গৌতম চক্রবর্তী, গোসাবা, ১ জুন- আমফানের দাপটে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত সুন্দরবনের গোসাবা ব্লকের সাতজেলিয়া ও লাহিড়ীপুর এলাকার বিভিন্ন গ্রাম। ১৪ দিন কেটে গেলেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি সুন্দরবনের গোসাবা ও বাসন্তীর মতো এলাকা। যেদিকে চোখ যাচ্ছে শুধু ধ্বংসলীলার চিহ্ন। বিদ্যুৎ নেই। নেই পর্যাপ্ত পানীয় জলও। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সোমবার সকাল থেকেই এলাকায় গাছ কাটা ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজে নামলেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। ২০ মে–‌র ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চল লন্ডভন্ড হয়ে যায়। জেলা জুড়ে প্রায় ১০ লক্ষের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে হাজার হাজার গাছ পড়ে গেছে, বিদ্যুতের খুঁটি ও তার ছিঁড়ে গেছে। আর সেই সব অবস্থা এখনও সামলানো যায়নি। এদিন দুই কলাম সেনা পৌঁছয় গাছ কাটা ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজে। রবিবার নামখানা ও মৌসুনি দ্বীপে কাজ শুরু করেছিল এক কলাম সেনা। সোমবার গোসাবা ব্লকে কাজ শুরু করল আরও এক কলাম সেনা। ক্যানিং মহকুমার বাসন্তী ও গোসাবায় আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত গাছ কাটা ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজ করবেন সেনা–‌ জওয়ানরা। আমফানের তাণ্ডবে শুধু গোসাবা ব্লকেই ১৫৩০টি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে গেছে বলে খবর। এছাড়া প্রায় ৬২ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত। গোসাবার বিডিও সৌরভ মিত্র বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গাছ কাটা ও বিদ্যুতের খুঁটি সরানোর কাজ শুরু করেছে সেনা। ক্ষতিগ্রস্তদের যাতে কোনও রকম অসুবিধা না হয়, তার জন্য সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।’‌ গোসাবার জেলা পরিষদ সদস্য অনিমেষ মণ্ডল জানান, এদিন সেনা–‌জওয়ানরা দ্রুত গাছ কেটে সরানোর কাজ করেছেন। 

 গোসাবার সাতজেলিয়ায় কাজে ব্যস্ত জওয়ানরা। ছবি:‌ প্রতিবেদক‌

জনপ্রিয়

Back To Top