আজকাল ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ করে দেওয়া হল রাজ্যের সমস্ত চিড়িয়াখানা ও অন্যান্য পশুশালা। সেই সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া হল রাজ্যের প্রতিটি সাফারি পার্ক ও টাইগার রিজার্ভ। আপাতত দর্শকরা এখানে যেতে পারবেন না। রাজ্য বন দপ্তরের তরফে এ সম্পর্কে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। সেই সঙ্গে বন দপ্তরের অধীনে যে অতিথিশালাগুলি আছে সেখানেও নতুন নির্দেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যেই যারা এখানে থাকার জন্য বুকিং করেছেন তাঁদের বুকিং বাতিল করতে এবং অগ্রিম  ফেরত দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বন দপ্তরের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 
রাজ্যের মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রাণ) ভিকে যাদব জানিয়েছেন, সোমবার থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতেই রাজ্য সরকারের তরফে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 
একদিকে যেমন চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কগুলি বন্ধ থাকবে, তেমনই বন দপ্তরের অধীনে ‌যে উদ্যানগুলি আছে ‌সেখানেও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ‌করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আপাতত এই নির্দেশ জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন বন দপ্তরের এক আধিকারিক। 
এ বছর প্রথম নয়। রাজ্যে গত বছর করোনার সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সংক্রমণ ঠেকাতে চিড়িয়াখানাগুলি বন্ধ রেখেছিল রাজ্য সরকার। বন্ধ ছিল সাফারি পার্ক ও বিভিন্ন জাতীয় উদ্যানগুলি। সাফারি ফের চালু হওয়ার পর বন দপ্তরের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল উত্তরবঙ্গে  হাতি সাফারি বন্ধ থাকবে এবং জিপ সাফারিতে করোনাবিধি মানতে হবে। যাঁরা সাফারি করবেন, তাঁদের প্রত্যেককেই পরতে হবে মাস্ক। সেই সঙ্গে চিড়িয়াখানায় ঢোকার আগে  থার্মাল চেকিং ছাড়াও দর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয় পশু–পাখিদের খাঁচায় হাত দেওয়া যাবে না। হাত দেওয়া যাবে না রেলিংয়ে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর দর্শকরা যেখানে দাঁড়াচ্ছেন সেই জায়গা ছাড়াও পশু–পাখিদের খাঁচা স্যানিটাইজেশনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
 

Back To Top