থ্যালাসেমিয়া সচেতনতার লক্ষ্যে এক সন্ধ্যায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় থেকে শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের মতো উজ্জ্বল ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি বুঝিয়ে দিল, আলো আছে। এটাই বোধহয় চেয়েছিল আয়োজক রোটারি ক্লাবের সহযোগী লেক ক্লাব। থ্যালাসেমিয়া এমন একটি অসুখ, যা প্রায় নিরাময়হীন। অথচ শুধু সচেতন হলেই একশো শতাংশ প্রতিরোধযোগ্য। উপস্থিত সকলকে সহজভাবে বুঝিয়ে দিলেন ডাক্তার রামেন্দু হোমচৌধুরী। স্বামী–‌স্ত্রী দু‌জনেই যদি থ্যালাসেমিয়ার ‘‌কেরিয়ার’‌ হন একমাত্র তাহলেই তাঁদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগী হয়ে জন্মানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই বিয়ের আগে অবশ্যই রক্তপরীক্ষা করে জেনে নেওয়া জরুরি যে, পাত্র–পাত্রী দু‌জনেই থ্যালাসেমিয়ার ‘‌কেরিয়ার’‌ বা বাহক কিনা। দু‌জনের একজন বাহক হলে তাঁদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকেই না। ফলে দরকার কেবলমাত্র সচেতনতা। দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করায় উদ্যোগী রামেন্দুবাবু। লেক ক্লাবে এদিন উপস্থিত ছিলেন আরও বহু বিশিষ্টজন। ছিলেন সুবোধ সরকার, দেবশঙ্কর হালদার, শ্রীজাত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়, তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার, শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, ইন্দ্রাণী ভট্টাচার্য, সিধু, স্বাগতা মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। সকলেই বললেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে তাঁরাও সচেতনতার বার্তা দেবেন মানুষকে। ‌

জনপ্রিয়

Back To Top