আজকালের প্রতিবেদন: ৩০ জুলাই বিধায়কদের নিয়ে শেষ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। ওইদিন ‘‌দিদিকে বলো’‌ জনসংযোগ কর্মসূচির সূচনা করা হয়। আজ তৃণমূল ভবনে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক করছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুটি বৈঠক তিনি করবেন। প্রথমটি তফসিল জাতি–‌উপজাতি বিধায়কদের সঙ্গে। পরেরটি অন্য বিধায়কদের সঙ্গে। বৈঠকে বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময় হবে। সাংসদরাও বৈঠকে থাকবেন। 
উৎসব শেষ হয়ে গেছে, বিধায়কদের এখন আরও কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হবে। ‘‌দিদিকে বলো’‌ জনসংযোগ কর্মসূচিতে প্রথম থেকেই শামিল হয়েছেন বিধায়করা। লোকসভা নির্বাচনে দলের ফলাফল কিছুটা খারাপ হলেও অনেকেই মনে করছেন দল এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিজেপির হাওয়া কম। সামনেই তিনটি বিধানসভার উপনির্বাচন। করিমপুর ছাড়া বাকি খড়্গপুর ও কালিয়াগঞ্জ তৃণমূলের হাতে ছিল না। উপনির্বাচনে কেমন প্রচার হচ্ছে তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা। সাংগঠনিক বিষয় নিয়েও বক্তব্য পেশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী। কেউ কেউ মনে করছেন, আন্দোলনে নতুন রূপরেখা তৈরি হবে। বিজেপির বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াইয়ে নামতে হবে দলকে। 
বিধানসভা নির্বাচন ২০‌২১–এ। দল এখন ঐক্যবদ্ধ। কয়েকজন বিধায়ক তৃণমূল ছাড়লেও নেতারা মনে করছেন আগামী দিনেও এরা বিজেপি ছেড়ে ফের দলে ফিরে আসবেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি পুরসভা পুনর্দখল করেছে তৃণমূল। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাটপাড়া পুরসভা।
দল থেকে বারবারই বলা হয়েছে, বিধায়কদের আরও জনসংযোগ বাড়াতে হবে। নেত্রীর নির্দেশ পেয়ে দলের বিধায়করা জনগণের কাছে যাচ্ছেন। তাঁদের অভাব–‌অভিযোগ শুনছেন। সাধ্যমতো মানুষের কাজ করছেন। লোকসভা নির্বাচনের পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে জেলা ধরে বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করে ফল নিয়ে পর্যালোচনা করেছেন। প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। একটি কথাই বলেছেন, হতাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই। দল ঘুরে দাঁড়াবেই। তার আগে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হবে। নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ইতিমধ্যে অনেককে কাজের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। অনেক জেলায় পর্যবেক্ষক পরিবর্তন করা হয়েছে। পার্থ চ্যাটার্জি, সুব্রত বক্সি, শুভেন্দু অধিকারী, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রাজীব ব্যানার্জি–‌সহ কয়েকজন পর্যবেক্ষক নিয়মিত জেলায় গিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করছেন।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top