আজকালের প্রতিবেদন: রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের অবস্থান চলছে। শনিবার দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মঞ্চের নীচে নেমে সকলকে চিঁড়ের মণ্ড ও পোলাও খাওয়ান। চন্দ্রিমা বলেন, ‘‌বিজেপি–র নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীও চিঁড়ে খাওয়া নিয়ে নির্দিষ্ট এক সম্প্রদায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। আমরা ভেদাভেদ করি না। আমরাও চিঁড়ে খাই।’‌ উপস্থিত ছিলেন সাংসদ মালা রায়, স্মিতা বক্সি, মালা সাহা, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, রত্না চ্যাটার্জি, চৈতালি চট্টোপাধ্যায়, আলোরানি সরকার প্রমুখ। এঁদের মধ্যে সকলেই বক্তব্য পেশ করেন। প্রতিবাদের গান শোনান প্রসূন বাগচী, সুস্মিতা ভট্টাচার্য। শশী পাঁজা বলেন, ‘‌নেত্রী মমতা ব্যানার্জি শুরু থেকেই এনআরসি, ক্যা ও এনপিআরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নেমেছেন।’‌ তিনি জানিয়েছেন,‌ এই কালা আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। অবস্থানে এদিন দমদম থেকে বেশ কিছু মতুয়া সম্প্রদায়ের লোকজন ধামসা–মাদল বাজান। তাঁরা নেচেওছেন। খোল–করতাল বাজিয়েছেন। চন্দ্রিমা এদিন বলেন, বিজেপি বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। মিথ্যে কথা বলছে। জনগণ বিপন্ন। আমাদের নেত্রী যেভাবে নির্দেশ দেবেন, আগামী দিনে সেভাবেই চলব।‌‌‌ মহিলা কংগ্রেসের অবস্থান শেষ হচ্ছে ২৭ জানুয়ারি। তারপর তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন ৩ দিন অবস্থান করবে। শেষ হওয়ার পর, তৃণমূল ছাত্রপরিষদ ফের অবস্থানে বসবে। ২৭ জানুয়ারি নেতাজী ইন্ডোরে ছাত্রদের কর্মশালায় বক্তব্য রাখবেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৮ জানুয়ারি গান্ধী মূর্তির নিচে এনআরসি, ক্যা ও এনপিআর–‌এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে শিল্পীদের নিয়ে মমতা ছবি আঁকবেন। ওইদিন গান্ধীমূর্তির নীচে তিনি ভাষণ দেবেন। শুক্রবারই তৃণমূল ভবনে দলের বৈঠকে মমতা নেতা ও কর্মীদের জানিয়েছেন, এনআরসি, ক্যা ও এনপিআর নিয়ে ঘরে ঘরে গিয়ে বোঝাতে হবে।

জনপ্রিয়

Back To Top