আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ দুটি মন্দিরে চুরির ঘটনায় পুলিসের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্লাবে ছয় ঘণ্টা আটকে রাখা হয় পুলিস অফিসারকে। পুলিসের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। অবরোধ করা হয় ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কও। বৃহস্পতিবার বীরভূমের সদাইপুর থানার চিনপাইয়ের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 
বুধবার রাতে বীরভূমের চিনপাইয়ের সিদ্ধেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে কালীপুজোর অনুষ্ঠান চলছিল। রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলায় সদাইপুর থানার পুলিস গিয়ে তা বন্ধ করে দেয়। এরপর স্থানীয়রা বাড়ি চলে যান। পুলিসের তরফে মন্দির প্রাঙ্গণে দু’‌জন সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েন করা হয়। 
বৃহস্পতিবার সকালে পুজো করতে এসে পুরোহিত দেখেন, মন্দিরের প্রণামি বাক্সের তালা ভাঙা। চুরি হয়েছে কালী প্রতিমার গয়নাও। পাশের সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরেও চুরি হয়েছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রায় ১০০ ভরি সোনা ও ১২ কেজি রুপোর গয়না চুরি হয়েছে। প্রণামি বাক্স ভেঙে নগদ প্রায় ৬০ হাজার টাকাও লুট করা হয়েছে। এই খবর চাউর হতেই এলাকার বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। চিনপাইয়ের কাছে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা।
খবর পেয়ে সদাইপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থানে গেলে অফিসারকে স্থানীয় একটি ক্লাবে আটকে রাখা হয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা আটক রাখা হয় অফিসারকে। এই ঘটনার জন্য পুলিস অফিসারকে ক্লোজ করা হয়েছে। দুই ভলান্টিয়ারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয়রা রাস্তার উপর টায়ার, খড় জ্বালিয়ে দেন। রাস্তায় বসে পড়েন পুরুষ ও মহিলারা। প্রায় ছয় ঘণ্টা অবরোধ চলে। যার জেরে আটকে পড়ে একাধিক গাড়ি। পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত জেলা পুলিস সুপার (বীরভূম) সুবিমল পালের নেতৃত্বে বিশাল পুলিসবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। তারপর অবরোধ ওঠে। 

জনপ্রিয়

Back To Top