আজকালের প্রতিবেদন
‘‌উঠছে আওয়াজ বঙ্গে, মহিলারা রয়েছে দিদির সঙ্গে’‌।
এই স্লোগান দিয়ে তৃণমূলের ‘‌বঙ্গজননী’‌ ১২ ডিসেম্বর থেকে বাংলার সব জেলায় সম্মেলন শুরু করছে। ১২ ডিসেম্বর হাওড়ায় সম্মেলন। কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে কর্মসূচি পালন করা হবে। বঙ্গজননী–‌র সভাপতি কাকলি ঘোষদস্তিদার বলেন, ‘‌৫৫ হাজার মহিলা সদস্য বঙ্গজননীতে রয়েছে। এই মহিলা বাহিনী তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। পাশাপাশি তিনি জয় হিন্দ বাহিনীও তৈরি করেছেন। বিভিন্ন জেলায় সম্মেলনে কাকলি উপস্থিত থাকবেন। বিজেপি নারী–সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ। মহিলাদের জন্য তারা কিছু করতে পারেনি। শুধু উল্টোপাল্টা মন্তব্য করছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ২০১১–‌র পর থেকেই মহিলাদের জন্য প্রচুর কাজ করেছেন। আগামী দিনে আরও কাজ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। বঙ্গজননী–‌র মহিলা সদস্যরা খুব শৃঙ্খলাপরায়ণ। করোনার সময় আশা–‌কর্মীদের সঙ্গে বঙ্গজননী–র সদস্যরা বাড়ি–‌বাড়ি ঘুরেছেন। কালীপুজোর সময় প্রদীপ দিয়ে এসেছেন। আমাদের নেত্রী রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের জন্যই এই বঙ্গজননী বাহিনী তৈরি করেছেন। প্রত্যেকেই হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপে আছেন। বিজেপি ও আরএসএস–‌এর কাউন্টার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৌলবাদী ধ্যানধারণা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে বঙ্গজননী–‌কে রুখে দঁাড়াতে হবে।’‌ তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে নেত্রী আজ এখানে উঠে এসেছেন। বঙ্গজননী–‌র সদস্যরা বাড়ি–‌বাড়ি গিয়ে মমতার প্রসঙ্গও তুলছেন। তঁারা বলছেন, বিজেপি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে, এর বিরুদ্ধে আপনাদের লড়তে হবে।’‌
পাশাপাশি তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘‌২৮ নভেম্বর থেকে আমাদের মহিলারা জেলায় জেলায় ঘুরছেন। আমিও যাচ্ছি। আমরা সরকারের উন্নয়ন নিয়ে প্রচার করছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি মহিলাদের যে–সম্মান দিয়েছেন, তা অন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দিতে পারেননি। পশ্চিমবঙ্গ নারীদের সুরক্ষার জায়গা। আমাদের রাজ্যের নেতৃত্ব বিভিন্ন জেলায় মিটিং করছেন। কিছু কিছু মিটিং হলে হচ্ছে। তবে মাইক্রোফোন বাইরে থাকছে। অনেকেই শুনতে পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে মহিলাদের দঁাড়াবারও সুযোগ করে দিয়েছেন। ২০১৬–র বিধানসভা নির্বাচনে বহু মহিলা প্রার্থী হয়েছেন।’‌‌‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top