আজকালের প্রতিবেদন: এনআরসি ও ‌সিএএ–‌র বিরুদ্ধে রবিবার জেলায় জেলায় পথে নামল তৃণমূল। নেতা–‌কর্মী, স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে বের হন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়করা। প্রতিটি মিছিল থেকেই সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বার্তা দেওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি বা ‌সিএএ, কোনওটিই হতে দেবেন না। একইসঙ্গে সকলকে অশান্তি না ছড়াতে এবং কোনওরকম বিভ্রান্তিতে না জড়াতে অনুরোধ করা হয়।
এদিন মেদিনীপুরের মিছিলে পা মিলিয়ে মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‌যারা বাস পোড়াচ্ছে, ট্রেন পোড়াচ্ছে তারা আন্দোলনের জন্য এসব করছে না। তারা সমাজবিরোধী। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’‌ মিছিলে ছিলেন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র, জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতি প্রমুখ। আসানসোলে ট্রাফিক মোড় থেকে গির্জা মোড় পর্যন্ত হওয়া মিছিলে নেতৃত্ব দেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। মন্ত্রী অরূপ রায়ের নেতৃত্বে হাওড়ায় বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করে তৃণমূল। শিবপুর ট্রাম ডিপো থেকে শুরু হয়ে হাওড়া থানার সামনে ওই মিছিল শেষ হয়। এদিকে, মন্ত্রী অসীমা পাত্রের নেতৃত্বে এনআরসি, ‌সিএএ–‌র বিরুদ্ধে মিছিল হয় হুগলিতে। ধনেখালি জয়রাম হিমঘর থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৫ কিমি এলাকা জুড়ে হাজার পাঁচেক মানুষের মিলিত প্রতিবাদ প্রতিধ্বনিত হয়। আরামবাগে এদিন বাইক মিছিল, পদযাত্রা এবং পথসভা করেন তৃণমূল নেতারা। প্রতিবাদে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়াতেও বিশাল মিছিল করে তৃণমূল। নেতৃত্ব দেন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাসের নেতৃত্বে বসিরহাট হাইস্কুল থেকে মিছিলে শামিল হন কয়েক হাজার মানুষ। কাঁচরাপাড়া, নৈহাটির পর বরানগর ও পলতায় এদিন বিশাল মিছিল করে তৃণমূল। বরানগর ডানলপ থেকে সিঁথির মোড় পর্যন্ত হওয়া মিছিলে নেতৃত্ব দেন মন্ত্রী তাপস রায়। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়, সোনারপুর, বারুইপুর, জীবনতলা প্রভৃতি বিভিন্ন জায়গায় মিছিল করেন তৃণমূল নেতৃত্ব।‌

জনপ্রিয়

Back To Top