অমিতকুমার ঘোষ, কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগরে চালু হতে চলেছে সরতীর্থ। বর্ধমানের ল্যাংচা হাবের আদলে এই সরতীর্থে পাওয়া যাবে কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত সরভাজা ও সরপুরিয়া। এইজন্যে কৃষ্ণনগর লাগোয়া ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ভবন তৈরির কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। 
মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কৃষ্ণনগরে এসে সরতীর্থ তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন। প্রধানত কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত এই মিষ্টি শিল্পের বিপণন উন্নীত করতে এবং পর্যটকরা যাতে সহজেই সরভাজা ও সরপুরিয়া পেতে পারেন, তাই এই উদ্যোগ। নদিয়া জেলা পরিষদের বিদায়ী সভাধিপতি বাণীকুমার রায় জানিয়েছেন, ‌ভবন তৈরির কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। ৬ মাসখানেকের মধ্যেই এটা চালু হয়ে যাবে বলে আশা করা যায়।‌
রাজ্য সরকারের ক্ষুদ্র শিল্প দপ্তরের উদ্যোগে এই সরতীর্থ তৈরি হচ্ছে। তবে তৈরি করছে নদিয়া জেলা পরিষদ। এই জন্যে খরচ ধরা হয়েছে ১ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা।

দোতলা এই ভবনের একতলায় থাকবে কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত মিষ্টির দোকানগুলির স্টল। সেখান থেকেই এই সংস্থাগুলি সরভাজা, সরপুরিয়া–সহ নানা বিখ্যাত মিষ্টি খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করবে। এখানে কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত অধরের সরপুরিয়ার স্টলও থাকার কথা। দোতলায় কী হবে, তা পরে ঠিক করা হবে।
উল্লেখ্য, কৃষ্ণনগরে মাটির পুতুলের পাশাপাশি এখানকার সরভাজা ও সরপুরিয়াও বিখ্যাত। অনেক পর্যটক কৃষ্ণনগরে আসেন সরভাজা ও সরপুরিয়ার স্বাদ নিতে এবং কিনে নিয়ে যেতে। জাতীয় সড়কের ওপর এই সরতীর্থ চালু হলে তঁাদের খুব সুবিধা হবে। এমনকী, যঁারা জাতীয় সড়ক দিয়ে অন্য কাজে যান তঁারাও এই সরপুরিয়া সহজেই কিনতে পারবেন। কৃষ্ণনগরে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর পিডব্লিউডি মোড়ে পথের সাথীর পাশে এই সরতীর্থ তৈরি করা হচ্ছে। কাজ শুরু হয়েছিল এর প্রায় দেড় বছর আগে। এখন মূল কাজ শেষ হয়েছে। শুধু রঙের কাজ বাকি।‌‌‌

 

সরতীর্থের নির্মাণকাজ শেষের পথে। সরভাজা। ছবি: প্রতিবেদক

জনপ্রিয়

Back To Top