আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এক স্কুল ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল খড়দহ থানার পানিহাটিতে। মৃত ছাত্রীর নাম সায়নী শীল ওরফে মিষ্টি (১৬)। একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী ছিল সে। বৃহস্পতিবার দুপুরে খড়দহ থানার অন্তর্গত পানিহাটির ৫ নম্বর রেলগেট সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, সায়নীর বাড়ি সোদপুরের দেশবন্ধুনগরে। মামার বাড়ি আগরপাড়ার মহাজাতি নগরে। বুধবার সায়নী মামার বাড়ি গিয়েছিল।
মৃত ছাত্রীর এক আত্মীয়ার দাবি, বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ চার বন্ধু সায়নীকে ঠাকুর দেখতে যাওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর দীপ ব্রহ্ম নামে একটি ছেলের সঙ্গে তাদের দেখা হয়। আত্মীয়ার দাবি, দীপই বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে সায়নীকে খুন করে ওই পুকুরে ফেলে দিয়েছে। এমনকি বুধবার রাতে সায়নীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও কেউ তা ধরেনি। চারিদিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনও সন্ধান মেলেনি সায়নীর।
বৃহস্পতিবার সকালে খড়দহ থানায় নিখোঁজ ডায়রি করা হয়। এরপরেই আবার সায়নীর মোবাইলে ফোন করে মামাবাড়ির লোকেরা। তখন ফোনটি ধরে পাড়ারই একটি ছেলে। সে জানায় তাঁর বাবা পুকুর পাড় থেকে ফোনটি কুড়িয়ে পেয়েছে। এরপরই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যায়। পুকুর পাড় থেকে সায়নীর জুতো পাওয়া যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে খড়দহ থানার পুলিস। ডুবুরি নামিয়ে উদ্ধার করা হয় সায়নীর দেহ। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মৃতদেহটিকে। পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব। পুলিস অবশ্য মৃতার কয়েকজন বন্ধু–বান্ধবীকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে মৃত ছাত্রীর প্রেমিক ও তার এক বন্ধুকে। প্রেমিকের দাবি, অতিরিক্ত মদ্যপান করে পুকুরে পড়ে গিয়েছিল সায়নী। 

জনপ্রিয়

Back To Top