স্বদেশ ভট্টাচার্য, বসিরহাট: লোকনাথ ব্রহ্মচারীকে নিয়ে অনেক কাহিনি ঘোরে লোকমুখে। কচুয়া লোকনাথ মন্দিরের মাহাত্ম্য খুব প্রাচীন নয়। বড়জোর বছর ৩০।  প্রচারপত্র বিলি করে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর মাহাত্ম্য প্রচার করা হত। সেখানে উল্লেখ থাকত লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জন্ম ১৭৩০ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কচুয়া গ্রামে। অন্যমতে চাকলায়। এনিয়ে দ্বন্দ্ব সুবিদিত। কচুয়া গ্রামে লোকনাথ ব্রহ্মচারীর জন্মস্থানে একটি মন্দির স্থাপন করেন এক ভক্ত নিত্যগোপাল সাহা। তিনি আবার লোকনাথ মিশনের প্রতিষ্ঠাতা। পরে  লোকনাথ মিশন একটি নতুন মন্দির স্থাপন করে। দু’‌দশক হবে লোকনাথ মিশনের প্রচারের সুবাদে কচুয়ায় ভক্ত সমাগম দিনে দিনে বাড়তে থাকে। বর্তমানে লোকনাথ মিশনের এক কর্তা তথা কচুয়া উৎসব কমিটির সহ সভাপতি অলোক দত্ত বলেন, ‘লোকনাথ ব্রহ্মচারীর শ্বেতপাথরের মূর্তি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। নিত্য পুজো হয়। তবে লোকনাথ মন্দিরে জন্মাষ্টমী তিথিতে বিশেষ উৎসব হয়। লোকনাথবাবার আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে। ৩ দিন ধরে উৎসব চলে। কলকাতার কালীঘাট, বাগবাজার,  কুমারটুলি, ব্যারাকপুর, ভাটপাড়ার গঙ্গার ঘাট থেকে এবং বসিরহাটের ইছামতী, হাড়োয়ার বিদ্যাধরী, ন্যাজাটের বেতনি নদীর জল (‌গঙ্গাবারি)‌ নিয়ে পায়ে হেঁটে কয়েক লক্ষ ভক্ত কচুয়ায় আসেন। এছাড়া ১৯ জ্যৈষ্ঠ লোকনাথ ব্রহ্মচারীর তিরোধান দিবস উপলক্ষে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। সারাবছরই ভক্ত সমাগম হয় কচুয়ায়। কচুয়াধামকে অনেক ভক্ত তীর্থস্থান বলে মনে করেন।’‌ শিয়ালদা–‌হাসনাবাদ শাখায় কাঁকড়া‌ মির্জানগর স্টেশনের নাম ‘‌লোকনাথ ধাম’‌ করার দাবি তোলা হয়েছে।‌

লোকনাথ মন্দির। ছবি: প্রতিবেদক

জনপ্রিয়

Back To Top