সঞ্জয় বিশ্বাস, দার্জিলিং: ২০১৭ সালে পাহাড়ে পুরভোটের আগে তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক দেখা গিয়েছিল। মোর্চার তাবড় তাবড় নেতা তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। শুধু মোর্চা নয়, অন্য রাজনৈতিক দল থেকেও তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সেই যোগদানের পেছনে মূল কারণ ছিল পাহাড়ের উন্নয়নে তৃণমূলের ভূমিকা। ‌মিরিক পুরসভাও তৃণমূলের দখলে আসে। লোকসভা ভোটে বিজেপি জিতলেও, এনআরসি ইস্যুতে ফের তারা কোণঠাসা। বিজেপি ও গুরুংপন্থী মোর্চায় ফের ধস নামা শুরু হয়েছে। শুক্রবারও মিরিকে ৩০ জন গুরুংপন্থী মোর্চা নেতা–‌কর্মী তৃণমূলে যোগদান করেছেন।
জানা গেছে, একদিকে পাহাড়ের উন্নয়ন নিয়ে বিজেপির অবস্থান পরিষ্কার নয়। অন্যদিকে এনআরসি নিয়ে বিজেপি যা বলেছিল, বাস্তবে তার উল্টো ফলাফল দেখেছেন গোর্খা জনজাতির মানুষ। ফলে বিজেপি‌র প্রতি ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করে। এরপর থেকেই বিজেপি ও গুরুংপন্থী মোর্চায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়। গোটা দেশে এনআরসি‌র বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রতিবাদ দেখে পাহাড়ের মানুষেরও অবস্থান বদলানো শুরু হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র বিনয়পন্থীরা নয়, এবারে তৃণমূলও তাতে লাভবান হতে শুরু করেছে। এদিন পার্বত্য তৃণমূলের সভাপতি লালবাহাদুর রাইয়ের হাত ধরে ৩০ গুরুংপন্থী তৃণমূলে যোগ দেন। লালবাহাদুর রাই জানান, ‘‌পাহাড়ের মানুষও উন্নয়নের কর্মসূচিতেই আস্থা রাখছেন। পাহাড়ের মানুষ বুঝতে পেরেছেন বিজেপি তাঁদের সঙ্গে শুধুই রাজনীতি করেছে।’‌ 

গুরুং শিবির থেকে তৃণমূলে। রয়েছেন পার্বত্য তৃণমূলের সভাপতি লালবাহাদুর রাই। ছবি:‌ প্রতিবেদক‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top