সাংবাদিক–‌সম্পাদক বঙ্কিমচন্দ্র সেন জন্মেছিলেন ১৭ ডিসেম্বর ১৮৯২, টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা গ্রামে। পিতা জগচ্চন্দ্র সেন। শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু। স্বদেশচেতনা ও সাহিত্যানুরাগ তাঁকে কাজে থিতু হতে দেয় না। প্রথম রচনা প্রকাশিত হয় ময়মনসিংহ থেকে প্রকাশিত ‘‌সৌরভ’‌ পত্রে। একে একে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। সাংবাদিকতার হাতেখড়ি ‘‌বেঙ্গলী’‌তে। তখন সুরেন বাঁড়ুজ্জে সম্পাদক। যখন তিনি ‘‌বাঙালী’ পত্রিকায় তখনই ঘটে জালিয়ানওয়ালাবাগের কুখ্যাত হত্যাকাণ্ড। সম্পাদকীয় স্তম্ভে বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা ‘‌জেনারেল ডায়ার’‌ হইচই ফেলে দেয়।  ১৯২৬–‌এ বাল্যবন্ধ সতু, মানে সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদারের ডাকে যোগ দেন আনন্দবাজারে। কিছুদিন সম্পাদকের দায়িত্বও সামলেছেন। ৩৩–‌এর ২৪ নভেম্বর প্রকাশিত হয় সাপ্তাহিক ‘‌দেশ’। ৩৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি সম্পাদক হন। ২৩ বছর ছিলেন দায়িত্বে। পরের দিকে সাধনমার্গে চলে যান। বিস্মৃত এই স্বদেশব্রতী তথা সাংবাদিক–‌সম্পাদককে নিয়ে সূত্রধর প্রকাশন প্রকাশ করছে বই, একই সঙ্গে আয়োজন করেছে আলোচনাসভারও। বঙ্কিমচন্দ্রকে নিয়ে বলবেন রাইকমল দাশগুপ্ত, লোকনাথ চক্রবর্তী ও স্বরূপপ্রসাদ ঘোষ। বঙ্কিমচন্দ্র সেন স্মারক সম্মাননা দেওয়া হবে হারাধন চৌধুরীকে। প্রকাশিত হবে দিলীপকুমার রায়–‌এর ‘‌সঙ্গীত’ নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র সেনের সংবাদপত্র–‌সেবার অমলিন স্মৃতি, রেজাউল করীম–‌এর ‘‌সমন্বয়ের সন্ধানে’ ও গৌতম ভদ্রের ‘‌বাঙালির মিষ্টান্ন’‌। ১৯ জানুয়ারি, রবিবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটায়, ছাতুবাবু–‌লাটুবাবুর ঠাকুরদালানে।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top