আজকালের প্রতিবেদন
মুর্শিদাবাদ থেকে আল–‌কায়দা জঙ্গি সন্দেহে ধৃত ৬ জনকে তিনটি বিমানে সোমবার দিল্লি নিয়ে যাওয়া হল। ২৪ সেপ্টেম্বর পাটিয়ালা হাউস কোর্টে তাদের পেশ করা হবে। রবিবার রাত থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত সল্টলেকের এনআইএ–‌র পূর্বাঞ্চলীয় দপ্তরে জেরা করা হয়। কেরল থেকে ধৃত মুরশিদ হাসান, লিয়াকুব বিশ্বাস এবং মোশারফ হোসেনকে এদের সঙ্গেই জেরা করা হবে দিল্লিতেও। গোয়েন্দারা তদন্ত প্রক্রিয়ায় মুর্শিদাবাদের বাসিন্দাদের সঙ্গে অসমের আরও ২ জনের সংযোগের সূত্র পেয়েছেন। তারা নাকি ডোমকল এবং রানিনগর এলাকায় এসে এদের সঙ্গে বৈঠকও করেছিল। 
পেরুম্বাভুরে বহু পরিযায়ী শ্রমিক থাকেন। তঁারা বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত। প্রায় ৯০ শতাংশ পশ্চিমবঙ্গের।
মোশারফ হোসেন স্থানীয় ব্যবসায়ী আবু বক্করের কাছেই কাজ করত। খুবই বিশ্বস্ত কর্মী। আবু বক্কর পুলিশকে জানিয়েছেন, মোশারফ প্রায় সাত বছর ধরে কাজ করছে। পরিবার নিয়েই থাকে। বড় মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে পড়ে। পড়াশোনায় খুবই ভাল।‌ 
অন্যদিকে, লিয়াকুব সম্পর্কে পুলিশ জানতে পেরেছে অসমের তাহির নামে এক কর্মী তার সঙ্গেই থাকত। পরোটা এবং চাপাটি বিক্রির দোকান ছিল। মুরশিদ হাসান স্থানীয় পথলম এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত। লকডাউনের কয়েক মাস আগে সে বাড়ি ভাড়া নেয়। তার সম্পর্কেও স্থানীয় সূত্রে এর বেশি কোনও তথ্য পায়নি এনআইএ।
এরা প্রত্যেকেই পরস্পরের পরিচিত। বেশ কিছুদিন ধরে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ‘‌ধর্ম’‌ এবং ‘‌একতা’‌ বিষয়ে অনেক আলোচনা হত। যে সমস্ত জিনিস উদ্ধার হয়েছে বাড়ি থেকে সেগুলি কী প্রয়োজনে লাগত তা দেখছে এনআইএ। 
সোমবার প্রত্যেকেরই বক্তব্য ভিডিও রেকর্ডিং করা হয়। একটি কলেজের কম্পিউটার সায়েন্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র নাজমুস শাকিব এবং আতিউর মণ্ডল অন্য একটি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। 

জনপ্রিয়

Back To Top