গৌতম চক্রবর্তী: মোবাইল ফোন নিয়ে সারাক্ষণ মেতে থাকত। মোবাইল গেম, বিভিন্ন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ঢুঁ মারা স্বভাবে পরিণত হয়েছিল। পড়াশোনা শিকেয় উঠে যায় এই প্রিয় ফোনের জন্যই। সেই ফোন ভেঙে যাওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী হল সুমন ধাড়া (১২)। তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে বাড়ি থেকে। ঘটনাটি ঘটেছে বিষ্ণুপুরের খাগড়ামুড়ি এলাকার। সুমন বাওয়ালির একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র ছিল। বাবা সামান্য ভ্যানচালক। বাবা–মায়ের একমাত্র সন্তান ছিল সুমন। তার এমন মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্তে নেমেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিস। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে দেহ।
লেখাপড়ার বালাই নেই। সারাক্ষণ মোবাইলে গেম খেলত সুমন। মাঝেমধ্যেই বকাবকি করতেন মা। পুলিসকে এমনই জানিয়েছেন প্রতিবেশী ও মৃতের পরিবারের লোকজন। শনিবার সেই বকাবকি করার সময় মোবাইল ফোনটি মায়ের হাত থেকে পড়ে ভেঙে যায়। আর তাতেই মনমরা হয়ে পড়ে ওই কিশোর। ফোন ভেঙে যাওয়া মেনে নিতে পারেনি সুমন। অভিমান হয় তার। এর পরেই সবার চোখের আড়ালে বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়। এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে আমতলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top