‌আজকালের প্রতিবেদন: দক্ষিণ দিনাজপুরের নেতা ও প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বিপ্লব মিত্র বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। তাঁর ভাই গঙ্গারামপুর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্তকুমার মিত্র‌ দাদার সঙ্গেই দলে ফিরলেন। এদিন বেশ কিছু বিজেপি কর্মীও তৃণমূলে যোগ দেন।
এদিন তৃণমূল ভবনে দলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি সাংবাদিক বৈঠক করে এঁদের দলে যোগদানের কথা জানান। সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন বিপ্লব, প্রশান্ত ছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার নতুন সভাপতি গৌতম দাস এবং অর্পিতা ঘোষ। বিপ্লব ও প্রশান্তর হাতে দলের পতাকা তুলে দেন দলের মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘‌২১ জুলাই ভার্চুয়াল সভা করে দলনেত্রী পুরনো নেতা ও কর্মীদের সক্রিয় হতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, তৃণমূল ছেড়ে যাঁরা অন্য দলে গেছেন, তাঁরা ফিরে আসুন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়েই বিপ্লব তৃণমূলে ফিরে এসেছেন। তিনি প্রথমে দলে ফেরার ইচ্ছে প্রকাশ করেন। নেত্রীর অনুমোদন পেয়ে তাঁকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি বিপ্লবরা ফিরে আসায় জেলায় সংগঠন শক্তিশালী হবে। অবশিষ্ট যাঁরা আছেন, তাঁরা নিশ্চয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ডাকে সাড়া দেবেন।’‌
বিপ্লব বলেন, ‘‌তৃণমূলে যোগ দেওয়া নতুন নয়, ৯৮ সালে তৃণমূল তৈরি হওয়ার সময় থেকেই আমি নেত্রীর সঙ্গে ছিলাম। তাঁর দেওয়া বিভিন্ন দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি। যে কোনও কারণেই হোক আমি বিচ্যুত হই। ঘরে ফেরার ডাক মমতা ব্যানার্জি দিয়েছিলেন, তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েই ভাইকে নিয়ে ফিরে এলাম। আমাদের লক্ষ্য হবে, যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করা।’‌
জেলা সভাপতি গৌতম দাস বলেন, ‘‌যে কোনও কারণেই হোক এঁরা বিজেপিতে চলে গিয়েছিলেন। দলে ফিরে আসায় জেলার সংগঠন শক্তিশালী হবে। জেলার ৬টি বিধানসভা আসনেই আমরা জিতব।’‌ পার্থ বলেন, ‘‌এঁদের নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করার কথা ছিল। সোমেনদার মৃত্যুতে আমরা বৈঠক বাতিল করি। তিনি আমাদের দলের সাংসদ ছিলেন। প্রিয় ছোড়দার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’‌


জনপ্রিয়

Back To Top