চন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
শান্তিনিকেতন, ১৯ সেপ্টেম্বর

 শুধু মেলার মাঠ নয়, শান্তিনিকেতনে কোথাও কোনও প্রাচীর দেওয়া যাবে না। হাইকোর্টের মনোনীত কমিটি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে। পৌষমেলার মাঠে কাঁটাতারের বেড়া লাগানো যেতে পারে। শুক্রবারে হাইকোর্ট এমনটাই জানিয়েছে। এই খবরে বোলপুর–‌শান্তিনিকেতনে রাতেই নেমে এল অকাল দেওয়ালি। মোমবাতি জ্বালিয়ে, বাজি পুড়িয়ে হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানাল শান্তিনিকেতন পৌষমেলা বাঁচাও কমিটি। শনিবার সকালে বোলপুর চৌরাস্তায় লাড্ডু বিলি করেন তাঁরা। 
মেলার মাঠে ঢুকতেই রাস্তার ধারে কবিগুরু হস্তশিল্প মার্কেটের ব্যবসায়ীদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। বোলপুরের ব্যবসায়ী সমিতিও খুশি। মূলত পৌষমেলার মাঠে পাঁচিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিশ্বভারতীর সঙ্গে ঝামেলা বাধে। পুলিশে যায় বিশ্বভারতী। অনেকে আগাম জামিন নেন। ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুনীল সিং জানিয়েছেন, তঁাদের দাবি ন্যায্য বলে স্বীকৃতি পেয়েছে হাইকোর্টে। স্থানীয়দের ভাতে মারতে উপাচার্য কখনও মেলা বন্ধ, কখনও বসন্ত উৎসব বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। শান্তিনিকেতনের শান্তিকামী মানুষের বক্তব্য, বিশ্বভারতী জমি ঘিরতেই পারে, কিন্তু জেলখানার মতো পাঁচিল তুলে নয়। বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং সাইকেল চালিয়ে আশ্রমিকদের বাড়ি বাড়ি যেতে তাঁরা পাঁচিল নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। পরে বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর ডাকা বৈঠকেও বহু আশ্রমিক পাঁচিল দেওয়ার প্রস্তাবে বেঁকে বসেছিলেন।

জনপ্রিয়

Back To Top