দীপঙ্কর নন্দী: ‘‌সবার জন্য শৌচালয়’‌ রাজ্যের এই প্রকল্প ইতিমধ্যে কেন্দ্রের স্বীকৃতি পেয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেন। কন্যাশ্রী প্রকল্প আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে। চালু হয়েছে ‘‌দিদিকে বলো’‌ ও ‘‌আমার গর্ব মমতা’‌–‌র মতো জনসংযোগ কর্মসূচি। চারিদিকে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। সবার জন্য শৌচালয় এ কথা লিখে আমার গর্ব মমতা এই ফেসবুকে একটি কার্টুন পোস্ট করা হয়েছে। এ ছাড়া লোকশিল্পীদের কথা উল্লেখ করে ফেসবুক পেজে কার্টুন দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে ২০১১–‌র আগে লোকশিল্পীদের কী অবস্থা ছিল, ২০১১–‌র পর তাদের কী অবস্থা। প্রতিদিন বহু মানুষ ফেসবুক পেজ দেখে মতামত দিচ্ছেন। প্রায় সকলেই মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশংসা করছেন। কেউ বলছেন, ‘‌দিদি আমাদের গর্ব।’‌
‘‌দিদিকে বলো’‌ এখানেও বহু মানুষ ফোন করছেন। অপর প্রান্ত থেকে তাদের কাছে সব জেনে নেওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আপনাদের সমস্যা কী?‌ অনেকেই সমস্যার কথা বলছেন। এরই মধ্যে বহু সমস্যার সমাধান হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে। হাওড়া থেকে জগন্নাথ চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন, চারদিন ধরে এক যক্ষ্মা রোগী হাসপাতালে ভর্তি হতে পারছেন না। কষ্ট পাচ্ছেন। মেডিক্যাল কলেজে গেলেন। সেখান থেকে বলা হল, এখন বেডের সমস্যা আছে। ফোনের ওপ্রান্ত থেকে বলা হয়, অভিষেক ব্যানার্জির অফিসে ফোন করুন। জগন্নাথবাবু ফোন করেন, সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেই রোগী চন্দ্রনাথ বিশ্বাস এখন মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি আছেন। জগন্নাথবাবু বলেন, এত তাড়াতাড়ি কাজ হবে ভাবিনি। তিনি ‌‘‌দিদিকে’‌ ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দিদিকে বলো–‌র নম্বরে ফোন করে হাতেনাতে কাজ হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা সরকারি হাসপাতালের হাজারো সমস্যা দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নজির গড়ল হাসনাবাদের কন্যাশ্রী। বাড়ি থেকে জোর করে বিয়ে দিতে চেয়েছিল ১৫ বছরের মেয়েকে। কিন্তু নিজে বাবা–‌মায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। কন্যাশ্রী প্রকল্পের সৌজন্যে মেয়েরা আজ সাহসিনী। আমার গর্ব মমতা, ছবিও পরিবর্তন করা হয়েছে। দিদিকে বলো ফোন করে নদীয়ার নন্দিতা দাস এখন অনেক তাড়াতাড়ি স্কুলে যেতে পারছে। সাইকেল করে সে স্কুলে যাচ্ছে। ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top