আজকালের প্রতিবেদন: রবীন্দ্রনাথের গীতাঞ্জলি উপস্থাপনার মাধ্যমে সাঁওতাল শিশুদের খিদে মোচনের চেষ্টায় ‘‌ভোরের পাখি’‌। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ থেকে আরও কয়েক কিলোমিটার ভেতরে প্রত্যন্ত সাঁওতাল গ্রাম হেলেঞ্চা। সেখানকার সাঁওতাল শিশুরা দু’মুঠো ভাতের জন্য মিড–ডে মিল স্কুলে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকে। কারও মা নেই, কারও বাবা নেশায় বঁুদ। বাবা–মায়ের স্নেহ–ভালবাসার সঙ্গে খুব একটা পরিচয় নেই ওই সব খুদেদের। সেখানকার সুন্দ্রা জুনিয়র বেসিক স্কুলের অনুষ্ঠানে গিয়ে সাঁওতাল শিশুরা মন কেড়ে নেয় ‘‌ভোরের পাখি’‌ আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা স্বপ্না দে–র। এইসব শিশু–কিশোরদের প্রতিভা দেখে তিনি আপ্লুত। স্বপ্না দু’‌দশকের বেশি সময় ধরে কলকাতা দূরদর্শনের সংবাদ পাঠিকা। তার মধ্যেই সময় পেলেই চলে যান হেলেঞ্চা গ্রামের ওই স্কুলের শিশুদের ‘‌গীতাঞ্জলি’র উচ্চারণ ও আবৃত্তি শেখাতে। স্বপ্নার কথায়, ‘সাঁওতাল শিশুদের মুখে গীতাঞ্জলি পাঠ করানো একটু অন্যরকম হলেও কাজটা চ্যালেঞ্জের। গীতাঞ্জলি আবৃত্তি করে ওরা সমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করুক। ওদের জন্য দু’‌বেলা পেট ভরে খাবারের জোগাড় করে দিতে চাই। ওদের মূল স্রোতে ফেরাতে সহৃদয় ব্যক্তিরা এগিয়ে আসুন। ‌এবারে শিশু–কিশোর উৎসবে ওদের দিয়ে একটা উপস্থাপনার চেষ্টা চলছে। আরও কিছু অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করছি।’‌‌ পাশাপাশি পোশাক, রং, তুলি , খেলনা, খাতা, পেনসিল দিয়েও ওইসব শিশু কিশোরদের সাহায্য করে ‘‌ভোরের পাখি’‌। ২০ বছরের এই আবৃত্তি দলে মোট ৫০ জন সদস্য রয়েছেন। ‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top