আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এবার বীরভূমের দাপুটে জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের ঘরও ভাঙল। বুধবার বিজেপিতে যোগ দিলেন বীরভূমের লাভপুরের তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং মুকুল রায়ের উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন মণিরুল। উপস্থিত ছিলেন আরেক বিজেপি নেতা অনুপম হাজরাও।
মণিরুলের সঙ্গেই এদিন বিজেপিতে যোগ দিলেন নানুরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা বীরভূমে যুব তৃণমূলের সভাপতি গদাধর হাজরা, জেলা যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আসিফ ইকবাল এবং  তৃণমূল নেতা নিমাই দাস। মণিরুলকে বিজেপির দলীয় উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুকুল বলেন, খাদি গ্রামদ্যোগ ভবনের ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা পাথরপ্রতিমা ব্লকের চেয়ারম্যান মনিরুল প্রধানমন্ত্রীর ‘‌সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’‌ স্লোগানে আস্থা রেখেই বিজেপিতে এসেছেন। বীরভূম এবং বোলপুর লোকসভায় ভোটে হারের জন্য রিগিং–এর অভিযোগ তুলে মুকুলের মন্তব্য, ‘‌ওই ঘটনায় সংখ্যালঘুরা তেতে ছিল।’‌ বৃহস্পতিবার নৈহাটি পুরসভার সামনে ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভে বসছে তৃণমূল। ওই বিক্ষোভ সমাবেশকে অনৈতিক বলে কটাক্ষ করে মুকুলের অভিযোগ, ‘‌গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় ৮০ জন বিজেপি নেতাকর্মী খুন হয়েছিলেন।’‌
কৈলাস বিজয়বর্গীয় এদিন বলেছেন, ‘মোদিজির উপর বিশ্বাস এবং ‌বাংলায় উন্নয়নের আশাতেই বিজেপিতে যোগদান বাড়ছে। কারণ বিজেপি হিংসায় বিশ্বাস করে না, গড়তন্ত্রে বিশ্বাসী।’‌ মণিরুল এবং আসিফ ইকবালের মতোন সংখ্যালঘু নেতারা বাংলায় বিজেপির প্রতি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা ফেরাতে সক্ষম হবেন বলে আশাবাদী কৈলাস। মেদিনীপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ এদিন দাবি করেছেন কাউকে জোর করে দলবদল করানো হয়নি। বাংলার যেসব নেতারা যাঁরা সম্প্রতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা সবাই স্বেচ্ছায় দলবদল করেছেন।
ছবি:‌ এএনআই‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top