আজকালের প্রতিবেদন:বেঁচে থাকলে বয়স হত ৯১। চলে গিয়েও তিনি থেকে গেছেন ভারতীয়দের মনে চিরকিশোর হয়ে। কিশোরকুমারের গান আজও এক অন্য আবেগের নাম। ঐতিহ্য তো অবশ্যই। সেই আবেগ, ঐতিহ্যকে ‘‌কিং অফ ভার্সেটাইল’‌–এর জন্মদিনেই তালগোল পাকিয়ে দিলেন বিজেপি–র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিশোরকুমারকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তুলে ধরলেন মান্না দে–কে!‌ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখে দিলেন, ‘‌জিন্দেগি ক্যায়সি হ্যায় পহেলি হায়, কভি তো হাসায়ে কভি ইয়ে রুলায়ে...।’‌ ১৯৭১–এ রিলিজ হওয়া ‘‌আনন্দ’‌ ছবিতে মান্না দে–র গাওয়া এই গান আজও তুমুল জনপ্রিয়। সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন সলিল চৌধুরি। এই ছবি বা ছবির গান কোনও কিছুর সঙ্গেই কিশোরকুমারের বিন্দুমাত্র কোনও সংযোগ ছিল না। সুতরাং দিলীপ ঘোষের এ হেন কিশোর–প্রণামে বিস্ময় এবং হাসির রোল সর্বত্র। পরে তিনি গানটি সরিয়ে নেন। নেটিজেনরা মজেছেন কৌতুক, উপহাস এবং তির্যক মন্তব্যে। কেউ কেউ তো বলেছেন, বাঙালি সংস্কৃতি তো বটেই, ভারতীয় শিল্প–সংস্কৃতিতেও কোনও জ্ঞান নেই দিলীপ ঘোষের। কেউ বলেছেন,‘‌এরপর না অটলজির সঙ্গে নরসিংহ রাওজিকে গুলিয়ে ফেলেন দিলীপ ঘোষ‌!’‌‌ কেউ লিখেছেন, ‘‌দিলীপ ঘোষ গানও শোনেন না?‌’‌ কেউ আরও এক ধাপ এগিয়ে লিখেছেন, ‘‌বাংলা গানের লাইন দিলুদার মনেই থাকে না!‌’‌ এর আগে একাধিকবার ইস্টবেঙ্গল–মোহনবাগান নিয়েও তালগোল পাকিয়েছেন দিলীপ ঘোষ।‌

জনপ্রিয়

Back To Top