‌আজকালের প্রতিবেদন: করোনা–‌আবহে আজ রাখিবন্ধনে রাখির বদলে দেওয়া হবে মাস্ক, স্যানিটাইজার। অন্যান্য বারের মতো রাখি কেনারও হিড়িক নেই। রাখি বিক্রির বাজারও মন্দা। রংবেরঙের রাখি নিয়ে এইদিনে যে উচ্ছ্বাস থাকে তা একেবারেই নেই। কারণ করোনার ভয়। তবে, রাখিবন্ধন উৎসব একেবারে বন্ধ থাকছে না। সোমবার বস্তুত রাখিবন্ধন উৎসবকে ঘিরে করোনা সচেতনতার প্রচারই করা হবে। রাখির সঙ্গে দেওয়া হবে মাস্ক, স্যানিটাইজার। কোথাও বা রাখি নয়, দেওয়া হবে শুধুই মাস্ক। 
গত কয়েক মাস যাবৎ যাঁরা করোনার সঙ্গে লড়ছেন সেই চিকিৎসক, নার্সদেরও এই দিনটিতে সম্মান জানানো হবে। যাঁরা করোনা যোদ্ধা তাঁদের হাতে রাখি পরানো হবে। রাখিবন্ধনের দিনে অনেকে গাছকে রাখি পরান। এদিনও কেউ কেউ গাছকেও রাখি পরাবেন। স্বদেশ বসু হাসপাতালের পক্ষে আজকের দিনে এক অভিনব কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের হাতে বাঁধা হবে রাখি। হাসপাতালের তরফে জয়ন্ত ভদ্র জানিয়েছেন, এবছর রক্ষাবন্ধন পালিত হবে অন্যভাবে। ডাক্তার, নার্স ভাইবোনদের জন্য তৈরি হচ্ছে স্যানিটাইজেশন অটোমেটিক রাখি। স্বাস্থ্যকর্মীদের হাতেও রাখি বাঁধা হবে হাসপাতালের তরফে। ঠাকুরপুকুরে এই অনুষ্ঠান হবে। ‌বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাস্ক, স্যানিটাইজার উপহার দিয়ে রাখিবন্ধন উৎসব পালন করবে। এই দিনটিতে বিভিন্ন জায়গায় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন উদ্যোক্তারা। কিন্তু, সেই সমস্ত অনুষ্ঠান হবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কারণেই।‌‌
এ বছর মেট্রো চ্যানেলে রাখি উৎসব হচ্ছে না। কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাখিবন্ধন উৎসবকে প্রতীকী উৎসব হিসেবে উদ্‌যাপন করা হবে। যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত ওয়ার্ডে একটি সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ৩ কোটি মাস্ক রাজ্য সরকার তৈরি করতে দিয়েছে। এই মাস্ক সকলকে, ছাত্র–যুবদের হাতেও তুলে দেওয়া হবে। মাস্কের ওপর লেখা হয়েছে— ‘‌বাংলা আমার মা’।‌ নীচে লেখা ‘‌পশ্চিমবঙ্গ সরকার’‌।
 

জনপ্রিয়

Back To Top