গলিক কাজ একদমই করা উচিত নয়। জেনে নিন হোলাষ্টক চলাকালীন কোন কোন কাজ করবেন না।&nbsp;</p>&#13;
<p><strong>হোলাষ্টকে কী কী করবেন না?</strong></p>&#13;
<p>হোলাষ্টক চলাকালীন বিয়ের দিন থাকলেও বিয়ে করা উচিত নয়। এমনকী পাত্র বা পাত্রী দেখতে যাওয়াও উচিত নয়। বিয়ে সংক্রান্ত কোনও কথা এগোবেন না। এই সময় যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাতে স্থিরতা থাকে না। বিয়ে ভাঙতে পারে।</p>&#13;
<p>কেবল বিয়ে নয়। হোলাষ্টকের সময় নতুন গাড়ি কিনবেন না। গাড়ি কেনার পরিকল্পনা থাকলে এই সময়টা পেরিয়ে যাওয়ার পর কিনুন। গাড়ি কেনা একটি বড় আর্থিক সিদ্ধান্ত। আর হোলাষ্টক চলাকালীন কোনও বড় বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়। শুভ নয় এই সময়টা।&nbsp;</p>&#13;
<p>গাড়ি তো বটেই, বাড়ি কেনা বা অন্যান্য কোনও আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রেও বিরত থাকুন। হোলাষ্টকের সময় কেটে গেলে, দোলের পর এই কাজগুলো করুন।&nbsp;</p>&#13;
<p>যদি বর্তমানে আপনার বাড়ি নির্মাণের কাজ চলে থাকে সেটা বন্ধ রাখুন কদিন। এমনকী বাড়ির কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলে এই সময় সেটা পিছিয়ে দিন। এই সময় বাড়ি নির্মাণের কাজ করলে বাড়ির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।&nbsp;</p>&#13;
<p>তাহলে কী করবেন হোলাষ্টক চলাকালীন? ঈশ্বর সাধনা, পুজো অর্চনার দিকে মন দিন। বাড়ি ঘর পরিষ্কার রাখুন। কোনও মাঙ্গলিক কাজ বা বড় আর্থিক লেনদেন করা থেকে বিরত থাকুন।</p>&#13;
<p>২০২৬ সালের হোলাষ্টক শুরু হচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারি আর এটি চলবে ৩ মার্চ পর্যন্ত। এই বছর টানা ৮ দিন একই রকম শক্তিশালী নেতিবাচক প্রভাব দেখাবে হোলাষ্টক। হোলাষ্টকের কারণে বেজায় বিপদের মুখে পড়বে কিছু রাশি। একের পর এক সমস্যা, চাপের মুখে পড়তে হবে। ফলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে জীবন। জলের মতো টাকা খরচ থেকে জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা, বাদ যাবে না কিছুই। তালিকায় আছে কারা? মেষ, কর্কট, বৃশ্চিক, সিংহ, কুম্ভ।</p>&#13;
<p>https://youtu.be/OmEaZcmIKU8?si=e677kPVUyuW41nd8</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Holashtak 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Marriage Dates]]></category>
            <category><![CDATA[astrology]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/3f88cf55-5f60-46ca-9b98-a0a0f6ace85d.webp" length="46100" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/3f88cf55-5f60-46ca-9b98-a0a0f6ace85d.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/22/3f88cf55-5f60-46ca-9b98-a0a0f6ace85d.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[আজ থেকে শনির খেলা শুরু! নক্ষত্র পরিবর্তন করে তিন রাশির কপাল খুলবেন শনিদেব, উপচে পড়বে টাকার স্রোত]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/shani-nakshatra-parivartan-2026-saturn-transit-bring-good-luck-to-three-zodiac-signs-310242</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/astrology/shani-nakshatra-parivartan-2026-saturn-transit-bring-good-luck-to-three-zodiac-signs-310242</guid>
            <pubDate>Sun, 22 Feb 2026 09:09:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[শনি সাধারণত ধীর গতির গ্রহ। তাই তার পরিবর্তনের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হয়।]]></description>
            <dc:creator>সোমা মজুমদার</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p>জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, গ্রহ যখন নক্ষত্র বা রাশি পরিবর্তন করে, তখন মানুষের জীবনে তার প্রভাব দেখা যায়। আজ ২২ ফেব্রুয়ারি শনিদেবের নক্ষত্র পরিবর্তন হবে। শনি উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্রের প্রথম পর্যায় থেকে বেরিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করবে। শনি প্রায় ২১শে মার্চ পর্যন্ত এই অবস্থানে থাকবে। এই সময়ের মধ্যে সমস্ত রাশিচক্রের উপর প্রভাব পড়বে।&nbsp;</p>&#13;
<p>জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, উত্তরভাদ্রপদ নক্ষত্র মীন রাশিতে অবস্থিত এবং এর অধিপতি শনি। অতএব যখন শনি তার নিজস্ব নক্ষত্রের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবেশ করে, তখন তার অবস্থানকে শক্তিশালী বলে মনে করা হয়। ফলে থেমে যাওয়া কাজ এগিয়ে যায় এবং জীবনে স্থিতিশীলতা এবং অগ্রগতির লক্ষণ দেখা যায়।</p>&#13;
<p>শনি সাধারণত ধীর গতির গ্রহ। তাই তার পরিবর্তনের প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়কে কাজে লাগালে কর্মক্ষেত্র, অর্থ ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে তিনটি রাশির জন্য শনির নক্ষত্র পরিবর্তন সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারে।&nbsp;</p>&#13;
<p>মেষঃ মেষ রাশির জাতকরা গত কয়েক মাসে অনেক ক্ষেত্রে কিছু কাজ আটকে থাকতে বা দেরিতে সম্পন্ন হতে দেখেছেন। শনি নক্ষত্র পরিবর্তনের পরে এই বাধাগুলো ধীরে ধীরে কমতে পারে। কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব বা পদোন্নতির সুযোগ আসতে পারে। আর্থিক অবস্থাও স্থিতিশীল হতে পারে। মানসিক চাপ কমিয়ে নিজেকে স্থিতিশীল রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।</p>&#13;
<p>কর্কটঃ কর্কট রাশির জাতকদের ক্ষেত্রেও এই সময় শুভ প্রভাব আনতে পারে। পুরনো কাজ বা বাধাগুলো সমাধানের পথে যাবে। নতুন প্রজেক্ট বা কাজের সুযোগ আসতে পারে। চাকরি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে উন্নতি, পদোন্নতি বা বেতন বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবারের সাহায্য থাকলে পরিকল্পনা আরও ভালভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে। স্বাস্থ্য ও শরীরের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন জ্যোতিষরা।</p>&#13;
<p>মীনঃ মীন রাশির জাতকদের ক্ষেত্রেও শনি দেবের নক্ষত্র পরিবর্তন ইতিবাচক হতে পারে। ব্যবসা, পেশা ও আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে। পূর্বের বিনিয়োগ থেকে লাভ হতে পারে এবং পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় থাকবে। নতুন উদ্যোগ শুরু করতেও এটি একটি সুবিধাজনক সময় বলে মনে করা হচ্ছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[shani gochar]]></category>
            <category><![CDATA[astrology news]]></category>
            <category><![CDATA[Shani Gochar 2026]]></category>
            <category><![CDATA[Shani Nakshatra Parivartan]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/21/07b24da5-1c51-4000-a3b2-2cd975436d29.webp" length="46948" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/21/07b24da5-1c51-4000-a3b2-2cd975436d29.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/21/07b24da5-1c51-4000-a3b2-2cd975436d29.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[ইন্ডিগোতে প্রচুর চাকরি, কারা সুযোগ পাবেন]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/indigo-launches-massive-pilot-recruitment-drive-amid-crew-shortage-concerns-309526</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/indigo-launches-massive-pilot-recruitment-drive-amid-crew-shortage-concerns-309526</guid>
            <pubDate>Sun, 15 Feb 2026 17:27:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[ভারতীয় বিমান চলাচল খাতে এটি অন্যতম বৃহত্তম নিয়োগ অভিযান হতে চলেছে।]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>&nbsp;দেশের বৃহত্তম বিমানসংস্থা ইন্ডিগো প্রচুর পাইলট নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংস্থাটি ১,০০০-রও বেশি পাইলট নিয়োগ করবে বলে জানা গেছে। ভারতীয় বিমান চলাচল খাতে এটি অন্যতম বৃহত্তম নিয়োগ অভিযান হতে চলেছে।</p>&#13;
<p><br>এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গত ডিসেম্বরের বড় ধরনের অপারেশনাল সঙ্কট। মাত্র সাত দিনের মধ্যে ৫,০০০-র বেশি উড়ান বাতিল করতে হয়েছিল ক্রু-সংকটের কারণে। নতুন বিশ্রামবিধি কার্যকর হওয়ার পর পাইলটের ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করে, যার ফলে বিমান চলাচলে বিপর্যয় দেখা দেয়।</p>&#13;
<p><br><strong>একাধিক পদে নিয়োগ</strong><br>ইন্ডিগোর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ট্রেনি ফার্স্ট অফিসার, সিনিয়র ফার্স্ট অফিসার এবং ক্যাপ্টেন পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সংস্থাটি একদিকে যেমন নিজেদেরকে সম্প্রসারণ করছে, অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশিকা মেনে চলতেও এই পদক্ষেপ নিচ্ছে।</p>&#13;
<p><br><strong>প্রতি মাসে চারটি নতুন বিমান</strong><br>ইন্ডিগো প্রতি মাসে তাদের বহরে চারটি নতুন বিমান যুক্ত করবে। ফলে এই নতুন উড়ান পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত পাইলট প্রয়োজন। বর্তমানে সংস্থা প্রতি মাসে ২০ থেকে ২৫ জন ফার্স্ট অফিসারকে ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত করছে। একজন ট্রেনি অফিসার থেকে ক্যাপ্টেন হতে সাধারণত ছয় মাস সময় লাগে এবং কমপক্ষে ১,৫০০ ঘণ্টা উড়ান অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। সংস্থা এই মানদণ্ড আরও কঠোর করছে বলে জানা গেছে।</p>&#13;
<p><br><strong>ডিজিসিএর নিয়ম ও চাপ</strong><br>ভারতে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ-র নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বিমানের জন্য অন্তত তিন সেট পাইলট থাকা বাধ্যতামূলক। তবে ইন্ডিগোর বিমানগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়, ফলে প্রয়োজন হয় স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ পাইলট থাকবে।</p>&#13;
<p><img src="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/15/c27a2127-9d4d-44db-8474-2d0af7f50713.webp"></p>&#13;
<p><br>তদন্তে দেখা যায়, সংস্থার প্রয়োজন ছিল ২,৪২২ জন ক্যাপ্টেন, কিন্তু সেই সময়ে ছিলেন মাত্র ২,৩৫৭ জন। এই ঘাটতির জেরে উড়ান পরিচালনায় চাপ বেড়ে যায়।&nbsp;</p>&#13;
<p><br><strong>ডিসেম্বরের সঙ্কটের প্রেক্ষাপট</strong><br>ডিসেম্বরে নতুন পাইলট বিশ্রামবিধি চালু হয়। নিয়ম অনুযায়ী, রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে অবতরণের সংখ্যা সীমিত করা হয় এবং সাপ্তাহিক বিশ্রামের সময় বাড়ানো হয়। তদন্তে উঠে আসে, ইন্ডিগো নতুন নিয়ম মানতে পর্যাপ্ত নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেনি। ফলে পাইলটদের ওপর কাজের চাপ বৃদ্ধি পায় এবং বিপুল সংখ্যক উড়ান বাতিল করতে হয়।</p>&#13;
<p><br><strong>ভবিষ্যতের প্রস্তুতি</strong><br>ডিসেম্বরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইন্ডিগো এবার বড়সড় নিয়োগে নামছে। নতুন বিমান সংযোজন, কড়া নিয়মাবলি মেনে চলা এবং পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পাইলট নিয়োগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সংস্থাটি।</p>&#13;
<p>&nbsp;</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=py8joJtFTjk<br>বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপ সফল হলে ভবিষ্যতে উড়ান বাতিলের ঝুঁকি কমবে এবং যাত্রী পরিষেবায় স্থিতিশীলতা আসবে। ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল বিমান বাজারে ইন্ডিগোর এই সিদ্ধান্ত শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Pilot Recruitment DGCA]]></category>
            <category><![CDATA[Indian Aviation]]></category>
            <category><![CDATA[flight cancellations]]></category>
            <category><![CDATA[indigo]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/15/770d7211-1407-4fe9-a86d-ff84adec705b.webp" length="32554" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/15/770d7211-1407-4fe9-a86d-ff84adec705b.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/15/770d7211-1407-4fe9-a86d-ff84adec705b.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[নোটিস ছাড়াই ইস্তফা: কেন বর্তমান প্রজন্ম বেছে নিচ্ছে ‘রিভেঞ্জ কুইটিং’]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/inside-the-rising-trend-of-revenge-quitting-308591</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/jobs/inside-the-rising-trend-of-revenge-quitting-308591</guid>
            <pubDate>Sat, 07 Feb 2026 16:52:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[Revenge quitting: আজকের কর্মক্ষেত্রে নতুন এক প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে—রিভেঞ্জ কুইটিং। ]]></description>
            <dc:creator>সুমিত চক্রবর্তী</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক: </strong>&nbsp;কেরিয়ারের দুনিয়ায় একসময় চাকরি ছাড়ার মানে ছিল&mdash;লম্বা নোটিস পিরিয়ড, ফরমাল বিদায়, আর &ldquo;ভবিষ্যতে যোগাযোগ রাখব&rdquo; টাইপের ভদ্রতা। কিন্তু সেই ছবিটা দ্রুত বদলাচ্ছে। আজকের কর্মক্ষেত্রে নতুন এক প্রবণতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে&mdash;রিভেঞ্জ কুইটিং। অর্থাৎ, কোনও নোটিস না দিয়েই, হঠাৎ করে চাকরি ছেড়ে দেওয়া। অনেক সময় এটি শুধুই পেশাগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং জমে থাকা ক্ষোভের প্রকাশ।</p>&#13;
<p><br>রিভেঞ্জ কুইটিং মূলত জন্ম নিচ্ছে দীর্ঘদিনের অবমূল্যায়ন, অতিরিক্ত কাজের চাপ, বিষাক্ত ম্যানেজমেন্ট এবং কর্মীদের কথা না শোনার সংস্কৃতি থেকে। কর্মীরা যখন বারবার নিজেদের সীমা ছাড়িয়ে কাজ করেন, কিন্তু তার বদলে পান না স্বীকৃতি, সম্মান বা ন্যায্য পারিশ্রমিক&mdash;তখন একসময় ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। সেই ভাঙনই অনেক ক্ষেত্রে রিভেঞ্জ কুইটিং।</p>&#13;
<p><br>বিশেষ করে তরুণ কর্মীদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি চোখে পড়ছে। জেন জেড এবং মিলেনিয়াল প্রজন্ম কাজকে আর জীবনের একমাত্র পরিচয় হিসেবে দেখতে চায় না। তারা মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্য বোঝে, ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালান্সকে অগ্রাধিকার দেয়। ফলে যখন কোনও কর্মক্ষেত্র তাদের সেই মৌলিক চাহিদাগুলো উপেক্ষা করে, তখন তারা আর &ldquo;সহ্য করে যাওয়া&rdquo;-র পথে হাঁটে না। সরাসরি বেরিয়ে যাওয়াকেই অনেক সময় তারা শক্ত অবস্থান হিসেবে দেখে।</p>&#13;
<p><br>কোভিড-পরবর্তী সময়েও এই ট্রেন্ড জোরদার হয়েছে। রিমোট ও হাইব্রিড কাজের অভিজ্ঞতা কর্মীদের বুঝিয়ে দিয়েছে&mdash;কাজের বিকল্প আছে। একটি চাকরি চলে গেলে জীবন থেমে যায় না। এই উপলব্ধি কর্মীদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিয়েছে। আর সেই ক্ষমতাই কখনও কখনও প্রকাশ পাচ্ছে নোটিস ছাড়া ইস্তফার মাধ্যমে।</p>&#13;
<p><br>তবে রিভেঞ্জ কুইটিং-এর প্রভাব একপাক্ষিক নয়। কর্মীদের জন্য এটি তাৎক্ষণিক মানসিক স্বস্তি এনে দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর ঝুঁকিও আছে। হঠাৎ চাকরি ছাড়া ভবিষ্যতের রেফারেন্স, নেটওয়ার্কিং এবং পেশাগত ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, সংস্থার জন্য এটি বড় সতর্কবার্তা। একের পর এক কর্মী যদি এভাবে বেরিয়ে যায়, তাহলে বোঝাই যায় ভেতরে কোথাও গভীর সমস্যা রয়েছে।</p>&#13;
<p>https://www.youtube.com/watch?v=ycPEA7C2xjc</p>&#13;
<p><br>এই প্রবণতা আসলে প্রশ্ন তুলছে প্রচলিত কর্পোরেট সংস্কৃতির ওপর। কর্মীরা আর শুধু বেতন চায় না&mdash;তারা চায় সম্মান, স্বচ্ছতা এবং মানবিক আচরণ। রিভেঞ্জ কুইটিং সেই দাবি জানানোর এক চরম পদ্ধতি। এটি হয়তো আদর্শ সমাধান নয়, কিন্তু এটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে&mdash;কর্মক্ষেত্র বদলাচ্ছে, আর সেই পরিবর্তনকে উপেক্ষা করার জায়গা আর নেই।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Rising trend]]></category>
            <category><![CDATA[Inside Story]]></category>
            <category><![CDATA[Revenge quitting]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/07/60425c21-1fbd-41d8-995e-4686bedf8eb3.webp" length="143930" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/07/60425c21-1fbd-41d8-995e-4686bedf8eb3.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/07/60425c21-1fbd-41d8-995e-4686bedf8eb3.webp"/>
            </media:content>
        </item>
        <item>
            <title><![CDATA[সংবাদপত্রের জন্য দক্ষ কর্মী তৈরির চেষ্টা, বিশেষ কর্মশালা নিউ আলিপুর কলেজে]]></title>
            <link>https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/workshops-aimed-at-creating-skilled-professions-for-newspaper-industry-at-new-alipore-college-308436</link>
            <guid isPermaLink="true">https://www.aajkaal.in/lifestyle/study/workshops-aimed-at-creating-skilled-professions-for-newspaper-industry-at-new-alipore-college-308436</guid>
            <pubDate>Fri, 06 Feb 2026 13:32:00 +0530</pubDate>
            <description><![CDATA[যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় বহু বদল এসেছে। এই পরিবর্তন জারি থাকবে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীদের আগামীর এই বাস্তবমুখী লড়াইয়ে সামিল করতে তাই  নিউ আলিপুর কলেজের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগ সংবাদপত্র ডিজাইন, লেআউট এবং ডিজিটাল যুগে সংবাদপত্র শিল্পের চ্যালেঞ্জের উপর একটি ধারাবাহিক কর্মশালার ]]></description>
            <dc:creator>রাজিত দাস</dc:creator>
            <content:encoded><![CDATA[<p><strong>আজকাল ওয়েবডেস্ক:</strong> যুগ বদলাচ্ছে। প্রযুক্তি আরও সহজ হচ্ছে। ক্রমশ বাড়ছে ডিজিটাল সাংবাদিকতার। চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন সংবাদপত্র। চলছে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অনবড়ত লড়াই। তবে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতায় বহু বদল এসেছে। এই পরিবর্তন জারি থাকবে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীদের আগামীর এই বাস্তবমুখী লড়াইয়ে সামিল করতে তাই &nbsp;নিউ আলিপুর কলেজের সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগ সংবাদপত্র ডিজাইন, লেআউট এবং ডিজিটাল যুগে সংবাদপত্র শিল্পের চ্যালেঞ্জের উপর একটি ধারাবাহিক কর্মশালার আয়োজন করেছে। এই কর্মশালা ও বক্তৃতামালার মূল উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল যুগে সংবাদপত্র শিল্পে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে অবহিত করা এবং তাদের দক্ষ করে তোলা।&nbsp;</p>&#13;
<p>চারটি ভিন্ন সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত চার অভিজ্ঞ সাংবাদিক এই কর্মশালার বিশেষজ্ঞ। শিক্ষার্থীরা সম্পাদকীয় নীতি এবং ডিজিটাল যুগে সংবাদপত্রগুলো যে বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলোর সম্মুখীন হচ্ছে, সে সম্পর্কে জানতে পারছেন। শিক্ষার্থীদের কোয়ার্ক এক্সপ্রেস এবং ইনডিজাইন সফটওয়্যারে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মিডিয়া গবেষণার কেস স্টাডি হিসেবে বিভিন্ন সংবাদপত্রের একটি তুলনামূলক পাঠও এই কর্মশালায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। &nbsp;</p>&#13;
<p>নিউ আলিপুর কলেজের সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. অমর্ত্য সাহা বলেন, "কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সিসিএফ ইউজি পাঠ্যক্রম শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের এবং শিল্পক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ করে দেয়। যে শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগকে তাঁদের প্রধান বিষয় হিসেবে পড়ছে, তাঁদের চার বছরের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্রডশিট ও ট্যাবলয়েড ডিজাইনিং রয়েছে।"</p>&#13;
<p>সংবাদ প্রতিদিনের সিনিয়র সাব-এডিটর অনিন্দ্য সিনহা চৌধুরী কোয়ার্কএক্সপ্রেসে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ডিজাইন লেআউটের বিভিন্ন দিক শেখানোর উপর জোর দেন। শিক্ষার্থীদের কলকাতা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন বাংলা দৈনিকেরমূল দিকগুলো তুলে ধরার ক্ষেত্রে সহায়তা করেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>এই সময়ের সিনিয়র সাব-এডিটর ও রিপোর্টার সায়ন কর্মকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকীয় নীতির তুলনা করার উপর জোর দেন এবং একটি নির্দিষ্ট দিনে বিভিন্ন সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন খবরের স্থান নির্ধারণ ও অগ্রাধিকার ব্যাখ্যা করেন। এরপর ইনডিজাইন সফটওয়্যারে একটি বিস্তারিত হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।&nbsp;</p>&#13;
<p>টাইমস অফ ইন্ডিয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট নিউজ এডিটর সম্বুদ্ধ চক্রবর্তী ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে স্থানীয় দৈনিকগুলো জাতীয় দৈনিক থেকে আলাদা। অভিজ্ঞতামূলক শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রম শেষে চাকরি পেতে সক্ষম করে তোলার উপর জোর দেওয়া হয়েছিল। তিনি সংবাদপত্রের বিভিন্ন পৃষ্ঠা, সেগুলোর প্রয়োজনীয়তা এবং লেআউট নিয়ন্ত্রণকারী সম্পাদকীয় নীতি ব্যাখ্যা করেন।&nbsp;</p>&#13;
<p>মিলেনিয়াম পোস্টের বিশেষ সংবাদদাতা সৌমিত্র নন্দী মাঠ পর্যায়ের রিপোর্টিংয়ের চ্যালেঞ্জগুলোর উপর আলোকপাত করবেন।</p>&#13;
<p>নিউ আলিপুর কলেজের অধ্যক্ষ ডঃ জয়দীপ সারেঙ্গী বলেন,"পরিচয় রাজনীতির জন্য সংবাদপত্র গুরুত্বপূর্ণ। একটি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি, সমাজ বা সম্প্রদায়ের পরিচয় নির্মাণ এবং ধারণা তৈরি করা আজকের দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মতামত দ্রুত এবং নিরপেক্ষভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য সংবাদপত্র অপরিহার্য।"</p>&#13;
<p>নিউ আলিপুর কলেজের সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডঃ অমর্ত্য সাহা বলেন, "সংবাদপত্র শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদার দিকে শিক্ষার্থীদের অভিমুখী করা গুরুত্বপূর্ণ।" ডিজিটাল মিডিয়া বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করেছে, কিন্তু ভারতে বিশ্লেষণধর্মী ও মানসম্মত প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রই মেরুদণ্ড হিসেবে রয়ে গিয়েছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।</p>&#13;
<p>কর্মশালার অংশ হিসাবে শিক্ষার্থীরা নিজস্ব ট্যাবলয়েড এবং ব্রডশিট সংবাদপত্র প্রতিবেদন তৈরি, সংকলন এবং প্রকাশ করবে, যার মাধ্যমে তারা তাদের অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করবে।</p>]]></content:encoded>
            <category><![CDATA[Newspaper Industry]]></category>
            <category><![CDATA[New Alipore College]]></category>
            <category><![CDATA[newspaper]]></category>
            <category><![CDATA[college]]></category>
            <enclosure url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/06/16f9a12f-f7ec-40dd-a775-ebd5385d50cf.webp" length="61666" type="image/webp"/>
            <media:content url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/06/16f9a12f-f7ec-40dd-a775-ebd5385d50cf.webp" type="image/webp">
                <media:thumbnail url="https://cdn.aajkaal.in/uploads/images/2026/02/06/16f9a12f-f7ec-40dd-a775-ebd5385d50cf.webp"/>
            </media:content>
        </item>
    </channel>
</rss>
