আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ গত জানুয়ারির শেষ দিকে রটেছিল, মুরগির মাংস খেলে করোনা সংক্রমণ হতে পারে। কারণ ইউহানে মাংসের বাজার থেকেই ছড়িয়েছিল করোনা। তার পরই মাংস খাওয়া বন্ধ করেছিলেন বহু মানুষ। দাম কমেছিল মুরগির। 
এবার ফের বার্ড ফ্লু। ১০টি রাজ্যে ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। সেগুলো ছাড়াও বেশ কিছু রাজ্যে কমেছে মাংসের দাম। ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। সুগুনা ফুড প্রাইভেট লিমিটেড–এর কর্তা সৌন্দরারাজন বলছেন, করোনার মতো বার্ড ফ্লু নিয়েও মানুষ অকারণেই আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।
কেন?‌ সেই ব্যাখ্যাও দিলেন সৌন্দরারাজন। তাঁর মতে, খামারের মুরগির এই ভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। শীতকালে সাইবেরিয়া এবং অন্যান্য শীতের জায়গা থেকে উড়ে আসে পরিযায়ী পাখি। তারাই বয়ে আনে এইচ৫এন১। সাধারণত জলাধারের কাছে থাকে এই পাখিরা। আক্রান্তদের লালারস, চোখ বা নাকের জল থেকে ছড়িয়ে পড়ে ভাইরাস। সংক্রামিত হয় অন্য পাখিরা। 
সৌন্দরারাজন মনে করিয়ে দিলেন, এভাবে মুক্ত পাখিরাই মূলত সংক্রামিত হয়। খাঁচা বা খামারের মুরগি বা পাখিদের হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। মুম্বই পশু হাসপাতালের চিকিৎসক এএস রানাডেও একই কথা বললেন। তাঁর ব্যাখ্যা, খামারে মুরগি খাঁচায় রাখা হয়। প্রত্যেকটির জন্য আলাদা খাঁচা বরাদ্দ। নীচে পাতা থাকে খড়। পরিযায়ী পাখির সংস্পর্শে আসার সম্ভাবনাই নেই। 
পুনের ভেঙ্কটেশ্বর হ্যাচারি–র কর্তা প্রসন্ন পেড়গাঁওকার বললেন, খামারের মুরগিকে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ানো হয়। টিকার ব্যবস্থা রয়েছে। তাই রোগের সম্ভাবনা কম। পুনেতে ছোট একটি খামারের মালিক দীপক পাওয়ালের দাবি, সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে সরকারেরই। নয়তো এভাবেই ক্ষতির মুখে পড়বে খামার মালিকরা।  
 

জনপ্রিয়

Back To Top