গৌতম চক্রবর্তী
খুনোখুনিতে উত্তপ্ত কুলতলির মৈপীঠ বৈকুণ্ঠপুর। অভিযোগ, শুক্রবার রাতে স্থানীয় যুব তৃণমূল নেতা অশ্বিনী মান্নাকে (‌৪৫) পিটিয়ে খুন করে এসইউসি কর্মীরা। রাতেই প্রায় ১০টি বাড়ি ও দোকানে লুঠপাট, ভাঙচুর চালায় একদল দুষ্কৃতী। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে এসইউসি–র জেলা কমিটির নেতা সুধাংশু জানার (‌৬৫)‌ ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা। তাঁর বাড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়। জানা গেছে, ত্রিপল নিয়ে গন্ডগোল থেকেই ঘটনার সূত্রপাত।
এসইউসি–র বক্তব্য, ডাকাত ভেবে তৃণমূল নেতা অশ্বিনী মান্না ও ভোলানাথ গিরিকে মারধর করে এলাকার মানুষ। অশ্বিনী মারা যান। প্রাক্তন এসইউসি সাংসদ তরুণ মণ্ডলের অভিযোগ, তৃণমূলের লোকজন সুধাংশুকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছে। যদিও তৃণমূল পুরো ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছে। কুলতলি ব্লক যুব তৃণমূল সভাপতি গণেশ মণ্ডলের অভিযোগ, পঞ্চায়েতের দখল নিতেই এই খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে এসইউসি। অশ্বিনী এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন। দু’‌পক্ষই মৈপিঠ কোস্টাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু জানান, শুক্রবার রাতে স্থানীয়দের মারধরে যুব তৃণমূল নেতার মৃত্যু হয়। শনিবার সকালে এসইউসি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় বাড়িতে। দেহ দুটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। আটক ১০ জন। দু’‌পক্ষের বেশ কয়েকজন কর্মী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।‌‌‌‌‌ ঘটনার জেরে সোমবার কুলতলিতে বন্‌ধ ডেকেছে এসইউসি।

জনপ্রিয়

Back To Top