আভোগ নিবেদন করল রবীন্দ্র গীতিআলেখ্য ‘মেঘ গীতিকার পথচলা’। পয়লা সেপ্টেম্বর, সল্টলেকের রবীন্দ্র ওকাকুরা ভবনে। প্রায় পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে রবীন্দ্রসঙ্গীতের বর্ষা পর্যায়ের গান নিয়েই ছিল এদিনের অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা বর্ষার শতাধিক গান থেকে বেছে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ষোলটি গান নিয়ে রচনার সময়ক্রম অনুযায়ী সাজানো হয়েছিল এই আলেখ্যটি। বাচিকশিল্পী তাপস রায়ের ভাষ্যপাঠে সে সময়ের বিভিন্ন আকর্ষণীয় ঘটনার বিবরণ এই আলেখ্যটিকে আকর্ষণীয় করে তোলে। রবীন্দ্রনাথের লেখা বর্ষার প্রথম গান ‘শাঙন গগনে ঘোর ঘনঘটা’ গানটি একক ও সমবেত মহিলাশিল্পী দ্বারা সুন্দরভাবে পরিবেশিত হয়। এই গানে একক কণ্ঠে অন্বেষা চক্রবর্তী যথাযথ। বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় লোপামুদ্রা দে–‌র কণ্ঠে ‘সখী আঁধারে’ গানটির কথা। সেদিনের বর্ষামুখর সন্ধ্যায় এই গানটির কথা শ্রোতারা বহুদিন মনে রাখবেন। শুধু একক গানই নয়, সমবেত সঙ্গীত পরিবেশনায়ও বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছিল আভোগের এই অনুষ্ঠানে। সঙ্কলন ও পরিচালনায় ছিলেন কাঞ্চনবরণ অধিকারী। তবে এই দিনের সন্ধ্যায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে শ্রোতারা যেভাবে প্রেক্ষাগৃহ প্রায় পূর্ণ করে তুলেছিলেন তা সত্যিই উল্লেখ করবার মতো।
 

জনপ্রিয়

Back To Top