আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ প্রয়াত বিশিষ্ট শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী গিরিজা দেবী। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ বুকে ব্যাথা নিয়ে বি এম বিড়লা হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। রাত ৮টা ৪৫ মিনিট নাগাদ হাসপাতালেই জীবনাবসান হয় তাঁর। বেনারস ঘরানার বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী গিরিজা দেবীর বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তাঁর প্রয়ানে শোকস্তব্ধ সঙ্গীত জগত। তাঁর হাত ধরেই জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ঠুমরি। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের জগতে ঠুমরি কুইন নামেও জনপ্রিয় ছিলেন গিরিজা দেবী। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পরেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেখানে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে ছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। গিরিজা দেবীর প্রয়ানে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোকবার্তায় তিনি লিখেছেন, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বেনারস ঘরানার শিল্পী গিরিজা দেবীকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করা হয়েছিল ১৯৭২ সালে। ১৯৮৯-এ পদ্মভূষণ এবং ২০১৬-য় তাঁকে পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। ১৯২৯-এর ৮মে বেনারসের জমিদার পরিবারে জন্ম গিরিজা দেবীর। পরিবারে সঙ্গীত অনুরাগী হওয়ায় শৈশবে তাঁর বাবা রামদেও রাইয়ের কাছেই হারমোনিয়াম শিখেছিলেন তিনি। সেটাই সঙ্গীতের সঙ্গে তাঁর প্রথম পরিচিতি। পাঁচ বছর বয়স থেকেই সরযূ প্রসাদ মিশ্রার কাছে গান শিখতে শুরু করেন। তাঁর কাছেই খুমরি, খেয়াল, টপ্পা শেখা। ১৯৪৯-এ ইলাহাবাদের অল ইন্ডিয়া রেডিওতে প্রথম অনুষ্ঠান করেন গিরিজা দেবী। কিন্তু রক্ষণশীল পরিবারে বিয়ে হওয়ায় কোনও গানের অনুষ্ঠান আর করতে পারেননি। নিজের সঙ্গীত চর্চা অবশ্য জারি রেখেছিলেন। ১৯৫১য় বিহারে ফের মুক্ত মঞ্চে অনুষ্ঠান করেন গিরিজা দেবী। এরপর কলকাতায় চলে আসেন তিনি। এখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস শুরু করেন।

 

 

 

 

গিরিজা দেবী। 

জনপ্রিয়

Back To Top