বুদ্ধদেব দাস, সবং: ‘‌দিদিকে বলো’‌ কর্মসূচিতে সবংয়ের গ্রামে গ্রামে ঘুরে মানুষজনের অভাব, অভিযোগ ও সমস্যা শুনলেন তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়া। শুধু শুনেই ক্ষান্ত থাকেননি, সমস্যার সমাধানের পথও বাতলে দিয়েছেন গ্রামবাসীদের। যা শুনে সাংসদ ও তঁার দল তৃণমূলকে দু’‌হাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন বৃদ্ধ, বৃদ্ধারা। প্রতি নমস্কার জানিয়ে তঁাদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। যঁাদের রেশন কার্ড নেই ৭ দিনের মধ্যে তা করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।
বুধবার দুপুরে সবংয়ের তৃণমূল বিধায়ক গীতারানি ভুঁইয়া, দলের ব্লক যুব সভাপতি আবু কালাম বক্স, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হাজরা বিবিকে নিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হাজির হন ৪ নম্বর দশগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানে তিনি ‘‌দিদিকে বলো’‌ কর্মসূচিতে যোগ দেন। একে একে পাটনা, দেহাটি, মনসাগ্রাম, কোলন্দা, কোতাইপুর, খাজুরি গ্রামে যান। মানুষজনের সঙ্গে কথা বলেন। তঁাদের কাছে কেউ জানান গ্রামে পানীয় জলের অভাবের কথা। আবার কেউ বা জানান গ্রামের রাস্তায় পথবাতির ব্যবস্থা করার কথা। টিউশন পড়ে ফিরতে, কাজ সেরে ফিরতে, ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ কিনে ফিরতে রাত হয়ে যায়। রাস্তায় অন্ধকার থাকে। হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে ফিরতে সমস্যা হয় তঁাদের। সাংসদ পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষর সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলেন। 
এদিন অনেকেই জানিয়েছেন তঁাদের ডিজিট্যাল রেশন কার্ড নেই। এর ফলে খাদ্যসাথী প্রকল্পের ভর্তুকিযুক্ত খাদ্যসামগ্রী তঁারা পাচ্ছেন না। তা শুনে কিছুটা হতাশ হন সাংসদ। আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘‌আপনারা এতদিন ধরে বসবাস করছেন এখনও ডিজিট্যাল রেশনকার্ড হয়নি!‌ আমি ব্লক ও মহকুমা খাদ্য নিয়ামককে বলছি, যাতে আগামী ৭ দিনের মধ্যে আপনাদের রেশন কার্ড দেওয়া হয়।’‌ এর পরই তিনি সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন। পাশাপাশি দলের নেতা ও কর্মীদের নির্দেশ দেন, এক্ষেত্রে কারও যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয় তা যেন নিজেরা দঁাড়িয়ে থেকে তঁারা তদারকি করেন। তঁার আশ্বাসে গ্রামের মানুষজন খুশি হন।‌

জনপ্রিয়

Back To Top