আজকালের প্রতিবেদন, কাটোয়া: ২০১৫ সালের পয়লা ডিসেম্বর কাটোয়া থেকে বর্ধমানের দিকে ন্যারোগেজ লাইনে শেষ ট্রেন চলেছিল। দু’বছর বাদে ফের কাটোয়া থেকে ছুটল ট্রেন। গন্তব্য বর্ধমান। ন্যারোগেজ এখন ইতিহাস। ব্রডগেজ রেলপথে ঝমঝমিয়ে প্রথম ট্রেন ছোটার সাক্ষী থাকতে শুক্রবার বিকেলে কাটোয়া স্টেশনে জনতার ঢল নামে। বৃহস্পতিবার কাটোয়ায় এসে ট্রেন চলার সবুজ সঙ্কেত দিয়ে যান পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার হরিন্দর কুমার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শুক্রবার থেকে ট্রেন চলা শুরু হলেও রেল সূত্রের খবর, গত আগস্ট থেকে শ্রীখণ্ড থেকে বর্ধমান পর্যন্ত চলা একটি ট্রেনেরই যাত্রাপথ সম্প্রসারিত করা হয়েছে কাটোয়া পর্যন্ত। এদিন বিকেল ৪টে ৩৫ মিনিটে ট্রেন ছাড়ে। 
স্টেশনে উপস্থিত যাত্রীদের দাবি, ‘বর্ধমান থেকে বলগোনা পর্যন্ত এখন ৬ জোড়া ট্রেন চলে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত অন্তত ১০ জোড়া ট্রেন চালালে কাটোয়ার সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্র যেমন সম্প্রসারিত হবে, তেমনি মানুষের সুবিধা হবে। রেলের আয়ও বাড়বে।’ এদিন ট্রেনটি কাটোয়া ঢোকার মুখে শ্রীখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের গাঙ্গুলিডাঙা গ্রামের একদল বাসিন্দা গাঙ্গুলিডাঙায় স্টেশনের দাবিতে ট্রেনটি আটকে দেন। দাবি বিবেচনার আশ্বাস পেয়ে অবশ্য তারা ট্রেনটিকে ছেড়ে দেন।
২০০৭ সালের ৩০ জুন কাটোয়া–বর্ধমান ব্রডগেজ প্রকল্পের শিলান্যাস করেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। এই লাইন তৈরির জন্য অর্ধেক খরচ (১১২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা) দেয় কাটোয়ায় প্রস্তাবিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণকারী কেন্দ্রীয় সংস্থা এনটিপিসি। কাটোয়া–বর্ধমান ব্রডগেজ পথে ট্রেন চলাচল শুরু করলেও কাটোয়া–আমোদপুর ব্রডগেজ রেলপথে কবে ট্রেন চলবে সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে জানাননি পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার হরিন্দার কুমার। ‌

কাটোয়া–বর্ধমান ব্রডগেজ লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হল শুক্রবার।  ছবি: বুবাই মজুমদার
 

জনপ্রিয়

Back To Top