আজকালের প্রতিবেদন
বর্ধমান, ৩০ সেপ্টেম্বর

আন্তঃরাজ্য পাখি চোরাচালনকারী চক্রের হদিশ মিলল বর্ধমানে। ঝাড়খণ্ড ও বিহার থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে বিরল প্রজাতির পাখি ২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে বাসে করে কলকাতায় পাচার করা হচ্ছিল। পাচার করার সময় বুধবার ভোরে দুর্গাপুর থেকে ধাওয়া করে গলসিতে ধরা হয়। বাস থেকে নামিয়ে ম্যাটাডোরে চাপাতেই প্রায় ৮০০ টিয়া, চন্দনা ও পাহাড়ি ময়না পাখি উদ্ধার করে পূর্ব বর্ধমান জেলা বনদপ্তর। ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে একটি বড়সড় আন্তঃরাজ্য পাখি পাচারচক্র জড়িত আছে বলে সন্দেহ করছেন বন বিভাগের আধিকারিকরা।
দক্ষিণ–পূর্ব চক্রের মুখ্য বনপাল কল্যাণ দাস ও জেলা বন আধিকারিক দেবাশিস শর্মা জানিয়েছেন, গতকাল গোপন সূত্রে খবর আসে, পাটনা থেকে কলকাতায় একটি বাসে প্রচুর বিরল প্রজাতির পাখি পাচার করা হবে। এবং মাঝপথে বাস থেকে ম্যাটাডোরে করে পাখিগুলোকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হবে। সেই খবর মতো ভোর তিনটে থেকেই এই অভিযান শুরু হয়। প্রথমে দুর্গাপুরে ওই বাসটিকে চিহ্নিত করা হয়। দুর্গাপুর থেকেই বাসের পেছনে ধাওয়া করা হয়। গলসিতে বাস থেকে নামিয়ে পাখিগুলিকে একটি ম্যাটাডোর তুলছিল পাচারকারীরা। ঠিক সেই সময় হাতেনাতে পাখি পাচার করার অভিযোগে দু‌জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৭০০ টিয়া, চন্দনা এবং ৩০টি পাহাড়ি ময়না পাখি। এদিন ধৃতদের আদালতে পেশ করা হয়। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর পাখিগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বনকর্তারা।‌

জনপ্রিয়

Back To Top